ইমতিয়ার শামীম এর শান্ত নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সন্ত্রাস (ই-বুক: পর্যালোচনার জন্য উম্মুক্ত)
লিখেছেন: মুক্তাঙ্গন | ৩১ আগস্ট ২০০৮, রবিবার | ১৬ ভাদ্র ১৪১৫
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের গত (প্রায়) দু’বছরের কর্মকান্ড নিয়ে শ্রদ্ধেয় ব্লগার ইমতিয়ার শামীম শান্ত নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সন্ত্রাস নামের পর্যালোচনামূলক এই তথ্যবহুল ই-বুকটি লিখেছেন। এখান থেকে ডাউনলোড করুন । পাঠকদের প্রতি আহ্বান রইলো ই-বুকটি পড়ার এবং এ বিষয়ে মতামত দেবার। লেখক মনে করেন সবার সুচিন্তিত মতামত আর পর্যালোচনার ওপর ভিত্তি করে বইটির আরো মানোন্নয়ন সম্ভব। বইটির ওপর এখানে মন্তব্যাকারে মতামত দেয়া যাবে। আরেকটি বিষয়: যেহেতু বইটি এখনো খসড়া পর্যায়ে, তাই কপিরাইট ইত্যাদি বিষয়াদি বিবেচনার আলোকে সবাইকে সনির্বন্ধ অনুরোধ করবো লেখকের সরাসরি অনুমোদন ছাড়া যেন বইটির কোন অংশ তারা অন্য কোথাও উদ্ধৃত বা প্রকাশ না করেন। ধন্যবাদ।
১১ টি মন্তব্য/প্রতিক্রিয়া এসেছে এ পর্যন্ত:
আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে নিচের মন্তব্য-ফর্ম ব্যবহার করুন:
* ভাষা: মন্তব্যের ভাষা হওয়া উচিত (মূলত) বাংলা — অবশ্যই বাংলা হরফে। আর ভাষারীতি লেখ্যভাষা হিসেবে প্রচলিত প্রমিত বাংলা হওয়াই শ্রেয়।
** মডারেশন: মন্তব্যের ক্ষেত্রে এখানে প্রাক-অনুমোদন মডারেশনের চর্চা নেই। তবে যে-সব কারণ উপস্থিত থাকলে প্রকাশিত মন্তব্য বিনা নোটিশে (এবং কোনো ধরণের কারণ-দর্শানো ছাড়াই) পুরোপুরি মুছে দেয়ার বা আংশিক সম্পাদনা করার অধিকার "মুক্তাঙ্গন" সংরক্ষণ করে, সেগুলো হলো: (ক) সাধু এবং চলিত রীতির সংমিশ্রণ; (খ) ত্রুটিপূর্ণ বানানের আধিক্য; (গ) ভাষার দুর্বল, আঞ্চলিক, অগ্রহণযোগ্য বা ছাপার অযোগ্য প্রয়োগ; (ঘ) ব্যক্তিগত আক্রমণ প্রবণতা, ছিদ্রান্বেষণ ও কলহপ্রিয়তা; (ঙ) অপ্রাসঙ্গিকতা ও বক্তব্যহীনতা। এ ব্যাপারে মডারেশন টিমের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। তাই, চূড়ান্তভাবে পেশ করার আগে "প্রাকবীক্ষণ"-এর মাধ্যমে নিজ-মন্তব্যের প্রকাশিতব্য রূপ যাচাই করে নিন।
*** নিবন্ধিত লেখকদের প্রতি: লেখকের নিজস্ব পাতার প্রকাশিত কাজের তালিকায় আপনার পেশ করা মন্তব্যের তালিকাভুক্তি নিশ্চিত করতে লগ-ইন করা অবস্থায় মন্তব্য করুন।















১৬ ভাদ্র ১৪১৫ [মন্তব্য-লিন্ক]
লেখককে ধন্যবাদ বিশ্লেষণমূলক এই কাজটির জন্য। পুরোটা আরো ভালোভাবে পড়ে মন্তব্য করার আশা রাখি।
১৬ ভাদ্র ১৪১৫ [মন্তব্য-লিন্ক]
ইমতিয়ার শামীমের ই-বুকটি এক নজর দেখার মত করে দেখে নিলাম। ভাল করে পড়ার সু্যোগ হয়ে উঠে নি। দেশের ইতিহাসের একটি বিশেষ সময়কে ধরতে চেয়েছেন তিনি। কিছু সত্য কথা অকপটে প্রকাশ করেছেন। এই কথাগুলি কোন নিগূঢ় তত্ত্ব কথা নয়। খালি চোখে এগুলি দেখেও গনতন্ত্রের চরম পরকাষ্ঠা দেখানো অনেক পত্রিকা ও বুদ্ধিজীবীগন মানুষকে এতদিন যা দেখাতে পারেন নি, তাই তুলে এনেছেন তিনি। এই বইটি সময়ের বিবেচনায় খুবই গুরুত্বপূর্ন, এর নাম নির্বাচন খুব প্রাসংগিক এবং এর বিভিন্ন দিক নিয়ে বিশদ আলোচনা হতে পারে বলে বিশ্বাস করি। এই আলোচনায় অংশ নেয়ার ইচ্ছা রইল।
গত ৫ জুন ‘০৮ তারিখের প্রথম আলোতে প্রকাশিত ডঃ কামাল হোসেনের যে লিখাটির কথা এই বইয়ে বলা হয়েছে প্রথম আলোর আর্কাইভে ঐ আর্টিকেলটি খুঁজে পেলাম না। সেই আর্টিকেল পড়ার কৌতুহল রয়ে গেল।
১৬ ভাদ্র ১৪১৫ [মন্তব্য-লিন্ক]
ড. কামালের লেখাটি যেদিন ছাপা হয়, তার মাত্র একদিন পর আর্কাইভে হানা দিয়ে আমিও দেখতে পাই যে, লেখাটি আর নেই। পরে আমার এক শুভার্থী লেখাটি স্ক্যান করে পাঠান। সৈকত আচার্যের যদি এখনও লেখাটি পড়ার আগ্রহ থাকে, তা হলে আমি সেটি পাঠাতে পারি। ধন্যবাদ, ই-বুকটি দেখবার জন্যে।
১৬ ভাদ্র ১৪১৫ [মন্তব্য-লিন্ক]
ওই লেখাটি পেলে উপকৃত হব। আপনাকে অনেক ধন্যবাদ, এই অনুরোধটুকু
মনে রাখার জন্য।
১৬ ভাদ্র ১৪১৫ [মন্তব্য-লিন্ক]
স্ক্যান করা কপিটি পাঠালে আপলোড করে দেয়া যেতে পারে।
১৬ ভাদ্র ১৪১৫ [মন্তব্য-লিন্ক]
ইমতিয়ার শামীমকে ধন্যবাদ ড. কামাল হোসেনের স্ক্যান করা লেখাটা পাঠানোর জন্য। নিচের এই দু’টো লিন্ক থেকে ডাউনলোডের জন্য:
এখানে এবং এখানে।
১৬ ভাদ্র ১৪১৫ [মন্তব্য-লিন্ক]
ইমতিয়ার শামীমকে ধন্যবাদ। আপনি(বইটি লিখে) বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের অংশ হয়ে গেলেন।
তত্ত্বাবধায়ক সরকার পৃথিবীর বিভিন্ন দেশেই বিভিন্ন সময়ের জন্য এসছিল। কাজ সেরে আবার চলেও গেছে, এমনকি বাংলাদেশেও। কিন্তু বতর্মান সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকার ধারণার এমন একটি মন্দরূপ দাড় করাল, পুরো বিশ্বেই বাংলাদেশের নাম অন্যভাবে উচ্চারিত হতে বাধ্য।
১৬ ভাদ্র ১৪১৫ [মন্তব্য-লিন্ক]
পড়ে ভাল লাগল। যুক্তিসংগতও মনে হল। তত্ত্বাবধায়ক সরকার যেসব পদক্ষেপ নিয়েছিলেন, তার পেছনের কারণগুলি খুব স্পষ্টভাবে আমি বুঝতে না পারলেও এখন অনেকটাই স্পষ্ট। তবে এখন এই সরকার যেভাবে পিছু হটছেন, তার সঙ্গে তাদের আগেকার উদ্যোগগুলিকে কীভাবে মেলানো যাবে? কেন তারা পিছু হটছেন? রাজনৈতিক দলগুলির ওপরেই আবার সব দায়িত্ব তুলে দিচ্ছেন? এই ব্যাপারগুলি ঠিক বুঝতে পারছি না।
১৬ ভাদ্র ১৪১৫ [মন্তব্য-লিন্ক]
মাঠ সমতল করা,- তত্ত্বাবধায়ক সরকার কিন্তু শুরু থেকে এ কাজটিই করে আসছেন। আর রাজনীতিকদের হাতেই যে তারা শেষ পর্যন্ত দায়িত্ব দেবেন, সেটাও শুরু থেকেই কিন্তু বলে আসছেন। তবে পরিকল্পনায় বড় ধরনের রদবদল ঘটার একটি কারণ হতে পারে, ভয়াবহ বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দা। এই মন্দার কারণে যেখানে খোদ যুক্তরাষ্ট্রেই প্রতিষ্ঠানগুলো জাতীয়করণ করা শুরু হয়েছে, সেখানে এই বাংলায় ফখরুদ্দীন ভাইরা ঝুঁকি আর বাড়াবেন কেন? এর মধ্যে মায়ানমারের তেল হস্তক্ষেপ কেন ঘটল, এর সঙ্গে আন্তর্জাতিক কি কি স্বার্থ রয়েছে, কিংবা হস্তক্ষেপের আগে কোনও স্বার্থ না থাকলেও হস্তক্ষেপের পর কি কি স্বার্থের স্থান তৈরি হয়েছে, ভারতের মুম্বাই পর্ব উপমহাদেশে কী ভবিষ্যত ডেকে আনবে, রাশিয়া ও চীন এসব ঘটনাকে কীভাবে দেখছে, সেসব আমাদের চিন্তা করার বিষয়।
চূড়ান্ত অর্থে তত্ত্বাবধায়ক সরকার কিন্তু কোনও পরিকল্পনা থেকে আসে নি; বড় জোর বলা যায়, তারা পরিকল্পনাগুলো এখন নির্বাচিত সরকারের মাধ্যমেই করাতে চাইছেন এবং সেক্ষেত্রে পুরানো পাপীদেরই বেছে নিচ্ছেন। কেননা, ‘পুরানো চাল ভাতে বাড়ে।’ ‘পুরানো স্যান্ডেল পরতে আরাম।’ প্রতিষ্ঠিত দলকে চ্যালেঞ্জ করতে গিয়ে তারা দেখছেন, ঝুঁকি আরও বাড়ছে। অতএব পুরানো পাপীদের সঙ্গে শেয়ার করতে চলেছেন সব কিছু। এসবই আমার ব্যক্তিগত ধারণা। কয়েকদিন আগে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ড. তামিম সাহেব বলেছেন, নির্বাচিত সরকারকে তিন মাসের মধ্যেই সাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান এবং কয়লা উত্তোলনের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। এই ভদ্রলোককে সরিয়ে দেয়ার দাবিতে অনেকদিন হলোই দাবি জানানো হচ্ছে। বোধকরি তাঁর এ কথাও অনেক কিছুর ইঙ্গিত দিচ্ছে। এর আগে চারদলীয় জোট ক্ষমতায় আসার পরপরই সাইফুর রহমানকে আমরা বলতে শুনেনি, মাটির নিচে গ্যাস রেখে কী লাভ হবে? তারও অনেক আগে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকেও আমরা গ্যাস ভারতে সরবরাহের কথাবার্তা বলতে শুনেছি। দেশের সম্পদ বিদেশীদের হাতে তুলে দেয়ার সঙ্গে অবৈধ সরকারদের একটা যোগসাজশ থাকে। আর যদি সেটা হয় নির্বাচিত সরকার, তা হলে তো আরও পোয়াবারো।
পল ভাই, আমরা আসলে বোকা, নইলে রাজনীতিক দলগুলো এবারের নির্বাচনী ইশতেহারে বা নির্বাচনী প্রচারণায় দেশের সম্পদ দেশেই রাখার ব্যাপারে কি বলছে, ভারী শিল্পগুলি রক্ষণাবেক্ষণের ব্যাপারে কি করছে, প্রাথমিক শিক্ষাকে বেসরকারীকরণের ব্যাপারে কি নীতি নিচ্ছে ইত্যাদি দিকেই বেশি মনযোগী হতাম।
১৬ ভাদ্র ১৪১৫ [মন্তব্য-লিন্ক]
‘শান্ত নিরপেক্ষ তত্ত্বাবধায়ক সন্ত্রাস’ নিয়ে একটি আলোচনা দৈনিক সংবাদের সাহিত্য সাময়িকীতে। পড়া যাবে এখান থেকে।
১৬ ভাদ্র ১৪১৫ [মন্তব্য-লিন্ক]
সংবাদের লেখাটি পড়েছি। এখন আপনার মূল লেখাটি পড়ে কিছু কথা বলার ইচ্ছা রাখি।