<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?><rss version="2.0"
	xmlns:content="http://purl.org/rss/1.0/modules/content/"
	xmlns:dc="http://purl.org/dc/elements/1.1/"
	xmlns:atom="http://www.w3.org/2005/Atom"
	xmlns:sy="http://purl.org/rss/1.0/modules/syndication/"
		>
<channel>
	<title>শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন : এর উপর মন্তব্যসমূহ </title>
	<atom:link href="http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98/feed" rel="self" type="application/rss+xml" />
	<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98</link>
	<description>নির্মাণ ব্লগ ‌- বাঙালির ব্লগ - বাংলায় ব্লগ - মুক্তচিন্তার ব্লগ</description>
	<lastBuildDate>Thu, 11 Mar 2010 18:19:40 +0600</lastBuildDate>
	<generator>http://wordpress.org/?v=abc</generator>
	<sy:updatePeriod>hourly</sy:updatePeriod>
	<sy:updateFrequency>1</sy:updateFrequency>
		<item>
		<title>লিখেছেন :মুক্তাঙ্গন</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-188</link>
		<dc:creator>মুক্তাঙ্গন</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-188</guid>
		<description>বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক বিষয় আলোচনায় এনেছেন ব্লগার এবং মন্তব্যকারীরা। এভাবেই যদি অনন্তকাল আলোচনাটা চালিয়ে নেয়া যেত তাহলেও মন্দ হোতো না। কিন্তু সংগত কারণেই আলোচনাটায় ইতি টানতে হচ্ছে, সদস্য ব্লগারদের অনুরোধক্রমে। 

সবার প্রতি আহ্বান রইলো মুক্তাঙ্গনের অন্যান্য পোস্টগুলোতেও এমন সুচিন্তিত অংশগ্রহণের। বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সাম্প্রতিক আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা দানা বেঁধে উঠছে। আশা করবো সকল ব্লগার আর মন্তব্যকারীদের কলম এবং চিন্তা সেসবের বিশ্লেষণে কেন্দ্রীভূত হবে। 

সবাইকে ধন্যবাদ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক বিষয় আলোচনায় এনেছেন ব্লগার এবং মন্তব্যকারীরা। এভাবেই যদি অনন্তকাল আলোচনাটা চালিয়ে নেয়া যেত তাহলেও মন্দ হোতো না। কিন্তু সংগত কারণেই আলোচনাটায় ইতি টানতে হচ্ছে, সদস্য ব্লগারদের অনুরোধক্রমে। </p>
<p>সবার প্রতি আহ্বান রইলো মুক্তাঙ্গনের অন্যান্য পোস্টগুলোতেও এমন সুচিন্তিত অংশগ্রহণের। বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সাম্প্রতিক আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা দানা বেঁধে উঠছে। আশা করবো সকল ব্লগার আর মন্তব্যকারীদের কলম এবং চিন্তা সেসবের বিশ্লেষণে কেন্দ্রীভূত হবে। </p>
<p>সবাইকে ধন্যবাদ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :অস্মিতা</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-324</link>
		<dc:creator>অস্মিতা</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-324</guid>
		<description>&lt;strong&gt;#মোশাররফ#৪৬:&lt;/strong&gt;

&lt;strong&gt;&lt;em&gt;&quot;তার (ইন্সিডেনটালের) লেখাকে কেন্দ্র করে যেটুকু তাচ্ছিল্য হয়েছে তা তার লেখার কনটেন্টের কারণেই যে হয়েছে তা কী বলা যায় না?&quot;&lt;/em&gt;- মোশাররফ&lt;/strong&gt;

মোশাররফ সাহেবের সাথে একমত না হয়ে পারছিনা। কিছুটা তাচ্ছিল্য ইন্সিডেনটালের নিশ্চয়ই প্রাপ্য। যেহেতু তিনি (ইন্সিডেনটাল) উপর্যুপুরি &quot;অসভ্য&quot;, &quot;কুরুচিপূর্ণ&quot;, &quot;বকলম&quot; - তিনি অন্য অনেক কিছুর পাশাপাশি বাসদের সাহিত্য রুচি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন - একথা বুঝতেই পারেননি (বা বোঝার চেষ্টা করেননি) যে সাহিত্যরুচি মানুষের একেবারে নিজস্ব একটি বিষয়। যেটি তিনি নিজে দাবি করেছেন বাসদের কাছ থেকে - সেই  একই অধিকার (প্রেসক্রিপশনহীন সাহিত্য পঠনের এবং রসাস্বাদনের অধিকার) তিনি বাসদের নেতাকর্মীদের দেবেননা কিংবা তাদের রুচি নিয়ে এমনকি ঠাট্টা তামাশাও করবেন তা নিঃসন্দেহেই সংগত নয়, সমর্থনযোগ্য তো নয়ই। আমি মনে করি - এমনকি প্রবলভাবে বিশ্বাস করি যে - বাসদের নেতাকর্মীরা যদি শিবদাস ঘোষের &quot;মুকছেদুল মুমেনিন&quot; বা চটি সিরিজ বুকে চেপে এবং শরৎ চাটুজ্জে বালিশের নিচে রেখে ঘুমুতে যান তবে তা নিতান্তই তাদের নিজস্ব বিষয়। এমনকি &quot;ইতিহাস নির্ধারিত পথে হাঁটাহাটি করে&quot; কষ্টকর তাত্ত্বিক আলোচনা এবং শ্রেনীসংগ্রামের কঠিন দায়িত্ব পালনের পর দিন শেষে যদি তারা শরৎ চাটুজ্জের নায়ক-নায়িকার বেদনা ও সংগ্রাম তাদের &quot;সভ্য&quot;, &quot;সুরুচিপূর্ণ&quot; এবং &quot;সর্বহারা&quot; হৃদয়ে ধারণ করে কেঁদে বালিশ ভেজান তবে নিশ্চয়ই তা তাদের মৌলিক মানবাধিকারের পর্যায়েই পড়ে। এ বিষয়ে কোনরকম বাজে প্রশ্ন তোলার ইন্সিডেনটাল কে?

ইন্সিডেনটালের (এবং কিছু &quot;উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মন্তব্য লেখকের&quot;) আরো কিছু তাচ্ছিল্য প্রাপ্য একারণে যে, তিনি (তারা) দেশ ও জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে বাসদের নেতৃবৃন্দের এমন &quot;বেড়ালোচিত&quot; (ইন্সিডেনটালের ভাষায় &quot;মিউ মিউ&quot;) ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এটি  এমনকি খুবই অন্যায় হয়েছে বলে মনে করি। তাদের (ইন্সিডেনটাল ও অন্যান্যদের) মনে রাখা উচিত ছিল যে জলপাই শাসকেরা মার্কস এঙ্গেলস পড়েননা, এমনকি শিবদাস খালেকুজ্জামান বা শরৎ চাটুজ্জে পর্যন্ত পড়েন না যে তাদের সাথে ভদ্র পদের কোন তর্ক বা বিবাদে যাওয়া যায়। সুব্রত যেমন বলেছেন - বিতর্ক হতে হবে দু&#039;জন &quot;সৎ মানুষের মধ্যে&quot;। তাছাড়া যে দু&#039;চারজন প্রতিবাদ করেছেন তাদের অবস্থাটা কি আমরা চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছিনা? যে দুই নেত্রী জলপাই শাসনের রুদ্র রোষে পড়ে জেলে গেলেন, তারা দু&#039;জনেই কমবেশী &quot;মেধাশূন্য&quot;, &quot;অবলা&quot;, এবং &quot;বুর্জোয়া&quot; নারী। জেল খাটা, অত্যাচার অনাচার সহ্য করা নিশ্চয়ই তাদেরই মানায়। এমতাবস্থায় বেমক্কা প্রতিবাদ করে (শান্ত&#039;র ভাষায় &quot;হঠকারী&quot; সিদ্ধান্ত নিয়ে) অগুনতি ভক্ত নেতাকর্মীদের যত্নে লালিত এবং জনগণের অর্থে &quot;পালিত&quot; বাসদের &quot;তাত্ত্বিক&quot; নেতারা জলপাইধারীদের রুদ্র রোষের শিকার হলে ক্ষতি তো আমাদেরই  ‌- কারণ সর্ব অর্থে শরীরে ও মনে তারা তো জনগণেরই &quot;সম্পদ&quot;।

মন্তব্য লেখকদের মধ্যে শান্ত&#039;র প্রতি বাসদের দলগত স্নেহ ও আস্থা দেখে হৃদয় ভরে গেল &lt;em&gt;(&quot;শান্ত’র আলোচনায় বাসদের রাজনৈতিক অবস্থান  এতো ভালভাবে এসেছে যে তাকে অনেকেই বাসদের কর্মী হিসেবেই দেখেছেন - মোশাররফ)&lt;/em&gt;। তার (শান্ত&#039;র) যুক্তি ও তর্কের কনটেন্ট ও মান নিয়ে (পুনরায়) প্রশ্ন তুলবোনা - শুধুমাত্র এই কারণে যে একজন কর্মী (থুক্কু &quot;সমর্থক বা &quot;শুভার্থি&quot;) হিসেবে বাসদের মুখরক্ষার এই দায়িত্ব (গুরু বা লঘু) তার একার  হওয়ার কথা ছিলোনা। ভবিষ্যতে নিজেদের কর্মীদের (থুক্কু &quot;সমর্থকদের&quot;) তোপের মুখে ঠেলে দিয়ে পেছন থেকে পিঠ চাপড়ে দেওয়ার এই নেহায়েতই কাপুরুষোচিত ভূমিকাটি ত্যাগ করবেন বলে আশা করি।

এত সব প্রশ্নোত্তর এবং ভাব বিনিময়ের পরও মনে একটি প্রশ্ন থেকেই গেল। সমাজতান্ত্রিক ধ্যানধারণার বিষয়ে &quot;ঈমান&quot; তেমন পোক্ত হয়নি বলে, অথবা হয়তো নিছক নারী বলেই (জানেনই তো পৃথিবীর প্রধান কয়েকটি ধর্ম অনুযায়ী এর একটি কারণ শরীরবৃত্তীয় - &quot;বক্র পাঁজরাস্থি&quot; থেকে উদ্ভব হেতু অযাচিত বক্র চিন্তাভাবনা আমাদের আবার স্বভাবজাত) পুরনো একটি প্রসঙ্গের অবতারণা আবারও করতে হচ্ছে।  মন্তব্যকারীদের কাউকে দেখলাম এই ভেবে খানিকটা আহ্লাদিত যে এই প্রথম বাংলাদেশী কোন রাজনীতিবিদ (কমরেড খালেকুজ্জামান) কারো সাহিত্য মূল্যায়নের গুরুদায়িত্বটি হাতে নিয়েছেন (বা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন)। ভাবছি, আজ যদি সেই পথ স্মরণ করে, এবং সেই কীর্তি ধ্বজা ধরে গোলাম আযম সাহেবরাও কবি সাহিত্যিকদের &quot;ইসলামিক মূল্যায়নে&quot; নেমে পড়েন (যেমনটি হয়েছিল শ্রদ্ধেয় হুমায়ুন আজাদ, আহমদ শরীফ কিংবা তসলিমা নাসরিনদের বেলায়) তাহলেও কি আপনারা এমন আহ্লাদিতই থাকবেন? 

পরিশেষে, এত সব আলোচনার পর &quot;ইন্সিডেনটাল কি বুঝেছেন&quot; সেটি নিয়ে মোশাররফকে বিশেষ চিন্তিত হতে দেখলাম (&lt;em&gt;&quot;ইনসিডেন্টাল ব্লগার এর যে লেখা নিয়ে এ আলোচনা এতদিন হয়েছে তাতে ইনসিডেন্টাল ব্লগার কী বুঝলেন তা একটি মূখ্য প্রশ্ন&quot; ‌- মোশাররফ&lt;/em&gt;)। আমি এবং আমার মত সাধারণ মানুষদের কাছে কিন্তু ইন্সিডেনটাল কি বুঝলেন তা মূখ্য নয়। আমাদের কাছে বরং তার চাইতেও অনেক বেশী জরুরী এইটি জানা যে আপনারা এই আলোচনা থেকে দল হিসেবে কর্মী হিসেবে কি বুঝলেন, কি শিখলেন? ইন্সিডেনটাল গণচাঁদায় বাঁচেন না, আপনারা বাঁচেন। ইন্সিডেনটাল একজন ব্যক্তি, আর আপনারা একটি রাজনৈতিক দল - সুতরাং জনগণের প্রশ্নের উত্তর দেবার দায় ইন্সিডেনটালের নেই, আপনাদের আছে।

যাই হোক, গত কয়েক সপ্তাহে দু&#039;পক্ষের মতবিনিময় বা অবিনিময় দেখে আমি মোটামুটি স্বীকার করে নিতে প্রস্তুত যে আপনারা &quot;ভালো লক্ষী সবাই  - আমরা ভারী বিশ্রী&quot; (ভয়ে ভয়ে সুকুমার রায়ের &quot;হিংসুটিদের গান&quot; দ্রষ্টব্য; আরো অনেকের মতই বেচারী কবি জীবদ্দশায় শ্রেনীসংগ্রামের ডাক দিতে ভুলে গিয়েছিলেন। নিজের অজান্তেই তাই তাঁর বেশ খানিকটা &quot;উপলদ্ধির ঘাটতি&quot; থেকে গেল)। 

এভাবে দল বেঁধে আঁড়ি নিয়ে চলে যাবেন না যেন। ভবিষ্যতে আপনাদের আরো অংশগ্রহণ দেখতে পাবো এই আশা নিয়ে শেষ করছি।  সবাই ভালো থাকবেন এই কামনায়।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p><strong>#মোশাররফ#৪৬:</strong></p>
<p><strong><em>&#8220;তার (ইন্সিডেনটালের) লেখাকে কেন্দ্র করে যেটুকু তাচ্ছিল্য হয়েছে তা তার লেখার কনটেন্টের কারণেই যে হয়েছে তা কী বলা যায় না?&#8221;</em>- মোশাররফ</strong></p>
<p>মোশাররফ সাহেবের সাথে একমত না হয়ে পারছিনা। কিছুটা তাচ্ছিল্য ইন্সিডেনটালের নিশ্চয়ই প্রাপ্য। যেহেতু তিনি (ইন্সিডেনটাল) উপর্যুপুরি &#8220;অসভ্য&#8221;, &#8220;কুরুচিপূর্ণ&#8221;, &#8220;বকলম&#8221; &#8211; তিনি অন্য অনেক কিছুর পাশাপাশি বাসদের সাহিত্য রুচি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন &#8211; একথা বুঝতেই পারেননি (বা বোঝার চেষ্টা করেননি) যে সাহিত্যরুচি মানুষের একেবারে নিজস্ব একটি বিষয়। যেটি তিনি নিজে দাবি করেছেন বাসদের কাছ থেকে &#8211; সেই  একই অধিকার (প্রেসক্রিপশনহীন সাহিত্য পঠনের এবং রসাস্বাদনের অধিকার) তিনি বাসদের নেতাকর্মীদের দেবেননা কিংবা তাদের রুচি নিয়ে এমনকি ঠাট্টা তামাশাও করবেন তা নিঃসন্দেহেই সংগত নয়, সমর্থনযোগ্য তো নয়ই। আমি মনে করি &#8211; এমনকি প্রবলভাবে বিশ্বাস করি যে &#8211; বাসদের নেতাকর্মীরা যদি শিবদাস ঘোষের &#8220;মুকছেদুল মুমেনিন&#8221; বা চটি সিরিজ বুকে চেপে এবং শরৎ চাটুজ্জে বালিশের নিচে রেখে ঘুমুতে যান তবে তা নিতান্তই তাদের নিজস্ব বিষয়। এমনকি &#8220;ইতিহাস নির্ধারিত পথে হাঁটাহাটি করে&#8221; কষ্টকর তাত্ত্বিক আলোচনা এবং শ্রেনীসংগ্রামের কঠিন দায়িত্ব পালনের পর দিন শেষে যদি তারা শরৎ চাটুজ্জের নায়ক-নায়িকার বেদনা ও সংগ্রাম তাদের &#8220;সভ্য&#8221;, &#8220;সুরুচিপূর্ণ&#8221; এবং &#8220;সর্বহারা&#8221; হৃদয়ে ধারণ করে কেঁদে বালিশ ভেজান তবে নিশ্চয়ই তা তাদের মৌলিক মানবাধিকারের পর্যায়েই পড়ে। এ বিষয়ে কোনরকম বাজে প্রশ্ন তোলার ইন্সিডেনটাল কে?</p>
<p>ইন্সিডেনটালের (এবং কিছু &#8220;উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মন্তব্য লেখকের&#8221;) আরো কিছু তাচ্ছিল্য প্রাপ্য একারণে যে, তিনি (তারা) দেশ ও জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে বাসদের নেতৃবৃন্দের এমন &#8220;বেড়ালোচিত&#8221; (ইন্সিডেনটালের ভাষায় &#8220;মিউ মিউ&#8221;) ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এটি  এমনকি খুবই অন্যায় হয়েছে বলে মনে করি। তাদের (ইন্সিডেনটাল ও অন্যান্যদের) মনে রাখা উচিত ছিল যে জলপাই শাসকেরা মার্কস এঙ্গেলস পড়েননা, এমনকি শিবদাস খালেকুজ্জামান বা শরৎ চাটুজ্জে পর্যন্ত পড়েন না যে তাদের সাথে ভদ্র পদের কোন তর্ক বা বিবাদে যাওয়া যায়। সুব্রত যেমন বলেছেন &#8211; বিতর্ক হতে হবে দু&#8217;জন &#8220;সৎ মানুষের মধ্যে&#8221;। তাছাড়া যে দু&#8217;চারজন প্রতিবাদ করেছেন তাদের অবস্থাটা কি আমরা চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছিনা? যে দুই নেত্রী জলপাই শাসনের রুদ্র রোষে পড়ে জেলে গেলেন, তারা দু&#8217;জনেই কমবেশী &#8220;মেধাশূন্য&#8221;, &#8220;অবলা&#8221;, এবং &#8220;বুর্জোয়া&#8221; নারী। জেল খাটা, অত্যাচার অনাচার সহ্য করা নিশ্চয়ই তাদেরই মানায়। এমতাবস্থায় বেমক্কা প্রতিবাদ করে (শান্ত&#8217;র ভাষায় &#8220;হঠকারী&#8221; সিদ্ধান্ত নিয়ে) অগুনতি ভক্ত নেতাকর্মীদের যত্নে লালিত এবং জনগণের অর্থে &#8220;পালিত&#8221; বাসদের &#8220;তাত্ত্বিক&#8221; নেতারা জলপাইধারীদের রুদ্র রোষের শিকার হলে ক্ষতি তো আমাদেরই  ‌- কারণ সর্ব অর্থে শরীরে ও মনে তারা তো জনগণেরই &#8220;সম্পদ&#8221;।</p>
<p>মন্তব্য লেখকদের মধ্যে শান্ত&#8217;র প্রতি বাসদের দলগত স্নেহ ও আস্থা দেখে হৃদয় ভরে গেল <em>(&#8220;শান্ত’র আলোচনায় বাসদের রাজনৈতিক অবস্থান  এতো ভালভাবে এসেছে যে তাকে অনেকেই বাসদের কর্মী হিসেবেই দেখেছেন &#8211; মোশাররফ)</em>। তার (শান্ত&#8217;র) যুক্তি ও তর্কের কনটেন্ট ও মান নিয়ে (পুনরায়) প্রশ্ন তুলবোনা &#8211; শুধুমাত্র এই কারণে যে একজন কর্মী (থুক্কু &#8220;সমর্থক বা &#8220;শুভার্থি&#8221;) হিসেবে বাসদের মুখরক্ষার এই দায়িত্ব (গুরু বা লঘু) তার একার  হওয়ার কথা ছিলোনা। ভবিষ্যতে নিজেদের কর্মীদের (থুক্কু &#8220;সমর্থকদের&#8221;) তোপের মুখে ঠেলে দিয়ে পেছন থেকে পিঠ চাপড়ে দেওয়ার এই নেহায়েতই কাপুরুষোচিত ভূমিকাটি ত্যাগ করবেন বলে আশা করি।</p>
<p>এত সব প্রশ্নোত্তর এবং ভাব বিনিময়ের পরও মনে একটি প্রশ্ন থেকেই গেল। সমাজতান্ত্রিক ধ্যানধারণার বিষয়ে &#8220;ঈমান&#8221; তেমন পোক্ত হয়নি বলে, অথবা হয়তো নিছক নারী বলেই (জানেনই তো পৃথিবীর প্রধান কয়েকটি ধর্ম অনুযায়ী এর একটি কারণ শরীরবৃত্তীয় &#8211; &#8220;বক্র পাঁজরাস্থি&#8221; থেকে উদ্ভব হেতু অযাচিত বক্র চিন্তাভাবনা আমাদের আবার স্বভাবজাত) পুরনো একটি প্রসঙ্গের অবতারণা আবারও করতে হচ্ছে।  মন্তব্যকারীদের কাউকে দেখলাম এই ভেবে খানিকটা আহ্লাদিত যে এই প্রথম বাংলাদেশী কোন রাজনীতিবিদ (কমরেড খালেকুজ্জামান) কারো সাহিত্য মূল্যায়নের গুরুদায়িত্বটি হাতে নিয়েছেন (বা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন)। ভাবছি, আজ যদি সেই পথ স্মরণ করে, এবং সেই কীর্তি ধ্বজা ধরে গোলাম আযম সাহেবরাও কবি সাহিত্যিকদের &#8220;ইসলামিক মূল্যায়নে&#8221; নেমে পড়েন (যেমনটি হয়েছিল শ্রদ্ধেয় হুমায়ুন আজাদ, আহমদ শরীফ কিংবা তসলিমা নাসরিনদের বেলায়) তাহলেও কি আপনারা এমন আহ্লাদিতই থাকবেন? </p>
<p>পরিশেষে, এত সব আলোচনার পর &#8220;ইন্সিডেনটাল কি বুঝেছেন&#8221; সেটি নিয়ে মোশাররফকে বিশেষ চিন্তিত হতে দেখলাম (<em>&#8220;ইনসিডেন্টাল ব্লগার এর যে লেখা নিয়ে এ আলোচনা এতদিন হয়েছে তাতে ইনসিডেন্টাল ব্লগার কী বুঝলেন তা একটি মূখ্য প্রশ্ন&#8221; ‌- মোশাররফ</em>)। আমি এবং আমার মত সাধারণ মানুষদের কাছে কিন্তু ইন্সিডেনটাল কি বুঝলেন তা মূখ্য নয়। আমাদের কাছে বরং তার চাইতেও অনেক বেশী জরুরী এইটি জানা যে আপনারা এই আলোচনা থেকে দল হিসেবে কর্মী হিসেবে কি বুঝলেন, কি শিখলেন? ইন্সিডেনটাল গণচাঁদায় বাঁচেন না, আপনারা বাঁচেন। ইন্সিডেনটাল একজন ব্যক্তি, আর আপনারা একটি রাজনৈতিক দল &#8211; সুতরাং জনগণের প্রশ্নের উত্তর দেবার দায় ইন্সিডেনটালের নেই, আপনাদের আছে।</p>
<p>যাই হোক, গত কয়েক সপ্তাহে দু&#8217;পক্ষের মতবিনিময় বা অবিনিময় দেখে আমি মোটামুটি স্বীকার করে নিতে প্রস্তুত যে আপনারা &#8220;ভালো লক্ষী সবাই  &#8211; আমরা ভারী বিশ্রী&#8221; (ভয়ে ভয়ে সুকুমার রায়ের &#8220;হিংসুটিদের গান&#8221; দ্রষ্টব্য; আরো অনেকের মতই বেচারী কবি জীবদ্দশায় শ্রেনীসংগ্রামের ডাক দিতে ভুলে গিয়েছিলেন। নিজের অজান্তেই তাই তাঁর বেশ খানিকটা &#8220;উপলদ্ধির ঘাটতি&#8221; থেকে গেল)। </p>
<p>এভাবে দল বেঁধে আঁড়ি নিয়ে চলে যাবেন না যেন। ভবিষ্যতে আপনাদের আরো অংশগ্রহণ দেখতে পাবো এই আশা নিয়ে শেষ করছি।  সবাই ভালো থাকবেন এই কামনায়।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :সান্ত্বনা</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-323</link>
		<dc:creator>সান্ত্বনা</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-323</guid>
		<description>মুক্তাঙ্গনে ইনসিডেন্টাল ব্লগারের এই লেখাটা পড়লাম। পড়লাম নানা বিচিত্র স্বাদের (শুধু অম্লমধুর নয়) অজস্র মন্তব্য ও প্রতিমন্তব্যগুলো। কেবল যুক্তি-তর্ক দিয়ে সত্যিই এগোনো যাবে ভাবছেন আপনারা? আমার তো মনে হয় প্রয়োজন সংলাপের। তা যে এখানেই, এখনই হতে হবে তা অবশ্য নয়। 
সেই সঙ্গে মার্কসীয় দলগুলোর নেতা-কর্মীদের মধ্যেও নানা বিষয়ে সংলাপ হওয়া দরকার। মতান্ধতা, কে না জানে, সুস্থ সাহিত্যবোধেরও পরিপন্থী। সুস্থ জীবনবোধের পরিপন্থী তো বটেই।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>মুক্তাঙ্গনে ইনসিডেন্টাল ব্লগারের এই লেখাটা পড়লাম। পড়লাম নানা বিচিত্র স্বাদের (শুধু অম্লমধুর নয়) অজস্র মন্তব্য ও প্রতিমন্তব্যগুলো। কেবল যুক্তি-তর্ক দিয়ে সত্যিই এগোনো যাবে ভাবছেন আপনারা? আমার তো মনে হয় প্রয়োজন সংলাপের। তা যে এখানেই, এখনই হতে হবে তা অবশ্য নয়।<br />
সেই সঙ্গে মার্কসীয় দলগুলোর নেতা-কর্মীদের মধ্যেও নানা বিষয়ে সংলাপ হওয়া দরকার। মতান্ধতা, কে না জানে, সুস্থ সাহিত্যবোধেরও পরিপন্থী। সুস্থ জীবনবোধের পরিপন্থী তো বটেই।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :অলকেশ</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-321</link>
		<dc:creator>অলকেশ</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-321</guid>
		<description>&lt;strong&gt;@ শান্তঃ 
বাসদের কোন আলোচনায়-বক্তব্যে দেখলেন যে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়ে এসেছে???&lt;/strong&gt;
=======
একটু পেছন ফিরে দেখি । ২২ জানুয়ারীর পাতানো নির্বাচনে ১৪ দল যখন প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছিলেন তখন আপনারা ও মনোনয়ন দিয়েছিলেন আলাদা ভাবে । তখন এটা পরিস্কার যে,  একটা পাতানো নির্বাচন হতে যাচ্ছে । দেশবাসী বুঝেছিল । আওয়ামী  লীগ ক্ষমতার উদগ্র বাসনায় অস্থির ছিল । তারা যে কোন কিছুর বিনিময়ে খেলাফত মজলিসের সাথে হাত মিলিয়ে হলেও ক্ষমতায় যেতে চেয়েছিল । তারা বুঝে ও বুঝতে চায় নি । সেই সময় স্ট্যান্ড নিতে পারেন নি । শক্ত ভাবে । বলতে পারেন নি যে, আমরা যাব না । ১৪ দল মনোনয়ন প্রত্যাহার করলো । আপনারা ও করলেন । কিন্ত বিবেচনা কি ছিল? মাত্র দু’দিন আগেই প্রার্থী দিয়েছিলেন । ঐ সময় সে বিবেচনা কাজ করেনি কেন? এই কথা বলছি এই কারনে যে, জনগনের নার্ভ বুঝাটা ও একটা রাজনীতি । যদি ও জনগন যখন যা চায় বা যা ভাবে তার সাথে সবসময় সাঁয় দেয়া আবার সুবিধাবাদের নামান্তর । হাসিনা - খালেদার arrest নিয়ে টু শব্দটি করলেন না । গভীর ভাবে ভেবে দেখলে বুঝতেন এটা (arrest) একটা নীতি নির্ধারনী সিদ্ধান্ত । বিশেষ করে এঁদের দুজনের বিষয়টি ।  কারন যে সব অভিযোগ গুলি আনা হয়েছে তার বিচার এরা করার ক্ষমতা রাখেনা । এই কারনে নীতি নির্ধারনী এখতিয়ার তাদের দেয়া ও হ্য় নি । নাগরিক সচেতনতার  মাধ্যমে একমাত্র  কোন গনতান্ত্রিক সরকারের তত্ত্বাবধানে এ জাতীয় উদ্যোগ কল্পনা করা যেতে পারে । যখনই এরা এই arrest গুলি শুরু করল তখনই  criticize করতে পারতেন এই সব angle থেকে । দেখাতে পারতেন কি ভাবে জাতির সাথে ওরা প্রতারনা করছে ।  জাতির ইমোশন কে ব্ল্যাক মেইল করছে । দুর্নীতি বিরোধীতার নাম করে কি ভাবে প্রকৃত দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানুষের  সংগ্রাম কে নষ্ট -বিভ্রান্ত করছে ।  সেই লাইনে গেলেন না । &lt;strong&gt;“পুঁজিবাদ-সাম্রাজ্যবাদ যতদিন থাকবে ততদিন এর বাস্তব কোন সমাধান নাই”- &lt;/strong&gt;এই কথা বলে ঘটমান বর্তমানকে আড়াল বা অস্বীকার করলেন । একটা কথা বলেছেন যে  &lt;strong&gt;‘এরা অতীত সরকারেরই ধারাবাহিকতা রক্ষা করবে’ , এরা নিয়মতান্ত্রিক শোষণকে পাকাপোক্ত করতে এসেছে’-‘এরা সাময়িক উপশম দেবে কিন্ত তা টেকসই করতে পারবে না’।&lt;/strong&gt; রাজনৈতিক বাস্তবতা উপলব্ধি করতে পারলে এবং এই সরকারের চারিত্র্য (characteristics) বুঝতে পারলে এভাবে আপনারা subjective conclusion draw  করতে পারতেন না । একটা প্রশ্ন করতে চাই । সাময়িক কি উপশম ওরা দিতে পেরেছে বলে মনে হয় আপনার? কোন উদাহরন? মনে রাখতে হবে একটা Capitalist Society’র মধ্যেই আপনি থাকেন । তার রাজনৈতিক টানা পোড়ন, গতি পথ ইত্যাদি বোঝার চেষ্টা না করলে নিজের রাজনীতিটা ও যে পথ হারাবে তা জানেন?  

দূর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান নিয়ে আর্টিকেলটির (এপ্রিল ‘০৭ ) উপস্থাপনার ধরন দেখে মনে হয় এটা একটি অনুযোগ । আমরা যখন কিছু লিখি আমাদের দৃষ্টিভংগী লেখার সাথে যায় । ফলে কোন দৃষ্টিকোন থেকে তা লেখা হয়েছে তা কিছুটা আঁচ  করা যায় । এই লেখাটা কোন গনতন্ত্রমনা মানুষ পড়লে বুঝবে যে  আপনারা সামরিক সরকারকে  তার অবৈধ কাজ গুলো করার লাইসেন্স দিচ্ছেন এবং আরো কিছু ফর্দ ধরিয়ে দিয়ে তা দ্রুত বাস্তবায়ন করার বায়না ধরছেন । এটা হয়েছে এই জন্য যে, আপনারা এবারের পরিস্থিতি উপলব্ধি করতে পারেন নি । মনে করেছেন এভাবে বললে জনগনের কাছাকাছি থাকা যাবে । কারন আপনারা পত্রিকায় বার বার বলার চেষ্টা করছেন যে জনগন এই সরকার কে সাধুবাদ জানিয়েছে প্রথম দিন থেকেই । প্রেক্ষাপট হিসেবে বলেছেন মানুষ অসম্ভব বিরক্ত হয়েছিল দ্বি-দলীয় পালটা পাল্টির কারনে । ঠিক কথা । এই সরকারকে আপনারা কি ভাবে নিয়েছেন তা কোথাও কিন্ত দেখতে পাই নি । পত্রিকার ভাষা দেখে বুঝতে হলো । যা হোক, এই প্রেক্ষাপটের সুযোগে সমাজ থেকে রাজনীতি নির্মূলের চক্রান্ত যে শুরু হয়ে গিয়েছিল তা কি আপনারা ধরতে পারেন নি । এ রকম একটা চরম অগনতান্ত্রিক পন্থা কে যদি জনগন সাময়িক  মেনে ও নেয় আপনাদের দায়িত্ব কি ছিল? দায়িত্ব ছিল এর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির দিকটি তুলে ধরা । আচ্ছা একটা উদাহরন দিই । RAB কে তো একই ভাবে সাধুবাদ দিয়েছিল জনগন। কারন,জনগন মাস্তানদের কারনে অতিষ্ট ছিল। তখন তো সমর্থন দেন নি বা নমনীয় আচরন করেন নি । জনগন আশু প্রতিকার চায় কিন্ত দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতিটা তার চোখে পড়ে না । এখানেই রাজনৈতিক দলের ভূমিকা । ক্ষতিটা কি তা বোঝানোর দায়িত্ব ছিল আপনাদের । দেখলাম, জনগন বুঝে গেল আপনাদের আগেই । তারা যখন একটু একটু প্রতিবাদ করা শুরু করল আপনারা tone change করতে থাকলেন । মনে হ্ল খুব মেপে মেপে কথা বলা হচ্ছে । পান থেকে চুন খসলে যদি সামরিক নজরদারি শুরু হয়ে যায় ? মানে সবসময় একটা আতংক কাজ করে যাচ্ছিল । যে জন্য “একুশের চেতনা ও গনতন্ত্রের ভবিষ্যৎ” (এপ্রিল ‘০৭) আলোচনায় দেশের গনতন্ত্র নিয়ে বলতে  গিয়ে আমেরিকা ও বৃটেনের সামাজিক অস্থিরতার দু’এক টা ভাসা ভাসা উদাহরন দিলেন । বুর্জোয়ারা দেশে দেশে কতটা বিফল তা বললেন । আপত্তি নেই । কিন্ত একই সময়ে  সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের অধীন অবৈধ ও বে আইনী ভাবে পরিচালিত ‘Black hole’ গুলোতে কি ভাবে হাজার হাজার মানুষ কে গেষ্টাপো কায়দায় নির্যাতন করা হচ্ছিল তা বলতে পারেন নি কেন? তাদের সাথে বৈঠকে গেলেন ই যখন কেন DGFI’র রাজনৈতিক অংগনে খবরদারীর প্রতিবাদ করে আসলেন না ? কেন এই সরকারের সময়ে ঘটে যাওয়া প্রশাসনিক সামরিকীকরনের বিরুদ্ধে কথা তুললেন না । কেন EPR এর ১৬ (২) বাতিল করার স্পেসিফিক পয়েণ্ট তুললেন  না ? অথচ সেই গতবাঁধা কথা গুলো বলে গেলেন -সেই পুরোনো ধারা গুলো বাতিল চাইলেন । বিশেষ পরিস্থিতি কে address করার কথা ভুলে গেলেন । সাম্রাজ্যবাদ পুঁজিবাদ নিয়ে  মুখস্ত কথা গুলি খুবই বিরক্তিকর,একঘেঁয়ে ও ক্লান্তিকর মনে হয় যখন দেখি  প্রতিদিন যা ঘটে চলে তার সাথে relate করে  ঐ তত্ত্ব গুলি উপলব্ধি করতে পারেন না । 

সমালোচনার tone টা খুব গুরুত্বপুর্ন এখানে । যেমন শুধু কিছু বুর্জোয়া রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ গ্রেফতার হওয়াতে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে এই বলে যে বড় ব্যবসায়ী ও আমলারা কেন বাদ যাবে ? কেন এই কাজ গুলোর ভার তাদের দিচ্ছেন ।তার বিপদ বোঝেন আপনারা ? যেদিন আপনার কাছ থেকে রাজনীতি করার জন্য Tax দাবী করবে তার আগে বুঝবেন না । কোন কিছু দমন করা না করা ফকরুদ্দিন সাহেবের ক্ষমতার আওতায় পরে না যদি না তা নির্বাচন  সংশ্লিষ্ট না হয় । বে আইনী ভাবে গ্যাস ব্লক বরাদ্ধ কেউ দিয়ে থাকলে তার দেখভাল করার দায়িত্ব ও তাদের নয় । দুদক প্রতিষ্টা, (সাবেক ইসলামী ছাত্র সংঘ কর্মী যার প্রধান) পাবলিক সার্ভিস কমিশন সংস্কার তার দায়িত্বের মধ্যে নয় । বিচার বিভাগ ও তাদের হাত দিয়ে স্বাধীন হয়ে আর স্বাধীনতার স্বাদ পেল না । অসংখ্য উদাহরন চারপাশে আছে । ভাল করে দেখুন, ভাবুন । আজ বিচার বিভাগ স্বাধীন অথচ কত ব্যর্থ । এইটা উদাহরন হয়ে রইল Successive সরকার গুলোর জন্য । অথচ এগুলোকে ‘সংস্কার -মেরামত’ বলে যাচ্ছেন দিব্যি পজিটিভ টোন দিয়ে ।এই তথাকথিত দুর্নীতি দমন অভিযান থেকে শুরু করে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা পর্যন্ত সবগুলোই হয়েছে অত্যন্ত অসচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেখানে দৈব বাণীর মত কিছু নির্দেশ কোথা থেকে যেন জারী হয়েছে এবং রকেট গতিতে তা কি করে যেন কার্যকর হয়ে গিয়েছে । জনগনের অংশগ্রহন ও প্রতিনিধিত্ব না থাকলে যে কোন ভাল কাজের ফল জনগন ভোগ করতে পারে না । ফালু ধরা পড়ে । বাবর ধরা পড়ে। তারেক-মামুনরা ও বন্দী হয় । জনতা তালি দেয় । বাপের বেটারা এল বুঝি এবার !! সাবাস দেয় ফকরু -মইন ভাই দের। 

আপনারা ও  এসব সস্তা লোক দেখানো সুচতুর রাজনৈতিক ভণ্ডামিতে ভোলেন । একি রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব না এটাই রাজনৈতিক লাইন ? প্রশ্ন জাগে । কিন্ত খেলারাম (ফখর-মইন) খেলে যায় । আর পেছন ফেরে তাকায় না । চট্টগ্রামে বন্দরে অনিয়ম বন্ধের নাম করে সেখানকার খেটে খাওয়া সাধারন মেহনতি শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার টুকু কেড়ে নেয়ার ষড়যন্ত্র চলে । খুলনা অঞ্চলে পাটকল  বন্ধ হয় । ধানচাষীরা সারের দাবীতে হাহাকার করে উঠে । তবু বিক্ষোভ করতে পারে না । বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়ত্ত্বশাসন নিয়ে সরকারের মাথা ব্যাথা শুরু হয় । বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষক ছাত্রদের লাঞ্চিত করা হয় । রাজনীতিতে,সরকারী-বেসরকারী প্রশাসন যন্ত্রে, বিচার বিভাগে, আইনজীবি-সাংবাদিক ও পেশাজীবিদের মধ্যে এবং  সিভিল সোসাইটির একটি বড় অংশের মধ্যে নতুন দালাল-মোসাহেব তৈরীর সংঘবদ্ধ পরিকল্পনা নেয়া হয় ।  দালাল সংস্কার পন্থীরা তো বটেই, বামরা ও তাদের পেয়ে দাবী দিয়ে বসে । এদিকে এখন ও চোখ দিলেন না ও দিকে ও সর্বনাশ হয়ে যাবে, যদি কিছু না করেন । 

পরের দৃশ্যপটে দেখা যায় জলিল ও সেলিম সাহেব জবানবন্দী দেন । সব স্বীকার করলেন প্রচন্ড শারীরিক ও মানষিক নির্যাতনের পর । বুর্জোয়া নেতার ক্ষেত্রে বুঝি আইনের যথাযথ প্রয়োগ অনুসরনের  দরকার নেই ? রা-টি  করলেন না । মানে, বিপদ কি ভাবে আপনার উপর চলে আসতে পারে তা বোঝার রাজনৈতিক বিবেচনা টুকুও  ছিল না । যেমন দেখুন, এই সময়ে অফিসে বসতে পারেন নি, স্বাধীন মতামত রাখতে পারেন নি । কথা বলতে পারেন নি । অন্যায় হলে প্রতিবাদ করতে পারেন নি । মিছিল মিটিং তো পরের কথা । সারাক্ষন আতংক ও ভয়ে অস্থির থেকেছেন । আপনাদের কোন চির শত্রু ও আপনাদের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অপবাদ দেবে না । তাহলে আপনারা কেন রাজনীতির অধিকার থেকে বঞ্চিত হলেন? ভেবে দেখুন আবার । সরকারের এটিচিউড দেখে মনে হয়েছে রাজনীতিকে সমাজ থেকে নির্বাসনে পাঠাতে না পারলে এ দেশের আর কোন ভবিষ্যত নেই ।  প্রশ্ন হ্ল, এপ্রোচ কি হবে তাদের সাথে ? কি এপ্রোচ নিয়েছেন ? এক বছর পরে এসে আপনাদের পত্রিকার ফেব্রুয়ারী সংখ্যা‘০৮ বলছে যে &lt;strong&gt;“এখন আর কারো সন্দেহ নাই সামরিক বাহিনীর কারনেই এ সরকার টিকে আছে ।“&lt;/strong&gt; মইন ইউ সাহেব যখন ট্রেনের সাথে তুলনা দিয়ে কথা বলেন তাকে স্মরন করিয়ে দিতে পারতেন যে ভাই আপনি একজন সরকারী কর্মচারী । আপনার সার্ভিস রুল অনুযায়ী এ সব রাজনীতির কথা আপনার বলতে মানা । ট্রেন পড়ে গেল কি থাকল সে চিন্তা রাজনীতিবিদদের হাতেই ছেড়ে দিন । সার্ভিস রুলের প্রাসংগিক ধারা গুলো ছাপিয়ে দিয়ে জনগনকে সাক্ষী রেখে বলতে পারতেন যে, যেহেতু বর্তমান সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাসী বলে দাবী করছেন তাই আইন অনুযায়ী সবাইকে বিহেইভ করতে হবে । সামরিক খবরদারীর বিরুদ্ধে ছোট একটা নোট অব ডিসেন্ট দেয়া হয়ে যেত । তা না বলে বলা হচ্ছে ,&lt;strong&gt;’পরিস্থিতি দেখে বোঝা যায় সেনাপ্রধানের বক্তব্যের গুরুত্ব প্রশ্নাতীত’ ।&lt;/strong&gt; এ গুলো তো সাধারন রাজনৈতিক চেতনার অভাব যাদের তাদের ভাষা ।  এই রাজনৈতিক লাইন নিয়ে নতজানু হয়ে চলেছেন বলেই হয়তো ইন্সিডেনটাল ব্লগার আঁতাত বা কোরেসীদের সাথে জোট করার কথা বলেছে । এটাকে বার বার গালাগালি বা অভব্য, কুরুচিপূর্ন ও অসংস্কৃত বলার মানে হল অতি ভাল মানুষির পিউরিটাণ্ট লেবেল নিজের গায়ে সেঁটে দেয়া। 

আর একটা বিষয় বলে নেই । এ সব সমালোচনা করার পিছনে  উদ্দ্যেশ্য আছে । তা হলো,প্রগতির কথা যারা বলেন তাদের মধ্যে এখনও আপনাদের উপর ভরসা রাখতে চাই বলে দু’কলম লিখা । যে দিন মনে হবে আপনারা আর পারবেন না, সেদিন এত সময় আপনাদের পেছনে দেয়ার বিলাসিতা দেখাবো না । সমালোচনা করেছি বলে শত্রু ভাবতে পারেন,তবে অন্ধ স্তাবক হয়ে যারা তার্কিক সাজেন তাদের সংখ্যা ভারী হলে বিপদ অনেক বেশী ,বরং শত্রুর নির্মম অথচ সত্যনিষ্ট সমালোচনা অনেক সময় মোহ মুক্তি ঘটায়,বাস্তবে ফিরিয়ে আনে ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p><strong>@ শান্তঃ<br />
বাসদের কোন আলোচনায়-বক্তব্যে দেখলেন যে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়ে এসেছে???</strong><br />
=======<br />
একটু পেছন ফিরে দেখি । ২২ জানুয়ারীর পাতানো নির্বাচনে ১৪ দল যখন প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছিলেন তখন আপনারা ও মনোনয়ন দিয়েছিলেন আলাদা ভাবে । তখন এটা পরিস্কার যে,  একটা পাতানো নির্বাচন হতে যাচ্ছে । দেশবাসী বুঝেছিল । আওয়ামী  লীগ ক্ষমতার উদগ্র বাসনায় অস্থির ছিল । তারা যে কোন কিছুর বিনিময়ে খেলাফত মজলিসের সাথে হাত মিলিয়ে হলেও ক্ষমতায় যেতে চেয়েছিল । তারা বুঝে ও বুঝতে চায় নি । সেই সময় স্ট্যান্ড নিতে পারেন নি । শক্ত ভাবে । বলতে পারেন নি যে, আমরা যাব না । ১৪ দল মনোনয়ন প্রত্যাহার করলো । আপনারা ও করলেন । কিন্ত বিবেচনা কি ছিল? মাত্র দু’দিন আগেই প্রার্থী দিয়েছিলেন । ঐ সময় সে বিবেচনা কাজ করেনি কেন? এই কথা বলছি এই কারনে যে, জনগনের নার্ভ বুঝাটা ও একটা রাজনীতি । যদি ও জনগন যখন যা চায় বা যা ভাবে তার সাথে সবসময় সাঁয় দেয়া আবার সুবিধাবাদের নামান্তর । হাসিনা &#8211; খালেদার arrest নিয়ে টু শব্দটি করলেন না । গভীর ভাবে ভেবে দেখলে বুঝতেন এটা (arrest) একটা নীতি নির্ধারনী সিদ্ধান্ত । বিশেষ করে এঁদের দুজনের বিষয়টি ।  কারন যে সব অভিযোগ গুলি আনা হয়েছে তার বিচার এরা করার ক্ষমতা রাখেনা । এই কারনে নীতি নির্ধারনী এখতিয়ার তাদের দেয়া ও হ্য় নি । নাগরিক সচেতনতার  মাধ্যমে একমাত্র  কোন গনতান্ত্রিক সরকারের তত্ত্বাবধানে এ জাতীয় উদ্যোগ কল্পনা করা যেতে পারে । যখনই এরা এই arrest গুলি শুরু করল তখনই  criticize করতে পারতেন এই সব angle থেকে । দেখাতে পারতেন কি ভাবে জাতির সাথে ওরা প্রতারনা করছে ।  জাতির ইমোশন কে ব্ল্যাক মেইল করছে । দুর্নীতি বিরোধীতার নাম করে কি ভাবে প্রকৃত দুর্নীতির বিরুদ্ধে মানুষের  সংগ্রাম কে নষ্ট -বিভ্রান্ত করছে ।  সেই লাইনে গেলেন না । <strong>“পুঁজিবাদ-সাম্রাজ্যবাদ যতদিন থাকবে ততদিন এর বাস্তব কোন সমাধান নাই”- </strong>এই কথা বলে ঘটমান বর্তমানকে আড়াল বা অস্বীকার করলেন । একটা কথা বলেছেন যে  <strong>‘এরা অতীত সরকারেরই ধারাবাহিকতা রক্ষা করবে’ , এরা নিয়মতান্ত্রিক শোষণকে পাকাপোক্ত করতে এসেছে’-‘এরা সাময়িক উপশম দেবে কিন্ত তা টেকসই করতে পারবে না’।</strong> রাজনৈতিক বাস্তবতা উপলব্ধি করতে পারলে এবং এই সরকারের চারিত্র্য (characteristics) বুঝতে পারলে এভাবে আপনারা subjective conclusion draw  করতে পারতেন না । একটা প্রশ্ন করতে চাই । সাময়িক কি উপশম ওরা দিতে পেরেছে বলে মনে হয় আপনার? কোন উদাহরন? মনে রাখতে হবে একটা Capitalist Society’র মধ্যেই আপনি থাকেন । তার রাজনৈতিক টানা পোড়ন, গতি পথ ইত্যাদি বোঝার চেষ্টা না করলে নিজের রাজনীতিটা ও যে পথ হারাবে তা জানেন?  </p>
<p>দূর্নীতির বিরুদ্ধে অভিযান নিয়ে আর্টিকেলটির (এপ্রিল ‘০৭ ) উপস্থাপনার ধরন দেখে মনে হয় এটা একটি অনুযোগ । আমরা যখন কিছু লিখি আমাদের দৃষ্টিভংগী লেখার সাথে যায় । ফলে কোন দৃষ্টিকোন থেকে তা লেখা হয়েছে তা কিছুটা আঁচ  করা যায় । এই লেখাটা কোন গনতন্ত্রমনা মানুষ পড়লে বুঝবে যে  আপনারা সামরিক সরকারকে  তার অবৈধ কাজ গুলো করার লাইসেন্স দিচ্ছেন এবং আরো কিছু ফর্দ ধরিয়ে দিয়ে তা দ্রুত বাস্তবায়ন করার বায়না ধরছেন । এটা হয়েছে এই জন্য যে, আপনারা এবারের পরিস্থিতি উপলব্ধি করতে পারেন নি । মনে করেছেন এভাবে বললে জনগনের কাছাকাছি থাকা যাবে । কারন আপনারা পত্রিকায় বার বার বলার চেষ্টা করছেন যে জনগন এই সরকার কে সাধুবাদ জানিয়েছে প্রথম দিন থেকেই । প্রেক্ষাপট হিসেবে বলেছেন মানুষ অসম্ভব বিরক্ত হয়েছিল দ্বি-দলীয় পালটা পাল্টির কারনে । ঠিক কথা । এই সরকারকে আপনারা কি ভাবে নিয়েছেন তা কোথাও কিন্ত দেখতে পাই নি । পত্রিকার ভাষা দেখে বুঝতে হলো । যা হোক, এই প্রেক্ষাপটের সুযোগে সমাজ থেকে রাজনীতি নির্মূলের চক্রান্ত যে শুরু হয়ে গিয়েছিল তা কি আপনারা ধরতে পারেন নি । এ রকম একটা চরম অগনতান্ত্রিক পন্থা কে যদি জনগন সাময়িক  মেনে ও নেয় আপনাদের দায়িত্ব কি ছিল? দায়িত্ব ছিল এর দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতির দিকটি তুলে ধরা । আচ্ছা একটা উদাহরন দিই । RAB কে তো একই ভাবে সাধুবাদ দিয়েছিল জনগন। কারন,জনগন মাস্তানদের কারনে অতিষ্ট ছিল। তখন তো সমর্থন দেন নি বা নমনীয় আচরন করেন নি । জনগন আশু প্রতিকার চায় কিন্ত দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতিটা তার চোখে পড়ে না । এখানেই রাজনৈতিক দলের ভূমিকা । ক্ষতিটা কি তা বোঝানোর দায়িত্ব ছিল আপনাদের । দেখলাম, জনগন বুঝে গেল আপনাদের আগেই । তারা যখন একটু একটু প্রতিবাদ করা শুরু করল আপনারা tone change করতে থাকলেন । মনে হ্ল খুব মেপে মেপে কথা বলা হচ্ছে । পান থেকে চুন খসলে যদি সামরিক নজরদারি শুরু হয়ে যায় ? মানে সবসময় একটা আতংক কাজ করে যাচ্ছিল । যে জন্য “একুশের চেতনা ও গনতন্ত্রের ভবিষ্যৎ” (এপ্রিল ‘০৭) আলোচনায় দেশের গনতন্ত্র নিয়ে বলতে  গিয়ে আমেরিকা ও বৃটেনের সামাজিক অস্থিরতার দু’এক টা ভাসা ভাসা উদাহরন দিলেন । বুর্জোয়ারা দেশে দেশে কতটা বিফল তা বললেন । আপত্তি নেই । কিন্ত একই সময়ে  সামরিক গোয়েন্দা বিভাগের অধীন অবৈধ ও বে আইনী ভাবে পরিচালিত ‘Black hole’ গুলোতে কি ভাবে হাজার হাজার মানুষ কে গেষ্টাপো কায়দায় নির্যাতন করা হচ্ছিল তা বলতে পারেন নি কেন? তাদের সাথে বৈঠকে গেলেন ই যখন কেন DGFI’র রাজনৈতিক অংগনে খবরদারীর প্রতিবাদ করে আসলেন না ? কেন এই সরকারের সময়ে ঘটে যাওয়া প্রশাসনিক সামরিকীকরনের বিরুদ্ধে কথা তুললেন না । কেন EPR এর ১৬ (২) বাতিল করার স্পেসিফিক পয়েণ্ট তুললেন  না ? অথচ সেই গতবাঁধা কথা গুলো বলে গেলেন -সেই পুরোনো ধারা গুলো বাতিল চাইলেন । বিশেষ পরিস্থিতি কে address করার কথা ভুলে গেলেন । সাম্রাজ্যবাদ পুঁজিবাদ নিয়ে  মুখস্ত কথা গুলি খুবই বিরক্তিকর,একঘেঁয়ে ও ক্লান্তিকর মনে হয় যখন দেখি  প্রতিদিন যা ঘটে চলে তার সাথে relate করে  ঐ তত্ত্ব গুলি উপলব্ধি করতে পারেন না । </p>
<p>সমালোচনার tone টা খুব গুরুত্বপুর্ন এখানে । যেমন শুধু কিছু বুর্জোয়া রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ গ্রেফতার হওয়াতে অসন্তোষ প্রকাশ করা হয়েছে এই বলে যে বড় ব্যবসায়ী ও আমলারা কেন বাদ যাবে ? কেন এই কাজ গুলোর ভার তাদের দিচ্ছেন ।তার বিপদ বোঝেন আপনারা ? যেদিন আপনার কাছ থেকে রাজনীতি করার জন্য Tax দাবী করবে তার আগে বুঝবেন না । কোন কিছু দমন করা না করা ফকরুদ্দিন সাহেবের ক্ষমতার আওতায় পরে না যদি না তা নির্বাচন  সংশ্লিষ্ট না হয় । বে আইনী ভাবে গ্যাস ব্লক বরাদ্ধ কেউ দিয়ে থাকলে তার দেখভাল করার দায়িত্ব ও তাদের নয় । দুদক প্রতিষ্টা, (সাবেক ইসলামী ছাত্র সংঘ কর্মী যার প্রধান) পাবলিক সার্ভিস কমিশন সংস্কার তার দায়িত্বের মধ্যে নয় । বিচার বিভাগ ও তাদের হাত দিয়ে স্বাধীন হয়ে আর স্বাধীনতার স্বাদ পেল না । অসংখ্য উদাহরন চারপাশে আছে । ভাল করে দেখুন, ভাবুন । আজ বিচার বিভাগ স্বাধীন অথচ কত ব্যর্থ । এইটা উদাহরন হয়ে রইল Successive সরকার গুলোর জন্য । অথচ এগুলোকে ‘সংস্কার -মেরামত’ বলে যাচ্ছেন দিব্যি পজিটিভ টোন দিয়ে ।এই তথাকথিত দুর্নীতি দমন অভিযান থেকে শুরু করে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা পর্যন্ত সবগুলোই হয়েছে অত্যন্ত অসচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেখানে দৈব বাণীর মত কিছু নির্দেশ কোথা থেকে যেন জারী হয়েছে এবং রকেট গতিতে তা কি করে যেন কার্যকর হয়ে গিয়েছে । জনগনের অংশগ্রহন ও প্রতিনিধিত্ব না থাকলে যে কোন ভাল কাজের ফল জনগন ভোগ করতে পারে না । ফালু ধরা পড়ে । বাবর ধরা পড়ে। তারেক-মামুনরা ও বন্দী হয় । জনতা তালি দেয় । বাপের বেটারা এল বুঝি এবার !! সাবাস দেয় ফকরু -মইন ভাই দের। </p>
<p>আপনারা ও  এসব সস্তা লোক দেখানো সুচতুর রাজনৈতিক ভণ্ডামিতে ভোলেন । একি রাজনৈতিক দেউলিয়াত্ব না এটাই রাজনৈতিক লাইন ? প্রশ্ন জাগে । কিন্ত খেলারাম (ফখর-মইন) খেলে যায় । আর পেছন ফেরে তাকায় না । চট্টগ্রামে বন্দরে অনিয়ম বন্ধের নাম করে সেখানকার খেটে খাওয়া সাধারন মেহনতি শ্রমিকদের ট্রেড ইউনিয়ন করার অধিকার টুকু কেড়ে নেয়ার ষড়যন্ত্র চলে । খুলনা অঞ্চলে পাটকল  বন্ধ হয় । ধানচাষীরা সারের দাবীতে হাহাকার করে উঠে । তবু বিক্ষোভ করতে পারে না । বিশ্ববিদ্যালয়ের সায়ত্ত্বশাসন নিয়ে সরকারের মাথা ব্যাথা শুরু হয় । বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রগতিশীল শিক্ষক ছাত্রদের লাঞ্চিত করা হয় । রাজনীতিতে,সরকারী-বেসরকারী প্রশাসন যন্ত্রে, বিচার বিভাগে, আইনজীবি-সাংবাদিক ও পেশাজীবিদের মধ্যে এবং  সিভিল সোসাইটির একটি বড় অংশের মধ্যে নতুন দালাল-মোসাহেব তৈরীর সংঘবদ্ধ পরিকল্পনা নেয়া হয় ।  দালাল সংস্কার পন্থীরা তো বটেই, বামরা ও তাদের পেয়ে দাবী দিয়ে বসে । এদিকে এখন ও চোখ দিলেন না ও দিকে ও সর্বনাশ হয়ে যাবে, যদি কিছু না করেন । </p>
<p>পরের দৃশ্যপটে দেখা যায় জলিল ও সেলিম সাহেব জবানবন্দী দেন । সব স্বীকার করলেন প্রচন্ড শারীরিক ও মানষিক নির্যাতনের পর । বুর্জোয়া নেতার ক্ষেত্রে বুঝি আইনের যথাযথ প্রয়োগ অনুসরনের  দরকার নেই ? রা-টি  করলেন না । মানে, বিপদ কি ভাবে আপনার উপর চলে আসতে পারে তা বোঝার রাজনৈতিক বিবেচনা টুকুও  ছিল না । যেমন দেখুন, এই সময়ে অফিসে বসতে পারেন নি, স্বাধীন মতামত রাখতে পারেন নি । কথা বলতে পারেন নি । অন্যায় হলে প্রতিবাদ করতে পারেন নি । মিছিল মিটিং তো পরের কথা । সারাক্ষন আতংক ও ভয়ে অস্থির থেকেছেন । আপনাদের কোন চির শত্রু ও আপনাদের বিরুদ্ধে দূর্নীতির অপবাদ দেবে না । তাহলে আপনারা কেন রাজনীতির অধিকার থেকে বঞ্চিত হলেন? ভেবে দেখুন আবার । সরকারের এটিচিউড দেখে মনে হয়েছে রাজনীতিকে সমাজ থেকে নির্বাসনে পাঠাতে না পারলে এ দেশের আর কোন ভবিষ্যত নেই ।  প্রশ্ন হ্ল, এপ্রোচ কি হবে তাদের সাথে ? কি এপ্রোচ নিয়েছেন ? এক বছর পরে এসে আপনাদের পত্রিকার ফেব্রুয়ারী সংখ্যা‘০৮ বলছে যে <strong>“এখন আর কারো সন্দেহ নাই সামরিক বাহিনীর কারনেই এ সরকার টিকে আছে ।“</strong> মইন ইউ সাহেব যখন ট্রেনের সাথে তুলনা দিয়ে কথা বলেন তাকে স্মরন করিয়ে দিতে পারতেন যে ভাই আপনি একজন সরকারী কর্মচারী । আপনার সার্ভিস রুল অনুযায়ী এ সব রাজনীতির কথা আপনার বলতে মানা । ট্রেন পড়ে গেল কি থাকল সে চিন্তা রাজনীতিবিদদের হাতেই ছেড়ে দিন । সার্ভিস রুলের প্রাসংগিক ধারা গুলো ছাপিয়ে দিয়ে জনগনকে সাক্ষী রেখে বলতে পারতেন যে, যেহেতু বর্তমান সরকার আইনের শাসনে বিশ্বাসী বলে দাবী করছেন তাই আইন অনুযায়ী সবাইকে বিহেইভ করতে হবে । সামরিক খবরদারীর বিরুদ্ধে ছোট একটা নোট অব ডিসেন্ট দেয়া হয়ে যেত । তা না বলে বলা হচ্ছে ,<strong>’পরিস্থিতি দেখে বোঝা যায় সেনাপ্রধানের বক্তব্যের গুরুত্ব প্রশ্নাতীত’ ।</strong> এ গুলো তো সাধারন রাজনৈতিক চেতনার অভাব যাদের তাদের ভাষা ।  এই রাজনৈতিক লাইন নিয়ে নতজানু হয়ে চলেছেন বলেই হয়তো ইন্সিডেনটাল ব্লগার আঁতাত বা কোরেসীদের সাথে জোট করার কথা বলেছে । এটাকে বার বার গালাগালি বা অভব্য, কুরুচিপূর্ন ও অসংস্কৃত বলার মানে হল অতি ভাল মানুষির পিউরিটাণ্ট লেবেল নিজের গায়ে সেঁটে দেয়া। </p>
<p>আর একটা বিষয় বলে নেই । এ সব সমালোচনা করার পিছনে  উদ্দ্যেশ্য আছে । তা হলো,প্রগতির কথা যারা বলেন তাদের মধ্যে এখনও আপনাদের উপর ভরসা রাখতে চাই বলে দু’কলম লিখা । যে দিন মনে হবে আপনারা আর পারবেন না, সেদিন এত সময় আপনাদের পেছনে দেয়ার বিলাসিতা দেখাবো না । সমালোচনা করেছি বলে শত্রু ভাবতে পারেন,তবে অন্ধ স্তাবক হয়ে যারা তার্কিক সাজেন তাদের সংখ্যা ভারী হলে বিপদ অনেক বেশী ,বরং শত্রুর নির্মম অথচ সত্যনিষ্ট সমালোচনা অনেক সময় মোহ মুক্তি ঘটায়,বাস্তবে ফিরিয়ে আনে ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :ইনসিডেন্টাল ব্লগার</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-320</link>
		<dc:creator>ইনসিডেন্টাল ব্লগার</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-320</guid>
		<description>&lt;strong&gt;শান্ত বলেছেনঃ ….ভ্যানগার্ডের এই আর্টিকেলটি পড়েন- তাহলে (সামরিক) সরকার সম্পর্কে বাসদের অবস্থান বুঝতে পারবেনঃ &lt;/strong&gt;

&gt;&gt;ভ্যানগার্ডের &quot;মিউ মিউ সুর&quot; মন্তব্যের প্রতিবাদে শান্ত ভ্যানগার্ডের একটি &lt;a href=&quot;http://www.vanguardonline.info/vanguard/Feb-2008/1.pdf&quot; rel=&quot;nofollow&quot;&gt;প্রতিবেদনের লিন্ক&lt;/a&gt; দিয়ে দিয়েছেন, যাতে আমরা সেটি পড়ে ভ্যানগার্ডের ও তার দলের প্রতিবাদী ভূমিকার ব্যপারে একটা ধারণা পেতে পারি। লিন্কে দেয়া প্রতিবেদনটি পড়েছি যেদিন প্রথম ছাপানো হয়েছিল সেদিনই। শান্ত বলার পর আবারও পড়লাম। সংক্ষেপে বলি: অত্যন্ত অস্পষ্ট, ধোঁয়াটে আর conceptually problematic মনে হয়েছে জগাখিচুড়ি ধরণের এই প্রতিবেদনটি ।  চিন্তিত হলাম এই দেখে যে প্রতিবেদনটির কি সমস্যা তা শান্ত&#039;র মত কর্মীরা পড়েও ধরতে পারেনি। সুতরাং, ব্যাখ্যা করেই বলতে হচ্ছে। 

প্রতিবেদনটির প্রথম অনুচ্ছেদে বলা হচ্ছে:  &lt;em&gt;&quot;জেনারেল মইন উ আহমেদ বলেছিলেন, লাইনচ্যু ̈ত ট্রেনটিকে লাইনে তুলে দিতেই এ সরকার এসেছে। সম্প্রতি সরকারের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, ট্রেনটি লাইনে উঠেছে, এখন ‘ভাল’ চালক দরকার।   তাঁর এ বক্তব্যে &lt;strong&gt;সচেতন মহলে বেশ কৌতূহল সৃষ্টি করেছে&lt;/strong&gt;। দেশ কি তাহলে জনগণের প্রত্যাশিত পরিবর্তনের পথে চলতে শুরু করেছে?&quot;&lt;/em&gt; 

তাহলে আপনারা মনে করেন এটা শুধু একটা &lt;em&gt;কৌতুহলেরই&lt;/em&gt; ব্যাপার সচেতন মহলের কাছে! তার চেয়ে বেশী কিছু না? আপনারাও কি তাদের মত স্রেফ কৌতুহলীই ছিলেন? এই সামরিক সরকার ক্ষমতাগ্রহণের ১৩ মাস পরও (প্রতিবেদনটি প্রকাশের সময়কাল অনুযায়ী) তখনও শুধুই &#039;কৌতুহল&#039;? একটি প্রতিবেদনের প্রথম অনুচ্ছেদ পড়েই পাঠকের কাছে প্রতিবেদক গোষ্ঠির attitude স্পষ্ট হয়ে যাওয়া উচিত। আমার কাছে অন্তত তা স্পষ্ট হয়নি; জনগণের কাছেই বা ঠিক কি কতটা স্পষ্ট করতে পেরেছেন তা কি ভেবেছেন কখনো? এতে সবকিছু ছাপিয়ে যে ইঙ্গিতটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে তা হল বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্বন্ধে এক ধরণের &quot;নমনীয় দ্বিধাদ্বন্দ&quot;। এতো গেল আপনার এই &quot;অসাধারণ&quot; প্রতিবেদনটির inherent message এর কথা। 

সোজা সাপটা ভাবে কি হচ্ছে, কেন হচ্ছে, কি করনীয়, কেন তা করণীয়, কিভাবে তা করা যেতে পারে- সে সব সংক্ষেপে সহজ বাংলায় লিখে প্রতিবেদনটা শুরু করলে কি কোন ক্ষতি ছিল? যদি মনে হয় দুতিন লাইনে সে সব আনা যাচ্ছেনা সেক্ষেত্রে একটা broad overview তো অন্তত দেয়া যেত। আমার এক শিক্ষক প্রায়ই বলতেন ‌- &#039;ওভারভিউ দিতে হলে ওভারভিউ থাকতে হয়&#039;। যেভাবে আলোচনাটা শুরু করেছেন তাতে মনে হয়েছে ভ্যানগার্ড সম্পাদকের সেটি (overview) ছিলনা। মনে হয়েছে, যেনতেনভাবে পৃষ্ঠা ভরাট করাই যেন ছিল প্রতিবেদনটির মূল উদ্দেশ্য; কিছু ছাপাতে হয় বলেই ছাপানো!   

এরপর ধরা যাক দ্বিতীয় অনুচ্ছেদের কথা। &lt;em&gt;&quot;চর্বিত চর্বন&quot;&lt;/em&gt;বলেও ১/১১ র পুরো কাসুন্দি ঘাঁটা হয়েছে সেখানে। তার কি খুব দরকার ছিল? সম্পাদনার এমন মান কেন? নাকি সমস্যাটা অন্যখানে? (এতদিন জানতাম বড় দায়িত্ববোধ মানুষকে আরো যোগ্য করে; ভ্যানগার্ড সম্পাদকদের ক্ষেত্রে যে সেটি ঘটেনি তা বেশ পরিস্কার)। সেখানে ১/১১&#039;র আগের সাথে পরের শাসনের তুলনা করা হয়েছে। এখন প্রশ্ন করি, যদি পরিবর্তনটা ইতিবাচক হোতো, তাহলে আপনারা কি করতেন? এখানে বিষয়টা কি পরিবর্তন হওয়া আর না হওয়ার ? আপনার কি মনে হয়না প্রতিবেদনটি সঠিক যুক্তি পদ্ধতি কিংবা জলপাই শাসনের বিরুদ্ধে সঠিক চিন্তার প্রচারে বিশেষভাবে ব্যার্থ হচ্ছে ঠিক এখানটাতেই? এতো নিশ্চয়ই মানবেন যে সঠিক উত্তর পাওয়ার প্রথম ধাপ হল সঠিক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা। তা কি আপনারা করেছেন কোথাও? কোথাও কি সঠিক যুক্তিপদ্ধতিটি তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন এই প্রতিবেদনে? জলপাই শাসন যদি আপনাদের চোখে খারাপ হয়ে থাকে তা কি শুধু এই জন্য যে আগের শাসনগুলোর থেকে এটি better perform করতে ব্যার্থ হচ্ছে? নাকি, এই জন্য যে - যে কোন সামরিক সরকারই reprehensible? সবচেয়ে নিকৃষ্ট গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার সাথে তুলনাতেও সামরিক শাসন যে অধম সেকথাটি স্পষ্টভাবে কোথাও বলা হয়েছে কি? বলতে কি কোন ক্ষতি হোতো? সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি বা যুক্তিপদ্ধতি তুলে ধরার ব্যার্থতাটি  খুব স্পষ্ট। একে কি আপনারা জনগণকে নেতৃত্ব দেয়া বলেন? শুধুমাত্র অযোগ্য (কিংবা আধা যোগ্য) ভ্যানগার্ড সম্পাদনাই কি এজন্য দায়ী? নাকি সমস্যার বীজ বাসদের দলগত রাজনীতির আরো গভীরে প্রোথিত? সে আপনারাই বুঝবেন, আমাদের কাছে সাফাই গাওয়ার কিছু নেই।

এরপর তৃতীয় অনুচ্ছেদ। প্রথম লাইন: &lt;em&gt;&quot;এ নিয়ে এখন আর আর কোনো তর্ক নেই যে আওয়ামী লীগ-বিএনপি’র পাল্টাপাল্টির অসুস্থ রাজনীতির প্রতি জনমনে প্রচন্ড বিরক্তির প্রেক্ষাপটে . . &quot;।&lt;/em&gt; 
&gt;&gt;দেশে যখন সর্ব অর্থে সর্ব স্তরে একটি বিরাজনীতিকরণের ষড়যন্ত্র চলছে, তখন কি যৌক্তিকতা এই বিষয়টিকেই সামনে নিয়ে আসার? তাতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের legitimacyকে জনগণের সামনে প্রশ্নবিদ্ধ করার ক্ষেত্রে কোন উপকার হয় কি?  নাকি সেটি কখনোই ভ্যানগার্ডের লক্ষ্য ছিলনা? রাজনৈতিক সরকারের বিরুদ্ধে পরোক্ষভাবে সন্দেহ আর হতাশাই কি ছড়ানো হয়না তাতে? সামরিক সরকারের প্রয়োজনীয়তা বা অনিবার্যতার message ই কি দেয়া হয়না তাতে? 

সামরিক শাসনের আমলে ক্ষমতার কেন্দ্রিকরণের বিষয়টাতে আসতেই তিনটি অনুচ্ছেদ লেগে গেল তবে শেষ পর্যন্ত সংক্ষেপে হলেও কিছু কাজের কথা এসেছে: &lt;em&gt;&quot;বর্তমান সরকার টিকেই আছে সেনাসমর্থনের ওপর . . . বর্তমান সময়ে রাষ্টধীয় নীতি-সংক্রান্ত সেনাপ্রধানের যে কোনো বক্তব্যের গুরুত্ব প্রশ্নাতীত।&quot;&lt;/em&gt; বুঝলাম, কিভাবে পর্দার অন্তরালে আসলে সামরিক বাহিনীই দেশ পরিচালনা করছে। কিন্তু তাতে ক্ষতিটা কোথায় সে ব্যাখ্যা নেই। আলোচনা করা যেত মিডিয়ার স্বাধীনতা, মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতি, তথ্যলাভের অসম্ভাব্যতা, জবাবদিহিতার সংকট, বিচারব্যবস্থার ওপর নির্বাহীসামরিক আগ্রাসন ইত্যাদি ইস্যুগুলো। ইস্যুগুলোকে সংযুক্ত করা যেত  ব্যাক্তি ও সংগঠনের স্বাধীনতা  এবং জনজীবনে সেসবের তাৎপর্যের সাথে। করা হয়নি।  তা না করে প্রতিবেদনটা কি করলো এর পর চতুর্থ অনুচ্ছেদে? করলো এক দীর্ঘ আলোচনার সূচনা  যাতে এলো কালোটাকা, সন্ত্রাস থেকে শুরু করে সাম্প্রদায়িকতা, দুর্নীতি, নির্বাচন - এক কথায় বাংলাদেশের রাজনীতিতে যা কিছু সমস্যা আছে, ছিল এবং হতে পারে তার সবকিছুর আলোচনা, তাও একরকম বুড়ি ছুঁয়ে যাবার মত করে, একটির সাথে অন্যটিকে এবং সবগুলোর সাথে সামরিক শাসন, গণতন্ত্রের সংকট ও আগামী দিনগুলোর কঠিনতর পরিস্থিতি যুক্ত না করেই। বলুন, অনুচ্ছেদ হিসেবে এই আলোচনাটা কি আসলেই কোন অর্থ বহন করে? দিকনির্দেশনা দেয়? নাকি এসব আলোচনা মানুষের মনে হতাশার বাণীই পৌঁছে দেয়, যে, কোন কিছুরই আসলে পরিবর্তন হয়না, হবেনা? message দেয় - বাংলাদেশের আকাশের নিচে সবকিছু আসলে একইরকম থাকে, থাকবে চিরদিন! 

শান্ত&#039;র ভাষায় অনবদ্য এই প্রতিবেদনটি শেষ হল এই লিখে:

&lt;blockquote&gt;এভাবে জনগণের ভোগান্তির তালিকা অনেক লম্বা করা যায়। কিন্তু তার প্রয়োজন খুব একটা আছে বলে মনে হয় না। শুধু প্রশ্ন একটাই, ট্রেনটি তাহলে লাইনে ওঠল কিভাবে? আসলে পুঁজিবাদী রাষ্ট্রের প্রতিনিধি ট্রেনটি লাইনেই ছিল, পড়ে যায়নি। তবে ট্রেনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে, লাইনটাও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে। রাষ্ট্রের রক্ষকদের ধারণা চালকের দুর্বলতার কারণেই এত বিপত্তি ঘটছে। তাই তারা চালক পরিবর্তনের জন্য এতটা উঠেপড়ে লেগেছেন। &lt;strong&gt;কিন্তু এতে চলমান বুর্জোয়া রাজনীতি ও অর্থনীতি লক্ষ-কোটি মানুষের জীবনে যে দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে, তার উপশম হবে কি&lt;/strong&gt;? উত্তরে শুধু &lt;strong&gt;এটুকু বলাই হয়তো যথেষ্ট যে যেখানে অপারেশন প্রয়োজন সেখানে মলমে রোগ সারে না&lt;/strong&gt;।&lt;/blockquote&gt;

কি বোঝাতে চাইলেন প্রতিবেদন লেখক এখানে? যেহেতু সবসমস্যার মূল হল পূঁজিবাদী বুর্জোয়া ব্যবস্থা সুতরাং এর উৎখাতই হচ্ছে সর্বরোগের মহৌষধ, তাইতো? আর আমাদের সবার উচিত  বসে থাকা সেই মাহেন্দ্রক্ষনটির অপেক্ষায়, তাই তো? সবশেষে, প্রতিবেদনটিতে প্রেসক্রিপশন দেয়া হয়েছে আরো বড় &quot;অপারেশনের&quot;। অসাধারণ! কে করবে সে অপারেশন ? মঈন ফখরুদ্দিন গং? নাকি আপনারা করবেন? কি হবে সেই অপরাশেনের লক্ষ্য শুনি? তার মানে কি জেনারেল মঈনের প্রেসক্রিপশনের সাথে আপনাদের প্রেসক্রিপশনের পার্থক্য শুধু dosage বা মাত্রার (অপারেশন বনাম মলম!)? তুলনাটা কি আদৌ যথার্থ হল? আর বড় &quot;অপারেশন&quot;ই যদি ভ্যানগার্ডের প্রস্তাবিত সমাধান হয়ে থাকে, তাহলে তার বিস্তারিত দিকনির্দেশনা কই?

এখনো জিজ্ঞেস করবেন আমাদের মত নিন্দুকেরা কোন দুঃখ থেকে &quot;আঁতাত&quot; (এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য প্রত্যুত্তর ৪৩ এ দেখুন) শব্দটি ব্যবহার করতে বাধ্য হয়? এতো vagueness এর পরও কি দাবী করবেন আপনাদের মুখপত্র ভ্যানগার্ডে মিউ মিউ করা ভারসাম্যরক্ষার সুর নেই? বরং স্বীকার করেই নিন না, আপনাদের নেতারা সরাসরি স্পষ্ট কথা বলতে ভয় পাচ্ছিলেন। দলের আদর্শিক ও চেতনাগত অধঃপতনটা যদি নাও মানতে পারি, আমরা অন্তত আপনাদের মানবিক সীমাবদ্ধতাজনিত ভয়ভীতিটা বোঝার চেষ্টা করবো!</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p><strong>শান্ত বলেছেনঃ ….ভ্যানগার্ডের এই আর্টিকেলটি পড়েন- তাহলে (সামরিক) সরকার সম্পর্কে বাসদের অবস্থান বুঝতে পারবেনঃ </strong></p>
<p>>>ভ্যানগার্ডের &#8220;মিউ মিউ সুর&#8221; মন্তব্যের প্রতিবাদে শান্ত ভ্যানগার্ডের একটি <a target="_blank" rel="nofollow external" href="http://www.vanguardonline.info/vanguard/Feb-2008/1.pdf" rel="nofollow">প্রতিবেদনের লিন্ক</a> দিয়ে দিয়েছেন, যাতে আমরা সেটি পড়ে ভ্যানগার্ডের ও তার দলের প্রতিবাদী ভূমিকার ব্যপারে একটা ধারণা পেতে পারি। লিন্কে দেয়া প্রতিবেদনটি পড়েছি যেদিন প্রথম ছাপানো হয়েছিল সেদিনই। শান্ত বলার পর আবারও পড়লাম। সংক্ষেপে বলি: অত্যন্ত অস্পষ্ট, ধোঁয়াটে আর conceptually problematic মনে হয়েছে জগাখিচুড়ি ধরণের এই প্রতিবেদনটি ।  চিন্তিত হলাম এই দেখে যে প্রতিবেদনটির কি সমস্যা তা শান্ত&#8217;র মত কর্মীরা পড়েও ধরতে পারেনি। সুতরাং, ব্যাখ্যা করেই বলতে হচ্ছে। </p>
<p>প্রতিবেদনটির প্রথম অনুচ্ছেদে বলা হচ্ছে:  <em>&#8220;জেনারেল মইন উ আহমেদ বলেছিলেন, লাইনচ্যু ̈ত ট্রেনটিকে লাইনে তুলে দিতেই এ সরকার এসেছে। সম্প্রতি সরকারের এক বছর পূর্তি উপলক্ষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেছেন, ট্রেনটি লাইনে উঠেছে, এখন ‘ভাল’ চালক দরকার।   তাঁর এ বক্তব্যে <strong>সচেতন মহলে বেশ কৌতূহল সৃষ্টি করেছে</strong>। দেশ কি তাহলে জনগণের প্রত্যাশিত পরিবর্তনের পথে চলতে শুরু করেছে?&#8221;</em> </p>
<p>তাহলে আপনারা মনে করেন এটা শুধু একটা <em>কৌতুহলেরই</em> ব্যাপার সচেতন মহলের কাছে! তার চেয়ে বেশী কিছু না? আপনারাও কি তাদের মত স্রেফ কৌতুহলীই ছিলেন? এই সামরিক সরকার ক্ষমতাগ্রহণের ১৩ মাস পরও (প্রতিবেদনটি প্রকাশের সময়কাল অনুযায়ী) তখনও শুধুই &#8216;কৌতুহল&#8217;? একটি প্রতিবেদনের প্রথম অনুচ্ছেদ পড়েই পাঠকের কাছে প্রতিবেদক গোষ্ঠির attitude স্পষ্ট হয়ে যাওয়া উচিত। আমার কাছে অন্তত তা স্পষ্ট হয়নি; জনগণের কাছেই বা ঠিক কি কতটা স্পষ্ট করতে পেরেছেন তা কি ভেবেছেন কখনো? এতে সবকিছু ছাপিয়ে যে ইঙ্গিতটি স্পষ্ট হয়ে উঠেছে তা হল বিদ্যমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি সম্বন্ধে এক ধরণের &#8220;নমনীয় দ্বিধাদ্বন্দ&#8221;। এতো গেল আপনার এই &#8220;অসাধারণ&#8221; প্রতিবেদনটির inherent message এর কথা। </p>
<p>সোজা সাপটা ভাবে কি হচ্ছে, কেন হচ্ছে, কি করনীয়, কেন তা করণীয়, কিভাবে তা করা যেতে পারে- সে সব সংক্ষেপে সহজ বাংলায় লিখে প্রতিবেদনটা শুরু করলে কি কোন ক্ষতি ছিল? যদি মনে হয় দুতিন লাইনে সে সব আনা যাচ্ছেনা সেক্ষেত্রে একটা broad overview তো অন্তত দেয়া যেত। আমার এক শিক্ষক প্রায়ই বলতেন ‌- &#8216;ওভারভিউ দিতে হলে ওভারভিউ থাকতে হয়&#8217;। যেভাবে আলোচনাটা শুরু করেছেন তাতে মনে হয়েছে ভ্যানগার্ড সম্পাদকের সেটি (overview) ছিলনা। মনে হয়েছে, যেনতেনভাবে পৃষ্ঠা ভরাট করাই যেন ছিল প্রতিবেদনটির মূল উদ্দেশ্য; কিছু ছাপাতে হয় বলেই ছাপানো!   </p>
<p>এরপর ধরা যাক দ্বিতীয় অনুচ্ছেদের কথা। <em>&#8220;চর্বিত চর্বন&#8221;</em>বলেও ১/১১ র পুরো কাসুন্দি ঘাঁটা হয়েছে সেখানে। তার কি খুব দরকার ছিল? সম্পাদনার এমন মান কেন? নাকি সমস্যাটা অন্যখানে? (এতদিন জানতাম বড় দায়িত্ববোধ মানুষকে আরো যোগ্য করে; ভ্যানগার্ড সম্পাদকদের ক্ষেত্রে যে সেটি ঘটেনি তা বেশ পরিস্কার)। সেখানে ১/১১&#8217;র আগের সাথে পরের শাসনের তুলনা করা হয়েছে। এখন প্রশ্ন করি, যদি পরিবর্তনটা ইতিবাচক হোতো, তাহলে আপনারা কি করতেন? এখানে বিষয়টা কি পরিবর্তন হওয়া আর না হওয়ার ? আপনার কি মনে হয়না প্রতিবেদনটি সঠিক যুক্তি পদ্ধতি কিংবা জলপাই শাসনের বিরুদ্ধে সঠিক চিন্তার প্রচারে বিশেষভাবে ব্যার্থ হচ্ছে ঠিক এখানটাতেই? এতো নিশ্চয়ই মানবেন যে সঠিক উত্তর পাওয়ার প্রথম ধাপ হল সঠিক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা। তা কি আপনারা করেছেন কোথাও? কোথাও কি সঠিক যুক্তিপদ্ধতিটি তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন এই প্রতিবেদনে? জলপাই শাসন যদি আপনাদের চোখে খারাপ হয়ে থাকে তা কি শুধু এই জন্য যে আগের শাসনগুলোর থেকে এটি better perform করতে ব্যার্থ হচ্ছে? নাকি, এই জন্য যে &#8211; যে কোন সামরিক সরকারই reprehensible? সবচেয়ে নিকৃষ্ট গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থার সাথে তুলনাতেও সামরিক শাসন যে অধম সেকথাটি স্পষ্টভাবে কোথাও বলা হয়েছে কি? বলতে কি কোন ক্ষতি হোতো? সঠিক দৃষ্টিভঙ্গি বা যুক্তিপদ্ধতি তুলে ধরার ব্যার্থতাটি  খুব স্পষ্ট। একে কি আপনারা জনগণকে নেতৃত্ব দেয়া বলেন? শুধুমাত্র অযোগ্য (কিংবা আধা যোগ্য) ভ্যানগার্ড সম্পাদনাই কি এজন্য দায়ী? নাকি সমস্যার বীজ বাসদের দলগত রাজনীতির আরো গভীরে প্রোথিত? সে আপনারাই বুঝবেন, আমাদের কাছে সাফাই গাওয়ার কিছু নেই।</p>
<p>এরপর তৃতীয় অনুচ্ছেদ। প্রথম লাইন: <em>&#8220;এ নিয়ে এখন আর আর কোনো তর্ক নেই যে আওয়ামী লীগ-বিএনপি’র পাল্টাপাল্টির অসুস্থ রাজনীতির প্রতি জনমনে প্রচন্ড বিরক্তির প্রেক্ষাপটে . . &#8220;।</em><br />
>>দেশে যখন সর্ব অর্থে সর্ব স্তরে একটি বিরাজনীতিকরণের ষড়যন্ত্র চলছে, তখন কি যৌক্তিকতা এই বিষয়টিকেই সামনে নিয়ে আসার? তাতে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের legitimacyকে জনগণের সামনে প্রশ্নবিদ্ধ করার ক্ষেত্রে কোন উপকার হয় কি?  নাকি সেটি কখনোই ভ্যানগার্ডের লক্ষ্য ছিলনা? রাজনৈতিক সরকারের বিরুদ্ধে পরোক্ষভাবে সন্দেহ আর হতাশাই কি ছড়ানো হয়না তাতে? সামরিক সরকারের প্রয়োজনীয়তা বা অনিবার্যতার message ই কি দেয়া হয়না তাতে? </p>
<p>সামরিক শাসনের আমলে ক্ষমতার কেন্দ্রিকরণের বিষয়টাতে আসতেই তিনটি অনুচ্ছেদ লেগে গেল তবে শেষ পর্যন্ত সংক্ষেপে হলেও কিছু কাজের কথা এসেছে: <em>&#8220;বর্তমান সরকার টিকেই আছে সেনাসমর্থনের ওপর . . . বর্তমান সময়ে রাষ্টধীয় নীতি-সংক্রান্ত সেনাপ্রধানের যে কোনো বক্তব্যের গুরুত্ব প্রশ্নাতীত।&#8221;</em> বুঝলাম, কিভাবে পর্দার অন্তরালে আসলে সামরিক বাহিনীই দেশ পরিচালনা করছে। কিন্তু তাতে ক্ষতিটা কোথায় সে ব্যাখ্যা নেই। আলোচনা করা যেত মিডিয়ার স্বাধীনতা, মানবাধিকার পরিস্থিতির অবনতি, তথ্যলাভের অসম্ভাব্যতা, জবাবদিহিতার সংকট, বিচারব্যবস্থার ওপর নির্বাহীসামরিক আগ্রাসন ইত্যাদি ইস্যুগুলো। ইস্যুগুলোকে সংযুক্ত করা যেত  ব্যাক্তি ও সংগঠনের স্বাধীনতা  এবং জনজীবনে সেসবের তাৎপর্যের সাথে। করা হয়নি।  তা না করে প্রতিবেদনটা কি করলো এর পর চতুর্থ অনুচ্ছেদে? করলো এক দীর্ঘ আলোচনার সূচনা  যাতে এলো কালোটাকা, সন্ত্রাস থেকে শুরু করে সাম্প্রদায়িকতা, দুর্নীতি, নির্বাচন &#8211; এক কথায় বাংলাদেশের রাজনীতিতে যা কিছু সমস্যা আছে, ছিল এবং হতে পারে তার সবকিছুর আলোচনা, তাও একরকম বুড়ি ছুঁয়ে যাবার মত করে, একটির সাথে অন্যটিকে এবং সবগুলোর সাথে সামরিক শাসন, গণতন্ত্রের সংকট ও আগামী দিনগুলোর কঠিনতর পরিস্থিতি যুক্ত না করেই। বলুন, অনুচ্ছেদ হিসেবে এই আলোচনাটা কি আসলেই কোন অর্থ বহন করে? দিকনির্দেশনা দেয়? নাকি এসব আলোচনা মানুষের মনে হতাশার বাণীই পৌঁছে দেয়, যে, কোন কিছুরই আসলে পরিবর্তন হয়না, হবেনা? message দেয় &#8211; বাংলাদেশের আকাশের নিচে সবকিছু আসলে একইরকম থাকে, থাকবে চিরদিন! </p>
<p>শান্ত&#8217;র ভাষায় অনবদ্য এই প্রতিবেদনটি শেষ হল এই লিখে:</p>
<blockquote><p>এভাবে জনগণের ভোগান্তির তালিকা অনেক লম্বা করা যায়। কিন্তু তার প্রয়োজন খুব একটা আছে বলে মনে হয় না। শুধু প্রশ্ন একটাই, ট্রেনটি তাহলে লাইনে ওঠল কিভাবে? আসলে পুঁজিবাদী রাষ্ট্রের প্রতিনিধি ট্রেনটি লাইনেই ছিল, পড়ে যায়নি। তবে ট্রেনটি জরাজীর্ণ হয়ে পড়েছে, লাইনটাও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে। রাষ্ট্রের রক্ষকদের ধারণা চালকের দুর্বলতার কারণেই এত বিপত্তি ঘটছে। তাই তারা চালক পরিবর্তনের জন্য এতটা উঠেপড়ে লেগেছেন। <strong>কিন্তু এতে চলমান বুর্জোয়া রাজনীতি ও অর্থনীতি লক্ষ-কোটি মানুষের জীবনে যে দুর্ভোগ সৃষ্টি করেছে, তার উপশম হবে কি</strong>? উত্তরে শুধু <strong>এটুকু বলাই হয়তো যথেষ্ট যে যেখানে অপারেশন প্রয়োজন সেখানে মলমে রোগ সারে না</strong>।</p></blockquote>
<p>কি বোঝাতে চাইলেন প্রতিবেদন লেখক এখানে? যেহেতু সবসমস্যার মূল হল পূঁজিবাদী বুর্জোয়া ব্যবস্থা সুতরাং এর উৎখাতই হচ্ছে সর্বরোগের মহৌষধ, তাইতো? আর আমাদের সবার উচিত  বসে থাকা সেই মাহেন্দ্রক্ষনটির অপেক্ষায়, তাই তো? সবশেষে, প্রতিবেদনটিতে প্রেসক্রিপশন দেয়া হয়েছে আরো বড় &#8220;অপারেশনের&#8221;। অসাধারণ! কে করবে সে অপারেশন ? মঈন ফখরুদ্দিন গং? নাকি আপনারা করবেন? কি হবে সেই অপরাশেনের লক্ষ্য শুনি? তার মানে কি জেনারেল মঈনের প্রেসক্রিপশনের সাথে আপনাদের প্রেসক্রিপশনের পার্থক্য শুধু dosage বা মাত্রার (অপারেশন বনাম মলম!)? তুলনাটা কি আদৌ যথার্থ হল? আর বড় &#8220;অপারেশন&#8221;ই যদি ভ্যানগার্ডের প্রস্তাবিত সমাধান হয়ে থাকে, তাহলে তার বিস্তারিত দিকনির্দেশনা কই?</p>
<p>এখনো জিজ্ঞেস করবেন আমাদের মত নিন্দুকেরা কোন দুঃখ থেকে &#8220;আঁতাত&#8221; (এ বিষয়ে বিস্তারিত মন্তব্য প্রত্যুত্তর ৪৩ এ দেখুন) শব্দটি ব্যবহার করতে বাধ্য হয়? এতো vagueness এর পরও কি দাবী করবেন আপনাদের মুখপত্র ভ্যানগার্ডে মিউ মিউ করা ভারসাম্যরক্ষার সুর নেই? বরং স্বীকার করেই নিন না, আপনাদের নেতারা সরাসরি স্পষ্ট কথা বলতে ভয় পাচ্ছিলেন। দলের আদর্শিক ও চেতনাগত অধঃপতনটা যদি নাও মানতে পারি, আমরা অন্তত আপনাদের মানবিক সীমাবদ্ধতাজনিত ভয়ভীতিটা বোঝার চেষ্টা করবো!</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :ইনসিডেন্টাল ব্লগার</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-288</link>
		<dc:creator>ইনসিডেন্টাল ব্লগার</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-288</guid>
		<description>&lt;strong&gt;@ মোশাররফ&lt;/strong&gt;

&lt;em&gt;উল্লিখিত লেখায় যেভাবে আলোচনা হয়েছে তাতে অনেক বিষয় স্পস্ট হয়েছে। সাহিত্য মূল্যায়নে মার্কসীয় দৃষ্টিভঙ্গিকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টাও হয়েছে। ইনসিডেন্টাল ব্লগার এর যে লেখা নিয়ে এ আলোচনা এতদিন হয়েছে তাতে ইনসিডেন্টাল ব্লগার কী বুঝলেন তা একটি মূখ্য প্রশ্ন।&lt;/em&gt;

&gt;&gt;এভাবেই বুঝি আপনারা সবসময় প্রশ্ন করেন আর অপ্রাসঙ্গিক উত্তর বা non-answer বা এমনকি নিরুত্তরকেও উত্তর ভেবে নিয়ে সন্তুষ্ট চিত্তে ঘুরে বেড়ান? চিন্তার কথা! আপনাদের নেতারাও কি আপনাদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর এভাবেই দিয়ে থাকেন? আপনাকে কে বললো যে যেটুকু &#039;ব্যাখ্যা আপনারা দিয়েছেন&#039; কিংবা যেভাবে দিয়েছেন তাই যথেষ্ট? কিংবা যে প্রশ্নগুলো করা হয়েছে তার সুনির্দিষ্ট উত্তর আপনার এবং আপনার সহযোগীদের লেখায় আদৌ উঠে এসেছে? কিছু কোটেশন আর কিছু তোতাপাখির মত গতবাঁধা বুলি ছাড়া আমাদের তো আর কিছুই চোখে পড়ছেনা আপনাদের উত্তরের সারবস্তু হিসেবে। এখন প্রশ্নের উত্তরে যদি আপনি শিবদাস কিংবা খালেকুজ্জামানের শরৎ ইত্যাদি মূল্যায়নবিষয়ক চটি বই থেকে নিতান্ত পুঁথিগত একটা আলোচনা চালিয়ে যান, তাহলে কিভাবে হবে? এসব তো আমরা বছরের পর বছর ধরেই শুনে আসছি, যে কারণে মূলত এই পোস্টটি লেখা। নতুন কিছু তো বলুন। যাকে বলে নতুন spin, না হয় তাই দিলেন, তাহলেও বুঝবো অন্তত চেষ্টাটুকু করেছেন। বরং নিচের এ কয়টি প্রশ্নেরই উত্তর দিননা:

১। গত ৮০ বছরের বিশ্বসাহিত্য থেকে কয়েকজন নন্দিত সাহিত্যিকের নাম দিন যাঁরা আপনাদের ভাষায় &#039;সত্যিকারের মার্কসবাদী&#039; বা যাঁদের লেখায় কমরেড খালেকুজ্জামান &quot;উপলদ্ধির ঘাটতি&quot; খুঁজে পান না।

২। লেখকের কমিটমেন্ট এর বিষয়গুলো তুলেছেন আপনি ও শান্ত। খুব ভালো। এবার স্পষ্ট করে বলুন, কোন লেখকের আপনাদের ভাষায় যদি &#039;কমিটমেন্ট এর অভাব&#039; থেকে থাকে, তার প্রতি আপনাদের মূল্যায়নটি কি হবে? তার লেখার মূল্যায়নের আর কোন বিকল্প মানদন্ড আছে কি? আরো জরুরী প্রশ্ন সে মূল্যায়নের নিরিখে আপনাদের সে লেখকের প্রতি আচরণ কি হবে? ধরুন, আপনারা আজ রাষ্ট্রক্ষমতায়, সেক্ষেত্রে কোন লেখক যদি গোঁ ধরে বসেন যে তিনি কিছুতেই &quot;কমিটেড&quot; (আপনাদের ভাষায়) হবেন না, সেক্ষেত্রে তার প্রতি আপনার ও আপনার দলের রিএ্যাকশন কি হবে? (প্রশ্নটা hypothetical, শুনি আপনার উত্তর)। 

৩। সোভিয়েত আমলে যে সব অজস্র লেখক নিপীড়নের কাহিনী সারা বিশ্ব শুনেছে (আপনারাও শুনেছেন নিশ্চয়ই!), সে বিষয়ে আপনার ও আপনার দলের রায় কি? যেমন ধরুন: লেখকদের প্রতি যা করা হয়েছিল তা ঠিকই ছিল বলে মনে করেন আপনারা? নাকি সেটা অন্যায় ছিল? সে সব কি আপনারা কোথাও লিখিতভাবে condemn করেছেন আজ পর্যন্ত? নাকি এর সবই পূঁজিবাদী মিডিয়ার অপপ্রচার মনে করেন এখনো? [এর উত্তর থেকে হয়তো খানিকটা বোঝা যাবে আসলে আপনারা কতটা স্বাধীন চিন্তা ধারণ করতে সক্ষম]

৪। আপনি বা আপনারা কি এ সম্ভাবনার কথা উড়িয়ে দিতে পারেন যে ক্ষেত্রবিশেষে এসব &quot;সমাজতান্ত্রিক বিচারের প্রবণতা&quot; লেখক বা সৃজনশীল মানুষদের &#039;মত প্রকাশের স্বাধীনতার&#039; বিপরীতেও ব্যবহৃত হতে পারে? অস্বীকার করবেন যে এ ধরনের অপপ্রয়োগ কোন কোন সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ইতিপূর্বে ঘটেনি (ব্যাপকহারে)? সমাজতান্ত্রিক চীন (সাংস্কৃতিক বিপ্লব), সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েতে (শুদ্ধি অভিযান) যে সব কান্ড ঘটেছিল তাকে কি আপনি শুধু &quot;ইতিহাসের casualty&quot; বা &quot;পশ্চিমা অপপ্রচার&quot; বলবেন?         </description>
		<content:encoded><![CDATA[<p><strong>@ মোশাররফ</strong></p>
<p><em>উল্লিখিত লেখায় যেভাবে আলোচনা হয়েছে তাতে অনেক বিষয় স্পস্ট হয়েছে। সাহিত্য মূল্যায়নে মার্কসীয় দৃষ্টিভঙ্গিকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টাও হয়েছে। ইনসিডেন্টাল ব্লগার এর যে লেখা নিয়ে এ আলোচনা এতদিন হয়েছে তাতে ইনসিডেন্টাল ব্লগার কী বুঝলেন তা একটি মূখ্য প্রশ্ন।</em></p>
<p>>>এভাবেই বুঝি আপনারা সবসময় প্রশ্ন করেন আর অপ্রাসঙ্গিক উত্তর বা non-answer বা এমনকি নিরুত্তরকেও উত্তর ভেবে নিয়ে সন্তুষ্ট চিত্তে ঘুরে বেড়ান? চিন্তার কথা! আপনাদের নেতারাও কি আপনাদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর এভাবেই দিয়ে থাকেন? আপনাকে কে বললো যে যেটুকু &#8216;ব্যাখ্যা আপনারা দিয়েছেন&#8217; কিংবা যেভাবে দিয়েছেন তাই যথেষ্ট? কিংবা যে প্রশ্নগুলো করা হয়েছে তার সুনির্দিষ্ট উত্তর আপনার এবং আপনার সহযোগীদের লেখায় আদৌ উঠে এসেছে? কিছু কোটেশন আর কিছু তোতাপাখির মত গতবাঁধা বুলি ছাড়া আমাদের তো আর কিছুই চোখে পড়ছেনা আপনাদের উত্তরের সারবস্তু হিসেবে। এখন প্রশ্নের উত্তরে যদি আপনি শিবদাস কিংবা খালেকুজ্জামানের শরৎ ইত্যাদি মূল্যায়নবিষয়ক চটি বই থেকে নিতান্ত পুঁথিগত একটা আলোচনা চালিয়ে যান, তাহলে কিভাবে হবে? এসব তো আমরা বছরের পর বছর ধরেই শুনে আসছি, যে কারণে মূলত এই পোস্টটি লেখা। নতুন কিছু তো বলুন। যাকে বলে নতুন spin, না হয় তাই দিলেন, তাহলেও বুঝবো অন্তত চেষ্টাটুকু করেছেন। বরং নিচের এ কয়টি প্রশ্নেরই উত্তর দিননা:</p>
<p>১। গত ৮০ বছরের বিশ্বসাহিত্য থেকে কয়েকজন নন্দিত সাহিত্যিকের নাম দিন যাঁরা আপনাদের ভাষায় &#8216;সত্যিকারের মার্কসবাদী&#8217; বা যাঁদের লেখায় কমরেড খালেকুজ্জামান &#8220;উপলদ্ধির ঘাটতি&#8221; খুঁজে পান না।</p>
<p>২। লেখকের কমিটমেন্ট এর বিষয়গুলো তুলেছেন আপনি ও শান্ত। খুব ভালো। এবার স্পষ্ট করে বলুন, কোন লেখকের আপনাদের ভাষায় যদি &#8216;কমিটমেন্ট এর অভাব&#8217; থেকে থাকে, তার প্রতি আপনাদের মূল্যায়নটি কি হবে? তার লেখার মূল্যায়নের আর কোন বিকল্প মানদন্ড আছে কি? আরো জরুরী প্রশ্ন সে মূল্যায়নের নিরিখে আপনাদের সে লেখকের প্রতি আচরণ কি হবে? ধরুন, আপনারা আজ রাষ্ট্রক্ষমতায়, সেক্ষেত্রে কোন লেখক যদি গোঁ ধরে বসেন যে তিনি কিছুতেই &#8220;কমিটেড&#8221; (আপনাদের ভাষায়) হবেন না, সেক্ষেত্রে তার প্রতি আপনার ও আপনার দলের রিএ্যাকশন কি হবে? (প্রশ্নটা hypothetical, শুনি আপনার উত্তর)। </p>
<p>৩। সোভিয়েত আমলে যে সব অজস্র লেখক নিপীড়নের কাহিনী সারা বিশ্ব শুনেছে (আপনারাও শুনেছেন নিশ্চয়ই!), সে বিষয়ে আপনার ও আপনার দলের রায় কি? যেমন ধরুন: লেখকদের প্রতি যা করা হয়েছিল তা ঠিকই ছিল বলে মনে করেন আপনারা? নাকি সেটা অন্যায় ছিল? সে সব কি আপনারা কোথাও লিখিতভাবে condemn করেছেন আজ পর্যন্ত? নাকি এর সবই পূঁজিবাদী মিডিয়ার অপপ্রচার মনে করেন এখনো? [এর উত্তর থেকে হয়তো খানিকটা বোঝা যাবে আসলে আপনারা কতটা স্বাধীন চিন্তা ধারণ করতে সক্ষম]</p>
<p>৪। আপনি বা আপনারা কি এ সম্ভাবনার কথা উড়িয়ে দিতে পারেন যে ক্ষেত্রবিশেষে এসব &#8220;সমাজতান্ত্রিক বিচারের প্রবণতা&#8221; লেখক বা সৃজনশীল মানুষদের &#8216;মত প্রকাশের স্বাধীনতার&#8217; বিপরীতেও ব্যবহৃত হতে পারে? অস্বীকার করবেন যে এ ধরনের অপপ্রয়োগ কোন কোন সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ইতিপূর্বে ঘটেনি (ব্যাপকহারে)? সমাজতান্ত্রিক চীন (সাংস্কৃতিক বিপ্লব), সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েতে (শুদ্ধি অভিযান) যে সব কান্ড ঘটেছিল তাকে কি আপনি শুধু &#8220;ইতিহাসের casualty&#8221; বা &#8220;পশ্চিমা অপপ্রচার&#8221; বলবেন?</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :সৈয়দ তাজরুল হোসেন</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-317</link>
		<dc:creator>সৈয়দ তাজরুল হোসেন</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-317</guid>
		<description>&lt;strong&gt;একটি সাহিত্য সমালোচনা নিয়ে আলোচনা উপস্থাপন করতে গিয়ে মিথ্যা অভিযোগের ভাণ্ডার খুলে বসাটাও তাজরুল ইসলাম সাহেবের কাছে কখনোই সৌজন্যহীন মনে হবে না, . . .  গালিগালাজ ওনার কাছে খুব স্বাভাবিক মনে হবে…., , আর সুব্রত যখন এহেন হীন লেখার প্রতিক্রিয়ায় ” আমি বিনয়ী নই”-- এটা জানায় তখন সেটা হয়ে যায় - পীড়াদায়ক!!!! স্বভাবতই বুঝতে কঠিন হয় না, এখানে এরা কারা, এই সংঘবদ্ধ গ্রুপটির উদ্দেশ্য কি? যেটি আগেও একবার উল্লেখ করেছিলাম..&lt;/strong&gt;

বেশ কিছু দিন হলো ব্যক্তিগত ঝামেলার কারনে ব্লগে আসা হয়ে উঠেনি । এসে তো দেখছি একটা কুরুক্ষেত্র অবস্থা চলছে। কে এখানে বাসদের পক্ষে আর কে বিপক্ষে সে বিষয়ে আমি তেমন উৎসাহী ছিলাম না মোটেই নিজে কোন পক্ষাবলম্বন তো আরো পরের বিষয়। কিন্তু শান্ত’র কল্যাণে বুঝতে পারছি বাসদের বিরুদ্ধে যে বিশাল বুর্জোয়া চক্রান্ত চলছে, আমি ও তার অংশ । তার মন্তব্যে আমার কি প্রতিক্তিয়া হওযা উচিত বুঝতে পারছি না।

শান্ত, প্রথমেই বলি, আপনি যেখানে আমার নামটি পর্যন্ত ঠিকমতো বলার সাবধানতা বা সৌজন্য দেখাতে পারলেন না সেখানে আমার বক্তব্য অনুধাবনের ধৈর্য দেখাবেন সে আশা করাই বৃথা । এই পোষ্টটির পুরো আলোচনা পড়লে এটা বুঝতে কারোই অসুবিধা হওয়ার কথা নয় কে বা কারা দল বেঁধে অন্য সকলের বিরুদ্ধে লেগেছে । আমারতো মনে হয় আপনি এবং আপনার বাসদের বন্ধুগণ (সুব্রত, নাঈম, pothik, mosharrof ) এক ধরনের  phobia’ য় আক্রান্ত । যে কারো যে কোন মন্তব্য যেটা সরাসরি আপনাদের পক্ষে নয়, সেটা আপনারা এমনকি শুনতে ও আগ্রহী নন, যুক্তির দ্ধন্দ্বতো অনেক দুরের ব্যাপার । এপর্যন্ত আপনাদেরকে খুব কমই দেখেছি যুক্তিকে যুক্তি দিয়ে খন্ডনের চেষ্টা করতে, বরং আপনাদর সম্মিলিত আচরণ পীরভক্ত অন্ধ মুরীদের মতোই মনে হয় ।

মার্কস, লেনিন, খালেকুজ্জামান আর বাসদ সম্পর্কিত যে কোন বিষয়ে আপনারা এতই touchy, যে এদের বিষয়ে যে কোন ধরনের কথাতেই আঁতকে উঠেন আর সেটা যদি কিঞ্চিত সমালোচনাধর্মী হয় তাহলেতো কথাই নেই। আপনাদের মতো রোমান্টিক সমাজতন্ত্রীদের অনেক দেখেছি তাই বিষয়টা এখন আর গায়ে লাগে না ।

বেশতো চিৎকার চেঁচামেচি করে যাচ্ছেন সেই শুরু থেকে, ইন্সিডেন্টাল আপনাদের নেতা সম্পর্কে কি বলেছেন তা নিয়ে প্রচুর মন্তব্য প্রতিমন্তব্য করে যাছেন, একে গুঁতো তাকে ঢুঁস মেরে যাছেন অনবরত; একটি কথা জিজ্ঞেস করি, আপনারাতো বাসদ/ ফ্রন্ট করে যাছেন গত ২৮ বছর ধরে, দলটি কেন এখনো মানুষের মনে ঠিক জায়গা করে নিতে পারছেনা সে বিষয়ে কি কখনো ভাবেন? কিংবা দলের কর্মকান্ড নিয়ে নিজেদের মধ্যেই কোন সমালোচনা করেন বা করেছেন? নাকি সাধারণ ‘মূর্খরা’ আপনাদের মতো ‘অসাধারণ’ দেরকে বুঝতে পারছে না ভেবে মনে মনে সোয়াস্তির ভাব নিয়ে ঘুরে বেড়ান? আপনাদের আচরন দেখে মনে হয় না যে আপনাদের মধ্যে নিজেদের নিয়ে critical thinking এর কোন ধরনের practice আছে । যদি থাকতো, তা হলে যে কোন সমালোচনাতেই নিজেদের তাসের ঘর উড়ে যাবে এই ভয়ে সন্ত্রস্ত থাকতেন না বরং argumentation এ সংযুক্ত হতে পারতেন।

আপনাদের এই অবস্থা দেখে বলতে হছে, ভ্রম রোধ করতে গিয়ে আপনারা যেভাবে মনের সমস্ত দরজা-জানালা বন্ধ করে রাখছেন, তাতে করে সত্যের উঁকি মারার সম্ভাবনাটিও চিরতরে নিষিদ্ধ করে দিছেন না কি? বাংলাদেশের তাবৎ দল-গোষ্ঠি সব নিয়েই আপনারা সমালোচনা করতে পারেন আর নিজেদের বেলায় সামান্য ইঙ্গিত ও সইতে পারলেন না? শুনুন, আত্ম-সমালোচনা আত্মশুদ্ধিরই পথ । আর যে আত্ম-সমালোচনা করতে জানে, সে নিজের সমালোচনা সইতেও পারে । বিষয়টা অভ্যেস করা অত্যন্ত জরুরী তা-নাহলে নিজেদের অবস্থানটা পরিক্ষীত যুক্তির উপর দাঁড়াবে না এবং তাতে এই যে আপনারা ক’জন পুরো দুনিয়াশুদ্ধ সকলকে বাসদের শত্রু ভাবছেন আর নিজেদের সমাজতন্ত্রের একমাত্র ত্রাতা ভাবছেন, তাদের রোমান্টিক কল্পনার ফানুসটা উবে যেতে বেশি দিন লাগবে না । বিশ্বাস না হলে সাধারণ কর্মী নয়, আপনাদের প্রাক্তন সেন্ট্রাল প্রেসিডেন্ট- সেক্রেটারীদের ব্যাপারেই খোঁজ নিয়ে জেনে নিন । 

আর একটি কথা বলতে পারেন, ছাত্রফ্রন্ট এর যত কর্মী-সমর্থক, তাদের কত শতাংশ পরবর্তীকালে বাসদের সংগে যুক্ত হন? সংখ্যাটি কি কোনভাবেই উৎসাহী হওয়ার মতো? কাজেই নিজেরা ভাবুন, নেতৃত্বকে ও ভাবতে বাধ্য করুন , তাতেই হয়তো কিছু লাভ হতে পারে । শুধু লম্প-ঝম্প আর কথার মার-প্যাঁচে কিছু ঘটে না । প্রশ্ন করতে শিখুন তা হলে সমাধান পাওয়া যেতেও পারে, তৎভিন্ন নয় ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p><strong>একটি সাহিত্য সমালোচনা নিয়ে আলোচনা উপস্থাপন করতে গিয়ে মিথ্যা অভিযোগের ভাণ্ডার খুলে বসাটাও তাজরুল ইসলাম সাহেবের কাছে কখনোই সৌজন্যহীন মনে হবে না, . . .  গালিগালাজ ওনার কাছে খুব স্বাভাবিক মনে হবে…., , আর সুব্রত যখন এহেন হীন লেখার প্রতিক্রিয়ায় ” আমি বিনয়ী নই”&#8211; এটা জানায় তখন সেটা হয়ে যায় &#8211; পীড়াদায়ক!!!! স্বভাবতই বুঝতে কঠিন হয় না, এখানে এরা কারা, এই সংঘবদ্ধ গ্রুপটির উদ্দেশ্য কি? যেটি আগেও একবার উল্লেখ করেছিলাম..</strong></p>
<p>বেশ কিছু দিন হলো ব্যক্তিগত ঝামেলার কারনে ব্লগে আসা হয়ে উঠেনি । এসে তো দেখছি একটা কুরুক্ষেত্র অবস্থা চলছে। কে এখানে বাসদের পক্ষে আর কে বিপক্ষে সে বিষয়ে আমি তেমন উৎসাহী ছিলাম না মোটেই নিজে কোন পক্ষাবলম্বন তো আরো পরের বিষয়। কিন্তু শান্ত’র কল্যাণে বুঝতে পারছি বাসদের বিরুদ্ধে যে বিশাল বুর্জোয়া চক্রান্ত চলছে, আমি ও তার অংশ । তার মন্তব্যে আমার কি প্রতিক্তিয়া হওযা উচিত বুঝতে পারছি না।</p>
<p>শান্ত, প্রথমেই বলি, আপনি যেখানে আমার নামটি পর্যন্ত ঠিকমতো বলার সাবধানতা বা সৌজন্য দেখাতে পারলেন না সেখানে আমার বক্তব্য অনুধাবনের ধৈর্য দেখাবেন সে আশা করাই বৃথা । এই পোষ্টটির পুরো আলোচনা পড়লে এটা বুঝতে কারোই অসুবিধা হওয়ার কথা নয় কে বা কারা দল বেঁধে অন্য সকলের বিরুদ্ধে লেগেছে । আমারতো মনে হয় আপনি এবং আপনার বাসদের বন্ধুগণ (সুব্রত, নাঈম, pothik, mosharrof ) এক ধরনের  phobia’ য় আক্রান্ত । যে কারো যে কোন মন্তব্য যেটা সরাসরি আপনাদের পক্ষে নয়, সেটা আপনারা এমনকি শুনতে ও আগ্রহী নন, যুক্তির দ্ধন্দ্বতো অনেক দুরের ব্যাপার । এপর্যন্ত আপনাদেরকে খুব কমই দেখেছি যুক্তিকে যুক্তি দিয়ে খন্ডনের চেষ্টা করতে, বরং আপনাদর সম্মিলিত আচরণ পীরভক্ত অন্ধ মুরীদের মতোই মনে হয় ।</p>
<p>মার্কস, লেনিন, খালেকুজ্জামান আর বাসদ সম্পর্কিত যে কোন বিষয়ে আপনারা এতই touchy, যে এদের বিষয়ে যে কোন ধরনের কথাতেই আঁতকে উঠেন আর সেটা যদি কিঞ্চিত সমালোচনাধর্মী হয় তাহলেতো কথাই নেই। আপনাদের মতো রোমান্টিক সমাজতন্ত্রীদের অনেক দেখেছি তাই বিষয়টা এখন আর গায়ে লাগে না ।</p>
<p>বেশতো চিৎকার চেঁচামেচি করে যাচ্ছেন সেই শুরু থেকে, ইন্সিডেন্টাল আপনাদের নেতা সম্পর্কে কি বলেছেন তা নিয়ে প্রচুর মন্তব্য প্রতিমন্তব্য করে যাছেন, একে গুঁতো তাকে ঢুঁস মেরে যাছেন অনবরত; একটি কথা জিজ্ঞেস করি, আপনারাতো বাসদ/ ফ্রন্ট করে যাছেন গত ২৮ বছর ধরে, দলটি কেন এখনো মানুষের মনে ঠিক জায়গা করে নিতে পারছেনা সে বিষয়ে কি কখনো ভাবেন? কিংবা দলের কর্মকান্ড নিয়ে নিজেদের মধ্যেই কোন সমালোচনা করেন বা করেছেন? নাকি সাধারণ ‘মূর্খরা’ আপনাদের মতো ‘অসাধারণ’ দেরকে বুঝতে পারছে না ভেবে মনে মনে সোয়াস্তির ভাব নিয়ে ঘুরে বেড়ান? আপনাদের আচরন দেখে মনে হয় না যে আপনাদের মধ্যে নিজেদের নিয়ে critical thinking এর কোন ধরনের practice আছে । যদি থাকতো, তা হলে যে কোন সমালোচনাতেই নিজেদের তাসের ঘর উড়ে যাবে এই ভয়ে সন্ত্রস্ত থাকতেন না বরং argumentation এ সংযুক্ত হতে পারতেন।</p>
<p>আপনাদের এই অবস্থা দেখে বলতে হছে, ভ্রম রোধ করতে গিয়ে আপনারা যেভাবে মনের সমস্ত দরজা-জানালা বন্ধ করে রাখছেন, তাতে করে সত্যের উঁকি মারার সম্ভাবনাটিও চিরতরে নিষিদ্ধ করে দিছেন না কি? বাংলাদেশের তাবৎ দল-গোষ্ঠি সব নিয়েই আপনারা সমালোচনা করতে পারেন আর নিজেদের বেলায় সামান্য ইঙ্গিত ও সইতে পারলেন না? শুনুন, আত্ম-সমালোচনা আত্মশুদ্ধিরই পথ । আর যে আত্ম-সমালোচনা করতে জানে, সে নিজের সমালোচনা সইতেও পারে । বিষয়টা অভ্যেস করা অত্যন্ত জরুরী তা-নাহলে নিজেদের অবস্থানটা পরিক্ষীত যুক্তির উপর দাঁড়াবে না এবং তাতে এই যে আপনারা ক’জন পুরো দুনিয়াশুদ্ধ সকলকে বাসদের শত্রু ভাবছেন আর নিজেদের সমাজতন্ত্রের একমাত্র ত্রাতা ভাবছেন, তাদের রোমান্টিক কল্পনার ফানুসটা উবে যেতে বেশি দিন লাগবে না । বিশ্বাস না হলে সাধারণ কর্মী নয়, আপনাদের প্রাক্তন সেন্ট্রাল প্রেসিডেন্ট- সেক্রেটারীদের ব্যাপারেই খোঁজ নিয়ে জেনে নিন । </p>
<p>আর একটি কথা বলতে পারেন, ছাত্রফ্রন্ট এর যত কর্মী-সমর্থক, তাদের কত শতাংশ পরবর্তীকালে বাসদের সংগে যুক্ত হন? সংখ্যাটি কি কোনভাবেই উৎসাহী হওয়ার মতো? কাজেই নিজেরা ভাবুন, নেতৃত্বকে ও ভাবতে বাধ্য করুন , তাতেই হয়তো কিছু লাভ হতে পারে । শুধু লম্প-ঝম্প আর কথার মার-প্যাঁচে কিছু ঘটে না । প্রশ্ন করতে শিখুন তা হলে সমাধান পাওয়া যেতেও পারে, তৎভিন্ন নয় ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :রেজাউল করিম সুমন</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-312</link>
		<dc:creator>রেজাউল করিম সুমন</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-312</guid>
		<description>১.
তর্কটা যেদিকে এগোচ্ছে, যেভাবে উপর্যুপরি মন্তব্যের ফুলঝুরি (&#039;ফুলঝুড়ি&#039; নয়, ওটা সম্ভবত অন্য জিনিস, ফুল রাখার ঝুড়ি বা সেরকম কিছু ... হয়তো নার্সারি-ওয়ালারা ভালো বলতে পারবেন) ছুটছে, মূল প্রসঙ্গকে এড়িয়ে অন্যের জ্ঞানগম্যি নিয়ে মুহুর্মুহু সংশয় উত্থাপিত হচ্ছে, ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠীর অস্তিত্ব কল্পনা করা হচ্ছে, এসব দেখার পর বীতশ্রদ্ধ না হয়ে উপায় থাকে না।

২.
বাসদের সাহিত্যরুচির ব্যাপারে ইনসিডেন্টাল ব্লগারই সবচেয়ে ওয়াকিবহাল এমনটা মনে করার কোনো কারণ আছে কি? আহমেদ মুনির কিংবা শান্ত কিংবা অন্য কেউ তাঁর চেয়েও এ বিষয়ে বেশি জানতে পারেন। আহমেদ মুনির একসময়ে বাসদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন; শান্ত তাঁকে না চিনলেও বাসদের নেতাকর্মীদের অনেকেই তাঁকে বিলক্ষণ চেনেন। ইনসিডেন্টাল ব্লগারের লেখায় বাসদের মুখোশ খুলে গেছে কি যায়নি -- এই প্রশ্ন আমার কাছে অবান্তর, বিশেষত বাসদ আদৌ মুখোশ পরে আছে কি না তা-ই যখন আমার জানা নেই। মূল লেখাটা পড়ে একবারও মনে হয়নি যে ওরকম কোনো উদ্দেশ্য নিয়েই ওই পোস্ট লেখা হয়েছে।

৩.
গল্প-উপন্যাস ভালো-লাগা না-লাগার ব্যাপারটা বোধহয় কখনোই নিছক যুক্তির আওতায় পড়ে না। সাহিত্য পড়ে যে ভালোও লাগতে পারে, এবং প্রধানত ভালো লাগার কারণেই যে অধিকাংশ পাঠক সাহিত্য পড়েন, সেটা আমরা অনেকে সবসময়ে মনে রাখি না। শুরুতেই &#039;শ্রেণীপ্রভাব&#039; আবিষ্কারে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। স্বীকার করতে কুণ্ঠা হওয়া উচিত নয় যে, &#039;শ্রেণীপ্রভাব&#039; সম্পর্কে আমার জ্ঞানগম্যি সত্যিই খুব বেশি নয় (অন্য অনেকের তুলনায়), তবে এটুকু বুঝতে পারি : এক বিশেষ &lt;em&gt;শ্রেণী&lt;/em&gt;র পাঠকের ওপর এর যথেষ্ট &lt;em&gt;প্রভাব&lt;/em&gt; আছে!

৪.
আমার আগের মন্তব্যে (#২৫) একজন সমাজতন্ত্রী কনটেন্টকে বেশি গুরুত্ব দেয় -- এ ধারণাটি খণ্ডিত কি না সে-বিষয়ে কিছু বলিনি। বরং বলেছি যে, কনটেন্ট যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ -- এ-ধারণাটিই খণ্ডিত। প্রসঙ্গত তানভীর মোকাম্মেলের একটি উদ্ধৃতি দিয়েছিলাম এটাই দেখাতে যে, এ-ধরনের যান্ত্রিক ধারণা আরো কোনো কোনো মার্কসবাদী শিবিরে (ও ব্যক্তিপর্যায়ে) চালু আছে, কেবল বাসদেই নয় (এবং কেবল এদেশেই নয়)। আভনের ও আদোল্ফো-র বই পড়ে আমি উপকৃত হয়েছিলাম, সেজন্যই তার উল্লেখ করেছি। আশা করেছিলাম, অন্য কোনো পাঠকের কাছ থেকে এ-বিষয়ক আরো কিছু বইয়ের খোঁজ পাব।

৫.
আমাকে &#039;অনেক জ্ঞানদান করতে&#039; দেখা গেছে শুনে বিস্মিত হয়েছি। (শান্ত #৩৭)। এটি সম্ভবত মন্তব্যকারীর কোনো স্বপ্নদৃশ্য কিংবা দৃষ্টিভ্রম। অবশ্য তাঁর বোঝার ভুলও হতে পারে। আরেকটা জিনিসও স্পষ্ট করা দরকার। ইমতিয়ার সাহেবের মন্তব্যের (#৩২) নীচে ক্রুপস্কায়ার লেখা থেকে প্রাসঙ্গিক অংশের উদ্ধৃতি সংযোজন করেছিলাম তথ্যের যাথার্থ্যের খাতিরে এবং ওই লেখা হাতের কাছে ছিল বলেই। &#039;ছোট্ট ইনেসা&#039;র অধিকতর প্রাসঙ্গিক লেখাটাও ছিল, তবে ইংরেজিতে; কষ্ট করে আর অনুবাদ করিনি।
ওই একই মন্তব্যকারী যে-&#039;বিশেষ গ্রুপটির&#039; প্রতি ইঙ্গিত করেছেন তার অস্তিত্ব সম্পর্কেই আমি না-ওয়াকিফ। আর জানিয়ে রাখা ভালো : বাসদ নিয়ে আমার &#039;বেশি মাথা ব্যথা&#039; নেই। এটা তাঁর কষ্টকল্পনা। তবে বাসদের সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠজনদের কেউ কেউ যুক্ত আছেন। সাম্প্রতিক এই বিতর্কের ফলে, আমাদের মধ্যে মতান্তর থেকে মনান্তর ঘটবে কি না, তা নিয়ে সত্যিই চিন্তিত আছি।

৬.
&#039;টলস্টয়কে নিয়ে লেনিনের আলোচনাটি, পুশকিনকে নিয়ে গোর্কির আলোচনাটি&#039;র প্রতি আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য শান্তকে ধন্যবাদ (#৩৬)। প্রবন্ধের নাম উল্লেখ না করলেও, এবং ফলত প্রথমে কিঞ্চিৎ বিভ্রান্ত বোধ করলেও, পরে তাঁর দেয়া উদ্ধৃতি (#৩৭) থেকে বুঝে নিতে পারা গেল যে, তলস্তোয়কে নিয়ে লেনিনের প্রথম প্রবন্ধটির কথাই (&#039;লিয়েফ তলস্তোয় -- রুশ বিপ্লবের দর্পণ&#039;) তিনি বলছেন। অনেকে অবশ্য তলস্তোয়কে নিয়ে লেনিনের পাঁচটি লেখার সঙ্গে মিলিয়ে পড়তে চাইতে পারেন প্লেখানভের তিনটি লেখাও: &#039;তলস্তোয় ও প্রকৃতি&#039; (১৯০৮), &quot;সীমা বজায় রেখে&quot; (১৯১০) এবং &#039;কার্ল মার্কস ও লিয়েফ তলস্তোয়&#039; (১৯১১)। &#039;তলস্তোয় ও প্রকৃতি&#039; লেখা হয়েছিল তলস্তোয়ের অশীতিতম জন্মদিন উপলক্ষে। পুরো এক শতাব্দী পরেও ওই লেখাটিকে আমাদের অনেকের কাছেই হয়তো কালোন্নীত বলেই মনে হবে। লেখকের শ্রেণীচরিত্র নির্ণয় ও তাঁর লেখায় শ্রেণীপ্রভাব আবিষ্কারের চেষ্টায় ব্যস্ত না হয়েও কোনো লেখকের রচনার বিশেষ কোনো দিক নিয়ে যে মূল্যায়ন করা যায়, তারই দৃষ্টান্ত ওই লেখাটি।
গোর্কির পুশকিন-বিষয়ক যে-উদ্ধৃতি দেয়া হয়েছে, একালের সামান্য পুশকিন-পাঠক হিসেবে আমরা যে তার দ্বারা বিশেষ উপকৃত হই, এমন বলতে পারি না। আমার অস্বস্তি গোর্কির ওই লেখা নিয়ে নয়, উদ্ধৃতি নির্বাচন নিয়ে। বরং তলস্তোয় ও চেখভ-কে নিয়ে গোর্কির অসামান্য &#039;প্রতিকৃতি&#039; দুটির কথা মনে পড়ছে এ মুহূর্তে। মনে পড়ছে মার্সেল প্রুস্তের লেখার মূল্যায়ন করতে গিয়ে গোর্কি ও লুনাচার্স্কির ভিন্ন অবস্থানের কথাও। যে-লেখকের রচনাকে প্রগতিশীল রাজনৈতিক ধারার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত করা যায় না, তাঁর বিষয়ে লেখার সময়েই মার্কসবাদী সমালোচককে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাটা দিতে হয়। আর সে-পরীক্ষায় উতরানোর সহজ কায়দা হিসেবে অনেক সময়ে কেউ কেউ পৌরাণিক গ্রিক দস্যু প্রোক্রুস্তেস্ (Procrustes)-এর ভূমিকায় অবতীর্ণ হন!

৭.
আমার আগের মন্তব্যে (#২৫) অনেকগুলো প্রশ্ন তুলেছিলাম। লক্ষ করলে দেখা যাবে, সব প্রশ্নই একটিমাত্র পক্ষকে লক্ষ্য করে করা হয়নি। এমনকী প্রশ্নগুলোর উত্তরও (যে-অবস্থান থেকেই দেয়া হোক না কেন) বিভিন্ন হতে বাধ্য। প্রশ্নগুলোর উত্তর এখানেই দিতে/পেতে হবে -- এমনটাও ভাবিনি।
যে-মানের তর্ক-বিতর্ক এখানে চলছে, বিশেষত বাসদের পক্ষাবলম্বনকারী বন্ধুদের দিক থেকে, তাতে আদৌ কোথাও যে পৌঁছানো যাবে, এমন ভরসা তো হয় না।

৮.
অনেকবার &#039;আমি&#039;, &#039;আমাকে&#039; ইত্যাদি সর্বনাম ব্যবহার করতে হলো বলে আশা করি কেউ আবার আমাকে ভুল বুঝবেন না। অনন্যোপায় হয়েই করেছি। &#039;আমরা&#039; মন্তব্য লিখছি না এখানে, লিখছি &#039;আমি&#039;।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>১.<br />
তর্কটা যেদিকে এগোচ্ছে, যেভাবে উপর্যুপরি মন্তব্যের ফুলঝুরি (&#8216;ফুলঝুড়ি&#8217; নয়, ওটা সম্ভবত অন্য জিনিস, ফুল রাখার ঝুড়ি বা সেরকম কিছু &#8230; হয়তো নার্সারি-ওয়ালারা ভালো বলতে পারবেন) ছুটছে, মূল প্রসঙ্গকে এড়িয়ে অন্যের জ্ঞানগম্যি নিয়ে মুহুর্মুহু সংশয় উত্থাপিত হচ্ছে, ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠীর অস্তিত্ব কল্পনা করা হচ্ছে, এসব দেখার পর বীতশ্রদ্ধ না হয়ে উপায় থাকে না।</p>
<p>২.<br />
বাসদের সাহিত্যরুচির ব্যাপারে ইনসিডেন্টাল ব্লগারই সবচেয়ে ওয়াকিবহাল এমনটা মনে করার কোনো কারণ আছে কি? আহমেদ মুনির কিংবা শান্ত কিংবা অন্য কেউ তাঁর চেয়েও এ বিষয়ে বেশি জানতে পারেন। আহমেদ মুনির একসময়ে বাসদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন; শান্ত তাঁকে না চিনলেও বাসদের নেতাকর্মীদের অনেকেই তাঁকে বিলক্ষণ চেনেন। ইনসিডেন্টাল ব্লগারের লেখায় বাসদের মুখোশ খুলে গেছে কি যায়নি &#8212; এই প্রশ্ন আমার কাছে অবান্তর, বিশেষত বাসদ আদৌ মুখোশ পরে আছে কি না তা-ই যখন আমার জানা নেই। মূল লেখাটা পড়ে একবারও মনে হয়নি যে ওরকম কোনো উদ্দেশ্য নিয়েই ওই পোস্ট লেখা হয়েছে।</p>
<p>৩.<br />
গল্প-উপন্যাস ভালো-লাগা না-লাগার ব্যাপারটা বোধহয় কখনোই নিছক যুক্তির আওতায় পড়ে না। সাহিত্য পড়ে যে ভালোও লাগতে পারে, এবং প্রধানত ভালো লাগার কারণেই যে অধিকাংশ পাঠক সাহিত্য পড়েন, সেটা আমরা অনেকে সবসময়ে মনে রাখি না। শুরুতেই &#8216;শ্রেণীপ্রভাব&#8217; আবিষ্কারে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। স্বীকার করতে কুণ্ঠা হওয়া উচিত নয় যে, &#8216;শ্রেণীপ্রভাব&#8217; সম্পর্কে আমার জ্ঞানগম্যি সত্যিই খুব বেশি নয় (অন্য অনেকের তুলনায়), তবে এটুকু বুঝতে পারি : এক বিশেষ <em>শ্রেণী</em>র পাঠকের ওপর এর যথেষ্ট <em>প্রভাব</em> আছে!</p>
<p>৪.<br />
আমার আগের মন্তব্যে (#২৫) একজন সমাজতন্ত্রী কনটেন্টকে বেশি গুরুত্ব দেয় &#8212; এ ধারণাটি খণ্ডিত কি না সে-বিষয়ে কিছু বলিনি। বরং বলেছি যে, কনটেন্ট যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ &#8212; এ-ধারণাটিই খণ্ডিত। প্রসঙ্গত তানভীর মোকাম্মেলের একটি উদ্ধৃতি দিয়েছিলাম এটাই দেখাতে যে, এ-ধরনের যান্ত্রিক ধারণা আরো কোনো কোনো মার্কসবাদী শিবিরে (ও ব্যক্তিপর্যায়ে) চালু আছে, কেবল বাসদেই নয় (এবং কেবল এদেশেই নয়)। আভনের ও আদোল্ফো-র বই পড়ে আমি উপকৃত হয়েছিলাম, সেজন্যই তার উল্লেখ করেছি। আশা করেছিলাম, অন্য কোনো পাঠকের কাছ থেকে এ-বিষয়ক আরো কিছু বইয়ের খোঁজ পাব।</p>
<p>৫.<br />
আমাকে &#8216;অনেক জ্ঞানদান করতে&#8217; দেখা গেছে শুনে বিস্মিত হয়েছি। (শান্ত #৩৭)। এটি সম্ভবত মন্তব্যকারীর কোনো স্বপ্নদৃশ্য কিংবা দৃষ্টিভ্রম। অবশ্য তাঁর বোঝার ভুলও হতে পারে। আরেকটা জিনিসও স্পষ্ট করা দরকার। ইমতিয়ার সাহেবের মন্তব্যের (#৩২) নীচে ক্রুপস্কায়ার লেখা থেকে প্রাসঙ্গিক অংশের উদ্ধৃতি সংযোজন করেছিলাম তথ্যের যাথার্থ্যের খাতিরে এবং ওই লেখা হাতের কাছে ছিল বলেই। &#8216;ছোট্ট ইনেসা&#8217;র অধিকতর প্রাসঙ্গিক লেখাটাও ছিল, তবে ইংরেজিতে; কষ্ট করে আর অনুবাদ করিনি।<br />
ওই একই মন্তব্যকারী যে-&#8217;বিশেষ গ্রুপটির&#8217; প্রতি ইঙ্গিত করেছেন তার অস্তিত্ব সম্পর্কেই আমি না-ওয়াকিফ। আর জানিয়ে রাখা ভালো : বাসদ নিয়ে আমার &#8216;বেশি মাথা ব্যথা&#8217; নেই। এটা তাঁর কষ্টকল্পনা। তবে বাসদের সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠজনদের কেউ কেউ যুক্ত আছেন। সাম্প্রতিক এই বিতর্কের ফলে, আমাদের মধ্যে মতান্তর থেকে মনান্তর ঘটবে কি না, তা নিয়ে সত্যিই চিন্তিত আছি।</p>
<p>৬.<br />
&#8216;টলস্টয়কে নিয়ে লেনিনের আলোচনাটি, পুশকিনকে নিয়ে গোর্কির আলোচনাটি&#8217;র প্রতি আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য শান্তকে ধন্যবাদ (#৩৬)। প্রবন্ধের নাম উল্লেখ না করলেও, এবং ফলত প্রথমে কিঞ্চিৎ বিভ্রান্ত বোধ করলেও, পরে তাঁর দেয়া উদ্ধৃতি (#৩৭) থেকে বুঝে নিতে পারা গেল যে, তলস্তোয়কে নিয়ে লেনিনের প্রথম প্রবন্ধটির কথাই (&#8216;লিয়েফ তলস্তোয় &#8212; রুশ বিপ্লবের দর্পণ&#8217;) তিনি বলছেন। অনেকে অবশ্য তলস্তোয়কে নিয়ে লেনিনের পাঁচটি লেখার সঙ্গে মিলিয়ে পড়তে চাইতে পারেন প্লেখানভের তিনটি লেখাও: &#8216;তলস্তোয় ও প্রকৃতি&#8217; (১৯০৮), &#8220;সীমা বজায় রেখে&#8221; (১৯১০) এবং &#8216;কার্ল মার্কস ও লিয়েফ তলস্তোয়&#8217; (১৯১১)। &#8216;তলস্তোয় ও প্রকৃতি&#8217; লেখা হয়েছিল তলস্তোয়ের অশীতিতম জন্মদিন উপলক্ষে। পুরো এক শতাব্দী পরেও ওই লেখাটিকে আমাদের অনেকের কাছেই হয়তো কালোন্নীত বলেই মনে হবে। লেখকের শ্রেণীচরিত্র নির্ণয় ও তাঁর লেখায় শ্রেণীপ্রভাব আবিষ্কারের চেষ্টায় ব্যস্ত না হয়েও কোনো লেখকের রচনার বিশেষ কোনো দিক নিয়ে যে মূল্যায়ন করা যায়, তারই দৃষ্টান্ত ওই লেখাটি।<br />
গোর্কির পুশকিন-বিষয়ক যে-উদ্ধৃতি দেয়া হয়েছে, একালের সামান্য পুশকিন-পাঠক হিসেবে আমরা যে তার দ্বারা বিশেষ উপকৃত হই, এমন বলতে পারি না। আমার অস্বস্তি গোর্কির ওই লেখা নিয়ে নয়, উদ্ধৃতি নির্বাচন নিয়ে। বরং তলস্তোয় ও চেখভ-কে নিয়ে গোর্কির অসামান্য &#8216;প্রতিকৃতি&#8217; দুটির কথা মনে পড়ছে এ মুহূর্তে। মনে পড়ছে মার্সেল প্রুস্তের লেখার মূল্যায়ন করতে গিয়ে গোর্কি ও লুনাচার্স্কির ভিন্ন অবস্থানের কথাও। যে-লেখকের রচনাকে প্রগতিশীল রাজনৈতিক ধারার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত করা যায় না, তাঁর বিষয়ে লেখার সময়েই মার্কসবাদী সমালোচককে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাটা দিতে হয়। আর সে-পরীক্ষায় উতরানোর সহজ কায়দা হিসেবে অনেক সময়ে কেউ কেউ পৌরাণিক গ্রিক দস্যু প্রোক্রুস্তেস্ (Procrustes)-এর ভূমিকায় অবতীর্ণ হন!</p>
<p>৭.<br />
আমার আগের মন্তব্যে (#২৫) অনেকগুলো প্রশ্ন তুলেছিলাম। লক্ষ করলে দেখা যাবে, সব প্রশ্নই একটিমাত্র পক্ষকে লক্ষ্য করে করা হয়নি। এমনকী প্রশ্নগুলোর উত্তরও (যে-অবস্থান থেকেই দেয়া হোক না কেন) বিভিন্ন হতে বাধ্য। প্রশ্নগুলোর উত্তর এখানেই দিতে/পেতে হবে &#8212; এমনটাও ভাবিনি।<br />
যে-মানের তর্ক-বিতর্ক এখানে চলছে, বিশেষত বাসদের পক্ষাবলম্বনকারী বন্ধুদের দিক থেকে, তাতে আদৌ কোথাও যে পৌঁছানো যাবে, এমন ভরসা তো হয় না।</p>
<p>৮.<br />
অনেকবার &#8216;আমি&#8217;, &#8216;আমাকে&#8217; ইত্যাদি সর্বনাম ব্যবহার করতে হলো বলে আশা করি কেউ আবার আমাকে ভুল বুঝবেন না। অনন্যোপায় হয়েই করেছি। &#8216;আমরা&#8217; মন্তব্য লিখছি না এখানে, লিখছি &#8216;আমি&#8217;।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :রায়হান রশিদ</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-311</link>
		<dc:creator>রায়হান রশিদ</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-311</guid>
		<description>Spectator এ প্রকাশিত ওয়েন ম্যাথ্যুস এর লেখা, সলঝেনিৎসিনকে নিয়ে:
&lt;a href=&quot;http://www.spectator.co.uk/the-magazine/features/880626/russias-ignorant-still-hate-solzhenitsyn.thtml&quot; target=&quot;_blank&quot; rel=&quot;nofollow&quot;&gt;http://www.spectator.co.uk/the-magazine/features/880626/russias-ignorant-still-hate-solzhenitsyn.thtml&lt;/a&gt;</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>Spectator এ প্রকাশিত ওয়েন ম্যাথ্যুস এর লেখা, সলঝেনিৎসিনকে নিয়ে:<br />
<a target="_blank" rel="nofollow external" href="http://www.spectator.co.uk/the-magazine/features/880626/russias-ignorant-still-hate-solzhenitsyn.thtml" target="_blank" rel="nofollow">http://www.spectator.co.uk/the-magazine/features/880626/russias-ignorant-still-hate-solzhenitsyn.thtml</a></p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :রায়হান রশিদ</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-259</link>
		<dc:creator>রায়হান রশিদ</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-259</guid>
		<description>মন্তব্যকারীদের কয়েকজনের আলোচনায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে পেশ করা বাসদের একটি &quot;ফর্দ&quot; বা দাবীনামার কথা বারবার উঠে এসেছে (দেখুন: অস্মিতা, শান্ত, ইনসিডেনটাল ব্লগার, মোশাররফ)। আলোচনার সুবিধার্থে এই দাবীনামার কিছু বিষয়ের উপর আলোকপাত প্রাসঙ্গিক। বাসদ মুখপত্র &lt;a href=&quot;http://www.nirmaaan.com/blog/wp-content/uploads/2008/06/spbctgdialogue.pdf&quot; rel=&quot;nofollow&quot;&gt;ভ্যানগার্ডে প্রকাশিত তথ্য&lt;/a&gt; অনুযায়ী গত ৪ জুন ২০০৮ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রতিনিধিদের সাথে মুখোমুখি সংলাপে বসেন বাসদ নেতৃবৃন্দ। দলের পক্ষ থেকে এতে উপস্থিত ছিলেন সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, যাঁদের মধ্যে: কমরেড খালেকুজ্জামান (যিনি লিখিত বক্তব্যটি পাঠ করেন), কমরেড মুবিনুল হায়দার চৌধুরী, কমরেড আব্দুল্লাহ সরকার, কমরেড রাজেকুজ্জামান রতন, কমরেড শুভ্রাংশু চক্রবর্তী প্রমূখ উল্লেখযোগ্য। তাঁদের লিখিত বক্তব্যে &#039;জাতীয় সনদ&#039;, &#039;লেজুড় রাজনীতি&#039;, &#039;দলীয় নিবন্ধন ও সংস্কার&#039;, &#039;প্রতিযোগীতামূলক অর্থনীতি&#039;, &#039;দূর্নীতি&#039;, &#039;হরতাল ধর্মঘট&#039; থেকে শুরু করে &#039;সংবিধানে ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা&#039; এবং &#039;জরুরী অবস্থায় নির্বাচন&#039; অনুষ্ঠানের বিষয়গুলো উঠে এসেছে। এসব বিষয়ে অন্য কোন একদিন বিস্তারিত আলোচনা করা যাবে। এখানে শুধু লিখিত বক্তব্যটির শেষাংশে উত্থাপিত দাবীনামা বা প্রদত্ত সুপারিশনামার কিছু বিষয়ে মন্তব্যটি সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করবো, যাকে বাসদের পক্ষ থেকে উপস্থাপন করা  হয়েছে &quot;জাতীয় ঐকমত্য ও বিদ্যমান রাজনৈতিক ও জনজীবনের সংকট মোকাবিলার জন্য করণীয়&quot; হিসেবে।   

এতে কোন সন্দেহ নেই যে সেখানে উল্লেখিত প্রতিটি দাবীই কোন না কোনভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং &#039;জনজীবনের সংকট মোকাবিলায়&#039; তাদের তাৎপর্য অনস্বীকার্য, যদি দীর্ঘমেয়াদী অর্থে বিচার করা হয়। তবে ঘটমান বর্তমান, নিকট অতীত কিংবা ভবিষ্যতের নিরিখে সে সবের বেশির ভাগ ঠিক এখনই কতটা প্রাসঙ্গিক বা সময়োপযোগী সে বিষয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে। কারণ, সেখানে উল্লেখিত বেশীরভাগ বিষয়ই বর্তমান প্রেক্ষাপটের নিরিখে (যথা: জরুরী অবস্থা ও এর নিরসন, দমন নিপীড়ন, সুষ্ঠ নির্বাচন অনুষ্ঠান, সংবিধান সমূন্নতকরণ, গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তন ইত্যাদি) কিভাবে ও কতটা জরুরী তা ঠিক স্পষ্ট হয়নি দাবী পূর্ববর্তী আলোচনা থেকে। আর তাছাড়া সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে নিজেই প্রশ্নের সম্মূখীন এমন একটি সরকারের প্রতিনিধিদের কাছে সে সব উত্থাপন কতটা যুক্তিযুক্ত সে বিষয়টি তো বিবেচনার দাবী রাখেই। থাক সে আলোচনা। 

&lt;strong&gt;Note: এখানকার সব মতামত একজন সাধারণ গণতন্ত্রকামী নাগরিকের দৃষ্টিকোণ থেকে।&lt;/strong&gt;

যে জিনিসটি প্রথমেই  চোখে পড়ে তা হল সংখ্যার দিক থেকে খুব বেশী দাবীর সমাহার। গুণে দেখলাম মোট ১২ ভাগে উপস্থাপিত সর্বমোট দাবীর সংখ্যা আসলে ৯৮ টি। যেমন ধরা যাক, ১ এর আওতায় ৩১টি, ২ এর আওতায় ৪৭ বা তারও বেশী, ৩ এর আওতায় ২, ৪ এর আওতায় ৩টি দাবী ইত্যাদি। প্রথমতঃ একটা অরাজনৈতিক টেকনোক্র্যাট সরকারের কাছে পেশ করার মত দাবী এগুলো আদৌ কিনা, সেটি ভেবে দেখার মত। দ্বিতীয়তঃ সর্বমোট ১৫ টি পৃথক দাবী সম্বলিত দাবী নং ৩ (জরুরী আইন প্রত্যাহার, গণতান্ত্রিক অধিকার পুনর্বহাল), ৪ (দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ), ৫, ৬ (জামিনের অধিকার), ৯ (নির্বাচনের পরিবেশ, তারিখ ঘোষণা, ক্ষমতা হস্তান্তর) এবং ১২ (কৃষক-ক্ষেতমজুরের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা জাল) ছাড়া বাকী ৮৩ টি দাবী আদৌ ঠিক এসময়েই এ সরকারের কাছে উত্থাপনের উপযুক্ত ছিল কিনা তাও বিবেচ্য। Rhetoric রাজনীতিরই ভাষা এবং সেই অর্থে এসব দাবীর বেশীর ভাগই তুলতে এক অর্থে কোন বাধা নেই হয়তো। যিনি রথ দেখতে যাবেন তিনি যে চাইলে কিছু কলাও বেচতে পারবেননা, তা তো নয়। নিশ্চয়ই পারবেন। তবে, এমন সময়ও তো আসে যখন প্রয়োজন হয় গুরুত্বানুযায়ী prioritise করার। সেক্ষেত্রে কলা বেচা যদি রথ দেখায় বিঘ্ন ঘটায়, তাকে হয়তো তখন ত্যাগ করাই শ্রেয়। সরকারের সাথে এই সংলাপটা বোধ করি তেমনই গুরুত্বের একটি বিষয় ছিল। এতে একদিকে যেমন ছিল আদৌ এ সংলাপে বাসদের যাওয়া উচিত কিনা সেই বিবেচনা, একইভাবে অন্যদিকে বিচার্য ছিল যদি যেতেই হয় তবে কেমন হওয়া উচিত সে আলোচনার বিষয়বস্তু।

নিতান্ত সাধারণ জ্ঞান থেকে যা বুঝি তা হল, যে কারো কাছে দাবী নিয়ে যাওয়ার সময় ভাবা দরকার : কি দাবী করছি? কার কাছে দাবী করছি? যা দাবী করছি তা কি তার দেয়ার ক্ষমতা বা সদিচ্ছা আছে কিনা? কি জন্য দাবী করছি? অর্থাৎ, সত্যিই কি এমূহুর্তে এসব দাবীর বাস্তবায়ন আশা করছি, নাকি জনসচেতনতা তৈরীর উদ্দেশ্যে সেগুলি উত্থাপিত, নাকি সেগুলো স্রেফ কথার কথা। রাজনৈতিক অঙ্গনে যাকে বলে point make করা, কেবল সে উদ্দেশ্যেও যে দাবী উত্থাপিত হয়ে থাকেনা তা তো নয়! কিন্তু সাধারণ জ্ঞান থেকে এও বুঝি যে যত্রতত্র আলোচনায় বসে যাওয়া কিংবা যথেচ্ছ দাবী তোলার কিছু বিপদও আছে। প্রথমত, এতে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থানের ব্যপারে জনগণের কাছে ভুল বার্তা পৌঁছাতে পারে। ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হতে পারে এমনকি নিজেদের শিবিরেই। উপরের কিছু আলোচনা-সমালোচনায় তারই ইঙ্গিত উঠে এসেছে কয়েকবার (দেখুন: অস্মিতা, ইনসিডেনটাল)। দ্বিতীয়তঃ কোন দাবী তোলার আগে এও ভাবা দরকার যে ভুল মানুষদের কাছে ভুল সময়ে ভুল দাবী করে কোন অহেতুক জটিলতা সৃষ্টি করছি কিনা। কারণ যে সামরিক সরকারের সদুদ্দেশ্য নিয়েই সন্দেহের যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে, সে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক শিবির থেকে আসা দাবীনামাকে কিভাবে ব্যাখ্যা (interpret) করতে পারে, অথবা কিভাবে তার নিজের উদ্দেশ্য হাসিলের কাজে সে সব দাবীকে ব্যবহার করতে পারে, তাও আগেভাগেই ভাবা দরকার। দেশ ও জাতির এই সংকটের দিনে প্রগতিশীল গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর কাছ থেকে এটুকু নিষ্ঠা, প্রজ্ঞা এবং thoroughness তো আমরা আশা করতেই পারি। গত দুই মাসের ঘটনাবলী থেকে এ তো এখন সবারই জানা কিভাবে বাসদের সংবিধানসংক্রান্ত প্রস্তাবগুলোকে (ক্ষমতার ভারসাম্য, সংশোধনী বাতিলের দাবী ইত্যাদি) তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিজের মত করে ব্যাখ্যা দিয়ে &quot;সংবিধান পর্যালোচনার&quot; মতো অবৈধ পদক্ষেপ নেয়ার পাঁয়তারা করেছে। এটা কি নিতান্তই কাকতালীয় যে বাসদের সাথে সংলাপের ঠিক পর পরই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জনৈক উপদেষ্টা সংবিধান পর্যালোচনার এই অসাংবিধানিক প্রস্তাবটিকে &quot;জনগণের দাবী&quot; হিসেবে সাংবাদিকদের কাছে উপস্থাপন করেছেন? অবশ্য, বাসদ পরবর্তীতে তাদের নিজ সংবাদ সম্মেলনে এর একটা ব্যাখ্যা দিয়ে অবস্থান পরিস্কার করেছে। কিন্তু এই ভুল বোঝাবুঝিটুকুর সুযোগ কি তৈরী না করলেই হোতো না? তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে আরেকটি অস্ত্র কি তুলে না দিলেই নয়? আর সেটা কি বাসদের মত একটি আদর্শবাদী দলের হাত দিয়েই হতে হবে? 

রাজনীতির জটিল হিসাব নিকাশ বুঝিনা, এ হল আমাদের মত সাধারণ মানুষদের সহজ সরল চিন্তাভাবনা। আশা করবো বাসদ নেতৃবৃন্দ ভবিষ্যতে এই বিষয়গুলো আরেকটু বিবেচনা করে দেখবেন এধরণের পদক্ষেপ নেয়ার আগে। আর এ শুধু বাসদ নয়, মনে করি প্রতিটি রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। যে ধরণের কৌশল পাল্টা কৌশলের তোড়জোড় দেখছি আমাদের এ সামরিক সরকারের, পাল্লা দিয়ে তাদের চেয়েও বেশী বুদ্ধিমত্তার সাথে জনগণকে নেতৃত্ব না দিতে পারলে সামনের দিনগুলিতে আরো ভোগান্তি আছে আমাদের। ইতোমধ্যেই ইলেকশন নিয়ে আওয়ামী লীগ কি করলো, আমরা তো সবাই দেখলাম!

সময় থাকলে দাবীনামাটি নিয়ে আরো বিস্তারিত আলোচনা করা যেতো। তবে শেষ করার আগে তিনটি বিষয় তুলে ধরা দরকার মনে করছি।

১) প্রথম দফাটিতে দেখতে পাচ্ছি আর সব কালো আইনের পাশাপাশি &quot;সন্ত্রাস দমন অধ্যাদেশ&quot; বাতিলের দাবীটিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দাবী হিসেবে এটি অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত, তবে এখানে কিছু প্রশ্ন আছে। উল্লেখ করা দরকার, ডেইলি স্টার এর &lt;a href=&quot;http://www.thedailystar.net/story.php?nid=37211&quot; rel=&quot;nofollow&quot;&gt;রিপোর্ট অনুযায়ী&lt;/a&gt; &quot;Anti-Terrorism Ordinance 2008&quot; নামের এই আইনটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ গত ১৮ জুন আইন হিসেবে চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেন। সুতরাং ৪ জুন বাসদ নেতাদের সংলাপের দিন পর্যন্ত যে আইন পাশই হয়নি কিভাবে তা বাতিলের দাবী করা যায় তা বোধগম্য নয়। ব্যপারটা একটু premature হয়ে যায়না কি? এমন হতে পারে যে দাবীনামায় বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে ১৯৯২ সালের কাছাকাছি নামের পুরনো একটি আইনকে: &lt;a href=&quot;http://www.sai.uni-heidelberg.de/workgroups/bdlaw/1992-a44.htm&quot; rel=&quot;nofollow&quot;&gt;&quot;Suppression of Terrorist Offences Act, 1992 (Act No.44 of 1992)&quot;&lt;/a&gt;, যেটি The Suppression of Terrorist Offences Ordinance, 1992 (Ordinance No.7, 1992) নামের আরো পুরনো আরেকটি আইনকে replace করেছিল। কিন্তু সেটা বোঝানোও একটু মুশকিল, কারণ, ১৯৯২ সালের আইনটির (Act No.44 of 1992) ধারা ২(১) অনুযায়ী: &lt;em&gt;&quot;This Act shall come into force at once and &lt;strong&gt;it shall have effect for a period of two years&lt;/strong&gt; unless such period is extended by Parliament&quot;&lt;/em&gt;, অর্থাৎ আইনটির মধ্যেই এর প্রয়োগকালের সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছিল, সুতরাং এর বাতিল দাবী করার কিছু নেই, অন্তত আইনটি বাতিল হয়ে যাওয়ার ১৪ বছর পর। [ইন্টারন্যশনাল কমিশন অব জুরিস্টের কাছে দায়েরকৃত  &lt;a href=&quot;http://www.nirmaaan.com/blog/wp-content/uploads/submission_to_icj.pdf&quot; target=&quot;_blank&quot; rel=&quot;nofollow&quot;&gt;এই দলিলটির পৃষ্ঠা ৮&lt;/a&gt; দেখুন]। আরেকটা সম্ভাবনা এই যে দাবীটির মাধ্যমে আসলে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে ১৯৯৪ সালের ১ ডিসেম্বর এর &lt;a href=&quot;http://www.satp.org/satporgtp/countries/bangladesh/document/actandordinances/TerrorismAct94.htm&quot; rel=&quot;nofollow&quot;&gt;Suppression of Terrorist Offences (Special Provisions) Act, 1994&lt;/a&gt; (Act No. 21 of 1994) নামের আরেকটি আইন। কিন্তু এ আইনটি আমার জানা মতে কখনো বাতিল করা হয়নি কারণ তা বাতিলের কোন প্রয়োজন নেই। আইনটির বিষয়বস্তু পড়লেই জানা যাবে কেন সেকথা বলছি। কারণ, নতুন এ আইনটি মূলত ১৯৯২ সালের আইনের আওতাধীন ইতিমধ্যেই দায়েরকৃত মামলাদির বিচারকার্যের ব্যপারে কিছু পদ্ধতিগত ব্যপারকে address করে মাত্র। অবশ্য সর্বশেষ আরেকটি ব্যাখ্যা থাকতে পারে এই আপাত ভুল দাবীটির পেছনে। পর্দার অন্তরালে &lt;a href=&quot;http://www.hrw.org/english/docs/2008/06/30/bangla19227.htm&quot; rel=&quot;nofollow&quot;&gt;কঠোর গোপনীয়তার&lt;/a&gt; মধ্যে ২০০৮ এর নতুন এই কালো আইনটির আয়োজন চললেও কিছু কিছু unconfirmed খবর বিভিন্নভাবে প্রকাশ হয়ে গিয়েছিল আইনটি চূড়ান্তভাবে পাশ হওয়ার আগেই (যেমন ধরা যাক ১৬ জুনের &lt;a href=&quot;http://www.bangladeshnews.com.bd/2008/06/16/legal-experts-oppose-anti-terror-ordinance/&quot; rel=&quot;nofollow&quot;&gt;এই রিপোর্টটি&lt;/a&gt; দেখুন)। বাসদের দাবীনামায় হয়তো তারই ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে আশা করবো। কিন্তু ব্যপারটা আরেকটু পরিস্কার করার দরকার ছিল বলে মনে করি। কারণ এটাকে যথেষ্ট চিন্তাভাবনা ছাড়াই ১৬ বছরের &quot;পুরনো খসড়া&quot; থেকে তুলে দেয়া দাবী বলে ভুল বুঝতে পারেন অনেকেই, যা বাসদ কেন যে কোন রাজনৈতিক দলের ভাবমূর্তির জন্যই ক্ষতিকর। 

২) লক্ষ্য করলাম ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারার বিলোপ চাওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর লোকজন ছাড়া মনে হয় এই ধারাটির খুব কম ভক্তই পাওয়া যাবে সারা দেশ খুঁজলে। কিন্তু সরাসরি এই ধারাটির বিলোপ চাওয়া মনে হয় খুব একটা পরিণত দাবী হয়নি। এটা শুধু আমারই অভিমত না, সুপ্রীম কোর্টের একটি বিখ্যাত রায়ও আছে এ বিষয়ে যেখানে ধারাটির কিছু অনস্বীকার্য প্রয়োগ-প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে নিয়েই কিছু safeguards এবং দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয়েছে এর প্রয়োগের ক্ষেত্রে। হাতের কাছে এই গুরুত্বপূর্ণ রায়টির reference থাকলে এখানে দিয়ে দিতে পারতাম (খুঁজে পেলে পরে দিয়ে দেব)। সুতরাং, শর্তহীনভাবে ধারাটির বিলোপের পরিবর্তে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পক্ষের রাজনৈতিক শক্তিগুলোর উচিত সুপ্রীমকোর্টের guideline অনুযায়ী ধারাটির প্রয়োগ দাবী করা।  

৩) দাবীনামার দ্বিতীয় ধারাটি ছাত্রসমাজের ১০ দফা, শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের ৫ দফা, ১৭ কৃষক সংগঠনের ১৫ দফা, ঐক্যবদ্ধ নারী সমাজের ১৭ দফা ইত্যাদির বাস্তবায়নের কথা লিখেছে। মনে করি, বাংলাদেশে এমন মানুষ খুব কমই আছেন যারা শুনেই প্রতিটি দফা গড় গড় করে মুখস্ত বলে দিতে পারবেন। এটা বললাম এ কারণে যে, আমার মনে হয়নি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টাগণ যাঁদের কাছে সর্বমোট এই ৪৭ টি দফা পেশ করা হল, তাঁদের কাছে এসবের কোন তাৎপর্য আছে। দাবীনামার দ্বিতীয় দফাটি পড়েই তাঁরা বুঝে ফেলবেন &quot;কি চাওয়া হচ্ছে সেখানে&quot; এমনটা আশা করা বোধ হয় একটু কষ্ট কল্পনাই হয়ে যায়। রাজনীতির অঙ্গন থেকে বহু দূরের পরিবেশে বেড়ে ওঠা এই উপদেষ্টাদের কথা বাদই দিলাম। আজ যদি শাহবাগের মোড়ে দাঁড়িয়ে random sampling করে ১০০ জন মানুষের কাছে এই দাবীগুলোর বিষয়বস্তু জানতে চাওয়া হয়, আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে কয়জন ঠিক ঠিক উত্তর দিতে পারবেন (করেই দেখুন না কেউ?)। জনগণের দাবী যদি জনগণই না জানেন বা না বোঝেন তাহলে আর তা তুলে কি লাভ? তোলা উচিত না, তা কিন্তু বলছি না। তোলা উচিত, সব অর্থে, সব শক্তি দিয়ে, তবে দুর্বোধ্য করে নয়। এক বন্ধু একটা মজার মন্তব্য করেছে দ্বিতীয় এই দফাটি পড়ে। সে বলেছে, &quot;এই ৪৭ দফা দাবীগুলো যখন পরিপূরণের কাছাকাছি চলে যাওয়া হবে, বিপ্লবের বুঝি আর তখন খুব বেশীদিন বাকি থাকবেনা।&quot; সে অর্থে দাবীগুলো কিছুটা ambitious ই হয়তো। 

সংশ্লিষ্টদের বিষয়গুলোর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>মন্তব্যকারীদের কয়েকজনের আলোচনায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে পেশ করা বাসদের একটি &#8220;ফর্দ&#8221; বা দাবীনামার কথা বারবার উঠে এসেছে (দেখুন: অস্মিতা, শান্ত, ইনসিডেনটাল ব্লগার, মোশাররফ)। আলোচনার সুবিধার্থে এই দাবীনামার কিছু বিষয়ের উপর আলোকপাত প্রাসঙ্গিক। বাসদ মুখপত্র <a target="_blank" rel="nofollow external" href="http://www.nirmaaan.com/blog/wp-content/uploads/2008/06/spbctgdialogue.pdf" rel="nofollow">ভ্যানগার্ডে প্রকাশিত তথ্য</a> অনুযায়ী গত ৪ জুন ২০০৮ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রতিনিধিদের সাথে মুখোমুখি সংলাপে বসেন বাসদ নেতৃবৃন্দ। দলের পক্ষ থেকে এতে উপস্থিত ছিলেন সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, যাঁদের মধ্যে: কমরেড খালেকুজ্জামান (যিনি লিখিত বক্তব্যটি পাঠ করেন), কমরেড মুবিনুল হায়দার চৌধুরী, কমরেড আব্দুল্লাহ সরকার, কমরেড রাজেকুজ্জামান রতন, কমরেড শুভ্রাংশু চক্রবর্তী প্রমূখ উল্লেখযোগ্য। তাঁদের লিখিত বক্তব্যে &#8216;জাতীয় সনদ&#8217;, &#8216;লেজুড় রাজনীতি&#8217;, &#8216;দলীয় নিবন্ধন ও সংস্কার&#8217;, &#8216;প্রতিযোগীতামূলক অর্থনীতি&#8217;, &#8216;দূর্নীতি&#8217;, &#8216;হরতাল ধর্মঘট&#8217; থেকে শুরু করে &#8216;সংবিধানে ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা&#8217; এবং &#8216;জরুরী অবস্থায় নির্বাচন&#8217; অনুষ্ঠানের বিষয়গুলো উঠে এসেছে। এসব বিষয়ে অন্য কোন একদিন বিস্তারিত আলোচনা করা যাবে। এখানে শুধু লিখিত বক্তব্যটির শেষাংশে উত্থাপিত দাবীনামা বা প্রদত্ত সুপারিশনামার কিছু বিষয়ে মন্তব্যটি সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করবো, যাকে বাসদের পক্ষ থেকে উপস্থাপন করা  হয়েছে &#8220;জাতীয় ঐকমত্য ও বিদ্যমান রাজনৈতিক ও জনজীবনের সংকট মোকাবিলার জন্য করণীয়&#8221; হিসেবে।   </p>
<p>এতে কোন সন্দেহ নেই যে সেখানে উল্লেখিত প্রতিটি দাবীই কোন না কোনভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং &#8216;জনজীবনের সংকট মোকাবিলায়&#8217; তাদের তাৎপর্য অনস্বীকার্য, যদি দীর্ঘমেয়াদী অর্থে বিচার করা হয়। তবে ঘটমান বর্তমান, নিকট অতীত কিংবা ভবিষ্যতের নিরিখে সে সবের বেশির ভাগ ঠিক এখনই কতটা প্রাসঙ্গিক বা সময়োপযোগী সে বিষয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে। কারণ, সেখানে উল্লেখিত বেশীরভাগ বিষয়ই বর্তমান প্রেক্ষাপটের নিরিখে (যথা: জরুরী অবস্থা ও এর নিরসন, দমন নিপীড়ন, সুষ্ঠ নির্বাচন অনুষ্ঠান, সংবিধান সমূন্নতকরণ, গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তন ইত্যাদি) কিভাবে ও কতটা জরুরী তা ঠিক স্পষ্ট হয়নি দাবী পূর্ববর্তী আলোচনা থেকে। আর তাছাড়া সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে নিজেই প্রশ্নের সম্মূখীন এমন একটি সরকারের প্রতিনিধিদের কাছে সে সব উত্থাপন কতটা যুক্তিযুক্ত সে বিষয়টি তো বিবেচনার দাবী রাখেই। থাক সে আলোচনা। </p>
<p><strong>Note: এখানকার সব মতামত একজন সাধারণ গণতন্ত্রকামী নাগরিকের দৃষ্টিকোণ থেকে।</strong></p>
<p>যে জিনিসটি প্রথমেই  চোখে পড়ে তা হল সংখ্যার দিক থেকে খুব বেশী দাবীর সমাহার। গুণে দেখলাম মোট ১২ ভাগে উপস্থাপিত সর্বমোট দাবীর সংখ্যা আসলে ৯৮ টি। যেমন ধরা যাক, ১ এর আওতায় ৩১টি, ২ এর আওতায় ৪৭ বা তারও বেশী, ৩ এর আওতায় ২, ৪ এর আওতায় ৩টি দাবী ইত্যাদি। প্রথমতঃ একটা অরাজনৈতিক টেকনোক্র্যাট সরকারের কাছে পেশ করার মত দাবী এগুলো আদৌ কিনা, সেটি ভেবে দেখার মত। দ্বিতীয়তঃ সর্বমোট ১৫ টি পৃথক দাবী সম্বলিত দাবী নং ৩ (জরুরী আইন প্রত্যাহার, গণতান্ত্রিক অধিকার পুনর্বহাল), ৪ (দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ), ৫, ৬ (জামিনের অধিকার), ৯ (নির্বাচনের পরিবেশ, তারিখ ঘোষণা, ক্ষমতা হস্তান্তর) এবং ১২ (কৃষক-ক্ষেতমজুরের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা জাল) ছাড়া বাকী ৮৩ টি দাবী আদৌ ঠিক এসময়েই এ সরকারের কাছে উত্থাপনের উপযুক্ত ছিল কিনা তাও বিবেচ্য। Rhetoric রাজনীতিরই ভাষা এবং সেই অর্থে এসব দাবীর বেশীর ভাগই তুলতে এক অর্থে কোন বাধা নেই হয়তো। যিনি রথ দেখতে যাবেন তিনি যে চাইলে কিছু কলাও বেচতে পারবেননা, তা তো নয়। নিশ্চয়ই পারবেন। তবে, এমন সময়ও তো আসে যখন প্রয়োজন হয় গুরুত্বানুযায়ী prioritise করার। সেক্ষেত্রে কলা বেচা যদি রথ দেখায় বিঘ্ন ঘটায়, তাকে হয়তো তখন ত্যাগ করাই শ্রেয়। সরকারের সাথে এই সংলাপটা বোধ করি তেমনই গুরুত্বের একটি বিষয় ছিল। এতে একদিকে যেমন ছিল আদৌ এ সংলাপে বাসদের যাওয়া উচিত কিনা সেই বিবেচনা, একইভাবে অন্যদিকে বিচার্য ছিল যদি যেতেই হয় তবে কেমন হওয়া উচিত সে আলোচনার বিষয়বস্তু।</p>
<p>নিতান্ত সাধারণ জ্ঞান থেকে যা বুঝি তা হল, যে কারো কাছে দাবী নিয়ে যাওয়ার সময় ভাবা দরকার : কি দাবী করছি? কার কাছে দাবী করছি? যা দাবী করছি তা কি তার দেয়ার ক্ষমতা বা সদিচ্ছা আছে কিনা? কি জন্য দাবী করছি? অর্থাৎ, সত্যিই কি এমূহুর্তে এসব দাবীর বাস্তবায়ন আশা করছি, নাকি জনসচেতনতা তৈরীর উদ্দেশ্যে সেগুলি উত্থাপিত, নাকি সেগুলো স্রেফ কথার কথা। রাজনৈতিক অঙ্গনে যাকে বলে point make করা, কেবল সে উদ্দেশ্যেও যে দাবী উত্থাপিত হয়ে থাকেনা তা তো নয়! কিন্তু সাধারণ জ্ঞান থেকে এও বুঝি যে যত্রতত্র আলোচনায় বসে যাওয়া কিংবা যথেচ্ছ দাবী তোলার কিছু বিপদও আছে। প্রথমত, এতে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থানের ব্যপারে জনগণের কাছে ভুল বার্তা পৌঁছাতে পারে। ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হতে পারে এমনকি নিজেদের শিবিরেই। উপরের কিছু আলোচনা-সমালোচনায় তারই ইঙ্গিত উঠে এসেছে কয়েকবার (দেখুন: অস্মিতা, ইনসিডেনটাল)। দ্বিতীয়তঃ কোন দাবী তোলার আগে এও ভাবা দরকার যে ভুল মানুষদের কাছে ভুল সময়ে ভুল দাবী করে কোন অহেতুক জটিলতা সৃষ্টি করছি কিনা। কারণ যে সামরিক সরকারের সদুদ্দেশ্য নিয়েই সন্দেহের যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে, সে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক শিবির থেকে আসা দাবীনামাকে কিভাবে ব্যাখ্যা (interpret) করতে পারে, অথবা কিভাবে তার নিজের উদ্দেশ্য হাসিলের কাজে সে সব দাবীকে ব্যবহার করতে পারে, তাও আগেভাগেই ভাবা দরকার। দেশ ও জাতির এই সংকটের দিনে প্রগতিশীল গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর কাছ থেকে এটুকু নিষ্ঠা, প্রজ্ঞা এবং thoroughness তো আমরা আশা করতেই পারি। গত দুই মাসের ঘটনাবলী থেকে এ তো এখন সবারই জানা কিভাবে বাসদের সংবিধানসংক্রান্ত প্রস্তাবগুলোকে (ক্ষমতার ভারসাম্য, সংশোধনী বাতিলের দাবী ইত্যাদি) তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিজের মত করে ব্যাখ্যা দিয়ে &#8220;সংবিধান পর্যালোচনার&#8221; মতো অবৈধ পদক্ষেপ নেয়ার পাঁয়তারা করেছে। এটা কি নিতান্তই কাকতালীয় যে বাসদের সাথে সংলাপের ঠিক পর পরই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জনৈক উপদেষ্টা সংবিধান পর্যালোচনার এই অসাংবিধানিক প্রস্তাবটিকে &#8220;জনগণের দাবী&#8221; হিসেবে সাংবাদিকদের কাছে উপস্থাপন করেছেন? অবশ্য, বাসদ পরবর্তীতে তাদের নিজ সংবাদ সম্মেলনে এর একটা ব্যাখ্যা দিয়ে অবস্থান পরিস্কার করেছে। কিন্তু এই ভুল বোঝাবুঝিটুকুর সুযোগ কি তৈরী না করলেই হোতো না? তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে আরেকটি অস্ত্র কি তুলে না দিলেই নয়? আর সেটা কি বাসদের মত একটি আদর্শবাদী দলের হাত দিয়েই হতে হবে? </p>
<p>রাজনীতির জটিল হিসাব নিকাশ বুঝিনা, এ হল আমাদের মত সাধারণ মানুষদের সহজ সরল চিন্তাভাবনা। আশা করবো বাসদ নেতৃবৃন্দ ভবিষ্যতে এই বিষয়গুলো আরেকটু বিবেচনা করে দেখবেন এধরণের পদক্ষেপ নেয়ার আগে। আর এ শুধু বাসদ নয়, মনে করি প্রতিটি রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। যে ধরণের কৌশল পাল্টা কৌশলের তোড়জোড় দেখছি আমাদের এ সামরিক সরকারের, পাল্লা দিয়ে তাদের চেয়েও বেশী বুদ্ধিমত্তার সাথে জনগণকে নেতৃত্ব না দিতে পারলে সামনের দিনগুলিতে আরো ভোগান্তি আছে আমাদের। ইতোমধ্যেই ইলেকশন নিয়ে আওয়ামী লীগ কি করলো, আমরা তো সবাই দেখলাম!</p>
<p>সময় থাকলে দাবীনামাটি নিয়ে আরো বিস্তারিত আলোচনা করা যেতো। তবে শেষ করার আগে তিনটি বিষয় তুলে ধরা দরকার মনে করছি।</p>
<p>১) প্রথম দফাটিতে দেখতে পাচ্ছি আর সব কালো আইনের পাশাপাশি &#8220;সন্ত্রাস দমন অধ্যাদেশ&#8221; বাতিলের দাবীটিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দাবী হিসেবে এটি অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত, তবে এখানে কিছু প্রশ্ন আছে। উল্লেখ করা দরকার, ডেইলি স্টার এর <a target="_blank" rel="nofollow external" href="http://www.thedailystar.net/story.php?nid=37211" rel="nofollow">রিপোর্ট অনুযায়ী</a> &#8220;Anti-Terrorism Ordinance 2008&#8243; নামের এই আইনটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ গত ১৮ জুন আইন হিসেবে চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেন। সুতরাং ৪ জুন বাসদ নেতাদের সংলাপের দিন পর্যন্ত যে আইন পাশই হয়নি কিভাবে তা বাতিলের দাবী করা যায় তা বোধগম্য নয়। ব্যপারটা একটু premature হয়ে যায়না কি? এমন হতে পারে যে দাবীনামায় বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে ১৯৯২ সালের কাছাকাছি নামের পুরনো একটি আইনকে: <a target="_blank" rel="nofollow external" href="http://www.sai.uni-heidelberg.de/workgroups/bdlaw/1992-a44.htm" rel="nofollow">&#8220;Suppression of Terrorist Offences Act, 1992 (Act No.44 of 1992)&#8221;</a>, যেটি The Suppression of Terrorist Offences Ordinance, 1992 (Ordinance No.7, 1992) নামের আরো পুরনো আরেকটি আইনকে replace করেছিল। কিন্তু সেটা বোঝানোও একটু মুশকিল, কারণ, ১৯৯২ সালের আইনটির (Act No.44 of 1992) ধারা ২(১) অনুযায়ী: <em>&#8220;This Act shall come into force at once and <strong>it shall have effect for a period of two years</strong> unless such period is extended by Parliament&#8221;</em>, অর্থাৎ আইনটির মধ্যেই এর প্রয়োগকালের সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছিল, সুতরাং এর বাতিল দাবী করার কিছু নেই, অন্তত আইনটি বাতিল হয়ে যাওয়ার ১৪ বছর পর। [ইন্টারন্যশনাল কমিশন অব জুরিস্টের কাছে দায়েরকৃত  <a target="_blank" rel="nofollow external" href="http://www.nirmaaan.com/blog/wp-content/uploads/submission_to_icj.pdf" target="_blank" rel="nofollow">এই দলিলটির পৃষ্ঠা ৮</a> দেখুন]। আরেকটা সম্ভাবনা এই যে দাবীটির মাধ্যমে আসলে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে ১৯৯৪ সালের ১ ডিসেম্বর এর <a target="_blank" rel="nofollow external" href="http://www.satp.org/satporgtp/countries/bangladesh/document/actandordinances/TerrorismAct94.htm" rel="nofollow">Suppression of Terrorist Offences (Special Provisions) Act, 1994</a> (Act No. 21 of 1994) নামের আরেকটি আইন। কিন্তু এ আইনটি আমার জানা মতে কখনো বাতিল করা হয়নি কারণ তা বাতিলের কোন প্রয়োজন নেই। আইনটির বিষয়বস্তু পড়লেই জানা যাবে কেন সেকথা বলছি। কারণ, নতুন এ আইনটি মূলত ১৯৯২ সালের আইনের আওতাধীন ইতিমধ্যেই দায়েরকৃত মামলাদির বিচারকার্যের ব্যপারে কিছু পদ্ধতিগত ব্যপারকে address করে মাত্র। অবশ্য সর্বশেষ আরেকটি ব্যাখ্যা থাকতে পারে এই আপাত ভুল দাবীটির পেছনে। পর্দার অন্তরালে <a target="_blank" rel="nofollow external" href="http://www.hrw.org/english/docs/2008/06/30/bangla19227.htm" rel="nofollow">কঠোর গোপনীয়তার</a> মধ্যে ২০০৮ এর নতুন এই কালো আইনটির আয়োজন চললেও কিছু কিছু unconfirmed খবর বিভিন্নভাবে প্রকাশ হয়ে গিয়েছিল আইনটি চূড়ান্তভাবে পাশ হওয়ার আগেই (যেমন ধরা যাক ১৬ জুনের <a target="_blank" rel="nofollow external" href="http://www.bangladeshnews.com.bd/2008/06/16/legal-experts-oppose-anti-terror-ordinance/" rel="nofollow">এই রিপোর্টটি</a> দেখুন)। বাসদের দাবীনামায় হয়তো তারই ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে আশা করবো। কিন্তু ব্যপারটা আরেকটু পরিস্কার করার দরকার ছিল বলে মনে করি। কারণ এটাকে যথেষ্ট চিন্তাভাবনা ছাড়াই ১৬ বছরের &#8220;পুরনো খসড়া&#8221; থেকে তুলে দেয়া দাবী বলে ভুল বুঝতে পারেন অনেকেই, যা বাসদ কেন যে কোন রাজনৈতিক দলের ভাবমূর্তির জন্যই ক্ষতিকর। </p>
<p>২) লক্ষ্য করলাম ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারার বিলোপ চাওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর লোকজন ছাড়া মনে হয় এই ধারাটির খুব কম ভক্তই পাওয়া যাবে সারা দেশ খুঁজলে। কিন্তু সরাসরি এই ধারাটির বিলোপ চাওয়া মনে হয় খুব একটা পরিণত দাবী হয়নি। এটা শুধু আমারই অভিমত না, সুপ্রীম কোর্টের একটি বিখ্যাত রায়ও আছে এ বিষয়ে যেখানে ধারাটির কিছু অনস্বীকার্য প্রয়োগ-প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে নিয়েই কিছু safeguards এবং দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয়েছে এর প্রয়োগের ক্ষেত্রে। হাতের কাছে এই গুরুত্বপূর্ণ রায়টির reference থাকলে এখানে দিয়ে দিতে পারতাম (খুঁজে পেলে পরে দিয়ে দেব)। সুতরাং, শর্তহীনভাবে ধারাটির বিলোপের পরিবর্তে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পক্ষের রাজনৈতিক শক্তিগুলোর উচিত সুপ্রীমকোর্টের guideline অনুযায়ী ধারাটির প্রয়োগ দাবী করা।  </p>
<p>৩) দাবীনামার দ্বিতীয় ধারাটি ছাত্রসমাজের ১০ দফা, শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের ৫ দফা, ১৭ কৃষক সংগঠনের ১৫ দফা, ঐক্যবদ্ধ নারী সমাজের ১৭ দফা ইত্যাদির বাস্তবায়নের কথা লিখেছে। মনে করি, বাংলাদেশে এমন মানুষ খুব কমই আছেন যারা শুনেই প্রতিটি দফা গড় গড় করে মুখস্ত বলে দিতে পারবেন। এটা বললাম এ কারণে যে, আমার মনে হয়নি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টাগণ যাঁদের কাছে সর্বমোট এই ৪৭ টি দফা পেশ করা হল, তাঁদের কাছে এসবের কোন তাৎপর্য আছে। দাবীনামার দ্বিতীয় দফাটি পড়েই তাঁরা বুঝে ফেলবেন &#8220;কি চাওয়া হচ্ছে সেখানে&#8221; এমনটা আশা করা বোধ হয় একটু কষ্ট কল্পনাই হয়ে যায়। রাজনীতির অঙ্গন থেকে বহু দূরের পরিবেশে বেড়ে ওঠা এই উপদেষ্টাদের কথা বাদই দিলাম। আজ যদি শাহবাগের মোড়ে দাঁড়িয়ে random sampling করে ১০০ জন মানুষের কাছে এই দাবীগুলোর বিষয়বস্তু জানতে চাওয়া হয়, আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে কয়জন ঠিক ঠিক উত্তর দিতে পারবেন (করেই দেখুন না কেউ?)। জনগণের দাবী যদি জনগণই না জানেন বা না বোঝেন তাহলে আর তা তুলে কি লাভ? তোলা উচিত না, তা কিন্তু বলছি না। তোলা উচিত, সব অর্থে, সব শক্তি দিয়ে, তবে দুর্বোধ্য করে নয়। এক বন্ধু একটা মজার মন্তব্য করেছে দ্বিতীয় এই দফাটি পড়ে। সে বলেছে, &#8220;এই ৪৭ দফা দাবীগুলো যখন পরিপূরণের কাছাকাছি চলে যাওয়া হবে, বিপ্লবের বুঝি আর তখন খুব বেশীদিন বাকি থাকবেনা।&#8221; সে অর্থে দাবীগুলো কিছুটা ambitious ই হয়তো। </p>
<p>সংশ্লিষ্টদের বিষয়গুলোর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :রায়হান রশিদ</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-310</link>
		<dc:creator>রায়হান রশিদ</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-310</guid>
		<description>সচলায়তনে আলেক্সান্ডার সলঝেনিৎসিনকে নিয়ে কিছু আলোচনা চলছে। আগ্রহীরা পড়ে দেখতে পারেন:
&lt;a onclick=&quot;javascript:pageTracker._trackPageview(&#039;/outgoing/www.sachalayatan.com/shubinoymustofi/17341&#039;);&quot; href=&quot;http://www.sachalayatan.com/shubinoymustofi/17341&quot; target=&quot;_blank&quot; rel=&quot;nofollow&quot;&gt;http://www.sachalayatan.com/shubinoymustofi/17341&lt;/a&gt;</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>সচলায়তনে আলেক্সান্ডার সলঝেনিৎসিনকে নিয়ে কিছু আলোচনা চলছে। আগ্রহীরা পড়ে দেখতে পারেন:<br />
<a target="_blank" rel="nofollow external" onclick="javascript:pageTracker._trackPageview('/outgoing/www.sachalayatan.com/shubinoymustofi/17341');" href="http://www.sachalayatan.com/shubinoymustofi/17341" target="_blank" rel="nofollow">http://www.sachalayatan.com/shubinoymustofi/17341</a></p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :ইনসিডেন্টাল ব্লগার</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-293</link>
		<dc:creator>ইনসিডেন্টাল ব্লগার</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-293</guid>
		<description>&lt;strong&gt;@শান্ত&lt;/strong&gt;

&lt;em&gt;এই লোক কি আমার আলোচনা বুঝে নি, নাকি বুঝেও নিজের খুশী মত আমার আলোচনার একটা কাল্পনিক অর্থ দাঁড় করিয়ে নিজের মতামত চাপিয়ে দিচ্ছেন?? যাহোক, আমি আমার বক্তব্য বুঝাতে ব্যর্থ হয়েছি এটা ধরে নিয়েই আমার 19 নং কমেন্টে কি বলতে চেয়েছিলাম তা আবার বিবৃত করি…..&lt;/em&gt;

&gt;&gt;মনে হচ্ছে আমিও ব্যার্থ হয়েছি বোঝাতে আপনাকে। ভালো মতো পুরো মন্তব্য না পড়ে না বুঝে লেগে গেছেন আগের কথার পুনরাবৃত্তি করতে। কিছু না বুঝে থাকলে, বুঝিয়ে বলবো, যেমনটা চেষ্টা করেছি নাঈম সাহেবের বেলায়। কিন্তু একই জিনিস বারবার বলাকে যুক্তিতর্ক করা বলেনা শান্ত সাহেব। বলে ভাঙ্গা রেকর্ড বাজানো, যাতে আপনি আর আপনার সহচররা বিশেষ ব্যুৎপত্তি অর্জন করেছেন বলে মনে হচ্ছে। আর আপনার অপ্রয়োজনীয় কথার ফুলঝুরি, যা অল্প কয়েক কথায় গুটিকয় মন্তব্যের মধ্যেই বেশ ব্যক্ত করা যায়, তাকে ৩০ টি পৃথক মন্তব্য জুড়ে দেয়াকে বলে ফ্লাডিং, যুক্তিতর্ক নয়। এতগুলো মন্তব্য দিয়ে কি প্রমাণ করার চেষ্টা করছিলেন? ধারে না কেটে ভারে কাটার স্বপ্ন কেবল মূর্খরাই দেখে; আপনাকে আমি মূর্খ হিসেবে ভাবতে চাইনা। 

আরেকটা জিনিস, আপনার এবং আপনার সহচরদের এসব ভন্ডামী কেন? কারণ, প্রতিটি মন্তব্যেই আপনাদের একটি নির্দিষ্ট pattern আছে লক্ষ্য করেছি:

প্রথমেই যেটা করেন তা হল পোস্ট লেখককে এক পশলা গালিগালাজ আর ব্যক্তিগত আক্রমণ করেন। ফিরিস্তি দেন কিভাবে &#039;আপনাদের ভাষায় কুরুচিপূর্ণ পোস্টটি যে মিথ্যা আর কুৎসায় ভরপুর এবং আপনারা যে এ বিষয়ে কোন কথাই বলার যোগ্য মনে করেন না ইত্যাদি। এরকম পিউরিটান (puritan) এবং শুঁচিবাইগ্রস্ত প্রুডিশ (prudish) মানসিকতা কোথা থেকে পেয়েছেন আপনারা? যাই হোক, এসব ডজনখানেক ভনিতা করেও আপনি তো ৩০ টা মন্তব্য দিয়েছেন এই পোস্টে, যা আর বাকী সব মন্তব্যকারীদের (আমার প্রত্যুত্তরগুলো এবং আপনার সহযোগীদেরগুলো বাদ দিলে) সম্মিলিত মন্তব্যের চেয়েও সংখ্যায় বেশী। মানুষকে এতই বোকা মনে করেন যে ধরে নিয়েছেন তারা আপনার এসব ভান ভনিতা ধরতে পারবেনা? এক্ষেত্রে আপনার কমরেড সুব্রত&#039;র ভাষায় বলতে হয়: 

&lt;blockquote&gt;&quot;বিষয়টা কি- ঊট পাখির বালিতে মুখ গুঁজে নিজকে লুকনোর মতো হয়ে গেল না? অথবা সেই বোকা কাকটা, যে নিজের চোখ বুজেঁ চুরির মাল লুকিয়ে ভাবে অন্য কেউ দেখতে পেল না।&quot; &lt;/blockquote&gt;

পরের ধাপে যেটা ধরেন তা হল ইনটেলেকচুয়াল ভড়ং। আপনি ধরেছেন, সুব্রত ধরেছেন, আর মহামতি নাঈম সাহেব ধরার &#039;চেষ্টা&#039; করেছেন। থাক সে কথা। 

এরপর ভড়ং ধরেন ভালোমানুষী আদর্শিক নৈতিকতার (&#039;চোখ বন্ধ হয়ে আসা মানুষ দেখলে কষ্ট লাগে&#039;, &#039;যেটুকু সভ্যতা শিখেছি তা এই দলটির কাছেই&#039; ইত্যাদি)। উপরে ২৬এর আওতায় আপনার সহযোগী নীতিবাগিশের ভেক ধরা সুব্রত সরকারের ভন্ডামী তো হাতে নাতে ধরাই পড়লো ব্লগারদের কাছে, যখন তিনি নামে বেনামে অংশগ্রহণ করার চেষ্টা করলেন, এবং ধরা পড়ে আবার বড় গলায় গিয়েছিলেন ব্লগ প্রশাসককে চ্যালেঞ্জ করতে (একমাত্র একজন নির্বোধই অন্যদের intelligence কে under estimate করে!)! হ্যাঁ, Pothik একটা ব্যাখ্যা দিয়ে তার বন্ধুকে একটু বাঁচাবার চেষ্টা করেছে, কিন্তু আমরা সবাই যা বোঝার বুঝে নিয়েছি। এই আপনাদের নীতিবাগিশদের সততা আর integrity&#039;র মান ? হাতে নাতে তারা ধরা পড়ার পর সবই স্পষ্ট হল ব্লগ দুনিয়ার সামনে। আর নাঈম সাহেব যেভাবে মানুষজনকে &#039;বকলম&#039; বলে বেড়ান আর তার বাকী সহচররাও তাতে সমর্থন দিয়ে যান তাতে আপনাদের সাংস্কৃতিক মানও কিছুটা বুঝতে পারছি। এত অবনতি হয়েছে বাসদ কর্মীদের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক মানের গত কয়েক বছরে? দুঃখজনক।  

এরপর যেটা করেন সেটা হল পোস্ট লেখক তো বটেই, এমনকি বাকী মন্তব্যকারীদেরও কিছুই না জেনে ঢালাও আক্রমণ করে যাওয়া। এবং তাদেরকে আপনাদের কল্পিত একটি &quot;চক্রান্তকারী গ্রুপের&quot; অংশ হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা। এসব করে আর কতদিন চালাবেন? একটু সতভাবে রাজনীতিটা করা কিংবা নিজের আদর্শকে defend করা কি এতই কঠিন আপনাদের জন্য যে এসব কাপুরুষোচিত কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছেন? একটু honourable হওয়া কি এতই কঠিন আপনাদের জন্য? হতেই পারেনা যে এসব আপনারা বাসদ থেকে শিখেছেন। কিভাবে সম্ভব সেটা?

লক্ষ্য করলাম যে বারবার আপনারা establish করার চেষ্টা করছেন যে পোস্টটি আসলে গালিগালাজে ভরা। সত্যি করে দেখান তো পোস্টের ঠিক কোন জায়গাটায় গালিগালাজ আছে আপনাদের দল ও নেতাদের বিরুদ্ধে? সত্যিকারের গালি এখনো খাননি তো, তাই এসব পুতু পুতু শুচিবাইগ্রস্ত আচরণ আপনাদের। যান অন্য কিছু পরিচিত বাংলা ব্লগে, তাহলেই বুঝবেন গালিগালাজ খিস্তি কাকে বলে এবং কত প্রকারের হয় সেটা। সে সব একবার দেখলে আপনাদের এসব বিলাসী আচরণ ছুটে যাবে।

এটা হয়তো বলতাম না, এখন বলতে বাধ্য হচ্ছি। আমার অনুরোধে ওয়েবমাস্টার আপনাদের নেতাদের আর দলকে উদ্দেশ্য করে বাইরে থেকে আসা যে ১২ টি মন্তব্য মডারেট করে কেটে বাদ দিয়েছেন এখন পর্যন্ত, তা যদি দেখতেন, তাহলে আর এসব নাকি কান্না কাঁদতেন না। কারণ সে সব ছিল &quot;সত্যিকারের&quot; খিস্তি খেউড়ে ভরা, আপনাদের নেতাদেরকে উদ্দেশ্য করে। ওয়েবমাস্টারকে সে সব আপত্তিকর এবং উস্কানীমূলক মন্তব্য ডিলিট করতে অনুরোধ করা হয়েছিল দু&#039;টো কারণে: 

এক. আমার পোস্টের উদ্দেশ্য কাউকে অপমান করা বা অপমানিত হতে দেয়া নয় (তবে মনে হয়না সেটা বুঝতে পারার ক্ষমতা বা সে অনুযায়ী আচরণ করার উদারতা বা মুক্ত মনমানসিকতা আপনাদের কারো আছে!)। 

দুই. অন্য কাউকে ফায়দা লোটার সুযোগ তৈরী করে দিতে এই পোস্ট আর এ আলোচনার অবতারণা করা হয়নি (সেটা মানা না মানা আপনাদের অভিরুচি)।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p><strong>@শান্ত</strong></p>
<p><em>এই লোক কি আমার আলোচনা বুঝে নি, নাকি বুঝেও নিজের খুশী মত আমার আলোচনার একটা কাল্পনিক অর্থ দাঁড় করিয়ে নিজের মতামত চাপিয়ে দিচ্ছেন?? যাহোক, আমি আমার বক্তব্য বুঝাতে ব্যর্থ হয়েছি এটা ধরে নিয়েই আমার 19 নং কমেন্টে কি বলতে চেয়েছিলাম তা আবার বিবৃত করি…..</em></p>
<p>>>মনে হচ্ছে আমিও ব্যার্থ হয়েছি বোঝাতে আপনাকে। ভালো মতো পুরো মন্তব্য না পড়ে না বুঝে লেগে গেছেন আগের কথার পুনরাবৃত্তি করতে। কিছু না বুঝে থাকলে, বুঝিয়ে বলবো, যেমনটা চেষ্টা করেছি নাঈম সাহেবের বেলায়। কিন্তু একই জিনিস বারবার বলাকে যুক্তিতর্ক করা বলেনা শান্ত সাহেব। বলে ভাঙ্গা রেকর্ড বাজানো, যাতে আপনি আর আপনার সহচররা বিশেষ ব্যুৎপত্তি অর্জন করেছেন বলে মনে হচ্ছে। আর আপনার অপ্রয়োজনীয় কথার ফুলঝুরি, যা অল্প কয়েক কথায় গুটিকয় মন্তব্যের মধ্যেই বেশ ব্যক্ত করা যায়, তাকে ৩০ টি পৃথক মন্তব্য জুড়ে দেয়াকে বলে ফ্লাডিং, যুক্তিতর্ক নয়। এতগুলো মন্তব্য দিয়ে কি প্রমাণ করার চেষ্টা করছিলেন? ধারে না কেটে ভারে কাটার স্বপ্ন কেবল মূর্খরাই দেখে; আপনাকে আমি মূর্খ হিসেবে ভাবতে চাইনা। </p>
<p>আরেকটা জিনিস, আপনার এবং আপনার সহচরদের এসব ভন্ডামী কেন? কারণ, প্রতিটি মন্তব্যেই আপনাদের একটি নির্দিষ্ট pattern আছে লক্ষ্য করেছি:</p>
<p>প্রথমেই যেটা করেন তা হল পোস্ট লেখককে এক পশলা গালিগালাজ আর ব্যক্তিগত আক্রমণ করেন। ফিরিস্তি দেন কিভাবে &#8216;আপনাদের ভাষায় কুরুচিপূর্ণ পোস্টটি যে মিথ্যা আর কুৎসায় ভরপুর এবং আপনারা যে এ বিষয়ে কোন কথাই বলার যোগ্য মনে করেন না ইত্যাদি। এরকম পিউরিটান (puritan) এবং শুঁচিবাইগ্রস্ত প্রুডিশ (prudish) মানসিকতা কোথা থেকে পেয়েছেন আপনারা? যাই হোক, এসব ডজনখানেক ভনিতা করেও আপনি তো ৩০ টা মন্তব্য দিয়েছেন এই পোস্টে, যা আর বাকী সব মন্তব্যকারীদের (আমার প্রত্যুত্তরগুলো এবং আপনার সহযোগীদেরগুলো বাদ দিলে) সম্মিলিত মন্তব্যের চেয়েও সংখ্যায় বেশী। মানুষকে এতই বোকা মনে করেন যে ধরে নিয়েছেন তারা আপনার এসব ভান ভনিতা ধরতে পারবেনা? এক্ষেত্রে আপনার কমরেড সুব্রত&#8217;র ভাষায় বলতে হয়: </p>
<blockquote><p>&#8220;বিষয়টা কি- ঊট পাখির বালিতে মুখ গুঁজে নিজকে লুকনোর মতো হয়ে গেল না? অথবা সেই বোকা কাকটা, যে নিজের চোখ বুজেঁ চুরির মাল লুকিয়ে ভাবে অন্য কেউ দেখতে পেল না।&#8221; </p></blockquote>
<p>পরের ধাপে যেটা ধরেন তা হল ইনটেলেকচুয়াল ভড়ং। আপনি ধরেছেন, সুব্রত ধরেছেন, আর মহামতি নাঈম সাহেব ধরার &#8216;চেষ্টা&#8217; করেছেন। থাক সে কথা। </p>
<p>এরপর ভড়ং ধরেন ভালোমানুষী আদর্শিক নৈতিকতার (&#8216;চোখ বন্ধ হয়ে আসা মানুষ দেখলে কষ্ট লাগে&#8217;, &#8216;যেটুকু সভ্যতা শিখেছি তা এই দলটির কাছেই&#8217; ইত্যাদি)। উপরে ২৬এর আওতায় আপনার সহযোগী নীতিবাগিশের ভেক ধরা সুব্রত সরকারের ভন্ডামী তো হাতে নাতে ধরাই পড়লো ব্লগারদের কাছে, যখন তিনি নামে বেনামে অংশগ্রহণ করার চেষ্টা করলেন, এবং ধরা পড়ে আবার বড় গলায় গিয়েছিলেন ব্লগ প্রশাসককে চ্যালেঞ্জ করতে (একমাত্র একজন নির্বোধই অন্যদের intelligence কে under estimate করে!)! হ্যাঁ, Pothik একটা ব্যাখ্যা দিয়ে তার বন্ধুকে একটু বাঁচাবার চেষ্টা করেছে, কিন্তু আমরা সবাই যা বোঝার বুঝে নিয়েছি। এই আপনাদের নীতিবাগিশদের সততা আর integrity&#8217;র মান ? হাতে নাতে তারা ধরা পড়ার পর সবই স্পষ্ট হল ব্লগ দুনিয়ার সামনে। আর নাঈম সাহেব যেভাবে মানুষজনকে &#8216;বকলম&#8217; বলে বেড়ান আর তার বাকী সহচররাও তাতে সমর্থন দিয়ে যান তাতে আপনাদের সাংস্কৃতিক মানও কিছুটা বুঝতে পারছি। এত অবনতি হয়েছে বাসদ কর্মীদের ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক মানের গত কয়েক বছরে? দুঃখজনক।  </p>
<p>এরপর যেটা করেন সেটা হল পোস্ট লেখক তো বটেই, এমনকি বাকী মন্তব্যকারীদেরও কিছুই না জেনে ঢালাও আক্রমণ করে যাওয়া। এবং তাদেরকে আপনাদের কল্পিত একটি &#8220;চক্রান্তকারী গ্রুপের&#8221; অংশ হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা। এসব করে আর কতদিন চালাবেন? একটু সতভাবে রাজনীতিটা করা কিংবা নিজের আদর্শকে defend করা কি এতই কঠিন আপনাদের জন্য যে এসব কাপুরুষোচিত কৌশলের আশ্রয় নিচ্ছেন? একটু honourable হওয়া কি এতই কঠিন আপনাদের জন্য? হতেই পারেনা যে এসব আপনারা বাসদ থেকে শিখেছেন। কিভাবে সম্ভব সেটা?</p>
<p>লক্ষ্য করলাম যে বারবার আপনারা establish করার চেষ্টা করছেন যে পোস্টটি আসলে গালিগালাজে ভরা। সত্যি করে দেখান তো পোস্টের ঠিক কোন জায়গাটায় গালিগালাজ আছে আপনাদের দল ও নেতাদের বিরুদ্ধে? সত্যিকারের গালি এখনো খাননি তো, তাই এসব পুতু পুতু শুচিবাইগ্রস্ত আচরণ আপনাদের। যান অন্য কিছু পরিচিত বাংলা ব্লগে, তাহলেই বুঝবেন গালিগালাজ খিস্তি কাকে বলে এবং কত প্রকারের হয় সেটা। সে সব একবার দেখলে আপনাদের এসব বিলাসী আচরণ ছুটে যাবে।</p>
<p>এটা হয়তো বলতাম না, এখন বলতে বাধ্য হচ্ছি। আমার অনুরোধে ওয়েবমাস্টার আপনাদের নেতাদের আর দলকে উদ্দেশ্য করে বাইরে থেকে আসা যে ১২ টি মন্তব্য মডারেট করে কেটে বাদ দিয়েছেন এখন পর্যন্ত, তা যদি দেখতেন, তাহলে আর এসব নাকি কান্না কাঁদতেন না। কারণ সে সব ছিল &#8220;সত্যিকারের&#8221; খিস্তি খেউড়ে ভরা, আপনাদের নেতাদেরকে উদ্দেশ্য করে। ওয়েবমাস্টারকে সে সব আপত্তিকর এবং উস্কানীমূলক মন্তব্য ডিলিট করতে অনুরোধ করা হয়েছিল দু&#8217;টো কারণে: </p>
<p>এক. আমার পোস্টের উদ্দেশ্য কাউকে অপমান করা বা অপমানিত হতে দেয়া নয় (তবে মনে হয়না সেটা বুঝতে পারার ক্ষমতা বা সে অনুযায়ী আচরণ করার উদারতা বা মুক্ত মনমানসিকতা আপনাদের কারো আছে!)। </p>
<p>দুই. অন্য কাউকে ফায়দা লোটার সুযোগ তৈরী করে দিতে এই পোস্ট আর এ আলোচনার অবতারণা করা হয়নি (সেটা মানা না মানা আপনাদের অভিরুচি)।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :ইনসিডেন্টাল ব্লগার</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-292</link>
		<dc:creator>ইনসিডেন্টাল ব্লগার</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-292</guid>
		<description>&lt;strong&gt;@শান্ত&lt;/strong&gt;
&gt;শান্তঃ&lt;em&gt;পোস্টের আলোচনা; উপস্থাপনা এসব নিয়ে ওনার কোন রা-ই নেই!!! কেন? যখন একজন ছন্দ নিয়ে যৎকিঞ্চিত ধারণা নিয়ে (ছন্দ বিষয়ে আমার আগ্রহ বরাবরই খুব কম, জ্ঞান তো আরো কম - পোস্টদাতা, )&lt;/em&gt;

&gt;&gt;ধরুন আপনি কোন বিতর্ক সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে বললেন: &quot;এখানে যারা উপস্থিত আছেন তারা সবাই অনেক বেশী জ্ঞানীগুনী এবং যোগ্য মানুষ আমার চেয়ে&quot;। এখন কথাটা শুনে বাকী বক্তাদের কেউ যদি &#039;ইউরেকা&#039; বলে লাফ দিয়ে উঠে সভায় বলে বসেন: &quot;দেখলেন তো, তিনি নিজেই স্বীকার করছেন যে তিনি কম জানেন, সুতরাং আসুন আমরা তার কথা না শুনি&quot;। আপনার এবং নাঈম সাহেবের (২৫ প্রত্যুত্তর) আমাকে আমার কথাই উদ্ধৃত করে (&lt;em&gt;ছন্দ বিষয়ে আমার আগ্রহ বরাবরই খুব কম, জ্ঞান তো আরো কম&lt;/em&gt; - ১৮ প্রত্যুত্তর) সেটিকে যুক্তি/খন্ডন হিসেবে ব্যবহার করার আপনাদের এই চেষ্টা শুধু যে হাস্যকর তা-ই না, কিছুটা pathetic ও বটে। শুনে রাখুন, একে বলে প্রাচ্যদেশীয় ভদ্রতা বা বিনয়বোধ। আপনি কোন্ মহাদেশে বড় হয়েছেন যে এ ব্যপারে এমন অজ্ঞ থেকে গেলেন? অবশ্য বিনয় হিসেবে ব্যবহার ছাড়াও কখনো কখনো সুক্ষ বিদ্রুপ আকারেও এর প্রয়োগ হতে পারে, যেটা আবার ইংরেজীভাষী পশ্চিমা বাক রীতিতেই অধিক প্রচলিত (বাংলাতেও যে তার ব্যবহার নেই, তা কিন্তু নয়!)। এই আলোচনাটা এখন সত্যিই পরাবাস্তব (surreal) একটা চেহারা নিচ্ছে। স্বপ্নেও ভাবিনি ব্লগ লিখতে এসে কোনদিন এসব বিষয় কখগঘ এর মতো করে কাউকে ধরে ধরে বুঝিয়ে বলতে হবে। এ কোন্ জায়গায় এলাম রে বাবা!

&gt;শান্তঃ&lt;em&gt;“এ যাত্রায় কোরেশীদের সাথে লেগে থাকতে পারলে ভাগ্যের ফেরে ক্ষমতার শিকেটা ছিঁড়ে তার কিছু ভাগ পাওয়া গেলেও যেতে পারে”- এমন নির্লজ্জ গালিগালাজ ওনার কাছে খুব স্বাভাবিক মনে হবে….,&lt;/em&gt;

&gt;&gt;দেখুন মন্তব্য প্রত্যুত্তর ৪৩। আর কতবার না জানি একথা আপনাদেরকে বলতে হবে। এখন তো মনে হচ্ছে অনন্তকাল ধরে এই করতে হবে আমাকে। এ যে দেখছি প্রমিথিউসের সাজা, সমাজতন্ত্রের রুষ্ট বাসদীয় দেবতাদের তত্ত্বাবধানে! সম্ভব হলে একটা রেকর্ড কিনে পাঠিয়ে দিতাম আপনাকে যাতে সারাদিন কানের কাছে বাজতে থাকতো : &quot;দেখুন মন্তব্য প্রত্যুত্তর ৪৩ . . .  দেখুন মন্তব্য প্রত্যুত্তর ৪৩ . . .।&quot; 

&gt;শান্তঃ&lt;em&gt;
স্বভাবতই বুঝতে কঠিন হয় না, এখানে এরা কারা, এই সংঘবদ্ধ গ্রুপটির উদ্দেশ্য কি? যেটি আগেও &lt;strong&gt;একবার&lt;/strong&gt; উল্লেখ করেছিলাম..&lt;/em&gt;

&gt;&gt;একবার নয়, বহুবার উল্লেখ করেছেন। এমনকি প্রায় প্রতিটি মন্তব্যেই উল্লেখ করেছেন। শুধু আপনিই নন, আপনার সহযোগীরাও তাই করেছেন এবং করে যাচ্ছেন। মনে হচ্ছে আপনাদের যেন আর দেয়ার মত কোন সত্যিকারের কোন যুক্তি নেই! এসব করে কি লাভ হবে? এভাবে সমালোচকদের গায়ে কল্পিত ও মিথ্যা লেবেল সেঁটে সত্যকে বিপথগামী করতে পারবেন বলে ভাবেন?</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p><strong>@শান্ত</strong><br />
>শান্তঃ<em>পোস্টের আলোচনা; উপস্থাপনা এসব নিয়ে ওনার কোন রা-ই নেই!!! কেন? যখন একজন ছন্দ নিয়ে যৎকিঞ্চিত ধারণা নিয়ে (ছন্দ বিষয়ে আমার আগ্রহ বরাবরই খুব কম, জ্ঞান তো আরো কম &#8211; পোস্টদাতা, )</em></p>
<p>>>ধরুন আপনি কোন বিতর্ক সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে বললেন: &#8220;এখানে যারা উপস্থিত আছেন তারা সবাই অনেক বেশী জ্ঞানীগুনী এবং যোগ্য মানুষ আমার চেয়ে&#8221;। এখন কথাটা শুনে বাকী বক্তাদের কেউ যদি &#8216;ইউরেকা&#8217; বলে লাফ দিয়ে উঠে সভায় বলে বসেন: &#8220;দেখলেন তো, তিনি নিজেই স্বীকার করছেন যে তিনি কম জানেন, সুতরাং আসুন আমরা তার কথা না শুনি&#8221;। আপনার এবং নাঈম সাহেবের (২৫ প্রত্যুত্তর) আমাকে আমার কথাই উদ্ধৃত করে (<em>ছন্দ বিষয়ে আমার আগ্রহ বরাবরই খুব কম, জ্ঞান তো আরো কম</em> &#8211; ১৮ প্রত্যুত্তর) সেটিকে যুক্তি/খন্ডন হিসেবে ব্যবহার করার আপনাদের এই চেষ্টা শুধু যে হাস্যকর তা-ই না, কিছুটা pathetic ও বটে। শুনে রাখুন, একে বলে প্রাচ্যদেশীয় ভদ্রতা বা বিনয়বোধ। আপনি কোন্ মহাদেশে বড় হয়েছেন যে এ ব্যপারে এমন অজ্ঞ থেকে গেলেন? অবশ্য বিনয় হিসেবে ব্যবহার ছাড়াও কখনো কখনো সুক্ষ বিদ্রুপ আকারেও এর প্রয়োগ হতে পারে, যেটা আবার ইংরেজীভাষী পশ্চিমা বাক রীতিতেই অধিক প্রচলিত (বাংলাতেও যে তার ব্যবহার নেই, তা কিন্তু নয়!)। এই আলোচনাটা এখন সত্যিই পরাবাস্তব (surreal) একটা চেহারা নিচ্ছে। স্বপ্নেও ভাবিনি ব্লগ লিখতে এসে কোনদিন এসব বিষয় কখগঘ এর মতো করে কাউকে ধরে ধরে বুঝিয়ে বলতে হবে। এ কোন্ জায়গায় এলাম রে বাবা!</p>
<p>>শান্তঃ<em>“এ যাত্রায় কোরেশীদের সাথে লেগে থাকতে পারলে ভাগ্যের ফেরে ক্ষমতার শিকেটা ছিঁড়ে তার কিছু ভাগ পাওয়া গেলেও যেতে পারে”- এমন নির্লজ্জ গালিগালাজ ওনার কাছে খুব স্বাভাবিক মনে হবে….,</em></p>
<p>>>দেখুন মন্তব্য প্রত্যুত্তর ৪৩। আর কতবার না জানি একথা আপনাদেরকে বলতে হবে। এখন তো মনে হচ্ছে অনন্তকাল ধরে এই করতে হবে আমাকে। এ যে দেখছি প্রমিথিউসের সাজা, সমাজতন্ত্রের রুষ্ট বাসদীয় দেবতাদের তত্ত্বাবধানে! সম্ভব হলে একটা রেকর্ড কিনে পাঠিয়ে দিতাম আপনাকে যাতে সারাদিন কানের কাছে বাজতে থাকতো : &#8220;দেখুন মন্তব্য প্রত্যুত্তর ৪৩ . . .  দেখুন মন্তব্য প্রত্যুত্তর ৪৩ . . .।&#8221; </p>
<p>>শান্তঃ<em><br />
স্বভাবতই বুঝতে কঠিন হয় না, এখানে এরা কারা, এই সংঘবদ্ধ গ্রুপটির উদ্দেশ্য কি? যেটি আগেও <strong>একবার</strong> উল্লেখ করেছিলাম..</em></p>
<p>>>একবার নয়, বহুবার উল্লেখ করেছেন। এমনকি প্রায় প্রতিটি মন্তব্যেই উল্লেখ করেছেন। শুধু আপনিই নন, আপনার সহযোগীরাও তাই করেছেন এবং করে যাচ্ছেন। মনে হচ্ছে আপনাদের যেন আর দেয়ার মত কোন সত্যিকারের কোন যুক্তি নেই! এসব করে কি লাভ হবে? এভাবে সমালোচকদের গায়ে কল্পিত ও মিথ্যা লেবেল সেঁটে সত্যকে বিপথগামী করতে পারবেন বলে ভাবেন?</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :ইনসিডেন্টাল ব্লগার</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-305</link>
		<dc:creator>ইনসিডেন্টাল ব্লগার</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-305</guid>
		<description>&lt;em&gt;“এ যাত্রায় কোরেশীদের সাথে লেগে থাকতে পারলে ভাগ্যের ফেরে ক্ষমতার শিকেটা ছিঁড়ে তার কিছু ভাগ পাওয়া গেলেও যেতে পারে”- এমন নির্লজ্জ গালিগালাজ&quot; . . . &lt;/em&gt;

&gt;&gt;এক কথা আপনাদেরকে বারবার বলা ক্লান্তিকর। সেই তখন থেকে ঘ্যান ঘ্যান করে চলেছেন নাকি সুরে ভাঙ্গা রেকর্ডের মতো। নীচে ৪৩ নং এ আমার প্রত্যুত্তরটি ভালো করে পড়ে নিন। সেইসাথে পড়ুন ৩৮, ৩৯, ৪০ নং এ দেয়া আমার প্রত্যুত্তর। এরপরও যদি না বোঝেন কিছু আর এভাবে ভাঙ্গা রেকর্ডের মত বাজতে থাকেন, তাহলে বুঝতে হবে আপনার (ও আপনার বাসদের সহযোগীদের) উদ্দেশ্য সৎ না। বুঝতে হবে এখানে মুক্তমনে বিতর্ক করতে আসেননি; এসেছেন একটা নির্দিষ্ট এজেন্ডা নিয়ে (যেমন: পোস্টলেখককে harrass করতে, বা মুক্তাঙ্গন ব্লগের পরিবেশ নষ্ট করতে), এবং কিছু বুঝবেন না বলে আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়ে এসেছেন। তারপরও আপনার সুবিধার্থে এখানে ৪৩ এ আমার প্রত্যুত্তরের অংশবিশেষ উদ্ধৃত করছি:

&lt;blockquote&gt;&#039;আঁতাত-কোরেশী&#039; বিষয়ে যা লিখেছি মুল পোস্টে তাকে বলে &lt;a href=&quot;http://www.thefreedictionary.com/figuratively&quot; rel=&quot;nofollow&quot;&gt;figuratively speaking (লিন্কটি দেখুন)&lt;/a&gt; ।  এটা এক ধরণের &lt;a href=&quot;http://en.wikipedia.org/wiki/Stipulative_definition&quot; rel=&quot;nofollow&quot;&gt;stipulative description&lt;/a&gt; ও বলতে পারেন। একে এভাবে literally দেখানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন কেন বারবার? মনে হচ্ছে ভালোই lexically challenged! অনুগ্রহ করে বই থেকে ভাষাপ্রয়োগের এই সাধারণ বিষয়গুলো একটু বুঝে নিন আর আমাকে এবং এই পোস্টের বাকী মন্তব্যকারীদেরও রেহাই দিন।
&lt;/blockquote&gt;</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p><em>“এ যাত্রায় কোরেশীদের সাথে লেগে থাকতে পারলে ভাগ্যের ফেরে ক্ষমতার শিকেটা ছিঁড়ে তার কিছু ভাগ পাওয়া গেলেও যেতে পারে”- এমন নির্লজ্জ গালিগালাজ&#8221; . . . </em></p>
<p>>>এক কথা আপনাদেরকে বারবার বলা ক্লান্তিকর। সেই তখন থেকে ঘ্যান ঘ্যান করে চলেছেন নাকি সুরে ভাঙ্গা রেকর্ডের মতো। নীচে ৪৩ নং এ আমার প্রত্যুত্তরটি ভালো করে পড়ে নিন। সেইসাথে পড়ুন ৩৮, ৩৯, ৪০ নং এ দেয়া আমার প্রত্যুত্তর। এরপরও যদি না বোঝেন কিছু আর এভাবে ভাঙ্গা রেকর্ডের মত বাজতে থাকেন, তাহলে বুঝতে হবে আপনার (ও আপনার বাসদের সহযোগীদের) উদ্দেশ্য সৎ না। বুঝতে হবে এখানে মুক্তমনে বিতর্ক করতে আসেননি; এসেছেন একটা নির্দিষ্ট এজেন্ডা নিয়ে (যেমন: পোস্টলেখককে harrass করতে, বা মুক্তাঙ্গন ব্লগের পরিবেশ নষ্ট করতে), এবং কিছু বুঝবেন না বলে আগে থেকেই সিদ্ধান্ত নিয়ে এসেছেন। তারপরও আপনার সুবিধার্থে এখানে ৪৩ এ আমার প্রত্যুত্তরের অংশবিশেষ উদ্ধৃত করছি:</p>
<blockquote><p>&#8216;আঁতাত-কোরেশী&#8217; বিষয়ে যা লিখেছি মুল পোস্টে তাকে বলে <a target="_blank" rel="nofollow external" href="http://www.thefreedictionary.com/figuratively" rel="nofollow">figuratively speaking (লিন্কটি দেখুন)</a> ।  এটা এক ধরণের <a target="_blank" rel="nofollow external" href="http://en.wikipedia.org/wiki/Stipulative_definition" rel="nofollow">stipulative description</a> ও বলতে পারেন। একে এভাবে literally দেখানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন কেন বারবার? মনে হচ্ছে ভালোই lexically challenged! অনুগ্রহ করে বই থেকে ভাষাপ্রয়োগের এই সাধারণ বিষয়গুলো একটু বুঝে নিন আর আমাকে এবং এই পোস্টের বাকী মন্তব্যকারীদেরও রেহাই দিন।
</p></blockquote>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :এহসানুল হক</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-304</link>
		<dc:creator>এহসানুল হক</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-304</guid>
		<description>&lt;strong&gt; শুধু এটুকু বুঝলাম- আপনাদের কেউ কেউ বাসদের পেছনে উঠে পড়ে লেগেছেন [শান্ত ২০]
 স্বভাবতই বুঝতে কঠিন হয় না, এখানে এরা কারা, এই সংঘবদ্ধ গ্রুপটির উদ্দেশ্য কি? [শান্ত ৩৪]&lt;/strong&gt;

এখানকার সবার কাছেই খুব পরিস্কার কারা কাদের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে । যেভাবে একজন ব্লগ লেখকের একটি মাত্র পোস্টকে কেন্দ্র করে আপনারা বাসদের লোকজন সদলবলে তার  বিরুদধে কুতসা রটনা করতে লেগে গেছেন, তাতে আসলে এখানে কি ঘটছে বুঝতে আর কারো বাকী নাই । এই ব্লগারকে আমিও চিনিনা তবে তার অন্য কিছু ব্লগ এবং আলোচনা আমি পড়েছি অন্য  সাইট গুলোতে ।  সে সব মাথায় রেখে  আপনাদেরকেই কুতসা রটনাকারী মনে হচ্ছে  ।  আপনাদের একজনও ইনসিডেনটলের অন্য পোস্ট গুলার আলোচনার রেফারেন্স আনলেন না কোথাও ।  সে সব পড়লে হয়তো Postwriter&#039;s position বুঝে তার সাথে আরো গঠনমূলক বিতর্কে অবতিরন হতে পারতেন  । তা না করে আপনারা এই  পোস্টের পাঠকদেরও বঞ্চিত করেছেন  । একজন ব্লগ লিখেছে তার অবস্থান থেকে  । আপনারা যেভাবে সে বিষয়ে বিতর্ক করছেন তা মুক্তমনের পরিচয় দেয়না আপনার ও বাসদের লোকজনের পকKH  থেকে ।  উলটো মনে হয়েছে  আপনারা একজন ব্লগারের কন্ঠরোধ করে ধরার চেষ্টা করছেন ।  পাঠকরা কিন্তু ততটা বোকা  না যতটা আপনি মনে করছেন।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p><strong> শুধু এটুকু বুঝলাম- আপনাদের কেউ কেউ বাসদের পেছনে উঠে পড়ে লেগেছেন [শান্ত ২০]<br />
 স্বভাবতই বুঝতে কঠিন হয় না, এখানে এরা কারা, এই সংঘবদ্ধ গ্রুপটির উদ্দেশ্য কি? [শান্ত ৩৪]</strong></p>
<p>এখানকার সবার কাছেই খুব পরিস্কার কারা কাদের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে । যেভাবে একজন ব্লগ লেখকের একটি মাত্র পোস্টকে কেন্দ্র করে আপনারা বাসদের লোকজন সদলবলে তার  বিরুদধে কুতসা রটনা করতে লেগে গেছেন, তাতে আসলে এখানে কি ঘটছে বুঝতে আর কারো বাকী নাই । এই ব্লগারকে আমিও চিনিনা তবে তার অন্য কিছু ব্লগ এবং আলোচনা আমি পড়েছি অন্য  সাইট গুলোতে ।  সে সব মাথায় রেখে  আপনাদেরকেই কুতসা রটনাকারী মনে হচ্ছে  ।  আপনাদের একজনও ইনসিডেনটলের অন্য পোস্ট গুলার আলোচনার রেফারেন্স আনলেন না কোথাও ।  সে সব পড়লে হয়তো Postwriter&#8217;s position বুঝে তার সাথে আরো গঠনমূলক বিতর্কে অবতিরন হতে পারতেন  । তা না করে আপনারা এই  পোস্টের পাঠকদেরও বঞ্চিত করেছেন  । একজন ব্লগ লিখেছে তার অবস্থান থেকে  । আপনারা যেভাবে সে বিষয়ে বিতর্ক করছেন তা মুক্তমনের পরিচয় দেয়না আপনার ও বাসদের লোকজনের পকKH  থেকে ।  উলটো মনে হয়েছে  আপনারা একজন ব্লগারের কন্ঠরোধ করে ধরার চেষ্টা করছেন ।  পাঠকরা কিন্তু ততটা বোকা  না যতটা আপনি মনে করছেন।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :ইনসিডেন্টাল ব্লগার</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-303</link>
		<dc:creator>ইনসিডেন্টাল ব্লগার</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-303</guid>
		<description>&lt;strong&gt;@শান্ত:&lt;/strong&gt;

শান্ত বলেছেনঃ &lt;em&gt;কিন্তু যখন বলা হয়- এই সরকারের সাথে আঁতাত আছে- কোরেশীর সাথে মিলে ক্ষমতার ভাগের শিকেটা আদায়ের চেস্টা করছে,- অসদ্ভাবের কমতি আছে…… তখন সেই অন্ধ আক্রোশী অভিযোগকারীর প্রতি শুধু করুনাই হয়!!!!&lt;/em&gt;
 
&gt;&gt;আবারো একই &#039;আঁতাত&#039; point! একবার তো ব্যাখ্যা দেয়াই হয়েছে ভাই শব্দটির প্রয়োগের ব্যাপারে। &#039;আঁতাত-কোরেশী&#039; বিষয়ে যা লিখেছি মুল পোস্টে তাকে বলে &lt;a href=&quot;http://www.thefreedictionary.com/figuratively&quot; rel=&quot;nofollow&quot;&gt;figuratively speaking (লিন্কটি দেখুন)&lt;/a&gt; ।  এটা এক ধরণের &lt;a href=&quot;http://en.wikipedia.org/wiki/Stipulative_definition&quot; rel=&quot;nofollow&quot;&gt;stipulative description&lt;/a&gt; ও বলতে পারেন। একে এভাবে literally দেখানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন কেন বারবার? মনে হচ্ছে ভালোই lexically challenged! অনুগ্রহ করে বই থেকে ভাষাপ্রয়োগের এই সাধারণ বিষয়গুলো একটু বুঝে নিন আর আমাকে এবং এই পোস্টের বাকী মন্তব্যকারীদেরও রেহাই দিন। নাকি এটা (আঁতাত-কোরেশী) আপনাদের কাছে অথৈ জলে খড়কুটোর মত? যার ওপর নির্ভর না করে আপনাদের কমরেড খালেকুজ্জামানের মানইজ্জত (যেটাকে পোস্টলেখক নাকি গালিগালাজ করে ধুলোয় লুটিয়ে দিয়েছে আপনাদের puritan দৃষ্টিভঙ্গী অনুযায়ী) আর কোন কুটকৌশল প্রয়োগ করে পুনরুদ্ধার করা যাচ্ছেনা?    

খুব কষ্ট লাগে আপনাদের কয়েকজনের মত তোতাপাখির বুলি আওড়াতে থাকা এমন  ব্রেনওয়াশড মানুষ দেখলে যাদের কোন স্বাধীন চিন্তাভাবনা নেই। নেই কিন্তু তারা সেটা কখনোই জানেননা, মানা বা স্বীকার করা তো দূরের কথা। উল্টো কেউ যদি সেটা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখানোর চেষ্টা করে তাহলে তো কথাই নেই - সেই উপযাজক ব্যক্তিটি তখন আপানাদের চোখে হয়ে যান &#039;অসৎ, ষড়যন্ত্রকারী, মিথ্যেবাদী&#039;। বোঝেন অবস্থা! আর  এমনই মগজধোলাইয়ের স্বীকার তারা যে এমনকি তাদের নেতা ও দলের কাছে submission-টাকেও তারা সন্তুষ্ট মনে মেনে নিয়েছেন নিজেদের rational যুক্তিনির্ভর সিদ্ধান্ত হিসেবে। নিজেকে মিথ্যে প্রবোধ দেয়ার বুঝি এর চেয়ে ভালো কোন উদাহরণ হতে পারেনা। আহা, কেউ যদি আপনাদের জন্য একটা rehabilitation centre খুলতে পারতো তাহলে খুব কাজের কাজ হোতো।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p><strong>@শান্ত:</strong></p>
<p>শান্ত বলেছেনঃ <em>কিন্তু যখন বলা হয়- এই সরকারের সাথে আঁতাত আছে- কোরেশীর সাথে মিলে ক্ষমতার ভাগের শিকেটা আদায়ের চেস্টা করছে,- অসদ্ভাবের কমতি আছে…… তখন সেই অন্ধ আক্রোশী অভিযোগকারীর প্রতি শুধু করুনাই হয়!!!!</em></p>
<p>>>আবারো একই &#8216;আঁতাত&#8217; point! একবার তো ব্যাখ্যা দেয়াই হয়েছে ভাই শব্দটির প্রয়োগের ব্যাপারে। &#8216;আঁতাত-কোরেশী&#8217; বিষয়ে যা লিখেছি মুল পোস্টে তাকে বলে <a target="_blank" rel="nofollow external" href="http://www.thefreedictionary.com/figuratively" rel="nofollow">figuratively speaking (লিন্কটি দেখুন)</a> ।  এটা এক ধরণের <a target="_blank" rel="nofollow external" href="http://en.wikipedia.org/wiki/Stipulative_definition" rel="nofollow">stipulative description</a> ও বলতে পারেন। একে এভাবে literally দেখানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন কেন বারবার? মনে হচ্ছে ভালোই lexically challenged! অনুগ্রহ করে বই থেকে ভাষাপ্রয়োগের এই সাধারণ বিষয়গুলো একটু বুঝে নিন আর আমাকে এবং এই পোস্টের বাকী মন্তব্যকারীদেরও রেহাই দিন। নাকি এটা (আঁতাত-কোরেশী) আপনাদের কাছে অথৈ জলে খড়কুটোর মত? যার ওপর নির্ভর না করে আপনাদের কমরেড খালেকুজ্জামানের মানইজ্জত (যেটাকে পোস্টলেখক নাকি গালিগালাজ করে ধুলোয় লুটিয়ে দিয়েছে আপনাদের puritan দৃষ্টিভঙ্গী অনুযায়ী) আর কোন কুটকৌশল প্রয়োগ করে পুনরুদ্ধার করা যাচ্ছেনা?    </p>
<p>খুব কষ্ট লাগে আপনাদের কয়েকজনের মত তোতাপাখির বুলি আওড়াতে থাকা এমন  ব্রেনওয়াশড মানুষ দেখলে যাদের কোন স্বাধীন চিন্তাভাবনা নেই। নেই কিন্তু তারা সেটা কখনোই জানেননা, মানা বা স্বীকার করা তো দূরের কথা। উল্টো কেউ যদি সেটা চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখানোর চেষ্টা করে তাহলে তো কথাই নেই &#8211; সেই উপযাজক ব্যক্তিটি তখন আপানাদের চোখে হয়ে যান &#8216;অসৎ, ষড়যন্ত্রকারী, মিথ্যেবাদী&#8217;। বোঝেন অবস্থা! আর  এমনই মগজধোলাইয়ের স্বীকার তারা যে এমনকি তাদের নেতা ও দলের কাছে submission-টাকেও তারা সন্তুষ্ট মনে মেনে নিয়েছেন নিজেদের rational যুক্তিনির্ভর সিদ্ধান্ত হিসেবে। নিজেকে মিথ্যে প্রবোধ দেয়ার বুঝি এর চেয়ে ভালো কোন উদাহরণ হতে পারেনা। আহা, কেউ যদি আপনাদের জন্য একটা rehabilitation centre খুলতে পারতো তাহলে খুব কাজের কাজ হোতো।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :ইনসিডেন্টাল ব্লগার</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-302</link>
		<dc:creator>ইনসিডেন্টাল ব্লগার</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-302</guid>
		<description>উপরের প্রত্যুত্তর দেখুন। এক কথা বারবার বলার অভ্যাস নেই।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>উপরের প্রত্যুত্তর দেখুন। এক কথা বারবার বলার অভ্যাস নেই।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :ইনসিডেন্টাল ব্লগার</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-301</link>
		<dc:creator>ইনসিডেন্টাল ব্লগার</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-301</guid>
		<description>&lt;em&gt;*1/11 এর পরে সমগ্র বাংলাদেশের মধ্যে সর্বপ্রথম জরুরী অবস্থা ভঙ্গ করে সমাবেশ ও মিছিল করে বাসদের জোট গণমুক্তি আন্দোলন। 13`জানুয়ারীতে গণমুক্তি আন্দোলনের সমাবেশে যথারীতি পুলিশী বাধা উপস্থিত ছিল। মুক্তাঙ্গনের এই সমাবেশ মিছিলের দাবীও ছিল জরুরী আইন প্রত্যাহার।&lt;/em&gt;

&gt;&gt;কথাটা মনে হয় ঠিক বললেন না। আমার ছোট ফুপা তার মেজ শালিকার বিয়েতে (১/১১র ঠিক পরপরই) গিয়ে তার বেয়াই বেয়াইন এবং তাদের দুই তালাতো ভাই এবং তাদের স্ত্রী এবং ছেলে মেয়েরা মিলে দলগতভাবে সামরিক সরকারের প্রতিবাদে কিছু অনুযোগ/সমালোচনা করেছিলেন সে অনুষ্ঠানে, জরুরী অবস্থা সর্বপ্রথম ভঙ্গ করে। সেটাই সম্ভবত প্রথম ঘটনা। কোন পত্রিকা সেটা ভয়ে রিপোর্ট করেনি; এমনকি মফস্বলের লোকাল পত্রিকাটাও মোসাহেবী করে বা শত্রুতা/ষড়যন্ত্র করে সে খবর ছাপায়নি। কি অন্যায় ভাবুন দেখি! আমার অবশ্য শুনে সবসময়ই মনে হয়েছে এখানে অন্য কোন ব্যপারও থাকতে পারে। এটা খুবই সম্ভব যে আমার ফুফাতো ভাইয়ের ১৩ বছর বয়সী ফাজিল ছেলেটা, যার কাছ থেকে আমি সর্বপ্রথম এই গল্পটি শুনি, সে হয়তো আমাদের ইমপ্রেস করার জন্য পুরো ব্যপারটা বানিয়ে থাকতে পারে। আজকালকার ছেলে তো, কিছুই বিশ্বাস নাইরে ভাই।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p><em>*1/11 এর পরে সমগ্র বাংলাদেশের মধ্যে সর্বপ্রথম জরুরী অবস্থা ভঙ্গ করে সমাবেশ ও মিছিল করে বাসদের জোট গণমুক্তি আন্দোলন। 13`জানুয়ারীতে গণমুক্তি আন্দোলনের সমাবেশে যথারীতি পুলিশী বাধা উপস্থিত ছিল। মুক্তাঙ্গনের এই সমাবেশ মিছিলের দাবীও ছিল জরুরী আইন প্রত্যাহার।</em></p>
<p>>>কথাটা মনে হয় ঠিক বললেন না। আমার ছোট ফুপা তার মেজ শালিকার বিয়েতে (১/১১র ঠিক পরপরই) গিয়ে তার বেয়াই বেয়াইন এবং তাদের দুই তালাতো ভাই এবং তাদের স্ত্রী এবং ছেলে মেয়েরা মিলে দলগতভাবে সামরিক সরকারের প্রতিবাদে কিছু অনুযোগ/সমালোচনা করেছিলেন সে অনুষ্ঠানে, জরুরী অবস্থা সর্বপ্রথম ভঙ্গ করে। সেটাই সম্ভবত প্রথম ঘটনা। কোন পত্রিকা সেটা ভয়ে রিপোর্ট করেনি; এমনকি মফস্বলের লোকাল পত্রিকাটাও মোসাহেবী করে বা শত্রুতা/ষড়যন্ত্র করে সে খবর ছাপায়নি। কি অন্যায় ভাবুন দেখি! আমার অবশ্য শুনে সবসময়ই মনে হয়েছে এখানে অন্য কোন ব্যপারও থাকতে পারে। এটা খুবই সম্ভব যে আমার ফুফাতো ভাইয়ের ১৩ বছর বয়সী ফাজিল ছেলেটা, যার কাছ থেকে আমি সর্বপ্রথম এই গল্পটি শুনি, সে হয়তো আমাদের ইমপ্রেস করার জন্য পুরো ব্যপারটা বানিয়ে থাকতে পারে। আজকালকার ছেলে তো, কিছুই বিশ্বাস নাইরে ভাই।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :ইনসিডেন্টাল ব্লগার</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-300</link>
		<dc:creator>ইনসিডেন্টাল ব্লগার</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-300</guid>
		<description>এতো কিছু করেছেন, অথচ পত্রিকাগুলো তার কিছুই কাভারেজ দেয়নি? খুব অন্যায়। ওরাও কি আপনাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত? কি সাংঘাতিক!
 
কাভারেজ না পাওয়ায় জরুরী অবস্থার দোহাই দেয়াটা মনে হয় ঠিক হলনা। যখন জরুরী অবস্থা ছিলনা তখনও যে খুব পত্রপত্রিকায় কাভারেজ পেতেন আপনারা তা তো না। সেকি কর্মকান্ড করেও পেতেন না, নাকি কিছু না করেই, তা আপনারাই ভালো জানবেন। আমাদের তো আর কোনভাবে জানবার উপায় দেখিনা। আমি অবশ্য আপনাদের ছেলেপিলেদের সবসময়ই কাজ করতে এবং ছুটোছুটি করতে দেখেছি; মূলত গণচাঁদা collection এর কাজে। তারা কিন্তু খুবই কর্মঠ এবং পরিশ্রমী ছিল, মানতেই হবে। যখনই তাদের সাথে দেখা হোতো, তারা হয় চাঁদা সংগ্রহ করে ফিরছে, না হলে চাঁদা সংগ্রহ করতে যাচ্ছে শহরের কোন নির্দিষ্ট এলাকায়। তাদের বিরুদ্ধে আর যাই হোক অকর্মন্যতার অভিযোগ দেয়াটা হবে খুবই অন্যায়। 

সত্যি বলতে কি, তুলনামূলক বিচারে আগের তুলনায় বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে বরং এই জরুরী অবস্থার সময়েই আপনাদের নেতারা আমন্ত্রণ পেয়েছেন বেশী (একটা rough estimate থেকে বলছি)। কারণ মনে হল যেন বেশ কয়েকবারই টিভি টকশো গুলোতে রাজেকুজ্জামান রতন আর খালেকুজ্জামানকে দেখলাম আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে (নাকি ভুল দেখলাম?)। বলতেই হবে আপনাদের দলের এবং এর নেতাদের জন্য এটা জরুরী অবস্থার একটা অন্তত ইতিবাচক দিক, তা তো আপনি নিশ্চয়ই স্বীকার করবেন। অবশ্য আপনি স্বীকার না করলেও কিছু যায় আসেনা। আপনাদের কয়েকজন নেতাকর্মীকে এবিষয়ে বেশ সন্তোষ প্রকাশ করতে দেখেছি। কেনই বা করবেন না সন্তোষ প্রকাশ? ঠিক করেছেন আপনাদের নেতারা এ সব প্রচারের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে। 

মুহম্মদ জাফর ইকবালের কলামে পড়েছিলাম গত বছর - সব টিভি চ্যানেলকে নাকি কাদেরকে কাদেরকে ডাকতে হবে অতিথি হিসেবে তা ক্যান্টনমেন্ট থেকে তালিকা (approved list) দিয়ে দেয়া হয়েছিল। আমরা অত্যন্ত খুশী হয়েছিলাম যে এই সুযোগে কমরেড জামান কমরেড রতনরা অন্তত মূলধারার মিডিয়াতে নিজেদের ধারার রাজনীতির কথাগুলো তুলে ধরার সুযোগ পেলেন। কিন্তু কিছু প্রশ্ন রয়েই যায়। এসব টক শোতে আপনাদের নেতৃবৃন্দ কি সামরিক সরকারের বৈধতা নিয়ে সরাসরি কিছু বলেছেন? অনেক কথাই তো তারা আলোচনা করেছেন সেখানে, সরকারের সাংবিধানিক বৈধতার বিষয়গুলো কেন তেমন sharply উঠে আসেনি তাদের বক্তব্যে? পুরো বাংলাদেশকে যেভাবে বিরাজনীতিকরণের আয়োজন/ষড়যন্ত্র চলছিল, সে সব বিষয়ে কি আপনাদের নেতারা দৃঢ়ভাবে স্পষ্টভাবে বলতে পারতেন না? আমরা তো মনে করি ১/১১ হল সেই দিন যেদিন গণতন্ত্র এবং সংবিধানকে হত্যা করা হয়েছিল। রাজনীতির ভাষায় বলতে গেলে গণতন্ত্রের লাশের উপর দাঁড়িয়ে এ সরকার দুর্নীতিদমনের নাটক আস্ফালন তর্জন গর্জন করে যাচ্ছে। আপনাদের নেতারা কি সে সব কথা বলেছেন টিভি টকশোগুলোতে? একটু ব্যাখ্যা করতে পারেন বিষয়গুলো? New Age এর সম্পাদক নূরুল কবীর এর মত মানুষেরা তো স্পষ্টকথনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন দেশের বিবেকবান মানুষদের সামনে। বিপ্লবী রাজনীতির নেতা হিসেবে আপনাদের নেতাদের কি সেভাবে spade কে spade বলার দায়িত্ব আরো বেশী ছিলনা? 

আরেকটা ব্যপার বুঝতে পারিনা আমরা। মুল ধারার প্রিন্ট মিডিয়া না হয় নাই ছাপালো আপনাদের বীরত্বের গাঁথা। এসব বীরত্ব ও ত্যাগের কাহিনী আপনারা তো vanguard এর পাতায় পাতায় এমনকি রঙিন ছবিসহ তুলে ধরতে পারতেন। পারতেন না আপনারা তা করতে? তাহলে করলেন না কেন? সেটা নিয়েই একটু ধন্দে আছি আরকি! আমাদের মত সাধারণ মানুষেরা আর নাহলে কিভাবে আপনাদের বিপ্লবী জোশ কিংবা ত্যাগ নিপীড়ন নির্যাতনের কথা জানবে? বলুন? আমাদের জানবার সুযোগ না দিয়ে একদমই ঠিক করেননি কিন্তু বলে দিলাম! এভাবে কি প্রচারের তোয়াক্কা না করে সবসময় পর্দার অন্তরালে (কোন স্বীকৃতি ছাড়াই) কাজ করে যেতে আছে দেশের মানুষকে অপরাধবোধের নদীতে ডুবিয়ে-ভাসিয়ে দিয়ে?</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>এতো কিছু করেছেন, অথচ পত্রিকাগুলো তার কিছুই কাভারেজ দেয়নি? খুব অন্যায়। ওরাও কি আপনাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত? কি সাংঘাতিক!</p>
<p>কাভারেজ না পাওয়ায় জরুরী অবস্থার দোহাই দেয়াটা মনে হয় ঠিক হলনা। যখন জরুরী অবস্থা ছিলনা তখনও যে খুব পত্রপত্রিকায় কাভারেজ পেতেন আপনারা তা তো না। সেকি কর্মকান্ড করেও পেতেন না, নাকি কিছু না করেই, তা আপনারাই ভালো জানবেন। আমাদের তো আর কোনভাবে জানবার উপায় দেখিনা। আমি অবশ্য আপনাদের ছেলেপিলেদের সবসময়ই কাজ করতে এবং ছুটোছুটি করতে দেখেছি; মূলত গণচাঁদা collection এর কাজে। তারা কিন্তু খুবই কর্মঠ এবং পরিশ্রমী ছিল, মানতেই হবে। যখনই তাদের সাথে দেখা হোতো, তারা হয় চাঁদা সংগ্রহ করে ফিরছে, না হলে চাঁদা সংগ্রহ করতে যাচ্ছে শহরের কোন নির্দিষ্ট এলাকায়। তাদের বিরুদ্ধে আর যাই হোক অকর্মন্যতার অভিযোগ দেয়াটা হবে খুবই অন্যায়। </p>
<p>সত্যি বলতে কি, তুলনামূলক বিচারে আগের তুলনায় বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে বরং এই জরুরী অবস্থার সময়েই আপনাদের নেতারা আমন্ত্রণ পেয়েছেন বেশী (একটা rough estimate থেকে বলছি)। কারণ মনে হল যেন বেশ কয়েকবারই টিভি টকশো গুলোতে রাজেকুজ্জামান রতন আর খালেকুজ্জামানকে দেখলাম আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে (নাকি ভুল দেখলাম?)। বলতেই হবে আপনাদের দলের এবং এর নেতাদের জন্য এটা জরুরী অবস্থার একটা অন্তত ইতিবাচক দিক, তা তো আপনি নিশ্চয়ই স্বীকার করবেন। অবশ্য আপনি স্বীকার না করলেও কিছু যায় আসেনা। আপনাদের কয়েকজন নেতাকর্মীকে এবিষয়ে বেশ সন্তোষ প্রকাশ করতে দেখেছি। কেনই বা করবেন না সন্তোষ প্রকাশ? ঠিক করেছেন আপনাদের নেতারা এ সব প্রচারের সুযোগকে কাজে লাগিয়ে। </p>
<p>মুহম্মদ জাফর ইকবালের কলামে পড়েছিলাম গত বছর &#8211; সব টিভি চ্যানেলকে নাকি কাদেরকে কাদেরকে ডাকতে হবে অতিথি হিসেবে তা ক্যান্টনমেন্ট থেকে তালিকা (approved list) দিয়ে দেয়া হয়েছিল। আমরা অত্যন্ত খুশী হয়েছিলাম যে এই সুযোগে কমরেড জামান কমরেড রতনরা অন্তত মূলধারার মিডিয়াতে নিজেদের ধারার রাজনীতির কথাগুলো তুলে ধরার সুযোগ পেলেন। কিন্তু কিছু প্রশ্ন রয়েই যায়। এসব টক শোতে আপনাদের নেতৃবৃন্দ কি সামরিক সরকারের বৈধতা নিয়ে সরাসরি কিছু বলেছেন? অনেক কথাই তো তারা আলোচনা করেছেন সেখানে, সরকারের সাংবিধানিক বৈধতার বিষয়গুলো কেন তেমন sharply উঠে আসেনি তাদের বক্তব্যে? পুরো বাংলাদেশকে যেভাবে বিরাজনীতিকরণের আয়োজন/ষড়যন্ত্র চলছিল, সে সব বিষয়ে কি আপনাদের নেতারা দৃঢ়ভাবে স্পষ্টভাবে বলতে পারতেন না? আমরা তো মনে করি ১/১১ হল সেই দিন যেদিন গণতন্ত্র এবং সংবিধানকে হত্যা করা হয়েছিল। রাজনীতির ভাষায় বলতে গেলে গণতন্ত্রের লাশের উপর দাঁড়িয়ে এ সরকার দুর্নীতিদমনের নাটক আস্ফালন তর্জন গর্জন করে যাচ্ছে। আপনাদের নেতারা কি সে সব কথা বলেছেন টিভি টকশোগুলোতে? একটু ব্যাখ্যা করতে পারেন বিষয়গুলো? New Age এর সম্পাদক নূরুল কবীর এর মত মানুষেরা তো স্পষ্টকথনের দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছিলেন দেশের বিবেকবান মানুষদের সামনে। বিপ্লবী রাজনীতির নেতা হিসেবে আপনাদের নেতাদের কি সেভাবে spade কে spade বলার দায়িত্ব আরো বেশী ছিলনা? </p>
<p>আরেকটা ব্যপার বুঝতে পারিনা আমরা। মুল ধারার প্রিন্ট মিডিয়া না হয় নাই ছাপালো আপনাদের বীরত্বের গাঁথা। এসব বীরত্ব ও ত্যাগের কাহিনী আপনারা তো vanguard এর পাতায় পাতায় এমনকি রঙিন ছবিসহ তুলে ধরতে পারতেন। পারতেন না আপনারা তা করতে? তাহলে করলেন না কেন? সেটা নিয়েই একটু ধন্দে আছি আরকি! আমাদের মত সাধারণ মানুষেরা আর নাহলে কিভাবে আপনাদের বিপ্লবী জোশ কিংবা ত্যাগ নিপীড়ন নির্যাতনের কথা জানবে? বলুন? আমাদের জানবার সুযোগ না দিয়ে একদমই ঠিক করেননি কিন্তু বলে দিলাম! এভাবে কি প্রচারের তোয়াক্কা না করে সবসময় পর্দার অন্তরালে (কোন স্বীকৃতি ছাড়াই) কাজ করে যেতে আছে দেশের মানুষকে অপরাধবোধের নদীতে ডুবিয়ে-ভাসিয়ে দিয়ে?</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :ইনসিডেন্টাল ব্লগার</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-299</link>
		<dc:creator>ইনসিডেন্টাল ব্লগার</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-299</guid>
		<description>&lt;strong&gt;@শান্ত:&lt;/strong&gt;

শান্ত বলেছেনঃ &lt;em&gt;এহেন ব্যক্তির সাথে ধরে ধরে লাইন বাই লাইন আলোচনার ইচ্ছা, প্রবৃত্তি, ধৈর্য কোনটাই নেই, মানে আগ্রহবোধ করছি না। শুধু কয়েকটি বিষয় সকলের সামনে তুলে ধরছিঃ&lt;/em&gt;

&gt;&gt;নাঈম বলেছে, শান্ত বলছে, সুব্রত বলেছে। একই কথা আপনি আর আপনার দলের প্রত্যেকেই বারবার করে বলে যাচ্ছেন। শান্ত&#039;র &#039;হুক্কা হুয়া&#039; তত্ত্ব&#039;র (শান্ত:২০) বুঝি এর চেয়ে ভালো আর কোন উদাহরণ হয়না। আর বিতর্ক করতে এসে এ কেমনতরো আচরণ? পিউরিটান আচরণ (&#039;অসংস্কৃত, কুরুচিপূর্ণ লেখার জবাব দেইনা আমরা&#039; ইত্যাদি)? যুক্তি থাকলে দেখাবেন। টিন এজার বালক বালিকাদের মত ঠোঁট উল্টে নালিশ করতে আসবেন না প্লীজ তর্কে হেরে গিয়ে (যদিও এটা আমার কাছে হারজিতের কোন বিষয় নয়)। এই ব্লগে আপনারা এসেছেন নিজের ইচ্ছায়, কেউ বাধ্য করেনি আপনাদের। grow up! এসব তো আপনার দল থেকে আপনাকে শেখানোর কথা না! মনে তো হয়না দুনিয়াদারীর কোন খবর রাখেন আপনারা। নিজেদের পিঠচাপড়াচাপড়ির কুপমন্ডুক বুদবুদের (bubble) মধ্যে বাস করতে করতে পরিণত মানুষের মত আচরণ করতে শেখা আর হয়ে উঠলোনা আপনাদের, সেটাই দুঃখ।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p><strong>@শান্ত:</strong></p>
<p>শান্ত বলেছেনঃ <em>এহেন ব্যক্তির সাথে ধরে ধরে লাইন বাই লাইন আলোচনার ইচ্ছা, প্রবৃত্তি, ধৈর্য কোনটাই নেই, মানে আগ্রহবোধ করছি না। শুধু কয়েকটি বিষয় সকলের সামনে তুলে ধরছিঃ</em></p>
<p>>>নাঈম বলেছে, শান্ত বলছে, সুব্রত বলেছে। একই কথা আপনি আর আপনার দলের প্রত্যেকেই বারবার করে বলে যাচ্ছেন। শান্ত&#8217;র &#8216;হুক্কা হুয়া&#8217; তত্ত্ব&#8217;র (শান্ত:২০) বুঝি এর চেয়ে ভালো আর কোন উদাহরণ হয়না। আর বিতর্ক করতে এসে এ কেমনতরো আচরণ? পিউরিটান আচরণ (&#8216;অসংস্কৃত, কুরুচিপূর্ণ লেখার জবাব দেইনা আমরা&#8217; ইত্যাদি)? যুক্তি থাকলে দেখাবেন। টিন এজার বালক বালিকাদের মত ঠোঁট উল্টে নালিশ করতে আসবেন না প্লীজ তর্কে হেরে গিয়ে (যদিও এটা আমার কাছে হারজিতের কোন বিষয় নয়)। এই ব্লগে আপনারা এসেছেন নিজের ইচ্ছায়, কেউ বাধ্য করেনি আপনাদের। grow up! এসব তো আপনার দল থেকে আপনাকে শেখানোর কথা না! মনে তো হয়না দুনিয়াদারীর কোন খবর রাখেন আপনারা। নিজেদের পিঠচাপড়াচাপড়ির কুপমন্ডুক বুদবুদের (bubble) মধ্যে বাস করতে করতে পরিণত মানুষের মত আচরণ করতে শেখা আর হয়ে উঠলোনা আপনাদের, সেটাই দুঃখ।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :ইনসিডেন্টাল ব্লগার</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-298</link>
		<dc:creator>ইনসিডেন্টাল ব্লগার</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-298</guid>
		<description>&lt;strong&gt;@শান্ত:&lt;/strong&gt;

শান্ত বলেছেন (আবারো):&lt;em&gt;এখানে বাসদকে নিয়ে গালিগালাজমূলক পোস্ট দেয়ার পরে&lt;/em&gt;

&gt;&gt;এই যে একই কথা আবারো বললেন। আপনার সমস্যাটা কি বলুন তো? এতটাই কি গোয়েবলস্  প্রভাবিত আপনারা? নাকি পার্টি হাই কমান্ড থেকে আপনাদের এই করে যেতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে? শুনলাম, আপনাদের কেন্দ্রীয় নেতা (সভাপতি) খালেকুজ্জামান লিপন সাহেব নাকি তোপখানা আর বিশ্ববিদ্যালয়/বুয়েট এলাকার মধ্যে বেশ হন্তদন্ত হয়ে ছুটোছুটি করছেন আজকাল। নিন্দুকেরা বলছে ছুটোছুটির পরিমাণ একটু নাকি বেড়েই গেছে যেদিন থেকে আপনারা এই পোস্টে পদধুলি দেয়া শুরু করেছেন ঠিক তার পরদিন থেকেই। কি কাকতালীয় ব্যপার বলুন তো!</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p><strong>@শান্ত:</strong></p>
<p>শান্ত বলেছেন (আবারো):<em>এখানে বাসদকে নিয়ে গালিগালাজমূলক পোস্ট দেয়ার পরে</em></p>
<p>>>এই যে একই কথা আবারো বললেন। আপনার সমস্যাটা কি বলুন তো? এতটাই কি গোয়েবলস্  প্রভাবিত আপনারা? নাকি পার্টি হাই কমান্ড থেকে আপনাদের এই করে যেতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে? শুনলাম, আপনাদের কেন্দ্রীয় নেতা (সভাপতি) খালেকুজ্জামান লিপন সাহেব নাকি তোপখানা আর বিশ্ববিদ্যালয়/বুয়েট এলাকার মধ্যে বেশ হন্তদন্ত হয়ে ছুটোছুটি করছেন আজকাল। নিন্দুকেরা বলছে ছুটোছুটির পরিমাণ একটু নাকি বেড়েই গেছে যেদিন থেকে আপনারা এই পোস্টে পদধুলি দেয়া শুরু করেছেন ঠিক তার পরদিন থেকেই। কি কাকতালীয় ব্যপার বলুন তো!</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :ইনসিডেন্টাল ব্লগার</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-297</link>
		<dc:creator>ইনসিডেন্টাল ব্লগার</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-297</guid>
		<description>&lt;strong&gt;@শান্ত:&lt;/strong&gt;

শান্ত বলেছেনঃ &lt;em&gt;এখানে সাহিত্য বিষয়ে কোন কথা বলতে চাইনি- কারণ আলোচ্য পোস্ট টিকে কখনো সাহিত্য নিয়ে আলোচনার উপযোগী কিছু মনে হয়নি- একটি গালিগালাজ সর্বস্ব পোস্টে সাহিত্য সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলার কোন মানে হয় না বিধায় আর কিছু বলছি না- যদিও আরো অনেক কিছু নিয়েই অনেক কথা বলা যেত!!&lt;/em&gt;

&gt;&gt;এই নিয়ে কতবার এই একই কথা বললেন হিসেব আছে? নাকি এটা আপনাদের কোনো গোয়েবলসীয় কায়দার অংশ --একটা মিথ্যাকে বারবার বলতে থাকুন, একসময় মানুষ হয়তো সেটাকেই বিশ্বাস করতে শুরু করবে -- সে আশায় এমনটি করছেন?</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p><strong>@শান্ত:</strong></p>
<p>শান্ত বলেছেনঃ <em>এখানে সাহিত্য বিষয়ে কোন কথা বলতে চাইনি- কারণ আলোচ্য পোস্ট টিকে কখনো সাহিত্য নিয়ে আলোচনার উপযোগী কিছু মনে হয়নি- একটি গালিগালাজ সর্বস্ব পোস্টে সাহিত্য সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলার কোন মানে হয় না বিধায় আর কিছু বলছি না- যদিও আরো অনেক কিছু নিয়েই অনেক কথা বলা যেত!!</em></p>
<p>>>এই নিয়ে কতবার এই একই কথা বললেন হিসেব আছে? নাকি এটা আপনাদের কোনো গোয়েবলসীয় কায়দার অংশ &#8211;একটা মিথ্যাকে বারবার বলতে থাকুন, একসময় মানুষ হয়তো সেটাকেই বিশ্বাস করতে শুরু করবে &#8212; সে আশায় এমনটি করছেন?</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :ইনসিডেন্টাল ব্লগার</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-296</link>
		<dc:creator>ইনসিডেন্টাল ব্লগার</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-296</guid>
		<description>&lt;strong&gt;@শান্ত:&lt;/strong&gt;

শান্ত বলেছেনঃ &lt;em&gt;. . . আর, রেজাউল করিম সুমনকে অনেক জ্ঞানদান করতে দেখলেও - পোস্টদাতার “কী এই “শ্রেণীপ্রভাব” ? এ প্রসঙ্গে কথা বলতে না দেখে হতাশই হলাম; মার্ক্স-এঙ্গেলস-লেনিন-গোর্কী প্রমুখের সাহিত্যালোচনা পাঠ করার উপদেশ যিনি দিলেন; ধরে নিতে ইচ্ছা হয় যে তিনি নিজে সেসমস্ত ভালোই পাঠ করেছেন- এবং সেখান থেকেই ভেবেছিলাম- তিনি ভালোই জানেন “কী এই “শ্রেণীপ্রভাব” ?” কিন্তু দেখা গেলো- এই বিশেষ গ্রুপটির আর সকলের মত ওনারো বাসদ নিয়েই বেশী মাথা ব্যাথা- …, যাহোক কি আর করা!!!”&lt;/em&gt;

&gt;&gt;আমারও এই বিষয়ে জানার আগ্রহ ছিল। সেই তখন থেকে বসে আছি উত্তরের অপেক্ষায়। যে কারণে মূল পোস্টেই লিখেছি: 

&lt;blockquote&gt;
&quot;অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, বন্ধুমহলের সমাজতন্ত্রীদের কাছে এই “শ্রেণীপ্রভাব” শব্দটি খুব প্রিয়। এটি তাঁরা প্রায়শই একটি মোক্ষম অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন।  তাঁদের অমোঘ বিচারে কখন যে কে শ্রেণীদোষে দুষ্ট হয়ে যাবেন, সেটা বলা খুব মুশকিল। তাত্ত্বিক নই, সুতরাং আমার কাছে পুরো বিষয়টিই একটু গোলমেলে ও ধোঁয়াটে ঠেকে বৈকি। যাই হোক, যখন দেখি কবি শামসুর রাহমানের মত মানুষও কোনো কোনো মূল্যায়নকারীর রায়ে শ্রেণীদোষে দুষ্ট হন তখন স্বাভাবিকভাবেই মনে প্রশ্ন জাগে — কী এই “শ্রেণীপ্রভাব” ? কিসের ভিত্তিতে এর নিরূপণ হয়? যিনি রায় দিচ্ছেন, তিনি নিজে কোন শ্রেণীর মাঝে দাঁড়িয়ে কোন অধিকার বলে দিচ্ছেন সে রায় ?&quot;&lt;/blockquote&gt;

আপনার আক্ষেপটা বুঝতে পারি। রেজাউল করিমের উচিত ছিল অপ্রিয় এ প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়ে আপনাদের বাঁচিয়ে দেয়া। না করে তিনি আপনাদের সাথে অত্যন্ত অন্যায় আচরণ করেছেন। তিনি তো দিলেন না। যাই হোক তাঁকে তো দোষ দিয়ে লাভ নেই। দায়িত্বটা স্বাভাবিকভাবেই এখন আপনাদের উপর বর্তাচ্ছে। কই আপনারা এত কিছু বললেন, লিখলেন, মূল এ প্রশ্নগুলোর তো কোন সদুত্তর দিলেন না। এমনকি একরকম এড়িয়েই গেলেন। কঠিন প্রশ্নকে &quot;কুৎসা&quot;, &quot;গালিগালাজ&quot; &quot;এসবের আমরা উত্তর দিইনা&quot; বলে এভাবে এড়িয়ে যাওয়াটা কি ঠিক হল? আমরা সবাই যে বুঝে ফেললাম আপনার (এবং আপনার কমরেডদের) এসব চালিয়াতি আচরণ, তা কি একটু ক্ষতিকর হয়ে গেলনা আপনাদের জন্য? এ পোস্টের পাঠকরা আপনাদের মত সুযোগ্য সমাজতন্ত্রীদের সম্বন্ধে কি ভাববে এখন?  আর তাছাড়া আপনি যদি না বলেন তাহলে আমরা বাকী দুনিয়াই বা জানবো কিভাবে? বরং আপনিই উত্তর দিননা শান্ত এ সংগঠনের প্রাক্তন সদস্য হিসেবে! আর নাঈম সাহেব তো অনেক জানেন টানেন (যাঁর ওপর আবার আপনার বন্ধু সুব্রত সরকারের অসীম আস্থা)। তাদের সাহায্যই বরং নিন না? আমাদেরও কৌতুকের অভাব (যেমন বলেছেন অস্মিতা) কিছুটা ঘোঁচে তাহলে! একটু দেখতে চাই নাঈম এবং আপনি নতুন কি হাস্যকর (এবং পূঁথিগত, এবং formal) তত্ত্ব নিয়ে হাজির হন এবার।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p><strong>@শান্ত:</strong></p>
<p>শান্ত বলেছেনঃ <em>. . . আর, রেজাউল করিম সুমনকে অনেক জ্ঞানদান করতে দেখলেও &#8211; পোস্টদাতার “কী এই “শ্রেণীপ্রভাব” ? এ প্রসঙ্গে কথা বলতে না দেখে হতাশই হলাম; মার্ক্স-এঙ্গেলস-লেনিন-গোর্কী প্রমুখের সাহিত্যালোচনা পাঠ করার উপদেশ যিনি দিলেন; ধরে নিতে ইচ্ছা হয় যে তিনি নিজে সেসমস্ত ভালোই পাঠ করেছেন- এবং সেখান থেকেই ভেবেছিলাম- তিনি ভালোই জানেন “কী এই “শ্রেণীপ্রভাব” ?” কিন্তু দেখা গেলো- এই বিশেষ গ্রুপটির আর সকলের মত ওনারো বাসদ নিয়েই বেশী মাথা ব্যাথা- …, যাহোক কি আর করা!!!”</em></p>
<p>>>আমারও এই বিষয়ে জানার আগ্রহ ছিল। সেই তখন থেকে বসে আছি উত্তরের অপেক্ষায়। যে কারণে মূল পোস্টেই লিখেছি: </p>
<blockquote><p>
&#8220;অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, বন্ধুমহলের সমাজতন্ত্রীদের কাছে এই “শ্রেণীপ্রভাব” শব্দটি খুব প্রিয়। এটি তাঁরা প্রায়শই একটি মোক্ষম অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন।  তাঁদের অমোঘ বিচারে কখন যে কে শ্রেণীদোষে দুষ্ট হয়ে যাবেন, সেটা বলা খুব মুশকিল। তাত্ত্বিক নই, সুতরাং আমার কাছে পুরো বিষয়টিই একটু গোলমেলে ও ধোঁয়াটে ঠেকে বৈকি। যাই হোক, যখন দেখি কবি শামসুর রাহমানের মত মানুষও কোনো কোনো মূল্যায়নকারীর রায়ে শ্রেণীদোষে দুষ্ট হন তখন স্বাভাবিকভাবেই মনে প্রশ্ন জাগে — কী এই “শ্রেণীপ্রভাব” ? কিসের ভিত্তিতে এর নিরূপণ হয়? যিনি রায় দিচ্ছেন, তিনি নিজে কোন শ্রেণীর মাঝে দাঁড়িয়ে কোন অধিকার বলে দিচ্ছেন সে রায় ?&#8221;</p></blockquote>
<p>আপনার আক্ষেপটা বুঝতে পারি। রেজাউল করিমের উচিত ছিল অপ্রিয় এ প্রশ্নগুলোর উত্তর দিয়ে আপনাদের বাঁচিয়ে দেয়া। না করে তিনি আপনাদের সাথে অত্যন্ত অন্যায় আচরণ করেছেন। তিনি তো দিলেন না। যাই হোক তাঁকে তো দোষ দিয়ে লাভ নেই। দায়িত্বটা স্বাভাবিকভাবেই এখন আপনাদের উপর বর্তাচ্ছে। কই আপনারা এত কিছু বললেন, লিখলেন, মূল এ প্রশ্নগুলোর তো কোন সদুত্তর দিলেন না। এমনকি একরকম এড়িয়েই গেলেন। কঠিন প্রশ্নকে &#8220;কুৎসা&#8221;, &#8220;গালিগালাজ&#8221; &#8220;এসবের আমরা উত্তর দিইনা&#8221; বলে এভাবে এড়িয়ে যাওয়াটা কি ঠিক হল? আমরা সবাই যে বুঝে ফেললাম আপনার (এবং আপনার কমরেডদের) এসব চালিয়াতি আচরণ, তা কি একটু ক্ষতিকর হয়ে গেলনা আপনাদের জন্য? এ পোস্টের পাঠকরা আপনাদের মত সুযোগ্য সমাজতন্ত্রীদের সম্বন্ধে কি ভাববে এখন?  আর তাছাড়া আপনি যদি না বলেন তাহলে আমরা বাকী দুনিয়াই বা জানবো কিভাবে? বরং আপনিই উত্তর দিননা শান্ত এ সংগঠনের প্রাক্তন সদস্য হিসেবে! আর নাঈম সাহেব তো অনেক জানেন টানেন (যাঁর ওপর আবার আপনার বন্ধু সুব্রত সরকারের অসীম আস্থা)। তাদের সাহায্যই বরং নিন না? আমাদেরও কৌতুকের অভাব (যেমন বলেছেন অস্মিতা) কিছুটা ঘোঁচে তাহলে! একটু দেখতে চাই নাঈম এবং আপনি নতুন কি হাস্যকর (এবং পূঁথিগত, এবং formal) তত্ত্ব নিয়ে হাজির হন এবার।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :ইনসিডেন্টাল ব্লগার</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-295</link>
		<dc:creator>ইনসিডেন্টাল ব্লগার</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-295</guid>
		<description>&lt;em&gt;এমন একটি ধারণা তুলে ধরার চেস্টা করলেন যে, তাতে মনে হলো- লেনিন প্রমুখের সাহিত্যালোচনাতেও যেন কনটেন্ট অধিক গুরুত্ব পায়নি!!! আমি ওনার উপদেশটি ওনাকেই পালন করার অনুরোধ করছি।&lt;/em&gt;

&gt;&gt;রেজাউল করিম সুমনের মন্তব্যের ওই অনুচ্ছেদটা পড়েই আশংকা হয়েছে একেবারে অপাত্রে বুঝি দান করা হল এই অসাধারণ তথ্যবহুল মন্তব্যটা। কারণ তখনই সন্দেহ হয়েছে এটা আপনার মাথার ওপর দিয়েই যাবে! আমার আশংকাই সত্যি প্রমাণিত হল অবশেষে। তখনই আন্দাজ করেছি বুঝবেন তো নাই, বরং উল্টোটা বুঝে (বা না বুঝে) নাঈম সাহেবের মতো &#039;ইউরেকা ইউরেকা&#039; করতে থাকবেন, আর চেষ্টা করবেন কিছু quotation তুলে ধরে বাকী ব্লগ দুনিয়াকে জ্ঞানদান করার। তাই হলো তো?

কতিপয় বাসদ কর্মীর এধরণের pretension এর নমুনা শান্তর এই নতুন মন্তব্যগুলো ছাড়াও (৩৩ এর পর থেকে দেখুন) আরো পাওয়া যাবে সুব্রত&#039;র ২৪ নং মন্তব্যে। সেখানে pretension এর নির্লজ্জ display দেখতে হলে মন্তব্য ২৪ এর নীচ থেকে তৃতীয় অনুচ্ছেদ দেখুন। ভাই collectivism এর নামে আপনাদের সবাইকে কি এক ক্ষুরে মাথা মুড়িয়ে দীক্ষা দিয়েছেন আপনাদের  নেতারা? Is it some kind of party ritual? 
নাঈমের সহযোগী আপনাদের এই &#039;ছোট্ট সংঘবদ্ধ গ্রুপটিকে&#039; যতই দেখছি আমরা, ততই হতাশ হচ্ছি। রেজাউল করিম সুমনের মন্তব্যটা আবারও একটু কষ্ট করে পড়ে দেখুন। চেষ্টা করলে এবার হয়তো বুঝতে পারবেন তার লেখাটির &#039;কনটেন্ট&#039; বা মর্মার্থ। (রেজাউলকে দেয়া আপনার উপদেশটাই আবার আপনাকে ফিরিয়ে দিলাম)।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p><em>এমন একটি ধারণা তুলে ধরার চেস্টা করলেন যে, তাতে মনে হলো- লেনিন প্রমুখের সাহিত্যালোচনাতেও যেন কনটেন্ট অধিক গুরুত্ব পায়নি!!! আমি ওনার উপদেশটি ওনাকেই পালন করার অনুরোধ করছি।</em></p>
<p>>>রেজাউল করিম সুমনের মন্তব্যের ওই অনুচ্ছেদটা পড়েই আশংকা হয়েছে একেবারে অপাত্রে বুঝি দান করা হল এই অসাধারণ তথ্যবহুল মন্তব্যটা। কারণ তখনই সন্দেহ হয়েছে এটা আপনার মাথার ওপর দিয়েই যাবে! আমার আশংকাই সত্যি প্রমাণিত হল অবশেষে। তখনই আন্দাজ করেছি বুঝবেন তো নাই, বরং উল্টোটা বুঝে (বা না বুঝে) নাঈম সাহেবের মতো &#8216;ইউরেকা ইউরেকা&#8217; করতে থাকবেন, আর চেষ্টা করবেন কিছু quotation তুলে ধরে বাকী ব্লগ দুনিয়াকে জ্ঞানদান করার। তাই হলো তো?</p>
<p>কতিপয় বাসদ কর্মীর এধরণের pretension এর নমুনা শান্তর এই নতুন মন্তব্যগুলো ছাড়াও (৩৩ এর পর থেকে দেখুন) আরো পাওয়া যাবে সুব্রত&#8217;র ২৪ নং মন্তব্যে। সেখানে pretension এর নির্লজ্জ display দেখতে হলে মন্তব্য ২৪ এর নীচ থেকে তৃতীয় অনুচ্ছেদ দেখুন। ভাই collectivism এর নামে আপনাদের সবাইকে কি এক ক্ষুরে মাথা মুড়িয়ে দীক্ষা দিয়েছেন আপনাদের  নেতারা? Is it some kind of party ritual?<br />
নাঈমের সহযোগী আপনাদের এই &#8216;ছোট্ট সংঘবদ্ধ গ্রুপটিকে&#8217; যতই দেখছি আমরা, ততই হতাশ হচ্ছি। রেজাউল করিম সুমনের মন্তব্যটা আবারও একটু কষ্ট করে পড়ে দেখুন। চেষ্টা করলে এবার হয়তো বুঝতে পারবেন তার লেখাটির &#8216;কনটেন্ট&#8217; বা মর্মার্থ। (রেজাউলকে দেয়া আপনার উপদেশটাই আবার আপনাকে ফিরিয়ে দিলাম)।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :ইনসিডেন্টাল ব্লগার</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-294</link>
		<dc:creator>ইনসিডেন্টাল ব্লগার</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-294</guid>
		<description>&lt;strong&gt;@শান্ত&lt;/strong&gt;
&lt;em&gt;বরং এটিকে সমালোচনা না বলে &lt;strong&gt;খালকুজ্জামানের আক্ষেপ&lt;/strong&gt; হিসাবে ধরলে ভালো হতো!! কিন্তু দেখা গেলো- পোস্টদাতা ও তার সঙ্গী-সাথীরা এটিকে শামসুর রাহমানের অপরাধ হিসাবে চিহ্নিত করার মহা অপরাধে খালেকুজ্জামানকে সাব্যস্ত করে ওনার এবং ওনার দলের চৌদ্দগোষ্ঠী উদ্ধারে ব্রতী হলেন!!!!&lt;/em&gt;

&gt;&gt;কিছু কিছু সমাজতান্ত্রিক নেতার ভাবধারায় এই &quot;আক্ষেপ&quot; জিনিসটা খুব interesting. অসাধারণ একটা euphemism ব্যবহার করলেন। শব্দটির একটা নতুন মানে দাঁড়ালো আমার কাছে এখন থেকে, ঠিক আপনাদের &quot;উপলদ্ধি&quot; আর &quot;ঘাটতি&quot;র মতো। ভালো বলেছেন। এসব শুনলেই আমাদের আবার একটু সংশয় হয় কিনা, তাই এতো কথার অবতারণা। 

আজ &#039;আক্ষেপ&#039;, কাল &#039;লেখকদেরকে পথ প্রদর্শন&#039;, পরশু &#039;উপদেশ&#039; &#039;ধমক ধামক&#039;, তারপরদিন &#039;নজরদারী&#039;, আর তারও পরের দিন &#039;সাইবেরিয়া&#039; &#039;সশ্রম নির্বাসন&#039;। আর তার পর সব শেষ - শিল্প, শিল্পী, জীবন এবং সমাজব্যবস্থা। বিশ্বনন্দিত লেখক আলেকজান্ডার সলঝেনিৎসিন গত ৪ আগস্ট শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন। সোভিয়েত শ্রমক্যাম্প নিয়ে তাঁর লেখা The Gulag Archipelago বইটা ১৯৭৩ সালে পশ্চিমা দুনিয়ায় প্রথম প্রকাশিত হয়। পড়ে নিতে পারেন। নানা বিষয়ে জানতে পারবেন - স্তালিনের সময়কাল, লেখক কবিদের উপর নজরদারী, দমন পীড়ন, লোকদেখানো অন্যায্য বিচার এবং সংশোধনমূলক নির্বাসনব্যবস্থা সম্বন্ধে। ভাবছি, আপনার দেয়া কমরেড খালেকুজ্জামানের এই &quot;আক্ষেপ&quot; তত্ত্বটি শুনলে সলঝেনিৎসিন কি বলতেন বেঁচে থাকলে?
 
কি জানি, আপনাদের অভিধানে তিনিও হয়তো আমাদেরই মতো কোন একটি &#039;সংঘবদ্ধ ষড়যন্ত্রকারী গ্রুপের&#039; অংশ যেটি বাসদ/শিবদাস/স্তালিনীয় সমাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছিল সে সময়! সত্যিই, নিজেদের আপনারা ভাবেনটা কি?</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p><strong>@শান্ত</strong><br />
<em>বরং এটিকে সমালোচনা না বলে <strong>খালকুজ্জামানের আক্ষেপ</strong> হিসাবে ধরলে ভালো হতো!! কিন্তু দেখা গেলো- পোস্টদাতা ও তার সঙ্গী-সাথীরা এটিকে শামসুর রাহমানের অপরাধ হিসাবে চিহ্নিত করার মহা অপরাধে খালেকুজ্জামানকে সাব্যস্ত করে ওনার এবং ওনার দলের চৌদ্দগোষ্ঠী উদ্ধারে ব্রতী হলেন!!!!</em></p>
<p>>>কিছু কিছু সমাজতান্ত্রিক নেতার ভাবধারায় এই &#8220;আক্ষেপ&#8221; জিনিসটা খুব interesting. অসাধারণ একটা euphemism ব্যবহার করলেন। শব্দটির একটা নতুন মানে দাঁড়ালো আমার কাছে এখন থেকে, ঠিক আপনাদের &#8220;উপলদ্ধি&#8221; আর &#8220;ঘাটতি&#8221;র মতো। ভালো বলেছেন। এসব শুনলেই আমাদের আবার একটু সংশয় হয় কিনা, তাই এতো কথার অবতারণা। </p>
<p>আজ &#8216;আক্ষেপ&#8217;, কাল &#8216;লেখকদেরকে পথ প্রদর্শন&#8217;, পরশু &#8216;উপদেশ&#8217; &#8216;ধমক ধামক&#8217;, তারপরদিন &#8216;নজরদারী&#8217;, আর তারও পরের দিন &#8216;সাইবেরিয়া&#8217; &#8216;সশ্রম নির্বাসন&#8217;। আর তার পর সব শেষ &#8211; শিল্প, শিল্পী, জীবন এবং সমাজব্যবস্থা। বিশ্বনন্দিত লেখক আলেকজান্ডার সলঝেনিৎসিন গত ৪ আগস্ট শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন। সোভিয়েত শ্রমক্যাম্প নিয়ে তাঁর লেখা The Gulag Archipelago বইটা ১৯৭৩ সালে পশ্চিমা দুনিয়ায় প্রথম প্রকাশিত হয়। পড়ে নিতে পারেন। নানা বিষয়ে জানতে পারবেন &#8211; স্তালিনের সময়কাল, লেখক কবিদের উপর নজরদারী, দমন পীড়ন, লোকদেখানো অন্যায্য বিচার এবং সংশোধনমূলক নির্বাসনব্যবস্থা সম্বন্ধে। ভাবছি, আপনার দেয়া কমরেড খালেকুজ্জামানের এই &#8220;আক্ষেপ&#8221; তত্ত্বটি শুনলে সলঝেনিৎসিন কি বলতেন বেঁচে থাকলে?</p>
<p>কি জানি, আপনাদের অভিধানে তিনিও হয়তো আমাদেরই মতো কোন একটি &#8216;সংঘবদ্ধ ষড়যন্ত্রকারী গ্রুপের&#8217; অংশ যেটি বাসদ/শিবদাস/স্তালিনীয় সমাজতন্ত্রের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছিল সে সময়! সত্যিই, নিজেদের আপনারা ভাবেনটা কি?</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :bilal</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-291</link>
		<dc:creator>bilal</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-291</guid>
		<description>কমরেড - এত বইয়ের ভাষায় আপনেরা কথা বলেন কেন? আর গালি গালাজ কোথায় হইছে বুজলাম তো না। আপনেরা কোথয় দেখলেন? গালি গালাজ দেখতে হয় তো অন্্ন কোন বলগে গিয়া দেখেন, তািলে বুজবেন কুনটা গালি গালাজ আর কোনটা নর্মাল কথাবার্তা। একটু ভািবেন।  </description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>কমরেড &#8211; এত বইয়ের ভাষায় আপনেরা কথা বলেন কেন? আর গালি গালাজ কোথায় হইছে বুজলাম তো না। আপনেরা কোথয় দেখলেন? গালি গালাজ দেখতে হয় তো অন্্ন কোন বলগে গিয়া দেখেন, তািলে বুজবেন কুনটা গালি গালাজ আর কোনটা নর্মাল কথাবার্তা। একটু ভািবেন।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :ইনসিডেন্টাল ব্লগার</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-286</link>
		<dc:creator>ইনসিডেন্টাল ব্লগার</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-286</guid>
		<description>@শান্ত
&lt;em&gt;এটাকে বলে যুক্তির প্রতি সাবমিশন। সেটাকে তখন আর সাহিত্যরুচি বলে না।&lt;/em&gt;

&gt;&gt;আপনি যে কোনটা বুঝে লেখেন, আর কোনটা যে লিখে ফেলে তারপর তা বোঝার ভান করে বাকীদেরও বোঝাবার পাঁয়তারা করেন, কিংবা কোনটা স্রেফ বোঝানোর ভাণ করে যান, বুঝতে পারিনা শান্ত। ধন্দ লাগে।

যেমন ধরুন, আপনার এই &quot;যুক্তির প্রতি সাবমিশন&quot; তত্ত্বটা একটু ব্যাখ্যা করবেন কি? কে এই তত্ত্বের প্রবক্তা? তিনি &#039;যুক্তি&#039; বলতে ঠিক কি বা কোনটাকে বুঝিয়েছেন; আর submission এর মত এমন একটি শব্দই বা তিনি কেন ব্যবহার করলেন? আপনি সত্যিই তাহলে ভাবেন আপনার বা আপনার দলের লোকদের পছন্দ অপছন্দ আসলে &#039;স্বাধীন&#039; এবং &#039;যুক্তিনির্ভর&#039;? ব্যপারটা আরেকটু বোঝাতে হবে আমাদের। আপনি বরং এই তাত্ত্বিকটির নাম ধাম জানিয়ে শুরু করতে পারেন, তাহলে বুঝতে পারবো আসলে কি বোঝাতে চেয়েছেন তিনি এবং আপনি। যতদূর জানি এসব বিষয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু interesting কাজ হয়েছে, সে সবও না হয় আলোচনা করা যাবে তখন।  

বুঝতেই পারছেন কেন জানতে চাচ্ছি। আজকাল লোকজনের মধ্যে কিছু term ব্যবহার করে ইনটেলেকচুয়ালের ভড়ং ধরার এক কৌতুককর প্রবণতা লক্ষ্য করে আসছি। কিছু জিজ্ঞেস করলেই তারা বিভিন্ন স্থান থেকে cut-paste করে উপস্থাপন করাকে &#039;আলোচনা&#039; মনে করেন। (এখানে আপনি সহ আপনার কয়েকজন সহযোগী তেমনটিই করছেন বলে মনে হল; কিংবা আমার দেখার ভুল!)। কোন কিছু quote করাটায় দোষের কিছু দেখিনা; তবে সে সব quote কে যদি মূল আলোচনার সাথে পর্যাপ্তভাবে link up করে analytical conclusion না টানা হয়, তখন পুরো ব্যপারটাকেই একধরণের pretentious প্রচেষ্টা মনে হয়, মানুষকে ইমপ্রেস করার। এসব লোকদের ক্ষেত্রে দেখেছি, ঠিক হোক বেঠিক হোক &#039;নিজস্ব&#039; কোন চিন্তাভাবনা বা বিশ্লেষণ প্রায় কখনোই থাকেনা তাদের (কি জানি তারা চাবি দেওয়া ব্রেনওয়াশড পুতুল কিনা!)। কতটুকু বুঝে আর কতটুকু না বুঝে যে তারা তাদের বক্তব্য দেন তাও বোঝার উপায় নেই (উপরে নাঈম সাহেব তার আদর্শ উদাহরণ হতে পারেন; আপনিও দেখছি তার পথ ধরেছেন!); কারণ তারা কোনো কনসেপ্ট বইয়ের ভাষায় ছাড়া নিজের ভাষায় সহজভাবে ভনিতা ছাড়া বলতে পারেন না কখনো (মোশাররফ সাহেব, সে প্রবণতা আপনার মধ্যেও কিছুটা দেখে দুঃখিত হয়েছি; নাকি সেটা articulation এর সমস্যা?)। প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে আরো দশটা প্রশ্ন ছুঁড়ে, পানি ঘোলা করে উত্তর দেন বা যাকে বলে non-answer তাই দিয়ে যান তোতা পাখির মত, সরকারী আমলাদের মত (সে প্রবণতা শান্ত&#039;র মধ্যে দেখেছি; সুব্রত&#039;র মধ্যে তো দেখেছিই, যিনি এখন পর্যন্ত অলকেশের সুনির্দিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দেননি)। 

এসব ভনিতা ভড়ং দেখতে দেখতে ক্লান্ত তো, তাই জানতে চাচ্ছি!</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>@শান্ত<br />
<em>এটাকে বলে যুক্তির প্রতি সাবমিশন। সেটাকে তখন আর সাহিত্যরুচি বলে না।</em></p>
<p>>>আপনি যে কোনটা বুঝে লেখেন, আর কোনটা যে লিখে ফেলে তারপর তা বোঝার ভান করে বাকীদেরও বোঝাবার পাঁয়তারা করেন, কিংবা কোনটা স্রেফ বোঝানোর ভাণ করে যান, বুঝতে পারিনা শান্ত। ধন্দ লাগে।</p>
<p>যেমন ধরুন, আপনার এই &#8220;যুক্তির প্রতি সাবমিশন&#8221; তত্ত্বটা একটু ব্যাখ্যা করবেন কি? কে এই তত্ত্বের প্রবক্তা? তিনি &#8216;যুক্তি&#8217; বলতে ঠিক কি বা কোনটাকে বুঝিয়েছেন; আর submission এর মত এমন একটি শব্দই বা তিনি কেন ব্যবহার করলেন? আপনি সত্যিই তাহলে ভাবেন আপনার বা আপনার দলের লোকদের পছন্দ অপছন্দ আসলে &#8216;স্বাধীন&#8217; এবং &#8216;যুক্তিনির্ভর&#8217;? ব্যপারটা আরেকটু বোঝাতে হবে আমাদের। আপনি বরং এই তাত্ত্বিকটির নাম ধাম জানিয়ে শুরু করতে পারেন, তাহলে বুঝতে পারবো আসলে কি বোঝাতে চেয়েছেন তিনি এবং আপনি। যতদূর জানি এসব বিষয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কিছু interesting কাজ হয়েছে, সে সবও না হয় আলোচনা করা যাবে তখন।  </p>
<p>বুঝতেই পারছেন কেন জানতে চাচ্ছি। আজকাল লোকজনের মধ্যে কিছু term ব্যবহার করে ইনটেলেকচুয়ালের ভড়ং ধরার এক কৌতুককর প্রবণতা লক্ষ্য করে আসছি। কিছু জিজ্ঞেস করলেই তারা বিভিন্ন স্থান থেকে cut-paste করে উপস্থাপন করাকে &#8216;আলোচনা&#8217; মনে করেন। (এখানে আপনি সহ আপনার কয়েকজন সহযোগী তেমনটিই করছেন বলে মনে হল; কিংবা আমার দেখার ভুল!)। কোন কিছু quote করাটায় দোষের কিছু দেখিনা; তবে সে সব quote কে যদি মূল আলোচনার সাথে পর্যাপ্তভাবে link up করে analytical conclusion না টানা হয়, তখন পুরো ব্যপারটাকেই একধরণের pretentious প্রচেষ্টা মনে হয়, মানুষকে ইমপ্রেস করার। এসব লোকদের ক্ষেত্রে দেখেছি, ঠিক হোক বেঠিক হোক &#8216;নিজস্ব&#8217; কোন চিন্তাভাবনা বা বিশ্লেষণ প্রায় কখনোই থাকেনা তাদের (কি জানি তারা চাবি দেওয়া ব্রেনওয়াশড পুতুল কিনা!)। কতটুকু বুঝে আর কতটুকু না বুঝে যে তারা তাদের বক্তব্য দেন তাও বোঝার উপায় নেই (উপরে নাঈম সাহেব তার আদর্শ উদাহরণ হতে পারেন; আপনিও দেখছি তার পথ ধরেছেন!); কারণ তারা কোনো কনসেপ্ট বইয়ের ভাষায় ছাড়া নিজের ভাষায় সহজভাবে ভনিতা ছাড়া বলতে পারেন না কখনো (মোশাররফ সাহেব, সে প্রবণতা আপনার মধ্যেও কিছুটা দেখে দুঃখিত হয়েছি; নাকি সেটা articulation এর সমস্যা?)। প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলে আরো দশটা প্রশ্ন ছুঁড়ে, পানি ঘোলা করে উত্তর দেন বা যাকে বলে non-answer তাই দিয়ে যান তোতা পাখির মত, সরকারী আমলাদের মত (সে প্রবণতা শান্ত&#8217;র মধ্যে দেখেছি; সুব্রত&#8217;র মধ্যে তো দেখেছিই, যিনি এখন পর্যন্ত অলকেশের সুনির্দিষ্ট প্রশ্নগুলোর উত্তর দেননি)। </p>
<p>এসব ভনিতা ভড়ং দেখতে দেখতে ক্লান্ত তো, তাই জানতে চাচ্ছি!</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :অস্মিতা</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-285</link>
		<dc:creator>অস্মিতা</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-285</guid>
		<description>#শান্ত-
&lt;strong&gt;শেষে আসমিতা তো বললেনই “.. ছত্রে ছত্রে “গণবিপ্লবের” রণহুন্কার না দেওয়া যদি কবির অপরাধ (কিংবা ঘাটতি)……….”- অথচ কোথাও কেউ দাবী করেনি যে- শামসুর রাহমানের কবিতায় বুর্জোয়া ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণবিপ্লবের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধ না হওয়াটা তার অপরাধ!!&lt;/strong&gt;

&gt;&gt;&gt;&gt;শান্ত, নীচের এই বক্তব্য তো আপনারই। নাকি &quot;আড়াল&quot; করতে চাইলেন? IBকে সাহিত্য সমালোচনার বাসদীয় পাঠ দেয়ার এক স্থানে আপনি লিখেছেন

&lt;blockquote&gt;“তারচেয়ে বরং অনেক প্রাসঙ্গিক হতো- খালেকুজ্জামানের বক্তব্যের অসারতা তুলে ধরে দেখালে। আপনি দেখিয়ে দিতেন, ধরে ধরে দেখিয়ে দিতেন - শামসুর রাহমানের লেখায় সকলপ্রকার শোষণ-মুক্তির জন্য বুর্জোয়া ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণবিপ্লবের প্রয়োজনিয়তা ছত্রে ছত্রে উপলব্ধ হয়েছে” (শান্ত-১৯)&lt;/blockquote&gt;

এ থেকে বাসদীয় প্রজ্ঞায় সিক্ত হননি যারা,  আমাদের মত সে সব সাধারণ পাঠকেরা কি বুঝে নেবে? এভাবে কি নিজের কৃতকর্ম আড়াল করা যায়?</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>#শান্ত-<br />
<strong>শেষে আসমিতা তো বললেনই “.. ছত্রে ছত্রে “গণবিপ্লবের” রণহুন্কার না দেওয়া যদি কবির অপরাধ (কিংবা ঘাটতি)……….”- অথচ কোথাও কেউ দাবী করেনি যে- শামসুর রাহমানের কবিতায় বুর্জোয়া ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণবিপ্লবের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধ না হওয়াটা তার অপরাধ!!</strong></p>
<p>&gt;&gt;&gt;&gt;শান্ত, নীচের এই বক্তব্য তো আপনারই। নাকি &#8220;আড়াল&#8221; করতে চাইলেন? IBকে সাহিত্য সমালোচনার বাসদীয় পাঠ দেয়ার এক স্থানে আপনি লিখেছেন</p>
<blockquote><p>“তারচেয়ে বরং অনেক প্রাসঙ্গিক হতো- খালেকুজ্জামানের বক্তব্যের অসারতা তুলে ধরে দেখালে। আপনি দেখিয়ে দিতেন, ধরে ধরে দেখিয়ে দিতেন &#8211; শামসুর রাহমানের লেখায় সকলপ্রকার শোষণ-মুক্তির জন্য বুর্জোয়া ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণবিপ্লবের প্রয়োজনিয়তা ছত্রে ছত্রে উপলব্ধ হয়েছে” (শান্ত-১৯)</p></blockquote>
<p>এ থেকে বাসদীয় প্রজ্ঞায় সিক্ত হননি যারা,  আমাদের মত সে সব সাধারণ পাঠকেরা কি বুঝে নেবে? এভাবে কি নিজের কৃতকর্ম আড়াল করা যায়?</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :Mosharrof</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-284</link>
		<dc:creator>Mosharrof</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-284</guid>
		<description>উল্লিখিত লেখায় যেভাবে আলোচনা হয়েছে তাতে অনেক বিষয় স্পস্ট হয়েছে। সাহিত্য মূল্যায়নে মার্কসীয় দৃষ্টিভঙ্গিকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টাও হয়েছে। ইনসিডেন্টাল ব্লগার এর যে লেখা নিয়ে এ আলোচনা এতদিন হয়েছে তাতে ইনসিডেন্টাল ব্লগার কী বুঝলেন তা একটি মূখ্য প্রশ্ন। কারণ, লেখাটিতে সাহিত্য নিয়ে বলা হলেও এবং তার মধ্যেও কনেটন্ট হিসেবে সাহিত্য বিচারে মার্কসীয় বিচারধারার প্রশ্নটি আসলেও শেষ পর্যন্ত তা বাসদের রাজনীতি ও এ দলের সাহিত্য সম্পর্কিত দৃষ্টিভঙ্গির বিরুদ্ধে একটি মতবাদিক বিরোধিতা হিসেবে লেখক আনতে চেয়েছিলেন। শান্ত&#039;র আলোচনায় বাসদের রাজনৈতিক অবস্থান (সক্রিয় কর্মী হিসেবে না থেকেও শুধুমাত্র বাহির থেকে দেখে) এতো ভালভাবে এসেছে যে তাকে অনেকেই বাসদের কর্মী হিসেবেই দেখেছেন। এটি এ কারণে বললাম যে নিরপেক্ষ বিচারধারা নিয়ে আলোচনা বাসদের কর্মীরা করতে পারেন না এমন কথাও ইনসিডেন্টাল ব্লগারের লেখাতেই উঠে এসেছিল।
যিনি কোন আলোচনার সূত্রপাত ঘটাবেন তার যদি এ ধারণা থেকে থাকে তবে আলোচনার অবকাশ কতটুকু?
সে কারণে তার লেখাকে কেন্দ্র করে যেটুকু তাচ্ছিল্য হয়েছে তা তার লেখার কনটেন্টের কারণেই যে হয়েছে তা কী বলা যায় না?</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>উল্লিখিত লেখায় যেভাবে আলোচনা হয়েছে তাতে অনেক বিষয় স্পস্ট হয়েছে। সাহিত্য মূল্যায়নে মার্কসীয় দৃষ্টিভঙ্গিকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টাও হয়েছে। ইনসিডেন্টাল ব্লগার এর যে লেখা নিয়ে এ আলোচনা এতদিন হয়েছে তাতে ইনসিডেন্টাল ব্লগার কী বুঝলেন তা একটি মূখ্য প্রশ্ন। কারণ, লেখাটিতে সাহিত্য নিয়ে বলা হলেও এবং তার মধ্যেও কনেটন্ট হিসেবে সাহিত্য বিচারে মার্কসীয় বিচারধারার প্রশ্নটি আসলেও শেষ পর্যন্ত তা বাসদের রাজনীতি ও এ দলের সাহিত্য সম্পর্কিত দৃষ্টিভঙ্গির বিরুদ্ধে একটি মতবাদিক বিরোধিতা হিসেবে লেখক আনতে চেয়েছিলেন। শান্ত&#8217;র আলোচনায় বাসদের রাজনৈতিক অবস্থান (সক্রিয় কর্মী হিসেবে না থেকেও শুধুমাত্র বাহির থেকে দেখে) এতো ভালভাবে এসেছে যে তাকে অনেকেই বাসদের কর্মী হিসেবেই দেখেছেন। এটি এ কারণে বললাম যে নিরপেক্ষ বিচারধারা নিয়ে আলোচনা বাসদের কর্মীরা করতে পারেন না এমন কথাও ইনসিডেন্টাল ব্লগারের লেখাতেই উঠে এসেছিল।<br />
যিনি কোন আলোচনার সূত্রপাত ঘটাবেন তার যদি এ ধারণা থেকে থাকে তবে আলোচনার অবকাশ কতটুকু?<br />
সে কারণে তার লেখাকে কেন্দ্র করে যেটুকু তাচ্ছিল্য হয়েছে তা তার লেখার কনটেন্টের কারণেই যে হয়েছে তা কী বলা যায় না?</p>
]]></content:encoded>
	</item>
	<item>
		<title>লিখেছেন :শান্ত</title>
		<link>http://www.nirmaaan.com/blog/wordsandbites/98#comment-282</link>
		<dc:creator>শান্ত</dc:creator>
		<pubDate>Thu, 01 Jan 1970 06:00:00 +0000</pubDate>
		<guid isPermaLink="false">http://www.nirmaaan.com/blog/?p=98#comment-282</guid>
		<description>১। প্রথমেই আসি পথের দাবী প্রসঙ্গে। অনেকেই জানাচ্ছেন- বাসদের মতে এই &quot;পথের দাবী&quot; নাকি &quot;সাহিত্য মানোত্তীর্ণ&quot;, &quot;বিপ্লবী&quot;, &quot;উচ্চাঙ্গ সাহিত্য&quot;, &quot;উন্নত সাহিত্য&quot;... ইত্যাদি। কিন্তু বাসদ কবে কোথায় এই ধরণের দাবী করেছে একটু দয়া করে জানালে কৃতার্থ হতাম।
আমি বাসদ ও এসইউসিআই এর এ সংক্রান্ত কিছু লেখনী আবারো পড়ে দেখলাম, কই সেরকম দাবী তো পেলাম না???
যেটি পেয়েছি- সেটি হলো: একটি সময়ের আলোচনা- যুগের আলোচনা। যুগটি হলো বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের যুগ। কংগ্রেসের মধ্যে দুটো গ্রুপ-- একদল স্বশস্ত্র বিপ্লবের পক্ষে (সুভাষের নেতৃত্বে), আরেকটি গান্ধীর নেতৃত্বে এর বিরুদ্ধে। সে সময় শরৎ নিসংকোচে সুভাষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন- বৃটিশদের বিরুদ্ধে স্বশস্ত্র বিপ্লবের পক্ষে যুক্তি করছেন, যারা বিপ্লবীদের সন্ত্রাসী বলছেন- বিপ্লবকে সন্ত্রাসবাদ বলে আখ্যা দিচ্ছেন- তাদের বিরুদ্ধে কথা বলছেন, এবং তিনি &quot;পথের দাবী&quot; লিখলেন- যার কেন্দ্রীয় চরিত্র বিপ্লবী গুপ্ত সংগঠনের নেতা। সব্যসাচী চরম রোমান্টিক ক্যারেক্টার মনে হতে পারে- তবে সেই যুগে  একজন জ্ঞানে, চিন্তা-ভাবনায় গভীর দরদবোধে, প্রবল দেশাত্ববোধে নানাদিক দিয়ে এমন শ্রেষ্ঠ হিসাবে এই চরিত্র সৃষ্টি- সে আমলের বিপ্লবীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়েই থাকবে। এবং এটাই সত্য যে, সরকার বেআইনী করলেও সেই যুগে ছাত্র- যুবক তরুনরা গোপনে এই বই পড়তো এবং বিপ্লবী হওয়ার স্বপ্ন দেখতো। একজন বিপ্লবীর চরিত্রে সমস্ত গুণের সন্নিবেশ ঘটানোর কারণ- ঐ যুগে বিপ্লবীদের সামনে এই সব্যসাচী চরিত্রটি অনুপ্রেরণা হিসাবেই কাজ করানো।
বাসদ পথের দাবী নিয়ে আলোচনা করলে- এটিকেই সামনে আনে বলে আমি জানি।
সাহিত্যমান বিচারে এটাকে অতুলনীয় বলতে কখনো দেখি নি- তবে যুগের প্রয়োজনের নিরীখে অতুলনীয় সৃষ্টি সবসময়ই বলেছে। অতুলনীয় এ কারণে- পুরো বৃটিশ পিরিয়ডে এমন ডিরেক্ট আর কোন উপন্যাস নেই। রবীন্দ্রনাথের চার অধ্যায়, ঘরে বাইরে উপন্যাসে উল্টো বিপ্লবীদের, স্বদেশীদের খাটো করেই চিত্রিত করা হয়েছে!! সে সময়ে অনেক রথী-মহারথী শিল্পী সাহিত্যিক ছিলেন- কিন্তু শরৎ নজরুলের মত করে এমন বৃটিশদের বিরুদ্ধে কলম ধরা লেখক খুব বেশী ছিল না।

২। পোস্টদাতা তার আলোচনায় &quot;পথের দাবী&quot; সম্পর্কে এক ধরণের মিশ্রণের কথা বলেছেন: মাসুদ রানা+দস্যু বনহুর+ কবীর চৌধুরী = পথের দাবী!!! নিখাদ সাহিত্যরস অন্বেষীর এহেন দশা দেখে মনে হয়, ভাগ্যিস বড় মাপের শিল্পী-সাহিত্যিকেরা ওনার মত ছিলেন না!!! একজন লেখক বা সাহিত্যিকের যুগ- কাল- প্রেক্ষাপট- ঐতিহাসিকতা এসব বিবেচনায় না আনলে শেক্সপীয়রের নাট্যগুলোকেও কখনো আজকের বাংলা সিনেমা- কখনো গাজাখুরী আর কখনো রূপকথাই মনে হবে বৈকি!!! আজকের সমাজে দুর্ধর্ষ স্পাই মাসুদ রানা, সুপারন্যাচারাল পাওয়ার সমৃদ্ধ হিমু পড়ে একজন যুবকের যে রোমান্টিসিজম- আর একটি পরাধীন দেশে দেশপ্রেমী-বলিষ্ঠ-সাহসী বিপ্লবী সব্যসাচী পড়ে যে রোমান্টিসিজম দুটো কি এক হলো????

৩। একটি প্রশ্ন তোলা হয়েছে যে, বাসদ কর্মীরা কেন তাদের অফিসিয়াল সাহিত্য রুচিকে নির্বিচারে মেনে নেয়?? &quot;শিবদাস ঘোষ শরৎচন্দ্রের লেখা পছন্দ করতেন। মানিক মুখোপাধ্যায়ও করেন। খালেকুজ্জামানও করেন। করেন মবিনুল হায়দার চৌধুরীও। আর তাই তাঁদের দলের আর সকলেও করেন! ...&quot;।
এখানে প্রথমেই বলে রাখি- বাসদের প্রত্যেকের সাহিত্য রুচি একরকম নয়; সকলেরই শরৎ খুব প্রিয় এটাও ঠিক নয়; ফলে এমন ঢালাও মন্তব্য ভিত্তিহীন।

তাহলে ঘটনাটি আসলে কি?

লেনিন যখন টলস্টয়কে নিয়ে আলোচনাটি করলেন- যুগকে ধরেই আলোচনা করলেন- করে দেখালেন কিভাবে টলস্টয়ের লেখায় 1861 এর ভূমি থেকে চাষীদের মুক্ত হওয়ার অধিকার প্রতিষ্ঠার পরের দ্বন্দ্বগুলো প্রভাবিত করেছে- তখন কিন্তু সেটি একটি যুক্তি। আর এই যুক্তিকে খণ্ডন করে পাল্টা যূক্তি না আসলে যে কেউই সে যুক্তিকে সঠিক হিসাবে গ্রহণ করতেই পারে। সেটিই হয়েছে। লেনিনের এমনতরো অসংখ্য যুক্তিকে দুনিয়ার দেশে দেশে একমত হয়ে মেনে নিয়েছে। এখন একজনের টলস্টয়ের চেয়ে দস্তয়ভস্কির লেখা বেশী টানতে পারে- কিন্তু টলস্টয়ের প্রসঙ্গে লেনিন যে যুক্তি করেছেন- সেটিকেও সে সঠিক মনে করতে পারে। এটাকে বলে যুক্তির প্রতি সাবমিশন। সেটাকে তখন আর সাহিত্যরুচি বলে না।

একইভাবে, বাসদের কেউ একজন শরতের ভক্ত হতে পারে যেমন- তেমনি একজন মানিকের- কেউ ইলিয়াসের- কেউ রবীন্দ্রনাথের ভক্ত হতেই পারে। সেই সাথে সাথে শরৎ মূল্যায়ন প্রসঙ্গে (এ মূল্যায়ন সাহিত্যের নিরীখের চেয়েও সমাজমনস্কতার নিরীখে) বাসদের যুক্তির সাথেও একমত পোষণ করাটাই স্বাভাবিক। ফলে- সেটাকে কিভাবে সাহিত্যরুচি বলা হবে?

এখানে আরেকটি বিষয় আছে। বাসদের একটি সিদ্ধান্ত হলো- তারা বাংলা ভাষী সাহিত্যিকদের মধ্যে নজরুল-শরৎ-বেগম রোকেয়াকে নিয়ে বিশেষভাবে মানুষের কাছে যায়। সেটার মূল জায়গা হলো এনাদের সংগ্রামী জীবনের বিশেষ দিকটি, এবং মূলত এই দিকটিকেই মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চাওয়া। কিন্তু এর মানে যদি কেউ করেন যে, অন্যদের থেকে বাসদ কর্মীরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে- সেটি সম্পূর্ণই অজ্ঞতাবশত নয়তো উদ্দেশ্য প্রণোদিত। বাসদ কখনোই রবীন্দ্রনাথ-জীবনানন্দ-মানিক-ইলিয়াস পড়তে অনুৎসাহিত করে না- বরং উৎসাহিতই করে সবসময়।</description>
		<content:encoded><![CDATA[<p>১। প্রথমেই আসি পথের দাবী প্রসঙ্গে। অনেকেই জানাচ্ছেন- বাসদের মতে এই &#8220;পথের দাবী&#8221; নাকি &#8220;সাহিত্য মানোত্তীর্ণ&#8221;, &#8220;বিপ্লবী&#8221;, &#8220;উচ্চাঙ্গ সাহিত্য&#8221;, &#8220;উন্নত সাহিত্য&#8221;&#8230; ইত্যাদি। কিন্তু বাসদ কবে কোথায় এই ধরণের দাবী করেছে একটু দয়া করে জানালে কৃতার্থ হতাম।<br />
আমি বাসদ ও এসইউসিআই এর এ সংক্রান্ত কিছু লেখনী আবারো পড়ে দেখলাম, কই সেরকম দাবী তো পেলাম না???<br />
যেটি পেয়েছি- সেটি হলো: একটি সময়ের আলোচনা- যুগের আলোচনা। যুগটি হলো বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের যুগ। কংগ্রেসের মধ্যে দুটো গ্রুপ&#8211; একদল স্বশস্ত্র বিপ্লবের পক্ষে (সুভাষের নেতৃত্বে), আরেকটি গান্ধীর নেতৃত্বে এর বিরুদ্ধে। সে সময় শরৎ নিসংকোচে সুভাষের পাশে দাঁড়াচ্ছেন- বৃটিশদের বিরুদ্ধে স্বশস্ত্র বিপ্লবের পক্ষে যুক্তি করছেন, যারা বিপ্লবীদের সন্ত্রাসী বলছেন- বিপ্লবকে সন্ত্রাসবাদ বলে আখ্যা দিচ্ছেন- তাদের বিরুদ্ধে কথা বলছেন, এবং তিনি &#8220;পথের দাবী&#8221; লিখলেন- যার কেন্দ্রীয় চরিত্র বিপ্লবী গুপ্ত সংগঠনের নেতা। সব্যসাচী চরম রোমান্টিক ক্যারেক্টার মনে হতে পারে- তবে সেই যুগে  একজন জ্ঞানে, চিন্তা-ভাবনায় গভীর দরদবোধে, প্রবল দেশাত্ববোধে নানাদিক দিয়ে এমন শ্রেষ্ঠ হিসাবে এই চরিত্র সৃষ্টি- সে আমলের বিপ্লবীদের জন্য অনুপ্রেরণা হয়েই থাকবে। এবং এটাই সত্য যে, সরকার বেআইনী করলেও সেই যুগে ছাত্র- যুবক তরুনরা গোপনে এই বই পড়তো এবং বিপ্লবী হওয়ার স্বপ্ন দেখতো। একজন বিপ্লবীর চরিত্রে সমস্ত গুণের সন্নিবেশ ঘটানোর কারণ- ঐ যুগে বিপ্লবীদের সামনে এই সব্যসাচী চরিত্রটি অনুপ্রেরণা হিসাবেই কাজ করানো।<br />
বাসদ পথের দাবী নিয়ে আলোচনা করলে- এটিকেই সামনে আনে বলে আমি জানি।<br />
সাহিত্যমান বিচারে এটাকে অতুলনীয় বলতে কখনো দেখি নি- তবে যুগের প্রয়োজনের নিরীখে অতুলনীয় সৃষ্টি সবসময়ই বলেছে। অতুলনীয় এ কারণে- পুরো বৃটিশ পিরিয়ডে এমন ডিরেক্ট আর কোন উপন্যাস নেই। রবীন্দ্রনাথের চার অধ্যায়, ঘরে বাইরে উপন্যাসে উল্টো বিপ্লবীদের, স্বদেশীদের খাটো করেই চিত্রিত করা হয়েছে!! সে সময়ে অনেক রথী-মহারথী শিল্পী সাহিত্যিক ছিলেন- কিন্তু শরৎ নজরুলের মত করে এমন বৃটিশদের বিরুদ্ধে কলম ধরা লেখক খুব বেশী ছিল না।</p>
<p>২। পোস্টদাতা তার আলোচনায় &#8220;পথের দাবী&#8221; সম্পর্কে এক ধরণের মিশ্রণের কথা বলেছেন: মাসুদ রানা+দস্যু বনহুর+ কবীর চৌধুরী = পথের দাবী!!! নিখাদ সাহিত্যরস অন্বেষীর এহেন দশা দেখে মনে হয়, ভাগ্যিস বড় মাপের শিল্পী-সাহিত্যিকেরা ওনার মত ছিলেন না!!! একজন লেখক বা সাহিত্যিকের যুগ- কাল- প্রেক্ষাপট- ঐতিহাসিকতা এসব বিবেচনায় না আনলে শেক্সপীয়রের নাট্যগুলোকেও কখনো আজকের বাংলা সিনেমা- কখনো গাজাখুরী আর কখনো রূপকথাই মনে হবে বৈকি!!! আজকের সমাজে দুর্ধর্ষ স্পাই মাসুদ রানা, সুপারন্যাচারাল পাওয়ার সমৃদ্ধ হিমু পড়ে একজন যুবকের যে রোমান্টিসিজম- আর একটি পরাধীন দেশে দেশপ্রেমী-বলিষ্ঠ-সাহসী বিপ্লবী সব্যসাচী পড়ে যে রোমান্টিসিজম দুটো কি এক হলো????</p>
<p>৩। একটি প্রশ্ন তোলা হয়েছে যে, বাসদ কর্মীরা কেন তাদের অফিসিয়াল সাহিত্য রুচিকে নির্বিচারে মেনে নেয়?? &#8220;শিবদাস ঘোষ শরৎচন্দ্রের লেখা পছন্দ করতেন। মানিক মুখোপাধ্যায়ও করেন। খালেকুজ্জামানও করেন। করেন মবিনুল হায়দার চৌধুরীও। আর তাই তাঁদের দলের আর সকলেও করেন! &#8230;&#8221;।<br />
এখানে প্রথমেই বলে রাখি- বাসদের প্রত্যেকের সাহিত্য রুচি একরকম নয়; সকলেরই শরৎ খুব প্রিয় এটাও ঠিক নয়; ফলে এমন ঢালাও মন্তব্য ভিত্তিহীন।</p>
<p>তাহলে ঘটনাটি আসলে কি?</p>
<p>লেনিন যখন টলস্টয়কে নিয়ে আলোচনাটি করলেন- যুগকে ধরেই আলোচনা করলেন- করে দেখালেন কিভাবে টলস্টয়ের লেখায় 1861 এর ভূমি থেকে চাষীদের মুক্ত হওয়ার অধিকার প্রতিষ্ঠার পরের দ্বন্দ্বগুলো প্রভাবিত করেছে- তখন কিন্তু সেটি একটি যুক্তি। আর এই যুক্তিকে খণ্ডন করে পাল্টা যূক্তি না আসলে যে কেউই সে যুক্তিকে সঠিক হিসাবে গ্রহণ করতেই পারে। সেটিই হয়েছে। লেনিনের এমনতরো অসংখ্য যুক্তিকে দুনিয়ার দেশে দেশে একমত হয়ে মেনে নিয়েছে। এখন একজনের টলস্টয়ের চেয়ে দস্তয়ভস্কির লেখা বেশী টানতে পারে- কিন্তু টলস্টয়ের প্রসঙ্গে লেনিন যে যুক্তি করেছেন- সেটিকেও সে সঠিক মনে করতে পারে। এটাকে বলে যুক্তির প্রতি সাবমিশন। সেটাকে তখন আর সাহিত্যরুচি বলে না।</p>
<p>একইভাবে, বাসদের কেউ একজন শরতের ভক্ত হতে পারে যেমন- তেমনি একজন মানিকের- কেউ ইলিয়াসের- কেউ রবীন্দ্রনাথের ভক্ত হতেই পারে। সেই সাথে সাথে শরৎ মূল্যায়ন প্রসঙ্গে (এ মূল্যায়ন সাহিত্যের নিরীখের চেয়েও সমাজমনস্কতার নিরীখে) বাসদের যুক্তির সাথেও একমত পোষণ করাটাই স্বাভাবিক। ফলে- সেটাকে কিভাবে সাহিত্যরুচি বলা হবে?</p>
<p>এখানে আরেকটি বিষয় আছে। বাসদের একটি সিদ্ধান্ত হলো- তারা বাংলা ভাষী সাহিত্যিকদের মধ্যে নজরুল-শরৎ-বেগম রোকেয়াকে নিয়ে বিশেষভাবে মানুষের কাছে যায়। সেটার মূল জায়গা হলো এনাদের সংগ্রামী জীবনের বিশেষ দিকটি, এবং মূলত এই দিকটিকেই মানুষের মধ্যে ছড়িয়ে দিতে চাওয়া। কিন্তু এর মানে যদি কেউ করেন যে, অন্যদের থেকে বাসদ কর্মীরা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে- সেটি সম্পূর্ণই অজ্ঞতাবশত নয়তো উদ্দেশ্য প্রণোদিত। বাসদ কখনোই রবীন্দ্রনাথ-জীবনানন্দ-মানিক-ইলিয়াস পড়তে অনুৎসাহিত করে না- বরং উৎসাহিতই করে সবসময়।</p>
]]></content:encoded>
	</item>
</channel>
</rss>
