{L_SKIP}

ইনসিডেন্টাল ব্লগার

ইনসিডেন্টাল ব্লগার


সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

মূল ধারার সংবাদ মাধ্যমগুলোর বেশীরভাগের ভূমিকায় অনেকটা নিরাশ হয়েই Words & Bites -এ লিখতে শুরু করেন "ইনসিডেন্টাল ব্লগার" ছদ্মনামে।

ইমেইল

ওয়েবসাইট

যা খুঁজছেন


শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

লিখেছেন: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ১২ জুলাই ২০০৮, শনিবার

কবি শামসুর রাহমানের মৃত্যুর পর কলকাতা থেকে প্রকাশিত দ্বি‌-মাসিক “পথিকৃৎ”-এর পক্ষ থেকে প্রয়াত কবির উপর একটি বিশ্লেষণধর্মী লেখা ছাপাবার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। লেখাটি চাওয়া হয়েছিল বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল - বাসদ-এর আহ্বায়ক কমরেড খালেকুজ্জামানের কাছে। কমরেড জামান-কৃত কবির মূল্যায়নটি পড়তে হলে এই লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন। সুন্দরভাবে টাইপ করা তথ্যসমৃদ্ধ মূল্যায়নটি পড়ে আমার মনে কিছু প্রশ্ন জেগেছে, যে কারণে এই ব্লগ লেখা। শুরুতে বুঝতে পারিনি যে লেখাটি এত দীর্ঘ হয়ে যাবে; তাই পাঠকের কাছে অগ্রিম ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি তাঁদের অনেকটা সময় নিয়ে নেয়ার জন্য।

আমার জানা নেই কমরেড খালেকুজ্জামানের সাহিত্য সমালোচনার কোনো প্রশিক্ষণলব্ধ যোগ্যতা (যেমন: সাহিত্যে উচ্চতর ডিগ্রি), কিংবা প্রাতিষ্ঠানিক অভিজ্ঞতা (যেমন: দীর্ঘদিন কোনো পত্রিকার সাহিত্য পাতা সম্পাদনার সাথে সম্পৃক্ততা), কিংবা একজন সাহিত্যিক বা সাহিত্য সমালোচক হিসেবে সর্বজনগ্রাহ্যতা আছে কিনা। ধরে নিতে হচ্ছে, এই তিন দলের অন্তত যে-কোনো একটির মধ্যে তিনি পড়েন; আর তা নাহলে কেনই-বা “পথিকৃৎ” নামের এই সাহিত্য পত্রিকাটি তাঁর কাছেই কবি শামসুর রাহমানের মূল্যায়ন চাইবে ? আর যদি তিনি এই তিনটি দলের কোনোটির ভেতরই না পড়েন, তখন পুরো বিষয়টিকেই একটু অন্যভাবে দেখার অবকাশ থাকে বৈকি। এ প্রসঙ্গে বলে রাখা দরকার, “পথিকৃৎ” পত্রিকার এই মূল্যায়ন চাওয়ার বিষয়টিও কিছুটা কৌতূহলোদ্দীপক। কেন একটি সাহিত্য পত্রিকা একজন অসাহিত্যিকের কাছ থেকে শামসুর রাহমানের মূল্যায়ন চাইবে, সে বিষয়টা আমার এবং আরো অনেকের কাছেই পরিষ্কার নয়। একজন কবি, তা-ও শামসুর রাহমানের মাপের একজন কবি কোনো দেশ, কাল বা সীমানার মধ্যে আবদ্ধ থাকেন না; কোনো দল বা মতাদর্শের মধ্যে তো নয়ই। তাঁর মতো কবিরা পৃথিবীর সম্পদ। তাঁকে নিয়ে মূল্যায়নধর্মী কাজ দাঁড় করানোর মতো প্রয়োজনীয় মাল-মশলা-তথ্যাদি পশ্চিমবঙ্গে দুর্লভ নয়। আমার জানা মতে, পশ্চিমবঙ্গে শামসুর রাহমানের প্রায় সমস্ত কবিতার বই-ই পাওয়া যায়। “পথিকৃৎ” পত্রিকা যদি নিউ ইয়র্ক কিংবা ব্রাসেলসের হতো, তাহলেও কথা ছিল। এও ধরে নিতে পারি যে, “পথিকৃৎ”-এর সদস্যরা পড়তে লিখতে পারেন এবং সাহিত্য বিষয়ে যথেষ্ট আগ্রহ-ও ধারণ করেন। সুতরাং এত কিছু থাকতে কেন যে তারা জনৈক অসাহিত্যিক রাজনৈতিক নেতার মতামত জানতে এত আগ্রহী হলেন, সে বিষয়ে যত ভাবি, ততই বিস্মিত হই।

যাই হোক, মূল্যায়নটিকে একটু কাছ থেকে দেখার চেষ্টা করা যাক। আলোচনার সুবিধার্থে ব্লগপোস্টটিকে দুই ভাগে বিভক্ত করে নিচ্ছি। প্রথমভাগের আলোচনাটি কমরেড জামানের মূল্যায়নটির সুনির্দিষ্ট বক্তব্যনির্ভর, পাঠকের সুবিধার্থে মূল্যায়নটির কিছু কিছু অংশ সেখানে সরাসরি উদ্ধৃত। পাশাপাশি, যেখানে প্রাসঙ্গিক মনে হয়েছে, সেখানে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে সাম্প্রতিক কিছু উদাহরণ তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। দ্বিতীয় অংশটি বৃহত্তর দৃশ্যপট নিয়ে, যেখানে চেষ্টা করেছি সমাজতান্ত্রিক দল এবং আদর্শকে ঘিরে আবর্তিত “পার্টি সাহিত্যে”র ধারণা এবং আনুষঙ্গিক কিছু বিষয়ের ওপর আলোকপাত করার।

এক.

কমরেড খালেকুজ্জামান তাঁর নিবন্ধের এক জায়গায় লিখেছেন:

বিনীত, মার্জিত, মৃদুভাষী কবি শামসুর রাহমান বিশ্বাস করতেন ‘কবিতা মানুষের মনকে পরিশীলিত করে।’ এটা ঠিক যে কবিতার ছন্দ মানুষের মনকে দোলায়িত করে। কিন্তু কবিতার গাঁথুনির মধ্যে যে কাব্যভাব লুকিয়ে থাকে এবং যে ভাব-চেতনা পাঠক শ্রোতাদের মনে আবেগ-আবেশ, অনুভূতি-প্রেরণা, শিক্ষা ও সংস্কৃতি সুরের দ্যোতনা সৃষ্টি করে - শ্রেণীতে ভাগ করা সমাজে কবি কিংবা পাঠক কেউ-ই কাব্যভাবের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ওই শ্রেণীপ্রভাব থেকে মুক্ত থাকতে পারেন না। এ বিষয়ের সঠিক উপলব্ধি যে খুব জরুরি তাঁর লেখায় সেটি তেমন তীক্ষ্ণভাবে ফুটে ওঠেনি। [গুরুত্বারোপ লেখকের]

আধুনিক কবি হিসেবে শামসুর রাহমানের কবিতা যে ছন্দনির্ভর নয়, সে কথা না-ই বা তুললাম। [১৮ নং মন্তব্যের বিপরীতে লেখকের প্রত্যুত্তর দ্রষ্টব্য]। আর আধুনিক কবিতার পাঠকের কাছে কবিতার আবেদনের পেছনে যে ছন্দই প্রধান নয়, কমরেড খালেকুজ্জামানের মতো একজন বোদ্ধা পাঠককে সেটি মনে করিয়ে দেয়া হয়তো একটু ধৃষ্টতাই হয়ে যাবে। সুতরাং সে চেষ্টাও করবো না। কিন্তু যে বিষয়টা আমাদের অবাক করে, তা হল, একজন ক্ষমতাবান কবি হিসেবে শামসুর রাহমানের মানব মনোজগতে অবদান কমরেড জামানের কাছে যথেষ্ট নয়। কারণ, তিনি মনে করেন কাব্যভাবনার অন্তরালে শামসুর রাহমানের বুকের খাঁচায় শেষ পর্যন্ত একটি বুর্জোয়া-হৃদয়ই স্পন্দিত হয়।

অভিজ্ঞতা থেকে দেখেছি, বন্ধুমহলের সমাজতন্ত্রীদের কাছে এই “শ্রেণীপ্রভাব” শব্দটি খুব প্রিয়। এটি তাঁরা প্রায়শই একটি মোক্ষম অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করে থাকেন। তাঁদের অমোঘ বিচারে কখন যে কে শ্রেণীদোষে দুষ্ট হয়ে যাবেন, সেটা বলা খুব মুশকিল। তাত্ত্বিক নই, সুতরাং আমার কাছে পুরো বিষয়টিই একটু গোলমেলে ও ধোঁয়াটে ঠেকে বৈকি। যাই হোক, যখন দেখি কবি শামসুর রাহমানের মত মানুষও কোনো কোনো মূল্যায়নকারীর রায়ে শ্রেণীদোষে দুষ্ট হন তখন স্বাভাবিকভাবেই মনে প্রশ্ন জাগে — কী এই “শ্রেণীপ্রভাব” ? কিসের ভিত্তিতে এর নিরূপণ হয়? যিনি রায় দিচ্ছেন, তিনি নিজে কোন শ্রেণীর মাঝে দাঁড়িয়ে কোন অধিকার বলে দিচ্ছেন সে রায় ? তাতে কতটা বস্তুনিষ্ঠতা আর কতটাই-বা গোঁড়ামিপ্রসূত পক্ষপাতদুষ্টতা? কতটা আদর্শের তাগিদ আর কতটা দলীয়কর্মী ও অনুসারীদের মন মানস নিয়ন্ত্রণের ধান্দাবাজি ? কতটা সততা আর কতটা ফন্দিবাজি ?

অপর এক স্থানে কমরেড খালেকুজ্জামান লিখেছেন:

(শামসুর রাহমান) বলতেন, “আমি ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যে বিশ্বাস করি, আর ব্যক্তির বিকাশ, তার সৃজনশীল বিকাশের প্রতিও আমি বিশ্বাসী, এবং এ পৃথিবীর সব মানুষের কল্যাণ হোক এবং মানুষ প্রগতির দিকে এগিয়ে যাক — এ বিশ্বাস আমার আছে।” তিনি আরও বলেছেন, “আমি তেমন একটি সমাজে স্বস্তি বোধ করবো যেখানে মানুষকে অনাহারে থাকতে হবে না, মানুষের পরার কাপড় থাকবে, খাবারের নিশ্চয়তা থাকবে এবং তার ব্যাক্তিত্ব ক্ষুণ্ন হবে না - এরকম সমাজে আমি থাকতে পছন্দ করবো যে সমাজ শোষণহীন এবং যেখানে দারিদ্র্যের নিপীড়নে মানুষ মারা যাবে না, এবং তার ব্যক্তিসত্তাটা ক্ষুণ্ন হবে না।” কবির এই সুন্দর চাওয়টা মহৎ। কিন্তু এ নিয়মশাসিত জগতে নিয়মের অনুশাসনের বাইরে কোন কামনা তা যত মহৎই হোক - বাস্তবে রূপ নেবার কোন পথ নেই। [গুরুত্বারোপ লেখকের]

মূল্যায়নকারীকে ধন্যবাদ জানাতে হচ্ছে শামসুর রাহমানের উক্তিটি তুলে ধরার জন্য। ব্যক্তি শামসুর রাহমানের সাধারণ মানুষের প্রতি অকপট ভালোবাসাই স্পষ্ট হয় এতে। এতে একদিকে যেমন অভুক্ত বস্ত্রহীন মানুষের জন্য প্রকাশ পেয়েছে কবির শোষণহীন সমাজ প্রতিষ্ঠার স্বপ্ন, তেমনি রয়েছে তাদের ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য ও ব্যক্তিত্বের বিকাশ কামনা করার মতো যথেষ্ট শ্রদ্ধা ও মানবতাবোধ, যা দিন দিন বিরল থেকে বিরলতর হয়ে উঠছে এদেশের সৃজনশীল মানুষদের মধ্যে; একালের লেখকদের মধ্যে তো বটেই।

আজ বাংলাদেশের চরম দুর্দিনের কথাটাই ধরা যাক। সরকারের অব্যবস্থার কারণে সাধারণ মানুষ নিত্য-প্রয়োজনীয় চাল ডালটুকু পর্যন্ত কিনতে পারছে না। ছোট্ট শিশুরা স্কুল ফেলে চালের জন্য লাইনে; দিনমজুর তার জীবিকা ফেলে রেখে খাবারের জন্য লাইনে — যদি সস্তায় দু’মুঠো অন্ন জোটে (একেবারে আক্ষরিক অর্থেই), সে আশায়। মাঝে মাঝে মনে হয়, এমন দিনে কবি হয়তো চুপ থাকতে পারতেন না; যেমনটি তিনি থাকেননি তাঁর সারাজীবন। দুঃখের বিষয় হল, এমন দুর্দিনে কমরেড খালেকুজ্জামান কিংবা তাঁর দলের পক্ষ থেকে দেশবাসীর পাশে অর্থবহভাবে দাঁড়ানোর কোনো লক্ষণ আমাদের চোখে পড়েনি। উল্টো তাঁদের দেখেছি এই সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারকে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদ জুগিয়ে যেতে গত দেড়টি বছর ধরে। (এ বিষয়ে আরো বিস্তারিত একটা পোস্ট লিখবো সময় পেলে)। তাঁর দলের অনেকেই শুনি আজ খুশিতে আত্মহারা — কারণ, বুর্জোয়ারা নাকি এ যাত্রায় বাকি বুর্জোয়াদের কেটে-ছেঁটে নিশ্চিহ্ন করে দিচ্ছে এবং এতে করে নাকি তাঁদের দলের খুব লাভ হচ্ছে - কারণ, বিভিন্ন জেলায় নাকি আজ হাজার হাজার নতুন কর্মী বাসদে নাম লেখাচ্ছে। সে কর্মীদের আদর্শিক চেতনার মান, কিংবা স্থিরতা কতটুকু, সে প্রশ্ন না হয় না-ই বা তুললাম। আসল ঘটনা কী ঘটছে সেখানে, তা দলের নেতা কমরেড জামান নিশ্চয়ই জানেন; আমারাও যে তা কম-বেশি জানি না তা কিন্তু নয়। আর এই নীরবতা এবং সেনা সমর্থনের রহস্য যে সাধারণ মানুষ অনুমান করতে পারে না, তাও নয়। কারো মতে এটা ক্ষমতার লোভ। আবার কেউ মনে করেন এটা দলের দিক থেকে হঠাৎ উপলব্ধি, যে, এ যাত্রায় কোরেশীদের সাথে লেগে থাকতে পারলে ভাগ্যের ফেরে ক্ষমতার শিকেটা ছিঁড়ে তার কিছু ভাগ পাওয়া গেলেও যেতে পারে। ['আঁতাত' এবং 'কোরেশী' বিষয়ে লেখকের মন্তব্য-প্রত্যুত্তর ৭ এবং ৪৩ দ্রষ্টব্য; আরো দেখুন ৩৪, ৩৮-৪‌০‌ এর বিপরীতে লেখকের প্রত্যুত্তর]।

আরেক স্থানে খালেকুজ্জামান লিখেছেন:

এক্ষেত্রে শোষণমুক্ত কল্পনার রাজ্য তথা কাল্পনিক সমাজতন্ত্রের অসার অসংগতিপূর্ণ ধারণার বদলে ইতিহাস নির্ধারিত বিজ্ঞানসম্মত বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের ভাবাদর্শের মাধ্যমে কীভাবে সত্যিকার মানবমুক্তি, শোষণমুক্তির পথ রচিত হয়ে আছে সে বিষয়ে শামসুর রাহমানের সঠিক উপলব্ধির ঘাটতির কারণে তিনি বর্তমান সময়ের দুঃখ-জ্বালা, শাসকশ্রেণীসহ সকল প্রতিক্রিয়াশীল শ্রেণীর শোষণ-পীড়ন-নির্যাতনে ক্ষত-বিক্ষত হলেও, মানবিক প্রেমে-আবেগে নৈসর্গিক সৌন্দর্যে সকলকে উদ্বেলিত করতে পারলেও, সকল শোষণ-পীড়ন থেকে মুক্তির আরও সুন্দর ভবিষ্যতের সঠিক দিশা তুলে ধরতে অসমর্থ হয়েছেন। . . . যথার্থ গণমুক্তির জন্য বুর্জোয়া ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণবিপ্লবের প্রয়োজনীয়তা তাঁর উপলব্ধিতে ধরা পড়েনি। [গুরুত্বারোপ লেখকের]

কাউকে কোনো কাজে ব্যর্থ আখ্যা দেয়ার আগে যে বিষয়টা সর্বাগ্রে বিবেচ্য তা হল — সে কাজটা তার ওপর অর্পিত দায়িত্বের অন্তর্ভুক্ত ছিল কিনা। যতদূর বুঝি, জবাবদিহিতার ব্যাকরণে সেটাই হল প্রথম পাঠ। সুতরাং প্রশ্ন হল, ‘সুন্দর ভবিষ্যতের সঠিক দিশা’ তুলে ধরা কি কবি শামসুর রাহমানের নিয়মিত দায়িত্বের অংশ ছিল যে তাঁকে সে দায়িত্বে ব্যর্থতার জন্য দায়ী করা হচ্ছে আজ ? সবকিছু, এমনকি সমাজ পরিবর্তনের সঠিক ‘দিশা’-টুকুও যদি কবিকেই দিয়ে যেতে হয়, তাহলে কমরেড খালেকুজ্জামানের মতো বিচক্ষণ ও ত্যাগী নেতারা এবং তাঁদের বিপ্লবী দল কী করবে? এখানে মনে রাখতে হবে কমরেড জামানের দল বাসদের নেতাদের ভরণপোষণ থেকে শুরু করে সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার অর্থ আসে জনগণের কাছ থেকে, গণচাঁদার আকারে। সুতরাং অজান্তেই জনগণের ট্রাস্টির ভূমিকায় কমরেড খালেকুজ্জামান ও তাঁর দল অধিষ্ঠিত হয়ে আছেন, প্রয়াত কবি শামসুর রাহমান নন। আর জনগণ থেকে অর্থ নিয়ে সেই ট্রাস্টির দায়িত্ব বাসদের মতো বড় একটি সমাজতান্ত্রিক দল গত দেড় বছরে কতটুকু পালন করেছে জনগণের দুর্দিনে পাশে দাঁড়িয়ে ‘সঠিক দিশা’ দেয়ার ক্ষেত্রে, তার বিচারও জনগণ সময়মতো করবে, সে বিশ্বাস আমাদের আছে। সুতরাং অন্যের দায়িত্বের মূল্যায়নের আগে নিজেদের দায়িত্বে অবহেলা বা ব্যর্থতাগুলো কি একটু খতিয়ে দেখার সময় আসেনি কমরেড খালেকুজ্জামানের মতো একজন তীক্ষ্ণধী মূল্যায়নকারীর ?

অনেকটা বলতে বাধ্য হচ্ছি, বাসদের মতো দলের “ইতিহাস নির্ধারিত বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের ভাবাদর্শের” পথে চলার নমুনা যদি হয় স্বৈ‌র-সামরিক সমর্থনপুষ্ট আমলানির্ভর সরকারের তাঁবেদারি — যে সরকার কিনা শুরু থেকেই জনবিরোধী, গণতন্ত্র ও রাজনীতি বিরোধী, রাজনৈতিক প্রক্রিয়াবিরোধী, মানবাধিকার বিরোধী, প্রতিক্রিয়াশীল, সংবিধানবিরোধী এবং সর্বোপরি উন্নয়নবিরোধী — তখন বুঝি আমাদের অবাক হবার ক্ষমতাও লোপ পায় ! জামান সাহেব এবং তাঁর দলের সমর্থনপুষ্ট এই সরকারের বিরুদ্ধে যে অভিযোগগুলো এইমাত্র করলাম তার পক্ষে অগুনতি উদাহরণ দাঁড় করাতে পারি, নিকট অতীত থেকেই। যেমন: এই সরকার অজুত শ্রমিককে পথে বসিয়েছে; তাদের হাতে পাটগার্মেন্ট শ্রমিকদের নীপিড়ন‌-নির্যাতনের কথা না হয় বাদই দিলাম। এই সরকার মত প্রকাশের স্বাধীনতার টুঁটি চেপে ধরেছে (ডিজিএফআই কর্তৃক তাসনীম খলিলের উপর নির্যাতন, ইন্টারনেট, পত্রিকা ও টিভি চ্যানেলগুলোর উপর সরকারের খবরদারি)। এই সরকার মৌলবাদী শক্তির সাথে আপোস করেছে (আরিফের কার্টুন, নারীনীতি)। এই সরকার সংখ্যালঘু জাতিসত্তার ন্যূনতম বাঁচার এবং জীবিকার অধিকারটুকুও কেড়ে নিয়েছে (মধুপুর বনের গারো নেতা চলেশ রিচিল হত্যা, পার্বত্য চট্টগ্রামের ‘সাজেক’ -এ অনাচার, অলকেশ চাকমা এবং আরো চারজনের অপহরণ)। দ্রব্যমূল্যের অস্বাভাবিক ঊর্ধ্বগতি, রেকর্ড মুদ্রাস্ফীতি, খাদ্য ও বিদ্যুৎ সংকট — সব মিলিয়ে এই সরকারের সময় মানুষের খেয়েপরে বেঁচে থাকাই এক কঠিন অস্তিত্বের সংগ্রামে পরিণত হয়েছে। আর যে যতই মিথ্যা এবং আইনি তত্ত্বের প্রলেপ দেয়ার চেষ্টা করুক না কেন, এই সরকারের না আছে সাংবিধানিক বৈধতা, না আছে আইনের শাসন, মানবাধিকার এবং সংবিধানের প্রতি কোনো শ্রদ্ধাবোধ। দেশের সাধারণ মানুষ মাত্রেই দেখেছেন হাই কোর্টের রায়গুলো কি বিচিত্র ফর্মুলায় সুপ্রীম কোর্টে গিয়ে একের পর এক উল্টে গেছে গত দেড়টি বছর। ইদানীং আবার তারেক জিয়াদের মতো বড় বড় দুর্নীতিবাজদের নিরাপদে বিদেশে পাচার করার জোর পাঁয়তারা চলছে। এ নিয়ে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লেখা যেতে পারে। প্রশ্ন হল, বাসদের মতো দলটির কি এসব বিষয় অজানা ? আমার বিশ্বাস তাঁরা এ বিষয়গুলো আমাদের মতো সাধারণ নাগরিকদের চেয়ে অনেক ভালো জানেন এবং বোঝেন। কে জানে, তাঁদের “ইতিহাস নির্ধারিত বিজ্ঞানসম্মত বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের ভাবাদর্শের” শিক্ষা হয়তো এভাবেই ‘জনগণের রাজনীতি’ চালিয়ে যাবার দিক নির্দেশনা দেয় আজকাল ‌ (যার মোদ্দা কথা সামরিক সরকারের তাঁবেদারি এবং জনগণের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা )। প্রয়াত কবি শামসুর রাহমান অন্তত, যতদূর জানি, জীবনে কোনোদিন জনগণের বিপরীতে দাঁড়িয়ে স্বৈর সামরিক সরকারের তাঁবেদারি করেননি। সন্ত জন-এর গসপেল‌-এ একটি কথা আছে : let him who is without sin cast the first stone. সেই বিচারে কমরেড খালেকুজ্জামানের কতটুকু নৈতিক ঊর্ধ্বাবস্থান আছে কবি শামসুর রাহমানের সমাজ-রাজনৈতিক মানস বিচারের, সে বিষয়ে যথেষ্ট সন্দেহের অবকাশ থাকে। আমি জানি, কমরেড জামানের নেতৃত্বাধীন বাসদের গত দেড় বছরের রাজনৈতিক ভূমিকার এই বয়ান কারো কারো কাছে প্রসঙ্গবহির্ভূত মনে হতে পারে। কিন্তু এই তুলনামূলক আলোচনাটির দরকার ছিল কবির রাজনৈতিক ভূমিকার মূল্যায়নকারীদের দলীয় রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট এবং স্বীয় অবস্থান আরো ভালোভাবে বোঝার জন্য।

আরেকটা বিষয় না বললেই নয়। কবি শামসুর রাহমানের মতো একজন মানবতাবাদী সংবেদনশীল মানুষ যখন শোষণহীন সমাজের আবেগ ও স্বপ্নকে লালন করেন, তার মধ্যে একধরণের সারল্য এবং সততা থাকে। তাঁর নির্জলা চিন্তা এবং চাওয়ার মধ্যে আমাদের চেনাজানা বহু তত্ত্ববাগীশদের চর্চিত বাগাড়ম্বরি ভেক নেই। কে জানে, হয়তো সেটাই হয়েছে শামসুর রাহমানের মতো মানুষদের সবচাইতে বড় অপরাধ — যার জন্য তাঁর সহজসরল স্বপ্নগুলোও আজ আখ্যায়িত হয় “শোষণমুক্ত কল্পনার রাজ্য” কিংবা “কাল্পনিক সমাজতন্ত্রের অসার অসংগতিপূর্ণ ধারণা” হিসেবে।

দুই.

অন্যদের কথা জানি না , তবে আমার কেন জানি মনে হয়, এই পুরো মূল্যায়নপ্রচেষ্টার মধ্যেই কোথায় যেন একধরণের ধৃষ্টতারও আভাস রয়েছে; সাধারণ শিষ্টাচারবোধের অভাব তো বলাই বাহুল্য। এ কারণেই জরুরি হয়ে পড়ে আরেকটু গভীর বিশ্লেষণ। সেই সঙ্গে খুঁজে দেখতে হয় পুরো ব্যাপারটার মধ্যে ধৃষ্টতার বাইরেও সমাজতান্ত্রিক আদর্শের বদহজমজনিত কোনো জটিলতর রোগের লক্ষণ রয়েছে কিনা। ভেবে দেখতে হয় এর মধ্যে কোনো সাধারণ ছক বা প্যাটার্নের পুনরাবৃত্তি ঘটছে কিনা যা বহুদিন ধরে চলে আসা কোনো অচলায়তন কর্ম ও চিন্তাপদ্ধতিকে প্রতিফলিত করে। ভাবতে ভাবতে মনের কোণে কয়েকটি উদাহরণ ভেসে উঠল; তার কোনো কোনোটা নিকট অতীতের, কোনোটা অর্ধ শতকেরও বেশি আগের।

সোভিয়েত লেখক মিখাইল শলোখভ এর কথাই ধরা যাক, যিনি ১৯৬৫ সালে সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার পেয়েছিলেন তাঁর কালজয়ী উপন্যাস “ধীরে বহে ডন”- এর জন্য। সারা পৃথিবী যখন তাঁর প্রতিভায় শ্রদ্ধাবনত, তাঁর নিজের দেশে তখন তিনি সম্মুখীন হয়েছেন একের পর এক হয়রানির। তাঁর অপরাধ হল : ডন নদীতীরের মানুষদের নিয়ে লেখা এ উপন্যাসের মূল চরিত্র “গ্রিগরি মেলেখভ” — যাকে শলোখভ সৃষ্টি করেছেন গভীর মমতা ও যত্ন নিয়ে — একজন অকমিউনিস্ট কসাক। কমিউনিস্ট পার্টির কর্তাব্যক্তিরা এতে অত্যন্ত নাখোশ হন। এর পেছনে তাঁরা শলোখভের সাম্যবাদী আদর্শের প্রতি নিষ্ঠার অভাব দেখতে পান। ফলতঃ জীবদ্দশায়ই তাঁর উপন্যাস সোভিয়েত কর্তৃপক্ষের সেন্সরশিপের জাঁতাকলে পিষ্ট হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে এমনও অপবাদ ছড়ানো হয়েছে যে পুরো উপন্যাসটিই শলোখভ আসলে অন্যের কাছ থেকে চুরি করেছেন। সবচেয়ে বিস্ময়কর ব্যপার হল, কোনো এক স্থানীয় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিচালককে দায়িত্ব দেয়া হয়েছিল তাঁর লেখার সাহিত্যিক এবং আদর্শিক মান বিচার করে (!) তাঁর বিরুদ্ধে “প্রয়োজনীয়” ব্যবস্থা গ্রহণের। সব প্রচেষ্টা যখন ব্যর্থ হয়েছে, তখন এমনকি শলোখভকে বিষ খাইয়ে হত্যা করারও চেষ্টা হয়েছে; হয়েছে শল্য চিকিৎসার সাজানো নাটকের মাধ্যমে অপারেশন টেবিলে হত্যার ষড়যন্ত্র; হয়েছে নিরাপত্তা-গোয়েন্দা সদস্যদের দিয়ে তাঁকে গ্রেফতারের সময় “পালানোর চেষ্টার অভিযোগ” তুলে গুলি করে মেরে ফেলার ষড়যন্ত্র। ভাগ্যক্রমে, কিছু উচ্চপদস্থ শুভানুধ্যায়ী (যাঁদের একজন ছিলেন যোসেফ স্তালিন) থাকাতে শলোখভ শেষ পর্যন্ত প্রাণে বেঁচে গিয়েছিলেন। কিন্তু এতো আজ কারো অজানা নয় যে সে সময়ের বাকি অজস্র লেখক-কবি-সাহিত্যিকদের সবার সেই সৌভাগ্য হয়নি। আদর্শিক শুদ্ধি অভিযানের নামে তাদেরকে দেয়া হয়েছে সাইবেরিয়ায় যাবজ্জীবন সশ্রম নির্বাসন, কারণ কর্তৃপক্ষের বিচারে তাদের লেখা যথেষ্ট “লাল” ছিল না। আগের কথায় ফিরে আসি। কোনোমতে প্রাণে বেঁচে গেলেও সারাজীবন শান্তি পাননি শলোখভ। সমাজতান্ত্রিক আদর্শের ধ্বজাধারী কিছু পার্টি কর্মকর্তা তাড়া করে ফিরেছে তাঁকে সোভিয়েত রাষ্ট্রের এ প্রান্ত থেকে সে প্রান্ত — যারা আদপে ছিল গোঁড়া, কূপমণ্ডুক, মৌলবাদী, এবং বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই সাহিত্যের মান বিচারের ক্ষমতা ও যোগ্যতাহীন। এসব দেখে মনে হয়, কবি শামসুর রাহমানের সাত পুরুষের ভাগ্য যে তিনি সোভিয়েত রাশিয়ায় জন্মাননি; সম্ভবত এটাও কবির পরম ভাগ্য — তিনি কোনো “সমাজতান্ত্রিক” বাংলাদেশে জন্মাননি যার রাষ্ট্রক্ষমতায় কমরেড জামানের মত মূল্যায়নকারীরা।

কাছের বন্ধুদের অনেকেই এ ধারার রাজনীতির সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থাকায় কিছু জিনিস খুব কাছ থেকে দেখার সৌভাগ্য হয়েছে। পেছন ফিরে দেখলে এখন বুঝতে পারি, পরিচিত অনেকের মধ্যেই একচোখা “সমাজতান্ত্রিক মূল্যায়নের” এসব লক্ষণ কমবেশি সবসময়ই ছিল। অন্যান্য দলগুলোর কথা জানি না, তবে পরিচিতদের অনেকেই সদস্য ছিল কমরেড জামানের বাসদ ও এর ছাত্র সংগঠন সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের। ওদের কাছ থেকেই শুনেছি কীভাবে দলের বিভিন্ন পাঠচক্র থেকে শুরু করে সাধারণ আলোচনায় এক ধরণের সীমিত এবং একপেশে দৃষ্টিভঙ্গির চর্চা চলে আসছিল বহুদিন ধরে। যেমন সাহিত্যের কথাই ধরা যাক — দলের চোখে রবীন্দ্রনাথের চেয়ে শরৎচন্দ্র অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ লেখক ছিলেন। কারণ, দু’জনেই পেটি বুর্জোয়া হলেও প্রথমজন দলের চোখে আপোসকামী ধারার প্রতিনিধি এবং পরের জন সংগ্রামী ধারার। এই পক্ষপাতের মূল কারণ হিসেবে শরৎচন্দ্রের “পথের দাবী” উপন্যাসটি প্রায়ই আলোচনায় আসতো, যেটির অবস্থান ছিল পার্টির সুপারিশকৃত পাঠ্যতালিকায় উপরের দিকে। যতদূর শুনি, সেই তালিকার কোনো মৌলিক পরিবর্তন হয়নি এতদিন পরও। প্রিয় পাঠক, আপনারা যদি উপন্যাসটি না পড়ে থাকেন, তবে অনুরোধ করব চট করে পড়ে নেবার। ছোট্ট একটি সূত্র দিচ্ছি — এক গেলাস মাসুদ রানা ( কাজী আনোয়ার হোসেনের “দূর্দান্ত দুঃসাহসী স্পাই,” যে কিনা “গোপন মিশন নিয়ে ঘুরে বেড়ায় দেশ দেশান্তরে”!), এক মুঠো কবির চৌধুরী (একই লেখকের সৃষ্ট পাগল বৈজ্ঞানিকের চরিত্র), সেইসাথে এক চিমটি বনহুর (রোমেনা আফাজের সৃষ্ট রমণীমোহন সেই দস্যুচরিত্র) ‌‌- এই সবগুলো উপাদানকে যদি একপাত্রে মিশিয়ে নিতে পারেন তাহলে যে অদ্ভুত জগাখিচুড়িটি পাবেন সব মিলিয়ে তা “পথের দাবী”র মতো তথাকথিত এই সংগ্রামী উপন্যাসটির চেয়ে দূরবর্তী কিছু নয়। উপন্যাসটির মান কিংবা এতে সৃষ্ট চরিত্রগুলো নিয়ে আমি আর কোনো মন্তব্য করতে চাই না। বিচিত্র এই সংমিশ্রণটির সাহিত্যিক গুণাগুণ বিচারের ভার আমি বরং বোদ্ধা পাঠকের হাতেই ছেড়ে দিচ্ছি। সাহিত্য হিসেবে সাধারণ বিচারের পাশাপাশি এমনকি শরৎচন্দ্রেরও অন্যান্য লেখার বিপরীতে “পথের দাবী” উপন্যাসটির মান কী দাঁড়ায় তুলনামূলক বিচারে তা‌ও বিবেচনা করার অনুরোধ ও আহ্বান রইলো পাঠকের প্রতি।

প্রশ্ন সেখানে নয়। প্রশ্ন হল, কোনো সাহিত্যে সমাজতন্ত্রের কথা কিংবা সশস্ত্র সংগ্রামের কথা থাকলেই কি তা উন্নত সাহিত্য হয়ে যায়? “গ্রহণযোগ্য” হয়ে যায়? আর সে সব না থাকলেই কি সে সাহিত্য “শ্রেণী সীমাবদ্ধতার” দোষে দুষ্ট হয়ে যায়? অসম্পূর্ণ হয়ে যায়? কে ঠিক করেছে সাহিত্য বিচারের এমন অদ্ভুত মাপকাঠি? একজন সাহিত্যিক যখন লেখেন তখন তিনি নিশ্চয়ই কোনো স্লোগান কিংবা মেনিফেস্টো সামনে রেখে লিখতে বসেন না। অতীতে যে-সব সাহিত্যিক সেভাবে লিখেছেন (যেমন করেছেন অনেকেই সোভিয়েত ইউনিয়নে, বাধ্য হয়ে কিংবা আপোস করে), তাঁদের সাহিত্যকর্মটিই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সবার আগে। এ বিষয়ে সততা, স্বতঃস্ফূর্ততা কিংবা সৃষ্টিমৌলিকতার বিষয়গুলোর কথা যদি বাদও দিই।

শামসুর রাহমানের বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের চেতনার অভাবের কথা লিখেছেন কমরেড খালেকুজ্জামান। “পথের দাবী” উপন্যাসের সব্যসাচী’র চরিত্র কতখানি বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্র ধারণ করে, কিংবা তাত্ত্বিক বিচারে লেখক শরৎচন্দ্রই বা কতখানি “সমাজ পরিবর্তনের দিশা” আমাদের দেন, কিংবা বর্তমান সমাজ প্রেক্ষাপটে শরৎ আদৌ প্রাসঙ্গিক কিনা, কই কমরেড জামান কিংবা তার দল তো কখনো সেসব বিষয়ে সমালোচনাধর্মী নিবন্ধ লেখেন না ! যে-কোনো সাহিত্যকে প্রথমে তো অন্তত সাহিত্যের মাপকাঠিতে উত্তীর্ণ হতে হবে, তার পর তার তত্ত্ব বিচারের প্রশ্ন, নিতান্তই যদি করতে হয়। স্বীকার করে নিতে বাধা নেই — সাহিত্য বিচারের অধিকার হয়তো পাঠকমাত্রেরই কমবেশি রয়েছে। তবে বিচারের প্রশ্ন যখন ওঠে, তখন অনেকটা অবশ্যম্ভাবীভাবেই বিচারকের যোগ্যতাটাও বিবেচনার মধ্যে আনতে হয়।

দুঃখজনক হলেও সত্যি, অন্যান্য সাহিত্য বিচারের ক্ষেত্রেও এধরণের দ্বৈতনীতির প্যাটার্ন লক্ষ করেছি পরিচিত অনেক সমাজতন্ত্রীর মধ্যে। প্রায়ই তাঁরা এরকম অদ্ভুত সরলীকৃত একধরণের তুলনা করে থাকেন কবি জীবনানন্দ দাশ ও সুকান্ত ভট্টাচার্যের মধ্যেও, এমনকি রবীন্দ্রনাথ ও নজরুলের মধ্যেও। সেসব ক্ষেত্রে কার বা কাদের ব্যপারে পার্টির পক্ষপাত একটু বেশি, তা বুদ্ধিমান পাঠক সহজেই অনুমান করতে পারেন। এখানে বলে রাখা দরকার — পার্টিকর্মীদের যদিও রবীন্দ্রনাথ কিংবা জীবনানন্দ পড়তে সরাসরি নিষেধ করা হয় না কখনো, একধরণের অসম্পূর্ণ এবং ত্রুটিপূর্ণ মূল্যায়নের চশমা তাদের হাতে ঠিকই ধরিয়ে দেয়া হয় নানা পার্টি কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে। তদুপরি, পার্টির অভ্যন্তরে প্রতিটি কর্মীর ভেতর বাকি কমরেডদের কাছে সমালোচিত না হবার তাগিদ তো রয়েছেই; রয়েছে গ্রহণযোগ্যতা লাভের তাগিদ — পাছে তাদের আদর্শিক নিষ্ঠা নিয়ে অন্যরা প্রশ্ন তোলে! এসবের মাঝেই জন্ম নেয় “অন্তর্গত-সমালোচনা‌-বিমুখ” এক আত্মবিধ্বংসী সংস্কৃতির। কেউ আর তখন “অপ্রিয়” কিংবা কঠিন কোনো প্রশ্ন করতে চায় না। অতীতে যারা প্রশ্ন তুলেছে, তারা সবাই কালে কালে ছিটকে পড়েছে দলের পরিমণ্ডলের বাইরে; অনেক উদাহরণ আছে তার।

স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণ ছেলেমেয়েরা “গণমুখী” সমাজতান্ত্রিক রাজনীতির ঐতিহাসিক ন্যায়বিচারের দিকটির দ্বারা আকৃষ্ট হয়ে দলটির কাছে আসে। অবক্ষয়ী রাজনীতির বিপরীতে নিবেদিতপ্রাণ সমাজতান্ত্রিক নেতাকর্মীদের আদর্শমুখী অতি-সাধারণ জীবনযাপনের দৃষ্টান্ত নিজের চোখে দেখে তাদের সেই প্রাথমিক আকর্ষণ বা মোহ পরিণত হয় শ্রদ্ধা ও নির্ভরতায়। পত্তন হয় এক ধরণের mentorship বা বুদ্ধিবৃত্তিক গুরুশিষ্যের সম্পর্কের। (আমি জানি বাসদের নেতারা এর সাথে দ্বিমত পোষণ করবেন; তাঁরা দাবি করবেন এ সম্পর্কের ধরণ নিতান্তই যুক্তি ও আদর্শভিত্তিক)। আর তরুণ সে-সব পার্টিকর্মীদের অপরিপক্ব মনের ওপর যখন গোঁড়ামিনির্ভর আধাসত্য তাত্ত্বিক দিকনির্দেশনা চাপিয়ে দেয়া হয় শিল্প-সাহিত্য বিচারের অজুহাতে, তখন এর কি সুদূরপ্রসারী ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া হতে পারে তাদের সার্বিক মনন বিকাশে, সে নিশ্চয়ই বলে দেবার প্রয়োজন হয় না। আমার নিজের চারপাশেই অন্তত কয়েক ডজন উদাহরণ রয়েছে আজ — কেমন করে একের পর এক আদর্শবাদী বুদ্ধিমান সব তরুণ-তরুণীর মনমানসকে পঙ্গু করে দেয়ার আয়োজন চলেছে সেখানে (ইচ্ছায় হোক বা অনিচ্ছায়), স্রেফ আদর্শের নামে। বিশ্বাস এবং নির্ভরতার অবস্থানে থাকা কেউ যখন কাউকে ভুল দিকনির্দেশনা দেয়, ভুল দৃষ্টিভঙ্গিতে বিচার করতে শেখায়, মনোজগৎকে সীমাবদ্ধ করতে শেখায় — তখন তাকে কী বলে?

কার্ল মার্কসের একটি উক্তি দিয়ে শেষ করবো। দ্বান্দ্বিক ও ঐতিহাসিক বস্তুবাদ তথা বৈজ্ঞানিক সমাজতন্ত্রের জনক মার্কস-এঙ্গেলস আশা করেছিলেন, তাঁদের দর্শন পথ রচনা করবে এমনই এক মুক্তচিন্তার সংস্কৃতির, যার ভিত্তি হবে বিতর্ক গবেষণা এবং প্রতিটি বিষয়ে প্রশ্ন করতে পারার মতো পরিবেশ। কিন্তু নিজের জীবদ্দশাতেই অত্যুৎসাহী অনেক কমিউনিস্ট নেতার তত্ত্বের প্রতি গোঁড়ামি ও কূপমণ্ডুক দৃষ্টিভঙ্গি দেখে হতাশ কার্ল মার্কস নিজেই বলতে বাধ্য হয়েছিলেন: “thank God, I am not a Marxist !” কমরেড খালেকুজ্জামানকৃত কবি শামসুর রাহমানের এই মূল্যায়নটি পড়ে আমার এ উক্তিটিই মনে পড়ে গেল।

[যুগপৎ প্রকাশ: ওয়ার্ডস এন্ড বাইটস | প্রাসঙ্গিক: , , , , ,, , , , ১০, ১১, ১২, ১৩]

লেখাটিকে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দিতে নিচের আইকনগুলো ব্যবহার করুন:
  • Facebook
  • Twitter
  • Digg
  • del.icio.us
  • Technorati
  • NewsVine
  • Reddit
  • StumbleUpon
  • Google Bookmarks
  • Live
  • LinkedIn
  • MySpace
  • Sphinn
  • MisterWong
  • Global Grind
  • Blogosphere News
  • co.mments
  • Slashdot
  • connotea
  • DZone
  • Faves
  • LinkaGoGo
  • Mixx

পোস্ট কিংবা মন্তব্যে প্রকাশিত মতামত কোন অবস্থাতেই মুক্তাঙ্গন কর্তৃপক্ষের মতামতের প্রতিফলন নয়। বক্তব্যের দায়ভার লেখকদের নিজেদের। শুধুমাত্র "মুক্তাঙ্গন" নামের আওতায় প্রকাশিত বক্তব্যই কর্তৃপক্ষের যৌথ অবস্থানকে প্রতিফলিত করে।


১১৮ টি মন্তব্য/প্রতিক্রিয়া এসেছে এ পর্যন্ত:

  1. ৪৬
    Mosharrof লিখেছেন:

    উল্লিখিত লেখায় যেভাবে আলোচনা হয়েছে তাতে অনেক বিষয় স্পস্ট হয়েছে। সাহিত্য মূল্যায়নে মার্কসীয় দৃষ্টিভঙ্গিকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টাও হয়েছে। ইনসিডেন্টাল ব্লগার এর যে লেখা নিয়ে এ আলোচনা এতদিন হয়েছে তাতে ইনসিডেন্টাল ব্লগার কী বুঝলেন তা একটি মূখ্য প্রশ্ন। কারণ, লেখাটিতে সাহিত্য নিয়ে বলা হলেও এবং তার মধ্যেও কনেটন্ট হিসেবে সাহিত্য বিচারে মার্কসীয় বিচারধারার প্রশ্নটি আসলেও শেষ পর্যন্ত তা বাসদের রাজনীতি ও এ দলের সাহিত্য সম্পর্কিত দৃষ্টিভঙ্গির বিরুদ্ধে একটি মতবাদিক বিরোধিতা হিসেবে লেখক আনতে চেয়েছিলেন। শান্ত’র আলোচনায় বাসদের রাজনৈতিক অবস্থান (সক্রিয় কর্মী হিসেবে না থেকেও শুধুমাত্র বাহির থেকে দেখে) এতো ভালভাবে এসেছে যে তাকে অনেকেই বাসদের কর্মী হিসেবেই দেখেছেন। এটি এ কারণে বললাম যে নিরপেক্ষ বিচারধারা নিয়ে আলোচনা বাসদের কর্মীরা করতে পারেন না এমন কথাও ইনসিডেন্টাল ব্লগারের লেখাতেই উঠে এসেছিল।
    যিনি কোন আলোচনার সূত্রপাত ঘটাবেন তার যদি এ ধারণা থেকে থাকে তবে আলোচনার অবকাশ কতটুকু?
    সে কারণে তার লেখাকে কেন্দ্র করে যেটুকু তাচ্ছিল্য হয়েছে তা তার লেখার কনটেন্টের কারণেই যে হয়েছে তা কী বলা যায় না?

    • ৪৬.১

      @ মোশাররফ

      উল্লিখিত লেখায় যেভাবে আলোচনা হয়েছে তাতে অনেক বিষয় স্পস্ট হয়েছে। সাহিত্য মূল্যায়নে মার্কসীয় দৃষ্টিভঙ্গিকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টাও হয়েছে। ইনসিডেন্টাল ব্লগার এর যে লেখা নিয়ে এ আলোচনা এতদিন হয়েছে তাতে ইনসিডেন্টাল ব্লগার কী বুঝলেন তা একটি মূখ্য প্রশ্ন।

      >>এভাবেই বুঝি আপনারা সবসময় প্রশ্ন করেন আর অপ্রাসঙ্গিক উত্তর বা non-answer বা এমনকি নিরুত্তরকেও উত্তর ভেবে নিয়ে সন্তুষ্ট চিত্তে ঘুরে বেড়ান? চিন্তার কথা! আপনাদের নেতারাও কি আপনাদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর এভাবেই দিয়ে থাকেন? আপনাকে কে বললো যে যেটুকু ‘ব্যাখ্যা আপনারা দিয়েছেন’ কিংবা যেভাবে দিয়েছেন তাই যথেষ্ট? কিংবা যে প্রশ্নগুলো করা হয়েছে তার সুনির্দিষ্ট উত্তর আপনার এবং আপনার সহযোগীদের লেখায় আদৌ উঠে এসেছে? কিছু কোটেশন আর কিছু তোতাপাখির মত গতবাঁধা বুলি ছাড়া আমাদের তো আর কিছুই চোখে পড়ছেনা আপনাদের উত্তরের সারবস্তু হিসেবে। এখন প্রশ্নের উত্তরে যদি আপনি শিবদাস কিংবা খালেকুজ্জামানের শরৎ ইত্যাদি মূল্যায়নবিষয়ক চটি বই থেকে নিতান্ত পুঁথিগত একটা আলোচনা চালিয়ে যান, তাহলে কিভাবে হবে? এসব তো আমরা বছরের পর বছর ধরেই শুনে আসছি, যে কারণে মূলত এই পোস্টটি লেখা। নতুন কিছু তো বলুন। যাকে বলে নতুন spin, না হয় তাই দিলেন, তাহলেও বুঝবো অন্তত চেষ্টাটুকু করেছেন। বরং নিচের এ কয়টি প্রশ্নেরই উত্তর দিননা:

      ১। গত ৮০ বছরের বিশ্বসাহিত্য থেকে কয়েকজন নন্দিত সাহিত্যিকের নাম দিন যাঁরা আপনাদের ভাষায় ‘সত্যিকারের মার্কসবাদী’ বা যাঁদের লেখায় কমরেড খালেকুজ্জামান “উপলদ্ধির ঘাটতি” খুঁজে পান না।

      ২। লেখকের কমিটমেন্ট এর বিষয়গুলো তুলেছেন আপনি ও শান্ত। খুব ভালো। এবার স্পষ্ট করে বলুন, কোন লেখকের আপনাদের ভাষায় যদি ‘কমিটমেন্ট এর অভাব’ থেকে থাকে, তার প্রতি আপনাদের মূল্যায়নটি কি হবে? তার লেখার মূল্যায়নের আর কোন বিকল্প মানদন্ড আছে কি? আরো জরুরী প্রশ্ন সে মূল্যায়নের নিরিখে আপনাদের সে লেখকের প্রতি আচরণ কি হবে? ধরুন, আপনারা আজ রাষ্ট্রক্ষমতায়, সেক্ষেত্রে কোন লেখক যদি গোঁ ধরে বসেন যে তিনি কিছুতেই “কমিটেড” (আপনাদের ভাষায়) হবেন না, সেক্ষেত্রে তার প্রতি আপনার ও আপনার দলের রিএ্যাকশন কি হবে? (প্রশ্নটা hypothetical, শুনি আপনার উত্তর)।

      ৩। সোভিয়েত আমলে যে সব অজস্র লেখক নিপীড়নের কাহিনী সারা বিশ্ব শুনেছে (আপনারাও শুনেছেন নিশ্চয়ই!), সে বিষয়ে আপনার ও আপনার দলের রায় কি? যেমন ধরুন: লেখকদের প্রতি যা করা হয়েছিল তা ঠিকই ছিল বলে মনে করেন আপনারা? নাকি সেটা অন্যায় ছিল? সে সব কি আপনারা কোথাও লিখিতভাবে condemn করেছেন আজ পর্যন্ত? নাকি এর সবই পূঁজিবাদী মিডিয়ার অপপ্রচার মনে করেন এখনো? [এর উত্তর থেকে হয়তো খানিকটা বোঝা যাবে আসলে আপনারা কতটা স্বাধীন চিন্তা ধারণ করতে সক্ষম]

      ৪। আপনি বা আপনারা কি এ সম্ভাবনার কথা উড়িয়ে দিতে পারেন যে ক্ষেত্রবিশেষে এসব “সমাজতান্ত্রিক বিচারের প্রবণতা” লেখক বা সৃজনশীল মানুষদের ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতার’ বিপরীতেও ব্যবহৃত হতে পারে? অস্বীকার করবেন যে এ ধরনের অপপ্রয়োগ কোন কোন সমাজতান্ত্রিক ব্যবস্থায় ইতিপূর্বে ঘটেনি (ব্যাপকহারে)? সমাজতান্ত্রিক চীন (সাংস্কৃতিক বিপ্লব), সমাজতান্ত্রিক সোভিয়েতে (শুদ্ধি অভিযান) যে সব কান্ড ঘটেছিল তাকে কি আপনি শুধু “ইতিহাসের casualty” বা “পশ্চিমা অপপ্রচার” বলবেন?

  2. ৪৭
    রায়হান রশিদরায়হান রশিদ লিখেছেন:

    মন্তব্যকারীদের কয়েকজনের আলোচনায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে পেশ করা বাসদের একটি “ফর্দ” বা দাবীনামার কথা বারবার উঠে এসেছে (দেখুন: অস্মিতা, শান্ত, ইনসিডেনটাল ব্লগার, মোশাররফ)। আলোচনার সুবিধার্থে এই দাবীনামার কিছু বিষয়ের উপর আলোকপাত প্রাসঙ্গিক। বাসদ মুখপত্র ভ্যানগার্ডে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী গত ৪ জুন ২০০৮ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রতিনিধিদের সাথে মুখোমুখি সংলাপে বসেন বাসদ নেতৃবৃন্দ। দলের পক্ষ থেকে এতে উপস্থিত ছিলেন সর্বোচ্চ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ, যাঁদের মধ্যে: কমরেড খালেকুজ্জামান (যিনি লিখিত বক্তব্যটি পাঠ করেন), কমরেড মুবিনুল হায়দার চৌধুরী, কমরেড আব্দুল্লাহ সরকার, কমরেড রাজেকুজ্জামান রতন, কমরেড শুভ্রাংশু চক্রবর্তী প্রমূখ উল্লেখযোগ্য। তাঁদের লিখিত বক্তব্যে ‘জাতীয় সনদ’, ‘লেজুড় রাজনীতি’, ‘দলীয় নিবন্ধন ও সংস্কার’, ‘প্রতিযোগীতামূলক অর্থনীতি’, ‘দূর্নীতি’, ‘হরতাল ধর্মঘট’ থেকে শুরু করে ‘সংবিধানে ক্ষমতার ভারসাম্যহীনতা’ এবং ‘জরুরী অবস্থায় নির্বাচন’ অনুষ্ঠানের বিষয়গুলো উঠে এসেছে। এসব বিষয়ে অন্য কোন একদিন বিস্তারিত আলোচনা করা যাবে। এখানে শুধু লিখিত বক্তব্যটির শেষাংশে উত্থাপিত দাবীনামা বা প্রদত্ত সুপারিশনামার কিছু বিষয়ে মন্তব্যটি সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করবো, যাকে বাসদের পক্ষ থেকে উপস্থাপন করা হয়েছে “জাতীয় ঐকমত্য ও বিদ্যমান রাজনৈতিক ও জনজীবনের সংকট মোকাবিলার জন্য করণীয়” হিসেবে।

    এতে কোন সন্দেহ নেই যে সেখানে উল্লেখিত প্রতিটি দাবীই কোন না কোনভাবে গুরুত্বপূর্ণ এবং ‘জনজীবনের সংকট মোকাবিলায়’ তাদের তাৎপর্য অনস্বীকার্য, যদি দীর্ঘমেয়াদী অর্থে বিচার করা হয়। তবে ঘটমান বর্তমান, নিকট অতীত কিংবা ভবিষ্যতের নিরিখে সে সবের বেশির ভাগ ঠিক এখনই কতটা প্রাসঙ্গিক বা সময়োপযোগী সে বিষয়ে প্রশ্ন থাকতে পারে। কারণ, সেখানে উল্লেখিত বেশীরভাগ বিষয়ই বর্তমান প্রেক্ষাপটের নিরিখে (যথা: জরুরী অবস্থা ও এর নিরসন, দমন নিপীড়ন, সুষ্ঠ নির্বাচন অনুষ্ঠান, সংবিধান সমূন্নতকরণ, গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তন ইত্যাদি) কিভাবে ও কতটা জরুরী তা ঠিক স্পষ্ট হয়নি দাবী পূর্ববর্তী আলোচনা থেকে। আর তাছাড়া সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে নিজেই প্রশ্নের সম্মূখীন এমন একটি সরকারের প্রতিনিধিদের কাছে সে সব উত্থাপন কতটা যুক্তিযুক্ত সে বিষয়টি তো বিবেচনার দাবী রাখেই। থাক সে আলোচনা।

    Note: এখানকার সব মতামত একজন সাধারণ গণতন্ত্রকামী নাগরিকের দৃষ্টিকোণ থেকে।

    যে জিনিসটি প্রথমেই চোখে পড়ে তা হল সংখ্যার দিক থেকে খুব বেশী দাবীর সমাহার। গুণে দেখলাম মোট ১২ ভাগে উপস্থাপিত সর্বমোট দাবীর সংখ্যা আসলে ৯৮ টি। যেমন ধরা যাক, ১ এর আওতায় ৩১টি, ২ এর আওতায় ৪৭ বা তারও বেশী, ৩ এর আওতায় ২, ৪ এর আওতায় ৩টি দাবী ইত্যাদি। প্রথমতঃ একটা অরাজনৈতিক টেকনোক্র্যাট সরকারের কাছে পেশ করার মত দাবী এগুলো আদৌ কিনা, সেটি ভেবে দেখার মত। দ্বিতীয়তঃ সর্বমোট ১৫ টি পৃথক দাবী সম্বলিত দাবী নং ৩ (জরুরী আইন প্রত্যাহার, গণতান্ত্রিক অধিকার পুনর্বহাল), ৪ (দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ), ৫, ৬ (জামিনের অধিকার), ৯ (নির্বাচনের পরিবেশ, তারিখ ঘোষণা, ক্ষমতা হস্তান্তর) এবং ১২ (কৃষক-ক্ষেতমজুরের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা জাল) ছাড়া বাকী ৮৩ টি দাবী আদৌ ঠিক এসময়েই এ সরকারের কাছে উত্থাপনের উপযুক্ত ছিল কিনা তাও বিবেচ্য। Rhetoric রাজনীতিরই ভাষা এবং সেই অর্থে এসব দাবীর বেশীর ভাগই তুলতে এক অর্থে কোন বাধা নেই হয়তো। যিনি রথ দেখতে যাবেন তিনি যে চাইলে কিছু কলাও বেচতে পারবেননা, তা তো নয়। নিশ্চয়ই পারবেন। তবে, এমন সময়ও তো আসে যখন প্রয়োজন হয় গুরুত্বানুযায়ী prioritise করার। সেক্ষেত্রে কলা বেচা যদি রথ দেখায় বিঘ্ন ঘটায়, তাকে হয়তো তখন ত্যাগ করাই শ্রেয়। সরকারের সাথে এই সংলাপটা বোধ করি তেমনই গুরুত্বের একটি বিষয় ছিল। এতে একদিকে যেমন ছিল আদৌ এ সংলাপে বাসদের যাওয়া উচিত কিনা সেই বিবেচনা, একইভাবে অন্যদিকে বিচার্য ছিল যদি যেতেই হয় তবে কেমন হওয়া উচিত সে আলোচনার বিষয়বস্তু।

    নিতান্ত সাধারণ জ্ঞান থেকে যা বুঝি তা হল, যে কারো কাছে দাবী নিয়ে যাওয়ার সময় ভাবা দরকার : কি দাবী করছি? কার কাছে দাবী করছি? যা দাবী করছি তা কি তার দেয়ার ক্ষমতা বা সদিচ্ছা আছে কিনা? কি জন্য দাবী করছি? অর্থাৎ, সত্যিই কি এমূহুর্তে এসব দাবীর বাস্তবায়ন আশা করছি, নাকি জনসচেতনতা তৈরীর উদ্দেশ্যে সেগুলি উত্থাপিত, নাকি সেগুলো স্রেফ কথার কথা। রাজনৈতিক অঙ্গনে যাকে বলে point make করা, কেবল সে উদ্দেশ্যেও যে দাবী উত্থাপিত হয়ে থাকেনা তা তো নয়! কিন্তু সাধারণ জ্ঞান থেকে এও বুঝি যে যত্রতত্র আলোচনায় বসে যাওয়া কিংবা যথেচ্ছ দাবী তোলার কিছু বিপদও আছে। প্রথমত, এতে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থানের ব্যপারে জনগণের কাছে ভুল বার্তা পৌঁছাতে পারে। ভুল বোঝাবুঝির সৃষ্টি হতে পারে এমনকি নিজেদের শিবিরেই। উপরের কিছু আলোচনা-সমালোচনায় তারই ইঙ্গিত উঠে এসেছে কয়েকবার (দেখুন: অস্মিতা, ইনসিডেনটাল)। দ্বিতীয়তঃ কোন দাবী তোলার আগে এও ভাবা দরকার যে ভুল মানুষদের কাছে ভুল সময়ে ভুল দাবী করে কোন অহেতুক জটিলতা সৃষ্টি করছি কিনা। কারণ যে সামরিক সরকারের সদুদ্দেশ্য নিয়েই সন্দেহের যথেষ্ট অবকাশ রয়েছে, সে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক শিবির থেকে আসা দাবীনামাকে কিভাবে ব্যাখ্যা (interpret) করতে পারে, অথবা কিভাবে তার নিজের উদ্দেশ্য হাসিলের কাজে সে সব দাবীকে ব্যবহার করতে পারে, তাও আগেভাগেই ভাবা দরকার। দেশ ও জাতির এই সংকটের দিনে প্রগতিশীল গণতন্ত্রকামী রাজনৈতিক শক্তিগুলোর কাছ থেকে এটুকু নিষ্ঠা, প্রজ্ঞা এবং thoroughness তো আমরা আশা করতেই পারি। গত দুই মাসের ঘটনাবলী থেকে এ তো এখন সবারই জানা কিভাবে বাসদের সংবিধানসংক্রান্ত প্রস্তাবগুলোকে (ক্ষমতার ভারসাম্য, সংশোধনী বাতিলের দাবী ইত্যাদি) তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিজের মত করে ব্যাখ্যা দিয়ে “সংবিধান পর্যালোচনার” মতো অবৈধ পদক্ষেপ নেয়ার পাঁয়তারা করেছে। এটা কি নিতান্তই কাকতালীয় যে বাসদের সাথে সংলাপের ঠিক পর পরই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের জনৈক উপদেষ্টা সংবিধান পর্যালোচনার এই অসাংবিধানিক প্রস্তাবটিকে “জনগণের দাবী” হিসেবে সাংবাদিকদের কাছে উপস্থাপন করেছেন? অবশ্য, বাসদ পরবর্তীতে তাদের নিজ সংবাদ সম্মেলনে এর একটা ব্যাখ্যা দিয়ে অবস্থান পরিস্কার করেছে। কিন্তু এই ভুল বোঝাবুঝিটুকুর সুযোগ কি তৈরী না করলেই হোতো না? তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাতে আরেকটি অস্ত্র কি তুলে না দিলেই নয়? আর সেটা কি বাসদের মত একটি আদর্শবাদী দলের হাত দিয়েই হতে হবে?

    রাজনীতির জটিল হিসাব নিকাশ বুঝিনা, এ হল আমাদের মত সাধারণ মানুষদের সহজ সরল চিন্তাভাবনা। আশা করবো বাসদ নেতৃবৃন্দ ভবিষ্যতে এই বিষয়গুলো আরেকটু বিবেচনা করে দেখবেন এধরণের পদক্ষেপ নেয়ার আগে। আর এ শুধু বাসদ নয়, মনে করি প্রতিটি রাজনৈতিক দলের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য। যে ধরণের কৌশল পাল্টা কৌশলের তোড়জোড় দেখছি আমাদের এ সামরিক সরকারের, পাল্লা দিয়ে তাদের চেয়েও বেশী বুদ্ধিমত্তার সাথে জনগণকে নেতৃত্ব না দিতে পারলে সামনের দিনগুলিতে আরো ভোগান্তি আছে আমাদের। ইতোমধ্যেই ইলেকশন নিয়ে আওয়ামী লীগ কি করলো, আমরা তো সবাই দেখলাম!

    সময় থাকলে দাবীনামাটি নিয়ে আরো বিস্তারিত আলোচনা করা যেতো। তবে শেষ করার আগে তিনটি বিষয় তুলে ধরা দরকার মনে করছি।

    ১) প্রথম দফাটিতে দেখতে পাচ্ছি আর সব কালো আইনের পাশাপাশি “সন্ত্রাস দমন অধ্যাদেশ” বাতিলের দাবীটিও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। দাবী হিসেবে এটি অত্যন্ত যুক্তিযুক্ত, তবে এখানে কিছু প্রশ্ন আছে। উল্লেখ করা দরকার, ডেইলি স্টার এর রিপোর্ট অনুযায়ী “Anti-Terrorism Ordinance 2008″ নামের এই আইনটি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ গত ১৮ জুন আইন হিসেবে চূড়ান্তভাবে অনুমোদন দেন। সুতরাং ৪ জুন বাসদ নেতাদের সংলাপের দিন পর্যন্ত যে আইন পাশই হয়নি কিভাবে তা বাতিলের দাবী করা যায় তা বোধগম্য নয়। ব্যপারটা একটু premature হয়ে যায়না কি? এমন হতে পারে যে দাবীনামায় বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে ১৯৯২ সালের কাছাকাছি নামের পুরনো একটি আইনকে: “Suppression of Terrorist Offences Act, 1992 (Act No.44 of 1992)”, যেটি The Suppression of Terrorist Offences Ordinance, 1992 (Ordinance No.7, 1992) নামের আরো পুরনো আরেকটি আইনকে replace করেছিল। কিন্তু সেটা বোঝানোও একটু মুশকিল, কারণ, ১৯৯২ সালের আইনটির (Act No.44 of 1992) ধারা ২(১) অনুযায়ী: “This Act shall come into force at once and it shall have effect for a period of two years unless such period is extended by Parliament”, অর্থাৎ আইনটির মধ্যেই এর প্রয়োগকালের সময়সীমা বেঁধে দেয়া হয়েছিল, সুতরাং এর বাতিল দাবী করার কিছু নেই, অন্তত আইনটি বাতিল হয়ে যাওয়ার ১৪ বছর পর। [ইন্টারন্যশনাল কমিশন অব জুরিস্টের কাছে দায়েরকৃত এই দলিলটির পৃষ্ঠা ৮ দেখুন]। আরেকটা সম্ভাবনা এই যে দাবীটির মাধ্যমে আসলে বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছে ১৯৯৪ সালের ১ ডিসেম্বর এর Suppression of Terrorist Offences (Special Provisions) Act, 1994 (Act No. 21 of 1994) নামের আরেকটি আইন। কিন্তু এ আইনটি আমার জানা মতে কখনো বাতিল করা হয়নি কারণ তা বাতিলের কোন প্রয়োজন নেই। আইনটির বিষয়বস্তু পড়লেই জানা যাবে কেন সেকথা বলছি। কারণ, নতুন এ আইনটি মূলত ১৯৯২ সালের আইনের আওতাধীন ইতিমধ্যেই দায়েরকৃত মামলাদির বিচারকার্যের ব্যপারে কিছু পদ্ধতিগত ব্যপারকে address করে মাত্র। অবশ্য সর্বশেষ আরেকটি ব্যাখ্যা থাকতে পারে এই আপাত ভুল দাবীটির পেছনে। পর্দার অন্তরালে কঠোর গোপনীয়তার মধ্যে ২০০৮ এর নতুন এই কালো আইনটির আয়োজন চললেও কিছু কিছু unconfirmed খবর বিভিন্নভাবে প্রকাশ হয়ে গিয়েছিল আইনটি চূড়ান্তভাবে পাশ হওয়ার আগেই (যেমন ধরা যাক ১৬ জুনের এই রিপোর্টটি দেখুন)। বাসদের দাবীনামায় হয়তো তারই ইঙ্গিত দেয়া হয়েছে আশা করবো। কিন্তু ব্যপারটা আরেকটু পরিস্কার করার দরকার ছিল বলে মনে করি। কারণ এটাকে যথেষ্ট চিন্তাভাবনা ছাড়াই ১৬ বছরের “পুরনো খসড়া” থেকে তুলে দেয়া দাবী বলে ভুল বুঝতে পারেন অনেকেই, যা বাসদ কেন যে কোন রাজনৈতিক দলের ভাবমূর্তির জন্যই ক্ষতিকর।

    ২) লক্ষ্য করলাম ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪ ধারার বিলোপ চাওয়া হয়েছে। শুধুমাত্র আইন শৃঙ্খলারক্ষাকারী বাহিনীর লোকজন ছাড়া মনে হয় এই ধারাটির খুব কম ভক্তই পাওয়া যাবে সারা দেশ খুঁজলে। কিন্তু সরাসরি এই ধারাটির বিলোপ চাওয়া মনে হয় খুব একটা পরিণত দাবী হয়নি। এটা শুধু আমারই অভিমত না, সুপ্রীম কোর্টের একটি বিখ্যাত রায়ও আছে এ বিষয়ে যেখানে ধারাটির কিছু অনস্বীকার্য প্রয়োগ-প্রয়োজনীয়তা স্বীকার করে নিয়েই কিছু safeguards এবং দিকনির্দেশনা তুলে ধরা হয়েছে এর প্রয়োগের ক্ষেত্রে। হাতের কাছে এই গুরুত্বপূর্ণ রায়টির reference থাকলে এখানে দিয়ে দিতে পারতাম (খুঁজে পেলে পরে দিয়ে দেব)। সুতরাং, শর্তহীনভাবে ধারাটির বিলোপের পরিবর্তে গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের পক্ষের রাজনৈতিক শক্তিগুলোর উচিত সুপ্রীমকোর্টের guideline অনুযায়ী ধারাটির প্রয়োগ দাবী করা।

    ৩) দাবীনামার দ্বিতীয় ধারাটি ছাত্রসমাজের ১০ দফা, শ্রমিক কর্মচারী ঐক্য পরিষদের ৫ দফা, ১৭ কৃষক সংগঠনের ১৫ দফা, ঐক্যবদ্ধ নারী সমাজের ১৭ দফা ইত্যাদির বাস্তবায়নের কথা লিখেছে। মনে করি, বাংলাদেশে এমন মানুষ খুব কমই আছেন যারা শুনেই প্রতিটি দফা গড় গড় করে মুখস্ত বলে দিতে পারবেন। এটা বললাম এ কারণে যে, আমার মনে হয়নি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের উপদেষ্টাগণ যাঁদের কাছে সর্বমোট এই ৪৭ টি দফা পেশ করা হল, তাঁদের কাছে এসবের কোন তাৎপর্য আছে। দাবীনামার দ্বিতীয় দফাটি পড়েই তাঁরা বুঝে ফেলবেন “কি চাওয়া হচ্ছে সেখানে” এমনটা আশা করা বোধ হয় একটু কষ্ট কল্পনাই হয়ে যায়। রাজনীতির অঙ্গন থেকে বহু দূরের পরিবেশে বেড়ে ওঠা এই উপদেষ্টাদের কথা বাদই দিলাম। আজ যদি শাহবাগের মোড়ে দাঁড়িয়ে random sampling করে ১০০ জন মানুষের কাছে এই দাবীগুলোর বিষয়বস্তু জানতে চাওয়া হয়, আমার যথেষ্ট সন্দেহ আছে কয়জন ঠিক ঠিক উত্তর দিতে পারবেন (করেই দেখুন না কেউ?)। জনগণের দাবী যদি জনগণই না জানেন বা না বোঝেন তাহলে আর তা তুলে কি লাভ? তোলা উচিত না, তা কিন্তু বলছি না। তোলা উচিত, সব অর্থে, সব শক্তি দিয়ে, তবে দুর্বোধ্য করে নয়। এক বন্ধু একটা মজার মন্তব্য করেছে দ্বিতীয় এই দফাটি পড়ে। সে বলেছে, “এই ৪৭ দফা দাবীগুলো যখন পরিপূরণের কাছাকাছি চলে যাওয়া হবে, বিপ্লবের বুঝি আর তখন খুব বেশীদিন বাকি থাকবেনা।” সে অর্থে দাবীগুলো কিছুটা ambitious ই হয়তো।

    সংশ্লিষ্টদের বিষয়গুলোর প্রতি দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।

  3. ৪৮
    রেজাউল করিম সুমনরেজাউল করিম সুমন লিখেছেন:

    ১.
    তর্কটা যেদিকে এগোচ্ছে, যেভাবে উপর্যুপরি মন্তব্যের ফুলঝুরি (’ফুলঝুড়ি’ নয়, ওটা সম্ভবত অন্য জিনিস, ফুল রাখার ঝুড়ি বা সেরকম কিছু … হয়তো নার্সারি-ওয়ালারা ভালো বলতে পারবেন) ছুটছে, মূল প্রসঙ্গকে এড়িয়ে অন্যের জ্ঞানগম্যি নিয়ে মুহুর্মুহু সংশয় উত্থাপিত হচ্ছে, ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠীর অস্তিত্ব কল্পনা করা হচ্ছে, এসব দেখার পর বীতশ্রদ্ধ না হয়ে উপায় থাকে না।

    ২.
    বাসদের সাহিত্যরুচির ব্যাপারে ইনসিডেন্টাল ব্লগারই সবচেয়ে ওয়াকিবহাল এমনটা মনে করার কোনো কারণ আছে কি? আহমেদ মুনির কিংবা শান্ত কিংবা অন্য কেউ তাঁর চেয়েও এ বিষয়ে বেশি জানতে পারেন। আহমেদ মুনির একসময়ে বাসদের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন; শান্ত তাঁকে না চিনলেও বাসদের নেতাকর্মীদের অনেকেই তাঁকে বিলক্ষণ চেনেন। ইনসিডেন্টাল ব্লগারের লেখায় বাসদের মুখোশ খুলে গেছে কি যায়নি — এই প্রশ্ন আমার কাছে অবান্তর, বিশেষত বাসদ আদৌ মুখোশ পরে আছে কি না তা-ই যখন আমার জানা নেই। মূল লেখাটা পড়ে একবারও মনে হয়নি যে ওরকম কোনো উদ্দেশ্য নিয়েই ওই পোস্ট লেখা হয়েছে।

    ৩.
    গল্প-উপন্যাস ভালো-লাগা না-লাগার ব্যাপারটা বোধহয় কখনোই নিছক যুক্তির আওতায় পড়ে না। সাহিত্য পড়ে যে ভালোও লাগতে পারে, এবং প্রধানত ভালো লাগার কারণেই যে অধিকাংশ পাঠক সাহিত্য পড়েন, সেটা আমরা অনেকে সবসময়ে মনে রাখি না। শুরুতেই ‘শ্রেণীপ্রভাব’ আবিষ্কারে ব্যস্ত হয়ে পড়ি। স্বীকার করতে কুণ্ঠা হওয়া উচিত নয় যে, ‘শ্রেণীপ্রভাব’ সম্পর্কে আমার জ্ঞানগম্যি সত্যিই খুব বেশি নয় (অন্য অনেকের তুলনায়), তবে এটুকু বুঝতে পারি : এক বিশেষ শ্রেণীর পাঠকের ওপর এর যথেষ্ট প্রভাব আছে!

    ৪.
    আমার আগের মন্তব্যে (#২৫) একজন সমাজতন্ত্রী কনটেন্টকে বেশি গুরুত্ব দেয় — এ ধারণাটি খণ্ডিত কি না সে-বিষয়ে কিছু বলিনি। বরং বলেছি যে, কনটেন্ট যে অধিক গুরুত্বপূর্ণ — এ-ধারণাটিই খণ্ডিত। প্রসঙ্গত তানভীর মোকাম্মেলের একটি উদ্ধৃতি দিয়েছিলাম এটাই দেখাতে যে, এ-ধরনের যান্ত্রিক ধারণা আরো কোনো কোনো মার্কসবাদী শিবিরে (ও ব্যক্তিপর্যায়ে) চালু আছে, কেবল বাসদেই নয় (এবং কেবল এদেশেই নয়)। আভনের ও আদোল্ফো-র বই পড়ে আমি উপকৃত হয়েছিলাম, সেজন্যই তার উল্লেখ করেছি। আশা করেছিলাম, অন্য কোনো পাঠকের কাছ থেকে এ-বিষয়ক আরো কিছু বইয়ের খোঁজ পাব।

    ৫.
    আমাকে ‘অনেক জ্ঞানদান করতে’ দেখা গেছে শুনে বিস্মিত হয়েছি। (শান্ত #৩৭)। এটি সম্ভবত মন্তব্যকারীর কোনো স্বপ্নদৃশ্য কিংবা দৃষ্টিভ্রম। অবশ্য তাঁর বোঝার ভুলও হতে পারে। আরেকটা জিনিসও স্পষ্ট করা দরকার। ইমতিয়ার সাহেবের মন্তব্যের (#৩২) নীচে ক্রুপস্কায়ার লেখা থেকে প্রাসঙ্গিক অংশের উদ্ধৃতি সংযোজন করেছিলাম তথ্যের যাথার্থ্যের খাতিরে এবং ওই লেখা হাতের কাছে ছিল বলেই। ‘ছোট্ট ইনেসা’র অধিকতর প্রাসঙ্গিক লেখাটাও ছিল, তবে ইংরেজিতে; কষ্ট করে আর অনুবাদ করিনি।
    ওই একই মন্তব্যকারী যে-’বিশেষ গ্রুপটির’ প্রতি ইঙ্গিত করেছেন তার অস্তিত্ব সম্পর্কেই আমি না-ওয়াকিফ। আর জানিয়ে রাখা ভালো : বাসদ নিয়ে আমার ‘বেশি মাথা ব্যথা’ নেই। এটা তাঁর কষ্টকল্পনা। তবে বাসদের সঙ্গে আমার ঘনিষ্ঠজনদের কেউ কেউ যুক্ত আছেন। সাম্প্রতিক এই বিতর্কের ফলে, আমাদের মধ্যে মতান্তর থেকে মনান্তর ঘটবে কি না, তা নিয়ে সত্যিই চিন্তিত আছি।

    ৬.
    ‘টলস্টয়কে নিয়ে লেনিনের আলোচনাটি, পুশকিনকে নিয়ে গোর্কির আলোচনাটি’র প্রতি আমার দৃষ্টি আকর্ষণ করার জন্য শান্তকে ধন্যবাদ (#৩৬)। প্রবন্ধের নাম উল্লেখ না করলেও, এবং ফলত প্রথমে কিঞ্চিৎ বিভ্রান্ত বোধ করলেও, পরে তাঁর দেয়া উদ্ধৃতি (#৩৭) থেকে বুঝে নিতে পারা গেল যে, তলস্তোয়কে নিয়ে লেনিনের প্রথম প্রবন্ধটির কথাই (’লিয়েফ তলস্তোয় — রুশ বিপ্লবের দর্পণ’) তিনি বলছেন। অনেকে অবশ্য তলস্তোয়কে নিয়ে লেনিনের পাঁচটি লেখার সঙ্গে মিলিয়ে পড়তে চাইতে পারেন প্লেখানভের তিনটি লেখাও: ‘তলস্তোয় ও প্রকৃতি’ (১৯০৮), “সীমা বজায় রেখে” (১৯১০) এবং ‘কার্ল মার্কস ও লিয়েফ তলস্তোয়’ (১৯১১)। ‘তলস্তোয় ও প্রকৃতি’ লেখা হয়েছিল তলস্তোয়ের অশীতিতম জন্মদিন উপলক্ষে। পুরো এক শতাব্দী পরেও ওই লেখাটিকে আমাদের অনেকের কাছেই হয়তো কালোন্নীত বলেই মনে হবে। লেখকের শ্রেণীচরিত্র নির্ণয় ও তাঁর লেখায় শ্রেণীপ্রভাব আবিষ্কারের চেষ্টায় ব্যস্ত না হয়েও কোনো লেখকের রচনার বিশেষ কোনো দিক নিয়ে যে মূল্যায়ন করা যায়, তারই দৃষ্টান্ত ওই লেখাটি।
    গোর্কির পুশকিন-বিষয়ক যে-উদ্ধৃতি দেয়া হয়েছে, একালের সামান্য পুশকিন-পাঠক হিসেবে আমরা যে তার দ্বারা বিশেষ উপকৃত হই, এমন বলতে পারি না। আমার অস্বস্তি গোর্কির ওই লেখা নিয়ে নয়, উদ্ধৃতি নির্বাচন নিয়ে। বরং তলস্তোয় ও চেখভ-কে নিয়ে গোর্কির অসামান্য ‘প্রতিকৃতি’ দুটির কথা মনে পড়ছে এ মুহূর্তে। মনে পড়ছে মার্সেল প্রুস্তের লেখার মূল্যায়ন করতে গিয়ে গোর্কি ও লুনাচার্স্কির ভিন্ন অবস্থানের কথাও। যে-লেখকের রচনাকে প্রগতিশীল রাজনৈতিক ধারার সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত করা যায় না, তাঁর বিষয়ে লেখার সময়েই মার্কসবাদী সমালোচককে সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাটা দিতে হয়। আর সে-পরীক্ষায় উতরানোর সহজ কায়দা হিসেবে অনেক সময়ে কেউ কেউ পৌরাণিক গ্রিক দস্যু প্রোক্রুস্তেস্ (Procrustes)-এর ভূমিকায় অবতীর্ণ হন!

    ৭.
    আমার আগের মন্তব্যে (#২৫) অনেকগুলো প্রশ্ন তুলেছিলাম। লক্ষ করলে দেখা যাবে, সব প্রশ্নই একটিমাত্র পক্ষকে লক্ষ্য করে করা হয়নি। এমনকী প্রশ্নগুলোর উত্তরও (যে-অবস্থান থেকেই দেয়া হোক না কেন) বিভিন্ন হতে বাধ্য। প্রশ্নগুলোর উত্তর এখানেই দিতে/পেতে হবে — এমনটাও ভাবিনি।
    যে-মানের তর্ক-বিতর্ক এখানে চলছে, বিশেষত বাসদের পক্ষাবলম্বনকারী বন্ধুদের দিক থেকে, তাতে আদৌ কোথাও যে পৌঁছানো যাবে, এমন ভরসা তো হয় না।

    ৮.
    অনেকবার ‘আমি’, ‘আমাকে’ ইত্যাদি সর্বনাম ব্যবহার করতে হলো বলে আশা করি কেউ আবার আমাকে ভুল বুঝবেন না। অনন্যোপায় হয়েই করেছি। ‘আমরা’ মন্তব্য লিখছি না এখানে, লিখছি ‘আমি’।

  4. ৪৯
    সান্ত্বনা লিখেছেন:

    মুক্তাঙ্গনে ইনসিডেন্টাল ব্লগারের এই লেখাটা পড়লাম। পড়লাম নানা বিচিত্র স্বাদের (শুধু অম্লমধুর নয়) অজস্র মন্তব্য ও প্রতিমন্তব্যগুলো। কেবল যুক্তি-তর্ক দিয়ে সত্যিই এগোনো যাবে ভাবছেন আপনারা? আমার তো মনে হয় প্রয়োজন সংলাপের। তা যে এখানেই, এখনই হতে হবে তা অবশ্য নয়।
    সেই সঙ্গে মার্কসীয় দলগুলোর নেতা-কর্মীদের মধ্যেও নানা বিষয়ে সংলাপ হওয়া দরকার। মতান্ধতা, কে না জানে, সুস্থ সাহিত্যবোধেরও পরিপন্থী। সুস্থ জীবনবোধের পরিপন্থী তো বটেই।

  5. ৫০
    অস্মিতা লিখেছেন:

    #মোশাররফ#৪৬:

    “তার (ইন্সিডেনটালের) লেখাকে কেন্দ্র করে যেটুকু তাচ্ছিল্য হয়েছে তা তার লেখার কনটেন্টের কারণেই যে হয়েছে তা কী বলা যায় না?”- মোশাররফ

    মোশাররফ সাহেবের সাথে একমত না হয়ে পারছিনা। কিছুটা তাচ্ছিল্য ইন্সিডেনটালের নিশ্চয়ই প্রাপ্য। যেহেতু তিনি (ইন্সিডেনটাল) উপর্যুপুরি “অসভ্য”, “কুরুচিপূর্ণ”, “বকলম” - তিনি অন্য অনেক কিছুর পাশাপাশি বাসদের সাহিত্য রুচি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন - একথা বুঝতেই পারেননি (বা বোঝার চেষ্টা করেননি) যে সাহিত্যরুচি মানুষের একেবারে নিজস্ব একটি বিষয়। যেটি তিনি নিজে দাবি করেছেন বাসদের কাছ থেকে - সেই একই অধিকার (প্রেসক্রিপশনহীন সাহিত্য পঠনের এবং রসাস্বাদনের অধিকার) তিনি বাসদের নেতাকর্মীদের দেবেননা কিংবা তাদের রুচি নিয়ে এমনকি ঠাট্টা তামাশাও করবেন তা নিঃসন্দেহেই সংগত নয়, সমর্থনযোগ্য তো নয়ই। আমি মনে করি - এমনকি প্রবলভাবে বিশ্বাস করি যে - বাসদের নেতাকর্মীরা যদি শিবদাস ঘোষের “মুকছেদুল মুমেনিন” বা চটি সিরিজ বুকে চেপে এবং শরৎ চাটুজ্জে বালিশের নিচে রেখে ঘুমুতে যান তবে তা নিতান্তই তাদের নিজস্ব বিষয়। এমনকি “ইতিহাস নির্ধারিত পথে হাঁটাহাটি করে” কষ্টকর তাত্ত্বিক আলোচনা এবং শ্রেনীসংগ্রামের কঠিন দায়িত্ব পালনের পর দিন শেষে যদি তারা শরৎ চাটুজ্জের নায়ক-নায়িকার বেদনা ও সংগ্রাম তাদের “সভ্য”, “সুরুচিপূর্ণ” এবং “সর্বহারা” হৃদয়ে ধারণ করে কেঁদে বালিশ ভেজান তবে নিশ্চয়ই তা তাদের মৌলিক মানবাধিকারের পর্যায়েই পড়ে। এ বিষয়ে কোনরকম বাজে প্রশ্ন তোলার ইন্সিডেনটাল কে?

    ইন্সিডেনটালের (এবং কিছু “উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মন্তব্য লেখকের”) আরো কিছু তাচ্ছিল্য প্রাপ্য একারণে যে, তিনি (তারা) দেশ ও জাতির এই ক্রান্তিলগ্নে বাসদের নেতৃবৃন্দের এমন “বেড়ালোচিত” (ইন্সিডেনটালের ভাষায় “মিউ মিউ”) ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। এটি এমনকি খুবই অন্যায় হয়েছে বলে মনে করি। তাদের (ইন্সিডেনটাল ও অন্যান্যদের) মনে রাখা উচিত ছিল যে জলপাই শাসকেরা মার্কস এঙ্গেলস পড়েননা, এমনকি শিবদাস খালেকুজ্জামান বা শরৎ চাটুজ্জে পর্যন্ত পড়েন না যে তাদের সাথে ভদ্র পদের কোন তর্ক বা বিবাদে যাওয়া যায়। সুব্রত যেমন বলেছেন - বিতর্ক হতে হবে দু’জন “সৎ মানুষের মধ্যে”। তাছাড়া যে দু’চারজন প্রতিবাদ করেছেন তাদের অবস্থাটা কি আমরা চোখের সামনে দেখতে পাচ্ছিনা? যে দুই নেত্রী জলপাই শাসনের রুদ্র রোষে পড়ে জেলে গেলেন, তারা দু’জনেই কমবেশী “মেধাশূন্য”, “অবলা”, এবং “বুর্জোয়া” নারী। জেল খাটা, অত্যাচার অনাচার সহ্য করা নিশ্চয়ই তাদেরই মানায়। এমতাবস্থায় বেমক্কা প্রতিবাদ করে (শান্ত’র ভাষায় “হঠকারী” সিদ্ধান্ত নিয়ে) অগুনতি ভক্ত নেতাকর্মীদের যত্নে লালিত এবং জনগণের অর্থে “পালিত” বাসদের “তাত্ত্বিক” নেতারা জলপাইধারীদের রুদ্র রোষের শিকার হলে ক্ষতি তো আমাদেরই ‌- কারণ সর্ব অর্থে শরীরে ও মনে তারা তো জনগণেরই “সম্পদ”।

    মন্তব্য লেখকদের মধ্যে শান্ত’র প্রতি বাসদের দলগত স্নেহ ও আস্থা দেখে হৃদয় ভরে গেল (”শান্ত’র আলোচনায় বাসদের রাজনৈতিক অবস্থান এতো ভালভাবে এসেছে যে তাকে অনেকেই বাসদের কর্মী হিসেবেই দেখেছেন - মোশাররফ)। তার (শান্ত’র) যুক্তি ও তর্কের কনটেন্ট ও মান নিয়ে (পুনরায়) প্রশ্ন তুলবোনা - শুধুমাত্র এই কারণে যে একজন কর্মী (থুক্কু “সমর্থক বা “শুভার্থি”) হিসেবে বাসদের মুখরক্ষার এই দায়িত্ব (গুরু বা লঘু) তার একার হওয়ার কথা ছিলোনা। ভবিষ্যতে নিজেদের কর্মীদের (থুক্কু “সমর্থকদের”) তোপের মুখে ঠেলে দিয়ে পেছন থেকে পিঠ চাপড়ে দেওয়ার এই নেহায়েতই কাপুরুষোচিত ভূমিকাটি ত্যাগ করবেন বলে আশা করি।

    এত সব প্রশ্নোত্তর এবং ভাব বিনিময়ের পরও মনে একটি প্রশ্ন থেকেই গেল। সমাজতান্ত্রিক ধ্যানধারণার বিষয়ে “ঈমান” তেমন পোক্ত হয়নি বলে, অথবা হয়তো নিছক নারী বলেই (জানেনই তো পৃথিবীর প্রধান কয়েকটি ধর্ম অনুযায়ী এর একটি কারণ শরীরবৃত্তীয় - “বক্র পাঁজরাস্থি” থেকে উদ্ভব হেতু অযাচিত বক্র চিন্তাভাবনা আমাদের আবার স্বভাবজাত) পুরনো একটি প্রসঙ্গের অবতারণা আবারও করতে হচ্ছে। মন্তব্যকারীদের কাউকে দেখলাম এই ভেবে খানিকটা আহ্লাদিত যে এই প্রথম বাংলাদেশী কোন রাজনীতিবিদ (কমরেড খালেকুজ্জামান) কারো সাহিত্য মূল্যায়নের গুরুদায়িত্বটি হাতে নিয়েছেন (বা আগ্রহ প্রকাশ করেছেন)। ভাবছি, আজ যদি সেই পথ স্মরণ করে, এবং সেই কীর্তি ধ্বজা ধরে গোলাম আযম সাহেবরাও কবি সাহিত্যিকদের “ইসলামিক মূল্যায়নে” নেমে পড়েন (যেমনটি হয়েছিল শ্রদ্ধেয় হুমায়ুন আজাদ, আহমদ শরীফ কিংবা তসলিমা নাসরিনদের বেলায়) তাহলেও কি আপনারা এমন আহ্লাদিতই থাকবেন?

    পরিশেষে, এত সব আলোচনার পর “ইন্সিডেনটাল কি বুঝেছেন” সেটি নিয়ে মোশাররফকে বিশেষ চিন্তিত হতে দেখলাম (“ইনসিডেন্টাল ব্লগার এর যে লেখা নিয়ে এ আলোচনা এতদিন হয়েছে তাতে ইনসিডেন্টাল ব্লগার কী বুঝলেন তা একটি মূখ্য প্রশ্ন” ‌- মোশাররফ)। আমি এবং আমার মত সাধারণ মানুষদের কাছে কিন্তু ইন্সিডেনটাল কি বুঝলেন তা মূখ্য নয়। আমাদের কাছে বরং তার চাইতেও অনেক বেশী জরুরী এইটি জানা যে আপনারা এই আলোচনা থেকে দল হিসেবে কর্মী হিসেবে কি বুঝলেন, কি শিখলেন? ইন্সিডেনটাল গণচাঁদায় বাঁচেন না, আপনারা বাঁচেন। ইন্সিডেনটাল একজন ব্যক্তি, আর আপনারা একটি রাজনৈতিক দল - সুতরাং জনগণের প্রশ্নের উত্তর দেবার দায় ইন্সিডেনটালের নেই, আপনাদের আছে।

    যাই হোক, গত কয়েক সপ্তাহে দু’পক্ষের মতবিনিময় বা অবিনিময় দেখে আমি মোটামুটি স্বীকার করে নিতে প্রস্তুত যে আপনারা “ভালো লক্ষী সবাই - আমরা ভারী বিশ্রী” (ভয়ে ভয়ে সুকুমার রায়ের “হিংসুটিদের গান” দ্রষ্টব্য; আরো অনেকের মতই বেচারী কবি জীবদ্দশায় শ্রেনীসংগ্রামের ডাক দিতে ভুলে গিয়েছিলেন। নিজের অজান্তেই তাই তাঁর বেশ খানিকটা “উপলদ্ধির ঘাটতি” থেকে গেল)।

    এভাবে দল বেঁধে আঁড়ি নিয়ে চলে যাবেন না যেন। ভবিষ্যতে আপনাদের আরো অংশগ্রহণ দেখতে পাবো এই আশা নিয়ে শেষ করছি। সবাই ভালো থাকবেন এই কামনায়।

  6. ৫১
    মুক্তাঙ্গনমুক্তাঙ্গন লিখেছেন:

    বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক বিষয় আলোচনায় এনেছেন ব্লগার এবং মন্তব্যকারীরা। এভাবেই যদি অনন্তকাল আলোচনাটা চালিয়ে নেয়া যেত তাহলেও মন্দ হোতো না। কিন্তু সংগত কারণেই আলোচনাটায় ইতি টানতে হচ্ছে, সদস্য ব্লগারদের অনুরোধক্রমে।

    সবার প্রতি আহ্বান রইলো মুক্তাঙ্গনের অন্যান্য পোস্টগুলোতেও এমন সুচিন্তিত অংশগ্রহণের। বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সাম্প্রতিক আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা দানা বেঁধে উঠছে। আশা করবো সকল ব্লগার আর মন্তব্যকারীদের কলম এবং চিন্তা সেসবের বিশ্লেষণে কেন্দ্রীভূত হবে।

    সবাইকে ধন্যবাদ।

‘আমার ব্লগ’ বিতর্ক: ‘মত প্রকাশের স্বাধীনতা’ এবং মডারেশনের প্রয়োজনীয়তা প্রসঙ্গে

লিখেছেন: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ৪ আগস্ট ২০০৮, সোমবার

সম্প্রতি মডারেশনবিহীন “আমার ব্লগ”-এ কতিপয় জামাত‌-শিবিরপন্থী অনুপ্রবেশকারীর কারণে সেখানকার ব্লগের পরিবেশে  লক্ষনীয় অবনতি ঘটে। সংকট নিরসনে উদ্বিগ্ন ব্লগারদের মধ্যে ‘মডারেশন’, ‘মতপ্রকাশের স্বাধীনতা’, ‘নিয়ন্ত্রণ’ ইত্যাদি বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনার ঝড় ওঠে। ইনসিডেন্টাল ব্লগারের নীচের পোস্টটি সেগুলোর একটি। পোস্টটিকে কেন্দ্র করে প্রাসঙ্গিক কিছু বিষয়ে আলোচনা/বিতর্ক সংঘটিত হয়। মন্তব্য আকারে সেখানে অনুষ্ঠিত বিতর্কগুলো পড়তে হলে এই লিন্কটি দেখুন। কোন [...]



“ব্লগ”: মাধ্যমটিকে যেভাবে দেখা যেতে পারে

লিখেছেন: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২২ জুলাই ২০০৮, মঙ্গলবার

কনভেনশনাল পত্র-পত্রিকার সাথে “ব্লগ” (লিন্ক দেখুন) প্রকাশনার একটি মৌলিক পার্থক্য আছে। “গণসাংবাদিকতা”-র (Citizen Journalism,  এখানে দেখুন) একটি ধারা হিসেবে গত কয়েক বছর ধরেই সারা বিশ্বে ব্লগ নামের এই মাধ্যমটি লাভ করছে উত্তরোত্তর জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা। সত্যিকার অর্থেই সব ধরণের সেন্সরশিপ এবং বড় পুঁজির আধিপত্য থেকে মুক্ত এই আপাত নতুন মাধ্যমটি ‘সাংবাদিকতা’, ‘লেখক’, ‘পাঠক’, ‘তাদের মাঝে [...]



শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

লিখেছেন: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ১২ জুলাই ২০০৮, শনিবার

কবি শামসুর রাহমানের মৃত্যুর পর কলকাতা থেকে প্রকাশিত দ্বি‌-মাসিক “পথিকৃৎ”-এর পক্ষ থেকে প্রয়াত কবির উপর একটি বিশ্লেষণধর্মী লেখা ছাপাবার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। লেখাটি চাওয়া হয়েছিল বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল - বাসদ-এর আহ্বায়ক কমরেড খালেকুজ্জামানের কাছে। কমরেড জামান-কৃত কবির মূল্যায়নটি পড়তে হলে এই লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিন। সুন্দরভাবে টাইপ করা তথ্যসমৃদ্ধ মূল্যায়নটি পড়ে আমার মনে [...]



    পিলখানা গণহত্যা: চিন্তাঝড় ৩ -- গুজবের ময়না তদন্ত

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ১৩ মে ২০০৯, অপরাহ্ন ০৮:০৬

    বিডিআর হত্যাকান্ড নিয়ে সেনাবাহিনীর নিজস্ব তদন্ত রিপোর্টের কাজ শেষ। প্রথম আলোতে প্রকাশিত খবর: বিডিআরে হত্যাকাণ্ড বিডিআর বিদ্রোহের পেছনে ‘ডাল-ভাত’সহ সাত কারণ সেনাবাহিনীর তদন্ত আদালতের ২০০ পাতার প্রতিবেদনে বিডিআর কর্তৃপক্ষ ও গোয়েন্দা সংস্থার ব্যর্থতাকেও দায়ী করা হয়েছে কামরুল হাসান অপারেশন ডাল-ভাতই বিডিআ [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শেষ পর্যন্ত কি চিরতরেই হারিয়ে যাবে বাংলাদেশের পাট ?

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০১:৫৮

    @ মনজুরাউল সময়োপযোগী আলোচনা। অনেক অজানা তথ্য জানা গেল। আপনি লিখেছেন: কিছুদিন ধরেই আন্তর্জাতিক বাজারে পাটের দাম কমে আসছিল। এবার পাটের প্রধান তিন ক্রেতা,চীন,ভারত আর পাকিস্তানও পাট কেনা অর্ধেকে নামিয়ে এনেছে। এর কারণ তেমন কিছুই না, তাদের চাহিদা কমে গেছে। অর্থাৎ তারা নিশ্চই বিকল্প কিছু একটার সন্ধান পেয়েছে। কী অদ্ভুত! একদিকে সারা বিশ্বে পরিবেশ নিয়ে যেমন মাতামাতি, তাতে সাধারণ বিচারে মনে হবে, পরিবেশ বান্ধব পাটের চাহিদা আরও বহুগুণ বেড়ে যাওয়ার কথা। অথচ হয়েছে [বিস্তারিত পড়ুন]

  • নির্মাণ-এর নতুন সংখ্যা

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১২:৫৯

    @ মুক্তাঙ্গন নির্মাণ এর নতুন সংখ্যার জন্য অভিনন্দন। লেখক তালিকা দেখে খুব আগ্রহ বোধ হচ্ছে। কিন্তু পাঠ প্রতিক্রিয়া জানানোটা এমুহুর্তে একটু কঠিন, যেহেতু সংখ্যাটির প্রাপ্তিস্থান ঢাকা চট্টগ্রাম এবং সিলেটের নির্দিষ্ট কিছু স্টল। পিডিএফ কপিতে পাওয়া গেলে অপেক্ষার পালা কিছুটা হয়তো ঘুচতো। সেটা কি পাওয়া সম্ভব? [বিস্তারিত পড়ুন]

  • সরকারের জবাবদিহিতা নিয়ে কিছু ভাবনা (২): সংসদীয় কমিটি

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২৬ জানুয়ারী ২০০৯, অপরাহ্ন ০৬:২৯

    ইতিপূর্বে এমনও ঘটেছে যে সংসদীয় স্ট্যান্ডিং কমিটি কোনো দফতর থেকে ফাইল চেয়ে পাঠিয়েছে কিন্তু সংশ্লিষ্ট সচিব তা কমিটির কাছে পাঠাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। আমার জানা মতে এমনটি ঘটেছে জ্বালানি সেক্টরেরই একটি অত্যন্ত জনগুরুত্বসম্পন্ন ইস্যুতে যাতে একাধিক বিদেশী কোম্পানি জড়িত ছিল। অজুহাত হিসেবে বলা হয়েছিল বিষয়টি “রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার জন্য হানিকর বিধায় গোপনীয়”! সম্ভবত তওফিক-ই-এলাহির কথা বলতে চেয়েছেন এখানে যাঁকে সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা একজন উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দিয়েছেন। স [বিস্তারিত পড়ুন]

  • জুতা যখন অস্ত্র, ব্লাসফেমি যখন আইন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২৭ december ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০১:৩২

    অবিশ্রুত, রণদীপমের মত আমিও একজন অনুরাগী পাঠক। আমার একটি অভিযোগ আছে, যা এখন বলতেই হবে। আপনার প্রতিটি পোস্ট পড়ার পর মন্তব্য করার মত আর কিছু খুঁজে পাইনা। অনুপ্রেরণাময় এই পোস্টগুলো পড়ার পর কেবলই মনে হয়, ভাবনাগুলোর সবই যেন বলে দিলেন কিছুই বাকী না রেখে। এখানে লক্ষ্য করেছি কারো কোন লেখা পছন্দ হলেও তা নিয়ে কেউ তেমন বাড়াবাড়ি করেন না। মুগ্ধতাগুলো অনুক্ত থাকে। নিয়মটা না ভেঙ্গে পারলাম না। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • জামায়াতের রাজনৈতিক অধিকার

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২৫ december ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০১:০৬

    উপরের স্লোগানগুলো পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল পরাবাস্তব কোন রঙ্গমঞ্চে উঠে পড়েছি কোনভাবে। ইতিহাসকে গা সওয়া করার কত নতুন নতুন কায়দা কানুনই না তৈরী হয়! পুরোনো প্রজন্ম, যাদের জীবদ্দশায় স্বাধীনতা যুদ্ধ, কিংবা যুদ্ধের এক দশকের মধ্যে যাদের জন্ম, তাদের কাছে এসব স্লোগানের প্রতিক্রিয়া একরকম। আবার, নব্বই এ জন্মে আজ যার বয়স আঠারো তার কাছে এর প্রতিক্রিয়া অন্যরকম। একটা মিথ্যাকে বারবার বলতে থাকলে সমাজ মানসে তারও একটা প্রতিক্রিয়া তো হবেই। মত প্রকাশের বা সংগঠনের স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে এক মতের বিপরীতে আরেকটি মত বারবার দ [বিস্তারিত পড়ুন]

  • এ সপ্তাহের লিংক : ২১ ডিসেম্বর ২০০৮

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২২ december ২০০৮, অপরাহ্ন ১১:৫৬

    "না ভোট" নিয়ে দু'টি লেখা ও আলোচনা: এখানে - ফারুক ওয়াসিফ এর পোস্ট এখানে - মৃদুল চৌধুরীর পোস্ট সদ্য প্রয়াত নেতা নুরুল ইসলামের মৃত্যু পরবর্তী তদন্ত আপডেট: নতুন এই সাইটটি এ লক্ষ্যে [বিস্তারিত পড়ুন]

  • এ সপ্তাহের লিংক: ১৪ ডিসেম্বর ২০০৮

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ১৫ december ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৮:৩৫

    জবাবদিহিতা ওয়ান ওয়ার্লড ট্রাস্ট এ বছরের Global Accountability Report (2008) প্রকাশ করেছে। এখানে দেখুন। পুরো রিপোর্টটি ডাউনলোডের জন্য এখানে। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • এ সপ্তাহের লিংক: ১৪ ডিসেম্বর ২০০৮

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ১৫ december ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৮:৩৫

    বাংলাদেশের নির্বাচন আসন্ন সাধারণ নির্বাচন ২০০৮ নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের সাম্প্রতিকতম রিপোর্ট প্রকাশিত। এখানে সংক্ষেপে, এখানে বিস্তারিত। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • উপমহাদেশে হিংসার হাওয়া : ভারতে ফ্যাসিবাদের উত্থান

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২৫ নভেম্বর ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১২:১২

    মন যা চায়, চোখও তাই খোঁজে। সেই মন জঙ্গিবাদ আর মুসলিমকে একাত্মা একদেহ ভেবেছে। খুব সত্যি কথা। এভাবে সাদা কালোতে বিশ্বকে দেখার কিছু সুবিধা আছে। এমন করে দেখার বিলাসিতা আছে, তেমন মানুষের সংখ্যাও আমাদের নেতৃবৃন্দ আর নীতিনির্ধারকদের মধ্যে খুব কম নয়। সম্ভবত, এই একই মুদ্রার অন্য পিঠ আমরা দেখি যখন সাম্রাজ্যবাদবিরোধী আন্দোলনের স্বানামধন্য সৈনিকেরা ওসামা-সাদ্দামদের তুলে ধরেন মহানায়কের ভূমিকায়; তুলে ধরেন প্রতিরোধ আন্দোলনের প্রেরণা প্রতীকের ভূমিকায়। র‍্যামসে ক্লার্কের মত সংগ্রামী [বিস্তারিত পড়ুন]

  • ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে একটি ছোট্ট পোস্ট

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২ নভেম্বর ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১২:০৪

    ধন্যবাদ। সময় পেলে চেষ্টা করবো বাংলায় একটা লেখা দাঁড় করানোর। তবে এটা মানতেই হচ্ছে দীর্ঘ সেই পোস্টটির মূল বক্তব্য মাসুদ করিম তাঁর এক লাইনেই অনেক বেশী সুন্দরভাবে ধরেছেন। সেজন্য তাকেও ধন্যবাদ। ক্ষদ্র ঋণের বিষয়টি নিয়ে এখানে সত্যিই একটু বিশদ আলোচনা করা দরকার। এবং এটাও আলোচনা করা দরকার নীতিগত ও কৌশলগত দিক থেকে কোন্ পন্থায় ক্ষুদ্রঋণ বিষয়টিকে আলোকপাত করা উচিত: ক্ষুদ্র ঋণের পুরো ধারণাটাকেই চ্যালেঞ্জ করে? নাকি এর প্রয়োগ এবং আনুষঙ্গিক দিকগুলোকে তুলে ধরে এর critical মূল্যায়ন করে? প্রশ্নটি উত্থাপন করলাম একট [বিস্তারিত পড়ুন]

  • লাইনচ্যুত ‘...পতি’দের লাইনে তুলবে কে?

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ১ নভেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ১১:৪৩

    ধন্যবাদ অবিশ্রুত। আমার পোস্টটি বেশ কিছুদিন আগের, এতদিনে আদালত পাড়ার অবস্থা কিছুটা পরিবর্তিত হয়েছে, পরিমানগত অর্থে হলেও। তবে সময় করে চেষ্টা করবো একটা বাংলা সংস্করণ বের করার। আপনার লেখাটির পরিসর বরং অনেক বেশী সাম্প্রতিক এবং বিস্তৃত। আমার ভাল লেগেছে। এমন লেখা আরো চাই। আপনার প্রোফাইল পরিচিতিটি পড়তে পড়তে মনে হচ্ছিল, এ শুধু ছদ্মনামে লেখার সেই দিনগুলোর স্মরণেই নয়, আমরা যেন সেই দিনগুলোই আবার পার করছি। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • এ সপ্তাহের লিন্ক : ১৯ অক্টোবর ২০০৮

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২৯ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ০২:২৭

    মোল্লাতন্ত্রের রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা 'বাউল ভাস্কর্য' এবং জরুরী অবস্থায় সরকারের ভূমিকা নিয়ে নিউ এজ পত্রিকায় রেহনুমা আহমেদের লেখা: "Lalon and Terror: Re-configuring the Nation’s Political Map during Emergency". [বিস্তারিত পড়ুন]

  • লাইনচ্যুত ‘...পতি’দের লাইনে তুলবে কে?

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২৭ অক্টোবর ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১২:৩৬

    কিন্তু লাইনচ্যুত ট্রেনকে লাইনে তোলার জন্যে বাংলাদেশের সেনাপতি ও বিচারপতিরা যা করে চলেছেন কিংবা অতীতেও তারা যা করেছেন, তা থেকে কি আমরা একটা প্রশ্ন তুলতে পারি? আমরা কি জানতে চাইতে পারি, লাইনচ্যুত সেনাপতি আর বিচারপতিদের লাইনে তুলবে কে? তাদের বিচার করবে কে? লেখককে ধন্যবাদ। এ বিষয়ে এ লেখাটিও সম্ভবত প্রাসঙ্গিক : Of Generals and Judges [বিস্তারিত পড়ুন]

  • মৌলবাদের আস্ফালন ও একটি ভাস্কর্য

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২৬ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৪:২৩

    @ রেজাউল করিম সুমন (#৩) "সচেতন শিল্পী সমাজ" এর ঘোষণাপত্রটি এখানে তুলে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। সেখানে যে বৃহত্তর আবেগের এবং আকাঙ্খার বিষয়গুলো উঠে এসেছে, আমি নিজেও তার ভাগীদার। 'শিল্প চর্চার মুক্ত ধারা অব্যাহত রাখা', 'সার্বজনীন নীতিমালা প্রণয়ন' ইত্যাদি বিষয়গুলোর সাথে দ্বিমত করার মত কিছু নেই। (হ্যাঁ, 'জাতীয় কমিটি' সৃষ্টির প্রস্তাবটির সাথে আমি একমত নই, তবে সে অন্য আলোচনা)। এই বিষয়গুলো নিয়ে মূলধারায় প্রচারণা, সচেতনতা সৃষ্টি এবং লবিইং এর প্রয়োজন অবশ্যই রয়েছে। কিন্তু লালন ভাস্কর্যের ওপর ম [বিস্তারিত পড়ুন]

  • সাবধান, আলোকিত খুনী তৈরির মহড়া চলছে

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২৪ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ১০:০৯

    'আলোকিত' সুশীলদের নিয়ে অনেক কিছু বলার আছে, এবং তা বলাটাও জরুরী। কিন্তু সব কিছুরই একটা সময় আছে; মনে হয়না এখন সেই সময়। কারণ, এমুহুর্তে প্রগতির শিবিরের গৃহবিবাদ প্রতিক্রিয়াশীলদেরই লাভবান করছে। মনে হয়না আমরা কেউ তা হতে দিতে চাই। "আলোকিত খুনী"-দের দিকেই হয়তো মনযোগ ফেরানো উচিত এখন, পোস্টটির বিষয়বস্তুও তা‌-ই সম্ভবত দাবী করে। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • সাবধান, আলোকিত খুনী তৈরির মহড়া চলছে

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২২ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:৪৫

    'M' for murder, 'M' for mayhem. 'M' for Mujahid, the visibly invisible man of Bangladesh politics! [বিস্তারিত পড়ুন]

  • দীর্ঘ প্রশ্নগুলোর সংক্ষিপ্ত উত্তর

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২০ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ১০:১৫

    @ নীড় সন্ধানী আপনাকে ধন্যবাদ আলোচনাটিতে কিছু তথ্য উপাত্ত নিয়ে আসার জন্য। আপনার অনেকগুলো কথার সাথেই আমি একমত; বিশেষত যেখানে আপনি ১০০ টাকায় ভোট বদলে যাওয়ার বাস্তবতাটি উল্লেখ করেছেন। এ বিষয়েও কোন দ্বিমত নেই যে এদেশের রাজনৈতিক নেতারা যখন বেগতিক অবস্থায় পড়েছেন অতীতে তখন তারা ঢাল হিসেবে ব্যবহার করেছেন 'গণতন্ত্র', 'মানবাধিকার' এই ধারণাগুলোকে; আবার দূরবস্থা থেকে উত্তরণের পর খুব conveniently সেসব ভুলেও গেছেন। আপনি যে দৃষ্টিকোণ থেকে এই ধারণাগুলোর ব্যাপারে আপনার ভিন্ন অবস্থান গ্রহণ কর [বিস্তারিত পড়ুন]

  • দীর্ঘ প্রশ্নগুলোর সংক্ষিপ্ত উত্তর

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ১৮ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ১০:৩৮

    নীড় সন্ধানী যেগুলোকে 'কুযুক্তি' বলেন, সেগুলোই সভ্য সমাজের যুক্তি। আর সভ্য সমাজের যুক্তিতে তার 'মাথায় রক্ত চলাচল' যদি বেড়ে যায়, তবে তার জন্য আপাতত এ মুহুর্তে আমার কোন সহানুভূতি নেই। এ যুক্তিগুলি আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল মূল্যবোধগুলোরও অংশ ছিল, আছে। মুক্তিযুদ্ধের ঘোষনায় যে "equality, human dignity and social justice" এর কথা বলা হয়েছে, তা শুধু 'পেটে ভাত' জোগানোর স্বপ্ন কিংবা কেবল অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সংবিধানের প্রস্তাবনা আর প্রথম ভাগে যে সব বলা আছে, সিঙ্গাপুরকে অনুসরণ করতে গে [বিস্তারিত পড়ুন]

  • দীর্ঘ প্রশ্নগুলোর সংক্ষিপ্ত উত্তর

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ১৪ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ১২:২৮

    @ raihan sayeed আপনার প্রথম মন্তব্যটা (#৪) বুঝতে পারিনি। ঠিক কি বলতে চেয়েছেন সেখানে? অবশ্য শেষ করেছেন কোন এক মহাপুরুষের আগমনের আকাঙ্খা ব্যক্ত করে। খুব গোলমেলে! জানতে পারি কি সেই মহাপুরুষটি (নারীও হতে পারেন কি তিনি?) কোথা থেকে উদয় হবেন এবং কিভাবে? সিরিয়াস আলোচনায় ব্যক্তিগত ফ্যান্টাসি শেয়ার না করলেও পারতেন। আর বাংলাদেশে মাত্র ১% মানুষ সৎ, এ আপনাকে কে বললো? যে মানুষ নিজের দেশ আর দেশের মানুষ সম্বন্ধে এতটা শ্রদ্ধাহীন তিনি যে সিঙ্গাপুরের জন্য হাপিত্যেশ করবেন, তাতে আর বিচিত্র কি! [বিস্তারিত পড়ুন]

  • দীর্ঘ প্রশ্নগুলোর সংক্ষিপ্ত উত্তর

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ১৪ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ১২:২৬

    @ নীড় সন্ধানী পরিবর্তন কে না চায়! প্রতিটি পরিবর্তনের স্বপ্নের সাথে জড়িয়ে থাকে আমাদের আশা ভরসা আকাঙ্খার বিনিয়োগ। আর অপাত্রে অসময়ে বিনিয়োগের ফল কি হয় তা কাউকে বলে দিতে হয়না। সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ের দশ নম্বর মহাবিপদ সংকেতও পরিবর্তনের আশ্বাস নিয়ে আসে। সে পরিবর্তন ধ্বংসস্তুপের, সে পরিবর্তন মড়কের, অবিবেকি মৃত্যুর। তাই কোন পরিবর্তনটা সমৃদ্ধ আগামীর আর কোনটা সংকেত অশনীর তা চেনাটা জরুরী। ১/১১'র ক্ষমতাবদল ঠিক কেন আপনাকে আশাবাদী করেছিল, তাই বোধগম্য হলনা। এঁদের (১/১১'র নায়কদের) ঠিক কি আছে বা [বিস্তারিত পড়ুন]

  • দীর্ঘ প্রশ্নগুলোর সংক্ষিপ্ত উত্তর

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ১৩ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৯:০৫

    @ নীড় সন্ধানী গণতন্ত্রের মুন্ডুপাত করলেন। সে আপনি করতেই পারেন। গণতন্ত্রের এটাই মাহাত্ম যে চাইলে যে কেউ এর মুন্ডুপাত করতে পারেন, নির্ভয়ে। কিন্তু এর পরীক্ষিত বিকল্প হিসেবে এর চাইতেও কার্যকর কোন ব্যবস্থার রূপরেখা যদি না দেন তাহলে তো আর আলোচনা চলতে পারেনা। শুধু রাগ ক্ষোভ প্রকাশ করে কি লাভ বলুন? ১/১১'র স্বপ্ন ব্যাখ্যা করতে গিয়ে দুটি শব্দ ব্যবহার করলেন গণতন্ত্রের অনুষঙ্গ হিসেবে: "ইউটোপীয়" এবং "কুপমন্ডুকতা"। এ বিষয়ে বরং অন্যরাই বলুক। আমি শুধু কয়েকটি বিষয় জানতে চাইবো আপনার কাছে: [বিস্তারিত পড়ুন]

  • এ সপ্তাহের লিন্ক: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ৩ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:২০

    বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকট: নতুন ব্লগ সাইট ট্রান্সন্যাশনাল ইন্সটিটিউট (TNI) বিশ্ব অর্থনীতির চলমান সংকট নিয়ে নিরীক্ষা ও সমালোচনাধর্মী মতবিনিময়ের ফোরাম হিসেবে Casino Crash নামের এই সম্ভাবনাময় নতুন ব্লগটি চালু করেছে। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • এ সপ্তাহের লিন্ক: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ১ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৮:৪৫

    জাতীয় পরিচয় পত্র: জাতীয় পরিচয় পত্র এবং জনসাধারণের ওপর কর্তৃপক্ষীয় নজরদারী নিয়ে New Age এ ছাপানো রেহনুমা আহমেদের লেখা: এখানে। সেইসাথে প্রাসঙ্গিক আলোচনা হিসেবে দেখুন: এখানে এবং এখানে। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • পরম করুণাময় তত্ত্বাবধায়ক সরকার এবং একটি জেহাদ

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ১২:৫৬

    ইমতিয়ার শামীমকে ধন্যবাদ এই জরুরী বিষয়টি নিয়ে লিখবার জন্য। যে গীতি আরা'র কথা বলা হচ্ছে এখানে, তিনিই কি সেই ব্যক্তি নন, যিনি আর তার স্বামী নাজিম কামরান মিলে সম্পত্তি দখলের উদ্দেশ্যে গত বছর এক প্রবাসী দম্পতিকে মাস্তান সহযোগে মারধোর করেছিলেন? এমনকি প্রবাসী শিক্ষক ভদ্রলোকের পা-ও ভেঙ্গে দিয়েছিলেন? ঘটনাটি যখন ঘটে গীতি আরা তখন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের একজন উপদেষ্টা, ফলতঃ আইনের উর্দ্ধে। খুব conveniently সে সময় ঘটনার খবর এবং প্রবাসী দম্পতির সংবাদ সম্মেলনের খবর একটিমাত্র পত্রিকা ছাড়া আর কোন পত্রিকা ছাপেনি (অন্ [বিস্তারিত পড়ুন]

  • এ সপ্তাহের লিন্ক : ২১ সেপ্টেম্বর ২০০৮

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২২ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৮:৫৩

    আমেরিকার গৃহায়ন সেক্টরে সাব-প্রাইম সংকট, স্টক মার্কেটে বিপর্যয়, অর্থনৈতিক মন্দা, প্রধান কিছু ইনভেস্টমেন্ট ব্যান্কের সাম্প্রতিক মালিকানাবদল; এবং বাংলাদেশ এবং এশিয়ার অন্যান্য দেশগুলোর অর্থনীতির সাথে এসবের সম্ভাব্য যোগাযোগ নিয়ে AT-Capital Research এর এই প্রতিবেদনটি পড়া যেতে পারে। সেইসাথে দৃষ্টিপাত ব্লগে জমে ওঠা [বিস্তারিত পড়ুন]

  • বাড়িভাড়া আইন, কাজীর কিতাব এবং তোঘলকি বাস্তবতা...!

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৭:০৪

    @ সৈয়দ তাজরুল হোসেন জোগান আর চাহিদা নিয়ে আপনার যে আলোচনা তার সাথে একমত। সরকারের এ সংক্রান্ত দীর্ঘমেয়াদী আবাসন পরিকল্পনার অভাবের বিষয়টিও সত্যি। আপনাকে বুঝতে হবে আমাদের সরকারদের এসব করার মত বাড়তি সময় হাতে নেই। এসবই যদি তারা করবেন, তাহলে পারসেন্টেজের টাকা গুনবেন কখন? একে শাস্তি তাকে পুরস্কার দেবেন কখন? আর নিজেদের আরাম আয়েশই বা করবেন কখন? তবে দ্বিমত করবো আরেকটি ব্যপারে। আমার কিন্তু মনে হয়েছে লেখক রণদীপম বসু আইনের ধারাগুলো বিধৃত করে আমাদের উপকারই করেছেন। নাহলে, যারা আইনজীবি নন, তাদের সবার কি স [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শেষ পর্যন্ত আমরা কোন রাষ্ট্রের নাগরিক

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৯:৪৯

    'পুলিশী রাষ্ট্র' হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠার এ তৎপরতায় গত দেড় বছরে বাংলাদেশের মানুষ যা যা পেয়েছে: ১) দেশের ইন্টারনেট গেটওয়ে ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণের প্রাতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত এবং সে অনুযায়ী কারিগরি পদক্ষেপ; ২) আই এস পি-গুলোর সরকারের কাছে ব্যবহারকারীদের গোপনীয় তথ্য প্রদান সংক্রান্ত বিধিমালা; ৩) টেলিফোনে আড়িপাতা সংক্রান্ত বিধান; ৪) ভোটার আই ডি কার্ডের প্রোজেক্টের আওতায় সারা দেশের মানুষের সব ব্যক্তিগত তথ্য (আঙ্গুলের ছাপ, ধর্মবিষয়ক তথ্য, পরিচয়, ঠিকানা) এক ডাটাবেজের আওতায় নিয়ে আসা, যা ব্যবহার করে দেশের ম [বিস্তারিত পড়ুন]

  • "ব্লগ": মাধ্যমটিকে যেভাবে দেখা যেতে পারে

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ১০:০৪

    আপনার কথাটা খুবই ঠিক। বাংলা ব্লগের জন্য এ তো শেষ নয়ই, কেবল শুরু। আর যাকে বলে 'স্কাই ইজ দি লিমিট', এ যেন ঠিক তাই। অন্যভাষীদের মত তো নয়ই, বরং তাদের চেয়েও যদি এগিয়েই না যেতে পারি, তাহলে আর দেরীতে শুরু করা কেন? [বিস্তারিত পড়ুন]

  • এ সপ্তাহের লিন্ক: ২৪ আগস্ট ২০০৮

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২৫ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০২:৩১

    ১. বাংলাদেশ: জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল আয়েশা সিদ্দিকার সাক্ষাৎকার: এখানে। ২. নেপাল সদ্য নির্বাচিত মাওবাদী প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহাল (ওরফে "প্রচন্ড") এর হিমেল সাউথ এশিয়ান ম্যগাজিনকে দেয়া প্রথম সাক্ষাৎকার: এখানে। বছরের শুরুর দিককার আরো পুরনো একটি সাক্ষাৎকার [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ১৩ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০৯:৫৭

    শান্ত বলেছেনঃ ….ভ্যানগার্ডের এই আর্টিকেলটি পড়েন- তাহলে (সামরিক) সরকার সম্পর্কে বাসদের অবস্থান বুঝতে পারবেনঃ >>ভ্যানগার্ডের "মিউ মিউ সুর" মন্তব্যের প্রতিবাদে শান্ত ভ্যানগার্ডের একটি প্রতিবেদনের লিন্ক দিয়ে দিয়েছেন, যাতে আমরা সেটি পড়ে ভ্যানগার্ডের ও তার দলের প্রতিবাদী ভূমিকার ব্যপারে একটা ধারণা পেতে পারি। লিন্কে দেয়া প্রতিবেদনটি পড়েছি যেদিন প্রথম ছাপানো হয়েছিল সেদিনই। শান্ত বলার পর আবারও পড়লাম। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ১৩ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০৮:১২

    @ মোশাররফ উল্লিখিত লেখায় যেভাবে আলোচনা হয়েছে তাতে অনেক বিষয় স্পস্ট হয়েছে। সাহিত্য মূল্যায়নে মার্কসীয় দৃষ্টিভঙ্গিকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টাও হয়েছে। ইনসিডেন্টাল ব্লগার এর যে লেখা নিয়ে এ আলোচনা এতদিন হয়েছে তাতে ইনসিডেন্টাল ব্লগার কী বুঝলেন তা একটি মূখ্য প্রশ্ন। >>এভাবেই বুঝি আপনারা সবসময় প্রশ্ন করেন আর অপ্রাসঙ্গিক উত্তর বা non-answer বা এমনকি নিরুত্তরকেও উত্তর ভেবে নিয়ে সন্তুষ্ট চিত্তে ঘুরে বেড়ান? চিন্তার কথা! আপনাদের নেতারাও কি আপনাদের সমস্ত প্রশ্নের উত্তর এভাবেই দিয়ে [বিস্তারিত পড়ুন]

  • হরকিষেণ সিং সুরজিৎ

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ১৩ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ১২:০০

    অসাধারণ এই মানুষটির খবর জানা ছিলনা। আপনার কল্যানে জানা হল। ধন্যবাদ। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ৬ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ১১:৫২

    @শান্ত এই লোক কি আমার আলোচনা বুঝে নি, নাকি বুঝেও নিজের খুশী মত আমার আলোচনার একটা কাল্পনিক অর্থ দাঁড় করিয়ে নিজের মতামত চাপিয়ে দিচ্ছেন?? যাহোক, আমি আমার বক্তব্য বুঝাতে ব্যর্থ হয়েছি এটা ধরে নিয়েই আমার 19 নং কমেন্টে কি বলতে চেয়েছিলাম তা আবার বিবৃত করি….. >>মনে হচ্ছে আমিও ব্যার্থ হয়েছি বোঝাতে আপনাকে। ভালো মতো পুরো মন্তব্য না পড়ে না বুঝে লেগে গেছেন আগের কথার পুনরাবৃত্তি করতে। কিছু না বুঝে থাকলে, বুঝিয়ে বলবো, যেমনটা চেষ্টা করেছি নাঈম সাহেবের বেলায়। কিন্তু একই জিনিস বারবা [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ৬ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০৫:২৭

    @শান্ত >শান্তঃপোস্টের আলোচনা; উপস্থাপনা এসব নিয়ে ওনার কোন রা-ই নেই!!! কেন? যখন একজন ছন্দ নিয়ে যৎকিঞ্চিত ধারণা নিয়ে (ছন্দ বিষয়ে আমার আগ্রহ বরাবরই খুব কম, জ্ঞান তো আরো কম - পোস্টদাতা, ) >>ধরুন আপনি কোন বিতর্ক সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে বললেন: "এখানে যারা উপস্থিত আছেন তারা সবাই অনেক বেশী জ্ঞানীগুনী এবং যোগ্য মানুষ আমার চেয়ে"। এখন কথাটা শুনে বাকী বক্তাদের কেউ যদি 'ইউরেকা' বলে লাফ দিয়ে উঠে সভায় বলে বসেন: "দেখলেন তো, তিনি নিজেই স্বীকার করছেন যে তিনি কম জানেন, সুতরাং আসুন আমরা [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ৬ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০৫:১০

    “এ যাত্রায় কোরেশীদের সাথে লেগে থাকতে পারলে ভাগ্যের ফেরে ক্ষমতার শিকেটা ছিঁড়ে তার কিছু ভাগ পাওয়া গেলেও যেতে পারে”- এমন নির্লজ্জ গালিগালাজ" . . . >>এক কথা আপনাদেরকে বারবার বলা ক্লান্তিকর। সেই তখন থেকে ঘ্যান ঘ্যান করে চলেছেন নাকি সুরে ভাঙ্গা রেকর্ডের মতো। নীচে ৪৩ নং এ আমার প্রত্যুত্তরটি ভালো করে পড়ে নিন। সেইসাথে পড়ুন ৩৮, ৩৯, ৪০ নং এ দেয়া আমার প্রত্যুত্তর। এরপরও যদি না বোঝেন কিছু আর এভাবে ভাঙ্গা রেকর্ডের মত বাজতে থাকেন, তাহলে বুঝতে হবে আপনার (ও আপনার বাসদের সহযোগীদের) উদ্দেশ্য সৎ না। বু [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ৬ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০২:২২

    @শান্ত: শান্ত বলেছেনঃ কিন্তু যখন বলা হয়- এই সরকারের সাথে আঁতাত আছে- কোরেশীর সাথে মিলে ক্ষমতার ভাগের শিকেটা আদায়ের চেস্টা করছে,- অসদ্ভাবের কমতি আছে…… তখন সেই অন্ধ আক্রোশী অভিযোগকারীর প্রতি শুধু করুনাই হয়!!!! >>আবারো একই 'আঁতাত' point! একবার তো ব্যাখ্যা দেয়াই হয়েছে ভাই শব্দটির প্রয়োগের ব্যাপারে। 'আঁতাত-কোরেশী' বিষয়ে যা লিখেছি মুল পোস্টে তাকে বলে figuratively speaking (লিন্কটি দেখুন) । এটা এ [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ৬ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০২:০৬

    উপরের প্রত্যুত্তর দেখুন। এক কথা বারবার বলার অভ্যাস নেই। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ৬ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০২:০৪

    *1/11 এর পরে সমগ্র বাংলাদেশের মধ্যে সর্বপ্রথম জরুরী অবস্থা ভঙ্গ করে সমাবেশ ও মিছিল করে বাসদের জোট গণমুক্তি আন্দোলন। 13`জানুয়ারীতে গণমুক্তি আন্দোলনের সমাবেশে যথারীতি পুলিশী বাধা উপস্থিত ছিল। মুক্তাঙ্গনের এই সমাবেশ মিছিলের দাবীও ছিল জরুরী আইন প্রত্যাহার। >>কথাটা মনে হয় ঠিক বললেন না। আমার ছোট ফুপা তার মেজ শালিকার বিয়েতে (১/১১র ঠিক পরপরই) গিয়ে তার বেয়াই বেয়াইন এবং তাদের দুই তালাতো ভাই এবং তাদের স্ত্রী এবং ছেলে মেয়েরা মিলে দলগতভাবে সামরিক সরকারের প্রতিবাদে কিছু অনুযোগ/সমালোচনা করেছিলেন সে [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ৬ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০১:৫৫

    এতো কিছু করেছেন, অথচ পত্রিকাগুলো তার কিছুই কাভারেজ দেয়নি? খুব অন্যায়। ওরাও কি আপনাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রে লিপ্ত? কি সাংঘাতিক! কাভারেজ না পাওয়ায় জরুরী অবস্থার দোহাই দেয়াটা মনে হয় ঠিক হলনা। যখন জরুরী অবস্থা ছিলনা তখনও যে খুব পত্রপত্রিকায় কাভারেজ পেতেন আপনারা তা তো না। সেকি কর্মকান্ড করেও পেতেন না, নাকি কিছু না করেই, তা আপনারাই ভালো জানবেন। আমাদের তো আর কোনভাবে জানবার উপায় দেখিনা। আমি অবশ্য আপনাদের ছেলেপিলেদের সবসময়ই কাজ করতে এবং ছুটোছুটি করতে দেখেছি; মূলত গণচাঁদা collection এর কাজে। তারা কিন্তু [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ৬ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০১:৩৬

    @শান্ত: শান্ত বলেছেনঃ এহেন ব্যক্তির সাথে ধরে ধরে লাইন বাই লাইন আলোচনার ইচ্ছা, প্রবৃত্তি, ধৈর্য কোনটাই নেই, মানে আগ্রহবোধ করছি না। শুধু কয়েকটি বিষয় সকলের সামনে তুলে ধরছিঃ >>নাঈম বলেছে, শান্ত বলছে, সুব্রত বলেছে। একই কথা আপনি আর আপনার দলের প্রত্যেকেই বারবার করে বলে যাচ্ছেন। শান্ত'র 'হুক্কা হুয়া' তত্ত্ব'র (শান্ত:২০) বুঝি এর চেয়ে ভালো আর কোন উদাহরণ হয়না। আর বিতর্ক করতে এসে এ কেমনতরো আচরণ? পিউরিটান আচরণ ('অসংস্কৃত, কুরুচিপূর্ণ লেখার জবাব দেইনা আমরা' ইত্যাদি)? যুক্তি থাক [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ৬ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০১:২৭

    @শান্ত: শান্ত বলেছেন (আবারো):এখানে বাসদকে নিয়ে গালিগালাজমূলক পোস্ট দেয়ার পরে >>এই যে একই কথা আবারো বললেন। আপনার সমস্যাটা কি বলুন তো? এতটাই কি গোয়েবলস্ প্রভাবিত আপনারা? নাকি পার্টি হাই কমান্ড থেকে আপনাদের এই করে যেতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে? শুনলাম, আপনাদের কেন্দ্রীয় নেতা (সভাপতি) খালেকুজ্জামান লিপন সাহেব নাকি তোপখানা আর বিশ্ববিদ্যালয়/বুয়েট এলাকার মধ্যে বেশ হন্তদন্ত হয়ে ছুটোছুটি করছেন আজকাল। নিন্দুকেরা বলছে ছুটোছুটির পরিমাণ একটু নাকি বেড়েই গেছে যেদিন থেকে আপনারা এই পোস [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ৬ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০১:২২

    @শান্ত: শান্ত বলেছেনঃ এখানে সাহিত্য বিষয়ে কোন কথা বলতে চাইনি- কারণ আলোচ্য পোস্ট টিকে কখনো সাহিত্য নিয়ে আলোচনার উপযোগী কিছু মনে হয়নি- একটি গালিগালাজ সর্বস্ব পোস্টে সাহিত্য সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলার কোন মানে হয় না বিধায় আর কিছু বলছি না- যদিও আরো অনেক কিছু নিয়েই অনেক কথা বলা যেত!! >>এই নিয়ে কতবার এই একই কথা বললেন হিসেব আছে? নাকি এটা আপনাদের কোনো গোয়েবলসীয় কায়দার অংশ --একটা মিথ্যাকে বারবার বলতে থাকুন, একসময় মানুষ হয়তো সেটাকেই বিশ্বাস করতে শুরু করবে -- সে আশায় এমনটি করছ [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ৬ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০১:১৫

    @শান্ত: শান্ত বলেছেনঃ . . . আর, রেজাউল করিম সুমনকে অনেক জ্ঞানদান করতে দেখলেও - পোস্টদাতার “কী এই “শ্রেণীপ্রভাব” ? এ প্রসঙ্গে কথা বলতে না দেখে হতাশই হলাম; মার্ক্স-এঙ্গেলস-লেনিন-গোর্কী প্রমুখের সাহিত্যালোচনা পাঠ করার উপদেশ যিনি দিলেন; ধরে নিতে ইচ্ছা হয় যে তিনি নিজে সেসমস্ত ভালোই পাঠ করেছেন- এবং সেখান থেকেই ভেবেছিলাম- তিনি ভালোই জানেন “কী এই “শ্রেণীপ্রভাব” ?” কিন্তু দেখা গেলো- এই বিশেষ গ্রুপটির আর সকলের মত ওনারো বাসদ নিয়েই বেশী মাথা ব্যাথা- …, যাহোক কি আর করা!!!” >>আ [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ৬ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০১:০৯

    এমন একটি ধারণা তুলে ধরার চেস্টা করলেন যে, তাতে মনে হলো- লেনিন প্রমুখের সাহিত্যালোচনাতেও যেন কনটেন্ট অধিক গুরুত্ব পায়নি!!! আমি ওনার উপদেশটি ওনাকেই পালন করার অনুরোধ করছি। >>রেজাউল করিম সুমনের মন্তব্যের ওই অনুচ্ছেদটা পড়েই আশংকা হয়েছে একেবারে অপাত্রে বুঝি দান করা হল এই অসাধারণ তথ্যবহুল মন্তব্যটা। কারণ তখনই সন্দেহ হয়েছে এটা আপনার মাথার ওপর দিয়েই যাবে! আমার আশংকাই সত্যি প্রমাণিত হল অবশেষে। তখনই আন্দাজ করেছি বুঝবেন তো নাই, বরং উল্টোটা বুঝে (বা না বুঝে) নাঈম সাহেবের মতো 'ইউরেকা ইউরেকা' করতে [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ৬ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০১:০৩

    @শান্ত বরং এটিকে সমালোচনা না বলে খালকুজ্জামানের আক্ষেপ হিসাবে ধরলে ভালো হতো!! কিন্তু দেখা গেলো- পোস্টদাতা ও তার সঙ্গী-সাথীরা এটিকে শামসুর রাহমানের অপরাধ হিসাবে চিহ্নিত করার মহা অপরাধে খালেকুজ্জামানকে সাব্যস্ত করে ওনার এবং ওনার দলের চৌদ্দগোষ্ঠী উদ্ধারে ব্রতী হলেন!!!! >>কিছু কিছু সমাজতান্ত্রিক নেতার ভাবধারায় এই "আক্ষেপ" জিনিসটা খুব interesting. অসাধারণ একটা euphemism ব্যবহার করলেন। শব্দটির একটা নতুন মানে দাঁড়ালো আমার কাছে এখন থেকে, ঠিক আপনাদের "উপলদ্ধ [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ৫ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১০:৩২

    @শান্ত এটাকে বলে যুক্তির প্রতি সাবমিশন। সেটাকে তখন আর সাহিত্যরুচি বলে না। >>আপনি যে কোনটা বুঝে লেখেন, আর কোনটা যে লিখে ফেলে তারপর তা বোঝার ভান করে বাকীদেরও বোঝাবার পাঁয়তারা করেন, কিংবা কোনটা স্রেফ বোঝানোর ভাণ করে যান, বুঝতে পারিনা শান্ত। ধন্দ লাগে। যেমন ধরুন, আপনার এই "যুক্তির প্রতি সাবমিশন" তত্ত্বটা একটু ব্যাখ্যা করবেন কি? কে এই তত্ত্বের প্রবক্তা? তিনি 'যুক্তি' বলতে ঠিক কি বা কোনটাকে বুঝিয়েছেন; আর submission এর মত এমন একটি শব্দই বা তিনি কেন ব্যবহার করলেন? আপনি সত্যিই তাহলে ভাবেন [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২৯ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১১:০০

    @শান্ত মনে হচ্ছে "মিউ মিউ করা ভারসাম্যরক্ষার সুর" কথাটি বুঝতে আপনাদের ভীষণ অসুবিধা হচ্ছে। আমি ভেবেছিলাম এ ধারার (বিপ্লবী!?) রাজনীতিতে সিদ্ধ আপনাদেরকে আমার আর যাই হোক 'মিউ মিউ' করার মানে অন্তত ভেঙ্গে বুঝিয়ে বলতে হবেনা! সুতরাং এখন চেষ্টা করবো "মিউ মিউ"-এই আপাত মিষ্টি expression টি দিয়ে কি বোঝাতে চেয়েছি তা একটু ব্যাখ্যা করার। "মিউ মিউ" বলতে কি বোঝাতে চেয়েছি তা বুঝতে হলে প্রথমেই বুঝতে হবে "মিউ মিউ না করা" বলতে আমি কি বোঝাই। মিউ মিউ এর বিপরীত হল তেমন স্পষ্ট দিকনির্দেশনামূলক precise বক্তব্য যা অধ্ [বিস্তারিত পড়ুন]

  • এদের সাহস জোগাচ্ছে কারা?

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২৩ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:৪৯

    ভাই আপনার নিপাত যাওয়ার তালিকায় কি জামাত-শিবির‌-রাজাকাররা পড়ে? "দেশ ও জাতির কল্যাণে" আপনার প্রস্তাবিত এই পরিচ্ছন্নতা অভিযান তাদের দিয়ে শুরু করলে কেমন হয়? [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২২ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৯:৫২

    @মোশাররফ (অস্মিতা#২৮ এর প্রত্যুত্তর প্রসঙ্গে): মোশাররফকে ধন্যবাদ। আশা করি তার এ মন্তব্যটি বেশ কিছুদিন ধরে চলমান এ বিতর্কটিকে একটি বিশ্লেষনমূলক দিকে প্রবাহিত করবে। বিভিন্ন কথার তোড়ে কিছু জিনিস আর কখনোই ব্যাখ্যা করা হয়ে ওঠেনি। মূলতঃ এই পোস্টটি লেখার উদ্দেশ্য ছিল কিছু বিষয়ে আলোচনার সূত্রপাত করা; চলমান কিছু বিতর্কের বিষয় যা অনেকেরই মনে ঘুরপাক খাচ্ছিল তাকে নির্দিষ্ট আবদ্ধ গন্ডীর বাইরে টেনে এনে সকলের আলোকপাতের জন্য মুক্ত এক পরিবেশে উপস্থাপন করা। কিছু মন্তব্যকারী লেখকের উদ্দেশ্য নিয়ে প্রশ্ন তুলে [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২২ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৬:০২

    একটি সাহিত্য আলোচনা পড়তে এসে এমন গালিগালাজ দেখে একটু রাগ হতেই পারে >>এটি স্রেফ একটি "সাহিত্য আলোচনা" সে ধারণা আপনি কোথা থেকে পেলেন? স্পষ্টতই এই পোস্টটি তালিকাভূক্ত করা হয়েছে "রাজনীতি", "সমাজতন্ত্র" এবং "সাহিত্য" - ‌এই তিনটি বিষয়বস্তুর আওতায় (পোস্টের উপরে দেখুন)। বিষয়বস্তু নিয়ে এক্সপেকটেশানটা একটু কি মনগড়া হয়ে গেল না আপনার দিক থেকে? [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২২ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:২৩

    নাঈম: দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিত এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে মার্কসবাদে বিশ্বাসী, শ্রমিক-শ্রেণীর রাজনীতি করে — এমন একটি দল বা দলগুলোর কি করণীয়, এখন সে দল বা দলগুলোর লাইন-অব-একশন কি হওয়া উচিত — সে সম্পর্কে এক বিন্দু আলোচনা করলেন না। শুধু বাসদের বিরুদ্ধে কতগুলো অভিযোগ, অনুযোগের ফিরিস্তি . . . === 'এক বিন্দুর' চেয়ে বোধ করি কিছু বেশীই আলোচনা করা হয়েছে উপরে। অন্তত মন্তব্য#৭ এর আওতায় বেশ অনেকটা তো লেখার চেষ্টা করেছিই, শান্ত'র যুক্তির প্রত্যুত্তরে! আপন [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২২ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১০:২৩

    নাঈম: উপরে মন্তব্য ২২ এর আওতায় আপনার এ দু'টি মন্তব্যেরই (২২ এবং ২৫) প্রত্যুত্তর দেয়া হয়েছে IB এর পক্ষ থেকে। বাকী বিষয়গুলোর উপর আলোকপাত করেছেন Ashmita মন্তব্য#২৮ এ এবং এই পোস্টের আলোচনায় অন্যান্য ব্লগাররা। উপর থেকে প্রতিটি ধরে ধরে পড়ে নিচে scroll করুন। -ib [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২২ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১২:০৮

    @নাঈম#২২ এবং ২৫ এর উত্তরে এই যুগে এমন মানুষ সত্যিই বিরল যারা এত আত্মবিশ্বাসের সাথে অন্যকে বকলম মূর্খ বলতে পারেন [মন্তব্য: "আমরা এমন একজন সমালোচকের লেখা ধরে তর্ক-বিতর্ক করছি, যিনি . . . বকলম"]। সেই হিসেবে আমরা ভাগ্যবান যে আমাদের মাঝে নাঈম নামের তেমনই একজন মন্তব্যকারী যোগ দিয়েছেন তাঁর মূল্যবান মতামত দেয়ার জন্য। বকলম হিসেবে নিজেকে মেনে নিতে আমার কোন আপত্তি নেই, তিনি যখন এভাবেই বলছেন, হয়তো ঠিকই বলছেন। যিনি এ ধরণের কথা বলার ক্ষমতা রাখেন, তার উপর সবার আশাবাদও স্বাভাবিকভাবেই [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২১ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০২:০১

    ADMIN এর দৃষ্টি আকর্ষণ: আমার কমেন্ট রেকর্ডে দেখা যাচ্ছে যে এই পোস্টে মন্তব্যকারী পথিক এবং মন্তব্যকারী সুব্রত দু'জন একই ব্যাক্তি। মুক্তাঙ্গনের এ সংক্রান্ত নীতিমালা স্পষ্ট করার অনুরোধ জানাচ্ছি। আমি মনে করি এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় এধরনের অসৎ ও সন্দেহজনক আচরণ আলোচনার অবাধ প্রবাহকে ব্যাহত করে একে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে manipulate করার কাজে ব্যবহার করা হতে পারে, যা ব্লগের সুস্থ ও মুক্ত আলোচনার পরিবেশের অন্তরায়। ২৬ ও ২৭ নম্বর ঘরের আলোচনাকারী [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২০ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৯:০৫

    "সেই 4 মাস কেন ভ্যানগার্ড প্রকাশ বন্ধ ছিল"- এটা দিয়ে কি প্রমাণ করতে চাইলেন?? ভ্যানগার্ডের টেকনিক্যাল লজিসটিক্স এর ব্যাপারগুলো আমার জানা নেই। কিন্তু কোন্ কালে কোন্ repressive সরকার পেরেছে এ ধরণের প্রকাশনা সফলভাবে পুরোপুরি বন্ধ করতে? মুক্তভাবে বের না করতে পারলে underground থেকে বের হোতো। ইন্টারনেটের এই যুগে তা কি আরো বেশী সহজ হয়ে যায়নি? আমরা হয়তো আপনাদের লেখা পড়ে দেশের রাজনৈতিক গতিধারার একটা বস্তুনিষ্ঠ এবং bold analysis পেতাম। অতটুকু risk কি বাসদ নিতে পারতো না দলীয় ভাবে? সুতরাং, আপনিই [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২০ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৮:৪৬

    2। বাসদের কোন্ কর্মসূচী কোন্ অবস্থানে মনে হয়েছে- এই সেনা সমর্থিত সরকারের সাথে তাদের আঁতাত রয়েছে? >>আঁতাত শব্দটা গায়ে লেগে গেল? সদ্ভাবও না হয় না বললাম। "অসদ্ভাবের অভাব" বললে কি আপনার আপত্তি কিছু কম হবে? শুনুন, Officially আপনারা সরকারের সাথে আঁতাত করেছেন এমনটি কেউই বলছে না। ব্লগে শব্দটির ব্যবহার হয়তো যথার্থ হয়নি। আপনি আমার কথার content এর দিকে তাকান। যে সরকার রাজনীতি করার মত আপনার মৌলিকতম অধিকারটুকুও কেড়ে নিতে চায় তার ভন্ডামীপূর্ণ সকল কর্মসূচীই যে একটি নির্দিষ্ট নীল নকশার অংশ, যা [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২০ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৮:০৯

    “কোথায় পেলেন যে- বাসদ কর্মীরা এই সরকারের পদক্ষেপে দারুন খুশী????” === >> যত জনের সাথে কথা বলেছি (মূলত নেতৃত্ব পর্যায়ে) খুব তো বেজার হতেও দেখেছি কাউকে বলে মনে পড়েনা। প্রথম যখন এই কোট টাই পরা সামরিক সরকার ক্ষমতায় এলো, তখন থেকেই লক্ষণ বোঝা যাচ্ছিল - এই সরকার এবার সমাজ থেকে রাজনীতির বংশ নির্মূল করে দেবে। বিরাজনীতিকরণের এক অসভ্য প্রক্রিয়া তারা চালু করবে; নিশ্চিত করবে এক ধরণের ফ্যাসিবাদী শাসন। এসবের সমস্ত লক্ষনই দেখা যাচ্ছিল একেবারে প্রথম দিন থেকেই। উত্তরপাড়ার শাসন এবং তার ফলশ্র [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ২০ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৬:৫৭

    সুব্রত (#২৪, অলকেশের উত্তরে যা লিখেছেন সে বিষয়ে আলোকপাত) আলোচনাটা সুব্রতর জন্য একটু মনে হয় কঠিনই হয়ে পড়ছে তাই তিনি নানা ফন্দিফিকির অজুহাত তুলে  আলোচনার বক্তব্যকে (কিংবা দায়দায়িত্বকে) পাশ কাটাবার চেষ্টা করছেন বলে মনে হল। অলকেশ তাকে কিছু অত্যন্ত জরুরী প্রশ্ন (মার্কসীয় সাহিত্য বিচার বিষয়ক) জিজ্ঞেস করেছিল - কিন্তু তিনি সেসব পাশ কাটিয়ে যেতে চাইলো আমার (এবং অলকেশের) বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত আক্রমণ চালিয়ে যাবার মাধ্যমে, প্রসঙ্গ পাশ কাটানোর কৌশল হিসেবে।  এতবছর এ ধারার রাজনীতি করেও এ-ই যদি হয় তার [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ১৯ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০২:১৪

    শান্ত#১৯:. . . "খালেকুজ্জামানের ৭ পৃষ্ঠার আর্টিকেল থেকে আপনি শেষের দিকের ৩ টি প্যারা তুলে দিয়ে খালেকুজ্জামান কৃত অবমূল্যায়ন দেখাতে চেয়েছেন!! আপনার দেয়া ৩ টি প্যারার মধ্যে ১ টি প্যারার আলোচনার জন্য আবার ধন্যবাদও জানিয়েছেন। সুতরাং, এই আলোচনায় আপনি মূলত তুলে ধরেছেন ২ টি প্যারা- যেদুটিতে আপনি আপত্তি খুজে পেয়েছেন।" . . . "যেহেতু শামসুর রাহমানের জামান কৃত মূল্যায়ন নিয়েই কথা হচ্ছে- সেহেতু আপনার এই বাক্যটি সেই মূল্যায়নের ক্ষেত্রে কি প্রযোজ্য হয়নি? খালেকুজ্জামানের ৭ / ৮ পৃষ্ঠার আপন [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ১৯ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৪:৩৯

    সুব্রত বলেছেন: "অথচ দারুন একটা বিতর্ক হতেই পারত।" এখনো তা সম্ভব বলেই মনে করি। মানতে রাজী নই আমাদের অবস্থান এতটাই বিপরীতে! [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ১৯ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৩:৩২

    শান্ত#১৮: "পোস্টদাতাকে বিনীতভাবে প্রশ্ন করি ছন্দ মানে কি একটু বিস্তারিত বলবেন কি???? সুব্রত#২৪:"বেশ কয়েকটা কবিতা নিয়ে যাচাই করে দেখলাম। না কোথাও ছন্দের ব্যাতয় ঘটেনি।" নাঈম#২২:"আর যাই হোক তিনি কবিতা বা ছন্দের যে কিছুই বোঝেন না আমি সে বিষয়ে পুরোপুরি নিশ্চত। মন্তব্যকারীদের আলোচনায় যুক্তি আছে। আর নাঈম এর বক্তব্যের সাথে দ্বিমত করা অর্থহীন। কারণ, নিজেকে আমি কবিতার একজন সাধারণ পাঠক বলেই বিবেচনা করি - যখন যা পাই পড়ি তাদেরই মধ্যে কেউ কেউ হয়তো বাকীদের চেয়ে অধিক প্রিয় - ‌ ব [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ১৭ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০১:০৪

    @ শান্ত: ধন্যবাদ মন্তব্য#৭ এর বিপরীতে লিন্ক এবং আপনার দলের অবস্থান ব্যাখ্যা করে যুক্তি উপস্থাপনের জন্য। এমূহুর্তে কিছু ব্যক্তিগত ও পেশাগত কাজে অত্যন্ত ব্যস্ত থাকায় এখনই উত্তর দিতে পারছিনা। আপনার উত্থাপিত বিষয়গুলো আরো গভীর মনোযোগের দাবীদার তাই অসম্পূর্ণ উত্তর দেয়া থেকে বিরত থাকছি। একটু ধৈর্য ধরতে অনুরোধ করবো। মন্তব্য#১৪-তে আপনি যে প্রশ্নটি করেছেন তার উত্তর আমি দেবোনা বলে ঠিক করেছি। কারণ, সমাজতান্ত্রিক বিচারের নামে "সাহিত্যিক অবমূল্যায়নের মৌলবাদী প্রবণতা" বোঝাতে প্রায় ৩০০০ শব্দের এই পোস্টটি [বিস্তারিত পড়ুন]

  • যে দেশে আমরা

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ১৫ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১১:৪৪

    স্বল্প পরিসরে অনেকগুলো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অবতারণার দুর্লভ ক্ষমতা রয়েছে আপনার। এর প্রতিটি বিষয় নিয়ে পৃথক পৃথক আরো অনেক লেখা চাই আপনার কাছ থেকে ভবিষ্যতে। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ১৪ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৫:৪৮

    @ শান্ত # ৬ -আপনি লিখেছেন: "কোথায় পেলেন যে- বাসদ কর্মীরা এই সরকারের পদক্ষেপে দারুন খুশী????" ‌‌‌-- ‌‌আমার লেখার ঠিক কোথায় পেলেন এ বক্তব্য, বুঝলাম না। কর্মীদের সম্বন্ধে তো এমন কিছুই বলিনি আমি। বলার মানেও হয়না। সবাই জানি, বাসদের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ "টপ ডাউন", "বটম আপ" নয় ("ডেমোক্র্যাটিক সেনট্রালিজম"!)। সুতরাং কিছু যদি বলেই থাকি, বোঝাতে চেয়েছি বাসদের নেতৃত্বকে। কর্মীদের বোঝাতে চাইনি। ভালো করে না পড়ে কল্পনাপ্রসূত মন্তব্য করবেননা প্লীজ। -আপনি জানতে চেয়েছেন "বাসদের কোন্ কর্মসূচী কোন [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ১২ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ১০:০৬

    কিছুটা প্রসঙ্গের বাইরে হলেও বেশ জমে উঠছে মনে হয়। প্রলয়, আপনার গল্পের অন্তর্নিহিত বক্তব্য মনে হয় কিছুটা ধরতে পারছি; মাসুদ করিমও পেরেছেন সন্দেহ নেই। তবে কথা হল, পুকুরে আপনি হলে কি নিয়ে হাজির হতেন? আমার (এবং বাকী সবার) বেশী আগ্রহ সেটা জানার। [বিস্তারিত পড়ুন]

    "ব্লগ": মাধ্যমটিকে যেভাবে দেখা যেতে পারে

  • মন্তব্যে: সান্ত্বনা | ১২ জানুয়ারী ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০৯:৫১

    ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষক ফাহমিদুল হক বাংলা ব্লগ নিয়ে একটি সমন্বিত গবেষণাপত্র প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছেন। এখানে দেখুন। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • "ব্লগ": মাধ্যমটিকে যেভাবে দেখা যেতে পারে

  • মন্তব্যে: রণদীপম বসু | ৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৯:১১

    ব্লগ স্বাধীন। এবং তুল্য বিচারে অন্য কোন মাধ্যম এতো স্বাধীন নয়। বা তাৎক্ষণিক সংবেদনশীলও নয়। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • "ব্লগ": মাধ্যমটিকে যেভাবে দেখা যেতে পারে

  • মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৭:২২

    বাংলা ভাষার প্রেক্ষিতে ব্লগ এখনো একটি সম্ভাবনার নাম। বছর দুই বয়সের বাংলা ব্লগিং অনেক ভালো ব্লগের নমুনা দেখিয়েছে। তবে এই শেষ নয়, আরো কিছুদিন যেতে দিলে আমরা হয়ত আরো অনেক উৎকৃষ্ট ব্লগের দৃষ্টান্ত পাব। অন্য ভাষার ব্লগে যা হয়েছে, বাংলায়ও কেবল তাই হতে হবে, তার কোনো মানে নেই। বাংলা ব্লগ ব্লগিংয়ের নতুন সম্ভাবনাও তো দেখাতে পারে। পারে না কি? [বিস্তারিত পড়ুন]

  • "ব্লগ": মাধ্যমটিকে যেভাবে দেখা যেতে পারে

  • মন্তব্যে: সুমন চৌধুরী | ২ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ১০:৪৭

    ভালো লাগলো। বর্তমানে কমিউনিটি ব্লগ প্লাটফর্মগুলি ব্যক্তিগত জার্নালের সীমা পেরিয়ে ব্লগের ধারণাকে বৈশ্বিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিয়ে এসেছে। বাংলা ব্লগাবর্ত এখনো আকারে ছোট। তবে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের সংখ্যাবৃদ্ধি আগামী কয়েক বছরে একে আরো সম্প্রসারিত করবে। লেখককে ধন্যবাদ। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • "ব্লগ": মাধ্যমটিকে যেভাবে দেখা যেতে পারে

  • মন্তব্যে: পান্থ রহমান রেজা | ২৬ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:১৬

    আমার মতে, ব্লগ আসলে কোনো প্রসঙ্গে আলোচনা শুরু করার চমৎকার একটি জায়গা। এদিক থেকে একে বাজার গরম কোনো বিষয়ের আলোচনার প্লাটফমর্ ধরা যায়- এটা আমার মত। তবে অন্যান্য প্রসঙ্গো এতে যে আসবে না তা নয়। বাংলা ব্লগগুলো দেখলেই বোঝা যায়। তাছাড়া বিষয় ভিত্তিক ব্লগের অভাব নেই। এদিক দিয়ে দেখলে ব্লগ আসলে ব্লগার যা ভাবেন, যা লেখেন তাই ব্লগ। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • 'আমার ব্লগ' বিতর্ক: 'মত প্রকাশের স্বাধীনতা' এবং মডারেশনের প্রয়োজনীয়তা প্রসঙ্গে

  • মন্তব্যে: অলকেশ | ১৯ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ১০:৩৭

    ইন্সিডেন্টাল ব্লগারের এই লেখাটা প্রকাশ হওয়ার পর থেকে ব্যক্তিগত ও সামাজিক পর্যায়ে অনেকের সাথে আলাপ হয়েছে বিষয়টির গুরুত্ব নিয়ে । অনেকেই বলেছেন, তারা নিজেরা এবং তাদের পরিচিতদের বেশিরভাগই এখন মূল ধারার সংবাদ পত্রের পাশাপাশি ব্লগ সাইট গুলোর নিয়মিত পাঠক । এদেরই একটা বড় অংশ মনে করেন, “বাংলা ব্লগ মিডিয়া এখন তার কৈশোর অতিক্রম করলেও বিভিন্ন ব্লগের লেখার বিষয়বস্ত ও তার উপস্থাপনার ধরন দেখে বোঝা যায় এদের লেখায় একটা স্মার্ট টোন আছে ।” আমার এক বন্ধু মন্তব্য জানিয়েছে আমাকে এভাবে ; “এরা বেশীর ভাগ ই নিজ বিবেকের দ [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: মুক্তাঙ্গন | ১৪ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০৫:০০

    বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক বিষয় আলোচনায় এনেছেন ব্লগার এবং মন্তব্যকারীরা। এভাবেই যদি অনন্তকাল আলোচনাটা চালিয়ে নেয়া যেত তাহলেও মন্দ হোতো না। কিন্তু সংগত কারণেই আলোচনাটায় ইতি টানতে হচ্ছে, সদস্য ব্লগারদের অনুরোধক্রমে। সবার প্রতি আহ্বান রইলো মুক্তাঙ্গনের অন্যান্য পোস্টগুলোতেও এমন সুচিন্তিত অংশগ্রহণের। বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে সাম্প্রতিক আরো কিছু গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা দানা বেঁধে উঠছে। আশা করবো সকল ব্লগার আর মন্তব্যকারীদের কলম এবং চিন্তা সেসবের বিশ্লেষণে কেন্দ্রীভূত হবে। সবাইকে ধন্যবাদ। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: অস্মিতা | ১৪ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:২৪

    #মোশাররফ#৪৬: "তার (ইন্সিডেনটালের) লেখাকে কেন্দ্র করে যেটুকু তাচ্ছিল্য হয়েছে তা তার লেখার কনটেন্টের কারণেই যে হয়েছে তা কী বলা যায় না?"- মোশাররফ মোশাররফ সাহেবের সাথে একমত না হয়ে পারছিনা। কিছুটা তাচ্ছিল্য ইন্সিডেনটালের নিশ্চয়ই প্রাপ্য। যেহেতু তিনি (ইন্সিডেনটাল) উপর্যুপুরি "অসভ্য", "কুরুচিপূর্ণ", "বকলম" - তিনি অন্য অনেক কিছুর পাশাপাশি বাসদের সাহিত্য রুচি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন - একথা বুঝতেই পারেননি (বা বোঝার চেষ্টা করেননি) যে সাহিত্যরুচি মানুষের একেবারে [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: সান্ত্বনা | ১৪ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১১:৩৬

    মুক্তাঙ্গনে ইনসিডেন্টাল ব্লগারের এই লেখাটা পড়লাম। পড়লাম নানা বিচিত্র স্বাদের (শুধু অম্লমধুর নয়) অজস্র মন্তব্য ও প্রতিমন্তব্যগুলো। কেবল যুক্তি-তর্ক দিয়ে সত্যিই এগোনো যাবে ভাবছেন আপনারা? আমার তো মনে হয় প্রয়োজন সংলাপের। তা যে এখানেই, এখনই হতে হবে তা অবশ্য নয়। সেই সঙ্গে মার্কসীয় দলগুলোর নেতা-কর্মীদের মধ্যেও নানা বিষয়ে সংলাপ হওয়া দরকার। মতান্ধতা, কে না জানে, সুস্থ সাহিত্যবোধেরও পরিপন্থী। সুস্থ জীবনবোধের পরিপন্থী তো বটেই। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: অলকেশ | ১৩ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ১১:৫৪

    @ শান্তঃ বাসদের কোন আলোচনায়-বক্তব্যে দেখলেন যে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়ে এসেছে??? ======= একটু পেছন ফিরে দেখি । ২২ জানুয়ারীর পাতানো নির্বাচনে ১৪ দল যখন প্রার্থী মনোনয়ন দিয়েছিলেন তখন আপনারা ও মনোনয়ন দিয়েছিলেন আলাদা ভাবে । তখন এটা পরিস্কার যে, একটা পাতানো নির্বাচন হতে যাচ্ছে । দেশবাসী বুঝেছিল । আওয়ামী লীগ ক্ষমতার উদগ্র বাসনায় অস্থির ছিল । তারা যে কোন কিছুর বিনিময়ে খেলাফত মজলিসের সাথে হাত মিলিয়ে হলেও ক্ষমতায় যেতে চেয়েছিল । তারা বুঝে ও বুঝতে চায় নি । সেই সময় স্ট্যান্ [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: সৈয়দ তাজরুল হোসেন | ১১ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ১১:৫০

    একটি সাহিত্য সমালোচনা নিয়ে আলোচনা উপস্থাপন করতে গিয়ে মিথ্যা অভিযোগের ভাণ্ডার খুলে বসাটাও তাজরুল ইসলাম সাহেবের কাছে কখনোই সৌজন্যহীন মনে হবে না, . . . গালিগালাজ ওনার কাছে খুব স্বাভাবিক মনে হবে…., , আর সুব্রত যখন এহেন হীন লেখার প্রতিক্রিয়ায় ” আমি বিনয়ী নই”-- এটা জানায় তখন সেটা হয়ে যায় - পীড়াদায়ক!!!! স্বভাবতই বুঝতে কঠিন হয় না, এখানে এরা কারা, এই সংঘবদ্ধ গ্রুপটির উদ্দেশ্য কি? যেটি আগেও একবার উল্লেখ করেছিলাম.. বেশ কিছু দিন হলো ব্যক্তিগত ঝামেলার কারনে ব্লগে আসা হয়ে উঠেনি । এসে তো দ [বিস্তারিত পড়ুন]

  • 'আমার ব্লগ' বিতর্ক: 'মত প্রকাশের স্বাধীনতা' এবং মডারেশনের প্রয়োজনীয়তা প্রসঙ্গে

  • মন্তব্যে: অগ্নি | ১১ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০১:৫৩

    হ্যা, আপনার ভাবনাগুলো সঠিক। বাংলার মানুষ এখনও স্বাধীনতার সদ্ব্যবহার করা শেখেনি। তাই কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণ দরকার। ধন্যবাদ [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: রেজাউল করিম সুমন | ৯ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০৪:৫২

    ১. তর্কটা যেদিকে এগোচ্ছে, যেভাবে উপর্যুপরি মন্তব্যের ফুলঝুরি ('ফুলঝুড়ি' নয়, ওটা সম্ভবত অন্য জিনিস, ফুল রাখার ঝুড়ি বা সেরকম কিছু ... হয়তো নার্সারি-ওয়ালারা ভালো বলতে পারবেন) ছুটছে, মূল প্রসঙ্গকে এড়িয়ে অন্যের জ্ঞানগম্যি নিয়ে মুহুর্মুহু সংশয় উত্থাপিত হচ্ছে, ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠীর অস্তিত্ব কল্পনা করা হচ্ছে, এসব দেখার পর বীতশ্রদ্ধ না হয়ে উপায় থাকে না। ২. বাসদের সাহিত্যরুচির ব্যাপারে ইনসিডেন্টাল ব্লগারই সবচেয়ে ওয়াকিবহাল এমনটা মনে করার কোনো কারণ আছে কি? আহমেদ মুনির কিংবা শান্ত কিংবা অন্য কেউ তাঁর চে [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৯ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৮:০৬

    Spectator এ প্রকাশিত ওয়েন ম্যাথ্যুস এর লেখা, সলঝেনিৎসিনকে নিয়ে: http://www.spectator.co.uk/the-magazine/features/880626/russias-ignorant-still-hate-solzhenitsyn.thtml [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৮ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:৪১

    মন্তব্যকারীদের কয়েকজনের আলোচনায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে পেশ করা বাসদের একটি "ফর্দ" বা দাবীনামার কথা বারবার উঠে এসেছে (দেখুন: অস্মিতা, শান্ত, ইনসিডেনটাল ব্লগার, মোশাররফ)। আলোচনার সুবিধার্থে এই দাবীনামার কিছু বিষয়ের উপর আলোকপাত প্রাসঙ্গিক। বাসদ মুখপত্র ভ্যানগার্ডে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী গত ৪ জুন ২০০৮ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রতিনিধিদের সাথে মুখোমুখি সংলাপে বসেন বাসদ নেতৃবৃন্দ। দলের পক্ষ থেকে এতে [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৮ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:৩৭

    সচলায়তনে আলেক্সান্ডার সলঝেনিৎসিনকে নিয়ে কিছু আলোচনা চলছে। আগ্রহীরা পড়ে দেখতে পারেন: http://www.sachalayatan.com/shubinoymustofi/17341 [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: এহসানুল হক | ৬ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১০:০৭

    শুধু এটুকু বুঝলাম- আপনাদের কেউ কেউ বাসদের পেছনে উঠে পড়ে লেগেছেন [শান্ত ২০] স্বভাবতই বুঝতে কঠিন হয় না, এখানে এরা কারা, এই সংঘবদ্ধ গ্রুপটির উদ্দেশ্য কি? [শান্ত ৩৪] এখানকার সবার কাছেই খুব পরিস্কার কারা কাদের বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে । যেভাবে একজন ব্লগ লেখকের একটি মাত্র পোস্টকে কেন্দ্র করে আপনারা বাসদের লোকজন সদলবলে তার বিরুদধে কুতসা রটনা করতে লেগে গেছেন, তাতে আসলে এখানে কি ঘটছে বুঝতে আর কারো বাকী নাই । এই ব্লগারকে আমিও চিনিনা তবে তার অন্য কিছু ব্লগ এবং আলোচনা আমি পড়েছি অন্য [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: bilal | ৬ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১২:৫০

    কমরেড - এত বইয়ের ভাষায় আপনেরা কথা বলেন কেন? আর গালি গালাজ কোথায় হইছে বুজলাম তো না। আপনেরা কোথয় দেখলেন? গালি গালাজ দেখতে হয় তো অন্্ন কোন বলগে গিয়া দেখেন, তািলে বুজবেন কুনটা গালি গালাজ আর কোনটা নর্মাল কথাবার্তা। একটু ভািবেন। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • 'আমার ব্লগ' বিতর্ক: 'মত প্রকাশের স্বাধীনতা' এবং মডারেশনের প্রয়োজনীয়তা প্রসঙ্গে

  • মন্তব্যে: asif | ৫ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০৪:১৬

    http://www.drishtipat.org/blog/2007/11/13/1435/ [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: অস্মিতা | ৫ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৯:৩৯

    #শান্ত- শেষে আসমিতা তো বললেনই “.. ছত্রে ছত্রে “গণবিপ্লবের” রণহুন্কার না দেওয়া যদি কবির অপরাধ (কিংবা ঘাটতি)……….”- অথচ কোথাও কেউ দাবী করেনি যে- শামসুর রাহমানের কবিতায় বুর্জোয়া ব্যবস্থার বিরুদ্ধে গণবিপ্লবের প্রয়োজনীয়তা উপলব্ধ না হওয়াটা তার অপরাধ!! >>>>শান্ত, নীচের এই বক্তব্য তো আপনারই। নাকি "আড়াল" করতে চাইলেন? IBকে সাহিত্য সমালোচনার বাসদীয় পাঠ দেয়ার এক স্থানে আপনি লিখেছেন “তারচেয়ে বরং অনেক প্রাসঙ্গিক হতো- খালেকুজ্জামানের বক্তব্যের অসারতা তুলে ধরে দেখা [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: Mosharrof | ৫ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৭:০২

    উল্লিখিত লেখায় যেভাবে আলোচনা হয়েছে তাতে অনেক বিষয় স্পস্ট হয়েছে। সাহিত্য মূল্যায়নে মার্কসীয় দৃষ্টিভঙ্গিকে ব্যাখ্যা করার চেষ্টাও হয়েছে। ইনসিডেন্টাল ব্লগার এর যে লেখা নিয়ে এ আলোচনা এতদিন হয়েছে তাতে ইনসিডেন্টাল ব্লগার কী বুঝলেন তা একটি মূখ্য প্রশ্ন। কারণ, লেখাটিতে সাহিত্য নিয়ে বলা হলেও এবং তার মধ্যেও কনেটন্ট হিসেবে সাহিত্য বিচারে মার্কসীয় বিচারধারার প্রশ্নটি আসলেও শেষ পর্যন্ত তা বাসদের রাজনীতি ও এ দলের সাহিত্য সম্পর্কিত দৃষ্টিভঙ্গির বিরুদ্ধে একটি মতবাদিক বিরোধিতা হিসেবে লেখক আনতে চেয়েছিলেন। শান্ত'র [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ৪ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০৯:৫৮

    ১। প্রথমেই আসি পথের দাবী প্রসঙ্গে। অনেকেই জানাচ্ছেন- বাসদের মতে এই "পথের দাবী" নাকি "সাহিত্য মানোত্তীর্ণ", "বিপ্লবী", "উচ্চাঙ্গ সাহিত্য", "উন্নত সাহিত্য"... ইত্যাদি। কিন্তু বাসদ কবে কোথায় এই ধরণের দাবী করেছে একটু দয়া করে জানালে কৃতার্থ হতাম। আমি বাসদ ও এসইউসিআই এর এ সংক্রান্ত কিছু লেখনী আবারো পড়ে দেখলাম, কই সেরকম দাবী তো পেলাম না??? যেটি পেয়েছি- সেটি হলো: একটি সময়ের আলোচনা- যুগের আলোচনা। যুগটি হলো বৃটিশ বিরোধী আন্দোলনের যুগ। কংগ্রেসের মধ্যে দুটো গ্রুপ-- একদল স্বশস্ত্র বিপ্লবের পক্ষে (সুভাষের ন [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ৪ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০৭:৪৫

    এক বন্ধুর অনুরোধে আরেকটু লিখছি- যদিও সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, এখানে এই পোস্টে আর কোন কথা বলবো না- তার অনুরোধ শরৎ নিয়েও যেন কিছু বলি এখানে...., যেহেতু এই পোস্টকে সাহিত্য আলোচনার উপযোগী মনে করছি না- সেহেতু খুব সংক্ষেপে কটি বিষয়ে টাচ করছি- বিস্তারিত আলোচনা- যেকোন তর্ক বিতর্কই হতে পারে- স্বতন্ত্র কোন এক পোস্টে যেখানে এ পোস্টের মত সাহিত্যালোচনার বাইরের নির্লজ্জ মিথ্যা অভিযোগের পাহাড় থাকবে না..... ..... [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ৪ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১১:৩১

    ফলে কেউ যদি বলেন- বাসদ এই সেনা সমর্থিত সরকারকে উৎখাত করে ফেলেনি; মানতে রাজী আছি; বাসদ এই সেনা সমর্থিত সরকারকে উৎখাতের ডাক দেয়নি- মানতে রাজী আছি; বাসদ এই সেনা সমর্থিত সরকারকে সামান্য নাড়াও দিতে পারেনি বা দেয়নি- সেটাও মানতে রাজী আছি;..... কিন্তু যখন বলা হয়- এই সরকারের সাথে আঁতাত আছে- কোরেশীর সাথে মিলে ক্ষমতার ভাগের শিকেটা আদায়ের চেস্টা করছে,- অসদ্ভাবের কমতি আছে...... তখন সেই অন্ধ আক্রোশী অভিযোগকারীর প্রতি শুধু করুনাই হয়!!!! এ কদিনে অনেক কথা বলেছি - আশা করি আমার মূল বক্তব্য বুঝাতে পেরেছি- ...... [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ৪ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১১:০৮

    *বাসদ তার সীমিত শক্তি দিয়ে প্রথম থেকেই সরকারের, সাম্রাজ্যবাদীদের বিভিন্ন পদক্ষেপ/ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধাচরণ বরাবরই করে এসেছে; সেই সাথে শক্তি-সামর্থের কথা বিবেচনা করে বামদের বৃহত্তর ঐক্যের প্রয়োজনীয়তাও সবসময়ই অনুভব করেছে। ভ্যানগার্ডের আগস্ট সংখ্যায় লিড আর্টিকেলে তেমনি বাম ঐক্যের ডাক আমরা পাই। *12 সেপ্টেম্বরে গণমুক্তি আন্দোলন- 5 বাম দল মিলে বৃহত্তর ঐক্য বাম মোর্চা গঠন করে। যেখানে দক্ষিণপন্থী সুবিধাবাদ ও বাম হঠকারীতার পথ পরিহার করে গণআন্দোলনের ধারায় জনগণের শক্তিকে সংগঠিত করার অঙ্গীকার করা হয়। *আজ অবধ [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ৪ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১০:১৫

    *এমনিকরে গণমুক্তি আন্দোলনের ব্যানারে এবং বাসদের নিজস্ব ব্যানারে সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান ব্যক্ত করেছে। *বস্তি-হকার উচ্ছেদ; শ্রমিক ছাটাই- কারখানা বন্ধ এসবের বিরুদ্ধে জোরালো আওয়াজ বাসদ সহ অন্যান্য বামেরা তুলেছে। *তথাকথিত দুর্নীতি বিরোধী অভিযানে যখন গোটা দেশ খুশী- তখন বাসদ প্রশ্ন তুলেছে, "সমাজের অভ্যন্তরে দুর্নীতির সমস্ত আয়োজন অক্ষুন্ন রেখে এমন লোক দেখানো অভিযানে আদতে কি হবে?" যখন ব্যবসায়ীরা একের পরে এক ছাড়া পেয়ে গেলো তখনও বাসদই উচ্চকিত হয়েছে। *চাল নিয়ে সংকটের সময়ে ব্যবসা [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ৪ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১০:০০

    এবারে ইনসিডেন্টাল ব্লগারের কিছু আলোচনার দিকে দৃষ্টি দেয়া যাক। এই লোক একের পর এক মন্তব্য করে গেছেন- ওনার মন মত যখন যেটা খুশী বলেছেন- কোন বক্তব্য নিয়ে আপত্তি জানালে- সেটা থেকে সরে আরেকটি বক্তব্য তুলে ধরছেন- এভাবে মিথ্যার মায়াজাল বিস্তৃত করেছেন। অবলীলায় আতাত শব্দটি ব্যবহার করেছেন- আতাত নিয়ে আপত্তি তুললে বলেছেন- সদ্ভাবের ঘাটতি নেই- ভাগ্যের ফেরে ক্ষমতার শিকেটা ছিঁড়ে তার কিছু ভাগ পাওয়ার কথা বলেছেন- বাসদ কর্মীদের খুশীতে আত্মহারা হওয়ার কথা বলেছেন- ভ্যানগার্ডের মিউ মিউ আলোচনার কথা বলেছেন- ভ্যানগার্ডের আল [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ৪ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৮:৩৫

    এখানে বাসদকে নিয়ে গালিগালাজমূলক পোস্ট দেয়ার পরে- সেগুলো নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে- সামনে আরো করবো ; কিন্তু খুব অবাক হয়ে ও কষ্ট নিয়ে দেখলাম- আমার বক্তব্যকে খণ্ডন না করেই এক লাইনে এক ব্যক্তি, নাম আহমেদ মুনীর, মন্তব্য করে বসলেন- সেখানে জানালেন: বাসদের না-কি মুখোশ উন্মোচিত হয়ে গেছে!!!! 20 নং কমেন্টে তিনি বললেন, "লেখাটা পড়লাম । জানিনা কে এই লেখক । তবে মনেহয় বাসদকে তার ভালই জানা । মুখোশ খুলে গেছে বাসদের।" এহেন মন্তব্যের আবার যখন প্রতিক্রিয়া আসা শুরু করলো- তখন দেখা গেলো- তিনি নিজেকে একটু আড়াল করার [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ৪ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৮:০৭

    যাহোক- এখানে সাহিত্য বিষয়ে কোন কথা বলতে চাইনি- কারণ আলোচ্য পোস্ট টিকে কখনো সাহিত্য নিয়ে আলোচনার উপযোগী কিছু মনে হয়নি- একটি গালিগালাজ সর্বস্ব পোস্টে সাহিত্য সংক্রান্ত বিষয়ে কথা বলার কোন মানে হয় না বিধায় আর কিছু বলছি না- যদিও আরো অনেক কিছু নিয়েই অনেক কথা বলা যেত!! আর এতক্ষণের আলোচনাটি করলাম- শুধু এই কারণে যে- এমন কিছু আলোচনা এসে গিয়েছিল যে, সেগুলো নিয়ে না বললেই নয় বলে মনে হয়েছিল!! এবারে, উপরের অনেকের আলোচনার আরো কিছু বিষয়ে আলোকপাত করতে চাই............ [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ৪ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৭:৪৮

    টলস্টয় সম্পর্কে লেনিনের সেই বিখ্যাত মূল্যায়নের অংশ বিশেষ আপনাদের জ্ঞাতার্থে কপি পেস্ট করছিঃ "The contradictions in Tolstoy’s works, views, doctrines, in his school, are indeed glaring. On the one hand, we have the great artist, the genius who has not only drawn incomparable pictures of Russian life but has made first-class contributions to world literature. On the other hand we have the landlord obsessed with Christ. On the one hand, the remark ably powerful, forthright and sincere protest ag [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ৪ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৭:০২

    রেজাউল করিম সুমনের একটি আলোচনা এ প্রসঙ্গে উল্লেখ করছি, তিনি এক জায়গায় বলেছেন ",...‘শলোখভ থেকে শামসুর : সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন’-এর ১৯ নং মন্তব্য-প্রতিক্রিয়ায় পাওয়া গেল প্রায় কাছাকাছি মত : ‘…একজন সমাজতন্ত্রীর কাছে সবসময়ই অবশ্যই কনটেন্টের গুরুত্ব অধিক (তার মানে এই না যে — ফর্ম তার কাছে গুরুত্বহীন!!)।’ সমাজতন্ত্রী হবার যোগ্যতা আমার নেই; কিন্তু জানতে ইচ্ছে করে, একজন সত্যিকার সমাজতন্ত্রীর কি এ ধরনের খণ্ডিত ধারণা পোষণ করা সাজে? আগ্রহী পাঠক এ বিষয়ে প্রাসঙ্গিক আলোচনা পাবেন সোভিয়েত নন্দনতাত্ত্বিক আভনের [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ৪ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৬:৩৫

    আমার 19 নং কমেন্টের জবাবে ইনসিডেন্টাল ব্লগার জানিয়েছেন আমার সে আলোচনা নাকি ওনার কাছে তোলা নিক্তি পাই আনার হিসেব চাওয়ার মত শুনিয়েছে!!! অবাক হতেই হয়!!! এই লোক কি আমার আলোচনা বুঝে নি, নাকি বুঝেও নিজের খুশী মত আমার আলোচনার একটা কাল্পনিক অর্থ দাঁড় করিয়ে নিজের মতামত চাপিয়ে দিচ্ছেন?? যাহোক, আমি আমার বক্তব্য বুঝাতে ব্যর্থ হয়েছি এটা ধরে নিয়েই আমার 19 নং কমেন্টে কি বলতে চেয়েছিলাম তা আবার বিবৃত করি..... আমার সেখানকার আলোচনার অংশবিশেষ আবার তুলে দিচ্ছিঃ ".....আপনার আলোচনায় আপনি বলেছেন, “যে-কোনো সাহ [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ৪ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৪:২৩

    আমার শেষ কমেন্ট টির পরে আরো অনেকেই অনেক আলোচনা করেছেন- অনেক যুক্তি- পাল্টা যুক্তিও এসেছে দেখলাম। এখানে আর আলোচনা করার ইচ্ছা ছিল না, তবে এমন কিছু কথা এসেছে সেগুলোর ব্যাপারে না বললেই নয় বিধায় আবার বসলাম.... আমার এই কমেন্টের কয়েক কমেন্ট আগে সৈয়দ তাজরুল ইসলাম পুরো আলোচনা নিয়ে ওনার মতামত জানিয়েছেন। জানাতে গিয়ে বলছেন, "...কিন্তু অত্যন্ত পীড়াদায়ক যে বিষয়টি, তা হল সংশ্লিষ্ট আলোচনাগুলোয় কিছু কিছু ক্ষেত্রে এখন আর যুক্তির কোন বালাই থাকছে না। অনেকেই যেন দাঁত খিঁচিয়ে তাদের হিংস্র চোয়াল দেখানোতে ব্যাস্ত হয় [বিস্তারিত পড়ুন]

  • "ব্লগ": মাধ্যমটিকে যেভাবে দেখা যেতে পারে

  • মন্তব্যে: মাসুদ করিম | ২ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০৪:৩৩

    হ্যাঁ ব্লগ সম্বন্ধে এভাবে জেনে রাখাটা ভালো।আমাকে যখন প্রথম ব্লগ লিখতে বলা হয়েছিল আমি দুটো সংজ্ঞা দেখে নিয়েছিলাম, আমি তুলে দিচ্ছি এখানে, যে কারো কাজে লাগতে পারে। merriam-webster:BLOG--function-noun, Etymology-short for weblog, date-1999. : a Web site that contains an online personal journal with reflections, comments, and often hyperlinks provided by the writer; also : the contents of such a site.— blog·ger noun — blog·ging noun. britannika: BLOG--online journal where an individual, group [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: Mosharrof | ৩১ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৭:৩১

    গত কয়েকদিন যে কয়েকটি লেখা এসেছে তাতে আলোচনার ভারকেন্দ্রটি বেশ স্পস্ট হয়ে উঠছে। যারা লিখছেন তারা সাহিত্যপ্রেমী ও সাহিত্যপাঠক এবং সাহিত্য নিয়ে মার্কসবাদী বিচারধারা সম্পর্কে এক ধরনের ধারণা নিয়ে তাদের মতামত স্পস্ট করে চলেছেন। সাহিত্য বিষয়ে খুবই অল্প ধারণা আছে বলে যারা জানেন তাদের লেখা পড়েই তা বোঝার চেষ্টা করবো ভেবেছি। কিন্তু প্রাসঙ্গিক কিছু বিষয় নিয়ে যেটুকু ধারণা রাখি সেখান থেকে কয়েকটি কথা তুলে ধরার চেষ্টা করছি। বারে বারে শ্রেণী দৃষ্টিভঙ্গির কথা আসছে। সেখানে বুর্জোয়া ও সর্বহারা এ দুইটি ধারা যে [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: রেজাউল করিম সুমন | ৩১ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৪:০১

    নাদেজদা ক্রুপস্কায়া-র 'কোন্ সাহিত্য ইলিচের ভালো লাগত' থেকে প্রাসঙ্গিক অংশ : "একবার সন্ধ্যায় ইলিচের ইচ্ছা হলো দেখবেন কমিউন করে যুবজনেরা কীভাবে থাকে। ঠিক হলো উচ্চ শিল্প-টেকনিক স্টুডিও-র ছাত্রী ভারিয়া আর্মান্দের কাছে হাজির হব। মনে হয় সেটা ১৯২১ সালে ক্রপোৎকিনের সৎকারের দিন। দুর্ভিক্ষের বছর, কিন্তু তরুণদের মধ্যে উদ্দীপনা প্রচুর। কমিউনে তারা শোয় অনাবৃত তক্তার ওপর, রুটি তাদের নেই, 'তবে খুদ আছে', জ্বলজ্বলে মুখে ঘোষণা করলে কমিউন-সভ্য ডিউটি-রত ছেলেটি। নুন না থাকলেও সেই খুদ দিয়ে ইলিচের জন্য রান্না হলো [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: ইমতিয়ার | ৩০ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১০:৩৩

    খালেকুজ্জামানের সঙ্গে বিতর্কের অবকাশ থাকলেও তাঁকে ধন্যবাদ জানাই এজন্যে যে, অন্তত একজন রাজনীতিক পাওয়া গেল যিনি শামসুর রাহমানের জীবন ও কবিতা নিয়ে চিন্তা করেছেন এবং এত বড় একটি রচনা দাঁড় করিয়েছেন। তা ছাড়া সামগ্রিকতার দিক থেকে তিনি শামসুর রাহমানকে অবমূল্যায়ন করেছেন বলে তো মনে হচ্ছে না! পথিকৃৎ পত্রিকাটি আমারও কোনও সময় দেখা হয়নি। তবে কোলকাতার দ্বি-মাসিক পত্রিকা জেনে অনুমান করছি, এটি সেখানকার এসইউসিআই রাজনৈতিক দলটির প্রভাবযুক্ত কোনও সাহিত্য পত্রিকা হতে পারে। এই সূত্রে মনে পড়ছে, আশির দশকে সাপ্তাহিক ব [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: সৈকত আচার্য | ২২ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৮:০৯

    মোশারফ আপনার লেখাটা ভাল ভাবে পড়তে পারছি না । কোন ভাবে কি আবার চেষ্টা করা যায়। তাহলে সবাই পড়তে পারবে ।ব্লগ এডমিনের হেল্প নিতে পারেন মনে হয়। আর কেউ কি হেল্প ক রতে পারেন? [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: মাসুদ করিম | ২২ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৪:২৬

    একটি বিশেষ অনুরোধ প্রবীর পালের হুমায়ুন আহমেদের সাক্ষাৎকার বিষয়ক লেখাটি নিয়ে মন্তব্য করুন না একটু। অসুন না একজন জীবিত লেখকের বিচার করি। সবাই আসলে খুশী হব। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: pothik | ২২ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:৫৪

    blog admin vai apni bodhoy gulie flechen. ami pothik(choddo nam). ami apnake ei mail id theke mail korchi, namta check kore neben. ami r subrata bondhu, class met, business partner, eki office-e boshi, ebong oder rajniti kinchit jani. amader mailing id-r nick ek(valo kore kheyal koren, vinno kichu paben) amader others partner-dero, eta amader business indentification. amra eki shathe thaki fole bujhtei parchen ip ek hobe, (you are welcome here to visit us). tobe 27 no. er bangla pothik r ami [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: মুক্তাঙ্গন | ২২ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১১:৫৫

    thanks শান্ত। মোশাররফ, আপনি বাংলা কীবোর্ড লেআউট help পাতাটাও দেখতে পারেন। আমরাও বিষয়গুলো আরেকটু সহজ করার চেষ্টা করছি। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ২২ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১১:২১

    আপনি কি ফোনেটিকে লেখার চেস্টা করেছেন? ফোনেটিকে লিখতে চাইলে কিছু টিপসঃ আ-কার (a), ই-কার (i), ঈ-কার (ii), ঐ-কার (oi), ঔ-কার (ou), এ-কার (e) এসব অক্ষর টাইপ করার পরে টাইপ করেন। zemn =যেমন,: কীবোর্ড ঠিকভাবে কাজ না করায় কিছু শব্দ বুঝতে সংকটে পড়তে পারেন, সেজন্য দুঃখিত= kiibor+d thikvabe kaj na kray kiCu shb+D bujhTe sngkte pRTe paren sejnY DuHkhiT. [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: মুক্তাঙ্গন | ২২ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১০:৫২

    সুব্রত: >ইন্সিডেন্টাল ব্লগার কি আপনার কাছের জন? >>মনে হচ্ছে আপনি site admin এর সাথে individual post writer দের গুলিয়ে ফেলছেন। মুক্তাঙ্গন একটি community blog platform (eg, shachalayatan, somewherein, drishtipat),,,,,কোন একক ব্লগারের personal blog না [যেমন mash, shadakalo, dhaka shohor]। তাই যে কোন পোস্টের বক্তব্য পোস্ট লেখকদের নিজের, দায়দায়িত্বও তাদের,,,,মুক্তাঙ্গন সেখানে responsibility share করেনা বা বাধ্য না হলে interfere করেনা। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ,,,, free s [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: mosharrof | ২২ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৯:২৫

    (লেখার ফন্ট ঠিক করা হলো।) কিছুদিন ধরে উপরোক্ত আলোচনা চলছে। সকলে যেহেতু একই চিন্তার নন এবং মুক্ত চিন্তার সেহেতু এখানে পক্ষ বিপক্ষ আসার কথা ছিল না। কিন্তু বাস্তবতা এমন একটি জায়গায় দাঁড় করিয়েছে আমাদের যে আমরা কোন না কোনভাবে একটা পক্ষে পড়ে যেতে পারি। তবে আমার মতো আরো কয়েকজন ইতিমধ্যে বাসদ কর্মী হিসেবে অপবাদ নিয়েছেন! তবে বাকীদের একটা সুবিধে আছে তাদের সকেল একই চিন্তার ধারক নন। আলোচনায় অনেকে তাদের বাসদ বিরোধী কিংবা বিদ্বেষী হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। কিন্তু আমাদের দেশের বাস্তবতায় তাদের কেহ ধনীর শাসন চা [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: mosharrof | ২২ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৮:০৩

    would you please visit www.vanguardonline.info to know about the position of Socialist Party of Bangladesh? [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: সুব্রত | ২২ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৪:৪৯

    ভালোই নোংরামি শুরু হয়েছে দেখছি। 27 এর পথিক আমি হই কি করে? আমিও ADMIN এর দৃষ্টি আকর্ষণ করিছ। আপনি আমাকে মেইল করে জানিয়েছেন, এখানে দেয়া ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করা হয় না। তাহলে আমার মেইলিং আইডি 27 নং-এর উত্তরকারী পেলেন কি করে? আর ইন্সিডেন্টাল বব্লগারই বা তা আগাম জানতে পারলেন-ই কি করে? আমিতো এই তথ্য পাচ্ছি না, যে আমার মেইল আই ডি ব্যবহার করে 27 নং-এর জন উত্তর করেছেন। ইন্সিডেন্টাল ব্লগার কি আপনার কাছের জন? আমিতো আমার আর পথিকের সময়ের দিকে তাকিয়েও কোন clue পাচ্ছি না। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: অস্মিতা | ২১ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ১১:৩২

    @শান্ত এই নির্বাচন বা সংলাপে অংশ নেয়া তাদের কৌশলগত অংশ মাত্র- . . . . . কিন্তু জনগণ যতক্ষণ এ ধরণের অনুষ্ঠানগুলোর প্রতি আস্থাশীল সেই সময়ে সেগুলো থেকে মুখ ফিরিয়ে রাখাটা জনবিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ারই নামান্তর। ======== . . .কি অসাধারন যুক্তি !! এই সেনা সমর্থিতদের সাথে নির্বাচন সংলাপ করে জনগণের “কাছাকাছি” যাওয়া যাবে !! এত বছর রাজনীতি করে এই শিখলেন? সত্যি? এই সেনা সরকারের অধীনে নির্বাচনে জনগন “আস্থাশীল” এই তথ্য আপনাদের কে দিল? সত্যি বড় অবাক হলাম , চিন্তিতও হলাম। বহুমূখী প্রত [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: অলকেশ | ২১ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৬:১০

    @ সুব্রতঃ আপনি আমার প্রশ্নের উত্তর দেন নি । আপনি যা ভাবেন তা একই ভাবে আরেকজন ভাববে এটা কেন আশা করছেন ? মুক্ত মন নিয়ে আলোচণা করলে আপনি এই ভাবে সিদ্ধান্ত টানতে পারতেন না । এখন মনে হচ্ছে আপনি জাজমেন্টাল হয়ে গেছেন । এতে বুদ্ধি ঘুলিয়ে যায় । পক্ষে বিপক্ষের লোক খুজতে গিয়ে আপনি আলোচণার মূল সুর থেকে সরে এসেছেন । কেবল ভাবাবেগ দিয়ে মূল প্রসংগ আড়াল করার চেষ্টা করেছেন । এটা ভাল লক্ষন নয় । আপনি দেখেছেন যে এই আলোচণায় একটা সুন্দর ডিবেটের সুযোগ ছিল । এইসব একপেশে ভাবনা আপনার চিন্তা দখল করে থাকায় আপনি ও একটা ছকে [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: সৈয়দ তাজরুল হোসেন | ২১ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:৫৪

    রেজাউল করিম সুমনকে অনেক ধন্যবাদ তার চমৎকার মন্তব্যের জন্য। এ থেকে মনে হয় অনেকেই পাঠ নিতে পারেন একজন লেখক পাঠককে জোর করে তেতো বড়ি গেলানোর চেষ্টার মতো না করেও কি ভাবে বলিষ্ঠভাবে নিজের মত প্রকাশের পাশাপাশি অন্যের মতের বিরোধিতা করতে পারেন। ইন্সিডেন্টাল ব্লগারের শলোকভ থেকে শামসুরঃ সমাজতান্থিক অবমুল্যায়ন, লেখাটি পড়ে দু’একটি জায়গায় আমারও খটকা লেগেছে, সবজায়গায় লেখকের মতের সঙ্গে একমতও হতে পারিনি। লেখাটির শুরুতেই তিনি সমালোচক হিসেবে জনাব খালেকুজ্জামানের যোগ্যতার ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেছেন। আমি মনে করি যে কো [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: অস্মিতা | ২১ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:৫০

    প্রথমেই মুক্তাঙ্গনকে ধন্যবাদ দেবো এরকম সময়োপযোগী একটি বিষয়ে আলোচনা-সমালোচনার সূত্রপাত করার জন্য। দ্বিতীয় ধন্যবাদটি ইনসিডেনটাল ব্লগারের প্রাপ্য। যে কথাগুলো অনেকদিন ধরে মনে মনে ভেবে ক্ষুব্ধ এবং ব্যথিত হয়েছি, তার কয়েকটি অত্যন্ত স্পষ্ট ভাষায় সাহসের সাথে উচ্চারনের জন্য। নানা কারনেই এই পোস্টটি লিখতে হচ্ছে একটু ভয়ে ভয়ে। কেন ভয় পাচ্ছি তা খোলাসা করে বলি। আমাদের এই দুর্ভাগা দেশে কোনো রাজনৈতিক দল সম্পর্কে যে কোন ধরনের সমালোচনায় অংশগ্রহণ করা প্রায় সবসময়ই বিপদজনক। রাজনৈতিক পান্ডাদের হুমকি ধামকি, নানা পদের, র [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২১ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:৪০

    সরকারের হাবভাব দেখে ভয় হয় আগামী দিনগুলোতে ব্যাপক হারে কালো আইনগুলোর প্রয়োগ হতে পারে। অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোকে যেহেতু জিজ্ঞেস করার সুযোগ নেই, কেউ বলতে পারেন এ বিষয়ে বাসদ কি ভাবছে ? কোন তথ্য বা লিনক্ দিতে পারেন কেউ ? [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: সহজ কথন | ২১ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:০৩

    কোনো রকম ব্যাখ্যা, যুক্তি ছাড়াই যিনি বলেছেন, রবীন্দ্রনাথ বাজে কথার ফুলঝুড়ি চাষ করেছেন, শরৎচন্দ্রের শিল্পশৈলী গোকির চেয়ে উন্নত ইত্যাদি ইত্যাদি।-- আপনার কাছ থেকেও কোন ব্যাখ্যা নেই, সুব্রত সাহেব। আমাদের সুবিধার জন্য আপনার নেতার বিশ্লেষণ কি তুলে ধরবেন। গোকি নিয়ে দেখি আপনার কোনো মন্তব্য নেই!!! মিথ্যাচার কারা করে, এখানে কারা করছে তা পরিষ্কার আমাদর কাছে। পরিষ্কার না হলে, চেষ্টা করব পরিষ্কার করার জন্য, ষড়যন্ত্রের গন্ধ খুঁজব না। মুনির সাহেব পাল্টালেন-- এটি আপনার কিভাবে মনে হলো? উনিতো আপনাদ [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: সুব্রত | ২১ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১০:০১

    "কোনো রকম ব্যাখ্যা, যুক্তি ছাড়াই যিনি বলেছেন, রবীন্দ্রনাথ বাজে কথার ফুলঝুড়ি চাষ করেছেন" আমার যতদূর মনে পড়ে শিবদাস ঘোষ শেষের কবিতার সমালোচনা করতে গিয়ে সেখানকার চরিত্র, তাদের সম্পর্কের ধরণ এবং পরিণতির আলোচনা সেরে, যুক্তি উত্থাপন করে- "বাজে কথার ফুলঝুড়ি চাষ করেছেন" এমন উক্তি করেছেন। কোন রকম ব্যাখ্যা, যুক্তি ছাড়াই বলেছেন এমন নয়। কিন্তু আপনারাও যে দলভেদে মিথ্যে বলছেন, তারই বা কারণ কি? মিথ্যা প্রমাণ হয়ে গেলে সুর পাল্টে ফেলছেন। ইন্সডেন্টাল ব্লগারও তাই করছেন অহরহ। মুনির ভাইতো মাত্রই পাল্টালেন। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: পথিক | ২১ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৯:২৯

    "বাসদ এর সাহিত্য রুচির ধারা ও এর মৌলবাদী চিন্তা প্রবণতা নতুন না।"বাসদ এর মৌলবাদী চিন্তা প্রবণতা গুলো বিস্তারিত বলবেন কি? [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: সহজ কথন | ২১ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৬:২২

    সুমনকে ধন্যবাদ তাঁর সুন্দর মন্তবের জন্য। বাসদ এর সাহিত্য রুচির ধারা ও এর মৌলবাদী চিন্তা প্রবণতা নতুন না। জ্দানভ্ এদের গুরু। ইতিহাসে নজির আছে, এরা কিভাবে কালজয়ী কবিতা, উপন্যাস, চলচ্চিত্র ইত্যাদি শ্রমিক শ্রেণির বিপক্ষে, রাষ্ট্রের বিপক্ষে গণ্য করে বাতিল করেছে, অত্যাচার করেছে। এ উপমহাদেশে এদের গুরু শিবদাস ঘোষ। কোনো রকম ব্যাখ্যা, যুক্তি ছাড়াই যিনি বলেছেন, রবীন্দ্রনাথ বাজে কথার ফুলঝুড়ি চাষ করেছেন, শরৎচন্দ্রের শিল্পশৈলী গোকির চেয়ে উন্নত ইত্যাদি ইত্যাদি। এদের আরেকটি গুণ-- সব সময় ষড়যন্ত্রের গন্ধ খুঁজে [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: নাঈম | ২০ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ১০:০৩

    ইতোমধ্যে শান্ত, মাসুদ করিম, অলকেশ, পথিক, আহমেদ মুনির, ওয়াচার, সুব্রত, রেজাউল করিম সুমন -- অনেকে মিলে অনেক কথা বলেছেন। ইনসিডেন্টাল নামে যিনি লিখছেন, তিনিও আমার 22 নং প্রতিক্রিয়ার জবাবে কিছু কথা লিখেছেন। শান্ত মূলত বাসদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে এবং সুব্রত সাহিত্য-বিষয়ে দীর্ঘ বিতর্ক করেছেন। সবশেষে অলকেশ ও রেজাউল করিম সুমন সাহিত্য-বিচার-সম্পকে বেশ কিছু প্রশ্ন তুলেছেন। প্রথমেই বলে রাখি, আলোচনার সূত্রপাত সাহিত্য-বিচার। কিন্তু রাজনীতি এসে গেছে। সাহিত্যের আলোচনায় রাজনীতি আসতেই হবে -- এটা আমার নিজের ম [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: আহমেদ মুনির | ২০ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:৫৮

    ইনিসডেন্টাল ব্লগারের 'শলোখভ থেকে শামসুর : সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন' পড়ে গত ১৭ জুলাই আমি যে-মন্তব্য করেছি অনেকেই তাতে হতাশ হয়েছেন। কয়েকজন বন্ধুর মন্তব্য পড়ে তেমনটাই মনে হলো। বাসদের মুখোশ উন্মোচনের ব্যাপারে আমি যে-মন্তব্য করেছি তাতে সংগত কারণেই আমাকে ভুল বুঝবার যথেষ্ট কারণ আছে। আসলে বাসদের সাহিত্য-রুচি যে এমনই আমি সেটাই বলতে চেয়েছি। ইনসিডেন্টাল ব্লগারের সব মন্তব্যের সাথে আমি একমত নই। তবে ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে জানি, প্রগতিশীল সাহিত্য বলতে বাসদের উপরের স্তরের নেতৃবৃন্দ যা বোঝেন তা অনেকটা [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: রেজাউল করিম সুমন | ২০ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:০৭

    ১২ জুলাই তারিখে প্রকাশিত 'শলোখভ থেকে শামসুর : সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন' শিরোনামে ইনসিডেন্টাল ব্লগার-এর একটি লেখাকে ঘিরে গত এক সপ্তাহ ধরে মুক্তাঙ্গনে তর্ক-বিতর্ক জমে উঠেছে। কলকাতার 'পথিকৃৎ' সাময়িকপত্রে (বর্ষ ৪৪ সংখ্যা ১, সেপ্টেম্বর ২০০৬) মুদ্রিত এবং পরবর্তীকালে ঢাকা থেকে চারণ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র কর্তৃক প্রকাশিত (প্রথম প্রকাশ : ১৬ ফেব্রুয়ারি ২০০৭, দ্বিতীয় মুদ্রণ : ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৭) খালেকুজ্জামানের 'শামসুর রাহমান স্মরণে' শীর্ষক লেখাটির পাঠ-প্রতিক্রিয়া হিসেবে ইনসিডেন্টাল ব্লগার এই পোস্টটি লিখেছেন। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: সুব্রত | ২০ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১২:১০

    বিনয়ী হয়ে থাকতেই ইচ্ছে করছে। কিন্তু কথা হচ্ছে- আমি বিনয়ী না। ইন্সিডেন্টাল ব্লগারের কোন কথারই জবাব দেয়ার প্রয়োজন আমি বোধ করিনি। এরকম অসংস্কৃত, অভব্য এবং কুরুচিপূর্ণ লেখার জবাব দেয়ার প্রয়োজন আমি কখনই বোধ করিনি। কিছু কথা বলতে চেয়েছি শুধু আরো দশজন যারা পড়তে ঢুকবে তাদের সাথে যেন অন্তত একটা সত্যিকার অর্থেই বিতর্ক হতে পারে সেটুকু মাথায় রেখে। কোন সন্দেহ নেই আপনি ইন্সিডেন্টাল ব্লগারের থেকে অনেক দক্ষ মানুষ। একই কথা ঘুরিয়ে আরো গ্রহণযোগ্য করে বলার সামর্থ আপনি যে রাখেন সেটা স্পষ্ট। কিন্তু দাঁড়ালেন [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: অলকেশ | ১৯ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৭:৩১

    @ সুব্রতঃ আপনার লেখাটা এক কথায় অপূর্ব । তার কারন হিসেবে বলতে হয়, আপনার আবেগের সংযম । প্রকাশ ভংগীমায় মনের সারল্য ও বিনয় । ইন্সিডেন্টাল ব্লগার কি ভাবে কি বলেছে, তার চাইতেও কি বলতে চেয়েছে তার উপর জোর দিয়ে কিছু গঠনমূলক সাহিত্যিক-রাজনৈতিক আলোচনার সূত্রপাত করে অন্যদেরকে পথ দেখিয়েছেন । যা হোক, নিজের মতটা বলি। ইন্সিডেন্টাল ব্লগারের আলোচনায় একটা বিষয়ের ইঙ্গিত আছে । এটা আমার নিজের উপলদ্ধি । সেটা হল যখন কেউ কারো সম্পর্কে কোন বিষয়ে তার 'উপলদ্ধির বা বোধের ঘাটতি' আছে বলে দাবী করেন তখন প্রথমে দেখতে হবে আসলে ত [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: সুব্রত | ১৮ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ১০:৫৫

    শান্তর এত বিস্তারিত আলোচনার পরেও মুনির ভাইয়ের মনে হল- বাসদের মুখোশ খুলে গেছে? বিষয়টা কি- ঊট পাখির বালিতে মুখ গুঁজে নিজকে লুকনোর মতো হয়ে গেল না? অথবা সেই বোকা কাকটা, যে নিজের চোখ বুজেঁ চুরির মাল লুকিয়ে ভাবে অন্য কেউ দেখতে পেল না। তাতে এখন মনে হচ্ছে শান্তর পুরো শ্রমটাই পণ্ড। তবুও আমারও দু ছত্র লিখতে ইচ্ছে করছে। একটা মানুষের সাথে আমার মতের বিরোধতো থাকতেই পারে তাই বলে এরকম চোখ বন্ধ হয়ে আসা মানুষ দেখলে কষ্ট লাগে। তাও এমন দারুন মানুষটারও এই অবস্থা দেখলে। ব্যক্তিগত ক্ষোভ বিক্ষোভ কি এতটাই [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: মাসুদ করিম | ১৮ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৫:৪৬

    খুব সম্ভবত 'পথিকৃৎ'পত্রিকাটি পশ্চিম বাংলার 'এস ইউ সি'র সাহিত্যিক মুখপত্র। 'এস ইউ সি' ও 'বাসদ'এর রাজনৈতিক মতাদর্শিক মিল রয়েছে,কাজেই এটা খুবই স্বাভাবিক যে পত্রিকাটি খালেকুজ্জামানের কাছেই লেখা চাইতে পারে।আর খালেকুজ্জামানের লেখাটির নাম 'শামসুর রাহমান স্মরণ' এবং লেখাটি পড়ে আমার মনে হয়েছে খালেকুজ্জামান সঙ্গতভাবেই বাংলাদেশের এই মহান কবিকে স্মরণ করেছেন। রাহমানের যেসব কবিতার উল্লেখ তিনি করেছেন,আর তিনি আসলে রাহমানের কবিতার অনবরত উল্লেখের মাধ্যমেই তার লেখাটি তৈরি করেছেন,সেসব কবিতা রাহমানের মনোযোগী পাঠক অ [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: নাঈম | ১৮ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৫:৪৬

    আমরা এমন একজন সমালোচকের লেখা ধরে তর্ক-বিতর্ক করছি, যিনি (১) সাহিত্য, কবিতা, ছন্দ ইত্যাদি সম্পর্কে বকলম। যিনি নির্দ্বিধায় বলতে পারেন _ আধুনিক কবি হিসেবে শামসুর রাহমানের কবিতা যে ছন্দ নির্ভর নয়, .... .... আর আধুনিক কবিতা পাঠকের কাছে কবিতার আবেদনের পেছনে যে ছন্দই প্রধান নয় ... ... ইত্যাদি ইত্যাদি_ আর যাই হোক তিনি কবিতা বা ছন্দের যে কিছুই বোঝেন না আমি সে বিষয়ে পুরোপুরি নিশ্চত। শামসুর রাহমান বেঁচে থাকলে বলতেন, 'থ্যাংক গড, আমি আধুনিক কবিতা লিখি না।' আর আমরাও বেঁচে গেছি, আমাদের আধুনিক কবিতা পড়তে হয় ন [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ১৭ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৭:৩৭

    আহমেদ মুনির, আমিও জানিনা কে এই লেখক, জানিনা কে আপনি, কারা আপনারা, কাদের এই ব্লগ?? শুধু এটুকু বুঝলাম- আপনাদের কেউ কেউ বাসদের পেছনে উঠে পড়ে লেগেছেন, আর কেউ কেউ সমানে বাহবা দিচ্ছেন ! যেমন বাসদের কল্পিত মুখোশ খুলতে পেরে আপনার কত উল্লাস!!! এটা আমিও মনে করি না যে, বাসদকে নিয়ে কোন সমালোচনা করা যাবে না। যেকোন দলকে নিয়ে, যে কাউকে নিয়েই সমালোচনা হতে পারে। কিন্তু সমালোচনা এক জিনিস আর কুৎসা রটানো আরেক!! আর এটা নিশ্চয়ই জানা আছে যে, যেকোন অভাব অভিযোগ হাজির করার সময় যথেস্ট তথ্য-প্রমাণ সহকারেই করতে হয়- [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ১৭ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৭:২৪

    রামায়ন পাঠ করে এমন প্রশ্ন যেমন অনেকে করে যে, "সীতা কার বাবা"- তেমনি সপ্ত খণ্ড রামায়ন পড়ে কেউ কেউ দাবী করে ফেলে রামায়নের মূল ঘটনাক্রম ভরতকে কেন্দ্র করে আবর্তিত- তথা ভরতই রামায়নের মূল চরিত্র!!! একটি প্রমাণহীন, অসত্য, মনগড়া, ব্যক্তিগত রাগ-ক্ষোভ-আক্রোশ ও অভিযোগে ভরা প্রবন্ধকে শেষে জোর গলায় "সাহিত্যিক অবমূল্যায়নের মৌলবাদী প্রবনতা" মূলবক্তব্য বলে দাবী করলেই কি তা হয়ে যায়?? [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: অলকেশ | ১৭ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৭:১৭

    @ আহমেদ মূনিরঃ আমার কাছে মনে হয়েছে বাসদ আমাদের দেশের প্রগতিশীল ও গণতান্ত্রিক শক্তির সামনের সারির একটি নিবেদিত দল । স্বৈর-শাসন বিরোধী আন্দোলনে এর অসাধারন প্রকাশ ঘটেছিল । মৌলবাদ বিরোধীতা এবং অসাম্প্রদায়িক সমাজ গঠনে এই দলের আন্দোলন এবং কর্মসূচী অনেক বেশি এবং অনেকের চেয়ে বেশী স্পষ্ট ও সুনির্দ্দিষ্ট বলে মনে হয়েছে । আমার বিশ্বাস বলছে আপনি এই প্রগতির শক্তিকেই হয়তো অন্য কোন প্লাটফর্ম থেকে এগিয়ে নিতে চান । ইনসিডেণ্টাল ব্লগার ও নিশ্চয় এই ধারার একজন শক্তিশালী প্রতিনিধি । তিনি সাহিত্য সমালোচনায় স [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: bilal | ১৭ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:২৬

    কমরেড #রামায়ন পড়াবার মধ্যিখানে সীতা যেন কার বাবা সেটাও একটু বইলেন,,, [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: আহমেদ মুনির | ১৭ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ১২:৩৬

    লেখাটা পড়লাম । জানিনা কে এই লেখক । তবে মনেহয় বাসদকে তার ভালই জানা । মুখোশ খুলে গেছে বাসদের। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ১৭ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১০:৪৫

    খালেকুজ্জামানের 7পৃষ্ঠার আর্টিকেল থেকে আপনি শেষের দিকের 3টি প্যারা তুলে দিয়ে খালেকুজ্জামান কৃত অবমূল্যায়ন দেখাতে চেয়েছেন!! আপনার দেয়া 3টি প্যারার মধ্যে 1টি প্যারার আলোচনার জন্য আবার ধন্যবাদও জানিয়েছেন। সুতরাং, এই আলোচনায় আপনি মূলত তুলে ধরেছেন 2টি প্যারা- যেদুটিতে আপনি আপত্তি খুজে পেয়েছেন। কিন্তু আপনার আপত্তিও যখন জানিয়েছেন- সেটি কিন্তু সঠিক পন্থায় নয়, কোন সাহিত্য মূল্যায়নকে অবমূল্যায়ন হিসাবে প্রতিপন্ন করতে হলে সেই মূল্যায়নের কোন কোন জায়গায় কি সমস্যা- কোথায় দ্বিমত, সেগুলো তুলে ধরাই শ্রেয়; কিন্তু [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ১৭ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৫:৩৯

    আপনি লিখেছেন, "...আধুনিক কবি হিসেবে শামসুর রাহমানের কবিতা যে ছন্দনির্ভর নয়, সে কথা না-ই বা তুললাম। আর আধুনিক কবিতার পাঠকের কাছে কবিতার আবেদনের পেছনে যে ছন্দই প্রধান নয়, কমরেড খালেকুজ্জামানের মতো একজন বোদ্ধা পাঠককে সেটি মনে করিয়ে দেয়া হয়তো একটু ধৃষ্টতাই হয়ে যাবে। সুতরাং সে চেষ্টাও করবো না।" খালেকুজ্জামানের যে আলোচনার প্রেক্ষিতে এটি বলেছেন- সেটি হলোঃ "বিনীত, মার্জিত, মৃদুভাষী কবি শামসুর রাহমান বিশ্বাস করতেন ‘কবিতা মানুষের মনকে পরিশীলিত করে।’ এটা ঠিক যে কবিতার ছন্দ মানুষের মনকে দোলায়িত করে। কিন [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ১৭ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৫:০৫

    এরপরে পথিকৃৎ পত্রিকা নিয়ে কিছু কথা বলেছেন- এই পত্রিকা কেন খালেকুজ্জামানের কাছ থেকে এই লেখাটি/মূল্যায়নটি আহবান করেছে- সেটি আপনার কাছে যথেস্ট কৌতুহলোদ্দীপক!!! এই কৌতুহলোদ্দীপনের পেছনে যে একজন রাজনীতিবিদের, বিশেষ করে একজন সমাজতন্ত্রীর সাহিত্যালোচনা নিয়ে আপনার একধরণের এলার্জী আছে- সেটি বুঝতে বেগ পাওয়া যায় না। সেটা পরবর্তীতে আপনার "শ্রেণীপ্রভাব" নিয়ে ব্যঙ্গবিদ্রুপ এবং পরবর্তীতে সোভিয়েত স্থানীয় বিদ্যুৎ কেন্দ্রের পরিচালককে সাহিত্য বিচারের দায়িত্ব দেয়ায় নাখোশ হওয়ার ঘটনায় বুঝা যায়!!!! একজন সমাজতন্ত [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ১৭ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৪:৩৬

    আপনার পোস্টের শিরোনাম এবং শুরুর কয়েক লাইন পড়ে প্রথমে ভেবেছিলাম- একটি সাহিত্যালোচনা পড়তে যাচ্ছি- যেটি মূলত খালেকুজ্জামান কর্তৃক শামসুর রাহমানের উপর মূল্যায়নকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হবে এবং সেই আলোচনা/মূল্যায়নের সীমাবদ্ধতা, সমস্যা-সংকটগুলো উঠে আসবে। কিন্তু আপনার পোস্ট যতই এগিয়েছি- ততই হতাশ হয়েছি, সেখানে সাহিত্য সমালোচনার বাইরে গিয়ে মিথ্যা-ভিত্তিহীন অভিযোগের বন্যা বইয়ে দিয়েছেন সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক ভাবে!! ফলে, আপনার 3000 শব্দের এই কথামালায় সাহিত্যালোচনা খুজে পেতে পরে অণুবীক্ষণ যন্ত্র দিয়ে খুঁজতে হয়!!! [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ১৭ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৪:০৮

    [b]সমাজতান্ত্রিক বিচারের নামে “সাহিত্যিক অবমূল্যায়নের মৌলবাদী প্রবণতা” বোঝাতে প্রায় ৩০০০ শব্দের এই পোস্টটি লেখা হয়েছে।[/b] ====>>>>>>> আপনি একজায়গায় লিখেছেন এই পোস্টের মূল বক্তব্য “সাহিত্যিক অবমূল্যায়নের মৌলবাদী প্রবণতা” এবং এখন বললেন 3000 শব্দের এই পোস্টটি লিখেছেন “সাহিত্যিক অবমূল্যায়নের মৌলবাদী প্রবণতা”বোঝাতেই!!!! আপনার এই পোস্ট আদ্যপান্ত কয়েকবার পরেও সেটা না বুঝতে পারার অক্ষমতা স্বীকার করে নিয়েই আপনার কাছে অনুরোধ করছি- এই “সাহিত্যিক অবমূল্যায়নের মৌলবাদী প্রবণতা” বিষয় [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ১৬ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:৪৬

    আপনি বলেছেন, "...সবশেষে বলতে হয়–এতো কথা লিখেছেন আপনি, কিন্তু আমার পোস্টটির মূল বক্তব্য “সাহিত্যিক অবমূল্যায়নের মৌলবাদী প্রবণতা” সম্বন্ধে আপনাকে কিছুটা নিরবই মনে হল! আমার ভুলও হতে পারে।" ==>>>>> আপনার পোস্টের মূল বক্তব্য কি “সাহিত্যিক অবমূল্যায়নের মৌলবাদী প্রবণতা”?? “সাহিত্যিক অবমূল্যায়নের মৌলবাদী প্রবণতা” মানে কি??? [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: মুক্তাঙ্গন | ১৬ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:২৮

    অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়ে আলোচনা চলছে। আমরা সবাই তা উপভোগ করছি, অনেক কিছু জানতেও পারছি। ব্লগারদের এবং মন্তব্যকারীদের সবার প্রতি সনির্বন্ধ অনুরোধ: ১। আলোচনাকে পোস্টের বিষয়বস্তুর (যথা: সমাজতান্ত্রিক সাহিত্য বিচার) নিরিখে প্রাসঙ্গিক রাখার চেষ্টা করুন; এবং ২। ব্যক্তিগত আক্রমণ করা থেকে বিরত থাকুন। এত সব বিচক্ষণ এবং যৌক্তিক মানুষের সমাবেশে তার মনে হয় কোন প্রয়োজন নেই। এই ব্লগ মডারেট করা হয়না। যার অর্থ প্রত্যেকে স্বাধীনভাবে মন্তব্য করতে পারেন এখানে কারো সম্মতির অপেক্ষায় না থেকে। সাহায্য করুন সে [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ১৬ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:১৬

    এমনকি দেখুন- বন্যার সময়েও ভ্যানগার্ডের যে রিপোর্ট- সেখানেও সরকারের ভূমিকা-পদক্ষেপের নানা সমালোচনা করে উপসংহারে জানাচ্ছেঃ "....বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ঘোষণা দিয়েছেন তার সরকার দেশের জনগণকে বন্যার আক্রণ থেকে বাচাতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবে। কিন্তু গত 7 মাসে এদের কার্যক্রম যারা লক্ষ করেছেন তারা বুঝবেন, এ সরকার অন্যদের মতই দেশী-বিদেশী পুঁজিপতিদের স্বার্থরক্ষাই তাদের কর্তব্য বলে স্থির করেছে। বন্যায় তো মরে হতদরিদ্র অসহায় মানুষেরা, ক্ষতিগ্রস্তও হয় কৃষক ক্ষেতমজুর সহ বিত্তহীন মানুষে [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ১৬ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ১২:১০

    খালিশপুর, সিরাজগঞ্জ, চট্টগ্রাম এ পাটশিল্প ধংস করে একের পর এক যখন মিলগুলো বন্ধ করা হচ্ছিল, গীতি আরা সাফিয়া যখন 18 জুলাই রোডম্যাপ ঘোষণা করে, যখন 14 হাজার শ্রমিকেরো বেশী শ্রমিক ছাটাই করা হয়েছিল- এবং আরো অনেক শ্রমিককে ছাটাইএর প্রক্রিয়া চলছিল- তখন বাসদ সহ বামরাই এর প্রতিবাদ করেছিল। ভ্যানগার্ডের আগস্ট সংখ্যার এই আর্টিকেল পড়ে দেখুনঃ http://www.vanguardonline.info/vanguard/Aug-2007/2.pdf ভ্যানগার্ড তার সীমিত শক্তি নিয়ে দেশবাসীর কাছে ঘটনাগুলো তুলে দেয়ার চেস্টা করেছিল। সিরাজগঞ্জ সহ কয়েকজায়গায় বাসদ ভিতর [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ১৬ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১১:৫৭

    1/11 পট পরিবর্তনের পরে জরুরী অবস্থার খবরদারীর মধ্যে 4 মাস পর ভ্যানগার্ড প্রকাশিত হয় এপ্রিলে। সেই সংখ্যাতেই সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অভিযান সম্পর্কে একটি লিড আর্টিকেল একটু পড়ুনঃ লিংকঃ http://www.vanguardonline.info/vanguard/Apr-2007/1.pdf এটা পড়ার ক্ষেত্রে এ বিষয়টিও মনে রাখবেন সে সময়ে গোটা দেশ সরকারের দুর্নীতিবিরোধী অভিযানে দারুন খুশী- দুর্নীতিবাজ রাজনীতিবিদদের একের পর এক ধরা হচ্ছিল, সেই খবর ফলাও করে সমস্ট মিডিয়াতে ছাপা হচ্ছিল। বাসদ/ ভ্যানগার্ড ই প্রথম সেই অভিযান নিয়ে ভিন্ন আলোচনা হাজির করেছিল!! [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ১৬ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১১:৪৭

    5। আপনি বলেছেন, .....দেখেছি ভ্যানগার্ডের পাতায় পাতায় কেমন এক ধরণের মিউ মিউ করা ভারসাম্যরক্ষার সুর; সামরিক সরকারকে চটাতে না চাওয়ার চেষ্টা। ...... =======>>>>>>>>> ভ্যানগার্ডের এই আর্টিকেলটি পড়েন- তাহলে সরকার সম্পর্কে বাসদের অবস্থান বুঝতে পারবেনঃ http://www.vanguardonline.info/vanguard/Feb-2008/1.pdf [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ১৬ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১১:২৯

    4.আপনি বলেছেন, .....কিসের ভিত্তিতে বাসদ বৈধতাহীন এ সরকারের তথাকথিত দূর্নীতিবিরোধী অভিযানকে শুরু থেকে প্রচ্ছন্ন সাধুবাদ জানিয়ে এসেছে ? কিসের ভিত্তিতে এই বৈধতাহীন সরকারের কাছেই দূর্নীতিগ্রস্তদের বিচারের দাবী নিয়ে গেছে বাসদ? =========>>>>>>>> আপনি বাসদের কোন আলোচনায়-বক্তব্যে দেখলেন যে দুর্নীতিবিরোধী অভিযানকে সাধুবাদ জানিয়ে এসেছে??? এ ধরণের মনগড়া অভিযোগের মানে কি? সংলাপে যাওয়া ঠিক হয়েছে কি না সেটি নিয়ে আলোচনা হতে পারে- তবে সেখানে গিয়ে দুর্নীতিগ্রস্তদের বিচারের দাবী ন [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ১৬ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১০:৫৯

    @ইনসিডেন্টাল ব্লগার, 1। আপনি বলেছেন, ...."-আপনি লিখেছেন: “কোথায় পেলেন যে- বাসদ কর্মীরা এই সরকারের পদক্ষেপে দারুন খুশী????” ‌‌‌– ‌‌আমার লেখার ঠিক কোথায় পেলেন এ বক্তব্য, বুঝলাম না। কর্মীদের সম্বন্ধে তো এমন কিছুই বলিনি আমি। ...." =======> আপনার মূল আর্টিকেলের এই অংশটির কথা কি ভুলে গেছেন? নাকি আড়াল করতে চাইলেন? ==>>"............তাঁর দলের অনেকেই শুনি আজ খুশিতে আত্মহারা — কারণ, বুর্জোয়ারা নাকি এ যাত্রায় বাকি বুর্জোয়াদের কেটে-ছেঁটে নিশ্চিহ্ন করে দিচ্ছে এবং এতে করে নাকি তাঁদের দলের খুব [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: pothik | ১৬ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১২:৪২

    prthomei khoma chaschi, bangrejite likhchi bole. amar unicode jhamela korche bole, r english-e thik thik moner vab-ta prokasher khomota nei bole.... shomalochok j ei eki dol korten besh bujhte parchi. vai netritto cheye panni kina tao bujhchi na. tobe gayer jhal vai ja mitaichen ta bolar na. she apnader bepar apnarai shamlaben. shudhu ekta bishoy ullekh korte chai. amar mone hoy shomalochona korbar odhikar shobar ache jodi tar shotti shotto janar agroho-ta thake. she krishoki hok, methori [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: অলকেশ | ১৬ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১২:৪১

    @ ওয়াচারঃ আপনি অবশ্যই চাইবেন যে, আপনার লিখা আমরা সবাই পড়ি। বুঝি । ফলে, বাংলায় লিখলে বোধ হয় ভাল করতেন । কারন, আপনার কষ্ট হয়েছে বোঝাতে এবং আমাদের কষ্ট হয়েছে বুঝতে -----। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: watcher | ১৫ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৮:০৯

    To Incidental: You have questions about democratic centralism. what do u think about it? Have you ever practiced it? You have a question with "Koreshi".what do u know about the relation between koreshi and SPB? In this time, what do u think which one was the biggest and which one was the most important movement of Bangladesh?Where was SPB then?I think u must know that at first as a political party who broke the "Joruri obostha"? We know the total primary number of SPB.Do u think in t [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: watcher | ১৫ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৭:৫৪

    i think the comments and the way of judgement of Incidental is one sided. I think he has some pre-conceptions and he is guided by them. Because there are more some points which are not mentioned on his writings. [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: মুক্তাঙ্গন | ১৫ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ১২:৪৭

    এ বিষয়ে এখানেও কিছু আলোচনা হয়েছে। আগ্রহী হলে পড়ে দেখতে পারেন। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ১৪ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৫:৫৪

    ভাই আলমগীর কবির, হারজিতের তো কোন ব্যাপার নেই এখানে। শামসুর রাহমানকে নিয়ে বাসদ তথা খালেকুজ্জমানের একটি মূল্যায়ন পথিকৃৎ পত্রিকায় ছাপা হয়েছে। সেই মূল্যায়নের সাথে অনেকেরই দ্বিমত থাকতে পারে- থাকাটাই স্বাভাবিক। যেকোন মূল্যায়ন অনেক ডাইমেনশন থেকেই হয়ে থাকে; শিল্প-বোদ্ধাদের মধ্যেই সাহিত্য-শিল্পের মূল্যায়ন নিয়ে নানামত দেখা যায়- মার্ক্সীয় ঘরানার মূল্যায়নও আরেক ডাইমেনশন থাকে- থাকাটাই স্বাভাবিক। এখন সেই মূল্যায়ন নিয়ে যদি দ্বিমত বা আপত্তি থেকে থাকে কারো- তবে সেগুলোকে খণ্ডন করে একটি আলোচনা আসতেই পারে, [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: আলমগীর কবির | ১৪ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:২১

    রেগে গেলেন তো হেরে গেলেন! [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: শান্ত | ১৪ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ১২:৪৮

    বাসদের কোন কর্মসূচী কোন অবস্থানে আপনার মনে হয়েছে- এই সেনা সমর্থিত সরকারের সাথে তাদের আঁতাত রয়েছে? কোথায় পেলেন যে- বাসদ কর্মীরা এই সরকারের পদক্ষেপে দারুন খুশী???? এ ধরণের সাহিত্য আলোচনায় অহেতুক মিথ্যা ভাষণ এবং বানোয়াট অভিযোগ আনয়ন আপনার উদ্দেশ্য সম্পর্কেই সন্দিহান করে। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: রেজাউল করিম সুমন | ১৪ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১০:৩৯

    জামান সাহেবের এই লেখাটির কথা জানা ছিল না। পুস্তিকাটি দেখিনি; এখন ইনসিডেন্টাল ব্লগারের দেয়া লিংক থেকে ডাউনলোড করে নিয়ে পিডিএফ ফরম্যাটে লেখাটা পড়লাম। একটু সময় নিয়ে পরে মন্তব্য করব। পোস্ট-লেখক কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ উত্থাপন করেছেন। [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: প্রলয় | ১২ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৯:৩৬

    @ মাসুদ করিমঃ একবার হল কি, এক জমিদার ঠিক করলেন তার একটি দুধের পুকুর চাই। পুকুর খনন করা হল । ঢোল সহরত করে আদেশ দেয়া হল যে, কোন এক শুভদিনে জমিদারের ঐ পুকুরে গ্রামবাসীদের প্রত্যেককেই এক কলসী করে দুধ ঢেলে দিতে হবে । নিজ নিজ বাড়ী থেকে এ দুধ আনতে হবে । তবেই হবে দুধের পুকুর । গ্রামবাসীদের প্রত্যেকেই ভাবল, "বাকী সবাই তো দুধের কলসী নিয়ে যাবে, ফলে, আমি এক কলসী পানি নিয়ে পুকুরে ঢাললে তাতে দুধের পুকুরের কোন ক্ষতি হবে না।" বেশীরভাগই এই চিন্তা করে পানির কলসী নিয়ে গেল। দুধের পুকুর আর হল না । [বিস্তারিত পড়ুন]

  • শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন

  • মন্তব্যে: মাসুদ করিম | ১২ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৬:৪০

    যত মন্তব্য হবে ততই বিষয়টি আরো আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে।দেখা যাক কতগুলো মন্তব্য পাওয়া যায়। [বিস্তারিত পড়ুন]