মুক্তাঙ্গন

rss-posts rss-comments
  • ব্লগবাড়ি
  • উদ্যোগ
    • মুক্তাঙ্গন পোর্টাল
      • Muktangon Facebook Group
      • মুক্তাঙ্গন ওয়ার্কগ্রুপ
    • ICSF PORTAL
      • E-Library '71
      • Media Archive '71
      • ICSF Blog
      • ICSF Discussion Groups
      • ICSF-Wiki Coordination Project
  • ইতিবৃত্ত
    • মুক্তাঙ্গন ঘোষণা
    • কৃতজ্ঞতা স্বীকার
  • লিখতে আগ্রহী?
    • সম্পাদনা ও মডারেশন
    • লেখক ক্যালেন্ডার
  • যোগাযোগ
  • কারিগরি সাহায্য
    • Bangla Settings
    • Keyboard layouts
    • কারিগরি জিজ্ঞাসা
    • সমস্যা রিপোর্ট করুন
  • আর্কাইভ
  • আনবাড়ি

ত্রিশোনকু

ত্রিশোনকু


সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

After completion of studies, joined government services, retired in 1994, presently actively engaged in business. Blogging for a couple of years in English, started Bangla blog since January last. Interested in current affairs, geopolitics & issues involving national interests. Hobbies : Comparative religion, reading, music, human right viz a viz national security and exotic cooking.




  • অন্দরমহল



    • নিবন্ধন | পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার


  • অক্ষরের আকার



    লেখাকে ঘিরে আলোচনা

      ১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৯, শুক্রবার
    • মন্তব্যে~ত্রিশোনকু

    • ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৯, বৃহস্পতিবার
    • মন্তব্যে~ত্রিশোনকু

    • ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৯, বৃহস্পতিবার
    • মন্তব্যে~ওমর কায়সার

    • ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৯, বৃহস্পতিবার
    • মন্তব্যে~মোহাম্মদ মুনিম

    • ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯, বুধবার
    • মন্তব্যে~ত্রিশোনকু

    • ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯, বুধবার
    • মন্তব্যে~ত্রিশোনকু

    • ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯, বুধবার
    • মন্তব্যে~রায়হান রশিদ

    • ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯, বুধবার
    • মন্তব্যে~মনজুরাউল

    যত দোষ নন্দ ঘোষ!

    লিখেছেন: ত্রিশোনকু | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯, বুধবার | ১ আশ্বিন ১৪১৬

    বিষয়: এই সময়, জবাবদিহিতা, রাজনীতি, সরকার, সাম্প্রতিক | ৮ টি মন্তব্য | ইমেইল / প্রিন্ট করুন: Email This Post Print This Post

    Share Tweet

    “বৈঠক শেষে কমিটির প্রধান তোফায়েল আহমেদ বলেছেন, ‘চিনি নিয়ে বিদ্যমান সংকটের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও বিএনপি সরকার দায়ী। নিজের দেশে ঘাটতি থাকার পরও তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেশবন্ধুকে চিনি রফতানির আদেশ দিয়েছে। এর কারণ খতিয়ে দেখতে হবে।’

    শিল্প মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটি চিনি রপ্তানীর অনুমোদন দেয়ায় দায়ী করলেন আগের সরকার গুলোকে।

    গতবছর চিনির খুচরা মুল্য ছিল কেজি প্রতি ২৬ টাকা। মিল গেটে মুল্য (ex-factory price) ছিল তার চেয়ে বেশী। যে কারণে সরবরাহকারীরা মিল থেকে চিনি তুলছিল না। চিনিকলগুলো শ্রমিকদের বেতন দিতে পারছিলনা। অবস্থা এমনই হয়েছিল যে সরবরাহকারী এবং মিল কতৃর্পক্ষের সমঝোতায় সরবরাহকারীরা শ্রমিকদের বেতন দি্য়েছিল কিছু কিছু ক্ষেত্রে।

    এরকম অবস্থায় যদি কোন সরকার চিনি রপ্তানীর সুযোগ করে দেয় বা রপ্তানীর সুযোগ বহাল রাখে তা হ’লে তো তা একটা ভাল উদ্যোগই।

    পরিবর্তিত পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে সে নীতি বদলানো তো কোন ব্যাপার নয়। বিশেষ করে মাসখানেকেরও আগে থেকে যেখানে সতর্ক করে দেয়া হচ্ছে যে বিশ্বের চিনি মজুদের পরিমান এবার অনেক কম।

    অকারণে অন্যের ওপর দোষ না চাপিয়ে বাজার নিয়ন্ত্রনের ব্যবস্থা নেয়াটাই প্রজ্ঞার পরিচয়।

    বিবৃতিটা মনে করিয়ে দেয় ‘৭৫ পরবর্তী সরকারগুলোর ‘৭৪ এর দূর্ভিক্ষের জন্য তৎকালীন সরকারকে দোষারোপ করার প্রবনতাকে।

    প্রাসঙ্গিক অন্যত্র:
    - সমকাল
    - প্রথম আলো
    - ডেইলী স্টার

    Share Tweet
       
    পোস্ট কিংবা মন্তব্যে প্রকাশিত মতামত কোন অবস্থাতেই মুক্তাঙ্গন কর্তৃপক্ষের মতামতের প্রতিফলন নয়। বক্তব্যের দায়ভার লেখক এবং মন্তব্যকারীর নিজের। শুধুমাত্র "মুক্তাঙ্গন" নামের আওতায় প্রকাশিত বক্তব্যই ব্লগের যৌথ অবস্থানকে নির্দেশ করে।


    ৮ টি মন্তব্য/প্রতিক্রিয়া এসেছে এ পর্যন্ত:

    1. ১
      মনজুরাউল মনজুরাউল লিখেছেন:
      ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯, বুধবার সময়: ৪:৩৮ পূর্বাহ্ণ
      [মন্তব্য-লিন্ক]

      মুক্তাঙ্গনে আপনাকে স্বাগতম।

      চিনি নিয়ে বিদ্যমান সংকটের জন্য তত্ত্বাবধায়ক সরকার ও বিএনপি সরকার দায়ী। নিজের দেশে ঘাটতি থাকার পরও তত্ত্বাবধায়ক সরকার দেশবন্ধুকে চিনি রফতানির আদেশ দিয়েছে।

      তোফায়েল এর কথাটি কিন্তু মিথ্যা নয়!গত দুই সরকারই ভুলটা করেছে। তারা একের পর এক চিনির কাঁচামাল থেকে চিনি তৈরির রিফাইনারি স্থাপন করতে দিয়েছে, কিন্তু কৃষিজ কাঁচামালের যে কারখানাগুলো পথে বসতে চলেছে তাদের কথা আমলে আনেনি। ঠিক সেই আমলে আনার কাজটিই তোফায়েল আগের টার্মে করেছিল বলে তার কাছে ব্যাপারটি বৈসাদৃষ্য ঠেকেছে। সে সময় কিউবা থেকে চিনি আমদানি করলে ২১ টাকা দরে বাজারে দেওয়া যেত। তাতে করে দেশী কলগুলো বন্ধ হয়ে যেত, কারণ তাদের উৎপাদন খরচই ২৩/২৪ টাকা ছিল!

      এবার যেখানে বিশ্ববাজারে চিনির আক্রা সেখানে বিশেষ একটি কোম্পানীকে রপ্তানির অনুমতি অবশ্যই অদূরদর্শীতা এবং দুর্নীতি।

      তারচেয়েও বড় কথা এতকিছুর পরেও দেশে চিনির কোন ঘাটতি নেই। রোজার মাসে অতিরিক্ত ব্যবহারের সুযোগে ঈমানদার মুসলমানেরা (সিন্ডিকেট) দু’পয়সা হাতিয়ে নিচ্ছে। এটা তারা বেশ ঈমানী জোশের সাথেই করেন। এ মাসে যে পণ্যের কোন বাড়তি ব্যবহার নেই তারও দাম বাড়ে। এক্ষেত্রে আন্তর্জাতিক বাজার-ফাজারের কোন তত্ত্বই ধোপে টেকে না।

      যদিও এই বিষয়টি এত অল্প আলোচনায় পরিষ্কার হবে না।

      Reply
      • ১.১
        ত্রিশোনকু ত্রিশোনকু লিখেছেন:
        ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯, বুধবার সময়: ১১:৩৩ অপরাহ্ণ
        [মন্তব্য-লিন্ক]

        স্বাগত জানানোর জন্য কৃতজ্ঞতা।

        আপনার কথা পুরোপুরি আমলে নিয়েই (মাঝে মাঝে A এমনিতে টিপলেও আ হচ্ছে আবার Shift টিপে করলেও আ হচ্ছে। মনে হচ্ছে কোন bug ঢুকেছে)বলছি,অবস্থা ভিন্নতায় ভিন্ন পদক্ষেপ না নিয়ে আগের সরকারকে দোষারোপ করাটা রাজনৈতিক সংস্কৃতির অংগ হয়ে গ্যাছে। আর গত সরকারের রপ্তানীর অনুমোদন দেয়া/অনুমোদন বহাল রাখার পেছনের কারন আমি মনে করি চিনির বাজার দর অস্বাভাবিক কমে যাওয়া। কাঠামোগত/নীতিগত পরিবর্তন তাঁরা অবশ্যই আনতে পারতেন কৃষিজ কাঁচামালের কারখানাগুলোকে বাঁচাতে, কিন্তু তার ফল লাভ সময় সাপেক্ষ হওয়ায় ঠিক সে সময়টায় চিনি রপ্তানী করা বন্ধ করা কোন দুর দৃষ্টির পরিচায়ক হত না বলে আমি মনে করি। তাছাড়া তোফায়েল চিনি রপ্তানির বিরুদ্ধেই বলেছেন বেশী।

        Reply
    2. ২
      রায়হান রশিদ রায়হান রশিদ লিখেছেন:
      ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯, বুধবার সময়: ৫:১৯ পূর্বাহ্ণ
      [মন্তব্য-লিন্ক]

      @ ত্রিশোনকু,
      মুক্তাঙ্গনে স্বাগতম, এবং পোস্টটির জন্য ধন্যবাদ। এই বিষয়টা নিয়ে আগে কখনোই ভাবিনি আসলে পত্রিকায় খবর পড়ার আগ পর্যন্ত। আর মনজুরাউল ভাই‍‍‍ যা লিখেছেন তা ভাববার মতো। তবে আমিও তাঁর সাথে একমত – “বিষয়টি এত অল্প আলোচনায় পরিষ্কার হবে না।”
      অন্যরা কি ভাবছেন তা জানার আগ্রহ বোধ করছি।

      Reply
      • ২.১
        ত্রিশোনকু ত্রিশোনকু লিখেছেন:
        ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৯, বুধবার সময়: ১১:৩৯ অপরাহ্ণ
        [মন্তব্য-লিন্ক]

        রায়হান রশিদ,

        স্বাগত জানানোর জন্য কৃতজ্ঞতা
        “বিষয়টি এত অল্প আলোচনায় পরিষ্কার হবে না।”

        আপনার ও মন্জুরের সাথে একমত।

        আসলে আমি চিন্তাটা ছড়িয়ে দিতে চেষ্টা করি। অন্য দশজনের সুচিন্তিত মতামতের ওপর আলোচনা জমে ওঠে আর বিষয়টিও পূর্ণতা পায় ধীরে ধীরে।

        Reply
    3. ৩
      মোহাম্মদ মুনিম লিখেছেন:
      ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৯, বৃহস্পতিবার সময়: ২:৪৯ পূর্বাহ্ণ
      [মন্তব্য-লিন্ক]

      তোফায়েল অভিযোগটি করেছেন দেশবন্ধুকে ৬ হাজার টন চিনি রপ্তানীর অনুমোদন নিয়ে। এই পরিমান চিনি দিয়ে একটি ছোট জাহাজও ভরে না। ইউরোপের কোন আমদানীকারকেরই এতো ছোট শিপমেন্ট অর্ডার করার কথা না। গত বছর বিশ্ববাজারে চিনির দর ছিল ২৮ টাকা প্রতি কেজি। দেশে খোলাবাজারে দাম এর কাছাকাছিই ছিল। প্রতি কেজিতে ২ থেকে ৪ টাকা লাভ করার জন্য কেউ এতো হাঙ্গামা করে ইউরোপে চিনি রপ্তানি করে না। তোফায়েলের খোলা বাজারে সেই চিনি বিক্রি আর বাকিটা মজুদ করার অভিযোগটি সত্য বলেই মনে হচ্ছে।

      Reply
      • ৩.১
        ত্রিশোনকু ত্রিশোনকু লিখেছেন:
        ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৯, বৃহস্পতিবার সময়: ৯:৫১ অপরাহ্ণ
        [মন্তব্য-লিন্ক]

        আমার লেখাটুকু মনযোগ দিয়ে পড়া, সুচিন্তিত মতামত দেয়া এবং তার ফলশ্রুতিতে আমাকে মগজ ঝড়ে ফেলবার জন্যে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ।
        ___________________________________________

        বাংলাদেশে বার্ষিক চিনি উৎপাদন ৭০ থেকে ৭৫ লক্ষ টন(7.0-7.5 Million Ton)। সেখানে ৬ হাজার টন অবশ্যই নস্যি। এ ব্যাপারে আমি আপনার সাথে সম্পূর্ণ একমত।

        ৬ হাজার টনের চেয়ে বেশী চিনি মনে হয় পিঁপড়ায় খেয়ে ফেলে।পরিবহন ও সংরক্ষনে তার চেয়েও অনেক বেশী চিনি নষ্ট হয়। তাই এত সামান্য পরিমান চিনি যদি রপ্তানী করার অনুমতি দেয়া হয়েও থাকে তাহলে তার বিন্দুমাত্র প্রভাব পড়ার কথা নয় বাজারে। এ পরিমান চিনি যদি মজুদ করে বেশী দামে বিক্রিও করা হয় তা হ’লেও বাজারে দামের তারতম্য হবার কথা নয়। সরকার যদি ঘুর্নায়মান মাসিক রপ্তানী বরাদ্দও ৬ হাজার টন দেশবন্ধুকে দিয়ে থাকে তাহলেও এক বছরে মাত্র ৭২ হাজার টন চিনি রপ্তানী হবে। তবে হ্যাঁ, যদি তারা রপ্তানীর নামে এক অনুমতি পত্র দেখিয়ে সারা দেশে ১০ লক্ষ টন চিনি মজুদ করতে পারে তাহলে তাদের পক্ষে দাম বাড়ানো সম্ভব। তবে সেটা পারা দেশ বন্ধুর জন্যে অত্যন্ত দুরহ কাজ। আর পারলেও সে দায়টা রপ্তানী নীতির চেয়ে আইন প্রয়োগের ব্যার্থতার ওপরই বর্তায়।

        আইন প্রয়োগের ব্যার্থতার দায় এখন আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার বা তার পূর্ববর্তী সরকারের নয়।

        তোফায়েলের।

        Reply
    4. ৪
      ওমর কায়সার ওমর কায়সার লিখেছেন:
      ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৯, বৃহস্পতিবার সময়: ৯:৫১ অপরাহ্ণ
      [মন্তব্য-লিন্ক]

      চিনি নিয়ে ছিনিমিনি খেলছে আসলে আমাদের দেশের ব্যবসায়ীরা। এবারে চিনির সংকটটা তৈরি করল তারাই। অবশ্য এতে সরকারও দায় এড়াতে পারে না। চিনি আমদানি হওয়ার পর বন্দর থেকে ছাড়িয়ে এনে এটি মাসের পর মাস গুদামে পরে থাকে। তারপর চলতে থাকে ডিও’র জুয়াখেলা। একটি ডিও ১০/১২ হাত বদল হয়। আর দাম বাড়তে থাকে।

      Reply
      • ৪.১
        ত্রিশোনকু ত্রিশোনকু লিখেছেন:
        ১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৯, শুক্রবার সময়: ২:২২ পূর্বাহ্ণ
        [মন্তব্য-লিন্ক]

        ওমর,

        আপনি ঠিকই বলেছেন। আরেকটা অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ণ বিষয়ের অবতারনা করেছেন-ডিওর জুয়া খেলা। গত বিএনপি সরকারের সময় আমার পরিচিত এক বিএনপি ক্যাডার ডিও ব্যাবসা করতো খাদ্য মন্ত্রনালয়ে। সে শাসনামলের প্রথম দিকে শুন্য হাতে নামে। শুধু ডিও বিক্রি করে অনান্য সম্পদ ছাড়াও মাঝারী আকারের পোষাক কারখানার মালিক হয় ৩ বছরের মাথায়।

        বাজার অর্থনীতিতে মধ্যসত্ত্বভোগী ছাড়া অর্থনৈতিক কর্মকান্ড অচল। কিন্তু এই মধ্যসত্ত্বভোগীর মুনাফা যখন আকাশচুম্বী হয় তখনই ৩০ টাকার চিনি ৬৫ টাকায় কিনতে হয়। সবার ওপরে মজুতদারীর ব্যাপারটাতো আছেই।

        এগুলো নিয়ন্ত্রনের জন্যেই সরকার। আর লাগাম ধরার ব্যর্থতার দায়ভার সরকারকেই নিতে হবে।

        Reply

    আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে নিচের মন্তব্য-ফর্ম ব্যবহার করুন:

    =নিয়মাবলি=
    * ভাষা: মন্তব্যের ভাষা হওয়া উচিত (মূলত) বাংলা — অবশ্যই বাংলা হরফে। আর ভাষারীতি লেখ্যভাষা হিসেবে প্রচলিত প্রমিত বাংলা হওয়াই শ্রেয়।
    ** মডারেশন: মন্তব্যের ক্ষেত্রে এখানে প্রাক-অনুমোদন মডারেশনের চর্চা নেই। তবে যে-সব কারণ উপস্থিত থাকলে প্রকাশিত মন্তব্য বিনা নোটিশে (এবং কোনো ধরণের কারণ-দর্শানো ছাড়াই) পুরোপুরি মুছে দেয়ার বা আংশিক সম্পাদনা করার অধিকার "মুক্তাঙ্গন" সংরক্ষণ করে, সেগুলো হলো: (ক) সাধু এবং চলিত রীতির সংমিশ্রণ; (খ) ত্রুটিপূর্ণ বানানের আধিক্য; (গ) ভাষার দুর্বল, আঞ্চলিক, অগ্রহণযোগ্য বা ছাপার অযোগ্য প্রয়োগ; (ঘ) ব্যক্তিগত আক্রমণ প্রবণতা, ছিদ্রান্বেষণ ও কলহপ্রিয়তা; (ঙ) অপ্রাসঙ্গিকতা ও বক্তব্যহীনতা। এ ব্যাপারে মডারেশন টিমের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। তাই, চূড়ান্তভাবে পেশ করার আগে "প্রাকবীক্ষণ"-এর মাধ্যমে নিজ-মন্তব্যের প্রকাশিতব্য রূপ যাচাই করে নিন।
    *** নিবন্ধিত লেখকদের প্রতি: লেখকের নিজস্ব পাতার প্রকাশিত কাজের তালিকায় আপনার পেশ করা মন্তব্যের তালিকাভুক্তি নিশ্চিত করতে লগ-ইন করা অবস্থায় মন্তব্য করুন।
    >>প্রত্যুত্তরটি না পাঠাতে মনস্থির করলে "এখানে" ক্লিক করুন<<


    অভ্র প্রভাত ফোনেটিক ইউনিজয় ইংরেজী
    ------------(মাউস ক্লিক করে বাংলা লিখুন)------------
    ক খ গ ঘ ঙ চ ছ জ ঝ ঞ ট ঠ ড ঢ ণ
    ত থ দ ধ ন প ফ ব ভ ম য র ল শ ষ
    স হ ক্ষ ড় ঢ় য় ৎ ং ঃ ঁ । ॥ ৳ র-ফলা‌‌‌
    অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ     য-ফলা
      া ি ী ু ূ ৃ ে ৈ ো ৌ     রেফ
      ০ ১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬ ৭ ৮ ৯     ZWNJ
    স্পেসবার নতুন লাইন যুক্ত করুন/হসন্ত ZWJ


    বাংলায় মতামত লিখতে নিচের যে কোন একটি পদ্ধতি বেছে নিন:
    (ক) সংযুক্ত চারটি বাংলা কী‌বোর্ডের (ইউনিজয়, ফোনেটিক, প্রভাত) যে কোন একটি বেছে নিয়ে; অথবা, (খ) গুগল বাংলা ট্রান্সলিটারেশন টুল ব্যবহার করেও সহজে বাংলা লেখা সম্ভব। বাংলা অক্ষর চালু/বন্ধ করতে ctrl+g চাপুন। শব্দটি ইংরেজী হরফে লিখে ফেলে স্পেসবার চাপুন, তাহলেই সেটি বাংলায় রূপান্তরিত হবে (একই শব্দের একাধিক বানান-বিকল্প শব্দটির উপরে মাউস রেখে ক্লিক করে দেখে নেয়া যায়); অথবা, (গ) মাউস ক্লিক করে বাংলা লিখুন; অথবা, (ঘ) আপনার কম্পিউটারে অভ্র কীবোর্ড স্থায়ীভাবে ইনস্টল করে নিয়ে। কীবোর্ডগুলোর ব্যবহার বা লে‌-আউট জানা না থাকলে "বাংলা বর্ণমালা বিভ্রাট" লিংক অথবা "বাংলা কীবোর্ড লে-আউট" লিংক থেকে বিস্তারিত জেনে নিন। এরপরও সমস্যার সম্মূখীন হলে ব্লগ এডমিন এর কাছে সাহায্যের জন্য লিখুন।

    কপিরাইট © ২০০৮ নির্মাণ | ওয়ার্ডপ্রেস নির্ভর "মুক্তাঙ্গন" এর থীম রিফিউলড.নেট এর সৌজন্যে