সৈয়দ তাজরুল হোসেন


সংক্ষিপ্ত পরিচিতি



মিথেন হাইড্রেটঃ সম্ভাব্য নতুন জ্বালানী উৎস

মিথেন হাইড্রেট, শব্দটি অনেকের কাছেই অপরিচিত, কিন্তু একেই ভবিষ্যত পৃথিবীর জ্বালানী চাহিদা মেটানোর এক অনন্য ঝর্ণাধারা ভাবা হচ্ছে।  মিথেন হাইড্রেট মুলত বরফের স্ফটিকের মত, তবে এর বিশেষত্ব হলো এতে হাইড্রোজেন আর কার্বনের অনুর মাঝে আটকা রয়েছে একটি মিথেন অনু। মিথেন হাইড্রেটের অবস্থান সাধারণত সমূদ্র তলদেশের ৫০০ মিটার বা তার অধিক গভীরে। বরফের স্তরের মত এই আকরটি কোথাও বেশ বিশুদ্ধ আবার কোথাও বালি অথবা কাদা মিশ্রিত অবস্থায় পাওয়া যায়। এখনো যদিও মিথেন হাইড্রেট থেকে বানিজ্যিক ভিত্তিতে মিথেন বা জ্বালানী গ্যাস উৎপাদনের টেকসই প্রযুক্তি উদ্ভাবন সম্ভব হয়নি, তবে তা মোটেই সুদূর পরাহত নয়।

পুরো বিশ্বের খনিজ তেল এবং গ্যাস যেখানে আগামী ৩০ বছরে ফুরিয়ে যাবার কথা বলা হচ্ছে, সেখানে এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত মিথেন হাইড্রেটের মজুদ সারা পৃথিবীর জ্বালনীর চাহিদা মেটাবে অন্তত ৩৫০ বছরের, কেউ কেউ এই সময়টাকে আরো বাড়িয়ে সর্বোচ্চ ৩৫০০ বছর পর্যন্ত বলছেন ।  অন্য ভাবে বলা যায়, সারা বিশ্বে এপর্যন্ত আবিষ্কৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের মোট পরিমাণ যেখানে প্রায় ৫০০০ টি.সি.এফ সেখানে মিথেন হাইড্রেটের পরিমান হচ্ছে প্রায় ৪০০ মিলিয়ন টি.সি.এফ । তাহলে ভেবে দেখুন জ্বালানির উৎস হিসেবে এর অমিত সম্ভাবনার কথা । তবে, আশার সংগে সংগে আশংকার কথাও কম নয়, অনেক বিশেষজ্ঞ এর মধ্যেই বলছেন যদি মিথেন হাইড্রেট ব্যাপকভাবে বানিজ্যিক ভিত্তিতে উত্তোলন করা শুরু হয়, তবে পৃথিবীর জলবায়ু বর্তমানে যে নাজুক অবস্থার সম্মূখীন তা দ্রুত আরো নাজুকতার দিকে ধাবিত হবে ।

পৃথিবী জুড়ে আবিস্কৃত মিথেন হাইড্রেটের অবস্থান:

 

 

 

 

 

এ সম্বন্ধে নিচের লিঙ্কগুলো দেখুন-

১। মিথেন হাইড্রেট এবং জাপান
২। ইউএস জিওলোজিক্যাল সার্ভে ফ্যাক্টশীট

পোস্ট কিংবা মন্তব্যে প্রকাশিত মতামত কোন অবস্থাতেই মুক্তাঙ্গন কর্তৃপক্ষের মতামতের প্রতিফলন নয়। বক্তব্যের দায়ভার লেখক এবং মন্তব্যকারীর নিজের। শুধুমাত্র "মুক্তাঙ্গন" নামের আওতায় প্রকাশিত বক্তব্যই ব্লগের যৌথ অবস্থানকে নির্দেশ করে।


আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে নিচের মন্তব্য-ফর্ম ব্যবহার করুন:

=নিয়মাবলি=
* ভাষা: মন্তব্যের ভাষা হওয়া উচিত (মূলত) বাংলা — অবশ্যই বাংলা হরফে। আর ভাষারীতি লেখ্যভাষা হিসেবে প্রচলিত প্রমিত বাংলা হওয়াই শ্রেয়।
** মডারেশন: মন্তব্যের ক্ষেত্রে এখানে প্রাক-অনুমোদন মডারেশনের চর্চা নেই। তবে যে-সব কারণ উপস্থিত থাকলে প্রকাশিত মন্তব্য বিনা নোটিশে (এবং কোনো ধরণের কারণ-দর্শানো ছাড়াই) পুরোপুরি মুছে দেয়ার বা আংশিক সম্পাদনা করার অধিকার "মুক্তাঙ্গন" সংরক্ষণ করে, সেগুলো হলো: (ক) সাধু এবং চলিত রীতির সংমিশ্রণ; (খ) ত্রুটিপূর্ণ বানানের আধিক্য; (গ) ভাষার দুর্বল, আঞ্চলিক, অগ্রহণযোগ্য বা ছাপার অযোগ্য প্রয়োগ; (ঘ) ব্যক্তিগত আক্রমণ প্রবণতা, ছিদ্রান্বেষণ ও কলহপ্রিয়তা; (ঙ) অপ্রাসঙ্গিকতা ও বক্তব্যহীনতা। এ ব্যাপারে মডারেশন টিমের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। তাই, চূড়ান্তভাবে পেশ করার আগে "প্রাকবীক্ষণ"-এর মাধ্যমে নিজ-মন্তব্যের প্রকাশিতব্য রূপ যাচাই করে নিন।
*** নিবন্ধিত লেখকদের প্রতি: লেখকের নিজস্ব পাতার প্রকাশিত কাজের তালিকায় আপনার পেশ করা মন্তব্যের তালিকাভুক্তি নিশ্চিত করতে লগ-ইন করা অবস্থায় মন্তব্য করুন।


অভ্র প্রভাত ফোনেটিক ইউনিজয় ইংরেজী
------------(মাউস ক্লিক করে বাংলা লিখুন)------------


বাংলায় মতামত লিখতে নিচের যে কোন একটি পদ্ধতি বেছে নিন:
(ক) সংযুক্ত চারটি বাংলা কী‌বোর্ডের (ইউনিজয়, ফোনেটিক, প্রভাত) যে কোন একটি বেছে নিয়ে; অথবা, (খ) গুগল বাংলা ট্রান্সলিটারেশন টুল ব্যবহার করেও সহজে বাংলা লেখা সম্ভব। বাংলা অক্ষর চালু/বন্ধ করতে ctrl+g চাপুন। শব্দটি ইংরেজী হরফে লিখে ফেলে স্পেসবার চাপুন, তাহলেই সেটি বাংলায় রূপান্তরিত হবে (একই শব্দের একাধিক বানান-বিকল্প শব্দটির উপরে মাউস রেখে ক্লিক করে দেখে নেয়া যায়); অথবা, (গ) মাউস ক্লিক করে বাংলা লিখুন; অথবা, (ঘ) আপনার কম্পিউটারে অভ্র কীবোর্ড স্থায়ীভাবে ইনস্টল করে নিয়ে। কীবোর্ডগুলোর ব্যবহার বা লে‌-আউট জানা না থাকলে "বাংলা বর্ণমালা বিভ্রাট" লিংক অথবা "বাংলা কীবোর্ড লে-আউট" লিংক থেকে বিস্তারিত জেনে নিন। এরপরও সমস্যার সম্মূখীন হলে ব্লগ এডমিন এর কাছে সাহায্যের জন্য লিখুন।