মুক্তাঙ্গন

rss-posts rss-comments
  • ব্লগবাড়ি
  • উদ্যোগ
    • মুক্তাঙ্গন পোর্টাল
      • Muktangon Facebook Group
      • মুক্তাঙ্গন ওয়ার্কগ্রুপ
    • ICSF PORTAL
      • E-Library '71
      • Media Archive '71
      • ICSF Blog
      • ICSF Discussion Groups
      • ICSF-Wiki Coordination Project
  • ইতিবৃত্ত
    • মুক্তাঙ্গন ঘোষণা
    • কৃতজ্ঞতা স্বীকার
  • লিখতে আগ্রহী?
    • সম্পাদনা ও মডারেশন
    • লেখক ক্যালেন্ডার
  • যোগাযোগ
  • কারিগরি সাহায্য
    • Bangla Settings
    • Keyboard layouts
    • কারিগরি জিজ্ঞাসা
    • সমস্যা রিপোর্ট করুন
  • আর্কাইভ
  • আনবাড়ি

তানজিল মাহমুদ

তানজিল মাহমুদ


সংক্ষিপ্ত পরিচিতি




  • অন্দরমহল



    • নিবন্ধন | পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার


  • অক্ষরের আকার



    লেখাকে ঘিরে আলোচনা

      ৮ সেপ্টেম্বর ২০১০, বুধবার
    • মন্তব্যে~মোহাম্মদ মুনিম

    • ৮ সেপ্টেম্বর ২০১০, বুধবার
    • মন্তব্যে~রায়হান রশিদ

    • ৮ সেপ্টেম্বর ২০১০, বুধবার
    • মন্তব্যে~নুর নবী দুলাল

    • ৭ সেপ্টেম্বর ২০১০, মঙ্গলবার
    • মন্তব্যে~রায়হান রশিদ

    • ৭ সেপ্টেম্বর ২০১০, মঙ্গলবার
    • মন্তব্যে~নুর নবী দুলাল

    চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেক্ষিতে আন্দোলন দমানোর কয়েকটি কার্যকর উপায়

    লিখেছেন: তানজিল মাহমুদ | ২৩ আগস্ট ২০১০, সোমবার | ৮ ভাদ্র ১৪১৭

    বিষয়: আন্দোলন, আলোচনা, উন্নয়ন, এই সময়, খবর, গবেষণা, চিন্তাঝড়, প্রচার মাধ্যম, প্রতিবাদ, প্রতিরোধ, মত প্রকাশের স্বাধীনতা, যুদ্ধ, রাজনীতি, সমালোচনা, সাম্প্রতিক | ৫ টি মন্তব্য | ইমেইল / প্রিন্ট করুন: Email This Post Print This Post

    Share Tweet

    কোন আন্দোলনকে কিভাবে দমাতে, সমর্থনহীন করতে হয় তা জানতে চান? চট্টগ্র্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রেক্ষিতে বাস্তব উদাহরণসহ এই লেখায় তার বর্ণনা পাবেন।
    —————–
    “আমি আন্দোলন করাইছি, আন্দোলন কিভাবে দমাইতে হয় আমি জানি”, “কাকে কী দিলে আন্দোলন বন্ধ করানো যায় আমি জানি”এই দম্ভোক্তিগুলো, কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য হওয়ার ন্যুনতম যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি হয়ে বসা আবু ইউসুফের।

    স্বীকার করতেই হয়, সে তার কাজ খুব ভাল জানে।

    আন্দোলন থামিয়ে দেবার জন্য ভিসির চেষ্টা, ষড়যন্ত্রের বিষয়ে কিছু ব্যাপার খোঁজখবর করে জানতে পেলাম। আন্দোলনের প্রথম দিকে প্রিন্ট ও টিভি মিডিয়াতে খবর আসেনি। খবর যাতে না আসে সে ব্যাপারে ভিসির চেষ্টার কমতি ছিল না।

    প্রথম দিনই ছাত্রছাত্রীদের ব্যাপক অংশগ্রহণ দেখে ভিসি সম্ভবত বুঝে গেছিলেন এ খবর পত্রিকায় ভালো জায়গা পাবে। এজন্য সেদিন বিকালের দিকেই অনেকগুলো পত্রিকাতে যায়- এ আন্দোলন দমাতে, মিডিয়া কাভারেজ না দিতে, জনমত বিপক্ষে নিতে- পত্রিকাপ্রতি বিশ্ববিদ্যালয় তহবিলের ৩০০০০ থেকে ৫০০০০ টাকায় ছাপানো প্রথম বিজ্ঞপ্তি।

    বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজে, নিয়মানুযায়ী কিছু বিজ্ঞাপন প্রশাসনকে পত্রিকায় ছাপাতেই হয়। কিন্তু বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে টাকা খাইয়ে হুকুমদাস করে বা হাতে রাখবার পরিকল্পনা অনুযায়ী আরো নানান তুচ্ছ, অপ্রয়োজনীয় ইস্যুতে বিশ্ববিদ্যালয়ের টাকা খরচ করে বিজ্ঞপ্তি দেয়ার একটা ধারা ভিসি আবু ইউসুফের আমলে আরো আগে শুরু হয়। কিছু হলেই পত্রিকায় বিজ্ঞাপন।(সরাসরি তো আর বিশ্ববিদ্যালয়ের টাকায় ঘুষ দেয়া যায় না। কিছু হিসেব তো অন্তত দেখাতে হয়। আর তাছাড়া জনমতও তৈরী করা যাচ্ছে।) এমনকি প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের এক আন্দোলনের ব্যাপারেও ভিসির উদ্যোগে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের টাকায় পত্রিকায় একটা বিজ্ঞপ্তি ছাপা হয়। যেহেতু চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের স্থাপিত বিশ্ববিদ্যালয় প্রিমিয়ারের সেই আন্দোলনে চট্টগ্রামের তৎকালীন মেয়র এবিএম মহিউদ্দীনের উপর চাপ তৈরী হচ্ছিল, আর আমাদের ভিসি তার খাস/খুব ভাল/ঘনিষ্ঠ …. (চামচা ছাড়া অন্য কোন শব্দ খাটবে মনে হলে পাঠক বলবেন দয়া করে। যত যাই হোক আবু ইউসুফ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি। সে বা, প্রাক্তন মেয়র কেউই নিশ্চয় তাকে চামচা ভাবেন নি। যদিও প্রায় পুরো চট্টগ্রামবাসী মেয়র নির্বাচনের সময় টিভিগুলোর টকশো থেকে শুরু করে পত্রিকার সাক্ষাৎকার পর্যন্ত সবখানেই ভিসিকে মহিউদ্দীন সাহেবের পাশে বা, পেছনে দেখেছেন। দেখেছেন মহিউদ্দীন সাহেব কথা শুরু করলে ভিসি শেষ করে, আটকে গেলে ভিসি ছাড়িয়ে দেয়। একজন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি এধরণের কাজ করতে পারেন কিনা, বা, করা উচিত কিনা সে আলোচনা বাদই দিলাম।) হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের টাকা দিয়ে আবু ইউসুফের ঘুষ দেবার (ঘুষ না মনে হলেও বলবেন পাঠক) ব্যাপারটা সম্ভবত প্রথমবার শুরু হয়।

    এবার, আবার, বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আরেকদফা অর্থপ্রাপ্তির আশা দেখিয়ে, সে আশা মিটিয়েই- প্রথমে খবর একেবারে না ছাপাতে, পরে মিথ্যে আর নেতিবাচক খবর ছাপাতে, আরও পরে ঘটনা বড় হয়ে গেলে যখন আর চেপে রাখা যাচ্ছে না, তখন যথাসম্ভব রেখে ঢেকে অন্তত আন্দোলনের পক্ষে যাতে না যায় সেভাবে সত্যি আর মিথ্যের মিশেলে খবর ছাপানোর যে প্রকল্প ভিসি নেয় তা অনেকাংশেই বাস্তবায়িত।

    ইংরেজীতে একটা কথা আছে। “give it a bad name, then kill it.” তাহলে কেউ আর শোর করবেনা। আবু ইউসুফ এই তরিকা খাটানোর ব্যাপক চেষ্টা করে গেছে। সফলও হয়েছে কোন কোন ক্ষেত্রে। আন্দোলন চলাকালীন কোনো কোনো পত্রিকায় চালু কয়েকটা রটনা ছিল “যুদ্ধাপরাধীর বিচার নস্যাৎ করতেই এ আন্দোলন”, “শিবির এ আন্দোলনের সুযোগ নিতে চেয়েছে” “শিবির আর বাম সংগঠনগুলো সোহরাওয়ার্দী হলে মিটিং করে একসাথে আন্দোলনে ভাংচুর চালিয়েছে”। সমকালে তো প্রথম পৃষ্ঠায় শিরোনাম ছিল “নেপথ্যে শিবির”। মজার ব্যাপার হলো, আমার দেখা চট্টগ্রামের তথাকথিত কিছু প্রগতিশীল এই প্রত্যেকটা রটনা বিশ্বাস করেছে। এমনকি পাগলেও বিশ্বাস করবেনা যে কথা, সেই বাম-শিবির আঁতাতএর কথা পর্যন্ত।

    এ সমস্ত রটনা রটাতে, শুধু এ আন্দোলনের ব্যাপারেই এবার বিশ্ববিদ্যালয় তহবিল থেকে পত্রিকাগুলোতে বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে গেছে ২৪ লাখ টাকা।

    এই দারুণ কূটবুদ্ধিটা বোধহয় মোবাইল অপারেটরগুলো থেকে পাওয়া; মোবাইল কোম্পানিগুলোর টাকাই তো পত্রিকাগুলোর আয়ের বিরাট একটা অংশ যোগায়, যার ফলে এদের কোনরকম দূর্নীতি, অনিয়ম, চুরিচামারি বিষয়ে পত্রিকায় কখনোই কোন খবর আসে না।

    এছাড়া, ভিসি এবার শিক্ষার্থীদের আন্দোলন দমানোর কাজে রীতিমতো দায়িত্ব ভাগ করে দিয়ে লোক লাগায়। বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষককে দায়িত্ব দেয়া হয় সবকটা পত্রিকাকে ম্যানেজ করার জন্য। সে তার দায়িত্ব অত্যন্ত দক্ষতার সাথে পালন করায় এই ১৫ দিনের মধ্যে তাকে পদোন্নতি দেয়া হয়েছে। অথচ বছরখানেক আগে আত্নহত্যা করেন একই বিভাগের সকলের প্রিয় যে শিক্ষক, সেই এন্ড্রু অলক তেওয়ারীর আত্নহত্যার কারণগুলোর মধ্যে তার বিভাগের শিক্ষক রাজনীতিতে নিস্পেষিত হওয়ার পাশাপাশি ছিলো বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক বছর ধরে শিক্ষকতা করার পরও পদোন্নতি না পাওয়া।

    প্র্রিন্ট মিডিয়াকে হাত করতে আবু ইউসুফ প্রায় সফল। টিভি মিডিয়াকে হাত করতে সম্ভবত পারছিল না, তাই এক্ষেত্রে ছিল এদের আটকানোর প্রচেষ্টা।
    তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমল থেকেই শুরু হয়, টিভি মিডিয়া গুলোর উপর নানা ধরণের বিধিনিষেধ আরোপ। বর্তমান সরকারের সময়েও নাকি এ ধরণের কিছু ব্যাপার চালু আছে। সে সুযোগ নিয়ে, আবু ইউসুফ প্রধানমন্ত্রীকে সেই যুদ্ধাপরাধের বিচার নস্যাৎতের, শিবিরের ভুত দেখিয়ে টিভি চ্যানেলগুলোতে আমাদের আন্দোলনের কোন খবর প্রচারের উপর গোপনে নিষেধাজ্ঞা জারি করাতে সক্ষম হয়।

    আন্দোলনের মধ্যবর্তী একদিন একটি টিভি চ্যানেলের সাংবাদিককে আবু ইউসুফ নিজেই ফোন করে বলে, ঐ চ্যানেলে যদি কোন খবর যায় তাহলে ক্যাম্পাসে তাদের ক্যামেরা ছাত্রলীগের ছেলেরা ভেঙে দিলে সেজন্য কোন দায়ভার প্রশাসন নিতে পারবেনা। (প্রসঙ্গত, চবি ছাত্রলীগের মধ্যে আবু ইউসুফ এর প্রভাবাধীন একটি অংশ রয়েছে।) অন্যান্য চ্যানেলগুলোর কথা জানিনা, তবে নিশ্চয় একই হুমকি তাদেরও দেয়া হয়েছে। এ দুধরণের কারণেই, প্রথম কয়দিন একেবারেই কোন খবর কোন চ্যানেলে (শুধু বাংলা ভিশনে রাত সাড়ে এগারোটার খবরে কিছুটা ছাড়া) আসেনি।

    আমাদের এই ন্যায্য আন্দোলনে শিক্ষকদের অংশগ্রহণ ছিলই না বলতে গেলে। কেউ কেউ ভাবতে পারেন তাদের সমর্থন ছিলনা। একেবারে যে ছিলনা তা নয়। এবার আন্দোলনের প্রথম থেকেই আর সব ক্ষেত্রের মতো শিক্ষকদেরও দমন পীড়ন চালানো হয়, হুমকি দেয়া হয়। ফলে যাদের সমর্থন ছিল তারা সবাই সমর্থন মনে মনেই রেখে দিতে বাধ্য হয়েছেন।
    ইতিহাস বিভাগের অত্যন্ত সিনিয়র একজন শিক্ষক ড. হায়াৎ হোসেন যেদিন আমাদের সাথে একাত্নতা প্রকাশ করে বক্তব্য দেন, সেদিনই তাকে শোকজ করা হয়‍ ! তাকে বক্তব্য প্রত্যাহার করে নিতে বাধ্য করা হয়।
    পুলিশ ভিসির নির্দেশে তাদের লাথি মেরে হলে ঢুকে ছাত্রদের গ্রেপ্তার ও পেটানোয় দুটি হলের প্রভোস্ট পদত্যাগ করতে চান। মিডিয়ায় এ খবর চলে আসবার ভয়ে ভিসি তাদের সরাসরি হুমকি দেয়। তাদের কোনরকম শিক্ষাছুটি দেয়া হবেনা বলে এবং আরো নানান ভয়ভীতি দেখিয়ে নিরস্ত করা হয়।

    Share Tweet
       
    পোস্ট কিংবা মন্তব্যে প্রকাশিত মতামত কোন অবস্থাতেই মুক্তাঙ্গন কর্তৃপক্ষের মতামতের প্রতিফলন নয়। বক্তব্যের দায়ভার লেখক এবং মন্তব্যকারীর নিজের। শুধুমাত্র "মুক্তাঙ্গন" নামের আওতায় প্রকাশিত বক্তব্যই ব্লগের যৌথ অবস্থানকে নির্দেশ করে।


    ৫ টি মন্তব্য/প্রতিক্রিয়া এসেছে এ পর্যন্ত:

    1. ১
      নুর নবী দুলাল নুর নবী দুলাল লিখেছেন:
      ৭ সেপ্টেম্বর ২০১০, মঙ্গলবার সময়: ৫:১৪ পূর্বাহ্ণ
      [মন্তব্য-লিন্ক]

      এ আর নতুন কোন ঘটনা বলে আমার মনে হয় না। বাংলাদেশের রাজনীতিতে শুধু মানুষগুলো বদলায়, কিন্তু, চরিত্র যে তিমিরে ছিল – সেই তিমিরেই থেকে যায়। যতদিন পর্যন্ত আমাদের রাজনীতিকে প্রতিষ্ঠানের বাহিরে আনতে না পারব, ততদিন পর্যন্ত সরকারের পরিবর্তন হলেও, নোংরা রাজনীতিমুক্ত প্রতিষ্ঠান আমরা দেখতে পাব না। আসুন আমরা সবাই সমস্বরে ইশ্বরের নিকট প্রার্থনায় মগ্ন হই। কায়মনোবাক্যে সবাই ইশ্বরকে বলি,

      “আমাদেরকে এবং আমাদের সকল প্রতিষ্ঠানকে রাজনীতিমুক্ত করে দিন। রাজনীতেকে শুধুমাত্র রাজনীতি চর্চার প্রতিষ্ঠানসমূহে সীমাবদ্ধ করে দিন। নোংরারাজনীতির দ্রষ্টাদের নূহ’র প্লাবনে ভাসিয়ে দিন।” —–আমিন।

      এর বিকল্প কোন পথ আছে বলে আমার মনে হয় না। কেননা, আমাদের রাজনীতি ও রাজনীতিবিদরা ১/১১-এর ঘটনা থেকে কোন শিক্ষাই নিতে পারেন নি।

      Reply
      • ১.১
        রায়হান রশিদ রায়হান রশিদ লিখেছেন:
        ৭ সেপ্টেম্বর ২০১০, মঙ্গলবার সময়: ৩:৩৯ অপরাহ্ণ
        [মন্তব্য-লিন্ক]

        @ নুর নবী দুলাল,

        যতদিন পর্যন্ত আমাদের রাজনীতিকে প্রতিষ্ঠানের বাহিরে আনতে না পারব . . .

        ঠিক স্পষ্ট হল না। এটা কি আদৌ সম্ভব? তাছাড়া, বিশ্ববিদ্যালয় অঙ্গনে ছাত্রদের ন্যায্য দাবী দাওয়ার সাথে জাতীয় রাষ্ট্রনীতির ইস্যুকে মিলিয়ে যে ছাত্র-রাজনীতি, তা তো প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ বলয়ের বাইরেই হচ্ছে! সম্ভবত প্রতিষ্ঠানকে রাজনীতির বাইরে (রাজনীতি মুক্ত অর্থে) আনার কথা বোঝাতে চেয়েছেন। তাহলে ছাত্র-রাজনীতির কি হবে?

        রাজনীতেকে শুধুমাত্র রাজনীতি চর্চার প্রতিষ্ঠানসমূহে সীমাবদ্ধ করে দিন।

        মানে পার্লামেন্ট ইত্যাদি?

        Reply
        • ১.১.১
          নুর নবী দুলাল নুর নবী দুলাল লিখেছেন:
          ৮ সেপ্টেম্বর ২০১০, বুধবার সময়: ৬:১৯ পূর্বাহ্ণ
          [মন্তব্য-লিন্ক]

          @ রায়হান রশীদ,

          আপনি হয়ত বলবেন বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির ইতিহাস খুবই সমৃদ্ধ। ৪৭, ৫২, ৬৬, ৬৮, ৬৯, ৭১ ও নব্বইয়ের আন্দোলনে বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতি ছিল গঠনমুলক, রাজনীতিতে ছিল দেশপ্রেম, অধিকার আদায়ের কথা। আমি অতি শ্রদ্ধার সাথে সেই সময়কার রাজনীতিকে স্মরণ করি। কিন্তু, আপনি বলেন- বর্তমানের ছাত্ররাজনীতিতে লেজুড়বৃত্তি ছাড়া আর কি আছে ?

          রাজনীতিকে প্রতিষ্ঠানের বাহিরে আনা মানে- শুধুমাত্র ছাত্ররাজনীতির কথা আমি বলিনি। আমি বলতে চেয়েছি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের কথা, বলতে চেয়েছি লেজুড়বৃত্তির নামে লাল, নীল, সবুজ, হলুদ, সাদা’র রাজনীতির কথা। বলতে চেয়েছি, ট্রেডইউনিয়েনর নামে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অস্থিরতার কথা। শিল্পকারখানায় দাবী আদায়ের নামে অরাজকতার কথা।

          যে রাজনীতি আমাদের জন্য মঙ্গলজনক নয়, সেই রাজনীতিকে আপনি কি সমর্থন করবেন?

          রাজা আসে, রাজা যায়। কিন্তু রাজ্যের ভাগ্যাকাশেতো দূর্যোগের ঘনঘটাতো বেজেই চলে। আশাকরি, রাজনীতিকে প্রতিষ্ঠানের বাইরে আনতে কেন বলেছি, আপনি তা অনুধাবন করতে পেরেছেন।

          আপনি ঠিকই ধরেছেন,রাজনীতি চর্চার প্রতিষ্ঠান বলতে আমি জাতীয় সংসদকে ইংগিত করেছি।

          Reply
          • ১.১.১.১
            রায়হান রশিদ রায়হান রশিদ লিখেছেন:
            ৮ সেপ্টেম্বর ২০১০, বুধবার সময়: ৩:৩৮ অপরাহ্ণ
            [মন্তব্য-লিন্ক]

            বিষয়গুলো গত দেড় দশকে বারবার আলোচনায় উঠে এসেছে, কিন্তু তারপরও আলোচনার প্রয়োজনীয়তা দিনকে দিন বেড়েই চলেছে। এই পরিসরটির দরকার আছে। আমার দুশ্চিন্তাটুকু অন্য জায়গায়। যেমন ধরুন: আলোচনার খাতিরে ধরে নিলাম শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কল-কারখানা থেকে রাজনীতি উঠিয়ে দেয়ার আয়োজন করা হল। কিন্তু সে আয়োজনটুকু করার ভার ঠিক কাদের ওপর দেয়া হবে? বিদ্যমান অপরাজনীতির ধারাটির কান্ডারীদের ওপর অতটা আস্থা রাখা যায় কিনা বুঝতে পারছি না। কারণ, সেটুকু আস্থা যদি রাখাই যেতো, তাহলে কি পরিস্থিতি এমন হতো, সর্বত্র রাজনীতির চর্চা অব্যাহত রেখেই? আর ছাত্র রাজনীতির অতীত গৌরবের কথা বাদই দিন না হয়, এমনকি বর্তমানেও – গৌরবান্বিত বা আশাবাদী হওয়ার মতো সুস্থ ধারার রাজনীতি কি আসলে অনুপস্থিত? সবাই কি টেন্ডারবাজি আর চাঁদাবাজি করে? এই ধারাটির কি হবে?

            চিন্তা ও মত প্রকাশের অধিকার, সংগঠন করার এবং সংগঠিত হওয়ার অধিকার, সমাবেশ করার অধিকার – এই সবগুলোই আমাদের সংবিধান স্বীকৃত মৌলিক অধিকার। প্রতি পদে যেখানে মানুষের অধিকারের সংকট, সেখানে প্রতিষ্ঠিত অধিকারের পরিসরকেও আরও ছোট করে আনার প্রস্তাব আমাদের জন্যই আত্মঘাতি কি না তা বোঝার চেষ্টা করছি। সমস্যা থাকলে (এবং আছে) তার প্রতিকার তো করতেই হবে, কিন্তু কোথাও উপসর্গকে রোগের কারণ বলে চিহ্নিত করার ভুল হচ্ছে না তো? কিংবা আমাদেরও সেভাবেই ভাবতে শেখানো হচ্ছে না তো?

            রাজনীতিবিহীন রাজনীতি আমাদের জন্য অধিক ‘মঙ্গলজনক’, সেটা কি এতো নিশ্চিত করে বলা সম্ভব? বাংলাদেশের বাস্তবতা আর অতীত ইতিহাসের আলোকে সে প্রস্তাবের পক্ষে উপাত্ত কি?

            Reply
          • ১.১.১.২
            মোহাম্মদ মুনিম লিখেছেন:
            ৮ সেপ্টেম্বর ২০১০, বুধবার সময়: ৫:৫১ অপরাহ্ণ
            [মন্তব্য-লিন্ক]

            বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতি এখনকার চেয়ে ৭০ এর দশকে অনেক বেশী সহিংস ছিল। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ব্রাশ ফায়ারে একসাথে সাতজন ছাত্রনেতা হত্যার মত ঘটনা ঘটেছে। ষাটের দশকে মোনেম খানের পক্ষের ছাত্রনেতারা ছাত্রী ধর্ষণের মত বীভৎস অপরাধ করেছে। ৯০ এর ছাত্র রাজনীতিও এমন কিছু নিষ্কলুষ ছিল না। আবার ৫২, ৬৬ বা ৭১ এ শুধু ছাত্ররাই নয়, অছাত্ররাও আন্দোলনে নেমেছে, রক্ত দিয়েছে। ছাত্র রাজনীতি ‘নিষিদ্ধ’ করার ব্যাপারটা আমি কখনোই সেভাবে বুঝতে পারিনি। এটাতো সুইচ ‘অন’ ‘অফ’ করার ব্যাপার নয়। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকসু নির্বাচন হয় না গত বিশ বছর। সুতরাং অফিসিয়ালী রাজনীতি নিষিদ্ধই বলা চলে। তাতে কি ভাংচুর ঠেকানো গেছে?
            আবার ধরা যাক, বিএনপি, আওয়ামী লীগ, জামাত মিলে ঠিক করলো তাদের ছাত্র সংগঠন ভেঙ্গে দিবে, ছাত্ররা মন দিয়ে লেখাপড়া করবে, দেশের তড়তড় করে উন্নতি হবে। তখন যদি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ঠিক করেন তাঁর খেয়াল খুশীমত আজ ৫০০ টাকা কাল আরও ৫০০ টাকা ফি বাড়াবেন, ছাত্ররা কি তাতে টুঁ শব্দ না করে বর্ধিত ফি দিয়ে যাবে? গাড়ি ভাঙবে না? কিচ্ছু করবে না? গার্মেন্টস কর্মীদের তো ট্রেড ইউনিয়ন নেই, মানে রাজনীতি নিষিদ্ধ। তবুও তারা আন্দোলনে যায় কেন? হাজার হাজার পুলিশ দিয়েও তো আন্দোলন ঠেকানো যায় না।
            বাংলাদেশের ছাত্র রাজনীতির সংকট মূলত ছাত্র রাজনীতি নয়, ‘রাজনীতি’র অভাব। ঢাকা আর চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় দুটোতেই ছাত্র সংসদ বলে কিছু নেই গত বিশ বছর ধরে। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতেও নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন হয় না। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়গুলো চালু হয়েছে সেগুলোতে সম্ভবত ছাত্র সংসদের বিধানই নেই। ছাত্র সংসদ নেই মানে ছাত্রদের প্রতিনিধিত্ব নেই, ছাত্রদের সাথে প্রশাসনের আলোচনার টেবিলে বসার সুযোগ নেই। প্রসাশনের যেকোন সিদ্ধান্তই রাস্তায় মারামারি করে মীমাংসা করতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ে তো আর ১০ বছরের শিশুরা পড়ে না, পড়ে ১৮/২০ বছরের লায়েক ছেলেমেয়েরা, গ্রামের মোড়লের মত মতলব বাজী করে বিশ্ববিদ্যালয় চালানো যায় না, এটা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসির বোঝা উচিত।

            Reply

    আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে নিচের মন্তব্য-ফর্ম ব্যবহার করুন:

    =নিয়মাবলি=
    * ভাষা: মন্তব্যের ভাষা হওয়া উচিত (মূলত) বাংলা — অবশ্যই বাংলা হরফে। আর ভাষারীতি লেখ্যভাষা হিসেবে প্রচলিত প্রমিত বাংলা হওয়াই শ্রেয়।
    ** মডারেশন: মন্তব্যের ক্ষেত্রে এখানে প্রাক-অনুমোদন মডারেশনের চর্চা নেই। তবে যে-সব কারণ উপস্থিত থাকলে প্রকাশিত মন্তব্য বিনা নোটিশে (এবং কোনো ধরণের কারণ-দর্শানো ছাড়াই) পুরোপুরি মুছে দেয়ার বা আংশিক সম্পাদনা করার অধিকার "মুক্তাঙ্গন" সংরক্ষণ করে, সেগুলো হলো: (ক) সাধু এবং চলিত রীতির সংমিশ্রণ; (খ) ত্রুটিপূর্ণ বানানের আধিক্য; (গ) ভাষার দুর্বল, আঞ্চলিক, অগ্রহণযোগ্য বা ছাপার অযোগ্য প্রয়োগ; (ঘ) ব্যক্তিগত আক্রমণ প্রবণতা, ছিদ্রান্বেষণ ও কলহপ্রিয়তা; (ঙ) অপ্রাসঙ্গিকতা ও বক্তব্যহীনতা। এ ব্যাপারে মডারেশন টিমের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। তাই, চূড়ান্তভাবে পেশ করার আগে "প্রাকবীক্ষণ"-এর মাধ্যমে নিজ-মন্তব্যের প্রকাশিতব্য রূপ যাচাই করে নিন।
    *** নিবন্ধিত লেখকদের প্রতি: লেখকের নিজস্ব পাতার প্রকাশিত কাজের তালিকায় আপনার পেশ করা মন্তব্যের তালিকাভুক্তি নিশ্চিত করতে লগ-ইন করা অবস্থায় মন্তব্য করুন।
    >>প্রত্যুত্তরটি না পাঠাতে মনস্থির করলে "এখানে" ক্লিক করুন<<


    অভ্র প্রভাত ফোনেটিক ইউনিজয় ইংরেজী
    ------------(মাউস ক্লিক করে বাংলা লিখুন)------------
    ক খ গ ঘ ঙ চ ছ জ ঝ ঞ ট ঠ ড ঢ ণ
    ত থ দ ধ ন প ফ ব ভ ম য র ল শ ষ
    স হ ক্ষ ড় ঢ় য় ৎ ং ঃ ঁ । ॥ ৳ র-ফলা‌‌‌
    অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ     য-ফলা
      া ি ী ু ূ ৃ ে ৈ ো ৌ     রেফ
      ০ ১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬ ৭ ৮ ৯     ZWNJ
    স্পেসবার নতুন লাইন যুক্ত করুন/হসন্ত ZWJ


    বাংলায় মতামত লিখতে নিচের যে কোন একটি পদ্ধতি বেছে নিন:
    (ক) সংযুক্ত চারটি বাংলা কী‌বোর্ডের (ইউনিজয়, ফোনেটিক, প্রভাত) যে কোন একটি বেছে নিয়ে; অথবা, (খ) গুগল বাংলা ট্রান্সলিটারেশন টুল ব্যবহার করেও সহজে বাংলা লেখা সম্ভব। বাংলা অক্ষর চালু/বন্ধ করতে ctrl+g চাপুন। শব্দটি ইংরেজী হরফে লিখে ফেলে স্পেসবার চাপুন, তাহলেই সেটি বাংলায় রূপান্তরিত হবে (একই শব্দের একাধিক বানান-বিকল্প শব্দটির উপরে মাউস রেখে ক্লিক করে দেখে নেয়া যায়); অথবা, (গ) মাউস ক্লিক করে বাংলা লিখুন; অথবা, (ঘ) আপনার কম্পিউটারে অভ্র কীবোর্ড স্থায়ীভাবে ইনস্টল করে নিয়ে। কীবোর্ডগুলোর ব্যবহার বা লে‌-আউট জানা না থাকলে "বাংলা বর্ণমালা বিভ্রাট" লিংক অথবা "বাংলা কীবোর্ড লে-আউট" লিংক থেকে বিস্তারিত জেনে নিন। এরপরও সমস্যার সম্মূখীন হলে ব্লগ এডমিন এর কাছে সাহায্যের জন্য লিখুন।

    কপিরাইট © ২০০৮ নির্মাণ | ওয়ার্ডপ্রেস নির্ভর "মুক্তাঙ্গন" এর থীম রিফিউলড.নেট এর সৌজন্যে