প্রিয় লর্ড এ্যাভবারী, আপনি উল্টোপাল্টা বকছেন, দয়া করে অবসর নিন
লর্ড এ্যাভবারী
‘বাংলাদেশ: ডেমোক্র্যাসি, গুড গভর্নেন্স, হিউম্যান রাইটস-রোল অব পলিটিক্যাল পার্টিজ’ এই বিষয়ে একটি সেমিনার এর নিমন্ত্রণ প্রথম আমি পাই আমার এক সাংবাদিক বন্ধুর কাছ থেকে যিনি নিজেও একজন আইনজীবী। নিমন্ত্রণপত্রে আমি দেখতে পাই এই সেমিনারটির আয়োজন করছে ‘ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’ নামের একটি সংগঠন। ইংল্যান্ডে থাকার স্বভাবগত কারনেই আমি প্রথমে গুগলে ‘ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন’ নাম দিয়ে সার্চ দেই। কোনো ওয়েবসাইট খুঁজে পেলাম না আমি। তেমন কোনো রেজাল্ট না পাওয়ার পর আমি চ্যারিটি কমিশন এ খোঁজ নিলাম এই নামে কোন কিছু ইংল্যান্ডে আছে কিনা। উত্তর আসলো যে এই নামে চ্যারিটি কমিশনে কিছু নাই। এরপর খোঁজ নিলাম কোম্পানী হাইজে। সেখানেও কিছু পাওয়া গেলো না। নিমন্ত্রণপত্রে দেখা গেলো দুইজন ব্যক্তির ইমেইল অ্যাড্রেস দেয়া আছে – দুইটিই হটমেইল এর। আরেকটু খোঁজ নিয়ে জানা গেলো তিনজন ব্যক্তি এই সংঘটন চালাচ্ছেন। এটার সভাপতি হলেন লর্ড এভেবুরী, আর বাকি দুইজন হলেন সুজিত সেন ও আনসার আহমেদ উল্লাহ। আর কোনো ব্যক্তির সম্পৃক্ততা আমি খুঁজে না পাওয়ার পর ধরে নিয়েছি যে এটা তিনজন এর একটি নামকাওয়াস্তে সংঘটন, যেখানে লর্ড এ্যাভবারী নিজের পাবলিসিটি করার জন্য বাংলাদেশ নামে বিভিন্ন আইটেম করে যাচ্ছেন এবং এতে সহযোগিতা করছেন সুজিত সেন। এই বিষয়ে দৈনিক কালের কণ্ঠে একটি প্রতিবেদনও ইতিমধ্যে এসেছে।
নিমন্ত্রণপত্র।
কে এই লর্ড এভেবুরী
লর্ড এ্যাভবারী যুক্তরাজ্যের ”হাইজ অব লর্ড‘ এর বর্তমান ৭৫৫ জন সদস্য এর মতোই একজন লর্ড। আসল নাম এরিক লাবোক। রাজনৈতিক জীবনে তিনি লিবারেল ডেমোক্রেট পার্টিতে সক্রিয়। বাংলাদেশ নিয়ে লর্ড এ্যাভবারী সম্ভবত কাজ শুরু করেন ১৯৯৭ সালে।
Lord Avebury has been co-chair of the Chittagong Hill Tracts Commission (promoting implementation of the Peace Accords of 1997 with the Bangladesh Government) since April 2008. In his capacity of co-chair he has travelled several times to Bangladesh.
কিছুদিন পুর্বে জামাত-ই-ইসলামী এর জাস্টিস কনসার্ন এর সাথে এক সেমিনার আয়োজনের মাধ্যমে লর্ড সমালোচিত হতে থাকেন। এই বিষয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট করেছিলো বিডিনিউজ২৪ ডট কম। এর পুর্বে লর্ড এ্যাভবারী এর সক্রিয়তায় ইন্টারন্যাশনাল বার এসোসিয়েসন এর মাধ্যমে বাংলাদেশ সরকারকে জানানো হয়েছিলো যে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার যেন আন্তর্জাতিক স্ট্যান্ডার্ড মেনে করা হয়। লর্ড এর বিগত কয়েক মাস এর কার্যকলাপে এই ধারণা করা হচ্ছে যে, লর্ড পরোক্ষভাবে জামাত-ই-ইসলামী এর এজেন্ডাকেই দিন দিন সহযোগিতা করে আসছে।
হাউজ অব লর্ডস এর স্ট্রাকচার।
১৬ জুলাই এর সেমিনার কি এবং কেন?
জাস্টিস কনসার্ন এর সেমিনার কেলেংকারীতে লর্ড এর ইমেজ ক্ষুন্ন হওয়ার পর তার সহযোগী সুজিত সেন লর্ড সাহেবের ইমেজ উদ্ধারের জন্য উঠে পড়ে লাগে। সুজিত সেন নানাভাবে বাংলাদেশ সরকারকে বুঝাতে সক্ষম হয় যে, ১৬ জুলাই একটি আন্তর্জাতিক মানের সেমিনার হতে যাচ্ছে সেখানে যেন বাংলাদেশ সরকারও অংশগ্রহণ করে। বাংলাদেশ সরকার সেমিনারে অংশ গ্রহনের পুর্বে আয়োজকদের সম্পর্কে কোনো খোঁজ খবর না নিয়েই সেমিনারে অংশগ্রহন করে এক অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে পড়লো। বুঝে হোক কিংবা না বুঝে হোক, এ্যাভবারী-সুজিত এর এই তৎপরতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপদেষ্টা জনাব এইচ টি ইমামও সক্রিয় ভূমিকা রেখেছেন, যিনি কিছুদিন আগে তার লন্ডন সফর শেষে সরকারের বিভিন্ন মহলের কর্তাব্যক্তিদের সাথে যোগাযোগ করে এই সেমিনারের সাফল্য নিশ্চিত করার চেষ্টা করেছেন। লন্ডন সফরকালে তার সাথে লর্ড এ্যাভবেরীর আড়াই ঘন্টার একটি একান্ত বৈঠকও হয়েছে। জানা গেছে যে, সেই বৈঠকের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের লক্ষ্যে – তিনি লন্ডনে নিযুক্ত বাংলাদেশ হাইকমিশনারসহ বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রী এবং সাংসদ পর্যায়ের কয়েকজনের এই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ নিশ্চিত করার ব্যাপারে তৎপর ছিলেন।
সেমিনার শুরুর প্রথমে ব্যারোনেস পলাউদ্দিন লর্ড এ্যাভবারীর একটি লিখিত বক্তব্য পড়ে শুনান। আসুন দেখি সেখানে কি ছিলোঃ
I am sorry not to be with you today, having been summoned to hospital for pre-operative assessment prior to an operation on Monday. . Unfortunately, Ann Main MP, who was to have been my co-chair, had an accident on Tuesday and is also out of action. We are both very grateful to Baroness Uddin for taking over at short notice.
Democracy, good governance, the rule of law and human rights are the pre-requisites for development in every country, and friends of Bangladesh were delighted that after free and fair elections based on the accurate voters’ list prepared under the caretaker government, there is now a democratic government in Bangladesh.
The opposition too has an important role in any Parliamentary system, and it would be good to see the BNP taking part in debates to air their grievances, rather than agitating on the streets.
All the political parties should join together in combating terrorism, and in supporting a clamp-down on the violence of the Bangladesh Chhatra League
The principle that the war criminals of 1971 should be tried is right, but the law must be compliant with modern international standards. I welcome the government’s offer to discuss the recommendations of the International Bar Association with the IBA’s experts.
The government’s undertaking to implement the Chittagong Hill Tracts Peace Accord of 1997 should be implemented robustly, and there should be an independent inquiry into recent arson attacks and killings in the CHT.
My best wishes for a successful discussion of these and the many other issues facing the government and people of Bangladesh.
এই লিখিত বক্তব্য খেয়াল করলে দেখা যাবে লর্ড যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে আমাদের জামাতবান্ধব লোকদের মতো কথা বলছেন। বাংলাদেশ তার যুদ্ধাপরাধীদের বিচার দেশের আইন অনুযায়ী করবে, তাতে লর্ড এর এতো মাথাব্যাথার কারন আমি খুঁজে পাইনি।
প্যাডসর্বস্ব ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ ফাউন্ডেশন এর সেমিনার কিভাবে পন্ড হলো তার কিছু ধারাবাহিক বর্ণনা আমি আমার আইফোনে তোলা ছবি থেকে তুলে ধরছি। যদিও ছবিগুলা ক্লিয়ার না, তারপরও কি ঘটেছিলো তার একটি আন্দাজ পাওয়া যাবে।

কিছুক্ষন পর সেমিনার শুরু হবে। ৭০-৮০ এর মতো লোক উপস্থিত।

৭ মিনিট সময় নিয়ে বক্তব্য নিয়ে আসেন হাইকমিশনার সাইদুর রহমান খান।

৫ মিনিট বরাদ্দ দেওয়া হয় যুক্তরাজ্য বিএনপির সভাপতি কমর উদ্দিনকে, কিন্তু নির্দিষ্ট সময় শেষ হওয়ার পর ও তিনি কথা কন্টিনিউ করতে থাকলে উনাকে ব্যারোনেস পলা উদ্দিন থামার অনুরোধ করেন। তখন কমর উদ্দিন খুব বিশ্রীভাবে বলেন যে আমি আরো কথা বলবো। উপস্থিত সবাই কমর উদ্দিনের ব্যবহারে হতাশ হয়।

এরপর আওয়ামীলীগ এর পক্ষে কথা বলতে আসেন সুলতান শরীফ। উনি বক্তব্যের শুরুতেই পূর্ববর্তী বক্তা কমর উদ্দিনের আচরনের কথা উল্লেখ করে বলেন যে, এটাই আসলে বিএনপির আসল গণতান্ত্রিক আচরণের নমুনা। এই কথা বলার পরপরই আমার ঠিক পেছনের সারির বিএনপি’র দুইজন গালাগালি শুরু করে এবং সুলতান শরীফকে কথা থামানোর জন্য চিৎকার শুরু করে এবং চেয়ার নিয়ে সামনের দিকে ছুড়ে মারে।
সুলতান শরীফ এর স্ত্রী নোরা শরীফকে চেয়ার দিয়ে আঘাত করার চেষ্টা করছে বিএনপির এক সাপোর্টার।

মারামারি চলছে।

সাদা শার্ট এবং জিন্স পড়া বিনপির কর্মী, এই লোকই সবচেয়ে বেশি আক্রমনাত্মক ছিলো।

লন্ডভন্ড সব, সাবের হোসেন ও প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মশিউর রহমান দাঁড়িয়ে আছেন।
এই হলো ঘটনার সংক্ষিপ্ত বর্ননা। এই ঘটনার পরপর লর্ড এ্যাভবারী আরেকটি বক্তব্য জানান। আসুন দেখি সেখানে কি লিখেছেন তিনি।
At the afternoon Sujit called to say there had been some unruliness at the Bangladesh meeting I was to have chaired at the LSE. The BNP speaker who came first was heard peacefully, but as soon as the Awami League spokesman began his presentation there were interruptions, and this further degenerated into physical violence. BNP supporters started throwing chairs, and Pola Uddin, who had kindly agreed to chair the meeting in my absence, called the police. The meeting was being filmed by Bangla TV, and its possible that whoever committed the violence could be identified and criminal charges brought.
It has to be acknowledged, that if we can’t have an orderly meeting between supporters of the government and opposition at the LSE, there isn’t much hope of the parties sitting down together to see what common ground there might be between them in Dhaka. The BNP has boycotted the Parliament and stages ‘hartals’ – mass demonstrations on the streets – rather than engaging in a rational discussion of policy. They are aggrieved by the AL government’s court proceedings to evict the leader of the opposition, Khaleda Zia, from her grace and favour residence, and the renaming of the airport which was given the name of
her father
when he was President.
But in the meanwhile, the country faces huge problems including the constant threat of terrorism; the violence perpetrated by the student body the Chhatra League; the trials of the war criminals of 1971; the promise by the government to implement the Chittagong Hill Tracts Peace Accord of 1997, and looming ahead, the displacement of tens of millions of people from coastal areas as the sea level rises due to global warming. These and other threats require united action by the people of Bangladesh, and it will be a tragedy if the parties can’t respond coherently.
খেয়াল করে দেখুন লর্ড এর কথাবার্তা সেগুলা বোল্ড করা হয়েছে। তিনি বলতে চাইতেছেন এবং বুঝাতে চাচ্ছেন যে বাংলাদেশ একটি দ্বিধাবিভক্ত জাতি। এই বিভাজন শো করাই এই সেমিনারের মূল উদ্দেশ্য বলে মনে হচ্ছে এখন।
সবচেয়ে মজার বিষয় হচ্ছে বাংলাদেশ প্রসংগে লর্ড এ্যাভবারীর অজ্ঞতা। আর সেই অজ্ঞতা এখন পর্যন্ত অনেকের চোখেই ধরা পড়েনি। সেটি ধরে দিয়েছেন আমাদের সচলায়তন এর ব্লগার হিমু। লর্ড হয়তো বলছেন যে জিয়াউর রহমান খালেদা জিয়ার বাবা ছিলেন! অথবা এয়ারপোর্টের নাম শেখ হাসিনার বাবার নামে নতুন করে নামকরণ করা হয়েছে। তিনি যাই বুঝাতে চাইছেন না কেন দুইটাই ভুল। এয়ারপোর্টের নাম খালেদার বাবা জিয়ার রহমানের নামেও ছিলো না অথবা শেখ হাসিনার বাবার নামেও করা হয় নাই, হয়েছে হযরত শাহজালাল এর নামে।
এই জ্ঞান নিয়ে লর্ড যদি বাংলাদেশ কিভাবে যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে অযথা নাক গলাতে চান তাহলে আমি শুধু বলবো যে, প্রিয় লর্ড এ্যাভবারী, আপনি উল্টোপাল্টা বকছেন, দয়া করে অবসর নিন।
৪ টি মন্তব্য/প্রতিক্রিয়া এসেছে এ পর্যন্ত:
আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে নিচের মন্তব্য-ফর্ম ব্যবহার করুন:
* ভাষা: মন্তব্যের ভাষা হওয়া উচিত (মূলত) বাংলা — অবশ্যই বাংলা হরফে। আর ভাষারীতি লেখ্যভাষা হিসেবে প্রচলিত প্রমিত বাংলা হওয়াই শ্রেয়।
** মডারেশন: মন্তব্যের ক্ষেত্রে এখানে প্রাক-অনুমোদন মডারেশনের চর্চা নেই। তবে যে-সব কারণ উপস্থিত থাকলে প্রকাশিত মন্তব্য বিনা নোটিশে (এবং কোনো ধরণের কারণ-দর্শানো ছাড়াই) পুরোপুরি মুছে দেয়ার বা আংশিক সম্পাদনা করার অধিকার "মুক্তাঙ্গন" সংরক্ষণ করে, সেগুলো হলো: (ক) সাধু এবং চলিত রীতির সংমিশ্রণ; (খ) ত্রুটিপূর্ণ বানানের আধিক্য; (গ) ভাষার দুর্বল, আঞ্চলিক, অগ্রহণযোগ্য বা ছাপার অযোগ্য প্রয়োগ; (ঘ) ব্যক্তিগত আক্রমণ প্রবণতা, ছিদ্রান্বেষণ ও কলহপ্রিয়তা; (ঙ) অপ্রাসঙ্গিকতা ও বক্তব্যহীনতা। এ ব্যাপারে মডারেশন টিমের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। তাই, চূড়ান্তভাবে পেশ করার আগে "প্রাকবীক্ষণ"-এর মাধ্যমে নিজ-মন্তব্যের প্রকাশিতব্য রূপ যাচাই করে নিন।
*** নিবন্ধিত লেখকদের প্রতি: লেখকের নিজস্ব পাতার প্রকাশিত কাজের তালিকায় আপনার পেশ করা মন্তব্যের তালিকাভুক্তি নিশ্চিত করতে লগ-ইন করা অবস্থায় মন্তব্য করুন।














[মন্তব্য-লিন্ক]
গ্র্যান্ডফাদার এ্যাভবারী, আপনি বড় বেশী কৌতুক উপহার দিচ্ছেন, আপনি কমেডি সিনেমায় ট্রাই করে দেখতে পারেন!
সুজিত-এইচ টি ইমাম এই জুটিটার কাজকর্ম বুঝতে পারছি না। এদের ভূমিকা বিভীষনময়? প্রধানমন্ত্রীর দপ্তর কাদের উপদেষ্টা বানায়? কি যোগ্যতার ভিত্তিতে? তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড চেক কি নির্ভূল হয়? যুদ্ধাপরাধীদের বিচারে ট্রয়ের ঘোড়া সবচেয়ে বিপজ্জনক অস্ত্র হতে পারে সরকারের বিরূদ্ধে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
খুবই দরকারি তথ্যসমৃদ্ধ লেখা, ভালো লাগল।
[মন্তব্য-লিন্ক]
এ খবর নিয়ে প্রথম আলোর কারবার।
১. ইন্টারনেট আপডেট এ খরব: সংঘর্ষের মধ্য দিয়ে লন্ডনে বাংলাদেশের মানবাধিকার সম্মেলন পণ্ড।
২.ইপ্রথমআলোর খবর : লন্ডনে মানবাধিকার সম্মেলনে সঙঘর্ষ আ.লীগ-বিএনপি পরষ্পরকে দুষছে।
৩. যাদের হাতে আজকের ছাপা প্রথম আলো আছে, খুঁজে দেখুন এখবর কোথাও নেই।
[মন্তব্য-লিন্ক]
ওপর থেকে পাঁচ নম্বর ছবিতে উড়ন্ত চেয়ার থেকে নিজেকে রক্ষা করা নোরা শরীফ এর আরও একটি পরিচয় আছে। ১৯৭১ সালে লন্ডনে প্রবাসী বাঙ্গালী ছাত্র-পেশাজীবিরা মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে বিশ্ব জনমত গড়ে তোলায় যে বিশাল কর্মযজ্ঞ গড়ে তুলেছিলেন, নোরা শরীফ সেই ঐতিহাসিক ‘ফকির সমিতি’-র একজন সক্রিয় সদস্য। আইরিশ বংশোদ্ভুত সত্তরোর্ধ এই ব্যারিস্টার এখনো মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষে কাজ করে যাচ্ছেন। ‘লন্ডন লইয়ার্স ফোরাম’ (যেটির আহ্বায়ক নোরা শরীফ) WCSF কোয়ালিশনের ১২-টি অংশীদার সংগঠনের একটি।