পার্বত্য চট্টগ্রাম: চলমান আপডেট ১
লিখেছেন: রায়হান রশিদ | ২৪ জুন ২০০৮, মঙ্গলবার
পার্বত্য চট্টগ্রামের সাম্প্রতিক কিছু ঘটনাপঞ্জীর কালানুক্রমিক গ্রন্থণা এবং সে বিষয়ে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম ও অন্যান্য ব্লগবাড়ীতে যে সব আলোচনা চলছে:
২০ এপ্রিল ২০০৮: বাঘাইহাটের সাজেকে স্থানীয় বাঙ্গালী অভিবাসীদের দ্বারা চাকমা ঘরবাড়ীতে সংঘবদ্ধভাবে অগ্নিসংযোগের ঘটনা।
২৭ এপ্রিল ২০০৮: অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের পক্ষ থেকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন।
৫ মে ২০০৮ (প্রকাশের অনুমতিলাভ) : সাজেক মানবাধিকার তদন্ত প্রতিবেদন-১ (মোশরেফা মিশুর নেতৃত্বে)।
৫ মে ২০০৮ (প্রকাশের অনুমতিলাভ) : সাজেক মানবাধিকার তদন্ত প্রতিবেদন-২ (সারা হোসেনের নেতৃত্বে)।
১২ জুন ২০০৮: কল্পনা চাকমা অপহরণ - বিচারহীনতার ১২ বছর পূর্তি [এখানে এবং এখানে দেখুন]
২১ জুন ২০০৮: সাদা পোশাকধারী যৌথ বাহিনীর সদস্যকর্তৃক পার্বত্য চট্টগ্রামের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষার আন্দোলনে সক্রিয় পাঁচ নেতাকর্মী গ্রেফতার। গ্রেফতারকৃতরা হলেন - অলকেশ চাকমা (ডেমোক্রেটিক ইউথ ফোরামের কেন্দ্রীয় নেতা), অনি বিকাশ চাকমা, পুলক চাকমা (পাহাড়ী ছাত্র পরিষদ নেতা) এবং আরো একজন। এই পোস্ট লেখার সময় পর্যন্ত গ্রেফতারকৃতদের প্রত্যেকে নিরুদ্দেশ। ঘটনার নিকটস্থ হাটহাজারী থানাতেও এ সংক্রান্ত কোন তথ্য নেই। [এখানে এবং এখানে দেখুন]।
সেইসাথে পড়ুন:
–রেহনুমা আহমেদের পোস্ট [এখানে]
–ইনসিডেন্টাল ব্লগারের পোস্ট [এখানে]
[প্রাসঙ্গিক: ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬]
৪ টি মন্তব্য/প্রতিক্রিয়া এসেছে এ পর্যন্ত:
এ লেখার বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে হলে নিচের ফর্ম ব্যবহার করুন:
সজাগ সাধারণ্যে সিংহ হৃদয়ের স্পন্দন
লিখেছেন: রায়হান রশিদ | ৮ মে ২০০৯, শুক্রবার
গল্পকেও হার মানায় এই কাহিনী। কিংবা এটি কোন গল্প নয় মোটেই। ‘কি হতে হবে’, ‘কি হতে পারলাম’, ‘কি পেয়েছি’, ‘কি পাইনি’ - কঠোর বাস্তবতার এমন হাজারটা অনুক্ত সমীকরণে ধীরে ধীরে গুটিয়ে নেয়া সত্ত্বার কাছে এসব আজ গল্প মনে হয়। সাম্প্রতিককালে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর হিসেবে ড. আতিউর রহমানের নিয়োগ প্রাপ্তির পর থেকেই পত্র পত্রিকা ইন্টারনেট ফোরামগুলো ছেয়ে গেছে গল্পকে হার মানানো কোন এক “রাখাল বালকের” গল্পে। বিস্ময়ে আনন্দে হতবাক হয়েছি আমরা পাঠকরা। কেউ একে দেখছেন সাফল্যের গল্প হিসেবে, কেউ দেখছেন ছিন্ন বস্ত্র থেকে প্রাসাদের গল্প হিসেবে, কেউ দেখছেন প্রতিবন্ধকতা অতিক্রমণের আখ্যান হিসেবে। নিঃসন্দেহে অনুপ্রেরণাদায়ী ড. আতিউর এর উত্থানের এই কাহিনী কি আসলেই এতটা অনন্য সাধারণ?
পিলখানা গণহত্যা: চিন্তাঝড় ৩ — গুজবের ময়না তদন্ত
লিখেছেন: রায়হান রশিদ | ৬ মার্চ ২০০৯, শুক্রবার
[পিডিএফ ডাউনলোড করুন]
ঢাকা এখন গুজবের শহর। অনেক ধরণের আকাশকুসুম গুজব উড়ে বেড়াচ্ছে আকাশে বাতাসে। তারই একটি হল কথিত এক সেনা জেনারেলের একটি প্রচারণা যেটি ইন্টারনেটের মাধ্যমে সর্বত্র ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন ব্লগে এটিকে জনৈক সেনা জেনারেলের ইমেইল হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, তাই আলোচনার সুবিধার্থে প্রচারণার লেখককে ‘জেনারেল’ হিসেবেই সম্বোধন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি আমি। ইমেইলটি আমার নজরে এসেছে বেশ কয়েকদিন আগেই। এক বন্ধু পাঠিয়েছিল। এ ধরণের ‘অসাধারণ’ প্রচারণাকে আমি সাধারণত গুরুত্বের সাথে নিইনা। পড়াটাকেও এমনকি মনে করি মূল্যবান সময়ের অপচয়। ধরেই নিয়েছিলাম এমন আকাশকুসুম তত্ত্বে অন্তত শিক্ষিত কোন মানুষের ভাবান্তর হবে না [...]
চিন্তাঝড় ২ : পিলখানা গণহত্যা — কারা, কেন, কীভাবে?
লিখেছেন: রায়হান রশিদ | ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০৯, শনিবার
ঘটনার প্রথম প্রহরেই আমরা দ্রুত কিছু বিষয়ে অগ্রিম ইঙ্গিত তুলে ধরার চেষ্টা করেছিলাম (এখানে)। এবার এ বিষয়গুলো নিয়ে আরেকটু বিস্তারিত আলোচনা করা দরকার। এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য এবং কিছু আনুমানিক বিশ্লেষণকে ভিত্তি করে দ্রুত লিখছি [...]
চিন্তাঝড় ১: বিডিআর বিদ্রোহ — প্রথম প্রহর — কী কারণে? কারা? ঠিক এখনই কেন?
লিখেছেন: রায়হান রশিদ | ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০০৯, বুধবার
পরিকল্পিতভাবে দ্রব্যমূল্যস্ফীতি - বিডিআর নিয়ন্ত্রিত ‘অপারেশন ডালভাত’ - উঁচু পর্যায়ে অফিসারদের সেখান থেকে আখের গোছানোর অভিযোগ - সেই সাথে সাধারণ বিডিআর সদস্যদের বেতন ভাতা ইত্যাদি নিয়ে দীর্ঘকালীন বঞ্চনাপ্রসূত ক্ষোভ - পিলখানা ক্যাম্পে গোলাগুলি - ঘটনাস্থলে সেনা বাহিনী মোতায়েন - সেনা বাহিনী বিডিআর মুখোমুখি - জিম্মি উর্ধ্বতন অফিসাররা - হতাহতের সংখ্যা অনিশ্চিত - সমঝোতা আলোচনা - দাবী দাওয়া বিবেচনার এবং তা পর্যায়ক্রমে পূরণের আশ্বাস - অস্ত্র সমর্পনের আহ্বান - সাধারণ ক্ষমা ঘোষণা - অস্ত্র সমর্পন - আটকে পড়া নারী ও শিশুদের সরিয়ে নেয়া হচ্ছে . . .
সরকারের জবাবদিহিতা নিয়ে কিছু ভাবনা (২): সংসদীয় কমিটি
লিখেছেন: রায়হান রশিদ | ১২ জানুয়ারি ২০০৯, সোমবার
পূর্ব প্রকাশিতের পর . . .
এই পোস্টের গত পর্বে সরকারের জবাবদিহিতায় কেবিনেটের ভূমিকা নিয়ে আলোচনার সূত্রপাত করা হয়েছিল। এই পর্বে আলোকপাত করার চেষ্টা করবো সরকারের জবাবদিহিতা নিশ্চিতকরণে সংসদীয় কমিটিগুলোর ভূমিকার ওপর। গত দু’বছরে জবাবদিহিতা ও দুর্নীতি দমন ইস্যুতে কম আলোচনা হয়নি। তৈরি হয়েছে নতুন নতুন প্রতিষ্ঠান, প্রস্তাবিত হয়েছে নতুন নতুন কৌশল। সে-সব নিয়ে আলোচনা থেকে আপাতত বিরত থাকছি। সে-সবের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই বলছি, প্রচলিত আইনে জনপ্রতিনিধিত্বমূলক জবাবদিহিতা কাঠামোর আওতাতেই কার্যকর কিছু বিধান রয়েছে; সে-বিষয়ে আলোচনা করতেই এই পোস্ট। এই পোস্টের আরেকটি লক্ষ্য হল — প্রচলিত আইনের আওতায় এই জবাবদিহিতা কাঠামোটি কেন আশানুরূপভাবে কাজ করছে না বা কী করলে তা কার্যকর হয়ে উঠতে পারে — তাও নিরূপণের চেষ্টা করা। [...]
সরকারের জবাবদিহিতা নিয়ে কিছু ভাবনা (১): কেবিনেট
লিখেছেন: রায়হান রশিদ | ৮ জানুয়ারি ২০০৯, বৃহস্পতিবার
গত দু’বছর অনেক সংশয় এবং অনিশ্চয়তায় কাটানোর পর দেশ আবার গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ফিরেছে এখন। ব্যাপক অংশগ্রহণসমৃদ্ধ একটি সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, শপথ নিয়ে নতুন কেবিনেট গঠন করেছে নির্বাচিত দল, সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার গণতান্ত্রিক প্রতিনিধিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করে এনেছে। সংসদে ৮৫% আসনধারী এই সরকারের কাছ থেকে জনগণের অনেক প্রত্যাশা। অনেকগুলো পাহাড়প্রমাণ চ্যালেঞ্জ নব-নির্বাচিত [...]
যে সব বিষয়ে লিখতে মানা
লিখেছেন: রায়হান রশিদ | ৮ ডিসেম্বর ২০০৮, সোমবার
প্রতিনিয়ত চারপাশে এমন কিছু অবিচারের ঘটনা ঘটছে যেসব বিষয়ে কুলীন লেখকদের লিখতে মানা। কুলীন পত্রপত্রিকা বা ফোরামেও সেসব ছাপতে মানা। নিতান্তই যদি কিছু লিখতে হয় তবে তা তত্ত্বের আবরণে লেখাই নিরাপদ। পাছে লোকে ‘নিম্ন মাঝারি’ বলে গাল দিয়ে বসে! পাছে সেসব লেখাকে রগরগে অপরাধ-সাংবাদিকতার লেবেল এঁটে দেয় কেউ! বুদ্ধিবৃত্তিক তাত্ত্বিকতার আড়াল খুঁজতে চাইলে তারও সুযোগের কোনো কমতি নেই [...]
- মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৭ জুন ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১২:৫৪
বাংলাদেশের মিডিয়া হাউজগুলোর ব্যাপারে বিস্তারিত জানার আগ্রহ হচ্ছে। সময়ের প্রয়োজনীয় দলিল হিসেবে একটা তালিকা মনে হয় করে রাখা যেতে পারে। যেমন: - কে কোন মিডিয়ার সাথে জড়িত? - কোন বিশেষ সময়ে সেই ব্যক্তির ভূমিকা (কিংবা ভূমিকার অনুপস্থিতি) ঠিক কি ছিল? - সে সব ভূমিকার পেছনে সম্ভাব্য উদ্দেশ্য কি ছিল? - অন্য কোন্ কোন্ সামাজিক, সাংস্কৃতিক, রাজনৈতিক, সুশীল সংগঠন বা জোটের সাথে তারা জড়িত আছেন বা ছিলেন? - তাদের কে কে সময় বুঝে ভোল পাল্টেছেন? - এই সব মিডিয়ার পূঁজির উৎস কি? দেশীয় কিংবা বিদেশী কোনো কর্পোরেট হা [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৫ জুন ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১০:৫৭
ম্যাশ এবং এম এম আর জালাল যৌথ পোস্টে তথ্য প্রমাণসহ স্বাধীনতার ঘোষণার স্থান কাল পাত্র তুলে ধরেছেন। এখানে অন্যান্য প্রচার মাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ এবং বিভিন্ন গোয়েন্দা প্রতিবেদন অনুযায়ী দিনক্ষণের বিস্তারিত বর্ণনাও রয়েছে। অবশ্য পাঠ্য। এখানে: ১) Swadhin Bangla Betar Kendro And Bangladesh’s Declaration Of Independence এবং, ২ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২২ জুন ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১১:৫৬
হাই কোর্টের মামলাটির পটভূমি এবং ইতিবৃত্ত নিয়ে আরও কিছু তথ্য দেয়া যায় কি? কারা মামলাটি পরিচালনা করেছে, কেন করেছে, মামলাটির (এবং এর বিষয়বস্তুর) রাজনৈতিক তাৎপর্য, প্রয়োজনীয়তা ইত্যাদি বিষয়ে কিছু লিন্ক এবং রেফারেন্সসহ আলোচনা থাকলে আমরা আরও উপকৃত হতাম। এই রায়ের অর্জনটা ঠিক কোথায়? আর, 'আইনী সত্য' এবং 'রাজনৈতিক সত্য' এবং এর বিভাজন রেখা নিয়ে আরও কিছু আলোচনা আশা করছি, যদিও বিষয়টি অনেকটাই তত্ত্বীয় বা দার্শনিক। আরও একটি প্রশ্ন, রায়টির বিরুদ্ধে আপীল করা হয়েছে কি এখনো? [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৭ জুন ২০০৯, অপরাহ্ন ০৭:৪৫
সৌন্দর্য এবং যৌবনের আইকনরা যখন একে একে অবসর নিতে থাকেন কিংবা হারিয়ে যেতে থাকেন, তখন তা যেন আমাদেরও মনে করিয়ে দেয় যে সময় থেমে নেই। মনে করিয়ে দেয় আমাদেরও বয়স বাড়ছে, যা ভুলে থাকতে পারলেই বেঁচে যেতাম হয়তো। আবার আমাদের গড়ে ওঠা সৌন্দর্যের ধারণা, সেইসাথে 'সর্বজনীন সুন্দর' বলে আদৌ কিছু আছে কিনা তাও কিন্তু ভেবে দেখবার মত। এর কতটা বিজ্ঞাপনী মিডিয়ার গুণ, কতটা নন্দনতত্ত্ব, কতটা বংশগতির শুদ্ধতা, কতটা আমাদের নিজেদের চিন্তার সীমাবদ্ধতা -- এই বিষয়গুলো নিয়েও গভীর আলোচনা হতে পারে। এমনকি এই আলোচনাটা হওয়া জরুরি বলে [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৫ জুন ২০০৯, অপরাহ্ন ০৩:৫০
সারা বিশ্বের কাছে ট্যান্ক ম্যান নামে পরিচিত তিয়েনমেন স্কোয়ার এর সেই রহস্যময় কিশোর/যুবকের সম্ভাব্য পরিচয় এবং পূর্বাপর পরিস্থিতি নিয়ে এ্যান্থনী থমাসের প্রামাণ্যচিত্র Tiananmen Square: The Tank Man [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৫ জুন ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১১:২৫
গ্লোবাল ওয়াটার নেটওয়ার্কের সাম্প্রতিক এই রিপোর্টটি (Wolrd Water Stories) ডাউনলোড করে নিয়ে পড়া যেতে পারে। এতে বাংলাদেশ প্রেক্ষাপটও আলোচিত হয়েছে। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৪ জুন ২০০৯, অপরাহ্ন ০৮:২২
গুয়ের্নিকায় ছাপানো তিয়েনমেনের তৎকালীন এক ছাত্রনেতার সাক্ষাৎকার যিনি বর্তমানে নির্বাসনে। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৪ জুন ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০১:৫৩
ঝাও জিয়াং এর সদ্য প্রকাশিত Prisoner of the State: The Secret Journal of Zhao Ziyang বইয়ের আলোচনাকে কেন্দ্র করে তিয়েনমেন নিয়ে কেরী ব্রাউনের এই লেখাটাও পড়া যেতে পারে। এখানে আরও বেশ কিছু প্রাসঙ্গিক লেখারও লিন্ক পাওয়া যাবে। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৩ জুন ২০০৯, অপরাহ্ন ০২:১০
অত্যন্ত জরুরী এই বিষয়ে আলোচনার সূত্রপাত করার জন্য লেখককে ধন্যবাদ। একদিকে লাতিন আমেরিকা, আফ্রিকাসহ দেশে দেশে পানির পন্যকরণ এবং বহুজাতিক কোম্পানীর ক্রমবর্ধমান নিয়ন্ত্রণে এর উত্তোলন এবং বিতরণব্যবস্থা, অন্যদিকে এশিয়ার শক্তিশালী রাষ্ট্রপক্ষগুলোর পানির উৎস ও প্রবাহের উপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার আধিপত্যবাদী প্রবণতা (যেমন: ভারত-টিপাইমুখ, চীন-হিমালয় নীতি) - এসব দেখে ভয় হয় এর সবই অদূর ভবিষ্যতের কোন এক ঘনিয়ে ওঠা "পানি যুদ্ধ" [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২ জুন ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১০:০৯
রিচার্ড ডকিন্স - জন লেনক্স বিতর্ক ফিক্সড পয়েন্ট ফাউন্ডেশনের আয়োজনে ২০০৭ সালে বার্মিংহাম (আলাবামা রাজ্য, যুক্তরাষ্ট্র) শহরে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক রিচার্ড ডকিন্স (লেখক: "Selfish Gene", "God Delusion") তাঁরই সহকর্মী প্রফেসর জন লেনক্সের সাথে "ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস" নিয়ে এক মনোজ্ঞ বিতর্কে অবতীর্ণ হন। এই লিন্কটিতে পুরো বিতর্কটির ভিডিও দেখা যাবে। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৩০ মে ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১২:১৬
ছোটবেলা থেকেই নজরুলের কবিতা ও গানে আরবী ফারসী উর্দু থেকে উদ্ভুত ভিন্ন ভাষার শব্দগুলোর প্রয়োগ দেখে কেমন যেন অস্বস্তি হতো। গ্রহণ করতে মন চাইতো না। একটা বড় সময় টেলিভিশনের সঙ্গীতানুষ্ঠানগুলোতে যেভাবে মরমী (কিংবা "ইসলামী") নজরুলকে তুলে ধরা হতো, তা থেকেও মনে হয় এক ধরণের প্রতিরোধ গড়ে উঠেছিল মনের ভেতর। তার সাথে যুক্ত হয়েছিল বিভিন্ন সামরিক আধা সামরিক কুচকাওয়াজে আবহ হিসেবে নজরুলের ব্যবহার (যেমন: চল চল চল ...)। একটা দীর্ঘ সময় সামরিক শাসনের বাংলাদেশে বেড়ে ওঠার কারণেই হয়তো আমাদের প্রজন্মের একটা বড় অংশের কাছ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৮ মে ২০০৯, অপরাহ্ন ১০:০৩
স্বীকার করতেই হচ্ছে রীতিমতো চমকে উঠেছিলাম পোস্টের শিরোনাম দেখে। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৯ মে ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১১:৩৬
শ্রীলঙ্কার তামিল সংখ্যালঘুদের আন্দোলনের ইতিহাস মনে হয় একটি পৃথক পোস্টে তুলে ধরে বিশদ মূল্যায়নের সময় এসেছে। সংখ্যালঘুদের প্রতিনিধিত্বকারী সশস্ত্র বিরোধের পুরোধায় থাকা LTTE'র দাবীর ন্যায্যতা, ব্যাপক জনসমর্থন লাভ, পরবর্তীতে বিশ্বের দরবারে জনসমর্থন হারানো - পূর্বাপর এই ইতিহাসগুলো নিয়ে গভীর বিশ্লেষন জরুরী। কারণ, কেবল জনসমর্থন লাভ যেমন কোন দাবীকে নিরন্কুশ বৈধতা দেয় না, তেমনি তথাকথিত 'বিশ্ব দরবারের সমর্থন' হারানোও বৈধ দাবীকে ভিত্তিহীন করে না। আবার, সামরিক অর্থে কোন দাবীকারী জনগোষ্ঠীকে ফ্যাসীবাদীভাবে (প [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১২ মে ২০০৯, অপরাহ্ন ১২:১৯
বিষয়টি কি এমন যে একটি বিষয়কে গুরুত্বপূর্ণ করে তুলতে হলে আরেকটি বিষয় ছোট করে দেখতে হবে! একদমই না। আমিই হয়তো সংক্ষেপে লিখতে গিয়ে ভুল বোঝার অবকাশ তৈরী করেছি। রবীন্দ্রনাথ (কবি, লেখক, সংস্কারক, চিন্তাবিদ হিসেবে) বাঙ্গালীর জীবনের অনেক গভীরে জড়িয়ে গেছেন। তা যে কতখানি, তিনি নিজেও বোধ করি জীবদ্দশায় উপলদ্ধি করে যেতে পারেননি। আর ব্যক্তি বাঙ্গালীর আর দশটা সত্ত্বার একটা তো তার রাজনৈতিক সত্ত্বাও, আর সে সত্ত্বায় (বা আত্মপরিচয়বোধে) রবীন্দ্রনাথ ঠিক কতখানি ও কি ছাপ রেখে যান তাই জানতে চাই [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১১ মে ২০০৯, অপরাহ্ন ০৭:৫৭
সে যাত্রায় ১৮৩০০ ফুটে যখন উঠি এভারেস্ট দেখার জন্য তখন আমার সাথে এক ইসরাইলি আরোহী! কি অবাক করা কাজ! সারা জীবন শুনে এলাম ইসরাইলীরা আমাদের শত্রু। আমিও তাই জানি। কিন্তু যখন হাড় কামড়ানো ঠান্ডায় যে লোকটা আমার কাছে এগিয়ে আসবে সে আমার ধর্মের না! জীবনে অনেক বড় একটা শিক্ষা পেলাম, এখনও মনে করতে পারি প্রি-মনসুনের মে মাসে রাত ৮টায় এভারেস্ট এর সামনে তাকিয়ে জোরে জোরে আমার বাংলাদেশ বাংলাদেশ চিৎকার যেমন সৃষ্টিকর্তা শুনেছিলেন তেমনি গলা মিলিয়ে ছিল আমর – আমার ইসরাইলি বন্ধু। ততদিন অবধি কেউ কখনও [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১১ মে ২০০৯, অপরাহ্ন ০৭:৪৩
আর 'রাজনৈতিক রবীন্দ্রনাথ'? কিংবা 'রাজনীতিতে রবীন্দ্রনাথ' (বিশেষত এই বাংলায়)? মাসুদ করিমের ভাবনাগুলো জানতে ইচ্ছে করছে। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১১ মে ২০০৯, অপরাহ্ন ০৭:৪১
ধন্যবাদ তথ্যবহুল এই লেখাটার জন্য। স্বল্প পরিসরে রবীন্দ্রনাথকে জানায় লেখাটি ভূমিকা রাখবে আশা করি। রবীন্দ্রনাথকে চেনার হয়তো এখনো অনেক বাকী। বিশেষ করে আমাদের জীবনে রবীন্দ্রনাথ কি অর্থ বহন করে (কিংবা আদৌ করে কিনা) সেটা নিয়ে একটা লেখা কি পেতে পারি? রবীন্দ্রনাথ কি কেবলই একজন লেখক-কবি ছিলেন? [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১১ মে ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১১:৪২
@ শাহীন ইসলাম [১.২.১.১.৬] হৈ চৈ টি শুরু করেছিল ওরিয়েনটেলিস্টরা (Orientalist) [এখন Orientalist লেবেলের পরিবর্তে Islamist লেবেলটি বেশী চালু], স্যাটানিক ভার্সেস নিয়ে আলোচনা প্রসঙ্গে "ওরিয়েন্টালিস্ট" এবং "ইসলামিস্ট" লেবেলের প্রতিস্থাপনের বিষয়টা নিয়ে আরেকটু আলোচনা করার অনুরোধ করছি। পাশাপাশি এই প্রসঙ্গে এডওয়ার্ড সাঈদদের কাজের ঘরানা থেকে পোস্ট-কলোনিয়াল স্টাডিস ঘরানার উত্থান ও বিবর্তন নিয়ে একটা পৃথক লেখা পেলেও আমরা সবাই ব্যাপারগুলো জানতে পারতাম। বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চার এই প্রভাবশ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১১ মে ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১০:৪৯
ঠিক এই সংশয় আমারও। আশা বন্ধক রাখা মানুষগুলোর অনেকেই যেমন অতীতে আমাদের হতাশ করেছে, তেমনি আমাদের আশা ভরসার জায়গাটাও কেমন যেন প্রায়ই মাত্রা ছাড়িয়ে যায় কিছুটা। প্রতিষ্ঠানকে গড়ে নেয়ায় ব্যক্তির ভূমিকা যেমন অনস্বীকার্য, তেমনি একজন ব্যক্তি হাজার সদিচ্ছা থাকলেও ঠিক কতটা আসলে করতে পারবেন তারও তো একটা সীমা আছে। কারণ, ওয়ান ম্যান শো বলে আসলেই হয়তো কিছু নেই। ব্যক্তিকে সেখানে তার গোষ্ঠী, পৃষ্ঠপোষক, প্রতিষ্ঠান, প্রচলিত ব্যবস্থা সব কিছুর সাথে প্রতিনিয়ত নেগোশিয়েশনের মাধ্যমে কাজ করে যেতে হয়। আমার আরেকটা সংশয় অর্থন [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৮ মে ২০০৯, অপরাহ্ন ১১:৩১
ইমতিয়ার শামীমকে ধন্যবাদ লেখাটির জন্য। ছবিগুলোর জন্যও। আকৃতি বা রূপের প্রচল বিন্যাস প্রত্যাখ্যানের মধ্যে দিয়ে রশীদ আমিন মূলত অভিজাত ও জনপ্রিয় রুচিকেই প্রত্যাখ্যান করেন, প্রত্যাখ্যান করেন সহজ সুখের শিল্পময়তা। জনপ্রিয় রুচিকে গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের এই সিদ্ধান্ত শিল্পীরা ঠিক কিভাবে নেন, কোন্ পর্যায়ে নেন, কি কারণে নেন - জানতে ইচ্ছে করে। নাকি এটা আসলে কোন সচেতন সিদ্ধান্ত নয়; কেবলি মনের ডাকে সাড়া দেয়া? আর জনপ্রিয়তার স্রোতে যাঁরা শেষ পর্যন্ত বা শুরু থেকে গা ভাসান, তারা কি সেট [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৭ মে ২০০৯, অপরাহ্ন ০২:৩১
অত্যন্ত পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার সাথে দাঁড় করানো এই লেখাটির জন্য মুজিব মেহদীর প্রতি কৃতজ্ঞতা। সেই সাথে কিছুটা বিস্ময় এবং অপরাধবোধ - এটি নিয়ে মুক্তাঙ্গনে কারো কিছু বলবার নেই দেখে। অপরাধবোধ নিজেরও, বিভিন্ন ব্যস্ততার অজুহাতে এই আলোচনা থেকে পালিয়ে বেড়ানোর জন্য। এই লেখাটির সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে যে বিষয়গুলো, দেখা যাক সেগুলোর কয়েকটাকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা যায় কিনা: ১) যৌনতা, অবদমনের সংস্কৃতি এবং আমাদের সমাজ; ২) যৌন শ্রমের সাথে জড়ানো নৈতিক রায়প্রদানের সংস্কৃতি। আমাদের প্রচলিত নৈতিকতার মাঝে আজম্ম [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৭ মে ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০১:৪৯
এই আলোচনার বিষয়বস্তু নিয়ে সিসিবি ব্লগেও একটি আলোচনা শুরু হয়েছে। এখানে দেখুন। পড়ার আহ্বান থাকলো। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৫ মে ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০৪:০৭
শুনেছি খাম্বা প্রবর এখন বিলেতে। শিরোমণির ভক্ত জনেরা তাঁর দেখাও নাকি পান পার্কে রেস্টুরেন্ট যা নিয়ে আবার দেশের পত্রিকায় গুণমুগ্ধ লেখাও ছাপানো হয় মহা সমারোহে। এঁদেরই একজন নাকি আবার হাওয়ারুন বিবির ডেরা কিনে নিয়ে গুরুচরণে অর্ঘ্য দেয়ার পরিকল্পনা করছেন; কারণটা নিতান্তই সেন্টিমেন্টাল (!), অন্য কিছু না। আর মন্ত্রী রাজ্জাকের কথা শুনে অবাক হবার কিছু নেই। যার বিচারে মঈন-লিংকন এক হয়ে যায়, সেই 'লেজবিশিষ্ট বৃক্ষচারী লম্ফনপটু স্তন্যপায়ী প্রাণীবিশেষের' কথা তুলে কেন মিছিমিছি নিজেরা বিব্রত হই! বহুদিন আগে পড়া ম [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৯ এপ্রিল ২০০৯, অপরাহ্ন ১১:৫৫
সুশান্তকে অনেক ধন্যবাদ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই ইস্যুটির অবতারণা করার জন্য। অনুমান করছি এই পোস্টের বিষয়বস্তু নিয়ে প্রত্যেকেরই কিছু না কিছু বলার মত কথা রয়েছে অভিজ্ঞতার ঝুলিতে। সবাইকে এতে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানাচ্ছি। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৮ এপ্রিল ২০০৯, অপরাহ্ন ১১:৪৫
১. সাম্প্রতিক কালে দুর্নীতি দমন কমিশনের সাবেক প্রধান জেনারেল হাসান মশহুদ চৌধুরীকে সংসদীয় কমিটির সামনে তলব করা নিয়ে বেশ বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। দুদক প্রধান দাবী করছেন একটি স্বাধীন কমিশনের প্রধান হিসেবে তাঁকে সংসদীয় কমিটির তলব পাঠানোর কোন এখতিয়ার নেই। অন্য দিকে সংসদীয় কমিটি দুদক প্রধানের এই আচরণকে সংসদের অবমাননা বলে অভিহিত করছে। দুদক প্রধানের অবস্থান অকুন্ঠ সমর্থন লাভ করছে সুশীল সমাজের একটি অন্যতম অংশের। কাকতালীয়ভাবে এটি ঠিক সেই অংশ যাঁরা গত দু'বছরের অনির্বাচিত তত্ত্বাবধায়ক সরকার [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৮ এপ্রিল ২০০৯, অপরাহ্ন ০২:১০
“আচ্ছা মামা একটা মাশিশের কাঠি দিয়ে এ সবে আগুন লাগিয়ে দিলে কেমন হয়”? আইডিয়াটা মন্দ না। অন্তত প্রতীকী অর্থেও তো তা করাই যেতে পারে, যদি সবাই রাজী থাকেন। সুকান্তকে মনে পড়ছে। “তো কোরান মাইনচের গ্যান থেইক্ক্যা আইসে না।”, মীনা বল্ল। “তার মানে?”, আমার উৎসাহটা বেড়ে গেলো। “আল্লা কি কোরান ফাক্ মাইরা ফেলাইসে ?”, মীনা পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়ে দিল। খুব আগ্রহ হচ্ছে জানতে মীনার এই বোধ এর প্রকৃত উৎস কি। জানতে চেয়েছিলেন? [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৭ এপ্রিল ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১১:৫৭
১. যিনি রাজা তিনি কি ঋষি হতে পারেন না? যিনি ব্লগার তিনি কি লেকচারারও হতে পারেন না? একজন আধুনিক মানুষ (কিংবা সবকালের সব মানুষই হয়তো) অনেকগুলো পরিচয় ধারণ করেন। আত্মপরিচয়বোধের (identity) ঘনত্ব ভেদে একেক সময় তার একেক পরিচয় মূর্ত হয়ে ওঠে। পরিচয়বোধের এই পার্থক্যগুলো যেমন ব্যবহারিক গুরুত্বসম্পন্ন, তেমনি কিছুটা তাত্ত্বিকও। যেমন ধরা যাক, 'ব্লগ' লেকচারের (কিংবা গবেষণাপত্রের) মতো শোনানো যাবে না, সেটা যেমন একটি চরম অবস্থান, তেমনিভাবে কারো লেকচার বা গবেষণাপত্রে ব্লগের গতিশীলতা এবং সাবলীলতা থাকতে পারবেনা সেট [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৪ এপ্রিল ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০২:১১
ক. খালেদ মোশাররফ এর পাল্টা অভ্যুত্থানের তোড়জোড় শুরু হয় ২ নভেম্বর ১৯৭৫ থেকে। (এখানে প্রফেসর অজয় রায়ের লেখায় বিস্তারিত)। জেলে জাতীয় চার নেতার হত্যাকান্ড সংঘটিত হয় ৩ নভেম্বর, এমনকি লিপসুলজের ভাষ্য অনুযায়ীও। লিপসুলজের লেখাটির একটি কপি মুক্তাঙ্গনেই আপল [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৩ এপ্রিল ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১২:২০
‘মেটা-থিওরি’ শব্দটা বোধহয় ঈষৎ ভিন্ন অর্থেও ব্যবহৃত হয়ে থাকে। সুমনের কথা ঠিক। অর্থের দিক থেকে মেটা থিওরী হল থিওরীর থিওরী। আমার উপরের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে আসলে "mother of all theories" জাতীয় কিছু একটা বোঝাতে চেয়েছিলাম। পরিভাষাটা কি হওয়া উচিত ঠিক বুঝতে পারছি না। আমি চাচ্ছি এমন সব থিওরীকে বোঝাতে যেগুলো তাদের ব্যপ্তি কিংবা প্রয়োগে অন্য থিওরীকেও adopt/assimilate এবং ক্ষেত্রবিশেষে তাদের ব্যাখ্যাকেও প্রভাবিত করে। শব্দটা কি তাহলে mega theory হওয়া উচিত? ঠিক নিশ্চিত না। কেউ সাহায্ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২২ এপ্রিল ২০০৯, অপরাহ্ন ০৯:৪২
শাহীন ভাইকে ধন্যবাদ আলোচনাটার সূত্রপাত করার জন্য। আমাদের আশে পাশের এমনকি নিজেদের ভেতরেও যে সব মৌলবাদী প্রবণতা রয়েছে সেগুলোকে চিহ্নিত করতে এই আলোচনাটা কাজে লাগবে আমাদের। অবিশ্রুতকেও ধন্যবাদ আরবের ইতিহাস থেকে তুলে আনা কিছু তথ্য আমাদের সাথে ভাগাভাগি করার জন্য। ব্যাপারগুলো জানা ছিল না। দর্শনশাস্ত্র বা যে কোন তত্ত্বীয় বিষয়ে শব্দগত প্রয়োগের বিষয়টি নাকি খুব গুরুত্বপূর্ণ। শাহীন ভাই দর্শন শাস্ত্রের মানুষ, তিনি নিশ্চয়ই আরও ভাল বলতে পারবেন। সেই সচেতনতা নিয়েই খুব সাধারণ বিচারে আরও কিছু বৈশিষ্ট্য যোগ করা [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২১ এপ্রিল ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১২:৩৬
৩রা নভেম্বর ৭৫ - খালেদ মোশারফ এর অভ্যুথ্যান এবং জিয়া নজর বন্দি হন। ৪ঠা নভেম্বর ৭৫ - জেল হত্যা, মোস্তাক সরকারের পতন। খালেদ মোশারফ এর সাথে ফারুক/রশিদ গংদের সমঝোতা ও তাদের বিদেশ পলায়ন। একটু অস্পষ্ট রয়ে গেল। কিছু তথ্য সূত্র এবং উদ্ধৃতি পাওয়া গেলে ভাল হয়। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২০ এপ্রিল ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০১:২২
মারকোস আরুদার দু'টি লেখা: ১) Marcos Arruda, 'New international financial institutions for a new global financial architecture'। (ওয়ার্লড সোশ্যাল ফোরাম (২০০৯) এ পেশকৃত) ২) Marcos Arruda, 'Profiting without producing: The financial crisis is an opportunity to create a world solidarity economy'. [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২০ এপ্রিল ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০১:১০
দারুন তো! যাই, এক্ষুনি এক কাপ বানাবো। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২০ এপ্রিল ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০১:০২
আরমান রশিদকে ধন্যবাদ এই জরুরী আলোচনাটা শুরু করার জন্য। '৭১ থেকে '৭৪ এর ইতিহাস নিয়ে তথ্যের কমতি নেই। কিন্তু '৭৫ থেকে '৮১ (মোটা দাগে) এই সময়কালটা সবসময়ই যেন কিছুটা অন্ধকারে রয়ে গেছে। একে নিয়ে আবেগী মতামতের যেমন প্রাচুর্য, তেমনই কমতি বস্তুনিষ্ঠ মূল্যায়নের। বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের সম্ভবত সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ সময়কাল এটা। গুরুত্বপূর্ণ এই অর্থে যে, এ সময়কার ঘটনাবলী এবং তাতে পাত্র পাত্রীদের ভূমিকাই (সম্ভবত) ঠিক করে দিয়েছিল পরবর্তী ২৬ বছরের বাংলাদেশের রাজনীতির গতিপথ এবং গতি প্রকৃতি। কর্নেল তাহের এই [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৮ এপ্রিল ২০০৯, অপরাহ্ন ০৩:২৮
দুঃখিত একটু দেরী হয়ে গেল লিখতে। এই বিষয়ে ক্রিশ্চিয়ান সায়েন্স মনিটরে বেশ কিছু দিন আগে ক্রিস্টিন রোজেন এর একটা মজার লেখা পড়েছিলাম। এখানে। সেখান থেকে কিছু উদ্ধৃত করছি: it's an easy way to set oneself apart. Pharaohs and kings once celebrated themselves by erecting towering statues or, like the emperor Augustus, placing their own visages on coins. . . . The Delphic Oracle's guidance was, [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৭ এপ্রিল ২০০৯, অপরাহ্ন ০৮:৩৭
করা হয়ে গেছে। দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৭ এপ্রিল ২০০৯, অপরাহ্ন ০১:৪৩
আপনি ঠিকই ধরেছেন। নম্বরগুলো বাংলা করার চেষ্টা চলছে। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৭ এপ্রিল ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০৩:৩৩
@অবিশ্রুত#৯ ধন্যবাদ এই স্বল্পগোচর মৃত্যুগুলোর কথা তুলে ধরার জন্য। পত্রিকা পড়ে যতদূর জেনেছি, এর প্রতিটি ঘটনাই খুব রহস্যময়তায় আবৃত। হঠাত যেন বিডিআর সদস্যদের মধ্যে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার হিড়িক (নাকি মড়ক!) লেগে গেছে। এগুলো যদি কোন গোষ্ঠীর প্রতিশোধপরায়নতা কিংবা নিজের হাতে আইন তুলে নেয়ার প্রবণতা থেকে উদ্ভুত হয়ে থাকে, তাহলে যেটা লক্ষ্যনীয় সেটা হল - জড়িত ব্যক্তিরা (যদি কেউ থেকে থাকেন) এমনকি "কভার স্টোরী" তৈরীর ব্যাপারেও অত্যন্ত উদাসীন; এমনকি একরকম ড্যাম কেয়ারই বলা যায় তাদের। জানতে ইচ্ছে করে - এই ড্য [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৬ এপ্রিল ২০০৯, অপরাহ্ন ০৩:২১
কমিটি ব্যবস্থার ওপর এই লেখাটাও পড়া যেতে পারে: এখানে। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৩ এপ্রিল ২০০৯, অপরাহ্ন ০১:৩৪
প্রসঙ্গ: সুনিতা পাল পিলখানা ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিশ্লেষণ কিংবা সংবাদের নামে নানাবিধ উদ্ভট গুজবের বেসাতি যারা করছেন, সেই তালিকায় নবীনতম সংযোজন সুনীতা পাল নামের জনৈকা "মূক-বধির" (!!) লেখিকা। বিভ্রান্তি ছড়ানোর উদ্দেশ্য থেকে লেখা তার এসব লেখা পড়ে অনেকেই বিভ্রান্ত হচ্ছেন; কেউ কেউ আবার সে সব জেনারেল সাহেবের ইমেইলের মত করে প্রচারও করে বেড়াচ্ছেন। সম্প্রতি সিসিবি-তেও প্রসঙ্গটি উত্থাপিত হয় ( [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২ এপ্রিল ২০০৯, অপরাহ্ন ০৭:০৭
১. কয়েক দিন আগে এক বন্ধুর সাথে কফির দোকানে বসে কথা হচ্ছিল। আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ, জঙ্গীবাদ ইত্যাদি বিষয়গুলো উঠে এসেছিল। আড্ডার শেষ প্রান্তে এসে কার্যকর একটা ধারণাগত উদাহরণ খুঁজে পেয়েছিলাম আমরা, একেবারে বাগান করার মত নিত্য নৈমিত্তিক একটি সাধারণ বিষয়ের মধ্যে। মৌলবাদ এবং এর চরমতম রূপ জঙ্গীবাদকে একটা গাছের সাথে তুলনা করলে কেমন হয়? গাছের থাকে মূল, কান্ড, ডালপালা। বুশ-শ্যারনরা মনে করেন ডাল পালা কাটলেই বুঝি (পড়ুন: তালেবান ঘাঁটি আফগানিস্তান আক্রমন) জঙ্গীবাদ দমন হয়ে যায়। তাতে যে কাজ হয়না, সে তো এখন আম [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২ এপ্রিল ২০০৯, অপরাহ্ন ০৪:০৯
লেখককে ধন্যবাদ ভিন্ন মেজাজের এই লেখাটির জন্য। ডিসিতে বসন্ত থেকে মন্দা থেকে স্টিমুলাস প্যাকেজ। খবরে দেখলাম ওবামা এখন লন্ডনে, জি-২০ প্রধানদের সম্মেলনে, এ বিষয়ে আলোচনা করতেই। মন্দার শুরু কেন ও কিভাবে তা নিয়ে ইতোমধ্যেই অনেক লেখালিখি হয়েছে। এই ব্লগেই অবিশ্রুত এবং অন্যান্যদের লেখায় বেশ কিছু বিষয় উঠেও এসেছে। কিন্তু এই স্টিমুলাস প্যাকেজগুলো সম্বন্ধে আরও জানতে পারলে ভাল হোতো (বাংলাদেশ সরকারও নাকি এ ধরণের প্যাকেজের কথা ভাবছে ইদান [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৪ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০৮:৪৬
@ শাহীন ইসলাম Lawyers must learn rhetoric and I think they do that. But why don’t they learn logic? Why can’t we see any formal course on logic for the lawyers? Or am I in a gap? শাহীন ভাই, এখানে সম্ভবত ভুল হচ্ছে একটু। আমার জানা মতে কোন ল'স্কুলের পাঠ্যক্রমেই rhetoric অন্তর্ভূক্ত নয়। একে উৎসাহিত তো করা হয়ই না, বরং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নিরুৎসাহিত করা হয়। জুরিসপ্রুডেন্স এর ক্লাসিকগুলোর (যেমন: HLA Hart এর লেখা) লেখার স্টাইল লক্ষ্য করলে সেটা আরও স্পষ্ট হয়, যেগুলোর মৌলিক গুণা [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৩ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১২:১৯
১. মাসুদ ভাইয়ের লেখার সাথে আমরা যারা পরিচিত তারা তাঁর আগের লেখাগুলো এবং সেগুলোর স্বকীয় ধরণ দেখে একেক বার চমকে উঠেছি, যেভাবে তিনি প্রতিবারই (লেখার স্টাইল নিয়ে) আমাদের প্রচলিত ধারণার গন্ডীকে একটু একটু করে বাইরের দিকে ঠেলেছেন তা দেখে। মনে পড়ে ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে মাসুদ ভাইয়ের লেখাটার কথা। অনেকেই পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা লিখেছি আমরা বিষয়টি নিয়ে, আর মাসুদ ভাই লিখেছেন চারটি শব্দ: "বাঁচায় ঋণ, মারে কিস্তি"। ২. মাসুদ ভাই একটা গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার অবতারণা করেছেন। সংক্ষিপ্ত, কিংবা অতি সংক্ষিপ্তই হয়তো হয় [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২১ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ১১:২৮
বাংলা একাডেমীর ইংরেজী থেকে বাংলা অভিধান (১৯৯৩ সংস্করণ, পৃ. ৬৬১) অনুযায়ী: rhetoric: n. ১. অলন্কার (শাস্ত্র)। ২. অলন্কারবহুল (ও আন্তরিকতাবিহীন) ভাষা। rhetorical: adj. অলন্কারবহুল; বাগাড়ম্বরপূর্ণ। The Concise Oxford Dictionary (tenth edition, p.1227) অনুযায়ী: rhetoric: n. the art of effective or persuasive speaking or writing. > language with a persuasive or impressive effect, but often lacking sincerety or meaningful content. [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৭ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ১২:২৯
@ এম.এইচ.কবির ১৭৫৭ সালের ব্যাপারে আপনার উৎসাহ (সজ্ঞান কিংবা অজ্ঞান), এমনকি বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাসকেও সেখান থেকে শুরু করার সমস্যা বিষয়ে উপরে অস্মিতা এবং অবিশ্রুতের মন্তব্যেই যথেষ্ট বলা রয়েছে বলে মনে করি। পড়ে নেবেন। আমার মন্তব্যের উদ্দেশ্যও স্পষ্টভাবে ব্যাখ্যা করা রয়েছে উপরে। সেটা পড়েও না বুঝে থাকলে জানতে চাইবেন; চেষ্টা করবো বুঝিয়ে বলতে। ১৭৫৭ নিয়ে অতি-অবসেশন যারা প্রদর্শন করেন, গোলাম আযমেরা তাদের একাংশ। কৌতুহলোদ্দীপক সেই অবসেশন আপনার মধ্যেও কিছুটা লক্ষ্য করেছি, তাই সে বিষ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৬ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০১:৩২
@ অস্মিতা এবং এম.এইচ.কবির ধন্যবাদ আপনাদের আলোচনার জন্য। খুবই উপভোগ্য এই আলোচনা থেকে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ চিন্তার সূত্র বেরিয়ে আসছে। এই বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের আরও গভীর বিশ্লেষণের সময় এসেছে হয়তো। সেনাবাহিনী এবং জনগণ, যারা এক সয়ম কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে এই দেশটি স্বাধীন করেছিল জীবন বাজি রেখে, তারা কিভাবে সময়ের ফেরে পরস্পরের কাছ থেকে এত দূরে ছিটকে পড়লো সেটা আসলেই আমাদের ইতিহাসের জরুরী প্রশ্নগুলোর একটি। একটি মহল হয়তো সবসময়ই ছিল, হয়তো দু'পক্ষেই, যারা সবসময় সক্রিয় থেকেছে এই দুরত্বকে তৈরী [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৫ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ১০:৩৬
@ নাগরিক, একটা লেখা উপহার দিবেন যা পড়ে আমাদের মধ্যে শুধুই দেশপ্রেম জাগবে এবং লেখাতে কোন দল, সংস্থা কিংবা সংগঠণের কথা থাকবে না। থাকবে শুধু সাধারণ মানুষের কথা আর দেশের কথা। দেশের এমন একটা সংকটের বিশ্লেষণ কিভাবে কোন 'দল, সংস্থা কিংবা সংগঠনের' উল্লেখ ছাড়া সম্ভব হতে পারে, সেটা ঠিক বোধগম্য হচ্ছে না। ব্যাখ্যা করলে বাধিত হব। ধন্যবাদ আপনার মন্তব্যের জন্য। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৫ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০৭:৫১
বিষ্ণুপ্রিয়া মনিপুরি ভাষার আন্দোলনে পৃথিবীর প্রথম আদিবাসী ভাষাশহীদ সুদেষ্ণা সিংহের আত্মদান নিয়ে কুঙ্গ থাঙ এর পোস্ট। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১১ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১১:০৯
[সিসিবিতে প্রকাশিত এই মন্তব্যটি আলোচনার সুবিধার্থে এখানেও কপি করে দেয়া হল - ব্লগ এডমিন] মনসুর, তুমি লিখেছো: In your writing very cleverly you tried to undermine the ARMY officers mentioning various bad languages about their qualifications, which is not at all correct. “জেনারেল সাহেব, দয়া করে নতুন কিছু ভেবে বের করুন প্লীজ। মনে করবেন না দেশের সব মানুষের বুদ্ধি হাঁটুতে থাকে” আরো বলেছো: I do not know whether you have some enmity with A [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৮ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০৪:৪৩
মূল পোস্টটির প্রত্যুত্তরে জেনারেলের ইমেইলটির পক্ষে কিছু যুক্তি উঠে এসেছে। সেগুলোর প্রত্যুত্তর রয়েছে এখানে: http://www.cadetcollegeblog.com/shan/5263#comment-56001 [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৮ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০২:৩৯
@ Minhaz অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই প্রশ্নগুলো। যে কোন সংকটে যেমন অনেক ক্ষতি এবং ত্যাগের গল্প থাকে, তেমনি থাকে সে সংকটকে পুঁজি করে গর্ত থেকে বেরিয়ে আসা সুযোগ-সন্ধানীর দল। এধরনের সংকট আমাদের চিরচেনা পরিমণ্ডলকে আন্দোলিত করে, লন্ডভন্ড করে দেয়। কিন্তু এও তো সত্য যে এর ফলে যে অস্থিরতা তা আমাদের শক্তি জোগায় চিরচেনা পরিবেশকে (এর নিয়ম, প্রথা) নতুন করে নতুন ভাষায় প্রশ্ন করার। বুঝি এভাবেই সংকট সম্ভাবনার মুখ দেখায়। এই প্রশ্নগুলো নিয়ে আমরা সবাই মিলে উত্তর খোঁজায় ব্রতী হতে পারি না? কেউ একজন কি শুরু করবেন? শ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৫ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ১২:১১
@ অবিশ্রুত @ নীড় সন্ধানী এই সব মৃত্যু নীরব, স্বীকৃতিহীন। ৯/১১ এর পর পরিবর্তিত বিশ্ব নৈতিকতার ডামাডোলে আমরা নতুন কিছু অশ্লীল শব্দমালার সাথে পরিচিত হয়েছি। 'কোল্যাটারাল ড্যামেজ' (collateral damage) তাদেরই একটি। কি নৈর্ব্যক্তিক নিরাপদ একটি কনসেপ্ট! শুনছি, মৃতের পরিবারদের নাকি পোস্ট মর্টেম বাবদ কম পক্ষে আড়াই হাজার করে খরচ করতে হয়েছে। সেটা কি বৈধ সরকারী ফি নাকি কর্মকর্তার ফি, তা জানিনা। স্বজন গেছে, তাতে শবাগার কর্ণধারদের বয়েই গেল! যার গেছে, সে বুঝবে সে সব। আর বিডিআর বিদ্রোহে যে সব জওয়ান প্রাণ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৫ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০১:২৬
এই পোস্টটি পেলাম: বিষ্ণুপ্রিয়া মণিপুরীদের ভাষা আন্দোলনের কথা [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৪ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০২:৫৯
নিখোঁজ অফিসারদের তালিকার মধ্যে কোন সূত্র লুকিয়ে আছে কিনা সেটাও পরীক্ষা করে দেখা দরকার মনে হয়। নিখোঁজ অফিসারদের নাম ১. কর্নেল গুলজার উদ্দীন আহমেদ - RAB এর ইন্টেলিজেন্স উইং এর প্রতিষ্ঠাতা ডিরেক্টর ২. লে. ক. মঞ্জুর এলাহী ৩. মেজর কাজী আশরাফ হোসেন ৪. মেজর আহমেদ আজিজুল হাকিম পলাশ ৫. মেজর আবু সৈয়দ গাজ্জালী দস্তগীর ৬. ক্যাপ্টেন তানভির হায়দার নূর দেখতে পাচ্ছি, কর্নেল গুলজার এর মৃতদেহ পাওয়া যায়নি এখনো। তিনি ছিলেন RAB এর প্রতিষ্ঠাতা ইন্টেলিজেন্স ডিরেক্টর। বাংলা ভাইসহ অন্যান্য জঙ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৪ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০২:৪৭
পরিস্থিতি এখন দ্রুতই বদলাচ্ছে, যাকে আক্ষরিক অর্থেই বলা যায় fluid। তাই বিভিন্ন রাজনৈতিক শিবিরের সাম্প্রতিক কর্মতৎপরতাগুলো নিয়ে পর্যালোচনা এবং বিশ্লেষণ খুব আবশ্যক ছিল। অবিশ্রুতকে অসংখ্য ধন্যবাদ সেই জরুরী কাজটিতে হাত দেয়ার জন্য। এর ওপর ভিত্তি করে আশা করছি গভীরতর বিশ্লেষণের পথ উন্মোচিত হবে। শিক্ষাবিদ ও গবেষক মমতাজ লতিফের লেখা থেকে জানতে পারছি : ‘বিডিআর প্রধান শাকিল আহমেদ দীর্ঘদিন যাবত ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যিক ট্রানজিট বা ট্রানশিপমেন্টের পক্ষে কাজ করে যাচ্ছিলেন এবং তাঁর গভীর বিশ্ব [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৩ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০১:২৪
এই পোস্টটি অন্য একটি ব্লগেও প্রকাশিত। সেখানকার আলোচনাগুলো এখানে। http://www.cadetcollegeblog.com/shan/4895#comments [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০৭:৪১
ততক্ষণে পিলখানা ট্র্যাজেডী সম্পন্ন হয়ে গেছে। বিডিআর সপ্তাহ উপলক্ষ্যে পূর্বে (সম্ভবত অল্প ক'দিন আগে) ধারণকৃত বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদের একটি সাক্ষাৎকার প্রচারিত হয় চ্যানেল আইতে। আমি দেখেছি ২৬ ফেব্রুয়ারী তারিখ রাত আনুমানিক তিনটায় (3:00am), যুক্তরাজ্য সময়। ঠিক বলতে পারছিনা বাংলাদেশ সময়ে ঠিক কখন প্রথম প্রচারিত হয়েছিল অনুষ্ঠানটি। অনুষ্ঠানের নাম "চ্যানেল আই এক্সক্লুসিভ", সাক্ষাৎকার নিয়েছেন সৈয়দ রানা মুস্তফী। অদ্ভুত ছিল এই সাক্ষাৎকারটি দেখার অনুভুতি। কারণ, ততক্ষণে এটা মোটামুটি নিশ্চিত [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১১:৪২
ক. এই লেখাটির জন্য মাসুদ করিমকে অনেক ধন্যবাদ। একুশে ফেব্রুয়ারীকে আন্তর্জাতিক ভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণার পেছনে কিছু মানুষের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রয়েছিল বলে জানি। কিছুদিন আগে মুন্নী সাহা তাঁদেরই একজনের (বিদেশ দফতরের প্রাক্তন এক সচিব) সাক্ষাৎকার নিয়েছিলেন টিভিতে। সবগুলো তথ্য টুকে নিতে পারিনি। কারো যদি সেই পুরো প্রক্রিয়াটির ব্যাপারে জানা থাকে তাহলে উল্লেখ করলে ভাল হয়। - কারা নিয়েছিলেন এই উদ্যোগ? - কিভাবে কুটনৈতিক প্রক্রিয়ায় জাতিসংঘ এবং ইউনেস্কোর বিভিন্ন নিয়মনীতির সাথে যুদ্ধ করে এই দাবীটি শেষ পর্যন্ত [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০০৯, অপরাহ্ন ০২:৪২
মূলত তাহের জরুরি হলেন তার সেনাবাহিনী বিষয়ক দৃষ্টিভঙ্গি ও তা সফল প্রয়োগের উদাহরণ সৃষ্টির কারণে… আপনি ঠিকই বলেছেন। প্রচেষ্টাটি নিঃসন্দেহে মহৎ ছিল। এর কতটুকু বাস্তবে প্রয়োগযোগ্য তা নিয়ে মতভিন্নতা থাকতেই পারে। সামরিক সংগঠন বিশেষজ্ঞরা আরও ভাল বলতে পারবেন এসব বিষয়ে। কর্নেল তাহের তাঁর সাংগঠনিক মেধা এবং নেতৃত্বের গুণে আন্দোলনটিকে একটি পর্যায় পর্যন্ত রাজনৈতিক পটের একেবারে সামনের কাতারে আনতেও পেরেছিলেন, সন্দেহ নেই। তবে তাঁর চিন্তার প্রয়োগকে শেষ বিচারে কতটুকু সফল বলা যায়? এ নিয়ে [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০২:১৩
ভুলটি ধরিয়ে দেয়ার জন্য অনেক ধন্যবাদ। ঘটনার ক্রম এলোমেলো হয়ে গেছে। মূল পোস্টে এবং মন্তব্যে ঠিক করে নিচ্ছি, আলোচনা প্রাসঙ্গিক রাখার লক্ষ্যে। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০০৯, অপরাহ্ন ০৪:১৫
@ ডোবার ব্যাং ব্লগে লক্ষ করেছি বেশ কয়েকজন এই ঘটনাকে শ্রেণী সংগ্রামের সাথে তুলনা করছেন। একে তাদের "যুদ্ধজাহাজ পটেম্কিন্" বানানোরও চেষ্টা চলছে কোথাও কোথাও। হাত তুলে 'শ্রেণী সংগ্রাম, শ্রেণী সংগ্রাম' বলে নেচে ওঠার আগে আরেকটু অপেক্ষা করলে ভাল হতো মনে হয়। সিএনএন-বিডিনিউজ-এর উপরের খবরে যদি কিছু সত্য থেকে থাকে কিংবা অন্য কোনো সাপ বেরিয়ে আসে কেঁচো খুঁড়তে গিয়ে, তখন? তো আমাদের জামাত-শিবিরকে শ্রেণী সংগ্রামের ভ্যানগার্ড এবং সাকা-নিজামীকে এ সময়ের লেনিন বলেই মেনে নিতে হবে বৈকি অগত্যা! নিরস্ত্র মানুষকে [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৬ ফেব্রুয়ারী ২০০৯, অপরাহ্ন ০১:৩৩
বিডিনিউজ-সিএনএন-আইবিএন এর সাম্প্রতিক খবর: জামায়াতে ইসলামীর জড়িত থাকার সম্ভাবনা এখানে ভিডিও দেখুন। ঢাকা, ফেব্রুয়ারি ২৬ (বিডিনিউজ ২৪ ডটকম)- বাংলাদেশ রাইফেলস্ (বিডিআর) এর জওয়ানদের বিদ্রোহে জামায়াতে ইসলামী জড়িত বলে বৃহস্পতিবার সিএনএন-আইবিএন টেলিভিশনের এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। নাম উল্লেখ না করা কয়েকটি ভারতীয় গোয়েন্দা সূত্রের [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২১ ফেব্রুয়ারী ২০০৯, অপরাহ্ন ০৮:৩০
সংসদে নির্যাতন বিরোধী আইন: সাংসদ সাবের হোসেন চৌধুরী পেশকৃত এই নতুন বিলটি বর্তমানে পার্লামেন্ট সেক্রেটারিয়েটে বিবেচনাধীন। তাঁর ভাষ্য মতে নতুন এই বিলটি ১৯৮৪ সালে গৃহীত জাতিসংঘের নির্যাতন বিরোধী কনভেনশন (UN [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০০৯, অপরাহ্ন ১২:৩৪
শতকরা নিরানব্বই জনের শতকরা নিরানব্বইটা স্বপ্ন কখনো সফল হয় না। তবু স্বপ্ন থাকতে হয়, স্বপ্নই জীবনের প্রধান চালিকাশক্তি যা সেলিম নজরুলের ছিল। . . . আর তাকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব বাকি সবার, আমাদের। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০০৯, অপরাহ্ন ০৮:১১
১৪ ই ফেব্রুয়ারীতে “সব” মিডিয়াতে কেবল প্রেম-ভালবাসাবাসির নিরন্তর কচলাকচলি দেখতে দেখতে বিবমিষা হচ্ছিল। শফিক রেহমানদের মত মানুষেরা একটা পুরো প্রজন্মের চেতনাকে মুছে দেয়ার শত চেষ্টার পরও কেউ কেউ ঠিকই স্মৃতিভ্রষ্ট হয়না, মনে রেখে দেয়। শহীদদের স্মৃতির প্রতি ভালবাসা জানানোর চেয়ে এই দিনটিতে আর কিইবা বেশী গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে? ধন্যবাদ, অবিশ্রুত। আপনি সবার পাপ কিছুটা হলেও মোচন করলেন। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৪ ফেব্রুয়ারী ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০১:০৭
@ অবিশ্রুত কেউ ব্যাপারটিকে একেবারেই অ্যাপলিটিক্যালভাবে দেখেন, তাদের পক্ষে এ চুক্তির রাজনৈতিক দিকটি কাগজকলমের হিসেবে উদ্ধার করা কঠিনই বটে। আবার, যারা রাজনৈতিক দিক থেকে টিফা নিয়ে কথা বলছেন, তারা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সাম্রাজ্যবাদী রাষ্ট্র - এ বলেই বিদায় নিচ্ছেন; চুক্তিটির প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ দিকগুলি নিয়ে মাইক্রোলেবেল থেকে আলোচনার প্রয়োজনও বোধ করছেন না তারা। এই ভারসাম্যটা আসলেই খুব দরকার। প্রকাশভঙ্গিতে সংযম দরকার, কিন্তু তা যেন "বাউচার এর সংযম" না হয়ে যায় - একেবারে খাঁ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১১ ফেব্রুয়ারী ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০৩:২৬
অ্যানালিটিক্যালি সাউন্ড হবার দরকার বোধহয় শুরুতেই। একমত। ওটাই আসলে শুরুতে দেয়া উচিত ছিল। ধরিয়ে দেয়ার জন্য ধন্যবাদ। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১০ ফেব্রুয়ারী ২০০৯, অপরাহ্ন ১১:২২
@ দিনমজুর আপনার মতামতের জন্য ধন্যবাদ। প্রথমেই এটুকু জেনে রাখার অনুরোধ করবো - একথা কখনই ভাববেন না যেন - ইংরেজী টেক্সট (বিশেষত legal text) থেকে বঙ্গানুবাদ করা যে কি পরিমাণ পরিশ্রমসাধ্য একটি কাজ সেটি আমরা অনুধাবন করিনা এবং কেবলই খুঁত ধরার চেষ্টা করি। ভুক্তভোগীরা, এমনকি যারা আইনের পুরোনো ছাত্র এবং পেশাদার, তাদের কাছেও এটি একটি কঠিন চ্যালেঞ্জ। সে বিচারে আপনি একটি কঠিন কাজে হাত দিয়েছেন যেটি নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবীদার। আমার অংশগ্রহণের উদ্দেশ্য (কিছুকাল আইন পড়ার সুবাদে), আপনাকে কোনভা [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১০ ফেব্রুয়ারী ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১২:২৭
ধন্যবাদ। তাহলে তো দু'টোরই (সমকালের লেখা এবং বাহরাইনের চুক্তি) খোঁজ লাগানো দরকার। বিশেষত, চুক্তি পরবর্তী বাহরাইনের কিছু impact আপডেট যদি আমরা খুঁজে বের করতে পারি, তাহলে এ বিষয়টির আরো গভীরে যাওয়া সহজ হবে এবং সে অনুযায়ী প্রস্তুতিও নেয়া যাবে। ভাল কথা, আপাতত ক'দিন মূলতুবি থাকলেও TIFA'র বিষয়টি খুব শিগগিরই আবার চাগা দিয়ে উঠবে সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই। তাই, আগে থেকে প্রস্তুতি নিয়ে এ বিষয়ে মুক্তাঙ্গনের আরেকটি "বিশেষ ফোরাম" তৈরী করা যায় কি? ম [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৯ ফেব্রুয়ারী ২০০৯, অপরাহ্ন ০৪:৪৬
সচলায়তনে ব্লগার দিনমজুরের খসড়া TIFA চুক্তির অনুবাদ প্রচেষ্টা নিয়ে আলোচনার প্রেক্ষিতে পরিভাষাগত গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয় স্পষ্ট করার চেষ্টা করেছি। এখানে দেখুন। মুক্তাঙ্গনের পাঠকদের সুবিধার্থে দিনমজুরের সংশ্লিষ্ট ধারাসমূহের অনুবাদ, এবং এর জবাবে মন্তব্যটি এখানে উদ্ধৃত হল: মূল আলোচনায় ব্লগ লেখক TIFA প্রস্ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৮ ফেব্রুয়ারী ২০০৯, অপরাহ্ন ০৫:৫৩
@ অবিশ্রুত কেননা এর ফলে অন্যান্য যে সমস্ত বাণিজ্যিক জোটের কাছ থেকে বিভিন্ন সুবিধা পাচ্ছে, তা ক্ষুণ্ন হবে। চুক্তির পুরনো খসড়ায় তেমন কিছু খুঁজে পাচ্ছিনা। একটু ব্যাখ্যা করবেন? [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৭ ফেব্রুয়ারী ২০০৯, অপরাহ্ন ১০:৪৯
আপডেট: সম্প্রতি কিছু পার্লামেন্টারি কমিটি গঠিত হয়েছে। বিস্তারিত এখানে দেখুন। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৬ ফেব্রুয়ারী ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০৩:৩৭
অত্যন্ত প্রয়োজনীয় এক মুহূর্তে এই লেখাটা পড়ার সুযোগ হল আমাদের সবার। কারণ আজই, মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে, যুদ্ধাপরাধ সংক্রান্ত "মুক্তাঙ্গনের বিশেষ ফোরাম" সাইটটি সবার অংশগ্রহণের জন্য উম্মুক্ত করে দেয়া হয়েছে। ফোরামটির ঠিকানা: http://www.nirmaaan.com/forums মুক্তাঙ্গনের পক্ষ থেকে সবাইকে দ্বি-ভাষিক এই ফোরামটিতে রেজিস্টার করার এবং আলোচনায় অংশগ্রহণ করার আমন্ত্রণ জানাচ্ছি। কেবল সবার অংশগ্রহণ এবং মূল্যবান মতামতের মাধ্যমেই আমরা স [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৪ ফেব্রুয়ারী ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০৮:৪২
হাসান ভাইকে ধন্যবাদ সময়োপযোগী আলোচনাটি উত্থাপন করার জন্য। যুদ্ধাপরাধ ইস্যুতে একটা স্ট্র্যাটেজি ফোরাম তেরীর কাজ চলছে। খুব শিগগিরই সবাইকে বিস্তারিত আপডেট জানাতে পারবো বলে আশা করছি আমরা। এর মধ্যে, মুক্তাঙ্গন-ওয়ার্কগ্রুপ এ নিয়মিত সদস্যদের মধ্যে নির্মাণাধীন প্রকল্পটির ব্যাপারে খোলামেলা আলোচনা একান্ত প্রয়োজন। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৩ ফেব্রুয়ারী ২০০৯, অপরাহ্ন ০৫:২৯
ভারত, শিক্ষা, ডিজিটাল বিভাজন ভারতের উচ্চাভিলাষী ন্যাশনাল মিশন ফর এডুকেশন প্রকল্পের লক্ষ্য মাত্র ৭ পাউন্ড-স্টার্লিং (৫০০ রুপী) মূল্যে দেশের সব শিক্ষার্থীর হাতে সাক্ষাৎ নামের এই ল্যাপটপটি পৌঁছে দেয়া। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি হাতে আসতে আরও তিন বছর লেগে যেতে পারে। কেউ বলছেন অবাস্তব, কেউ এখনই আশায় বুক বেঁধেছেন অসামান্য এই স্বপ্নটিকে ঘিরে। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৯ জানুয়ারী ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১১:২৭
প্রাথমিক পর্যায়ে সব ধারার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের জন্য অভিন্ন সিলেবাস প্রণয়নের পরিকল্পনা। এখানে। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৭ জানুয়ারী ২০০৯, অপরাহ্ন ১২:১৫
মধ্যপ্রাচ্যে ইসরায়েলের অভিবাসন, ফিলিস্তিনের সাথে সংঘাতের ইতিবৃত্ত এবং প্রাসঙ্গিক ইতিহাস নিয়ে ড. শান্তনু সেনগুপ্ত'র তথ্য সমৃদ্ধ সাক্ষাৎকার। এখানে। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৬ জানুয়ারী ২০০৯, অপরাহ্ন ০৬:১৩
মধ্যবিত্ত জীবনের টানাপোড়েন উত্থান-পতন নিয়ে নীড় সন্ধানীর লেখা। এখানে। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৭ জানুয়ারী ২০০৯, অপরাহ্ন ০৬:৩০
@ অবিশ্রুত 'প্রত্যাবর্তন' এর এই 'লজ্জা' আমাদের সবার। জ্ঞান হয়েছে অবধি প্রতিদিন খবর খুললেই একই দৃশ্য দেখে আসছি। এই বিষয়ে আপনার এবং আহমেদ মুনির এর পোস্ট দু'টো পড়লাম। মন্তব্য করতে গিয়ে হাত আর সরছে না। কিছুই তো আর বলার বাকী নেই। সব বলা হয়ে গেছে, যত ভাবে বলা সম্ভব - বলা হয়ে গেছে। বরং কিছু বেশীই বলা হয়েছে হয়তো। বলার উদ্দেশ্য যদি হয়ে থাকে সচেতনতা সৃষ্টি করা, সেটির কি কিছু হতে আর বাকী আছে? অন্তত পশ্চিমা দুনিয়া [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৭ জানুয়ারী ২০০৯, অপরাহ্ন ০১:১১
অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে উইন্ডোজ এর পরিবর্তে লিনাক্স ব্যবহার নিয়ে চমৎকার একটি আলোচনা চলছে এখানে। বিনামূল্যের, ওপেন সোর্স, নিরাপদ ও সহজ এই অপারেটিং সিস্টেম অনেকেরই জীবন বদলে দিয়েছে। এটি শুধু অপারেটিং সিস্টেমই না, একটি ভিন্ন ধরণের জীবন পদ্ধতি (যার অবিচ্ছেদ্য অঙ্গ কম্পিউটার) ও বিশ্ব দর্শনের প্রতিফলন। এই বিষয়ে আরো ব্যাপক আলোচনা ও সচেতনতা সৃষ্টি জরুরী। এমনকি বাংলাদেশের মত তৃতীয় বিশ্বের একটি দেশে লিনাক্সের সপক [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৫ জানুয়ারী ২০০৯, অপরাহ্ন ০৩:১৯
বাংলা ব্লগ নিয়ে প্রথম আলো ব্লগে একটি ধারাবাহিক সিরিজ লিখছেন মাহবুব মোর্শেদ। সিরিজের এই পোস্টটি মুক্তাঙ্গন নিয়ে: এখানে দেখুন। পোস্টটিতে লেখক তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি থেকে মুক্তাঙ্গনের কিছু মূল্যায়ন করেছেন। এই চর্চাটি নিঃসন্দেহে গঠনমূলক। অন্যের চোখ দিয়ে দেখলে নিজেদের অনেক সীমাবদ্ধতাকে চিহ্নিত করা সহজ হয়। সেজন্য লেখককে ধন্যবাদ তাঁর মতামতের জন্য। এই লেখকের সিরিজের অন্য লেখাগুলোও পড়বার জন্য আমাদের পাঠকদের প্রতি বি [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১ জানুয়ারী ২০০৯, অপরাহ্ন ০৯:৪১
@মোহাম্মদ আব্দুল কুদ্দুস # ১ আপনি প্রস্তাব দিয়েছেন: "Student politics should be banned" এবারের নির্বাচনে ভোটারদের ৩২%-ই ছিলেন নবীন, যাঁদের একটি উল্লেখযোগ্য অংশই ছিলেন বিভিন্ন কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রছাত্রী। তাঁরা ইতোমধ্যেই ভোট দানের মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রক্রিয়ায় অংশ নিয়ে ফেলেছেন, যা দেশব্যাপী প্রশংসিতও হয়েছে। এই তরুণ ভোটারদের সরাসরি হস্তক্ষেপ ও অংশগ্রহণ না থাকলে জামায়াতের যুদ্ধাপরাধী নেতাদের নির্বাচনে এই ভরাডুবি হতো কি না সন্দেহ। কারণ এই তরুণরাই সারা [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১ জানুয়ারী ২০০৯, অপরাহ্ন ০৭:৫০
ক্রিসমাসের ঠিক পরের রাত, বক্সিং ডে'র শুরু। রাত তিনটায় প্রচণ্ড ঠাণ্ডার মধ্যে বেরিয়েছি কোনো দোকান খোলা পাওয়া যায় কিনা তা খুঁজতে। বড়দিন উপলক্ষে পরিচিত বেশীর ভাগ দোকানই বন্ধ। অনেক খোঁজাখুঁজির পর টেক্সাকো'র একটি পেট্রোল স্টেশন এবং সংলগ্ন দোকানটি খোলা পেলাম। দোকানের ঠিক বাইরে খবরের কাগজের র্যাকে কড়কড়ে নতুন লেট এডিশনের সব দৈনিক পত্রিকা। সবগুলোর প্রথম পাতায় জনৈক পিন্টার-কে নিয়ে কী যেন ছাপা হয়েছে। অনাগ্রহী অন্যমনস্কতায় চোখ না বুলিয়েই ঠাণ্ডায় কাঁপতে কাঁপতে দ্রুত ঢুকে পড়লাম দোকানের ভেতরের উষ্ণতায়। যা খুঁ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৩০ december ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৩:৫৮
সমরেশ বৈদ্যকে ধন্যবাদ গুরুত্বপূর্ণ এই পোস্টটির জন্য। এখানেও খবরটি ছাপানো হয়েছে। বাংলাদেশের মাটিতে এসব চিরতরে বন্ধ হতে হবে। নিরন্কুশ সংখ্যাগরিষ্টতা নিয়ে নতুন একটি দল (বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ) সরকার গঠন করতে যাচ্ছে বাংলাদেশে। এই দলটি নিজেদের ধর্ম নিরপেক্ষ, স্বাধীনতার সপক্ষের, এবং সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পক্ষের বলে সবসময়ই প্রচার করে এসেছে। সময় সময় তাদের মূলনীতির ও কথার সাথে কাজের ব্যত্যয়ও ঘটে [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৬ december ২০০৮, অপরাহ্ন ০৬:৫৯
একেবারেই অযৌক্তিক হবেনা রণদীপমদা। ইতিবাচক দিকগুলো নিয়ে আপনার যে ভাবনা তার সাথে আমাদের মনে হয় কারোই দ্বিমত নেই। ইন্টারনেটের সম্ভাবনাকে ছোট করে দেখার কোন অবকাশ নেই। আমার দুঃশ্চিন্তাটা অন্য জায়গায়। একটি শ্রেনীর সুযোগ সুবিধাতে বেশী এগিয়ে যাওয়ার কিছু নেতিবাচক দিক আছে। তাতে মূল ধারার অন্য শ্রেনীগুলোর সাথে এক ধরণের অলঙ্ঘনীয় দুরত্বের সৃষ্টি হয়। আর তথ্য প্রযুক্তিতে এগিয়ে থাকা অংশটি যে সব সময় সঠিক দৃষ্টিভঙ্গী নিয়ে মানুষের সামনে হাজির হবে, তাও তো নয়। তাদের দৃষ্টিভঙ্গীগুলোকে প্রশ্ন করার, বিপরীত দৃষ্টিভঙ্গীগ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৬ december ২০০৮, অপরাহ্ন ০৪:৫৭
পোস্টটির জন্য রেজওয়ান ভাইকে ধন্যবাদ। (১) একথা খুবই ঠিক যে বাংলাদেশে মূল ধারার রাজনৈতিক আলাপচারিতায় ইন্টারনেট বা তথ্য প্রযুক্তি তেমন প্রভাব বিস্তার করতে পারেনি এখনো। এটি কিন্তু হবার কথাও না। কয়েকটি বিষয়: যে দেশে স্বাক্ষরতার হারই এতো কম সেখানে প্রিন্ট মিডিয়াই তো গণ মানুষের কাছে পৌঁছুতে পারছেনা। আবার ইন্টারনেট, তার যতই সম্ভাবনার দিক থাকুক না কেন, আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে তার সীমাবদ্ধতাগুলোও চিহ্নিত। যেখানে সারা দেশে (এমনকি শহর অঞ্চলগুলোতেও) বিদ্যুত সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন নয়, সেখানে খুব কম মানুষে [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৪ december ২০০৮, অপরাহ্ন ০৫:৩১
দেশ ব্যাপী ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির আন্দোলন মাত্র শুরু হয়েছে তখন। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ইসলামী ছাত্র শিবিরের একচ্ছত্র আধিপত্যে। সেই দিনগুলোতে ছাত্র শিবিরের বিশাল মিছিলগুলোর শ্লোগান শোনার দুর্ভাগ্য হয়েছিল। একটা এখনো মনে পড়ে: স্বাধীনতা এনেছি স্বাধীনতা রাখবো রক্তে আনা স্বাধীনতা রক্ত দিয়ে রাখবো সারা শহর জুড়ে নিয়ম করে প্রত্যেক স্বাধীনতা দিবসে, বিজয় দিবসে, ভাষা দিবসে এই শ্লোগান নিয়ে জঙ্গী মিছিল বের করতো ওরা। তারই ধারাবাহিকতায় আজকের জামায়াত সৃষ্ট মুক্তিযোদ্ধা পরিষদ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২২ december ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৭:০৯
অবিশ্রুত: আমাদের দেশে যুদ্ধাপরাধী বলতে আমরা সচরাচর পাক-শাসকদের সমর্থক জামায়াত-রাজাকার-আলবদর-আলশামস-শান্তিবাহিনীর সদস্যদের দিকেই অঙ্গুলি নির্দেশ করে থাকি। বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলিকেও আমরা এ দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই প্রচার চালাতে এবং যুদ্ধাপরাধীর তালিকা প্রণয়ন করতে দেখি। কিন্তু যারা নৃশংস ভাবে সংগঠিতভাবে সামরিক পরিকল্পনার মাধ্যমে হত্যাযজ্ঞ চালালো সেই পাকশাসক ও পাকসেনাবাহিনীর যুদ্ধাপরাধীদের নিয়ে তেমন কিছুই বলি না। এদের নিয়ে গভীর তথ্যানুসন্ধানও হয় না। এর ফলে আমাদের [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২১ december ২০০৮, অপরাহ্ন ০৫:৩৪
আপডেটের জন্য ধন্যবাদ মনজুরাউল ভাই। গতকাল এ ব্লগের পক্ষ থেকে আরও আটটি প্লাটফর্মে (ইংরেজি বাংলা মিলিয়ে) আবেদনটি ছাপানোর জন্য বিশেষ অনুরোধ করে লেখা হয়েছিল। দেখা যাক কেমন সাড়া পাওয়া যায়। আমাদের ব্লগগুলোর মধ্যে দলগত বা গোষ্ঠীগত সীমাবদ্ধতার ঊর্ধ্বে উঠে অন্তত কিছু বিষয়ে একসাথে কাজ করবার সংস্কৃতি গড়ে ওঠাটা খুব জরুরি। ব্লগগুলোতে ব্যক্তিগত জন্মদিনের শুভেচ্ছা থেকে শুরু করে কত ধরণের পোস্টই তো প্রতিদিন ছাপানো হচ্ছে। তাই ভাবতে পছন্দ করি, সমমনা একজন কলম সৈনিকের দুর্দিনে পাশে এসে দাঁড়ানোতে অন্তত কোনো প্লাটফর্মে [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২১ december ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৪:২০
অবিশ্রুত যে-দৃষ্টিকোণ থেকে লে. জে. এরশাদের অপরাধ নিয়ে বলছেন তা মনে হয় আমরা সকলেই কিছুটা হলেও বুঝতে পারি। ১৯৭১ বাঙালি জাতির মুক্তি সংগ্রামের/যুদ্ধের বছর। সে যুদ্ধে যারাই মুক্তিকামী মানুষের আকাঙ্ক্ষার বিপরীতে দাঁড়িয়েছেন কিংবা এতে সামিল হননি, তাঁরা বাঙালি জাতি এবং এর মুক্তি-চেতনার বিরুদ্ধে অপরাধ তো করেছেনই। তাই, নিরেট আইনগত অর্থে তাঁদের কর্মকাণ্ডের মূল্যায়ন যা-ই হোক না কেন, নীতিগত বা চেতনাগত অর্থে তাঁদের অনেকেরই দায় আর দশ জন সাধারণ (বেসামরিক অর্থে) বাঙালির চেয়ে বেশি। এরশাদের ক্ষেত্রে বলতে গেলে -- ত [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২০ december ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:৩৩
স্পষ্ট হল না। নির্বাচনী আচরণ বিধির ঠিক কোন্ কোন্ বিধির লঙ্ঘনের কথা বলা হচ্ছে তা একটু খুলে বলার অনুরোধ থাকলো। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৮ december ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০১:৩৭
এ নিয়ে বিতর্ক চলছে "আমার ব্লগ" এ। এখানে দেখুন। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৫ december ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:৫৫
কয়েকটি বিষয় পোস্টটিতে ব্যাখ্যা করলে আমরা পাঠকরা আরো উপকৃত হবো বলে মনে করি: ১) নাগরিক ও রাজনৈতিক (civil and political) অধিকারের সাথে অর্থনৈতিক-সাংস্কৃতিক-সামাজিক (socio economic cultural) অধিকারের এই পার্থক্যটি কেন করা হয়? ২) এই পার্থক্যের ঐতিহাসিক পটভূমি কি? [বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী আদর্শিকভাবে দ্বিধাবিভক্ত বিশ্বব্যবস্থায় মৌলিক মানবাধিকারের এই কৃত্রিম বিভাজনটি নিয়ে লেখা যেতে পারে] এ্যমনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল সরকারগুলোকে অর্থনৈতিক-সাংস্কৃতিক-সামাজিক অধিকারের ব্যাপারেও [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৫ december ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:২৫
সংশপ্তককে ধন্যবাদ এ বিষয়ে লিখবার জন্য। দেশ ও বিদেশের মানবাধিকার সংগঠন এবং মোর্চাগুলোকে প্রায়ই ভিন্ন ভিন্ন ইস্যুতে ফোকাস করতে দেখা যায়। এটি সম্ভবত সংগঠনগুলোর ম্যানডেটের এবং এজেন্ডার ভিন্নতাকেই প্রতিফলিত করে। এর একটি নেতিবাচক দিক হল, বক্তব্য বহুধা বিভক্ত হয়ে যাওয়ায় সর্বোচ্চ অভিঘাত সৃষ্টিতে ব্যার্থতা তৈরী হওয়া। আবার এর ইতিবাচক দিকও রয়েছে। যেমন: এক সংগঠন যে বিষয়টি এড়িয়ে যায়, অন্য সংগঠন সে বিষয়টিকেই হয়তো বেশী করে ফোকাস করে। ফলে এ প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে সব ধরণের ইস্যুই উঠে আসে, ব্যাপক জনসচেতনতা সৃষ্টি [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১১ december ২০০৮, অপরাহ্ন ০২:৪১
মুনতাসির, এবার একটু অন্য বিষয় নিয়ে কথা বলি। কিছুটা সচেতনভাবেই তুমি হয়তো বিষয়গুলো নিজে উত্থাপন করোনি তোমার লেখায়। সম্ভবত পাঠককে অযথা "বিরক্ত" করতে চাওনি। ভাবছিলাম, এইডস নিয়ে নিজের সাধ্যমত এই সচেতনতা তৈরীর প্রয়াসে ঠিক কি কি প্রতিবন্ধকতার সম্মূখীন হয়েছো? ঠিক কখন সিদ্ধান্ত নিয়েছিলে এই কাজটিতে হাত দেয়ার? সব কি পরিকল্পনামাফিক হয়েছিল শুরু থেকে? নাকি এক ঘটনা আরেক ঘটনায় snowball হতে হতে আজ এখানে এসে উপনীত হয়েছো? বিদ্যমান রক্ষণশীলতা আর সমাজ এবং রাষ্ট্রের নানা prejudice এর মধ্যে বাংলাদেশে এইডস নিয়ে কা [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১০ december ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:০৭
মুনতাসির এর ফ্যান্টাসী নয়, একেবারে সত্যি সত্যি সদলবলে পাহাড়বিহার! তাও আবার ওঁচা কোন পাহাড় নয়, খোদ হিমালয়। ফতোয়াটা দিয়েই ফেলুন ইমতিয়ার ভাই, আমিও আছি। এক দৌড়ে গিয়ে অজু করে এসেই সামিল হবো। টুপিটা খুঁজে পেতে একটু সময় লাগতে পারে। কোথায় যে রেখেছিলাম শেষবার ? -ইতি- (হিংসায়) সবুজ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১০ december ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:৩২
মনজুরাউল ভাইকে অনেক ধন্যবাদ জরুরী এই বিষয়টি নিয়ে লিখবার জন্য। আবাদি জমির উপর হাইব্রিড বীজের দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে এই খবরগুলো খুঁজে পেলাম। এখানে। আমার কিছু প্রশ্ন আছে এ বিষয়ে। একদিকে সারা পৃথিবীর মোট আবাদি জমি দিন দিন কমে আসছে, অন্যদিকে জনসংখ্যার বৃদ্ধি থেমে নেই। তার ওপর হালের বিপদ - কৃষি জমিতে খাদ্য উৎপাদনের পরিবর্তে পরিবেশ-বান্ধব জ্বালানী উৎপাদনের হিড়িক। অনিবার্য ফলাফল - ভবিষ্যতে মানুষ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১০ december ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০২:৩১
“ভালো স্ক্রিপ্ট”-এর অভাব নিয়ে এক শ্রেণীর নির্মাতার যে হীনমন্যতা আর পক্ষপাত, সেটা অলৌকিক হাসানের পোস্টটি না পড়লে জানা হতো না। এমনটিও তাহলে হয়! কিছুদিন আগে শুনেছিলাম, সীমানার ওপারে নাকি বাংলাদেশের চ্যানেলগুলো দেখানোর সরকারি অনুমতি নেই। জানি না কথাটা কতটুকু সত্য। যদি সত্য হয়, তাহলে ব্যাপারটি সাংস্কৃতিক সুপিরিয়রিটির চেয়েও সম্ভবত পশ্চিমবঙ্গ (নাকি ভারত?) সরকারের সংরক্ষণবাদী বাজার নীতি দ্বারা প্রভাবিত হওয়ারই বেশি সম্ভাবনা। শিল্পকে যতই আমরা স্বাধীন সর্বজনীন আর মুক্ত করতে চাই না কেন, শেষাবধি তা টাকা-আনা [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৭ december ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১১:১৪
এটা খুবই মোটা দাগের অবজার্ভেশন, জানি। মোটা দাগের বিশ্লেষণ, সন্দেহ নেই। তবে আপনার বক্তব্যের মধ্যে যে সত্যের সুর রয়েছে, তা সীমিত অভিজ্ঞতাতে মাঝে মাঝেই ধরা দিয়েছে। এর কোন সমাজতাত্ত্বিক ভিত্তি বা ব্যাখ্যা থাকলেও থাকতে পারে। Economic and Political Weekly তে অমর্ত্য সেন এর 'Is Nationalism a Boon or Curse' লেখাটিতে কিছুটা আলোকপাত রয়েছে এই বিষয়টির উপর। এই লিন্কে লগ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২ december ২০০৮, অপরাহ্ন ০৬:৫২
মুসলিম এইডের সাথে জামায়াতে ইসলামীর যোগাযোগ যুক্তরাজ্যকেন্দ্রিক দাতব্য প্রতিষ্ঠান মুসলিম এইড এর সাথে জামায়াতে ইসলামীর যোগাযোগ নিয়ে নিচের এই রিপোর্টটি পড়ুন। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৩০ নভেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৪:০০
সুপ্রিয় হিল্লোল, একরকম বাধ্য হয়েই নতুবা নিতান্ত অভ্যাশবশে বিজয়ে আটকে আছেন বাংলাদেশের অনেক কম্পিউটার ব্যবহারকারী। কীবোর্ডটির সম্বন্ধে বেশীর ভাগ ব্যবহারকারীর মতামত - এটি backward, কারিগরি দিক থেকে ত্রুটিপূর্ণ, এবং একধরণের গোঁয়ার্তুমীর ফসল। একসময়ের pioneering বাংলা কীবোর্ড হিসেবে বিজয়ের অবদান স্বীকার করে নিয়েই বলতে হয়, পরবর্তী বছরগুলোতে বিজয় কীবোর্ডই (এবং এর সাথে জড়িত ফন্টগুলো) সম্ভবত কম্পিউটারে বাংলা ভাষার প্রসারে সবচেয়ে বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর সবচেয়ে বড় মাশুল গুনছে আমাদের প্রকাশনা শিল্প এবং [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৫ নভেম্বর ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০২:৫৫
কল্পনা করার চেষ্টা করছি দিন শেষে ভিন্ দেশের অচেনা আকাশের নীচে তাঁবুতে অস্থায়ী নীড় বাঁধতে আপনার আসলে কেমন লেগেছিল। তাঁবু টানানো হয়ে গেছে; প্রিয় সাইকেল তাঁবুর বাইরে হাতের নাগালেই নিরাপদে নোঙর করা। ব্যাগ থেকে একে একে জিনিস বের করছেন তাঁবুর ভেতরে সাজানোর জন্য; খুব সাধারণ আটপৌরে জিনিস সব, কিন্তু তা দিয়েই ঘরের বাইরে আপনার শখের ঘর বাঁধা। কাজ শেষ হলে দমকা ঠান্ডা বাতাসকে ঠকিয়ে দিয়ে তাঁবুর চেইন টেনে ভেতরে বসলেন; জ্বালিয়ে দিলেন জেনন ল্যাম্প। বাইরে তখন শন্ শন্ হাওয়া, অন্ধকার হয়ে আসছে চারিদিক। তাঁবুর [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২০ নভেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৮:৩১
অত্যন্ত দরকারী এই বিষয়টি নিয়ে লিখবার জন্য সংশপ্তককে ধন্যবাদ। আপনার লেখাটির পাশাপাশি প্রাসঙ্গিক কয়েকটি বিষয় উল্লেখের প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছি: ক. বাংলাদেশ সংবিধানের মৌলিক অধিকার সম্বলিত তৃতীয় ভাগের ৩৫(৫) অনুচ্ছেদে বলা আছে: কোন ব্যক্তিকে যন্ত্রণা দেওয়া যাইবে না, কিংবা নিষ্ঠুর, অমানুষিক বা লাঞ্ছনাকর দন্ড দেওয়া যাইবেনা কিংবা কাহারও সহিত অনুরূপ ব্যবহার করা যাইবেনা। আন্তর্জাতিক আইনের আওতায়, সার্বজনীন মানবাধিকার ঘোষণা ছাড়াও জাতিসংঘে ১৯৮৪ সালে [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৫ নভেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ১২:২১
পৃথিবীর দেশে দেশে মাল্টিন্যাশনাল কর্পোরেশনগুলোর ভূমিকা, তাদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত অভিযোগ এবং মামলাসমূহের খবর একত্রিত করা নতুন এই ডাটাবেজটি দেখুন। এখানে। বিশেষত যারা কর্পোরেট জবাবদিহিতা নিয়ে কাজ করছেন, তাদের জন্য এই ডাটাবেজটি একটি প্রয়োজনীয় তথ্য ভান্ডার হতে পারে। কয়েকভাবে এখানে সুনির্দিষ্ট তথ্যের খোঁজ করা যায়: কর্পোরেশনের নাম দিয়ে, যে সেক্টরে কর্পোরেশনটি কাজ করছে সে সেক্টরের নাম দিয়ে (যেমন: [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৩ নভেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৯:১২
নির্বাচনের জন্য ন্যূনতম শর্তই তো একটা মুক্ত পরিবেশ থাকা। পরিবেশ যদি মুক্ত না হয়, নির্বাচন কিভাবে মুক্ত ও অবাধ হবে . . . সেটাই হল মূল কথা। যখন বিবাদমান পক্ষদ্বয়ের একটি ভাবছে সব তাদের পরিকল্পনা মাফিকই এগুচ্ছে, তখন আরেকটি সুযোগ খুঁজছে ঝোপ বুঝে কোপ দেয়ার জন্য। পক্ষ আরো একটি আছে অবশ্য। সে পক্ষটির নাম "নেঁপো", বসে আছে সেই কবে থেকে "দই" খাবে বলে। আওয়ামী লীগের কথা আর কি বলবো। এই দলটির নীতিনির্ধারকগণ যদি একটু কষ্ট করে কচ্ছপ আর খরগোশের গল্পটা পড়ে নিতেন তাহলে দেশ ও জাতি [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৩ নভেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:৪১
আপডেট প্রচলিত আইনকে সমুন্নত রাখার 'অভূতপূর্ব' দৃষ্টান্ত স্থাপন করলো নির্বাচন কমিশন। জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধনের বিষয়টিই দেখা যাক। এক নজরে ঘটনাক্রম: ১। ২৬ অক্টোবর প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী রাজনৈতিক দল নিবন্ধন নিয়ে অভিযোগ পেশের জন্য জনসাধারণকে সময় দেয়া হয়েছিল মাত্র একদিন। ২৭ তারিখ ছিল সময়সীমা। ২। তবুও সেক্টর কমান্ডার্স ফোরাম, ওয়ার ক্রাইমস ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটিসহ মোট সাতটি সংগঠন নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে তাদের আপত্তি-অভিযোগ পেশ করতে সমর্থ হয়। ৩। ১ নভেম্বর ধার্য হয় অভ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৮ অক্টোবর ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১১:৫৪
@ ইমতিয়ার অন্য কোনও রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে কি এরকম বিজ্ঞপ্তি দেয়া হয়েছে? আর দেয়া হয়ে থাকলে সে-ক্ষেত্রে সময়ের ব্যবধান কতটুকু রাখা হয়েছিল? খুবই সংগত প্রশ্ন। উত্তরটা জানা নেই। স্ক্যান করা নোটিশটির নিচের দিকে এমন আরেকটি বিজ্ঞপ্তির রেশ দেখা যাচ্ছে; বুঝতে পারছিনা সেটা কোন্ দলের প্রসঙ্গে। যে বন্ধুটি পিডিএফ ফাইলটি পাঠিয়েছে, তাকে জিজ্ঞেস করে জানার চেষ্টা করবো। আর কারও জানা থাকলে বলবেন প্লীজ। বাকী সমস্ত প্রধান দলের ক্ষেত্রে অভিযোগ উত্থাপনের জন্য কতদি [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৮ অক্টোবর ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১২:৫২
চলচ্চিত্র সমালোচনা: দি লাস্ট ঠাকুর গত ২৫ অক্টোবর ২০০৮ বাংলাদেশী বংশোদ্ভুত তরুণ পরিচালক সাদিক খানের শেষ ঠাকুর (The Last Thakur) এর প্রিমিয়ার শো অনুষ্ঠিত হয়ে গেল লন্ডনের ন্যাশনাল ফিল্ম থিয়েটারে। ছবিটি দেখার পর এর একটি রিভিউ লিখেছেন সৌরভ কামাল। এখানে দেখুন। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৬ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:০৮
বিবিধ বিধান: শরিয়া'র প্রয়োগ বিচারে পরস্পরবিরোধী শরিয়া আইনের প্রয়োগ নিয়ে ডকুড্রামা বিবিধ বিধান (পরিবর্তিত নাম বিধি ও বিধান): এখানে। নাট্যকার - হাসান মাহমুদ (ফতেমোল্লা), পরিচালনায় - আহমেদ হোসেন। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৬ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ১২:৫৪
শুভ হোক জন্মদিন। বাইরের আকাশকে মনের আকাশ আচ্ছন্ন না করতে দিলেই হল। তেইশ বছর বয়সে বোধ করি সেটা অনেক বেশী সহজও। প্রিয় মানুষের সাথে দিন কাটাবেন, মনে হয়না প্রকৃতির সাধ্য আছে তাতে বাধ সাধার! [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৫ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:০২
আমিও, আমিও . . . [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৪ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৭:৩০
ফারুক ওয়াসিফ এর বক্তব্য খুব যে বুঝতে পেরেছি, তা দাবী করা যাবেনা। হয়তো লিন্কগুলো কাজ করলে একটা চেষ্টা করে দেখা যেত প্রসঙ্গের পূর্বাপর জানার। যাকগে! মাহতাবের মন্তব্যটাও স্পস্ট হলনা। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২২ অক্টোবর ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১০:৪০
ইংরেজীতে oxymoron বলে একটা কথা আছে, যেখানে তেল জলের মত দু'টো পরস্পরবিরোধী শব্দ/ধারণা জুড়ে দিয়ে তৃতীয় কোন কিছু বোঝানো হয়। যেমন: open secret, living dead, act naturally, working holiday, original copies, alone together, deafening silence ইত্যাদি। নিন্দুকেরা সে তালিকায় army intelligence, Microsoft Works-ও সুযোগ পেলেই জুড়ে দেয়। আমাদের এক বান্ধবী অবশ্য রেগে গেলেই "বাঙ্গালী পুরুষ"-কেও এ তালিকায় জুড়ে দিতে চায়। "আলোকিত খুনী" যেন তেমনই এক oxymoron। 'আলোকিত মানুষদের' নিয়ে তো অনেক হৈ চৈ হয়েছে, এবং প্রতি [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২১ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:০৮
থাক, করতে চাইনা খিস্তি। . . . [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২১ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:০১
কাল ক্ষুদ্রঋণ বিষয়ে লিখেছিলেন: "বাঁচায় ঋণ, মারে কিস্তি"। আজ লিখলেন "আমার স্বাস্থ্য, অন্যের সম্পদ"। চালিয়ে যান মাসুদ ভাই। শীঘ্রই হুমায়ুন আজাদ এবং মাসুদ করিমের "যৌথ প্রবনগুচ্ছ" প্রকাশের আশায় রইলাম। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২০ অক্টোবর ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৩:৪৩
সিরিয়াস পর্যটকের ঘাটতি ছিল এ তল্লাটে, পেয়ে গেলাম। এখন শুধু দরকার (নিদেনপক্ষে) একজন নভোচারী, একজন অভিযাত্রী, একজন ভূলোমন বৈজ্ঞানিক, প্রেমিক, বিপ্লবী, . . . (আর কেউ পূরণ করুন না তালিকাটি?) [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৬ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ১২:৪৯
১. গত কয়েকদিন ধরে রণদীপম বসু'র এই 'অসাধারণ' লেখাটা চিন্তায় ঘুরপাক খেয়েছে। মন্তব্য করা হয়ে উঠেনি। ('অসাধারণ' শব্দটি আজকাল একটু বেশীই ব্যবহার করতে হচ্ছে। দোষ আমার নয়, লেখকদের!)। সমুদ্র গুপ্ত'র এক কবিতা থেকে অন্য কবিতায় চলে গিয়েছেন রণদীপম; মসৃণ সাবলীলতায়, একবিন্দু ছেদ পড়েনি কোথাও। অনেকটা দূর থেকে ভেসে আসা মৃদু সঙ্গীতের মত। এবং এভাবেই ধীরে ধীরে চির মুক্তপ্রাণ সমুদ্র গুপ্তকে পাঠকের কাছে নতুন করে এনে দিয়েছেন লেখক। অনেক ধন্যবাদ। ২. কেবলমাত্র স্বাধীনতার চরিত্র অপরিবর্তিত কিছুকাল আগে যে [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৫ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ১০:৫৯
প্রায়ই দেখতাম ঘুড়িটা আকাশে ওড়ার সাথে সাথে কোথা থেকে এক দস্যি ঘুড়ি এসে হাজির। শুরু হতো আকাশ সন্ত্রাস। পায়ে পা লাগিয়ে ঝগড়া শুরুর মতো গোত্তা খেতে খেতে এগিয়ে আসতো আমার নিরীহ ভাসমান ঘুড়িটার দিকে। পালানোর উপায় নেই। নামিয়ে আনার আগেই সন্ত্রাসী ঘুড়ি হুশশ করে নেমে আসতো আমার সুতোর উপরে। মুহুর্তে ঘ্যাচ করে কেটে দিয়ে সরে পড়তো অজানায়। আশে পাশে বেশ কয়েকটা কলোনী থাকাতে সব কলোনী থেকে ঘুড়ি উড়তো। অত উপরে কে গোত্তা দিয়েছে বলাও মুশকিল ছিল। ঘুড়ি ওড়ানো নিয়ে শেষ পড়েছিলাম খালেদ হুসেইনীর The Kit [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৫ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৫:২৯
ফারুক ওয়াসিফকে ধন্যবাদ এই দারুণ সাক্ষাৎকারটি অনুবাদ করার জন্য। আসলে মন্তব্য করার মত কিছুই বাকী রাখেননি অরুন্ধতি রায়। কিছুদিন আগে তাঁর আরেকটি চমৎকার লেখা পড়ছিলাম: Listening to Grasshoppers ('কাউন্টার কারেন্টস' এবং 'আউটলুক ইন্ডিয়া' দু'জায়গাতেই প্রকাশিত)। লেখাটি ছিল গণহত্যা আর এ সংক্রান্ত সাম্প্রতিক রাজনীতির টানাপোড়েন নিয়ে। আগ্রহীদের জন্য তাঁর আরো কিছু লেখার লিন্ক রয়েছে: [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৪ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ১২:৩৬
তা তো বটেই। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৪ অক্টোবর ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১০:৪৯
এটা রাশেদের বিনয়ের কথা। কনফার্ম করতে পারি যে মুক্তাঙ্গনে এটা ওর প্রথম কমেন্ট না। এর আগেও ও বহু মন্তব্য করেছে, সাইটের মানোন্নয়ন সংক্রান্ত বিভিন্ন কারিগরি ও অন্যান্য দিক নিয়ে। এমনকি তারিখগুলো যে বাংলায় পড়তে পারছি আজ, তা ওরই ঠিক করে দেয়া। শুনতে ছোট একটি কাজ মনে হচ্ছে, কিন্তু কাজটা যথেষ্ট জটিল ছিল, অন্তত আমাদের কাছে তো বটেই। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১২ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৮:২১
বুঝি একেই বলে শাপে বর ! every cloud has a silver lining. . . ! [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১২ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ১২:৪৪
তাহলে আপনাদের হয়তো ভাল লাগবে আলেক্সান্ডার ফাদায়েভ এর 'দি ইয়াং গার্ডস'। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আগ্রাসী জার্মান বাহিনীর কবল থেকে সোভিয়েতের ক্রাসনোডন শহরে কিভাবে একদল (কমসোমল) কিশোর কিশোরী প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল, সত্য ঘটনা অবলম্বনে এই কাহিনী তা নিয়েই। জার্মান আগ্রাসনের ফলশ্রুতিতে 'বড়রা' সব শহর ছেড়ে চলে গেছে, কেউ গা ঢাকা দিয়েছে, কেউ যুদ্ধে যোগ দিয়েছে। প্রতিরোধ গড়ে তোলার কেউ নেই আশেপাশে। তখন শহরের কিশোর কিশোরীরাই হাতে তুলে নেয় সে দায়িত্ব, একরকম হাসতে হাসতে খেলতে খেলতেই বলা যায়। সৈকতকে ধন্যবাদ 'আমার ব [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১১ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ০২:২৪
'আস্তিকতা-নাস্তিকতা' নিয়ে "ক্রিয়া" তো একটাই, উপরের ২নং মন্তব্যে জনৈক মাহবুব সাহেবের (ধরে নিচ্ছি আপনারা দু'জন এক ব্যক্তি নন)। কিন্তু "প্রতিক্রিয়াগুলো" (২নং মন্তব্যের প্রত্যুত্তরে উপরের ৪টি প্রতিমন্তব্য) কিভাবে এবং কেন 'জলো', আরেকটু ব্যাখ্যা করা যায় কি? [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১১ অক্টোবর ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১১:১৩
-কোন কারনে ধারনা জন্মে গিয়েছিল যে মেয়েরা দুর্বল, ছেলেরা সবল . . . তৈয়ব আর আমি এক দৌড়ে লাভলীর পেছনে গিয়ে দুজন দুপাশ থেকে পিঠের উপর কয়েক সেকেন্ড দমাদম চড়চাপড় কিলঘুষির ব্ন্যার সাথে বললাম - ‘আর পা দেখাবি, বিচার দিবি?’ তারপর সে ভ্যাঁ করে ওঠার আগেই পগার পার। . . . একবার ভেবেছিলাম এই দু'টো বাক্য নিয়ে প্রবল আপত্তি জানাবো। ছ্যাঁ ছ্যাঁ করে উঠবো পুরুষতান্ত্রিক সমাজে বেড়ে ওঠা কলুষিত শিশুমন (patriarchal perceptions অর্থে), নারীর প্রতি সহিংসতা ইত্যাদি বিষয়গুলো তুলে ধরে। কিন্তু লেখাটি এতই মজার যে [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১১ অক্টোবর ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১০:৪৭
শারদীয় শুভেচ্ছা আপনাকেও। আপনার তালিকায় 'জাতীয় নিরাপত্তা কাউন্সিল' যোগ করে নিলেই সর্বনাশের ষোল কলা পূর্ণ হয়। আমি সম্ভবত সেই সব নিন্দুকদের দলে যাদের কাছে 'ওয়ান-ইলেভেন' (শব্দটা কেন যেন বরাবরই আপত্তিকর অশ্লীল মনে হয়েছে) কখনই ইতিবাচক কিছু মনে হয়নি। 'সংস্কার', 'দূর্নীতিদমন' ইত্যাদি বিষয়গুলোতেও তেমন উত্তেজিত হবার মত কিছু খুঁজে পাইনি কখনো। বরং উল্টোটাই আশংকা করেছি সবসময়। সুতরাং, তথাকথিত 'ওয়ান-ইলেভেন' এর কাছে প্রত্যাশা খুব বেশী ছিলনা বলেই হয়তো হতাশাবোধটা কিছুটা কমই অনুভূত হচ্ছে। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১০ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৮:৫৭
বুঝলাম না ঠিক কি বলতে চাইলেন। কোন ব্যক্তি 'নাস্তিক' না 'আস্তিক' তা কিভাবে প্রাসঙ্গিক এখানে? একটু পরিস্কার করবেন দয়া করে? [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৮ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৫:৩৮
@ জিফরান খালেদ এবং শামীম যেহেতু এ লেখার বাকী কিস্তিগুলো এখনো অপ্রকাশিত, তাই কোন আলোচনায় অংশগ্রহণ কিছুটা প্রি-ম্যাচিউরই হয়ে যায়। তবে মন দিয়ে পড়ছিলাম মন্তব্য প্রতি-মন্তব্যগুলো। যেহেতু লেখার বিষয়বস্তু হল "কবিতা" এবং "কবিতায় বিমূর্ততা" সেহেতু সেখানে মৌলিক মতভেদ থাকতে বাধ্য, স্রেফ প্যারাডাইমের ভিন্নতা এবং তার ক্রমপরিবর্তনশীলতার কারণে হলেও (paradigm এর কোন ভালো বাংলা থাকলে জানালে কৃতজ্ঞ হব)। সেক্ষেত্রে লেখক শুরুতেই যা বলেছেন, খুব মনে হয় ভুল বলেননি: কবিতা নিয়ে, তা যে বা যার কবিতা [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৭ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:৫৪
মাহমুদ দারবিশকে নিয়ে বাংলায় আমার পড়া শ্রেষ্ঠ লেখা। কবিতার অনুবাদগুলো যদি লেখকের হয়ে থাকে (উল্লেখ করা হয়নি, তাই বুঝতে পারছিনা), সেগুলোও আমার পড়া শ্রেষ্ঠ। রেজাউল করিম সুমন প্রস্তাবিত অনুবাদ সংকলনটির জন্য আমরা দারবিশের আরো কিছু কবিতা পেয়ে গেলাম, ভাবতেই ভাল লাগছে। ধন্যবাদ মুনির। এমন লেখা আরো চাই। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২ অক্টোবর ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১১:০৭
যুক্তরাজ্যে সন্দেহভাজন সন্ত্রাসীদের ৪২ দিন ডিটেনশন এর বিতর্কিত বিধানকে স্যার এ্যন্থনী ক্লার্ক (চেয়ারম্যান, ম্যাগনা কার্টা ট্রাস্ট) ম্যাগনা কার্টায় ঘোষিত নীতির (অধ্যায়#২৯) আলোকে মূল্যায়ন করেছেন এ লেখায়। এখানে দেখুন। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৫:৫৭
শ্রমসাধ্য এই কাজটি দাঁঁড় করানোর জন্য লেখককে ধন্যবাদ। সরস অনুবাদটি বাংলাভাষী পাঠকের দোড়গোড়ায় বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ে হালের এসব মতামত আর ভবিষ্যতবাণীগুলো সরাসরি পৌঁছে দেবে। ভবিষ্যতে আপনার কাছ থেকে এমন আরো লেখার প্রত্যাশায় থাকলাম। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:৫৪
অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বিষয়টি নিয়ে লেখার জন্য মনজুরাউল ভাইয়ের প্রতি অশেষ কৃতজ্ঞতা। গত কয়েকদিন ধরে আপনার লেখাটির প্রথম দু'ভাগ পড়লাম, কয়েকবার করে পড়লাম। কিন্তু মন্তব্য আর করা হয়ে ওঠেনি মাথার মধ্যে চিন্তাগুলো জট পাকিয়ে যাবার কারণে। জানিনা, অন্যদেরও একই অভিজ্ঞতা হয়েছে কিনা এই পোস্টটি নিয়ে। মাঝে মাঝে এমন হয়। খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে লিখতে গেলে এক ধরনের জড়তা পেয়ে বসে। তখন শুধু মনে হয় কত কিছুই জানার আছে এ বিষয়ে, কত কিছুই না প্রশ্ন করার আছে। শেষ পর্যন্ত কিছুই আর বলা হয়ে ওঠেনা। দেখি, মনের বরফটা এবার ভাঙ্গ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১০:১০
সাহিত্যে কুম্ভীলকবৃত্তি (plagiarism) এবং বিশেষত 'প্রথিতযশা' সাহিত্যিক/অনুবাদক জুলফিকার নিউটনের উপর্যূপুরি কুম্ভীলকবৃত্তি নিয়ে নির্মাণ সম্পাদক রেজাউল করিম সুমনের অনুসন্ধানী নিবন্ধ - এখানে দেখুন। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৯:৩১
যুক্তরাষ্ট্রে হাওয়া দিলে দুনিয়ায় তুফান ছুটে। . . . আম্রিকায় ”ষ্টক মার্কেটে ধ্বস ” এই দোহাই দিয়ে গোটা বিশ্বে দাম - দর উঠা নামা করতেই পারে। আপনার কথায় যুক্তি আছে। হয়তো সেই কারণেই আরো বেশী করে জানা দরকার সেই "তুফানের" স্বরূপ। নইলে আমাদের মত আম জনতারা বুঝবে কিভাবে কোনটা সত্যিকারের সংকট, আর কোনটা কৃত্রিম, কোনটা সিন্ডিকেটসৃষ্ট? আর সমস্যার স্বরূপই যদি না বুঝতে পারি, তাহলে তাকে মোকাবিলাই বা করবো কিভাবে আমরা? বিষয়গুলো কারো জানা থাকলে লিখুন না প্লীজ . . . [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২২ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৮:৪১
লেখককে ধন্যবাদ। গত কয়েক সপ্তাহ ধরে সবাই উচ্চারণ করে চলেছেন 'মেল্টডাউন', 'মন্দা', 'স্ট্যাগফ্লেশন' ইত্যাদি শব্দগুলো। এসব শব্দমালার সাথে বাংলাদেশ বা এর ভাগ্যের আদৌ কোন সম্পর্ক আছে কিনা, কিংবা থাকলে তার স্বরূপ কি, তা তুলে ধরাটা জরুরী। অন্তত জনমনে সচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে হলেও। বিদেশী প্রচার মাধ্যমের প্রায়োরিটির তালিকায় বাংলাদেশ পড়বে, এমনটা আশা করিনা। সুতরাং, আমাদেরকেই তুলে ধরতে হবে যোগসূত্রগুলো, সহজ সরল বাংলায়। অর্থনীতির এই জটিল বিষয়গুলো খুব যে বুঝি, তা বলবার কোন উপায় নেই। যারা বোঝেন, তারা ব্যাপা [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২২ সেপ্টেম্বর ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৯:৪৯
ভালো লেগেছে লেখাটা। লেখককে ধন্যবাদ। বুদ্ধিবৃত্তিক সংখ্যালঘুতা আর ক্ষুদ্র জাতিসত্ত্বাজনিত সংখ্যালঘুতা এক জিনিস নিশ্চয়ই নয়। লেখাটি পড়ে মনে হয়নি লেখক তা বোঝাতে চেয়েছেন, অবশ্য আমার বোঝার ভুলও হতে পারে। আবার পরেরটা যতখানি বাস্তব, আগেরটা তার চাইতে কোন অংশে কম বাস্তব বলে তো মনে হয়না। জাতিগত সংখ্যালঘুর কাছে যা 'মানো অথবা মার খাও' ধরণের "অপশন"-সীমাবদ্ধতা তা কি বুদ্ধিবৃত্তিক সংখ্যালঘুর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য নয় বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই? চাইলেই কি বুদ্ধিবৃত্তিক সংখ্যালঘুরা যে কোন জীবিকা গ্রহণ করতে পারেন? চাইলেই কি [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২১ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ১১:০৯
একদম মনের কথাগুলো লিখেছেন। কয়েকদিন ধরেই জনৈক প্রবীণ ব্যারিস্টারের (হকের) কথাবার্তা শুনছি, দেখছি পাদ প্রদীপের আলোয় তার নানা কসরত। দেখেছি, আর একধরণের অস্বস্তি বোধ করেছি। আপনার মন্তব্যটা পড়ার পর মনে হল যেন সে অস্বস্তির স্বরূপ আপনি ভাষায় রূপ দিলেন। ধন্যবাদ। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২১ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:৫৮
বাহ্, দারুণ তো! বেঁচে থাকুক ওই গ্রাসহোপার, বেঁচে থাকুক চালক-কন্ডাক্টরের রসবোধ। তাই হোক। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২১ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:২৮
টয়োটা করপোরেশন বনাম শ্রমিক স্বার্থ করপোরেট ওয়াচের সাম্প্রতিক এই রিপোর্টটি 'বিশ্বনন্দিত' গাড়ী প্রস্তুককারক টয়োটা করপোরেশন নিয়ে। রিপোর্টটিতে টয়োটা কোম্পানীর কারখানায় মানবেতর কাজের পরিবেশ, শ্রমিক শোষণ, শ্রমিক স্বার্থবিরোধী কর্মকান্ড, ট্রেড ইউনিয়ন বিরোধী তৎপরতা এবং ক্ষেত্রবিশেষে সামরিক একনায়কতন্ত্রের (যেমন: বার্মা / মায়ানমার) সাথে আঁতাতের বিষয়গুলো উঠে এসেছে। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২১ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:২২
নাইজেরিয়া: ওগোনি ল্যান্ড এবং শেল অয়েল আবারো খবর তেরী করছে নাইজেরিয়ার ওগোনি ল্যান্ড এবং শেল অয়েল কোম্পানী। ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের সাম্প্রতিক রিপোর্ট দ্রষ্টব্য। ১৩ বছর আগে যা ঘটেছিল: নাইজেরীয় সরকারের সাথে যোগসাজসে ওগোনীল্যান্ডে বিদেশী তেল কোম্পানীগুলোর (মূলতঃ শেল) তৎপরতা, সেখানকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পরিবেশবাদী নেতা 'কেন সারও-উইয়া'-র প্রতিবাদ এব [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৪:৩৬
কতদিন পর তোমার কাজ দেখছি! অসাধারণ! এখন থেকে তোমাকে নিয়মিত পাবো আশা করি। শিগগিরই কথা হবে। কেমন অচেনা মনে হচ্ছে দৃশ্যগুলো। আসলেই এ যেন অন্য আলোয় চেনা সব অবয়ব নতুন করে দেখা। ইনফ্রা-রেডের পুরো সিরিজটাই কোনভাবে তুলে দেয়া যায় কি? আর প্রতিটি ছবির সাথে যদি এক্সপোজার-ফোকাস ইত্যাদি তথ্য (যেমন: EXIF তথ্য) কোনভাবে জুড়ে দেয়া যায় তাহলে আলোকচিত্রে উৎসাহীরাও তা থেকে অনেক কিছু জানতে পারবেন বা নতুন পরীক্ষা নিরীক্ষার সূত্র পাবেন। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ১১:০১
মুজিব মেহদীকে ধন্যবাদ বিষয়টি নিয়ে লিখবার জন্য। বিশেষভাবে যেটা চোখে পড়ে তা হল লেখক দিনলিপিটিকে তালিকাভুক্ত করেছেন “মানবাধিকার” এবং “শিক্ষা”র আওতায়। বিষয়টি হয়তো আসলেই শিক্ষাজনিত (বা এর অভাবজনিত)। ছেলেবেলা থেকে স্কুল এবং পরিবার থেকে আমরা কখনো এ বিষয়ে সুশিক্ষা পাইনি। আর বিনোদন মাধ্যম ও মিডিয়াতেও হিজড়াদের যেভাবে বরাবর চিত্রিত করা হয়েছে, তারও একটা সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব তো রয়েছেই সমাজ-মানস গঠনে। সুতরাং, আইন করে কিংবা সংবিধিবদ্ধ অধিকার দিয়ে ওদের অধিকার কতটুকু নিশ্চিত করা যাবে, তা বলা সত্যিই কঠিন। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৯:১৩
আমরা সবাই মন থেকে কামনা করি আপনি যেন ভিসা পান, কোন ধরণের সমস্যা ছাড়াই। আর বেশী বেশী করে ছবি তুলবেন, প্লীজ, আমরা যারা যাইনি সেখানে তাদের কথা ভেবে অন্তত। আর ফিরে এসে যদি আপনার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করে এখানে লেখেন, তাহলে আপনার চোখ দিয়ে আমাদেরও মাচ্চু পিচ্চু দেখে আসা হবে। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১২ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:৪৯
মাচ্চু পিচ্চু, পেরু, নেরুদা, চে গ্যেভারা, বিংহ্যাম, মার্কিন আধিপত্যবাদ সব এক সূত্রে গেঁথে নেয়া এই লেখাটির জন্য লেখককে ধন্যবাদ। ১৯৫২ এর বসন্তে ভগ্নদশা এক মটরসাইকেল নিয়ে লাতিন আমেরিকাকে জানার উচ্চাভিলাষ নিয়ে আর্জেন্টিনা থেকে যাত্রা শুরু করে দুই তরুন। তাদের একজন আর্নেস্তো (চে) গ্যেভারা, অন্যজন তার প্রিয় বন্ধু আলবার্তো গ্রানাদো। গন্তব্য পেরু, গন্তব্য আন্দেজ গর্ভের মাচ্চু পিচ্চু। তাদের সেই ভ্রমণকাহিনী নিয়েই "দি মটরসাইকেল ডায়েরীজ"। যাত্রাপথে প্রচন্ড ঠান্ডা এক রাত কাটায় দু'বন্ধু পেরুর দিক থেকে [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১১:০২
অতএব সে আঙ্গিকে বিশ্লেষণ করতে গেলে আমাদের সমাজে শিক্ষিত ও রুচিবান লোক কি আদৌ খুঁজে পাওয়া যাবে ? আমার এক অতি পুরনো শিক্ষক অধ্যাপক নজরুল ইসলাম স্যারের কথা মনে করিয়ে দিলেন। ভুল করে কি প্রসঙ্গে একদিন তাঁর সামনে "শিক্ষিত মানুষদের" কথা তুলতেই তিনি মন্তব্য করলেন: "আছে টাছে নাকি দু'একজন তেমন কেউ? নাম বলো দেখি?" ভালো কথা, স্যার কি এখনো চট্টগ্রামে আছেন? কেমন আছেন তিনি? কেউ লিখে জানালে কৃতজ্ঞ হব। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১১:১৬
আমরা সময়ের এক অদ্ভুত মোড়ে এসে দাঁড়িয়েছি। মুক্তির বাণী শোনানো কন্ঠগুলো একে একে স্তব্ধ হয়ে যাচ্ছে। বিবেকবান মানুষগুলোও কেমন বদলে যাচ্ছে দিনদিন। অসাধারণ অনুবাদ হয়েছে, বিশেষ করে এই অংশটা: এখানে পাহাড়ের ঢালে, সময়ের কামান আর গোধূলির দিকে চেয়ে চুরমার হওয়া ছায়াদের বাগিচা ঘেঁষে, আমরা তা-ই করি, বন্দিরা যা করে আমরা তা-ই করি, বেকারেরা যা করে : আমরা ফলিয়ে যাই আশার আবাদ। সুমনের প্রস্তাবটা দারুন। এই পোস্টেই পছন্দের কবিতার অনুবাদগুলো দেয়া যেতে পারে একে একে মন্তব্য আকারে। অনুবাদে [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৬ সেপ্টেম্বর ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১২:২৮
@রণদীপম বসু চমৎকার টান টান বর্ণনা। বিভিন্ন পেশার এবং পর্যায়ের মানুষের মধ্যে যোগাযোগ স্থাপন কিংবা তা ত্বরান্বিত করার জন্য বিভিন্ন নেটওয়ার্কিং ইভেন্টের কথা শুনি পশ্চিমে। যেখানে এক ব্যবসায়ী পরিচিত হন আরেক ব্যবসায়ীর সাথে, রাজনৈতিক নেতা পরিচিত হন নীতিনির্ধারক বিশেষজ্ঞের সাথে, চাকুরিপ্রার্থী পরিচিত হন চাকুরিদাতার সাথে। শুনেছি খুব ব্যস্ত মানুষেরাও কখনো কখনো হাজার হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে বিমানে করে হলেও এসব ইভেন্টে অংশগ্রহণ থেকে বঞ্চিত হতে চান না। আমাদের উপমহাদেশে সেটিরই প্রাতিষ্ঠানিক স [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৯:২৫
@ রণদীপম বসু স্বাধীনতা লাভ করেছি দুই বার, একবার '৪৭ এ আরেকবার '৭১ এ। কিন্তু শাসকদের তেরী এই আইনটি কিন্তু ঘাড় থেকে আর নামেনি, নামার তেমন লক্ষণও নেই। অফিশিয়াল সিক্রেটস এক্ট (১৯২৩) আইনটির সবচাইতে গোলমেলে ধারা হল ৫(১), যেখানে বলা হয়েছে: If any person having in his possession or control any secret official code or password or any sketch, plan, model, article, note, document or information which relates to or is used in a prohibited place or relates to anything in such a place, or w [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৩১ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ১০:১৬
রাজনৈতিক হত্যাকান্ডের বিচার পরিপ্রেক্ষিত বাংলাদেশ: জাতীয় চার নেতার হত্যা মামলা গত ২৮ আগস্ট জেল হত্যা মামলায় বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরী এবং বিচারপতি মোঃ আতাউর রহমান খান সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ রায় দিয়েছেন। রায়ে জাতীয় চার নেতা হত্যার অভিযোগ থেকে যে সব আসামীকে বেকসুর খালাস ঘোষণা করা হয়, তারা হলেন: সৈয়দ ফারুক রহমান, সুলতান শাহরিয়ার রশিদ খান, বজলুল হুদা এবং এ কে এম মহিউদ্দিন আহমেদ। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৩১ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:০০
লেখক রেজাউল করিমকে ধন্যবাদ বর্ণনাসমৃদ্ধ এই অসাধারণ লেখাটির জন্য। কোনদিন নৌকাবাইচ সামনাসামনি দেখার সৌভাগ্য হয়নি; এখন অবশ্য আর তা মনে হচ্ছেনা। বেশ যেন দেখতে পাচ্ছি সব, মনের চোখ দিয়ে। সেইসাথে ধন্যবাদ প্রাপ্য রেজাউল করিম সুমন এর, এই পোস্টের লেখকের সাথে আমাদের সবার পরিচয় করিয়ে দেয়ার জন্য। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৩১ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০২:৫১
লেখককে ধন্যবাদ বিশ্লেষণমূলক এই কাজটির জন্য। পুরোটা আরো ভালোভাবে পড়ে মন্তব্য করার আশা রাখি। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৮ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০৬:২৮
দেখলাম প্রথম পর্ব আজ সন্ধ্যায়। মনে হচ্ছে আবার দেখতে হবে কিছু কিছু ব্যাপার বোঝার জন্য। দ্বিতীয় পর্বের অপেক্ষায় রইলাম অক্টোবর পর্যন্ত। একটা জিনিস অবশ্য স্পষ্ট হলনা। আমেরিকায় যদি ইনকাম ট্যাক্স সংক্রান্ত কোন বৈধ আইনই না থেকে থাকে (ছবিটিতে আই আর এস কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী), তাহলে: ক) প্রতিবছর কিসের উপর ভিত্তি করে সে দেশে ট্যাক্স বাড়ানো বা কমানো হয় আইন সভায়? খ) কোন্ আইনের বলে আই আর এস এজেন্টরা কর ফাঁকিদানকারীদের প্রসিকিউট করে? বা কোন আইনেই বা তাদের বিচার সংঘটিত হয়? একটা কথা শুনেছিলাম। '৬০ এর দ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৭ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০৭:১৫
গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই আটলান্টিকের দুই পাশে হাউজিং মার্কেট, মর্টগেজ, রিপজেশন ইত্যাদি নিয়ে খবর আর আলোচনার ছড়াছড়ি। আপনার লেখা পড়ে কিছু বিষয় পরিস্কার হল। ধন্যবাদ। কিন্তু এর সাথে ভবিষ্যত পৃথিবীর অস্থিরতাজনিত জনসংখ্যা হ্রাসের প্রেডিকশান এবং তার সাথে বিল্ডার্সবার্গ গ্রুপের যোগাযোগটা স্পষ্ট হলনা। একটু ব্যাখ্যা করা যায় কি? [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৬ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:১১
জানতে চাচ্ছেন দেশ শুদ্ধু আমরা সবাই "ক্রিমিনাল" কিনা? অবশ্যই আমরা ক্রিমিনাল। আপনার কোন সন্দেহ আছে? ক্রিমিনাল না হলে কি সংবিধান আত্মসাৎকারী সামরিক সরকার লাগে আমাদের শাসন করার জন্য? ক্রিমিনাল না হলে কি এই দেশের খুনে সন্ত্রাসীদের শায়েস্তা করার ভার আরেকদল ইউনিফর্মধারী খুনেদের (RAB) হাতে ছেড়ে দিয়ে নিশ্চিন্ত থাকি আমরা আর আনন্দে হাত তালি দিই নতুন কেউ ক্রসফায়ারে মারা পড়লে? ক্রিমিনাল না হলে কি এই সামরিক সরকার এবং এর মহাপন্ডিত তত্ত্বাবধায়ক মোসাহেবদের লম্ফঝম্প আমরা সহ্য করে যাই গত প্রায় দু'বছর ধরে? ক্রিম [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৪ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:০৪
জনপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশ ২০০৮ কার্যকর করা হয়েছে। এখানে দেখুন। এর মাধ্যমে সাধারণ নির্বাচনে অংশগ্রহণ থেকে বারিত করা হয়েছে: ১) ২০০৫ এর নভেম্বর এর পর অবসরগ্রহণকৃত সকল সরকারী কর্মকর্তাদের; ২) বিচারে প্রমাণিত যুদ্ধাপরাধীদের; এতে আরো আছে: -ক- সাংসদ প্রার্থীতায় অযোগ্য ব্যক্তিগণ প্রেসিডেন্ট পদলাভেও অযোগ্য বলে বিবেচিত হবেন। (জেনারেল মঈন কি তাহলে কোন অবস্থাতেই প্রেসিডেন্ট হতে পারছেন না? ) [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৪ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০২:০৬
রাশিয়া এবং জর্জিয়ার মধ্যে সাম্প্রতিক সম্পর্কের অবনতি ও সামরিক তৎপরতা নিয়ে ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপের রিপোর্ট: এখানে। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৯ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:৩৮
এই হল যাকে বলে চায়ের কাপে ঝড় তোলা। এক কাপ চা নিয়ে আপনার লেখায় যে বিষয়গুলো উঠে এসেছে: ১. নগর সভ্যতা এবং অন্ধবালকের নামবিভ্রাট, ২. স্বর্গমর্ত্য, আল্লাহ ভগবান (এবং শয়তান), ৩. খদ্দের-ক্রেতার মধ্যকার সম্পর্কের জটিল টানাপোড়েন, ৪. গৃহসজ্জা এবং আকাশ সংস্কৃতি, ৫. আতিথেয়তা, কাস্টমার সার্ভিস এবং পূঁজিবাদের লোভলালসা। চায়ের দোকানে বন্ধুবান্ধবদের সাথে আড্ডা দেয়ার সময় অনেক আশা/পিপাসা নিয়ে চা দিতে বলি আমরা। এরপর ঘোলাটে রঙয়ের স্যাকারিন স্বাদের যে তরল পদার্থটি সামনে দেয়া হয় তা দেখে প্রাণনাশের (নিজের কি [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৯ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৮:০৬
Spectator এ প্রকাশিত ওয়েন ম্যাথ্যুস এর লেখা, সলঝেনিৎসিনকে নিয়ে: http://www.spectator.co.uk/the-magazine/features/880626/russias-ignorant-still-hate-solzhenitsyn.thtml [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৮ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:৪১
মন্তব্যকারীদের কয়েকজনের আলোচনায় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কাছে পেশ করা বাসদের একটি "ফর্দ" বা দাবীনামার কথা বারবার উঠে এসেছে (দেখুন: অস্মিতা, শান্ত, ইনসিডেনটাল ব্লগার, মোশাররফ)। আলোচনার সুবিধার্থে এই দাবীনামার কিছু বিষয়ের উপর আলোকপাত প্রাসঙ্গিক। বাসদ মুখপত্র ভ্যানগার্ডে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী গত ৪ জুন ২০০৮ তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রতিনিধিদের সাথে মুখোমুখি সংলাপে বসেন বাসদ নেতৃবৃন্দ। দলের পক্ষ থেকে এতে [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৮ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:৩৭
সচলায়তনে আলেক্সান্ডার সলঝেনিৎসিনকে নিয়ে কিছু আলোচনা চলছে। আগ্রহীরা পড়ে দেখতে পারেন: http://www.sachalayatan.com/shubinoymustofi/17341 [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২ আগস্ট ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৯:২৮
রেজওয়ান ভাইকে মুক্তাঙ্গনে স্বাগতম। সেইসাথে ধন্যবাদ গণহত্যা আর্কাইভ বিষয়ে দিকনির্দেশনামূলক এই পোস্টটি লেখার জন্য। যেভাবে আমাদের ইতিহাস নিয়ে মিথ্যার বেসাতী চলছে, এই আর্কাইভটির মত কিছু সময়োপযোগী সাহসী উদ্যোগই পারে এখন আমাদের এবং ভবিষ্যত প্রজন্মকে পথ দেখাতে। বিভিন্ন মহাদেশে বসবাসকারী রেজওয়ান ভাইয়ের মত কিছু উদ্যোগী মানুষ শুরু করেছেন আর্কাইভটি নির্মাণের কাজ। তবে একটি 'সম্মিলিত উদ্যোগ' হিসেবে এখন একে আরো এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায় আমাদের সবার। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় পরামর্শ দিয়ে, শ্রম দিয়ে, সময় দিয়ে, ম্যাট [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১ আগস্ট ২০০৮, অপরাহ্ন ১১:৪৬
প্রবীর পালকে ধন্যবাদ বিষয়টি নিয়ে লেখার জন্য। কয়েকদিন ধরেই হুমায়ুন আহমেদের এই বিতর্কিত সাক্ষাৎকারটি নিয়ে প্রায় সব ইন্টারনেট গ্রুপেই আলোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। সুতরাং এটি যদি হুমায়ুন আহমেদের দিক থেকে কোন পাবলিসিটি স্টান্ট হয়ে থাকে, তিনি বিফল হননি। বিষয়টা ঠিক কিভাবে দেখবো বা দেখা উচিত তা নিয়ে গত কয়েকদিন ধরেই একটু দ্বিধায় আছি। কারণ, এর সাথে একদিকে যেমন লেখকের (বা যে কোন মানুষের) মত প্রকাশের স্বাধীনতার মত মৌলিক একটি বিষয় জড়িত। তেমনি অন্যদিকে হুমায়ুন আহমেদের মাপের একজন ব্যক্তিত্বের বাংলাদেশের ইতিহাস এ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৩ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:৫৬
এখনো তো ঘুরিয়েই বললেন! আপনি কাকে শত্রু বলছেন? আর সেটা সচলায়তনের আলোচনায় প্রাসঙ্গিক কেন? যতদূর জানি জামায়াতের রাজাকাররাই একমাত্র সচলায়তনকে অন্য পক্ষের (শত্রু) মনে করে। আমরা তো সচলায়তনকে সহযাত্রী বন্ধুই মনে করি। আপনি করেন না? [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৩ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ১২:৫৩
চিরশত্রুর সাথে সচলায়তনের তুলনাটা ঠিক বুঝলাম না। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৩ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১০:৪৪
ছবিটা কি যা ভাবছি তাই? উনি কি সত্যিই পোষাকসমেত পানিতে গা ডুবিয়ে আছেন? পেছনে ওটা কি কংক্রিটের দেয়াল? [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২১ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:৪০
সরকারের হাবভাব দেখে ভয় হয় আগামী দিনগুলোতে ব্যাপক হারে কালো আইনগুলোর প্রয়োগ হতে পারে। অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোকে যেহেতু জিজ্ঞেস করার সুযোগ নেই, কেউ বলতে পারেন এ বিষয়ে বাসদ কি ভাবছে ? কোন তথ্য বা লিনক্ দিতে পারেন কেউ ? [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৩ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৪:২০
"আমার ব্লগ"-এ প্রকাশিত এই দু'টো ক্লিপ দেখুন: [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১১ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৯:৩৯
ইন্টারনেটে পাবেন: (১) The Chittagong Hill Tracts Commission (1991), Life is Not Ours: Report of The Chittagong Hill Tracts Commission. ১৯৯১ এর মে মাসে প্রকাশিত [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১০ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৯:৪৬
খুব ভালো পরামর্শ। ধন্যবাদ। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৯ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:০০
চমৎকার অনুবাদ করেছেন, বিশেষ করে শেষ অংশটা, যেখানে লিখেছেন: "দেশ নেই সব বাজার আজ।" রাষ্ট্র পর্যায়ে মানবসৃষ্ট অব্যবস্থাপনা ও অদূরদর্শিতাজনিত সংকট তো রয়েছেই এর পেছনে। তার ওপর এ সপ্তাহে বিশ্ব ব্যাংকের এক গোপন প্রতিবেদন প্রকাশ হয়ে পড়ায় পরিবেশবাদীরাও কিছুটা বিব্রত। প্রতিবেদনটিতে বিশ্বজুড়ে এ খাদ্য সংকটের অন্যতম কারণ হিসেবে জৈব জ্বালানীর অপরিকল্পিত উৎপাদনকে দায়ী করা হয়েছে। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৮ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৮:৩৬
http://www.nirmaaan.com/blog/help/keyboardlayout/ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৬ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:৩২
ব্রাউজারের ভুত মনে হচ্ছে ! [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৫ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:৪১
পছন্দ হয়েছে, বিশেষ করে সাবটাইটেল ছাড়াটা। এমনকি খুবই। বেশ আধুনিক। শেষ পর্যন্ত ভাষা ফাইলটাকে আয়ত্ব করা গেল। যা কিছু পরিবর্তন বা সংশোধন করা প্রয়োজন মনে করিস, জানাস। কিছু কিছু বাক্যের অনুবাদ খুব একটা ভালো হয়নি। সম্ভব হলে নিজেদের পরিভাষা ব্যবহার করা উচিত। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৫ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৯:২০
হ্রস্ব উকার তো আছে; দেখাচ্ছে না আপনার ব্রাউজারে? আপনার সিস্টেম এর বিস্তারিত (operating system, browser, version etc) জানান প্লীজ। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৪ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০২:৩৭
বিচ্ছিন্নতাবাদী প্রবণতা কিছুটা কমেছে কি? [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৪ জুলাই ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৮:৫৯
দু'টোই একরকম দেখাচ্ছে ! প্রোগ্রামের ত্রুটি কিনা বুঝতে পারছিনা। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২ জুলাই ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:১৬
এটা মূল ভাষা ফাইলের অংশ। দেখি পরিবর্তন করতে পারি কিনা। ঠিক কোনটা পরিবর্তন করতে চাচ্ছিস? AM: পূর্বাহ্ণ PM: অপরাহ্ন অন্য কোন বিকল্প থাকলে তাও জানাতে পারিস। মধ্যাহ্ন, আহ্নিক - এর বিষয়টা একটু ব্যাখ্যা কর। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৯ জুন ২০০৮, অপরাহ্ন ০৬:২১
we are trying to fix/reset the font sizes. please keep us updated about your viewing experiences. [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৫ জুন ২০০৮, অপরাহ্ন ১১:৪৬
অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে, VistaArc. প্রয়োজনীয় পরিবর্তনগুলো এইমাত্র করলাম আপনার পরামর্শ মত। ইতিবাচক রিপোর্ট পাচ্ছি FF2 ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে। আপনাকে আবারো অভিনন্দন এই অত্যন্ত জরুরী প্লাগইনটি তৈরী করার জন্য। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৫ জুন ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১১:৩৫
অলকেশ চাকমা ও তার সহকর্মীদের অপহরণ বিষয়ে এই সাম্প্রতিক আপডেটটি দেখুন। খবরটির সত্যাসত্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি এই মন্তব্য লেখার সময় পর্যন্ত। সময়াভাবে ইংরেজী থেকে অনুবাদ করা গেলনা বলে ক্ষমাপ্রার্থী। *chtnews.com News No. 117/2008, June 25, 2008* *Alakesh Chakma, Publication Secretary of the Democratic Youth Forum, was released yesterday after 3 days of captivity. The three others, arrested along with him, were also freed.* Plainclothes security personnel arrested them on 21 [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ২৩ জুন ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৮:২৩
১। বাংলা ফন্টের আকার বাড়ানো হয়েছে। আপনার ব্রাউজারে এখনো যদি পড়তে অসুবিধা হয়, অনুগ্রহ করে লিখে জানাবেন। ২। আপনি যদি mozilla-firefox 2.0 এর ব্যবহারকারী হন এবং এখনো যদি এই সাইটে বাংলা পড়তে অসুবিধার সম্মুখীন হন, তাহলে লিখে জানাবেন। we have already taken measures to handle the Firefox bug in question but we need to know if the measures are working on other systems. ৩। আপনি যদি Mac OSX এর ব্যবহারকারী হন এবং Safari browser দিয়ে এই সাইট পড়তে অসুবিধার সম্মুখীন হন, তাহলে লিখে জানাবেন অনুগ্রহ করে। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৬ জুন ২০০৮, অপরাহ্ন ১১:১২
এই সেদিনও কথা হচ্ছিল "প্রথম শিক্ষক" আর "জামিলা" নিয়ে। অনেক কিছুই মনে পড়ছে এই পোস্টটি পড়ে - নিউমার্কেটের মনীষা বুক স্টল, স্টেশন রোডের অমর বই ঘর - আরো কত কি ! নীল মলাটের আঁটসাঁট বাঁধাই আইৎমাতভের "পাহাড় ও স্তেপের আখ্যান" স্কুলের টিফিনের পয়সা বাঁচিয়ে কেনা আমাদের অনেকেরই প্রথম দিককার কয়েকটি বইয়ের একটি। আরেকটি সম্ভবত ভেরা পানোভা'র "পিতা ও পুত্র" যা পরে উঁই পোকায় কেটে ফেলেছিল বলে খুব মন খারাপ করেছিলাম। ধন্যবাদ সুমন। পারলে লেখকের পরের দিককার কয়েকটি লেখার নাম বের করিস। খুঁজে দেখবো লাইব্রেরীতে পাওয়া যায় [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১৪ জুন ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০৯:৩৭
আপনার ই-মেইল চেক করুন। একটা ফাইল পাঠিয়েছি; possible solution. [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১২ জুন ২০০৮, অপরাহ্ন ১২:২১
@জিহাদ আপনাদের bangla date plugin বসাতে কোন সমস্যা হয়নি? কিভাবে করলেন? আমাদের তো আরেকটু হলে পুরো সাইট crash করছিল ! [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ১২ জুন ২০০৮, পূর্বাহ্ন ১১:৫৮
কিছুটা ঝড়ে বক বলতে পারেন। পুরোটা সার্ভার থেকে মুছে ফেলে (use ftp/file manager from ctrl panel, not the webdisk) আবার গোড়ার থেকে ইন্সটল করে দেখি ঠিক হয়ে গেছে। তবে আমার আরেকটা ব্লগ সাইটেও একই সমস্যা, কিন্তু সেখানে এই পদ্ধতিতে কাজ হচ্ছেনা এখনো। সমাধান খুঁজছি। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৯ জুন ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:২৪
এটা একটু দেখ: http://joomla-cms.dk/joomla-15-dreamweaver-extension/ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৯ জুন ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:২০
সুমন, এ বিষয়ে স্থায়ী সমাধান যতদিন বের করতে না পারছি, ততদিন Firefox/IE এর টুলস বা সেটিংস অপশন থেকে ফন্টের আকার (minimum 16 points) বড় করে নেবার উপদেশ দেয়া যেতে পারে। এছাড়া, ctrl+ (অথবা মাইনাস) দিয়েই ফন্ট বড়ছোট করে নেয়া যেতে পারে, আপাতত। এর মধ্যে bangla help page টার একটা চলনসই খসড়া লিখে ফেলা যায় কি? [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রায়হান রশিদ | ৪ জুন ২০০৮, পূর্বাহ্ন ০১:৪৩
চিট মানে tag, পুঞ্ছ মানে cloud . একটু ন্যাকামো হয়ে গেল মনে হয়। tag অর্থ উপবিষয় বলতে পারিস। cloud বিষয়টা বেশ মজার, দেখলেই পরিস্কার হবে - tag cloud । font এর আকার code দিয়ে ঠিক করতে হবে, মাত্রতো নাড়াচাড়া করছি, আয়ত্ব করতে একটু সময় লাগবে। তুই ও চেষ্টা করে দেখতে পারিস: go to theme editor and edit the css style sheet; that is where i believe you need to do the editing. আরেকটা বিষয় - তুই কোন্ browser/operating system এ ব্লগটা দেখেছিস? we need to remember, looks do vary from one browser to another. [বিস্তারিত পড়ুন]
খবর নেই
একটি ঐতিহাসিক রায়, একটি ঐতিহাসিক সত্য।
একটি ঐতিহাসিক রায়, একটি ঐতিহাসিক সত্য।
মায়াহরিণির মার্জারকাল শেষ হতে চলেছে
পাঠক সুপারিশকৃত লিংক: জুন ২০০৯
বিশ্বজুড়ে ধেয়ে আসছে পানির সমস্যা, বাংলাদেশও বিপাকে.....
পাঠক সুপারিশকৃত লিংক: জুন ২০০৯
পাঠক সুপারিশকৃত লিংক: জুন ২০০৯
বিশ্বজুড়ে ধেয়ে আসছে পানির সমস্যা, বাংলাদেশও বিপাকে.....
পাঠক সুপারিশকৃত লিংক: জুন ২০০৯
রাষ্ট্র এবং নজরুল
মুসলিম রবীন্দ্রনাথ
উত্তর শ্রীলন্কার অধিবাসীদের সাহায্যে এগিয়ে আসুন
মুখের কথা লেখা
সে উচ্চতায় পতাকা – যেখানে পাখি ওড়ে না!
মুখের কথা লেখা
২৫ বৈশাখ বাংলা সাহিত্যের দিকপাল কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৪৮তম জন্মবার্ষিকী
মৌলবাদের কিছু বৈশিষ্ট্য
সজাগ সাধারণ্যে সিংহ হৃদয়ের স্পন্দন
রশীদ আমিনের শিল্পকলা : নির্দয়তা দিয়ে তৈরি আশা-নিরাশা
যৌনকর্মীর কর্ম অথবা কে তোরে পতিতা বলে মা! (তৃতীয় পর্ব)
লড়াই থেকে পিছু হটলেন হাসান মশহুদ : পর্ব-দুই
গদিঘরে যাবেন? দুম্বা খাবেন না খাম্বা দেবেন?
নিজ চোখে দেখা বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কিছু নষ্ট হয়ে যাওয়ার নমুনা
লড়াই থেকে পিছু হটলেন হাসান মশহুদ : পর্ব-দুই
মীনার পাল্টা প্রশ্ন
মৌলবাদের কিছু বৈশিষ্ট্য
উদয়ের পথে শুনি কার বাণী...
মৌলবাদের কিছু বৈশিষ্ট্য
মৌলবাদের কিছু বৈশিষ্ট্য
উদয়ের পথে শুনি কার বাণী...
প্রবাসের শব্দচিত্র
কাফে
উদয়ের পথে শুনি কার বাণী...
ভার্চুয়াল কমিউনিটির সত্তা অন্বেষণ
কারিগরি আপডেট
কারিগরি আপডেট
পিলখানা ট্র্যাজেডি ও গণহত্যা: কয়েকটি দিক
সরকারের জবাবদিহিতা নিয়ে কিছু ভাবনা (২): সংসদীয় কমিটি
পিলখানা গণহত্যা: চিন্তাঝড় ৩ -- গুজবের ময়না তদন্ত
তফসীরে সাঈদীকে নিষিদ্ধ করা হোক
প্রবাসের শব্দচিত্র
জিয়ার ইতিহাসের জায়গা
জিয়ার ইতিহাসের জায়গা
জিয়ার ইতিহাসের জায়গা
পিলখানা গণহত্যা: চিন্তাঝড় ৩ -- গুজবের ময়না তদন্ত
পিলখানা গণহত্যা: চিন্তাঝড় ৩ -- গুজবের ময়না তদন্ত
পিলখানা গণহত্যা: চিন্তাঝড় ৩ -- গুজবের ময়না তদন্ত
একুশে ফেব্রুয়ারী ও ভাষা শহীদদের সংগ্রাম
পিলখানা গণহত্যা: চিন্তাঝড় ৩ -- গুজবের ময়না তদন্ত
পিলখানা গণহত্যা: চিন্তাঝড় ৩ -- গুজবের ময়না তদন্ত
পিলখানা ট্র্যাজেডি ও গণহত্যা: কয়েকটি দিক
পিলখানা ট্র্যাজেডি ও গণহত্যা: কয়েকটি দিক
বিপন্ন ভাষা
চিন্তাঝড় ২ : পিলখানা গণহত্যা -- কারা, কেন, কীভাবে?
পিলখানা ট্র্যাজেডি ও গণহত্যা: কয়েকটি দিক
চিন্তাঝড় ২ : পিলখানা গণহত্যা -- কারা, কেন, কীভাবে?
চিন্তাঝড় ২ : পিলখানা গণহত্যা -- কারা, কেন, কীভাবে?
বিপন্ন ভাষা
চিন্তাঝড় ১: বিডিআর বিদ্রোহ -- প্রথম প্রহর -- কী কারণে? কারা? ঠিক এখনই কেন?
চিন্তাঝড় ১: বিডিআর বিদ্রোহ -- প্রথম প্রহর -- কী কারণে? কারা? ঠিক এখনই কেন?
চিন্তাঝড় ১: বিডিআর বিদ্রোহ -- প্রথম প্রহর -- কী কারণে? কারা? ঠিক এখনই কেন?
চিন্তাঝড় ১: বিডিআর বিদ্রোহ -- প্রথম প্রহর -- কী কারণে? কারা? ঠিক এখনই কেন?
এ সপ্তাহের লিংক : ৩ ফেব্রুয়ারী ২০০৯
"সেলিম নজরুল": সংগ্রামী এক সংগঠকের জীবন নিয়ে পাভেল-আল-মামুনের প্রামাণ্যচিত্র
১৪ ফেব্রুয়ারি : তারুণ্যের সেই এক উত্থানদিন
দিন কি সত্যিই বদলাবে?
দিন কি সত্যিই বদলাবে?
দিন কি সত্যিই বদলাবে?
দিন কি সত্যিই বদলাবে?
দিন কি সত্যিই বদলাবে?
দিন কি সত্যিই বদলাবে?
সরকারের জবাবদিহিতা নিয়ে কিছু ভাবনা (২): সংসদীয় কমিটি
আন্তর্জাতিক আইন ও বাংলাদেশের যুদ্ধাপরাধীদের বিচার
যুদ্ধাপরাধীদের বিচার - জাতিসংঘকে কেন জড়িত হতে হবে?
এ সপ্তাহের লিংক : ৩ ফেব্রুয়ারী ২০০৯
এ সপ্তাহের লিংক : ২৫ জানুয়ারি ২০০৯
এ সপ্তাহের লিংক : ২৫ জানুয়ারি ২০০৯
এ সপ্তাহের লিংক : ২৫ জানুয়ারি ২০০৯
'হলোকস্ট'-এর প্রত্যাবর্তন
এ সপ্তাহের লিংক : ১১ জানুয়ারি ২০০৯
এ সপ্তাহের লিংক : ১১ জানুয়ারি ২০০৯
একটি দেশ, নতুন বছর, পুরোনো স্বপ্ন
পিন্টারের মহাপ্রয়াণ
গণতন্ত্র, মানবতা ও দেশের স্বার্থে এখনই সাম্প্রদায়িক সহিংসতা বন্ধ করুন
বাংলাদেশের নির্বাচন ২০০৮ এবং ইন্টারনেটের ব্যবহার
বাংলাদেশের নির্বাচন ২০০৮ এবং ইন্টারনেটের ব্যবহার
জামায়াতের রাজনৈতিক অধিকার
আমরা সশস্ত্র হবো অজস্র মৃত্যুতে...
মানবতার হাত এগিয়ে আসুক, দেখি আমরা এই মৃত্যুপথযাত্রীকে বাঁচাতে পারি কি-না!!
আমরা সশস্ত্র হবো অজস্র মৃত্যুতে...
খালেদা জিয়া নির্বাচনী আচরণ বিধি অমান্য করে চলেছেন.....
নাট্য সমালোচনা : আনিসুল হক/ফারুকী গংয়ের মশকরা
মানবাধিকারের সার্বজনীন ঘোষণাপত্রের ৬০তম বার্ষিকী: এখন প্রয়োগের সময়
বাংলাদেশের মানবাধিকার: জাতিসংঘের সার্বজনীন পর্যায়ক্রমিক পর্যালোচনার জন্য নিবেদন
পৃথিবীর পথে বাংলাদেশ
শান্তির খোঁজে পর্বতে - প্রথম পর্ব
হাইব্রীড বীজ নিয়ে আশঙ্কা সত্যি হলো এবার 'সত্যিরা' ভয়াবহ আতঙ্ক ছড়াচ্ছে
কলকাতার ঔপন্যাসিকদের উপন্যাস নিয়ে বাংলাদেশে টিভি সিরিয়াল বানানোর তীব্র প্রতিবাদ করছি
ঘর পোড়ানো আগুনে আলু পোড়াবার ধুম!
এ সপ্তাহের লিন্ক : ৩০ নভেম্বর ২০০৮
উপমহাদেশে হিংসার হাওয়া : ভারতে ফ্যাসিবাদের উত্থান
পৃথিবীর পথে বাংলাদেশ : নিউজিল্যান্ড পর্ব
নির্যাতনের জন্য কখনো কোনো অজুহাত থাকতে পারে না
এ সপ্তাহের লিন্ক : ৯ নভেম্বর ২০০৮
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণায় আহ্লাদিত হওয়ার কিছু নাই
জরুরী : জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন এবং নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ উত্থাপন প্রসঙ্গে
জরুরী : জামায়াতে ইসলামীর নিবন্ধন এবং নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ উত্থাপন প্রসঙ্গে
এ সপ্তাহের লিন্ক : ১৯ অক্টোবর ২০০৮
এ সপ্তাহের লিন্ক : ১৯ অক্টোবর ২০০৮
আজ আমার জন্মদিন…….
আকাশী ভাবনা
সামইন-এ রিফাত হাসানের 'ফাজলামীর সীমা' এবং ফুটনোটের গবাক্ষপথে রাজনীতির মারেফত দর্শন
সাবধান, আলোকিত খুনী তৈরির মহড়া চলছে
ক্ষুদ্রঋণ নিয়ে একটি ছোট্ট পোস্ট
'স্বাস্থ্যসেবা' নিয়ে একটি ছোট্ট পোস্ট
পৃথিবীর পথে বাংলাদেশ
সমুদ্রের যে সমুদ্র গুপ্তই থেকে গেলো
কাটা ঘুড়ি
অরুন্ধতী রায়ের সাক্ষাৎকার : শাবাশ নতুন ভারত!
কাটা ঘুড়ি
কাটা ঘুড়ি
জামায়াত গঠনতন্ত্র, বাংলাদেশ সংবিধান এবং গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ
অপারেশন ডে-ব্রেক: বিশ্বযুদ্ধের হারিয়ে যাওয়া গল্পমালা-১
মাসুদ খানের গোধূলিব্যঞ্জন
একটি স্মৃতিকথাঃ বালক মাস্তান
দীর্ঘ প্রশ্নগুলোর সংক্ষিপ্ত উত্তর
মাসুদ খানের গোধূলিব্যঞ্জন
কবিতা : বিমূর্ততা, বিকৃতি ও পরম্পরা
শরণার্থী নামটি যেভাবে পেয়েছে ফিলিস্তিন
এ সপ্তাহের লিন্ক: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮
এবার পুঁজিবাদ কোথায় যাবে?
বাংলাদেশের ইতিহাস কৃষক নিপীড়নের ইতিহাস - (এক)
এ সপ্তাহের লিন্ক : ২১ সেপ্টেম্বর ২০০৮
নির্বাচনকে সামনে রেখে চরম সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি
নির্বাচনকে সামনে রেখে চরম সংকটে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি
কাফকা, দীপায়ন এবং আমি : প্রসঙ্গ সংখ্যালঘুত্ব
শেষ পর্যন্ত আমরা কোন রাষ্ট্রের নাগরিক
বাসচালক ও কন্ডাক্টরের রসবোধ
এ সপ্তাহের লিন্ক : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮
এ সপ্তাহের লিন্ক : ১৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮
অন্য আলোয়
পথে পথে এত ধূলা, এত কথা বাঙ্ময়
মাচ্চু পিচ্চু : মাটিচাপা পড়া বহু বাঘের একটি নদী
মাচ্চু পিচ্চু : মাটিচাপা পড়া বহু বাঘের একটি নদী
বেয়াদপি করিলে তকদিরে পোকায় ধরিবে...
কবির মৃত্যু: বৃন্ত ছেঁড়া জলপাই পাতার উড়াল
বেয়াদপি করিলে তকদিরে পোকায় ধরিবে...
'লাউয়াছড়ার শেকড়' - দ্বিজেন শর্মার পোস্ট নিয়ে কিছু ভাবনা
এ সপ্তাহের লিঙ্ক : ৩১ আগস্ট ২০০৮
ভাদ্দুর মাসের চিঠি : ১
তত্ত্বাবধায়ক সরকার নিয়ে ই-বুক: পর্যালোচনার জন্য উম্মুক্ত
কাবুলিওয়ালা এবং উবে যাওয়া বুদ্বুদ
কাবুলিওয়ালা এবং উবে যাওয়া বুদ্বুদ
আমরা দেশ সুদ্ধ মানুষ কি সন্দেহভাজন ক্রিমিনাল?
এ সপ্তাহের লিন্ক: ২৪ আগস্ট ২০০৮
এ সপ্তাহের লিন্ক: ২৪ আগস্ট ২০০৮
এক কাপ চা
শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন
শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন
শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন
"আমরাও পারি": গণহত্যা আর্কাইভের জন্যে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন
"বাংলাদেশের মানুষ এখন খুব ভাল আছে"
"সচলায়তন" এর পাশে আছি
"সচলায়তন" এর পাশে আছি
চলে গেলেন মাহমুদুল হক
শলোখভ থেকে শামসুর: সমাজতান্ত্রিক অবমূল্যায়ন
এদের সাহস জোগাচ্ছে কারা?
পার্বত্য চট্টগ্রাম: চলমান আপডেট ১
সমস্যা রিপোর্ট করুন
খাদ্য সংকট
সমস্যা রিপোর্ট করুন
সমস্যা রিপোর্ট করুন
পরীক্ষামূলক পোস্ট১
সমস্যা রিপোর্ট করুন
সমস্যা রিপোর্ট করুন
পরীক্ষামূলক পোস্ট১
পরীক্ষামূলক পোস্ট১
সমস্যা রিপোর্ট করুন
সমস্যা রিপোর্ট করুন
পার্বত্য চট্টগ্রাম: চলমান আপডেট ১
সমস্যা রিপোর্ট করুন
বিদায়, আইৎমাতভ!
পরীক্ষামূলক পোস্ট১
পরীক্ষামূলক পোস্ট১
পরীক্ষামূলক পোস্ট১
পরীক্ষামূলক পোস্ট১
পরীক্ষামূলক পোস্ট১
পরীক্ষামূলক পোস্ট১
- মন্তব্যে: mahmud | ৮ জুন ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১০:৫৭
আশ্চয, আওয়ামী ভাইয়েরা মনের মাধুরী দিয়ে যেভাবে ইচ্ছে সেই ভাবে আকতে চাইছেন কেন ? সত্য কি লুকানো যাই? আওয়ামী লীগ হাই কমান্ড এখানে সুস্পটভাবে জ ড়ইত [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: অবিশ্রুত | ১৭ মে ২০০৯, অপরাহ্ন ১১:৪৬
গত ১৩ মে দৈনিক যুগান্তরে একটি খবর বেরিয়েছে, শিরোনাম আইএমএফের ২৩ শর্ত মেনে নিলো সরকার। আশাবাদী হওয়ার এখনো তেমন কিছু ঘটেনি! [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: নিজামউদ্দিন | ১৭ মে ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০১:০০
আমাদের উদাহরণ দরকার। আবার পরিণতির জন্য অপেক্ষা করতে হবে ... [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রেজাউল করিম সুমন | ১৪ মে ২০০৯, অপরাহ্ন ১২:৪৪
উন্নয়ন সমন্বয়-এর অফিসে ড. আতিউর রহমানের সঙ্গে বার কয়েক আলাপের সুযোগ হয়েছিল। সে-সময়ে অবশ্য তাঁর প্রথম জীবনের এই গল্প জানা ছিল না। আমাদের এক অগ্রজ সৃহৃদ ছিলেন তাঁর সহকর্মী, প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম পরিচালক। ওই অগ্রজের কক্ষে মাঝে মাঝে দরকারি আলাপ বা খোশগল্প করতে আসতেন ওই প্রতিষ্ঠানের মূল উদ্যোক্তা আতিউর। তাঁদের দুজনের কথা শুনে, কখনো-বা এটা-ওটা নিয়ে আলাপ ক'রে, তাঁকে খুব দূরের মানুষ বলে মনে হয়নি। একবার উন্নয়ন সমম্বয় বা সমুন্নয় থেকে নতুন একটা সাময়িকপত্র (উন্নয়ন বিষয়ক) প্রকাশের পরিকল্পনা নিয়ে তাঁরা আলাপ ক [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: নীড় সন্ধানী | ১৪ মে ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০৫:৩১
@আরমান রশীদ, আইএমএফ বাংলাদেশের অফিস বাংলাদেশ ব্যাংক ভবনের চারতলায়। আপনি সেটার সামনে দিয়েই গিয়েছেন সম্ভবতঃ। নিয়ন্ত্রনটা একেবারে কোলে বসেই করা হয়। বাংলাদেশের অর্থমন্ত্রী তো পদাধিকার বলে আইএমএফ এর কান্ট্রি ম্যানেজার, তাই না? বাংলাদেশের সবগুলো অর্থনৈতিক খাতের উপর সবচেয়ে বিস্তারিত সংকলন পাওয়া যায় একমাত্র আইএমএফ এর কাছে। এই কাজটা সরকারের কোন মন্ত্রনালয় কেন করতে পারে না সেটা আমার বহুদিনের বিস্ময়। সরকারী ওয়েবসাইটগুলো একেকটা শ্বেতহস্তী। মুষ্টিমেয় কয়েকটা ছাড়া বেশীরভাগই বছরে একবারের বেশী আপডেট হয় না। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: অবিশ্রুত | ১৩ মে ২০০৯, অপরাহ্ন ১০:৩৫
আতিউর রহমান স্বদেশী চিন্তা ও স্বনির্ভরতার আদর্শে বলিয়ান, আমাদের জন্যে এটি আশাব্যঞ্জক। আমাদের বিশ্বাস, নিশ্চয়ই তিনি এসবও চিন্তা করেছেন, রবীন্দ্রনাথের স্বদেশী স্বনির্ভরতা নির্মাণের অর্থনৈতিক উদ্যোগগুলি শেষ পর্যন্ত কেন ব্যর্থ হয়েছিল। এই ব্যর্থতাগুলি তলিয়ে দেখার উপরেও কার্যকর স্বদেশী উদ্যোগের সফলতা অনেকটা নির্ভর করছে। তিনি আমাদের খুবই শ্রদ্ধাভাজন ব্যক্তি; কিন্তু নীড়সন্ধানী ও রায়হান রশীদের মতো আমিও বলতে চাই, আমাদের প্রত্যাশা যেন মাত্রা ছাড়িয়ে না যায়। ব্যক্তিগতভাবে আমি হোঁচট খেয়েছিলাম, তিনি ১৯৯২/ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: ইনসিডেন্টাল ব্লগার | ১৩ মে ২০০৯, অপরাহ্ন ০৮:০৬
বিডিআর হত্যাকান্ড নিয়ে সেনাবাহিনীর নিজস্ব তদন্ত রিপোর্টের কাজ শেষ। প্রথম আলোতে প্রকাশিত খবর: বিডিআরে হত্যাকাণ্ড বিডিআর বিদ্রোহের পেছনে ‘ডাল-ভাত’সহ সাত কারণ সেনাবাহিনীর তদন্ত আদালতের ২০০ পাতার প্রতিবেদনে বিডিআর কর্তৃপক্ষ ও গোয়েন্দা সংস্থার ব্যর্থতাকেও দায়ী করা হয়েছে কামরুল হাসান অপারেশন ডাল-ভাতই বিডিআ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: আরমান রশিদ | ১৩ মে ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০৩:৪০
আইএমএফ প্রসঙ্গে ছোট্ট একটা গল্প বলিঃ ধানমন্ডির এক একটা ডাটাবেইজ কোচিং সেন্টারে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক ডাটাবেইজ এডমিনিস্ট্রাটরের সাথে পরিচয় আর সেই থেকে বন্ধুত্ব। তার সুবাদে একদিন ব্যাংকের কিছু প্রবেশ নিষেধ কক্ষে যাবার সুযোগ হয়। তিনি আমাকে হাতে কলমে দেখান কিভাবে শুধুমাত্র একটি প্রকোষ্ঠে বসে বাংলাদেশের প্রায় প্রতিটি ব্যাংকের প্রতিটি ট্রানস্যাকশন মনিটর সম্ভব। সম্ভব ডাটা মাইনিং এর কিছু সরল সমিকরণ প্রয়োগ করে দেশের অর্থনীতির বিভিন্ন ট্রেন্ড নির্ধারণ করা। অজএইড আর ডিএফআইডি-এর সহায়তায় গড়ে তোলা এই তথ্যভান্ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: নীড় সন্ধানী | ১১ মে ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১০:১২
আতিউর রহমানের গল্পটা যখনি পড়ি বুকটা ভার হয়ে যায়, আকাংখার মাত্রাটা উর্ধ্বমূখী হয়ে যায়। সেখানেই আমার ভয়। আমরা খুব তাড়াতাড়ি আশাবাদী হই খুব তাড়াতাড়ি হতাশ হই। আশা বন্ধক রাখা মানুষগুলো আমাদের হতাশ করে। আতিউর রহমানের ক্ষেত্রে সেটা যেন না হয়। এই মানুষটাকে বিশ্বাস করতে ইচ্ছে হয়। বাংলাদেশ ব্যাংকের এই পদটা আইএমএফ এর আশীর্বাদপুষ্ট থাকে বলে বদনাম আছে। আতিউর কি পারবেন সেই বদনাম কাটিয়ে শিরদাড়া সোজা করে দাঁড়াতে? এখনো বলার সময় আসেনি হয়তো। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রণদীপম বসু | ২৬ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০৫:৩২
হা হা হা ! ভেবেছিলাম কোন মন্তব্যই করবো না। রায়হান রশিদকে অভিনন্দন জানাচ্ছি অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টির উপর তথ্য ও যুক্তির ধারাবাহিকতায় চমৎকার বিশ্লেষণী পোস্ট দেয়ার জন্য। আপনার পরবর্তী সিরিয়ালের অপেক্ষায় থাকলাম। মন্তব্যের শুরুতেই হাসি এলো সেই ছাত্রজীবনে শুনা একটা আপ্তবাক্যের কথা মনে পড়ায়। স্বেচ্ছায় চোখ বুজে রাখা কিংবা অন্ধের চোখে যে ধরনের চশমাই লাগাও না কেন, অন্ধ সে অন্ধই থাকে। রায়হান, আমি যখন চোখে ঠুলি পড়ে থাকবো তখন আপনি যতকিছুই দেখাতে চান না কেন, আমি তো ঠুলির অন্ধকারই দেখবো ! যারা দেখার তারা দ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: iqbal | ২৫ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০৪:১২
Muktanggon thank you apnake. Atleast sobaikey ekta valo upodesh deyar jonno.Bekti akromon baad die jekono problem theke kivave grohonjoggo somadhan paoa jai ta chinta kortey amader sobaike upodesh deyar jonno. ashakori sobai apnar upodesh er proti srodhdhaban hotey chesta korbe. Mr raihan r rezaul , amar vai er name colonel emdad. banani graveyard e shuey asey.I think shuney apnara shanti pachchen. [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুক্তাঙ্গন | ২২ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০৫:৩৮
নোটিশ পিলখানা ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে ব্লগের প্রচলিত মডারেশন নীতি কিছুটা শিথিল করা হয়েছিল, যাতে করে ঘটনার সাথে সরাসরি প্রাসঙ্গিক সব ধরণের মতামত উঠে আসতে পারে। দুঃখজনক হলেও সত্যি, আলোচনাগুলো এই পর্যায়ে পারস্পরিক ঠোকাঠুকির কারণে পোস্টের মূল বিষয়বস্তু থেকে অনেক দূরে সরে যাচ্ছে। এমন নয় যে আলোচনার ডালপালা গজাতে কোনো বাধা আছে। এই ব্লগের পূর্ববর্তী বিভিন্ন আলোচনায় অনেক সময়েই নানা দিকে চলে যাওয়া সে-সব আলোচনায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ অন্তর্দৃষ্টির প্রতিফলন ঘটেছে, যা থেকে লেখক-পাঠক সকলেই উপক [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রেজাউল করিম সুমন | ২২ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০৮:৩২
এই ব্লগটির নাম মুক্তাঙ্গন। তাই মুক্ত আলোচনাতে অভ্যস্ত হউন। শুধু আপনার পছন্দের লেখা আশা করা বোধ হয় ঠিক না। কিন্তু কাকে বলে "মুক্ত আলোচনা"? যিনি বড়ো গলায় উপরের কথাগুলো বলছেন, পোস্টলেখকের উদ্দেশে তাঁর মন্তব্য (৭ মার্চ ২০০৯, শনিবার, সময়: ২:১০ পূর্বাহ্ণ) দেখুন : আপনি তো ভাই লম্বা লেকচার দিলেন আওয়ামী লীগের সাইড নিয়ে। নিজেকে আগে রাজনীতিমুক্ত করেন তারপর আরেকজনকে জাস্টিফাই করবেন। আপনাদের মতো পলিটিশিয়ানরা দেশটাকে ডুবাবে। আমার মনে হচ্ছে আপনি নিজেকে বুদ্ধিজীব [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: নাগরিক | ২২ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১২:০৫
"এই উত্তর মাসুদ করিমের ব্লগ থেকে আনা হয়েছে" @শামীমঃ ‘আপনারা’ বলতে আমি বোঝাই এখনকার রাজনীতিবিদদের ও তাদের পৃষ্ঠপোষকদের যা কিনা এই ব্লগের সংকীর্ণ গন্ডির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। আর খোলাসা করে লেখা বলতে কি আপনি কোন রাজনৈতিক দলের পক্ষ নিয়ে লেখার কথা বলছেন যাতে আক্রমণ করতে সুবিধা হয়? তাই যদি হয়, তবে আপনাকে হতাশ হতে হবে। কারণ আমি এখনকার রাজনীতিকে প্রচণ্ড রকম ঘৃণা করি। আপনি লিখেছেনঃ এই ব্লগে আমরা কেউ কেউ অনেক আশা নিয়ে আসি। বিশ্লেষণধর্মী কিছু পড়বার জন্য। সারবস্তুহীন ফালতু মন্তব্য পড়ার জন্য না [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: শামীম ইফতেখার | ২১ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০৮:১৭
@ নাগরিক, এগুলো আপনার ঢালাও মন্তব্যের কিছু উদাহরন: "Apnader moto politician", "আপনারা যুদ্ধাপরাধীদের আগলে রেখেছেন", "আপনাদের সদিচ্ছা থাকলে", "আপনাদের মত সাধুরাই ক্ষমতায় ছিল", "তাহলে বলুনতো দেশের সমস্ত অরাজকতাগুলো কি আপনাদের এ সুপ্ত পরিকল্পনার অংশ?" গত কয়েক দিন ধরেই নিয়মিতভাবে এই ব্লগের আলোচনাগুলো পড়ে যাচ্ছি। অংশগ্রহণ করা হয়ে ওঠেনি। এই ব্লগের পোস্ট এবং মন্তব্যের একটা [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রেজাউল করিম সুমন | ২১ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০৮:১৫
ভাই ইকবাল, আপনার মন্তব্যের উত্তর থেকে আমার "মানসিক অপরিপক্বতা" দেখতে পেয়েছেন। ভালোই হলো। আরেকটু খেয়াল করলে আমার নামটাও হয়তো ঠিকঠাক দেখতে পেতেন। যাই হোক, নিজের নাম/দুর্নাম নিয়ে আপাতত ভাবছি না। ভাবছি আপনার প্রয়াত ভাইয়ের নাম নিয়ে। আপনি না জানালে কী করে জানব, বলুন? আপনি লিখেছেন : Apnader sobaike onurodh ” BDR er ghotona theke desher jonno ki shikhkha o ki ki gothonmulok o protirodhmulok kaaj kora jai/uchit” ei bishoy nie motamot/alochona kori. অত্যন্ত সময়োচিত প্রস [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: iqbal | ২১ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০১:১৯
Mr Rezaul Kabir Sumon, apnar uttor theke apnar manoshik oporipokkota dekhtey pelam. Bekti sharther urdhey ki amra jete pari na ? Ei shomaj r amader eto shikhkha ki bertho? Boro moner manushder internet e dhoroner site e alochonai ongshogrohoner jonno r koto din opekhkha kortey hobe jati ke ? Apnader sobaike onurodh " BDR er ghotona theke desher jonno ki shikhkha o ki ki gothonmulok o protirodhmulok kaaj kora jai/uchit" ei bishoy nie motamot/alochona kori [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রেজাউল করিম সুমন | ২১ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১১:৪৩
@ ইকবাল এই পোস্টের নাম : 'পিলখানা গণহত্যা: চিন্তাঝড় ৩ — গুজবের ময়না তদন্ত'। 'চিন্তাঝড়' শব্দটা ইংরেজি brainstorm-এর অনুবাদ। কাকে বলে brainstorming? আপনার অজানা থাকার কথা নয়, তারপরও আসুন একসঙ্গে আরো একবার পড়ে নিই : 1. A method of shared problem solving in which all members of a group spontaneously contribute ideas. 2. A similar process undertaken by a person to solve a problem by rapidly generating a variety of possible solutions. বেনামে প্রকাশিত ও প্রচারিত একট [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: নাগরিক | ২১ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০৫:২৯
ইকবাল ভাই, আপনার ভ্রাতৃবিয়োগে আপনাকে সান্ত্বনা জানাবার ভাষা আমার জানা নেই। তবে আপনাকে আমি বাহবা না দিয়ে পারছি না। আপনার এই অভাবনীয় মানসিক অবস্থায়ও আপনি কাউকে দোষারোপ না করে বরং দেশের উন্নয়নের জন্য গঠণমূলক কিছু করার আহ্বান জানিয়েছেন। একেই বলে দেশপ্রেম। এটা সবার জন্য দৃষ্টান্ত। আমি জানি বাংলাদেশের বেশীর ভাগ সাধারণ মানুষ আপনার মতই চিন্তা করে। অথচ রাজনীতিবিদরা জনগণের অনুভূতিকে ব্যবহার করে নিজেদের উদোর পূর্তির মহা উৎসবে ব্যস্ত। জনগণ ও রাষ্ট্রের ক্ষতি উপলব্ধি না করে নিজেদের স্বার্থ ও ক্ষমতাকে অট [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: iqbal | ২০ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০৬:২৮
Raihan vai, sob motamot porlam.Apnar logic gulo political. Apni banglai golpo likhai valo. Mr general er logic gulo ekhono promanito hoini. Tobe sotti kotha holo amar apon vai mara gelo BDR er gulitey.Ami ekhon ki korbo? Apnara politics korchen lash nie? R kotokal politics korben apni? Amader tax er taka die Army chole r army officer toiri hoi.Jonogoner tax er takai toiri manush ke mere fele tarpor ta die political golpo korar odhikar apnake ke dilo? Ami janina apnar boyosh koto?tarpor o onurodh [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: নাগরিক | ২০ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০৫:১৮
রিয়াদ আপনি লিখেছেনঃ বেশী লেগেছ? জেনারেলের বা আপনার জামাতি ভাইয়েদের জন্য মনে বেশী বেদনা হলে তা মনের মধ্যে পুষে রাখবেন না। এ থেকে বড় ধরনের মানসিক বেরাম হয়ে যেতে পারে। আপনি সত্যিই বলেছেন। আমার মানসিক বেরাম হয়েই গেছে এই ভেবে যে স্বাধীনতার ৩৭ বছর পরেও আপনারা যুদ্ধাপরাধীদের আগলে রেখেছেন নিজেদের স্বার্থে ব্যবহারের জন্য। আপনার ইঙ্গিত থেকে ধরে নিলাম জামাতিদের সবাই যুদ্ধাপরাধী (যদিও আমার জানা মতে এমন কোন রাজনৈতিক দল নেই যাদের মধ্যে যুদ্ধাপরাধী নেই)। এটা সগৌরবে প্রচার করা সত্ত [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: নাগরিক | ১৯ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০২:৩৬
জিজ্ঞাসুঃ আপনার মত রাজনীতিবিদের মুখে দেশের মানুষের কথা শোভা পায় না। দেশের মানুষের দোহাই দিয়ে আপনারা পালাক্রমে দেশের সম্পদ লুণ্ঠন করছেন। আপনাদের স্বেচ্ছাচারিতায় দেশের মানুষের আজ দেয়ালে পিঠ ঠেকে গেছে। তাই এখন সময় এসেছে আপনাদের ধরে পানিতে চুবানোর। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: এম.এইচ.কবির | ১৭ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ১২:২৬
@রায়হান রশিদ আমি জানিনা আপনি কোন্ মতাদর্শের অনুসারী তবে আপনার আলোচনায় স্বাধীনতার ইতিহাস ১৭৫৭ থেকে শুরু করার ব্যপারটি বেশ ইন্টারেস্টিং মনে হয়েছে আমার কাছে। আপনি এই বিষয়টির ব্যাপারে কতটুকু সচেতন জানিনা, জামায়াতে ইসলামী সবসময়ই বাংলাদেশের ইতিহাস পর্যালোচনার ক্ষেত্রে ১৭৫৭ সনটার উপর বিশেষ জোর দেয়ার চেষ্টা করে। কেন এমনটা করে সেই আলোচনায় এখন বরং না যাই। এ বিষয়ে গোলাম আযমের একটি বই আছে, যেটার নাম পলাশী থেকে বাংলাদেশ (প্রকাশক: জামায়াতে ইসলামী) (এখানে দেখুন)। তার মানে এই নয় যে আমি বলছি [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: নাগরিক | ১৬ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১২:৪৭
আপনি লিখেছেনঃ অনেক চেষ্টা করে যাচ্ছেন ঠিকই, কিন্ত নিজেকে এখনো আড়াল করতে পারলেন কই? আপনার সম্পর্কে আমার ধারণাটাকেই আপনি সমর্থন করেছেন আবার এবং তা হলো আপনার দেখবার ক্ষমতা নেই। আমি নিজেকে কখনই আড়াল করবার চেষ্টা করিনি বরং বেশ পরিস্কার ভাবেই বোঝাচ্ছি যে আমি সমসাময়িক রাজনীতি বিরোধী। আপনি যদি আপনার চোখের বিশেষ পর্দাটি সরিয়ে আমার লেখা আবার পড়েন, তাহলেই বুঝতে পারবেন। এর জন্য খুব বেশী শিক্ষারও প্রয়োজন পরবে না। ধন্যবাদ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: নাগরিক | ১৬ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১২:১৬
এই পরিস্থিতিতে সম্ভব না হলে না হয় অন্য সময়ে উপহার দিবেন। আমি প্রাধান্য দিচ্ছি এমন একটি ইতিবাচক বিষয়কে যাতে সমস্ত শ্রেণীর মানুষ কোন দ্বিমত পোষণ না করে এক বাক্যে বলবে- "ঠিক! এই মুহূর্তে দেশের উন্নতির জন্য এরকম পদক্ষেপ প্রয়োজন"। ধন্যবাদ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: জিজ্ঞাসু | ১৫ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০৯:৫০
@নাগরিকঃ আমার প্রতি বিষেদাগার করে আপনি লিখেছেনঃ আপনার প্রত্তুত্তরগুলো দেখে আমার মনে হয়েছে আপনি বর্তমান বাংলাদেশের অন্যান্য অযোগ্য, অশিক্ষিত এবং সন্ত্রাসী রাজনীতিবিদদের থেকে আলাদা কেউ নন। বিশ্বাস করুন, আপনাকে নিয়ে যা সত্য বলে মনে হয়েছে, তাই-ই লিখেছি। সেই সত্য থেকে একচুলও এখনও সরে আসিনি। অনেক চেষ্টা করে যাচ্ছেন ঠিকই, কিন্ত নিজেকে এখনো আড়াল করতে পারলেন কই? [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: নাগরিক | ১৫ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০৮:৩২
আপনার কথা শুনে আমার মনে হয় আপনার বিশ্লেষণ করার ক্ষমতা একেবারেই নেই এবং আপনি সর্বদাই মানুষের মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করতে ব্যস্ত যা কিনা রাজনীতিরই একটি সুকৌশল। এই বিভেদ মানুষকে উন্নত চিন্তা করতে ও দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে বাধাগ্রস্ত করে। আপনার প্রত্তুত্তরগুলো দেখে আমার মনে হয়েছে আপনি বর্তমান বাংলাদেশের অন্যান্য অযোগ্য, অশিক্ষিত এবং সন্ত্রাসী রাজনীতিবিদদের থেকে আলাদা কেউ নন। তাই আপনার মত লোকদের প্ররোচনায় সাধারন মানুষের উৎসাহিত হবার কিছু নেই বরং সাবধান হওয়াই শ্রেয়। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: জিজ্ঞাসু | ১৪ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ১০:৩০
@ নাগরিকঃ রেগে গেলে মাথা ঠিক মত কাজ করে না। মাথা ঠান্ডা করে নিজের লেখাটা আবার পড়ুন। ঠিকই দেখবেন নিজের ভুলটা নিজেই ধরেছেন। ভাল থাকুন। ধন্যবাদ। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: অবিশ্রুত | ১৪ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০৯:৫২
আপনাদের দু'জনের মন্তব্য ও প্রতিক্রিয়ার সূত্র ধরে লিখছি : এক. মুক্তিযুদ্ধের সময় প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার গঠিত হয় ১৭ এপ্রিল। এই সরকারে কোনও প্রতিরক্ষামন্ত্রী ছিলেন না। মুহম্মদ আতাউল গণি ওসমানী ছিলেন মুক্তিবাহিনীর কমান্ডার ইন চিফ। এই কমান্ডার ইন চিফ-এর বাংলা প্রতিশব্দ কখনোই সর্বাধিনায়ক নয়। আমরা বাঙালিরা অনেক সময়ই বিশেষণের পর বিশেষণ লাগিয়ে চলি, আতাউল গণি ওসমানীর ক্ষেত্রেও তাই হয়েছে, তাকে আমরা সাধারণভাবে অনেকেই সর্বাধিনায়ক বলে থাকি। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে তিনি সরকারের প্রধান সেনাপতির দায়িত্ব পালন করেছ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: নাগরিক | ১৪ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০৪:০১
জিজ্ঞাসু, আমাকে কি বলবেন নীচের কোথায় লেখা আছে, "এই ব্লগের সবাই বোকা"? আপনাদের একটা মজার কথা বলি। এই ব্লগে লক্ষ করলাম সবাই প্রচুর ব্যক্তিগত সময় নষ্ট করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষে বিপক্ষে নানাবিধ যুক্তি ও ঘটনার অবতারনা করছেন। দয়া করে আগে বোঝার চেষ্টা করবেন লেখক কি লিখেছেন, তারপর সমালোচনা করবেন। ধন্যবাদ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: অস্মিতা | ১৪ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০২:৩১
@ এম.এইচ.কবির মুক্তি যুদ্বের সর্বাধিনায়কের নাম কি জেনারেল ওসমানী নয়..? এর মধ্যে কী এই পদটিও দলীয় কাউকে দান করে ফেলেছেন? মুক্তিযুদ্ধের সর্বাধিনায়ক জেনারেল ওসমানী, এটি স্মরণ করিয়ে দিয়ে কি প্রমাণ করতে চাইলেন? জেনারেল ওসমানী কি সে অগ্নিগর্ভ দিনের রাজনৈতিক প্রক্রিয়া এবং নেতৃত্ব - যা তিলতিল করে দেশের মানুষকে স্বাধীনতা সংগ্রামের দিকে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছিল (যার অংশ জনগণ, রাজনীতিবিদ, ছাত্র শ্রমিক সকলে) - তার বাইরে থেকে হঠাত উদয় হওয়া কোন ব্যক্তিত্ব? ১৯৭১ এর পটভূমিতে জেনারেল ওস [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: জিজ্ঞাসু | ১৪ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০২:০১
যাই হোক আর লিখব না। কথাটা বোধ হয় মন থেকে বলেন নাই। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: জিজ্ঞাসু | ১৪ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০১:৫৮
@ NAGORIK: আপনার সাম্প্রতিক আবিস্কারে মুগ্ধ হলাম; আপনি বলেছেনঃ আপনাদের একটা মজার কথা বলি। এই ব্লগে লক্ষ করলাম সবাই প্রচুর ব্যক্তিগত সময় নষ্ট করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষে বিপক্ষে নানাবিধ যুক্তি ও ঘটনার অবতারনা করছেন। সত্যিই তো! এ ব্লগের সবাই কি যে বোকা! আর 'নাগরিক' আপনি কি যে চালাক! [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: এম.এইচ.কবির | ১৪ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১১:১৬
[সিসিবিতে প্রকাশিত এই মন্তব্যটি আলোচনার সুবিধার্থে এখানেও কপি করে দেয়া হল - ব্লগ এডমিন] @অস্মিতা, সে দিন আমরা কোন জুট মিল বা গার্মেন্ট শ্রমিকের দাবী নয়, একটি বর্বর হামলার মুখে পরেছিলাম|পল্টন ময়দানে ভাষন দানকারী পলিটিশিয়ান নয়, দুর্দান্ত সাহসী সেনাপতির কাজ ছিল এটা| " সে দিন" বলতে আমি পিলখানা ম্যাসাকারের দিনটির কথা বলেছিনাম| আপনি ধরে নিয়েছেন আমি ১৯৭১ এর কথা বলছি|বাক্য গঠনের আসাবধানতার সুযোগ নিয়ে আপনি লিখছেন... তাই? দেশ স্ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: নাগরিক | ১৪ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০৬:৩২
দুঃক্ষিত এবং ধন্যবাদ আমার ধারণা ভুল প্রমাণিত করবার জন্য। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: নাগরিক | ১৪ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০৬:২৮
তাহলে এখানেও মত প্রকাশের স্বাধীনতা নেই। আমার লেখাটি সাধারণ মানুষের পক্ষে ছিল। তবে ব্লগের সমসাময়িক আলোচনা থেকে কিছুটা ব্যতীক্রমধর্মীয় বটে। যাই হোক আর লিখব না। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: নাগরিক | ১৪ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০৪:৩২
আপনাদের একটা মজার কথা বলি। এই ব্লগে লক্ষ করলাম সবাই প্রচুর ব্যক্তিগত সময় নষ্ট করে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের পক্ষে বিপক্ষে নানাবিধ যুক্তি ও ঘটনার অবতারনা করছেন। কেউ কেউ আবার উত্তেজিতও হয়ে যাচ্ছেন। মজার ব্যাপারটি হলো যাদের জন্য আপনাদের এই যুদ্ধ তাদের মধ্যে কিন্তু ভিতরে ভিতরে তার ছিটে ফোঁটাও দন্দ্ব নেই। বরং তাদের মধ্যে রয়েছে অভাবনীয় সমঝোতা এবং সুনিবিড় আত্ত্বীয়তা। তারা সাধারণ মানুষদের মধ্যেকার এই বিষোদগারকে প্রচন্ড রকম উপভোগ করে এবং হাসতে হাসতে বলে জনগন কি বোকার স্বর্গেই না বসবাস করে। এর প্রমাণ পত [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: অলকেশ | ১৪ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০৩:০২
কবির ভাইঃ লিখেছেন, |রাজনৈতিক সমাধানের কথা কেউ ভাবেনি|ভাবলে আমরা স্বাধীন হতাম না|অনেক জাতি স্বাধীন হতে পারতো না| আমার ভাবতেই কষ্ট হচ্ছে আপনি দাঁড়িয়ে আছেন এমন একটা ভুলের মহাসমুদ্রে যেখান থেকে কাউকে উদ্ধার করা যায় না, আবার সারা জীবন সাঁতার কাটলেও এই সমুদ্র থেকে তীরে ওঠা যায় না। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: অলকেশ | ১৪ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০২:৪৭
অস্মিতা যে তিনটি সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করেছেন তার সাথে চতুর্থ নম্বর সম্ভাবনা যোগ করতে চাই আমি। সেটি হতে পারতোঃ ৪। সারা দেশের বিডিআর ক্যাম্পগুলোর মধ্যে অস্থিরতা তৈরী হতো। (কিছু আলামত তো আমরা দেখেছি।) তাদেরকে পাহারা দেয়ার জন্য রেগুলার আর্মি মুভ করাতে হতো। যদি পিলখানায় অভিযান চালানো হতো এবং সেই সাথে অস্মিতার ধারনা অনুযায়ী যদি হাজারখানেক না ও হয় তাহলেও এমন একটা সংখ্যায় বিডিআর এবং সামরিক বাহিনীর আরো অনেক সদস্য মারা পড়তো যে, এক সাথে অল্প সময়ে অনেক বড় হত্যাযজ্ঞ ঘটা অসম্ভব কিছু ছিল না। বিশ্ব ইতিহাসে [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: জিজ্ঞাসু | ১৪ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০২:১২
রায়হান ভাইকে আপনি বললেন যে দেশ প্রেম জাগানিয়া একটি লেখা লেখতে। প্রথমে ভাবছিলাম ভালই বলেছেন। হয়তো আপনার মধ্যে পরিবর্তনের প্রক্রিয়া শুরু হতে চলেছে। কিন্ত যখনই নিচের লাইনটি চোখে পড়লোঃ এটা শুধুই আমার চাওয়া এবং এতে কোন উদ্দেশ্য নেই। তখন সেই বিখ্যাত বাংলা প্রবাদখানি আপনার কানের কাছে জোরে জোরে বলতে ইচ্ছে হলোঃ ঠাকুর ঘরে কে-- রে, আমি কলা খাই নি। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: অবিশ্রুত | ১৪ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০১:২৭
রায়হান রশিদের চিন্তাঝড় নিয়ে আলোচনার ঝড় উঠেছে। নিরুপদ্রবে তা উপভোগ করতেও বাধা ছিল না। কিন্তু আলোচনা এমন এক দিকে মোড় নিচ্ছে যে মনে হয়, কয়েকটি কথা না বললেই নয়। যারা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, তাদের একজনের ক্ষেদোক্তির একটি দিক হলো, যখন একজন এক্স-ক্যাডেট (রায়হান রশিদ?) সামরিক বাহিনীকে নিয়ে 'নেতিবাচক ধারণা' দেন, তখন তার কষ্ট জাগে, কেননা সামরিক বাহিনীর সদস্যদের অর্ধাংশ এই ক্যাডেট কলেজ থেকেই নেয়া হয়। রায়হান রশিদ বিষয়টি নিয়ে কী ভাবছেন জানি না, তবে আমার মনে হয়, সামরিক বাহিনীর সদস্যদের নিয়ে নেতিবাচক মন [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: নাগরিক | ১৪ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১২:৫২
রায়হান ভাই, আপনার কাছে একটা অনুরোধ রাখবো। আপনি কি দয়া করে এমন একটা লেখা উপহার দিবেন যা পড়ে আমাদের মধ্যে শুধুই দেশপ্রেম জাগবে এবং লেখাতে কোন দল, সংস্থা কিংবা সংগঠণের কথা থাকবে না। থাকবে শুধু সাধারণ মানুষের কথা আর দেশের কথা। এটা শুধুই আমার চাওয়া এবং এতে কোন উদ্দেশ্য নেই। ধন্যবাদ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: আরিফুর রহমান | ১৩ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০২:০৩
উত্তম জাঝা! ইহার বেশি কিছু বলিতে খুঁজিয়া পাইলাম না! [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: অস্মিতা | ১৩ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০১:৫২
@ এম এইচ কবির, নিচের উদ্ধৃতিগুলোতে আপনার মন্তব্য তুলে দেয়া হল (বিপরীতে আমার বক্তব্য): আপনার লেখায় মানুষের জন্য প্রচুর মমতা, নাইটি;গেল, মাদার তেরেসাদের কথা মনে পড়ে যায়| মাদার তেরেসা, ফ্লোরেন্স নাইটিঙ্গেল! মন ভাল করে দিলেন। যাই হোক, দুঃখজনক হলেও সত্যি, এর বিপরীতে আপনার দৃষ্টিভঙ্গীর সাথে তুলনীয় একটি উদাহরণই খুঁজে পেলাম। সারভান্তের ডন কিহোতে (Don Quixote) এর কথাই কেবল মনে পড়ছে। জীর্ণশীর্ণ একটি ঘোড়ার পিঠে চড়ে যিনি ভেড়ার পাল দেখলেই ছুটে যেতেন রণ হুন্কার দিয়ে। যাই হোক এই [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: এম.এইচ.কবির | ১৩ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০১:০৬
[সিসিবিতে প্রকাশিত এই মন্তব্যটি আলোচনার সুবিধার্থে এখানেও কপি করে দেয়া হল - ব্লগ এডমিন] @অস্মিতা আপনার লেখায় মানুষের জন্য প্রচুর মমতা, নাইটি;গেল, মাদার তেরেসাদের কথা মনে পড়ে যায়| পিলখনায় জিম্মি,হত্যা,কমান্ডো,কালাসনিকভ,এএমসি, ট্যা;ক এসব যুদ্ব যুদ্ব ঘটনার পাশেই আপনার মতো মমতাময়ী কারো উপস্হিতি, আহা ভাবতেই ভাল লাগে|মরতে মন চায় না| আপনার প্রশ্নের উওর আছে তবে সেগুলো কখনো আপনার মনে ধরবে না, চলুন চেষ্টা করি.. ১। রোগী মারা যেতে পারে,তার আপনজনরা পথে বসবে,পড়শীরা কষ্ট পাবে এই ভয়ে কী জীবন [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: অস্মিতা | ১২ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০২:১৯
[সিসিবিতে প্রকাশিত এই মন্তব্যটি আলোচনার সুবিধার্থে এখানেও কপি করে দেয়া হল - ব্লগ এডমিন] @ মনসুর, মাহমুদ, এম.এইচ.কবির, মাহরাব, মেহদি হাসান রাহি, বুলবুল, ফুয়াদ আপনাদের মন্তব্য থেকে এটুকু স্পষ্ট যে আপনারা একটি রাজনৈতিক সমাধানের বিপরীতে একটি সামরিক সমাধানের পক্ষপাতি ছিলেন বা আছেন। আপনাদের কয়েকজনের লেখা পড়তে পড়তে আমার মনে একটি প্রশ্নের জন্ম হয়েছে। আশা করি তার সুস্পষ্ট উত্তর পাবো। পিলখানা পরিস্থিতি নিরসনে [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: আরমান | ১২ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০৩:৩৭
[সিসিবিতে প্রকাশিত এই মন্তব্যটি আলোচনার সুবিধার্থে এখানেও কপি করে দেয়া হল - ব্লগ এডমিন] @মাহমুদ, প্রধানমন্ত্রীর শক্তি প্রয়োগ না করার সিদ্ধান্তটি ভুল ছিল কিনা সেই প্রশ্ন আমাদের বহুকাল তাড়িয়ে বেড়াবে। তবে আপনার ভাষায় বিদ্রোহ দমনের পন্থা সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছে কিনা সেই প্রশ্নে আমি আপনার সাথে একমত নই। সন্দেহাতিত ভাবে বলা যায় আমরা যে মাপের সাফল্য আশা করেছিলাম তা পুরোপুরি পাইনি তবে আমাদের মনে রাখতে হবে আলোচনার ভিত্তিতে এত বড় মাপের একটি জিম্মি পরিস্থিতির অবসানের জন্য ৩০/৩৫ ঘন্টা কিন্তু খুব [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: Mansur (92-98) | ১২ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০১:৪২
[সিসিবিতে প্রকাশিত এই মন্তব্যটি আলোচনার সুবিধার্থে এখানেও কপি করে দেয়া হল - ব্লগ এডমিন] মার্চ ৯, ২০০৯ , ৫:০৯ পূর্বাহ্ন Rayhan Vai, as you asked for the answer, I am writing. I am not in a mood to discuss or write so many things which has no value in the judgement of those criminals. I have lost my friend, my colleagues in this incident. What my mental condition is that can be understood by the ARMY officers only. I was not interested to reply on your writing also. But as I felt [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: সানাউল্লাহ (৭৪ - ৮০) | ১১ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১১:১৬
[সিসিবিতে প্রকাশিত এই মন্তব্যটি আলোচনার সুবিধার্থে এখানেও কপি করে দেয়া হল - ব্লগ এডমিন] মনসুর : তোমার মন্তব্যেও কিন্তু ওই নাম-ঠিকানাহীন ই-মেইল লেখকের পর্যবেক্ষণের ব্যাপারে পক্ষপাত প্রকাশ পেয়েছে। আসলে প্রতিটি ঘটনাকে নানা দিক দিয়ে বিশ্লেষণ করা যায়। ই-মেইল লেখক একভাবে বিষয়টাকে উপস্থাপন করেছেন। সময় ধরে ধরে, যেন প্রতিটি ঘটনা তিনি যেভাবে বলছেন সেভাবে ঘটেছে। আর ওই মেইলের তথ্যকে রায়হান তার নিজের দৃষ্টিভঙ্গীতে কাটাছেড়া করেছে। আমি বা তুমি কোনটা গ্রহণ করবো সেটা যার যার দৃষ্টি [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রেজাউল করিম সুমন | ১১ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১১:১৫
[সিসিবিতে প্রকাশিত এই মন্তব্যটি আলোচনার সুবিধার্থে এখানেও কপি করে দেয়া হল - ব্লগ এডমিন] মনসুরের মন্তব্যের যাথার্থ্য অনুধাবনের জন্য রায়হান রশিদের লেখাটা আরো একবার ভালো করে পড়লাম। না, এরকম মনে করার কোনো কারণ খুঁজে পেলাম না যে, সেনাবাহিনীকে খাটো করার কোনো চেষ্টা এই পোস্টে আছে। বরং মনসুরের মন্তব্যের একটা অংশ পড়েই কিঞ্চিৎ চমকে উঠতে হলো, যেখানে বলা হয়েছে: The behaviour shown by the ARMY officers to PM was obviously out of discipline and ARMY customs. But you sho [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: সৈকত আচার্য | ১১ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১১:১২
[সিসিবিতে প্রকাশিত এই মন্তব্যটি আলোচনার সুবিধার্থে এখানেও কপি করে দেয়া হল - ব্লগ এডমিন] @ মনসুরঃ নিরপেক্ষ থেকেই লিখতে হবে এ ধারনার সাথে সহমত পোষন করা মুশকিল। নি্রপেক্ষ মানে কোন পক্ষ না নেয়াকে বুঝায় হয়তো। বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় কেউ যদি বলতেন, ভাই আমি নিরপেক্ষ তাহলে, তাকে লোকে সন্দেহের চোখে দেখতো। জাতীয় জীবনে এমন কিছু সংকটকাল আসে মাঝে মাঝে যেগুলিতে নিরপেক্ষ থাকার কথা বলা মানে, সুবিধাবাদের চর্চা করা। জনাব মনসুর সাহেবের মন্তব্যের বিষয়ে আমার প্রতিমন্তব্য দেয়ার পূর্বে বলতে চা [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: Mansur (92-98) | ১১ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১১:০৭
[সিসিবিতে প্রকাশিত এই মন্তব্যটি আলোচনার সুবিধার্থে এখানেও কপি করে দেয়া হল - ব্লগ এডমিন] Rayhan vai, excellent write up in very good bangla. But I have to say that your writing is not impartial. The way the writer of the e-mail tried to show some logics with out any valid references, in the same way you also tried to counter those logics without any valid references. The difference between two writings are only the use of language, nothing else. In your writing very cleverly you tried [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুক্তাঙ্গন | ১১ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ১০:৫২
এখানে দেখুন: http://www.nirmaaan.com/blog/help/keyboardlayout [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: NAGORIC | ১১ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০১:৪২
Can you please show english keyboard layout against bengali keyboard so that we can type faster using laptop key pad. Thanks. [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: mahmud | ১০ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০৬:৫৪
What about rapes and torture! Who takes responsibility for that in independent Bangladesh বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রামের সময় কেউ যদি বলতেন, ভাই আমি নিরপেক্ষ তাহলে, তাকে লোকে সন্দেহের চোখে দেখতো। জাতীয় জীবনে এমন কিছু সংকটকাল আসে মাঝে মাঝে যেগুলিতে নিরপেক্ষ থাকার কথা বলা মানে, সুবিধাবাদের চর্চা করা। ১) প্রধানমন্ত্রীর শক্তি প্রয়োগ না করার সিদ্ধান্তটি ভুল ছিল , কারন সিদ্ধান্তটি ছিলো আওয়ামী রাজনৈতিক। আওয়ামী নেতারা হিরো হতে চেয়েছিলেন। কারন, এই রুপ জাতীয় সংকটে রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিতে হলে অতি দ্রু [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: Deshi | ১০ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০৩:৪৪
Just ask two questions if you want to solve this puzzle: 1) Who gains from this? 2) Who are the most 'unusual' suspects? The current Al govt. has nothing to gain from this chaos. AL already has absolute majority in the parliament, so it can pass any law it wants without any chaos and bloodshed. Why would AL want to shoot on its own feet? Besides, some of the unfortunate army officers were fighting against corruption of the previous BNP/JI admin, and against militant JMB. Jamat is an [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: আরমান রশিদ | ১০ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০২:০৮
রাষ্ট্রদোহিতা, হত্যা, নির্যাতন, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ, নিরস্ত্র ও বন্দী নারী অর শিশুদের উপর নির্যাতন – সাধারণ ভাবে বলতে গেলে আমরা 'গণহত্যা' ও 'মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ' বলতে এই সকল কর্মকাণ্ডকে বুঝি যার প্রতিটি পিলখানায় সংঘটিত হয়েছে, তাও আবার মাত্র এক দিনের মধ্যে। স্বাধীনতার ৩৮ বছর পর আজ যখন আমরা যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের এত কাছাকাছি ঠিক তখনই আমাদেরই নিরাপত্তা বাহিনীর একাংশ দ্বারা এই সব অপরাধ মাত্র ৩০/৩৫ ঘন্টার মধ্যে সংঘটিত হওয়া কি নেহাত কাকতালীয়? কেউ কি জানাবেন সংজ্ঞায় পড়ে এমন কোন্ অপরাধটি বাদ প [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: জহির | ৯ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০৬:২৪
রায়হান, খুবই গোছানো যুক্তি আপনার পুরো লেখাটায়। তবে আমি মনে করি বেশিরভাগ পাঠকই জেনারেল-এর এই email টাকে ওতটা গুরুত্ব দিবে না। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: Ferdous | ৯ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০৩:০৯
amader sob chaite boro somossha holo keo kichu bolte chaile amra songkirnotar urdhe na uthe take soja vashai gala gal korte thaki. ei blog-e ja bolechen raihan rashid ta chintar khorak jogai. amader chinta korte hobe ar ta hote nijeder bichare sothik tukui onnoder jonno poribeshon korte hobe. ami mone kori sob kichui surute elo-melo thake. tai sobar kache abedon, aage nijer juktigulo barbar porikhkha kore tarpor post korun, tate sobai lavoban hobe. amar ei ATLAMI-r jonno aagei dukhkho prokash ko [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: অবিশ্রুত | ৮ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ১১:৪৭
গুজব, পরিকল্পিত অপপ্রচার আর আলামত এখন এক হয়ে যাচ্ছে, সেই সঙ্গে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সুস্থ চিন্তার পথ। শুধু নামহীন জেনারেল নয়, এই লিংকটিতে দেখুন, বিভিন্ন তদন্তকারীর দোহাই দিয়ে সুপরিকল্পিত গুজব সৃষ্টির একটি ১১-ঘটনার নমুনা। বলাই বাহুল্য, এই ১১টি ঘটনাও ইংরেজি ভাষার ই-মেইল হয়ে এখন বিভিন্নজনের ইনবক্সে গিয়ে হাজির হচ্ছে। গুজব একসময় মিইয়ে আসে, কিন্তু পরিকল্পিত অপপ্রচার ঠেকানো যাবে [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: anti-moulobadi | ৮ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০৪:২৬
আপনার লেখার মান বেশ ভালো। আরো কিছু লেখা আশা করছি। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: NAGORIC | ৭ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০৯:০২
আমি দুঃখতি যে আগে ইংলিশে লিখেছি। বাংলা কীবোর্ড ব্যবহার করা আসলেই বেশ সহজ। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুক্তাঙ্গন | ৭ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০৮:১৩
জরুরি নোটিশ: (১) সবাইকে বাংলা ভাষায় বাংলা হরফে মন্তব্য করার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি। মুক্তাঙ্গন সৃষ্টির অনেকগুলো উদ্দেশ্যের একটি হচ্ছে বাংলা ভাষায় বিশ্লেষণধর্মী চিন্তার চর্চাকে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়া। তাই, অন্য ভাষায়/হরফে লিখিত মন্তব্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ "বক্তব্য সমৃদ্ধ" (বা substance সমৃদ্ধ) না হলে সেটি অনুমোদনের ক্ষেত্রে আমরা এই সাধারণ নিয়মটির ব্যতিক্রমের পক্ষপাতী নই। বাংলা লেখার সুবিধার্থে সাইটের সাথে ৫টি সহজ কীবোর্ড সংযুক্ত রয়েছে। সেইসাথে সুবিধা রয়েছে এমনকী মাউস দ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: NAGORIC | ৭ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০৬:২৬
Apnara oneke amar kach theke shu-chintito motamot jante cheyechen. Amar problem shekhanei. Ami to CID ba intelligence e job kori na je eta amar duty hoye jabe and ami imaginary kono lecture o dite interested noi. I like to keep my patience until the investigation is completed by the law enforcing officers. Ami jodi ekhoni lomba lecture die feli tahole to ami apnader motoi budhdhi jibider ek jon hoye jabo. Eta amader nature pointing fingers to each other and by that time the criminals get chance [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: tawheed | ৭ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০৫:১৭
jonoiko GENERAL SHAHEB er propaganda ke eto shundor bhabe moyna todonto korar jonno Rayhan Rashid ke dhonnobad janai.... landslide victory dekhe oneker ekhon mathar thik nei...bishotgar kaurar kaj ti besh ayesher shathe korchhe alla khodar naam niye...ekattor e islam rokkhar naam kore, allar nam niye mukti kami manush ke hotta korar nozir to ei desh bashir morme morme jana royechhe... nuton nuton nana shorjontro o chokranto jara korchhe tader bishoye khub shojag thakte hobe...... [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: জিজ্ঞাসু | ৭ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০৪:২৬
NAGORIK, U SAID: Apnader moto politician ra desh ta ke dubabe. KINTU AMAR MONE HOI apnake dhore eI desher manush panite chubabe. [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: সৈকত আচার্য | ৭ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০৪:০২
@ নাগরিকঃ আপনি লিখেছেন যে, এই পোষ্টের আলোচনা আপনার কাছে CHEAP মনে হয়েছে। তার মানে দাঁড়াতে পারে এই যে আপনার ঝুলিতে এর চাইতে ওজনদার (ভারী) বা কোন সিরিয়াস লিখা থাকতে পারে যা আপনি কোথাও হয়তো লিখেছেন বা আপনার উর্বর মাথায় ঘুরঘুর করছে, অথবা ভারী ভারী লেখা পড়তে গিয়ে আপনি মাথাভারী হয়ে পড়েছেন। লিখুন না তেমন সিরিয়াস একটা লেখা যা কিনা দেশ ও জাতির মনশ্চক্ষু খুলে দেবে, দিন না তেমন একটা লেখা যা অত্যন্ত মূল্যবান ও দল নিরপেক্ষ বলে বিবেচিত হবে। আপনার মতো একজন দুরদর্শী এবং সিরিয়াস চিন্তাবিদ লেখকের অভাব বোধ করছ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: রিয়াদ | ৭ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০৩:৩৫
NAGORIC ভাই, তাই? লেকচার দিয়েছে? শুনতে এলেন কেন? কেউ কি জোর করে ধরে এনেছিল? এসেই যখন পড়লেন তখন আরেকটু সাহস করে না হয় আপনার যুক্তিগুলাও াজানিয়ে দিেতন, যদি বলার মত কোন যুক্তি সত্যিই থাকে। মনে তো হয়না আছে। থাকলে কি আর না দিতেন? আহারে। বেশী লেগেেছ? জেনারেলের বা আপনার জামাতি ভাইয়েদের জন্য মনে বেশী বেদনা হলে তা মনের মধ্যে পুষে রাখবেন না। এ থেকে বড় ধরনের মানসিক বেরাম হয়ে যেতে পারে। আলোচনা করতে তো ক্ষতি নাই, তাইনা? আপনি যেহেতু নিরপেক্ষতা র দোকান খুলে বসেছেন, সেখান থেকে অনেক "দামী দামী" কথা আমরাও [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: NAGORIC | ৭ মার্চ ২০০৯, পূর্বাহ্ন ০২:১০
Apni to bhai lomba lecture dilen Awami League er side nie. Nijeke age rajniti mukto koren tarpor arek jon ke justify korben. Apnader moto politician ra desh ta ke dubabe. Please lecture diben na. Amar mone hochche apni nijeke budhdhi jibi type er kisu vaben. Amar kase apnar analysis khub cheap mone hoyeche. [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: jaamil | ৬ মার্চ ২০০৯, অপরাহ্ন ০৯:৫০
besh guchhiye likhechhen. apnar darai hobe. chaliye jaan... [বিস্তারিত পড়ুন]


























অলকেশ চাকমা ও তার সহকর্মীদের অপহরণ বিষয়ে এই সাম্প্রতিক আপডেটটি দেখুন। খবরটির সত্যাসত্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি এই মন্তব্য লেখার সময় পর্যন্ত। সময়াভাবে ইংরেজী থেকে অনুবাদ করা গেলনা বলে ক্ষমাপ্রার্থী।
সেই কাপ্তাই হ্রদ থেকে আজ বাঙালীর অনুপ্রবেশ।আচ্ছা পার্বত্য চট্টগ্রামের ভূমিবন্টন ব্যবস্থা নিয়ে বইপত্রের কোনো খোঁজ দিতে পারেন?
ইন্টারনেটে পাবেন:
(১) The Chittagong Hill Tracts Commission (1991), Life is Not Ours: Report of The Chittagong Hill Tracts Commission. ১৯৯১ এর মে মাসে প্রকাশিত মূল রিপোর্টটি গত ১৭ বছরে চারবার আপডেট করা হয়েছে। এখানে পাবেন: আপডেট ১ (মার্চ ১৯৯২) , আপডেট ২ (এপ্রিল ১৯৯৪), আপডেট ৩ (ফেব্রুয়ারী ১৯৯৭), আপডেট ৪ (২০০০) ।
(২) Rajkumari Chandra Kalindi Roy (2000), Land Rights of the Indigenous Peoples of the Chittagong Hill Tracts . প্রকাশক: International Work Group for Indigenous Affairs - IWGIA. ISBN:8790730291.
(৩) M Emran Ali and Toshiyuki Tsuchiya (2002), “Land Rights of the Indigenous People of the Chittagong Hill Tracts in Bangladesh: A Historical Analysis of Policy Issues”, Fourth World Journal, Volume 5, Number 1. প্রকাশক: Center for World Indigenous Studies.
Settlers attack Jumma village in Sajek after CHT Commission’s visit
chtnews.com: News No. 138/2008, August 14, 2008
Hot on the heels of the CHT Commission’s visit to the area, the illegal settlers backed by a strong contingent of army personnel carried out an attack on the village of Gangaram Mukh in Sajek under Rangamati district on 9 August.
There are serious allegations that army and settlers have been resorting to vengeful actions against those Jummas who gave interview to the delegation of the Chittagong Hill Tracts Commission who visited the three districts of Khagrachari, Rangamati and Bandarban from 7 - 10 August. The Commission visited Sajek on 8 August.
Speaking to the chtnews.com yesterday in South Khabangpujjya, Mukul Kumar Chakma s/o late Sukesh Shobhan Chakma of village Gangaram Mukh in Sajek alleged that on the night of 9 august a group of Bengali settlers backed by a group of army personnel from Baghaihat zone attacked their village and ransacked his house for giving an interview to the CHT Commission the day before.
Narrating the incident he said “Since the evening of 9 August Bengali people had been whispering among themselves (planning an attack). At 10 pm they started shouting in a chorus. Then at 11 pm we heard them calling out to each other. A few moments later I saw them coming across to our house with their torches on. I woke my wife Arati Chakma up from bed. My daughter woke up herself. I told them to take some necessary things. Thereafter, I tried to wake my son Kuchi Chakma (13). He was reluctant to get up, but I kicked him out of the bed. As we were putting our belongings in bags, the settlers gave a big shout and attacked our house. We jumped into the Kachalong River in fear and hid ourselves in the nearby jungle. From there we could hear the settlers telling (to the army personnel) ‘Sir, there is none in the house’. We also heard them breaking our belongings in the house. Our family was not alone. There were about 200/250 people of the village who fled
their homes. We all stayed the whole night in the jungle without a wink of sleep. The settlers kept shouting the whole night.”
A farmer and a pastor, Mr. Chakma said they came back home the next morning after the settlers had gone. He continued: “The settlers ransacked the house of Buddho Dhan and the shop of Tungkala Chakma. They also ransacked the house of Hridoy Ranjan (65) and took him away. Later we came to know that he was beaten seriously. As a result he sustained injury in his head and in his right thigh, and his left arm paralysed. During the attack settlers caught some Jumma villagers who were not able to run away. After returning to the village, we came to know that the army also took part in the ransacking of our houses. They particularly searched for Pramika Chakma (a teacher of UNICEF-run Para Kendra or village centre) and asked the villagers ‘Where is Pramika?’ They were looking for her because she had given an interview to the CHT Commission.”
He said the villagers had collected Taka 400 and given it to him to come to Khagrachari to report the incident to the CHT Commission. “I came to Dighinala on foot, traversing jungle paths. That took me 6 hours from 10 am to 4 pm. From Dighinala I phoned Ms Sarah Hossain and told her what happened after the CHT Commission had left. She advised me to contact two Jumma Advocates — Gayana Chakma and Ashutosh Chakma. I contacted them accordingly and came to Khagrachari. ”
Mr. Chakma said he went back to the village on 12 August. “I went up to Jora Bridge by bus and then walked home. It took me 4 hours. When I reached home, I came to know that the CO of Baghaihat zone was searching for me. I spent the night in fear, and after dawn I lost no time to come back to Khagracahri. ”
He went on to say: “Now I am on the run. I never spent a single night out. If I have to keep on like this, I will join the party (UPDF). I will work for the people and for my land. (Ikko mui dhei dhei aagong. Mui kanadin ghara barey reit nah kadang. Idikkenguri thei paley mui Partyit sumim. Desh jadattei kam gurim.)
He said his family was running out of food. So were the other villagers. One kind-hearted person distributed 2 bags of rice to each of the affected families. “We got 8kgs. I grew one thousand orange saplings, but I could not sell them due to the tense situation.” he lamented.
Mr. Chakma said when the CHT Commission visited their village on 8 August the villagers gave it a warm reception. “We showed them the affected areas and five of us agreed to give interviews.”
The others who gave interview to the Commission included 1. Ms Pramita Chakma, 26, teacher of Unicef Para Kendra (Unicef-run village centre), 2. wife of Shuddhodhan Chakma, 3. Jiban Shanti Chakma of village Simana Para and 4. wife of Bilash Karbari or Gadabi’s mother.
Of them, Shuddhodhan’ s wife (he could not remember her name) was beaten by the CO of Baghaihat zone, and as a result her right hand got fractured. Others have gone into hiding, fearing arrest and harassment, he said.
Bandarban
Choton Kanti Tonchongya from Bandarban said he had to go into hiding after his meeting with the CHT Commission on 10 August. “The army is searching for me” he told the chtnews.com. “An army officer asked Jolmoni Tonchongya about me and my whereabouts. ”
He said the day before the CHT Commission’s visit to Bandarban, some people under the banner of Sacheton Chattra Samaj (Conscious Students Community) put up posters at different places in the town. The posters were about land grabbing and human rights violations in the CHT. “But the army blames me and UPDF for this. The Purbokone (a daily published form Chittagong) ran a lengthy news article about it on 13 August.” he said.