যৌনকর্মীর কর্ম অথবা কে তোরে পতিতা বলে মা! (তৃতীয় পর্ব)
লিখেছেন: মুজিব মেহদী | ২৬ মার্চ ২০০৯, বৃহস্পতিবার
প্রথম পর্ব / দ্বিতীয় পর্ব / পূর্ব প্রকাশিতের পর . . .
জাতিসংঘের বিশেষ অ্যাজেন্সি বিশ্ব পর্যটন সংস্থার মতে, পর্যটন খাত কর্তৃক আয়োজিত অথবা এই খাতের বাইরের কারো আয়োজনে পর্যটন খাতের কাঠামো ও নেটওয়ার্ক ব্যবহার করে গন্তব্যস্থানের বসবাসস্থলে পর্যটক কর্তৃক বাণিজ্যিকভাবে যৌনসম্পর্ক স্থাপনকেই সেক্স ট্যুরিজম বা যৌনপর্যটন বলে। জাতিসংঘ যৌনপর্যটনকে সমর্থন করে না এ কারণে যে, এর মাধ্যমে পর্যটকের নিজের দেশ ও গন্তব্য দেশ উভয়েরই স্বাস্থ্যগত, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বিরূপ প্রভাব ফেলে, বিশেষ করে পর্যটকের নিজের দেশের চেয়ে গন্তব্যদেশের আর্থ-সামাজিক অবস্থা এবং পর্যটকের নিজের সাথে ওখানকার মানুষের লৈঙ্গিক-বায়সিক অবস্থার বৈভিন্ন্যই এর জন্য দায়ী [...]
যৌনকর্মীর কর্ম অথবা কে তোরে পতিতা বলে মা! (দ্বিতীয় পর্ব)
লিখেছেন: মুজিব মেহদী | ২৫ মার্চ ২০০৯, বুধবার
অনেকের মতে বিষ্ণুগুপ্ত, চানক্য, কৌটিল্য একই ব্যক্তি। এমনকি কেউ কেউ বলেন কৌটিল্যই বাৎসায়ন। তা যাহোক, এ ব্যাপারে প্রমাণ হাজির করা এ লেখার উদ্দেশ্য নয়। বাৎসায়ন রচিত কামশাস্ত্র বা কামসূত্র গ্রন্থের বৈশিকাখ্যং অধ্যায়ে বলা হয়েছে, ‘রুচি হইতে যে পুরুষগ্রহণপ্রবৃত্তি তা স্বাভাবিক আর অর্থার্জনার্থ যে প্রবৃত্তি তা কৃত্রিম।’ বাৎসায়ন বর্ণিত অর্থার্জনার্থ এই কৃত্রিম প্রবৃত্তিই নিন্দার্হ। এ প্রবৃত্তিই বর্তমান বিশ্বে এক নম্বরের বাণিজ্যবিষয়, অনেক দেশের রাজকোষের অর্থের এ প্রবৃত্তিই প্রধান উৎস।
যৌনকর্মীর কর্ম অথবা কে তোরে পতিতা বলে মা! (প্রথম পর্ব)
লিখেছেন: মুজিব মেহদী | ২২ মার্চ ২০০৯, রবিবার
ধারণা করা হয়, নারীজাতি একসময় স্বাধীন ছিল। নারী-পুরুষ উভয়ে তখন জীবিকার জন্য মিলিতভাবে খাদ্যদ্রব্যের সন্ধান করত এবং যথেচ্ছ ভোগ করত। ভোগে-ত্যাগে উভয়ের অধিকারই তখন ছিল সমান। ক্রমে উৎপাদনের উপায়সমূহ ব্যক্তি মালিকানায় (অবশ্যই পুরুষদের হাতে) চলে যাবার মাধ্যমে সামাজিক শ্রম বিভাজন শুরু হয় এবং তখন থেকেই উৎপাদিত দ্রব্য পণ্য বলে বিবেচিত হতে থাকে। আজ অবধি উৎপাদিত [...]
কবির প্রয়োজনীয় হয়ে ওঠা
লিখেছেন: মুজিব মেহদী | ২৩ অক্টোবর ২০০৮, বৃহস্পতিবার
সত্যি বলাই শ্রেয় যে শামসুর রাহমান আমার প্রিয়কবিদের মধ্যকার কেউ নন। যে ধরনের তাড়না থেকে আমি কবিতা পড়ি, উলটিয়ে-পালটিয়ে আস্বাদনের জন্য একটি কবিতায় আমি যে ধরনের কাব্যবস্তুর সন্ধান করি, শামসুর রাহমানের কবিতা তার যোগান আমাকে খুব কমই দেয় বা দিতে পারে। এজন্যে কবিতাপাঠের অভিপ্রায়ে প্রায়শই আমার শামসুর রাহমানমুখী হওয়া হয় নি।
মাসুদ খানের গোধূলিব্যঞ্জন
লিখেছেন: মুজিব মেহদী | ৯ অক্টোবর ২০০৮, বৃহস্পতিবার
স্ত্রীবাচক শব্দ ‘গোধূলি’ সংস্কৃত বংশজাত একটি কাব্যানুকূল বিশেষ্য। বাংলাভাষায় শব্দটি এখনো তৎসম চরিত্র নিয়েই অবিকল টিকে আছে, অর্থাৎ এ যাবৎ এর কোনো তদ্ভব রূপ সৃষ্টি হয় নি। বঙ্গীয় শব্দকোষ জানায়, বহুব্রীহি সমাসনিষ্পন্ন এই পদটির ব্যাসবাক্য হলো ‘গোখুরোত্থিত ধূলি যে সময়ে’, অর্থাৎ কিনা গোধূলি হলো গো-প্রচারদেশ হতে গোসমূহের গৃহে আগমণকালে খুরোত্থাপিত ধূলিযুক্ত সময়বিশেষ। উল্লিখিত কোষগ্রন্থটি গোধূলির [...]
ভয়ের হাত-পা, চুল ও নখ
লিখেছেন: মুজিব মেহদী | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮, বৃহস্পতিবার
আমাদের একমাত্র ছেলে প্রত্নপ্রতিম পড়ে ছায়ানটের নিয়মিত সাধারণ স্কুল নালন্দা বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে। ঈদ-পূজা মিলিয়ে গত ১৪ সেপ্টেম্বর ওদের স্কুল প্রায় একমাসের জন্য ছুটি হয়ে গেছে। ঈদের সময় ভ্রমণ খুব ঝক্কিপূর্ণ বিধায় অগ্রবর্তী দল হিসেবে ২১ সেপ্টেম্বর সকালে আমার বউ ছেলেকেসহ বাপের বাড়ির উদ্দেশ্যে ময়মনসিংহ চলে গেছে। দু’দিনের সাপ্তাহিক ও শবেকদরের একদিনসহ তিনদিন ছুটির পর [...]
বাসচালক ও কন্ডাক্টরের রসবোধ
লিখেছেন: মুজিব মেহদী | ২১ সেপ্টেম্বর ২০০৮, রবিবার
সাপ্তাহিক দুটি ছুটির দিন (শুক্র ও শনি)-এর প্রথমটিতে আমি সাধারণত বাইরে কোনোরকম কাজ না রেখে বউ ছেলের সঙ্গে কাটাই। মাঝে মাঝে যে এ নিয়মে ব্যত্যয় ঘটে না তা নয়। যেমন গত সপ্তাহে বউ-ছেলেকে বিশেষ জরুরি কাজের অজুহাত দেখিয়ে বন্ধুদর্শনে উত্তরা চলে যাই এবং বিকেলটা খুবই আনন্দে কাটাই। এই আনন্দের হাত-পা-চোখ-মুখ খুলে দেখানো এ পোস্টের উদ্দেশ্য নয়। উদ্দেশ্য যাত্রাপথের একটি দারুণ অভিজ্ঞতা বিনিময়।
- মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ১১ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:০৭
জনাব mahbub ও মাহবুবুর রহমানের এক ব্যক্তি হবার সম্ভাবনাও কি আছে নাকি! [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ১১ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:০৪
এই লেখাটি অধ্যাপকের না হলেও, ইহজাগতিক প্রয়োজনেই লিখিত। পারলৌকিক কোনো প্রাপ্তির আশায় আমি কিছু করি না। তবে এটা ঠিকই যে, লেখাটিতে মাসুদ খানকে একটি মুগ্ধ পাঠকের দৃষ্টিতেই দেখা হয়েছে। আমি তার 'আতাফল'কে যেভাবে উপলব্ধি করেছি, সেভাবেই ইন্টারপ্রিট করেছি, আপনি যেভাবে বুঝেছেন আপনি সেভাবে বলেছেন। এটি একটি কবিতা যখন, তখন তার মধ্যে নানাভাবে ব্যাখ্যা করবার সুড়ং তো আছেই। ব্যাখ্যা, অপব্যাখ্যা ইত্যাদি সব ধরনের ভারই বইতে হয় একটি শিল্পকর্মের। আস্তিকতা-নাস্তিকতা বিষয়ে আলাপ-সালাপগুলো আমার কাছে জলো মনে হয় নি। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ১১ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ০২:৫১
রণদীপমদা আপনার বক্তব্যে আমার সহমত আছে। ই-বুকটির লিংক দেয়ায় আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ১০ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৯:০৪
আপনার বাক্যটাকে আমার কাছে আপত্তিকর মনে হলো। মাসুদ খান আস্তিক কি নাস্তিক তা আমার জানা নেই। কারো কবিতা নিয়ে লিখবার আগে তাঁর সম্পর্কে এটা জেনে নেয়া কোনো জরুরি বিষয় বলে মনে করি না। তাছাড়া কোনো কবি নাস্তিক হলে তাঁর কবিতা নিয়ে কিছু বলার থাকতে পারে না কোন যুক্তিতে, তা আমার কাছে বোধগম্য নয়। আমার ধারণা তো বরং এমন যে, ইহজাগতিকতাবাদী কবি ও তাঁর লেখালেখি নিয়েই বেশি বলার থাকে, থাকা দরকার। কারণ এ ধরনের লেখালেখি বেহেস্তের দরজা ও সে দরজার চাবি খুঁজে সময় নষ্ট করে না। আচ্ছা আপনি যদি জানতে পারেন যে, এই লে [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ১০ অক্টোবর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৮:৫৪
কী কারণে 'দারুণ', তা যদি দয়া করে বলতেন, তাহলে উপকৃত হওয়া যেত। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ২৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০২:২৩
অত্যন্ত দরকারি আলো উঁচিয়ে দাঁড়ানো এই রচনাটার মাহাত্ম্য খানিকটা কেঁপে কেঁপে উঠল মন্তব্যের ঘরে এসে তর্কের ঝাঁঝ মিশে যাওয়ায়। সব ঠিকঠাকই ছিল, কেবল দুজন মানুষের দুটি সত্তা প্রশ্নমালাকে ব্যক্তিগত পর্যায়ে গ্রহণ করায় এই ব্যত্যয়টা ঘটল বলে মনে হলো। ঘুরিয়ে ফিরিয়ে দেখলাম, শব্দ কীভাবে অনুভূতি ধারণ করে, কীভাবে বা খুঁচিয়েও দেয়। রণদীপম বসুর লেখার শেষাংশে যুক্ত আরজ আলী মাতুব্বরের ভাষণাংশ একজন মনোযোগী পাঠকের চিন্তাস্তরে একটা ঝড় বইয়ে না দিয়েই পারে না। 'স্বর ও ব্যঞ্জনবর্ণ তালপাতায় এবং বানান-ফলা কলাপাতায়' লিখে ' [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:৩৮
প্রকৃতপক্ষে আমিও ভয় পাই নি, বলছিলাম ভয়ানুভুতির কথা। ওই যে আপনি হাত ঝাড়া দিয়ে বললেন, 'যাঃ বাবা, ঘুমাতে দে', এর মধ্যেও কিন্তু আমি ওই অনুভূতির ছিটেফোঁটা দেখতে পাচ্ছি। রাস্তা তো আমাকেও প্রতিনিয়ত পার হতে হয়। হইও। সবসময় যে ভয় পাই তাও নয়। কিন্তু বিশেষ এক ধরনের গাড়ি (গুলিস্তান-মিরপুর, আজিমপুর-গাবতলী জাতীয়), যেগুলো ঢাকা শহরে চলে প্রশিক্ষণবিহীন আনাড়ি চালকদের হাতে, এদের সামনে দিয়ে আমি পারতপক্ষে যেতে চাই না। কারণ এরা সিগন্যাল মানে না অথবা বোঝে না। এরকম ক্ষেত্রে হিসেবনিকেশ কী এমন কাজে লাগবে বলুন! রিক্সায় [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:২০
অযৌক্তিক ভয়ের একটা যৌক্তিক ব্যাখ্যাই হাজির করেছেন আপনি। ব্যাখ্যাটা আমার পছন্দ হলো। এজন্য, জনান্তিকে ভুনা গোমাংসের দাওয়াত দিয়ে রাখলাম। ঠিকই শৈশবে আমার এ ধরনের অনেক ভয়জাগানিয়া কথাবার্তা শুনতে হয়েছে। তখন তো এসব বিশ্বাসেরই অংশ ছিল। আসে আস্তে বিশ্বাস অবিশ্বাসে রূপ নিয়েছে, কিন্তু ভয়ের স্মৃতিমোচন হয়ত ঘটে নি পুরোপুরি। ক্রমশ এই স্মৃতি ঝাপসা থেকে ঝাপসাতর হতে হতে বিলীন হয়ে যাবে না কি? নাকি এরকম থেকেই যাবে? আপনার ব্যাখ্যা কী বলে? এই দিনলিপিটা যে সন্ধ্যায় পোস্ট করলাম তারপর থেকে দুই রাত পার হয়েছে। আজকে [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ২৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০২:৫২
ঘাসফড়িংয়ের প্রতি কতটা প্রেম বোধ করলে এরকম কবিতা লেখা যায় ভাবুন তো একবার! আমরা হয়ত এতটা ভালোবাসতে পারি না। দিনদশেক আগে ফারুক ওয়াসিফের সঙ্গে চলতিপথে একটু কথা হয়েছিল। যতদূর মনে পড়ে, উনি নির্মাণ সম্পর্কে আলাপের একপর্যায়ে জানিয়েছিলেন, আপনি ঢাকায় এসেছেন বা আসছেন। সেই তখন থেকেই কি ঢাকায় ছিলেন আপনি? পরেরবার দেখা হবে ভেবে রাখলাম। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৫:৫৫
শুধু কি গো-মাংস শামীম ভাই, সঙ্গে জলটলও থাকছে নিয়মিত। আপনি ঢাকায় থাকলে আমার ভয় কিংবা ভয়ানুভূতি কোনোটাই কাজ করত না হয়ত। রাতে রাতে দেখা হয়ে যেত আমাদের, যেতই। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৪:৫৪
আপনার বাক্যটি রসে এতই টইটম্বুর হয়েছে যে, এতবার করে পড়েও তা কমছে না। আপনি দেখি রীতিমতো রসের আড়তদার! [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:৫৭
চট্টগ্রামে জন্ম এমন মানুষ কলকাতায় আছেন, সংখ্যায় একেবারে কমও হয়ত নয়, কিন্তু তাই বলে বাস কন্ডাক্টরও থাকবেন এ কি আর উনি ভুলেও ভেবেছেন? ভাবলে এতটা আত্মবিশ্বাসী তিনি হতে পারতেন না হয়ত। যাই বলেন, এই কন্ডাক্টর লোকটাকে আমার ভালোই লাগল। আনন্দফুর্তির মাঝখানে সে বাধ সাধে নি। একইসঙ্গে সে তার রসবোধ এবং দায়িত্বজ্ঞানকে প্রমাণ করেছে। আপনার গল্পে খুবই মজা পেলাম। বদ্দা ভারাউন দি যন। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:৪৮
এ ডায়ালগ আর জীবনেও শুনিনি, একেবারেই চট্টগ্রাম স্পেশাল। ধন্যবাদ হারুন রশীদ। “ওইইই……. বাঁয়ে প্লাষ্টিক, আস্তে যাও…….” [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৪:৩০
ছেলেটার সাথে পথের উপরে দাঁড়িয়ে আলাপচারিতায় মগ্ন থাকলেও মনে হয় মেয়েটার মধ্যে খানিকটা অপরাধবোধও কাজ করছিল। তা নইলে কন্ডাক্টরের মুখে 'দুই নম্বর' কথাটা শুনেই সাতপাঁচ না ভেবে তার অতটা লজ্জা পাওয়ার কথা না। আর প্রেমিক ছেলেরা বরাবরই এরকম হয়, প্রেমিকার অসম্মান করে কাউকে পাড় পেয়ে যেতে দিতে চায় না। পেরে না উঠলেও প্রতিবাদ করে ও মাঝেমাঝে মার খায়। এটা ছাড়া তাদের গতিও থাকে না, কারণ প্রেমিকের বীরত্বহীনতা প্রেমিকারা পছন্দ করে না। আপনার ইনপুটের জন্য ধন্যবাদ পার্থ সরকার। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৭:২৪
জীবনের এতটা কাল তো গাম্ভীর্য নিয়েই পথ চলা হলো, এখনো তাই চলি। তবু মাঝে মাঝে মনে হয়, হালকাচালের কিছু কথাবার্তাও বুঝি বলা-শোনা দরকার। শতভাগ কাঠখোট্টামির কোনো মানে হয় না, কারোর জন্যেই না। জীবন তো কেবল ওরকম না, হয়ত এরকমও। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৭:১৮
এরকম ভার্চুয়াল আলাপ-সালাপের ভিতর দিয়ে পরস্পরে ক্রমশ এমন এক নৈকট্য স্থাপিত হয় যে, মাঝে মাঝে আমাদের ভুলে যেতে হয় বা ভুলে যাই যে কারো কারো সাথে আমাদের ব্যক্তিগত পরিচয়টুকু নেই। বেভকো বাসে যেতে যেতে না হোক, ফুটপাতে চা খেতে-খেতেই হয়ত কখনো সরাসরি আলাপ-পরিচয় হয়ে যাবে আমাদের। হয়ত পাশের কাঁঠালিচাপা গাছ থেকে ঘাসফড়িং না হলেও কোনো সুদর্শন পোকা এসে সদম্ভে দাঁড়াবে আমাদের মাঝখানে। আমরা কি পারব তখন ওই সুদর্শনের প্রতি মনোযোগ না দিয়ে নির্বিঘ্নে নিজেদের কথাটুকু সারতে? পারব না। কারণ সচেতন প্রাণীর কাছে সকল অস্তিত্বই [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৭:০৭
অসাধারণ। কেউ কেউ ঠিকই এরকম টইটম্বুর রসের হাঁড়ি বগলে নিয়ে পথ চলেন। কেবল ক্ষেত্র খুঁজেন ঢেলে দেবার। আমাদের নিরস দৈনন্দিনকে এরাই জিলিপির মতো সরসতায় চুবিয়ে তোলেন। আমরা তখন হয়ত ভাবি, তেমন বেঁচে থাকা মন্দ কী! [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৭:০০
মন্তব্য করতে এসে মন খুলে কথা বলেছেন বলে প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই। আপনার প্রাসঙ্গিক এই মন্তব্য পোস্টটাকে সমৃদ্ধ করেছে। আপনার অবজারভেশন একদম সঠিক যে, এরা খুবই বিরক্তিকর ও ক্লান্তিকর পেশার সাথে যুক্ত। নিত্যবিরক্তি থেকে বাঁচতে সহজাতভাবেই হয়ত এ ধরনের রসচর্চা করে থাকেন তারা। কিন্তু এই সরল হিসেবটা সবার ক্ষেত্রে খাটে না অন্তত, খাটে মাত্র কারো কারো ক্ষেত্রে। অর্থাৎ বলতে চাই, যদি পেশার প্রকৃতিই এই রসবোধের একমাত্র কারণ হতো, তাহলে সকল বাসচালক ও কান্ডাক্টরই একরকম হতেন। কিন্তু আমার অভিজ্ঞতা সেরকম বলে না। লেখ [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ২৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৬:৪১
গ্রাসহোপারের বাঁচা না-বাঁচা সামান্য হলেও আমাদের বেঁচে থাকা না-থাকাকে প্রভাবিত করতে পারে। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৬:২৮
প্রত্যেকটা ছবিই খুব ভালো লাগল। একটু পেছনের খবর যদি জানতে চাই মনির কি জানাতে সম্মত হবেন? মানে কী ধরনের ক্যামেরা ব্যবহার করে ছবিগুলো তোলা এবং পরবর্তী সময়ে এডিটিংয়ে আপনি কোন সফটওয়্যার ব্যবহার করেছেন? [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:২২
সব শিল্পী-সাহিত্যিক যে প্রগতিশীল হবেন তা তো নয়, কেউ কেউ রক্ষণশীলও আছেন, থাকবেন। যারা প্রকাশ্যেই আছেন তাদের নিয়ে সমস্যা কম, সমস্যা তাদের নিয়ে যারা স্বরূপ লুকিয়ে থাকেন। 'দিগন্ত' প্রচারে নামায় এই সুবিধাটা হলো যে, এখন চেনা যাবে নিজেদের বিশেষায়িত ঘরবাড়ি ছিল না বলে কারা এতদিন স্বরূপ লুকিয়ে অন্যদিকে হাঁটাচলা করেছে। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:১৬
লেখাটা দীর্ঘ বলে পুরোপুরি পড়তে দেরি হলো, এজন্য দুঃখিত। আপনি অসাধারণ এক প্রেম সহযোগে লিখেছেন এই লেখা। রহস্যময় ও গম্ভীর মাচ্চু-পিচ্চুর গাম্ভীর্য আরো যেন বেড়েছে আপনার বর্ণনায়। লেখাটির জন্য অনেক ধন্যবাদ রইল। মাচ্চু-পিচ্চু বিষয়ক আমার অজ্ঞতার অনেকটাই ঘুচাতে পারল এ লেখা। ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়ের জোচ্চুরির ঘটনাটা আমার একেবারেই জানা ছিল না। সভ্যতার নামে অসভ্যতার কারবারি আমেরিকানদের নামে আরো কিছু ঘৃণা বরাদ্দ হলো। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ১৬ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০২:৩৬
প্রিয় রায়হান রশিদ, আপনার সাথে আমি এ ব্যাপারে সম্পূর্ণ একমত যে আইন করে এ সমস্যার সমাধান করা যাবে না। অনেক কিছুই আইনে লিপিবদ্ধ আছে, আইন সুরক্ষা দেয় নি। এমনকি আইনের ভিত্তি যে সংবিধান, সেখানে লিপিবদ্ধ অনেক শর্তও কেবল কাগুজে শর্ত হয়ে আছে। ধরুন আমাদের মহান সংবিধানের ২৮ (১) ধারায় বলা হয়েছে, 'কেবল ধর্ম, গোষ্ঠী, বর্ণ, নারী-পুরুষভেদ বা জন্মস্থানের কারণে কোন নাগরিকের প্রতি রাষ্ট্র বৈষম্য প্রদর্শন করিবেন না।' কিন্তু এ শর্ত কি নারী, আদিবাসী, সংখ্যালঘু বা নিম্নকোটির মানুষদের সমান অধিকার নিশ্চিত করতে পেরেছে? প [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:২৪
দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, আমাদের আশেপাশের মানুষজনের সঙ্গে অপরিচয়জনিত দূরত্ব মোচনের কথা আমরা অনেকেই ভাবি না। আপনি খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় সামনে এনেছেন। শিক্ষিত-অশিক্ষিত নির্বিশেষে আমরা গরিষ্ঠসংখ্যক মানুষ তাঁদেরকে পূর্ণাঙ্গ মানুষই ভাবি না। অপরিচয়ের অন্ধকার ঘুচানো তো তার পরের ধাপ, নাকি! প্রজননসক্ষমতা থাকা না-থাকাকে যদি মানুষ হবার প্রধান মানদণ্ড হিসেবে ধরে নেয়া হয়, তাহলে তো অবশ্যই তাঁরা মানুষ নন। আমরা কি এখানেই দাঁড়িয়ে নেই? আপনার লিংকগুলো চমৎকার, একে একে সবগুলোতেই বিহার করব। পাতে তুল [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ১৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:৪০
রাজনৈতিক দলের কাছে এখনো এমন কিছু আশা করা অত্যাশা মাত্র হবে। দেশে এত বড়ো বড়ো রাজনৈতিক দল আছে, অথচ সারাদেশ খুঁজে একজন হিজড়াকেও এসব দলের রাজনৈতিক কর্মী হিসেবে শনাক্ত করতে পারবেন না। জানা কথা যে, ওরা এসব দলের সঙ্গে নেই নিজেদের অনাগ্রহের কারণে নয়, অনাগ্রহটা বরং রাজনৈতিক দলসমূহের। কবে যে আমাদের দেশের রাজনৈতিক দলগুলো সব মানুষের দল হয়ে উঠবে! প্রেক্ষাপটের প্রসঙ্গ আনলেন বলে বলি, আয়োজনটা ছিল একটা এনজিও। এদেশের এনজিওসমূহের অজস্রাজস্র ব্যাপার-স্যাপার নিয়ে তুমুল সমালোচনার সুযোগ আছে। ওসব সমালোচনাকে স্বীকার [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ১৩ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৭:৩৯
গত দুই সরকারের সময় দেশ থেকে গণতন্ত্র বিলুপ্তপ্রায় হয়ে গিয়েছিল, বর্তমান তত্ত্বাবধায়ক সরকার তাকে অনেকাংশে বিলুপ্ত করে দিতে সক্ষম হয়েছেন। মাসের পর মাস জরুরি অবস্থা জারি করে রেখে তারা জনগণকে কোন গণতন্ত্র শেখাচ্ছেন? সরকারসংশ্লিষ্টরা হাবভাবে যে গণতন্ত্রের কলা দেখাচ্ছেন, সে গণতন্ত্র আর আসল গণতন্ত্রে অনেক ফারাক। গণতন্ত্রের শেষ মড়াটা সামনে নিয়ে আমরা এখন নির্বাচনের প্রহর গুণছি। নির্বাচন যেন ওঝা! কিন্তু ওঝা কবে কোন বিষাক্ত সাপেকাটা বিষজর্জর মুমূর্ষু রোগী ভালো করতে পেরেছে? [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ১২ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৫:৪৯
দিনলিপিটা মাত্রই লিখে উঠেছি, এসময়ই রাসেলের পোস্টটা চোখে পড়ে। প্রাসঙ্গিক বিবেচনায় ওখানেও মন্তব্য হিসেবে জুড়ে দেই। ওখানে আপনার প্রাসঙ্গিক পালটা মন্তব্য পড়লাম। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৮:৩০
কবিতাটার কিচ্ছু বুঝলাম না, আলোচনাটা যদিও বুঝলাম। 'বারো হাত কাঁকুড়ের তেরো হাত বিচি' ব্যাপারটাও হয়ত খানিক বোঝা গেল। প্রতিভাধররা সেটা পারেন। যেমন পারছেন জিফরান খালেদ। এরকম নমুনা বাংলাসাহিত্যে আরো আছে, ওসবের লেখকরাও প্রতিভাবান- আজফার হোসেন, সুব্রত অগাস্টিন গোমেজ প্রমুখ। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০২:০২
লেখাটিতে হাসির উপাদান নেই, তা নয়। কিন্তু আগে পড়া থাকায় নতুন করে হাসবার চেয়ে এ যাত্রায় লেখাটির কথার মারপ্যাঁচই বেশি মনোযোগ কেড়েছে। পরিশ্রম মাটি হয় নি, পিপাসায় প্রয়োজনীয় জল হয়েছে। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ৭ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০১:৫৭
উত্তম প্রস্তাব। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ৬ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:৪৪
কবিতার অনুবাদ খুব সুন্দর হয়েছে। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ৬ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:৩৩
এ দুয়ে আরো দুটি দূরত্বও বোধকরি আন্দাজ করা চলে। ১. বুদ্ধিবৃত্তির সংখ্যালঘুত্ব সহনীয় পর্যায়ে আসতে পারে বাক-স্বাধীনতা নিশ্চিত হলেই, কিন্তু ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুত্ব এ দিয়ে প্রশমিত হয় না। ২. বুদ্ধিবৃত্তির সংখ্যালঘুত্ব উচ্চ মূল্যমানের, বিপরীতে ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুত্ব নিম্ন মূল্যমানের (চর্চার নিরিখে)। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ৬ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৩:১৫
পেটে ক্ষুধার দোহাই দিয়ে কেবলারামের রক্ষা হলো, নইলে এ আলাপ আরো দূর গড়াতে পারত, আরো শোনা যেত কিছু ঝনঝনানি যুক্তি-তরবারির। রবীন্দ্রনাথ এ পন্থায় নিজে বাঁচলেন, না কেবলারামকে বাঁচালেন, না পাঠককে রক্ষা করলেন তা বোঝা মুশকিল। [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৭:২২
বাংলা ভাষার প্রেক্ষিতে ব্লগ এখনো একটি সম্ভাবনার নাম। বছর দুই বয়সের বাংলা ব্লগিং অনেক ভালো ব্লগের নমুনা দেখিয়েছে। তবে এই শেষ নয়, আরো কিছুদিন যেতে দিলে আমরা হয়ত আরো অনেক উৎকৃষ্ট ব্লগের দৃষ্টান্ত পাব। অন্য ভাষার ব্লগে যা হয়েছে, বাংলায়ও কেবল তাই হতে হবে, তার কোনো মানে নেই। বাংলা ব্লগ ব্লগিংয়ের নতুন সম্ভাবনাও তো দেখাতে পারে। পারে না কি? [বিস্তারিত পড়ুন] - মন্তব্যে: মুজিব মেহদী | ৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮, অপরাহ্ন ০৬:৫৮
সচলায়তনের দুর্যোগে নির্মাণ ব্লগের এই ভূমিকা দেখে ভালো লাগল। [বিস্তারিত পড়ুন]


যৌনকর্মীর কর্ম অথবা কে তোরে পতিতা বলে মা! (তৃতীয় পর্ব)
অত্যন্ত পরিশ্রম এবং নিষ্ঠার সাথে দাঁড় করানো এই লেখাটির জন্য মুজিব মেহদীর প্রতি কৃতজ্ঞতা। সেই সাথে কিছুটা বিস্ময় এবং অপরাধবোধ - এটি নিয়ে মুক্তাঙ্গনে কারো কিছু বলবার নেই দেখে। অপরাধবোধ নিজেরও, বিভিন্ন ব্যস্ততার অজুহাতে এই আলোচনা থেকে পালিয়ে বেড়ানোর জন্য। এই লেখাটির সাথে অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে যে বিষয়গুলো, দেখা যাক সেগুলোর কয়েকটাকে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা যায় কিনা: ১) যৌনতা, অবদমনের সংস্কৃতি এবং আমাদের সমাজ; ২) যৌন শ্রমের সাথে জড়ানো নৈতিক রায়প্রদানের সংস্কৃতি। আমাদের প্রচলিত নৈতিকতার মাঝে আজম্ম [বিস্তারিত পড়ুন]
যৌনকর্মীর কর্ম অথবা কে তোরে পতিতা বলে মা! (প্রথম পর্ব)
আপনার লেখায় "ইস্রায়েল" নাম নিয়ে আমার একটু সংশয়। প্রাচীনকালে জায়গাটাকে (যা বর্তমান প্যাল্যাস্তাইনের সাথে আনেকখানি overlap করে) মনে হয় জুডায়(Judae) নগর বলা হোত। [বিস্তারিত পড়ুন]
কবির প্রয়োজনীয় হয়ে ওঠা
@ ওমর কায়সার আপনি লিখেছেন, সময়ের তাগিদেই তার (শামসুর রাহমানের) উত্থান। এখানে 'সময়ের তাগিদ' বলতে কী বোঝাতে চাইছেন, আর সাল-তারিখের হিসেবে সেটা ঠিক কোন্ সময়? আপনি আরো লিখেছেন, শামসুর রাহমান প্রিয় কবি আমারও নন। কিন্তু সময় তার খুবই প্রিয় বিষয় ছিল। তাই তিনি প্রিয় হয়ে উঠেছেন সময়ের কাছে। [বিস্তারিত পড়ুন]
কবির প্রয়োজনীয় হয়ে ওঠা
শামসুর রাহমান আমাদের সময়ের কবি। সময়ের তাগিদেই তার উত্থান। তিনি তার কালকে ধরে রেখেছেন কবিতায়। তাই মহাকাল তাকে মনে রাখবে। সময়কে যিনি ধরতে পারেন, তিনি সময়োত্তীর্ণ হন। শামসুর রাহমান প্রিয় কবি আমারও নন। কিন্তু সময় তার খুবই প্রিয় বিষয় ছিল। তাই তিনি প্রিয় হয়ে উঠেছেন সময়ের কাছে। [বিস্তারিত পড়ুন]
কবির প্রয়োজনীয় হয়ে ওঠা
‘একজন মর্যাদাসম্পন্ন কবি বিশেষ কোনও দল, সংগঠন কিংবা প্রতিষ্ঠানের রীতিনীতি পছন্দ করতে পারেন, কিন্তু তা’বলে সেই দল কিংবা প্রতিষ্ঠানের কাছে নিজেকে বিকিয়ে দিতে পারেন না।’ আমরাও তাঁর সাথে একমত। [বিস্তারিত পড়ুন]
মাসুদ খানের গোধূলিব্যঞ্জন
ধন্যবাদ, স্বান্ত্বনা। হঠাৎ আবার কী মনে করে যেন ঢুকে পড়লাম। কারকো'র সুন্দর একটা উদ্ধৃতি দিয়েছেন। আধখানা চাঁদ কোন মাহবুবকে দিয়েছেন, বুঝলাম না। তবে আশ্চর্যের বিষয় একজন মন্তব্যদাতাও আমার নামের বানানটা ঠিকমত দেখেননি। ফলে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। প্রসঙ্গক্রমে বলছি, আমরা সবাই তো কমবেশি বিশ্বাসী। কেউ বিশ্বাস করে অতিপ্রাকৃতে, কেউ বিশ্বাস করে মানুষে, কেউ বিশ্বাস করে যুক্তি কিংবা যন্ত্রে। আমাদের কি বিগত এবং বর্তমান সভ্যতা নিয়া বড় কোনো ধরনের প্রশ্ন আছে? তবে কি আমরা বিশ্বাসী নই। সবচেয়ে আশ্চর্য লাগে [বিস্তারিত পড়ুন]
কবির প্রয়োজনীয় হয়ে ওঠা
বেশ ভালো লাগলো; কেমন আছেন মুজিব ভাই? [বিস্তারিত পড়ুন]
কবির প্রয়োজনীয় হয়ে ওঠা
পরে এই লেখাটি নিয়ে দু-চার কথা কথা বলার ইচ্ছে আছে। (কয়েকদিন ধরে নিজের বাসার বাইরে আছি, হাতের কাছে তাই শামসুর রাহমানের বইগুলো নেই।) আপাতত শঙ্খ ঘোষের একটা কবিতা, তাঁর সমস্ত ক্ষতের মুখে পলি কাব্যগ্রন্থ থেকে, সবাই মিলে পড়া যাক এখানে। কবি শামসুর রাহমান, বন্ধুবরেষু আজও সেই দুঃসময়। একজীবনে ফুরোয় না কিছু। আমরা তো স্বপ্নই দেখি -- অথবা ভেঙেও পড়ি শোকে চোখে সামনেই কৌম টুকরো টুকরো হয়ে যায়, আর বেঘোরে রাস্তায় সব জড়ো হই, পলকে পলকে দেখা দিতে থাকে শুধু -- মুখ ন [বিস্তারিত পড়ুন]
কবির প্রয়োজনীয় হয়ে ওঠা
শামসুর রাহমান আমাদের অনেক প্রগতিশীল কবির মতো ফালু-বুলুদের কাছে মাতা নত করেননি; তিনি কখনও আমার দেশ-এ কবিতা দেননি। [বিস্তারিত পড়ুন]
মাসুদ খানের গোধূলিব্যঞ্জন
নোটিশ: ভুল বোঝাবুঝি এড়াতে এটা উল্লেখ করা জরুরী যে মন্তব্য#২ এর "mahbub" এবং মন্তব্য#৩ এর "মাহাবুবুর রাহমান" দু'জন ভিন্ন ব্যক্তি। [বিস্তারিত পড়ুন]
মাসুদ খানের গোধূলিব্যঞ্জন
"কবিতা ধর্মবিশ্বাসের মতো, সে আলোকিত করে শুধু তাদেরই যারা তাতে বিশ্বাসী।" -- ফ্রাঁসিস কারকো-র এই উক্তিটা মনে পড়ে গেল। মাহবুবকে তাঁর ধর্মবিশ্বাস কতটা আলোকিত করেছে, তা জানবার আগ্রহ আমার নেই। "ভদ্রলোক" যে সাহিত্যের পাঠক নন, সে তো তাঁর মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট। চমৎকার ও মুগ্ধতাসঞ্চারী একটি লেখা নিয়ে ওই অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য করায় মাহবুবকে -- আপনারা যে যা-ই বলুন ভাই -- আমি 'আধখানা চাঁদ' দিতে চাই! [বিস্তারিত পড়ুন]
মাসুদ খানের গোধূলিব্যঞ্জন
এই লেখাটি অধ্যাপকের না হলেও, ইহজাগতিক প্রয়োজনেই লিখিত। লেখক আমার ব্যবহৃত ইহজাগতিক শব্দটাকে পারলৈকিক শব্দের বিপরীত শব্দ হিসাবে নিয়েছেন। (ইউনিজয়ে লিখতে সমস্যা হচ্ছে। তাই সব উত্তর দিতে পারছি না বলে দুখিত।) [বিস্তারিত পড়ুন]
মাসুদ খানের গোধূলিব্যঞ্জন
না এক ব্যক্তি না। আমার মন্তব্যের শেষাংশ লক্ষ করুন। [বিস্তারিত পড়ুন]
মাসুদ খানের গোধূলিব্যঞ্জন
'আস্তিকতা-নাস্তিকতা' নিয়ে "ক্রিয়া" তো একটাই, উপরের ২নং মন্তব্যে জনৈক মাহবুব সাহেবের (ধরে নিচ্ছি আপনারা দু'জন এক ব্যক্তি নন)। কিন্তু "প্রতিক্রিয়াগুলো" (২নং মন্তব্যের প্রত্যুত্তরে উপরের ৪টি প্রতিমন্তব্য) কিভাবে এবং কেন 'জলো', আরেকটু ব্যাখ্যা করা যায় কি? [বিস্তারিত পড়ুন]
মাসুদ খানের গোধূলিব্যঞ্জন
অধ্যাপকগণ কবিতার আলোচনা করেন তাদের ইহজাগতিক প্রয়োজনে আর এই লেখায় এক মুগ্ধ পাঠকের প্রাণের ছোঁয়া পাওয়া গেল এবং যা আমাকেও মুগ্ধ করল। কবি মুজিব মেহেদীর গোধূলিবিন্যাস অসাধারণ তবে এক জায়গায় আমি লেখকের সাথে একমত হতে পারলাম না। আতাফল কবিতায় মাসুদ খান সম্ভবত আমেরিকা তথা সাম্রাজ্যবাদীদের নির্মিত সন্ত্রাসী-রূপকল্পের বিপরীত রূপকল্প তৈরী করেছেন। যার ফলে কিশোরটির প্রতি আমাদের মুগ্ধতা জন্মায়। আর হ্যাঁ আস্তিকতা-নাস্তিকতা বিষয়ক ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়াগুলা জলো মনে হল। প্রথমত আস্তিকপ্রবরের কাছে জানতে চাই আস [বিস্তারিত পড়ুন]
মাসুদ খানের গোধূলিব্যঞ্জন
মানুষ যে কতো বিচিত্র প্রাণী তা জনাব মাহবুব এর মন্তব্য থেকে আবারো উপলব্ধ হলো। মাহবুব কি কথাটা বিশ্বাস করেন না যে, মানুষ না জেনে না বুঝে জন্মসূত্রে আস্তিক হয়, কিন্তু নাস্তিক হতে হলে নিজস্ব মেধা মনন চিন্তাশীলতা অনেক পরিশ্রম অনেক অধ্যয়ন অনেক অর্জনের মধ্য দিয়ে হতে হয় ? পৃথিবীতে এযাবৎ মানবেতিহাসের যত অনিষ্ঠকর ঘটনাগুলো ঘটেছে এবং ঘটছে তা কেবলই মহান আস্তিকদের কৃপায়। আস্তিকদের নিজস্ব মানবিক বিবেকবোধ পরিচালনার পথ বন্ধ থাকে কিছু কাল্পনিক ঐশি সূত্রের প্যাঁচের মধ্যে। এক্ষেত্রে নাস্তিকেরা হন স্বাধীন এবং নি [বিস্তারিত পড়ুন]
মাসুদ খানের গোধূলিব্যঞ্জন
@ Mahbub; ঠিক বুঝলাম না আপনার মন্তব্যটি...। আপনি কি মুজিব মেহেদীর এই পোস্টে কমেন্ট দিয়েছেন? [বিস্তারিত পড়ুন]
মাসুদ খানের গোধূলিব্যঞ্জন
বুঝলাম না ঠিক কি বলতে চাইলেন। কোন ব্যক্তি 'নাস্তিক' না 'আস্তিক' তা কিভাবে প্রাসঙ্গিক এখানে? একটু পরিস্কার করবেন দয়া করে? [বিস্তারিত পড়ুন]
মাসুদ খানের গোধূলিব্যঞ্জন
মাসুদ খান তো একটা নাস্তিক। তার লেখা নিয়া এত কিছু বলার আছে কি? [বিস্তারিত পড়ুন]
মাসুদ খানের গোধূলিব্যঞ্জন
দারুন লিখেছেন। [বিস্তারিত পড়ুন]
ভয়ের হাত-পা, চুল ও নখ
রণদীপম বসুর যুক্তিটা ভাল। ভয়ের কারণ হয়তো তাই। তবে আমার মনে হয়, বিভিন্ন কারণে, হয়তো তার বেড়ে উঠার ভেতরই কারণ গুলি নিহিত থাকে, মানুষের ভয় পাবার বস্তু ও সময়ে (বয়সের) তফাৎ ঘটে। আমি চোখের সামনে এক মহিলাকে ট্রেনের চাকার নীচে পড়ে ছয় টুকরা হয়ে যেতে দেখেছি, এক যুবককে দেখেছি ট্রেন লাইনে শুয়ে আছে, মাথাটা শুধু ধড় থেকে আলাদা, তার মুখে একটু হাসিও লেগে আছে, পরিপাটি করে গোফঁ ছাটা, দু'টোই অপমৃত্যু। দু'টি স্মৃতিই মাথার মধ্যে টাটকা পুরে নিয়ে একা ঘুমিয়েছি, ঘটনার বীভৎসতার কারণে দৃশ্যগুলি মাথার মধ্যে বার বার ঘোরা ফের [বিস্তারিত পড়ুন]
বাসচালক ও কন্ডাক্টরের রসবোধ
পর পর দুই দিন ট্রেন ফেল করে শেষমেশ চট্টগ্রামে ফিরতে পেরেছি! এ যাত্রায় আর আপনার সঙ্গে পরিচিত হবার সুযোগ মিলল না। অবশ্য আপনার লেখার সঙ্গে পরিচয় আছে অনেকদিন ধরেই। পরের বার নিশ্চয়ই সামনাসামনি কথা হবে আমাদের। কিছু কথা জমা থাকল আমাদের সম্ভাব্য সঙ্গী সুদর্শন পোকার জন্যও। গতকাল হঠাৎই চোখে পড়ল অরুণ মিত্রের "ঘাসফড়িং"। আগেও পড়া; কিন্তু আপনার এই লেখার অনুষঙ্গে যেন নতুন লাগল কবিতাটি। . . . একটা ঘাসফড়িং-এর সঙ্গে আমার গলায় গলায় ভাব হয়েছে, ভাব না ক'রে পারতামই না আমরা। ঝিরঝির বৃষ্টির পর [বিস্তারিত পড়ুন]
ভয়ের হাত-পা, চুল ও নখ
মুজিব ভাই, আপনার মতো আমারও এক অবস্থা। ভয়ের কথা বলছি না, গিন্নী গেছে বাপের বাড়ি সিলেটে একমাত্র সন্তান প্রান্তিককে নিয়ে। সকালে অফিস যাবার পথে কাজী হোটেলে ঢুকে ভালো করে ডিম পরোটা ডাল ভাজি গিলে ভাগনের ঝুপড়িতে সিগারেট টানতে টানতে কড়া লিকারে চা আর এক নম্বর হাকিমপুরি জর্দা দিয়ে পান চিবিয়ে অফিসে ঢুকি। দুপুরে নেমে আসি এবং কলা পাউরুটি চা আর..। অফিস শেষে চারটের দিকে আবার কাজী হোটেল। গলা পর্যন্ত ভাত গিলে সোজা বাসায়। তারপর সেই ব্লগিং আর ব্লগিং। কম্পু ছেড়ে আর খেতে বেরোয় কে ? ঘরে বিস্কুট চানাচুর এইসব। এবারে [বিস্তারিত পড়ুন]
ভয়ের হাত-পা, চুল ও নখ
রাখেন আপনার ভয়, গো-মাংস আর ডালের যে-বর্ণনা দিলেন, আমার তো ভাই অবস্থা খারাপ... কতদিন গো-মাংস খাই না... ভালো কথা, আপনার কি সত্যিই ভয় হচ্ছে? না কি ভয়ানুভূতি হচ্ছে? আপনি কি সত্যিই কয়েকদিন হয় গো-মাংস খাচ্ছেন? গো-মাংস খেলে তো এরকম হওয়ার কথা না। [বিস্তারিত পড়ুন]
বাসচালক ও কন্ডাক্টরের রসবোধ
চলতি পথের রস নিজে আস্বাদন করে তার পরে সিরিঞ্জে করে জমিয়ে এনে ব্লগের শিরায় ঢেলে দেবার জন্য লেখকেরও ধন্যবাদ প্রাপ্য। [বিস্তারিত পড়ুন]
বাসচালক ও কন্ডাক্টরের রসবোধ
এটাও শোনা ঘটনা: ঘটনাস্থল কলকাতা। চট্টগ্রাম থেকে কয়েকজন সংস্কৃতি কমর্ী কলকাতা গেছেন কোন এক উপলক্ষে। মনের আনন্দে কলকাতা দাপিয়ে বেড়াচ্ছেন তারা, বিভিন্ন রুটের বাসে চড়ে কলকাতার এ মাথা থেকে ও মাথা, এর আত্মীয়ের বাসা ওর পরিচিতের বাসা, কলেজ স্ট্রীট, নন্দন, শিশির মঞ্চ ইত্যাদি যাতায়ত চলছে। একদিন দলেরই একজন, চট্টগ্রামের বিশিষ্ট সংস্কৃতিকমর্ী। ধরি তার নামের আদ্যক্ষর "ক"। তার শখ হলো বিনা টিকিটে কলকাতার বাসে চড়ে একটি গল্পের জম্ম দেবেন। তিনি ফসর্া চেহারার গম্ভীর লোক, একটি পুরানো টিকিট হাতে ধরে রেখে গম্ভীর হয়ে [বিস্তারিত পড়ুন]
বাসচালক ও কন্ডাক্টরের রসবোধ
খুব মজা লাগলো পড়ে। চট্টগ্রামে বাসের কন্ডাক্টরের একটা জনপ্রিয় ডায়লগ হলো - "ওইইই....... বাঁয়ে প্লাষ্টিক, আস্তে যাও......." প্রথম প্রথম বুঝতাম না। একদিন খেয়াল করলাম যখনই পাশ দিয়ে কোন কার বা মাইক্রোবাস জাতীয় বাহন যাচ্ছে সাথে সাথে এই চিৎকার। মানে ওগুলা এত নরম যে বাসের সাথে ধাক্কা খেলে প্লাষ্টিকের মতো চেপটা হয়ে যাবে। তাই চালকের উদ্দেশ্যে হুশিয়ারী। [বিস্তারিত পড়ুন]
বাসচালক ও কন্ডাক্টরের রসবোধ
কোথাও পড়েছিলাম অথবা শুনেছিলাম। ঠিক মনে নেই। ঘটনাটা এরকম: শহর এলাকার লোকাল বাস। কোন এক স্টেশনে গাড়ি থামা মাত্রই হেলপার ছুটে যাচ্ছে উপস্থিত জনতার কাছে এবং দাঁড়িয়ে থাকা প্রত্যেককে নির্দিষ্ট করে তার গাডির গন্তব্য বলে যাত্রী আকর্ষনের চেষ্টা করছে। খুবই পরিচিত এবং সাধারণ পদ্ধতি। গাড়ির অপেক্ষায় অথবা গল্পচ্ছলে দাঁড়িয়েছিল একটি ছেলে ও একটি মেয়ে, রাস্তার পাশেই। তারা এমনই আলাপে মশগুল তাদের কাছ দিয়ে, পাশ দিয়ে মানুষ রিঙ্া গাড়ি যাচ্ছে আসছে, তারা খবর রাখে না। ওখানেই হঠাৎ এসে দাঁড়াল একটি বাস। হেলপার দৌড়ে [বিস্তারিত পড়ুন]
বাসচালক ও কন্ডাক্টরের রসবোধ
অনেক সিরিয়াস পোষ্টের মাঝে একাধারে মজার এবং সরস এই পোষ্টটির জন্য মুজিব মেহেদীকে ধন্যবাদ । [বিস্তারিত পড়ুন]
বাসচালক ও কন্ডাক্টরের রসবোধ
মুজিব মেহদীর এই লেখাটা এককথায় অসাধারণ। মন্তব্যগুলিও ভালো লাগল। গত শুক্রবার রণদীপম বসু ফার্মগেটে এসে মিরপুরের বাস ধরেছেন জেনে সত্যিই খুব আফসোস হচ্ছে। তাঁর সঙ্গে পরিচয় হতে পারত! সামনাসামনি আলাপ অবশ্য মুজিব মেহদীর সঙ্গেও হওয়া দরকার। বেভকো বাসে চেপে দু'জনে গল্প করতে করতে যাব, আর মনে মনে খুব আশা করে থাকব -- আরেকটা ঘাসফড়িং এসে বসবে চালকের কাঁধে! ... [বিস্তারিত পড়ুন]
বাসচালক ও কন্ডাক্টরের রসবোধ
জাতিগতভাবে বাঙালির রসবোধ কিন্তু তীব্র। হয়তো নদীমাতৃক বলেই রস এমন টইটম্বুর করতে থাকে। আমাদের লোকায়ত বচন শ্লোক এগুলোতে এর দৃষ্টান্ত প্রচুর। তা ছাড়া আমরা চলতে ফিরতে আশে পাশে যাদেরকে আলাপ আলোচনা কথা বলতে দেখি বা শুনি, একটু খেয়াল করলেই বুঝা যায় এদের কথার মধ্যে আগে পিছে রসবোধ বা হিউমারের কী দুর্দান্ত ব্যবহার। সেদিন অর্থাৎ গত শুক্রবার একুশে টিভির জনৈক বন্ধুর সাথে আড্ডা মেরে ফিরছি। কাওরান বাজার থেকে হাঁটতে হাঁটতে ফার্মগেট এসে মিরপুরের ডাইরেক্ট বাসগুলো খুঁজছি। রাত সাড়ে নয় পেরিয়ে গেছে। ওখানকার একজনকে জি [বিস্তারিত পড়ুন]
বাসচালক ও কন্ডাক্টরের রসবোধ
অনেক আগে, স্কুলে যাওয়ার সময় দেখেছি, সাধারনতঃ আমাদের দেশে একেবারে সাধারন জনগনকে পরিবহন করার জন্য যে সব কাঠ বডি বা টিন বডি'র বাস সার্ভিস শহর এলাকায় বা শহরতলীতে চলাচল করে সেসব গাড়ীর চালকের চাইতেও এসিষ্ট্যান্ট ও কন্ডাক্টরগন অনেক বেশী সরস উক্তি, টিপ্পনী বা মন্তব্য করে থাকেন । এদের কাজ সাধারনতঃ বেশ একঘেঁয়ে ও অতিপরিশ্রমসাধ্য । মজুরীটাও নিতান্ত অল্প । সংসার আছে যাদের, তাদের অবস্থা আরো সংগীন। মনে আছে, অনেক গরমে, গাড়ীতে যখন তিল ধারন করার জায়গা থাকে না, দাঁড়ানো যাত্রীদের অসম্ভব ভীড় ঠেলে ঠেলে তারা যখন [বিস্তারিত পড়ুন]
বাসচালক ও কন্ডাক্টরের রসবোধ
বাহ্, দারুণ তো! বেঁচে থাকুক ওই গ্রাসহোপার, বেঁচে থাকুক চালক-কন্ডাক্টরের রসবোধ। তাই হোক। [বিস্তারিত পড়ুন]
পথে পথে এত ধূলা, এত কথা বাঙ্ময়
এটা খুবই বেদনার , আমরা চাইলেও এগুতে পারছি না । [বিস্তারিত পড়ুন]
পথে পথে এত ধূলা, এত কথা বাঙ্ময়
মুজিব মেহদীকে ধন্যবাদ বিষয়টি নিয়ে লিখবার জন্য। বিশেষভাবে যেটা চোখে পড়ে তা হল লেখক দিনলিপিটিকে তালিকাভুক্ত করেছেন “মানবাধিকার” এবং “শিক্ষা”র আওতায়। বিষয়টি হয়তো আসলেই শিক্ষাজনিত (বা এর অভাবজনিত)। ছেলেবেলা থেকে স্কুল এবং পরিবার থেকে আমরা কখনো এ বিষয়ে সুশিক্ষা পাইনি। আর বিনোদন মাধ্যম ও মিডিয়াতেও হিজড়াদের যেভাবে বরাবর চিত্রিত করা হয়েছে, তারও একটা সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব তো রয়েছেই সমাজ-মানস গঠনে। সুতরাং, আইন করে কিংবা সংবিধিবদ্ধ অধিকার দিয়ে ওদের অধিকার কতটুকু নিশ্চিত করা যাবে, তা বলা সত্যিই কঠিন। [বিস্তারিত পড়ুন]
পথে পথে এত ধূলা, এত কথা বাঙ্ময়
অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক এই লেখাটির জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। দুঃখজনক হলেও সত্যি যে, আমাদের আশেপাশের মানুষজনের সঙ্গে অপরিচয়জনিত দূরত্ব মোচনের কথা আমরা অনেকেই ভাবি না। হিজড়াদের প্রতি সামাজিক ঔদাসীন্য ও বিরূপতা তারই প্রমাণ। মুজিব মেহদী, আপনি নিজের পরিচয় দিতে গিয়ে লিখেছেন -- "ভাবি অনেক কিছু, লিখি কম...।" আপনার ভাবনাগুলো আমাদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিলে খুশি হব। একটা অনুরোধ, এখন থেকে বেশি বেশি লিখবেন! আপনার এই লেখাটির সূত্র ধরেই অনলাইনে কয়েকটি লেখা পড়লাম। সেরকমই কয়েকটি লিংক অন্য পাঠকদের জন্য : [বিস্তারিত পড়ুন]
পথে পথে এত ধূলা, এত কথা বাঙ্ময়
কত আগে থেকে আমরা এই কমিউনিটিকে মানবাধিকারসম্মত অধিকার দেয়ার স্বপ্ন দেখছি, কথা বলছি (সাপ্তাহিক বিচিত্রায় সম্ভবত উনিশশ একাশী সালে আমি এই নিয়ে একটি পূর্ণাঙ্গ প্রতিবেদন পড়ি এবং খুবই উত্তেজিত, ক্রুদ্ধ এবং ব্যথিত হয়ে পড়ি)... এতদিনে অগ্রগতি বলতে এইটুকু, এখন হিজড়াদের কোনও কোনও প্রতিনিধি সেমিনারে কথা বলার সুযোগ পাচ্ছে। এই সুযোগের প্রেক্ষাপট যাই হোক না কেন, তা নিয়ে কথা বলা আসলে ছিদ্রান্বেষণ করা। কেননা, এখন পর্যন্ত আমি কোনও রাজনৈতিক দলের কর্মসূচিতে হিজড়া কমিউনিটিকে নিয়ে কোনও অবস্থান নিতে দেখিনি। বিষ [বিস্তারিত পড়ুন]
পথে পথে এত ধূলা, এত কথা বাঙ্ময়
গত রাতে এই লেখাটি পড়েছি।মন্তব্যত্ত করেছিলাম,অন্য একটি ব্লগে।তাই আজ আর কোন মন্তব্য করছিনা। অফবিটের ভাল লেখা। [বিস্তারিত পড়ুন]