মুক্তাঙ্গন

rss-posts rss-comments
  • ব্লগবাড়ি
  • উদ্যোগ
    • মুক্তাঙ্গন পোর্টাল
      • Muktangon Facebook Group
      • মুক্তাঙ্গন ওয়ার্কগ্রুপ
    • ICSF PORTAL
      • E-Library '71
      • Media Archive '71
      • ICSF Blog
      • ICSF Discussion Groups
      • ICSF-Wiki Coordination Project
  • ইতিবৃত্ত
    • মুক্তাঙ্গন ঘোষণা
    • কৃতজ্ঞতা স্বীকার
  • লিখতে আগ্রহী?
    • সম্পাদনা ও মডারেশন
    • লেখক ক্যালেন্ডার
  • যোগাযোগ
  • কারিগরি সাহায্য
    • Bangla Settings
    • Keyboard layouts
    • কারিগরি জিজ্ঞাসা
    • সমস্যা রিপোর্ট করুন
  • আর্কাইভ
  • আনবাড়ি

মোহাম্মদ মুনিম

মোহাম্মদ মুনিম


সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

পেশায় প্রকৌশলী, বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে কর্মরত




  • অন্দরমহল



    • নিবন্ধন | পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার


  • অক্ষরের আকার



    লেখাকে ঘিরে আলোচনা

      ১৬ মার্চ ২০১১, বুধবার
    • মন্তব্যে~অবিশ্রুত

    • ৪ মার্চ ২০১১, শুক্রবার
    • মন্তব্যে~রায়হান রশিদ

    বই কেনা

    লিখেছেন: মোহাম্মদ মুনিম | ৩ মার্চ ২০১১, বৃহস্পতিবার | ১৯ ফাল্গুন ১৪১৭

    বিষয়: উত্তর আমেরিকা, এই সময়, পশ্চিমা বিশ্ব, প্রবাস, বইয়ের ভুবন | ২ টি মন্তব্য | ইমেইল / প্রিন্ট করুন: Email This Post Print This Post

    Share Tweet

    বেশ কিছুদিন আগে রেডিওতে একটা খবর শুনেছিলাম, খবরটি হচ্ছে টেক্সাসের একটি শহর, নাম লরেডো, যেখানে আড়াই লাখ লোকের বাস, সেই শহরের শেষ বইয়ের দোকানটি বন্ধ হয়ে গেছে। আড়াই লাখ লোকের একটি মার্কিন শহর, ওয়ালমার্ট আছে দুটো, পেল্লায় শপিং মল আছে দুটো, গোটা পাঁচেক বড় বড় রিটেল স্টোর আছে, কাপড় আর প্রসাধনের দোকান নিশ্চয় গণ্ডায় গণ্ডায় আছে, কিন্তু বইয়ের দোকান একটিও নেই! সেই শহরে নিশ্চয় উকিল, চিকিৎসক, প্রকৌশলী, কলেজ শিক্ষক বাস করেন, এঁদের কারুরই বই কেনার প্রয়োজন নেই? অলস দুপুরে সেই শহরের কোন গৃহিণীর বইয়ের দোকানে গিয়ে একটা দুটো ‘নাটক নভেলের’ বই কিনতে ইচ্ছে করে না? বই কিনতে হলে তাঁদের যেতে হবে দেড়শ মাইল দুরের আরেক শহরে।

    বেশ কয়েকবছর আগে একই ধরনের ঘটনা ঘটেছিল ডালাসের কাছাকাছি আরেকটি শহরে, অর্থের অভাবে শহরের একমাত্র পাবলিক লাইব্রেরীটি বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। এক সহৃদয় ব্যক্তি লাখ তিনেক ডলার দান করে লাইব্রেরীটিকে বন্ধ হয়ে যাওয়া থেকে উদ্ধার করেন।

    একটি ওয়েবসাইটে মার্কিনীদের বই পড়া বিষয়ে পরিসংখ্যান পাওয়া গেলঃ
    মাত্র ৩২ ভাগ মার্কিনী সারাজীবনে একবারের জন্য হলেও বইয়ের দোকানে গিয়েছেন (তার মানে ৬৮ ভাগ কখনোই কোন বইয়ের দোকানে যাননি)।
    ৪২ ভাগ শিক্ষিত (মানে কমপক্ষে স্নাতক ডিগ্রী আছে) মার্কিনী পড়ার বইয়ের বাইরে একটি বইও পড়েননি।
    ৮০ ভাগ মার্কিন পরিবার ২০০৫ সালে কোন বই কিনেন নি।

    ২০০৯ সালে মার্কিনীরা বই কিনেছে ১৪ বিলিয়ন ডলারের, একই সময়ে জুতো কিনেছে ৪৪ বিলিয়ন ডলারের, মদ খেয়েছে ১২০ বিলিয়ন ডলারের আর ফাস্ট ফুড রেস্টুরেন্টে খরচ করেছে ১৪৫ বিলিয়ন ডলার।

    যে জাতি বই পড়ে না সে জাতির উন্নতি হয়না, এই জাতীয় একটি কথা আমরা ছোটবেলা থেকেই শুনে এসেছি। তাহলে মার্কিনীদের বই পড়ায় এত অনীহা কেন? জাতীয় উন্নতিতে তাদের কি কোন আগ্রহ নেই? নাকি ইতিমধ্যে উন্নত জাতির এই দশাই হয়। উন্নত হবার আগে কি তবে এরা বই পড়তো, মানে উনবিংশ শতকে? সে আমলে বই এত সুলভ ছিল না, সাধারণ লোকজনকে বেঁচে থাকার জন্য প্রচুর পরিশ্রম করতে হতো, তাই বই পড়ার এত সময়ও ছিল না। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ, তারপরে বিশ বছর জুড়ে অর্থনৈতিক মহামন্দা, এই সব পেরিয়ে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পরে, যখন মার্কিন মধ্যবিত্ত সুস্থির হবার সুযোগ পেলো, তখনকি তারা বই পড়েছে? সেরকম কোন তথ্য কখনো চোখে পড়েছে বলে মনে পড়ছে না।

    ডালাসে একটা বাংলা বইয়ের দোকান ছিল, মুক্তধারা নামে, স্থানীয় একজন বাংলাদেশী, দিনে টেক্সাস ইন্স্রুমেন্টে কাজ করে রাতে বইয়ের দোকান চালাতেন, তিনি সময় না পেলে তাঁর স্ত্রী দোকানে বসতেন। বাংলাদেশী মালিকানাধীন একটি গ্রোসারীর ছোট একটি অংশ ভাড়া নিয়ে তাঁরা এই দোকানটি চালাতেন।

    বৃহত্তর ডালাসে প্রায় হাজার দশেক বাঙ্গালী থাকেন (বাংলাদেশী আর ভারতীয় বাঙ্গালী মিলে), ইলিশ মাছের দাম প্রতি পাউন্ড সাত ডলারে উঠলেও তাঁদের ইলিশ মাছ খাওয়ার কমতি থাকে না। মুসলমান বাঙ্গালীরা ব্যাপক উৎসাহ নিয়ে স্থানীয় মসজিদের জন্য চাঁদা তুলেন। হিন্দি চলচ্চিত্র দেখানোর জন্য দু তিনটা সিনেমা হল আছে, উপমহাদেশের অভিবাসীদের জন্য দুটো রেডিও স্টেশনও আছে। স্থানীয় বাঙ্গালীরা প্রতিজনে বছরে বিশ ডলারের বাংলা বই কিনলেও বাংলা বইয়ের দোকানটি বেশ চলে যেত, কিন্তু চলেনি, বছর তিনেক চলেই দোকানটি বন্ধ হয়ে যায়। দোকানটি আমার বাড়ি থেকে মাইল বিশেক দূরে ছিল, তাই ঘন ঘন যাওয়া হতো না। বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবরও কারো কাছ থেকে পাইনি। বন্ধ হয়ে যাওয়ার মাস খানেক পরে সেই বইয়ের দোকানে গিয়ে ফাঁকা দোকানঘরটি দেখে মনটা খুবই খারাপ হয়ে গিয়েছিল। সাপ্লাই ডিমান্ডের খেলায় কত ব্যবসাই তো হেরে যায়, কত দোকানই তো বন্ধ হয়ে যায়, কিন্তু বইয়ের দোকানের বন্ধ হয়ে যাওয়া কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না।

    Share Tweet
       
    পোস্ট কিংবা মন্তব্যে প্রকাশিত মতামত কোন অবস্থাতেই মুক্তাঙ্গন কর্তৃপক্ষের মতামতের প্রতিফলন নয়। বক্তব্যের দায়ভার লেখক এবং মন্তব্যকারীর নিজের। শুধুমাত্র "মুক্তাঙ্গন" নামের আওতায় প্রকাশিত বক্তব্যই ব্লগের যৌথ অবস্থানকে নির্দেশ করে।


    ২ টি মন্তব্য/প্রতিক্রিয়া এসেছে এ পর্যন্ত:

    1. ১
      রায়হান রশিদ রায়হান রশিদ লিখেছেন:
      ৪ মার্চ ২০১১, শুক্রবার সময়: ৩:০২ পূর্বাহ্ণ
      [মন্তব্য-লিন্ক]

      আমেরিকার বাংলাদেশ থেকে ‘বইমেলা’র ধারণা আমদানী করার সময় এসেছে। একটা কাজ করলে কেমন হয়? কোনভাবে কি ‘বই’ (কাগজে ছাপানো বই অর্থে) নামক বস্তুটির শত্রুগুলোকে একে একে চিহ্নিত করা যায়?

      Reply
      • ১.১
        অবিশ্রুত অবিশ্রুত লিখেছেন:
        ১৬ মার্চ ২০১১, বুধবার সময়: ৬:০০ অপরাহ্ণ
        [মন্তব্য-লিন্ক]

        মার্কিনীদের যে-বইপঠনচিত্র তুলে ধরলেন, তাতে তাদের সম্পর্কে ধারণার আরও একটু অবনতি ঘটল।
        তবে এই চিত্র বোধহয় কেবল যুক্তরাষ্ট্রের নয়, যুক্তরাজ্যেরও। যুক্তরাজ্যেও বছরখানেক আগে বিখ্যাত বইয়ের দোকান বর্ডার বন্ধ হয়ে গেছে। আরও একটি দোকান বুকস এটসেটরা-ও সম্ভবত বন্ধ হয়ে গেছে, তবে অনলাইনে এখনও বই বিক্রি করে (তার মানে গুদাম খালি হয়নি)।
        রায়হান রশিদ ঠিকই লিখেছেন, আমাদের উচিত পর্যায়ক্রমে কাগজের বইয়ের শত্রুদের একে একে চিহ্নিত করা।

        Reply

    আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে নিচের মন্তব্য-ফর্ম ব্যবহার করুন:

    =নিয়মাবলি=
    * ভাষা: মন্তব্যের ভাষা হওয়া উচিত (মূলত) বাংলা — অবশ্যই বাংলা হরফে। আর ভাষারীতি লেখ্যভাষা হিসেবে প্রচলিত প্রমিত বাংলা হওয়াই শ্রেয়।
    ** মডারেশন: মন্তব্যের ক্ষেত্রে এখানে প্রাক-অনুমোদন মডারেশনের চর্চা নেই। তবে যে-সব কারণ উপস্থিত থাকলে প্রকাশিত মন্তব্য বিনা নোটিশে (এবং কোনো ধরণের কারণ-দর্শানো ছাড়াই) পুরোপুরি মুছে দেয়ার বা আংশিক সম্পাদনা করার অধিকার "মুক্তাঙ্গন" সংরক্ষণ করে, সেগুলো হলো: (ক) সাধু এবং চলিত রীতির সংমিশ্রণ; (খ) ত্রুটিপূর্ণ বানানের আধিক্য; (গ) ভাষার দুর্বল, আঞ্চলিক, অগ্রহণযোগ্য বা ছাপার অযোগ্য প্রয়োগ; (ঘ) ব্যক্তিগত আক্রমণ প্রবণতা, ছিদ্রান্বেষণ ও কলহপ্রিয়তা; (ঙ) অপ্রাসঙ্গিকতা ও বক্তব্যহীনতা। এ ব্যাপারে মডারেশন টিমের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। তাই, চূড়ান্তভাবে পেশ করার আগে "প্রাকবীক্ষণ"-এর মাধ্যমে নিজ-মন্তব্যের প্রকাশিতব্য রূপ যাচাই করে নিন।
    *** নিবন্ধিত লেখকদের প্রতি: লেখকের নিজস্ব পাতার প্রকাশিত কাজের তালিকায় আপনার পেশ করা মন্তব্যের তালিকাভুক্তি নিশ্চিত করতে লগ-ইন করা অবস্থায় মন্তব্য করুন।
    >>প্রত্যুত্তরটি না পাঠাতে মনস্থির করলে "এখানে" ক্লিক করুন<<


    অভ্র প্রভাত ফোনেটিক ইউনিজয় ইংরেজী
    ------------(মাউস ক্লিক করে বাংলা লিখুন)------------
    ক খ গ ঘ ঙ চ ছ জ ঝ ঞ ট ঠ ড ঢ ণ
    ত থ দ ধ ন প ফ ব ভ ম য র ল শ ষ
    স হ ক্ষ ড় ঢ় য় ৎ ং ঃ ঁ । ॥ ৳ র-ফলা‌‌‌
    অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ     য-ফলা
      া ি ী ু ূ ৃ ে ৈ ো ৌ     রেফ
      ০ ১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬ ৭ ৮ ৯     ZWNJ
    স্পেসবার নতুন লাইন যুক্ত করুন/হসন্ত ZWJ


    বাংলায় মতামত লিখতে নিচের যে কোন একটি পদ্ধতি বেছে নিন:
    (ক) সংযুক্ত চারটি বাংলা কী‌বোর্ডের (ইউনিজয়, ফোনেটিক, প্রভাত) যে কোন একটি বেছে নিয়ে; অথবা, (খ) গুগল বাংলা ট্রান্সলিটারেশন টুল ব্যবহার করেও সহজে বাংলা লেখা সম্ভব। বাংলা অক্ষর চালু/বন্ধ করতে ctrl+g চাপুন। শব্দটি ইংরেজী হরফে লিখে ফেলে স্পেসবার চাপুন, তাহলেই সেটি বাংলায় রূপান্তরিত হবে (একই শব্দের একাধিক বানান-বিকল্প শব্দটির উপরে মাউস রেখে ক্লিক করে দেখে নেয়া যায়); অথবা, (গ) মাউস ক্লিক করে বাংলা লিখুন; অথবা, (ঘ) আপনার কম্পিউটারে অভ্র কীবোর্ড স্থায়ীভাবে ইনস্টল করে নিয়ে। কীবোর্ডগুলোর ব্যবহার বা লে‌-আউট জানা না থাকলে "বাংলা বর্ণমালা বিভ্রাট" লিংক অথবা "বাংলা কীবোর্ড লে-আউট" লিংক থেকে বিস্তারিত জেনে নিন। এরপরও সমস্যার সম্মূখীন হলে ব্লগ এডমিন এর কাছে সাহায্যের জন্য লিখুন।

    কপিরাইট © ২০০৮ নির্মাণ | ওয়ার্ডপ্রেস নির্ভর "মুক্তাঙ্গন" এর থীম রিফিউলড.নেট এর সৌজন্যে