আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে একটি ছোট্ট পোস্ট
ভোট হোক না হোক, আজ ১৮ ডিসেম্বর।
পোস্ট কিংবা মন্তব্যে প্রকাশিত মতামত কোন অবস্থাতেই মুক্তাঙ্গন কর্তৃপক্ষের মতামতের প্রতিফলন নয়। বক্তব্যের দায়ভার লেখক এবং মন্তব্যকারীর নিজের। শুধুমাত্র "মুক্তাঙ্গন" নামের আওতায় প্রকাশিত বক্তব্যই ব্লগের যৌথ অবস্থানকে নির্দেশ করে।
৮ টি মন্তব্য/প্রতিক্রিয়া এসেছে এ পর্যন্ত:
আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে নিচের মন্তব্য-ফর্ম ব্যবহার করুন:
=নিয়মাবলি=
* ভাষা: মন্তব্যের ভাষা হওয়া উচিত (মূলত) বাংলা — অবশ্যই বাংলা হরফে। আর ভাষারীতি লেখ্যভাষা হিসেবে প্রচলিত প্রমিত বাংলা হওয়াই শ্রেয়।
** মডারেশন: মন্তব্যের ক্ষেত্রে এখানে প্রাক-অনুমোদন মডারেশনের চর্চা নেই। তবে যে-সব কারণ উপস্থিত থাকলে প্রকাশিত মন্তব্য বিনা নোটিশে (এবং কোনো ধরণের কারণ-দর্শানো ছাড়াই) পুরোপুরি মুছে দেয়ার বা আংশিক সম্পাদনা করার অধিকার "মুক্তাঙ্গন" সংরক্ষণ করে, সেগুলো হলো: (ক) সাধু এবং চলিত রীতির সংমিশ্রণ; (খ) ত্রুটিপূর্ণ বানানের আধিক্য; (গ) ভাষার দুর্বল, আঞ্চলিক, অগ্রহণযোগ্য বা ছাপার অযোগ্য প্রয়োগ; (ঘ) ব্যক্তিগত আক্রমণ প্রবণতা, ছিদ্রান্বেষণ ও কলহপ্রিয়তা; (ঙ) অপ্রাসঙ্গিকতা ও বক্তব্যহীনতা। এ ব্যাপারে মডারেশন টিমের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। তাই, চূড়ান্তভাবে পেশ করার আগে "প্রাকবীক্ষণ"-এর মাধ্যমে নিজ-মন্তব্যের প্রকাশিতব্য রূপ যাচাই করে নিন।
*** নিবন্ধিত লেখকদের প্রতি: লেখকের নিজস্ব পাতার প্রকাশিত কাজের তালিকায় আপনার পেশ করা মন্তব্যের তালিকাভুক্তি নিশ্চিত করতে লগ-ইন করা অবস্থায় মন্তব্য করুন।
* ভাষা: মন্তব্যের ভাষা হওয়া উচিত (মূলত) বাংলা — অবশ্যই বাংলা হরফে। আর ভাষারীতি লেখ্যভাষা হিসেবে প্রচলিত প্রমিত বাংলা হওয়াই শ্রেয়।
** মডারেশন: মন্তব্যের ক্ষেত্রে এখানে প্রাক-অনুমোদন মডারেশনের চর্চা নেই। তবে যে-সব কারণ উপস্থিত থাকলে প্রকাশিত মন্তব্য বিনা নোটিশে (এবং কোনো ধরণের কারণ-দর্শানো ছাড়াই) পুরোপুরি মুছে দেয়ার বা আংশিক সম্পাদনা করার অধিকার "মুক্তাঙ্গন" সংরক্ষণ করে, সেগুলো হলো: (ক) সাধু এবং চলিত রীতির সংমিশ্রণ; (খ) ত্রুটিপূর্ণ বানানের আধিক্য; (গ) ভাষার দুর্বল, আঞ্চলিক, অগ্রহণযোগ্য বা ছাপার অযোগ্য প্রয়োগ; (ঘ) ব্যক্তিগত আক্রমণ প্রবণতা, ছিদ্রান্বেষণ ও কলহপ্রিয়তা; (ঙ) অপ্রাসঙ্গিকতা ও বক্তব্যহীনতা। এ ব্যাপারে মডারেশন টিমের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। তাই, চূড়ান্তভাবে পেশ করার আগে "প্রাকবীক্ষণ"-এর মাধ্যমে নিজ-মন্তব্যের প্রকাশিতব্য রূপ যাচাই করে নিন।
*** নিবন্ধিত লেখকদের প্রতি: লেখকের নিজস্ব পাতার প্রকাশিত কাজের তালিকায় আপনার পেশ করা মন্তব্যের তালিকাভুক্তি নিশ্চিত করতে লগ-ইন করা অবস্থায় মন্তব্য করুন।














[মন্তব্য-লিন্ক]
ঐ দিন, রাঃ ইয়াজউদ্দিন শপথ পাঠ করাচ্ছেন এবং
ফকরুদ্দিন ও অন্যরা তারস্বরে কোরাস ধরেছেনঃ
[মন্তব্য-লিন্ক]
হুজুরদের সবসময় বলতে শুনি ‘কোরান ও সুন্নাহর আলোকে’, আজকাল একটা পার্থক্য এসেছে, তারা বলছেন ‘কোরান ও সংবিধানের আলোকে’। আমরা এদিকে বসে আছি আসন্ন সংসদের সঙ-বিধানের ফর-মূলা’র অপেক্ষায়।সুশীলদের মুলিবাঁশের বেড়া এবার ভাঙ্গছেই, ভাঙ্গবেই।
[মন্তব্য-লিন্ক]
বিচার মানি তাল গাছ আমার।
[মন্তব্য-লিন্ক]
বাকী চাহিয়া লজ্জা দিবেন না ভাই…
[মন্তব্য-লিন্ক]
বর্তমানের এই দমবন্ধকরা পরিবেশ থেকে বের হয়ে আসার জন্য নির্বাচন ছাড়া আর তো কোন পথও নেই।
[মন্তব্য-লিন্ক]
@Partho Sarkar যে নির্বাচনের কথা আপনি ভাবছেন, বা এই সরকার বলার চেষ্টা করছে, সেই নির্বাচন হবে পুরো জাতির সাথে আর একটি ভাঁওতা। ঠিক ১/১১ তারিখের মত আরেকটি ধাপ্পাবাজি। এই নির্বাচন যদি হয়, তাতে সংসদীয় গনতন্ত্রের আওতায় যে ন্যূনতম স্বাধীনতাটুকু মানুষ পেত, তাও নির্বাসনে যাবে বলে মনে হচ্ছে।
কারন, একটি ভবিষ্যৎ তাঁবেদার পার্লামেণ্ট দিয়ে, দমবন্ধ পরিবেশ থেকে মুক্তি পাওয়ার সম্ভাবনা নাই আমাদের। এটা হতে পারে, অনেকটা সিংগাপুরের পার্লামেন্টারী সিষ্টেমের মত, যা সংসদীয় স্বৈরাচারের আধুনিক প্যাটার্ন মনে হয় আমার কাছে। ঘোষিত এই নির্বাচনের জন্য কেবল ডঃ হোসেন জিল্লুর ও তার দলবল ছাড়া আর কেউ সেভাবে ভরসা পাচ্ছে না, তাই দেখতে পাচ্ছি। যদিও আওয়ামী লীগ ও বিএনপি’র স্ববিরোধী আচরন, অষ্পষ্ট ভাষণ ও রাজপথের আন্দোলনের বিষয়ে কোন সিদ্ধান্ত নিতে না পারার বিষয়টি বেশ রহস্যজনক। বুঝতে পারছি না যে, এ ব্যাপারে ইতিমধ্যেই তারা কাউকে মুচলেকা দিয়ে এসেছে কিনা, আর, অন্যদিকে বামপন্থী শিবিরের সাংগঠনিক অবস্থান ও বহূদিন ধরে চলে আসা নীতিগত সিদ্ধান্তের বিরোধজনিত কারনে, কোন আন্দোলন কার্যকর ভাবে তাদের পক্ষেও গড়ে তোলা সম্ভব হচ্ছে না। ফলে এই দমবন্ধ অবস্থা……।
আর দমবন্ধ পরিবেশ থেকে মুক্ত কি করে হতে হয়, বাংগালীর চেয়ে তা আর ভাল জানে কে? একটা শ্লোগান এখনও ভুলতে পারিনিঃ
এই সত্যটা মনে করিয়ে দেয়ার সময় এসে গেছে। গোলটেবিলে কেবলই ষড়যন্ত্রের ঘ্রাণ পাওয়া যাচ্ছে। কেবলই সময় নষ্ট। সময়ের অপচয়।
[মন্তব্য-লিন্ক]
আন্দোলন তো মুক্তির পথ অবশ্যই, তবে নির্বাচনও পরিবর্তনের একটি পথ। এখন যদি 1988 ধরনের নিবার্চন হয়, দেশ বিদেশের পর্যবেক্ষক, সাংবাদিকদের চোখের সামনে ফলাফল উল্টে দেয়ার চেষ্টা চলে, তবেই 1988 পরবর্তী যে পরিস্থিতি দেশে হয়েছিল, তা হতে পারে।
দেশের মানুষ ভাল নেই, স্বস্তিতে নেই। কিন্তু কোন আন্দোলনও নেই, কারণ বাংলাদেশের প্রধান প্রধান রাজনৈতিক দলগুলিই রাজপথ ছেড়ে টেবিলে বসে কাগজ কলম নিয়ে হিসাব নিকাশে ব্যস্ত। সদ্য জেল খেটে এবং খাটার খড়গ মাথায় নিয়ে নিজেদের রক্ষা করাই এখন তাদের প্রধান কাজ। দু:খজনক ভাবে, সাজাপ্রাপ্ত অপরাধী, অপরাধ করেছে (দুর্নীতি, সন্ত্রাস) কিন্তু সাজা পায়নি এমন লোকজন অথবা সন্দেহভাজন লোকরাই বড়দুটি দলের নেতা। (হাতে গোনা কয়েকজন বাদে)। তারা মামলাকে ভয় পায়, জানে যে তাদের অপরাধ সহজেই প্রমান করা যাবে, কাজেই আন্দোলনকেও ভয় পাচ্ছে এখন তারা।
তাই (মনে হয়) দলগুলি এবং একই সাথে জনগণ অপেক্ষা করছে নিবার্চনের জন্য।
[মন্তব্য-লিন্ক]
ফুটবল খেলায় বিশেষ করে, মন্তব্য করতে গিয়ে, একটা শব্দ খুব ব্যবহৃত হয়, ভাই খেলা, তাই চলছে, তাই চলবে। দমবন্ধ পরিবেশ দমবন্ধ হওয়ার আগেই মিটে যাবে।