মুক্তাঙ্গন

rss-posts rss-comments
  • ব্লগবাড়ি
  • উদ্যোগ
    • মুক্তাঙ্গন পোর্টাল
      • Muktangon Facebook Group
      • মুক্তাঙ্গন ওয়ার্কগ্রুপ
    • ICSF PORTAL
      • E-Library '71
      • Media Archive '71
      • ICSF Blog
      • ICSF Discussion Groups
      • ICSF-Wiki Coordination Project
  • ইতিবৃত্ত
    • মুক্তাঙ্গন ঘোষণা
    • কৃতজ্ঞতা স্বীকার
  • লিখতে আগ্রহী?
    • সম্পাদনা ও মডারেশন
    • লেখক ক্যালেন্ডার
  • যোগাযোগ
  • কারিগরি সাহায্য
    • Bangla Settings
    • Keyboard layouts
    • কারিগরি জিজ্ঞাসা
    • সমস্যা রিপোর্ট করুন
  • আর্কাইভ
  • আনবাড়ি

ফকির ইলিয়াস

ফকির ইলিয়াস


সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

একটা সূর্য চাই, একটা চন্দ্র চাই / নদীর নীরব নগরে পসরা সাজাই ।।




  • অন্দরমহল



    • নিবন্ধন | পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার


  • অক্ষরের আকার



    লেখাকে ঘিরে আলোচনা

      মন্তব্য নেই

    নির্বাচন নিয়ে নৈতিকতার বুদ্ধিবৃত্তি

    লিখেছেন: ফকির ইলিয়াস | ২৬ সেপ্টেম্বর ২০০৮, শুক্রবার | ১১ আশ্বিন ১৪১৫

    বিষয়: রাজনীতি, রাষ্ট্রনীতি | মন্তব্যবিহীন | ইমেইল / প্রিন্ট করুন: Email This Post Print This Post

    Share Tweet

    নির্বাচনের মাধ্যমে একটি রাষ্ট্রের পটপরিবর্তন হয়। কিন্তু তা মানুষের ভাগ্য সবসময় বদলাতে পারে না। ভাগ্য বদলানোর জন্য দরকার রাজনৈতিক প্রত্যয়। বাংলাদেশে সে প্রত্যয় গড়ে ওঠেনি। গড়ে উঠলে রাজনীতিকরা মানুষের চোখের দিকে তাকিয়ে সর্বনাশ করতে পারতেন না। অথচ তেমনটিই ঘটেছে। প্রতিবাদ যে হয়নি তা নয়। রাজপথে মানুষ রক্ত দিয়েছে। তারপরও গোষ্ঠীভিত্তিক রাজনীতির মাধ্যমে এক ধরনের সামন্তবাদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ক্ষমতা একদলের হাত থেকে অন্যদলের হাতে গেছে। উপকৃত হয়েছে রাজনীতির দুষ্টগ্রহ। এরা জেঁকে বসেছে। রাজনীতিকরা নিজেদের স্বার্থেই এদের সরাতে চাননি। বরং কাজে লাগাচ্ছেন নিজের মতো করে।

    মানুষ এই দেশ থেকে স্বৈরশাসন হটালো। গণতন্ত্র আসবে বলে সাজলো দেশ। কিন্তু কথা দিয়েও প্রতারণা করলেন সেই রাজনীতিকরাই। তাদের যদি ন্যূনতম দরদ থাকত তবে এমনটি হতো না। নিজেদের সন্তানদের বিদেশে পাঠান তারা লেখাপড়ার জন্য। আর কৃষক-মজুরের সন্তানরা বটতলা, কদমতলায় দাঁড়িয়ে ছাত্ররাজনীতির ঝাণ্ডা ওড়ায়। তাদের ব্যবহার করা হয় হীন স্বার্থে।

    জোট-বিএনপি কিংবা আওয়ামী লীগের রাজনীতির মৌলিক চরিত্র একটি। তারা বারবার জনগণকে স্বপ্ন দেখিয়েছে। কাজের বেলায় দেখিয়েছে অন্য চরিত্র। সে চরিত্র লুটপাটের, দুর্নীতির, সন্ত্রাসের। মানুষকে আটকে রাখার চেষ্টা করেছে উভয় পক্ষই। শিক্ষিত হয়ে গেলে তীব্র প্রতিবাদী হয়ে যেতে পারে জনগণ। এ রকম একটি ভয় ছিল দুই প্রধান শিবিরেই। ফলে সাঁইত্রিশ বছরের বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে এখনও পর্যাপ্ত শিক্ষার ছোঁয়া নেই। বাজেট অন্যান্য অপ্রয়োজনীয় খাতে বেশি থাকলেও, শিক্ষা ক্ষেত্রে সবসময়ই রাখা হয়েছে অপ্রতুল। বদলানো হয়নি সনাতনী শিক্ষা ব্যবস্খা। পানিপথের যুদ্ধ কিংবা নবাব আকবর-বাবরের বিবাহ কাহিনী এই প্রজন্মের শিক্ষার্থী না শিখলেও কিছু যাবে আসবে না। বলা যায় ওসবের এখন প্রয়োজনই নেই। এখন শিক্ষা ব্যবস্খা হওয়া চাই বিজ্ঞান প্রযুক্তি, আধুনিকতা নির্ভর। বাংলাদেশে যে টাকা লুটপাট করা হয় তা বাঁচিয়ে প্রত্যেকটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কম্পিউটার দেয়ার কথা কোন সরকারই ভাবেনি। শিক্ষার উন্নয়নে তাদের রুটিন ছিল হতাশাজনক।
    পরিস্খিতি বিষিয়ে উঠেছিল খুব। সরকারের সমান্তরাল, ভবন সর্বস্ব সরকার। পদলেহীদের তর্জন-গর্জন। স্খায়ী মসনদ দখলের স্বপ্ন। সবমিলিয়ে একটি সুদরপ্রসারী মাস্টারপ্ল্যান নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার স্বপ্নে বিভোর ছিলেন ভবনওয়ালারা। সেটাতে বাদ সাধতেই একটা ওয়ান-ইলেভেন অনিবার্য হয়ে পড়ে।

    তার পরের দু’বছরের ঘটনা বেশ নাটকীয়। পজিটিভ-নেগেটিভ দু’ভাবেই সমালোচনা করা যাবে। তবে পর্ণ মল্যায়নের সময় এখনও এসেছে বলে মনে হয় না। একটি প্রশ্নের উত্তর খোঁজা বড় কঠিন। যারা সাজাপ্রাপ্ত হয়েছিলেন, এরাও মুক্তি পাচ্ছেন কিভাবে? তাহলে কি রাষ্ট্রের ইচ্ছায় তাদেরকে মামলা দিয়ে আটকানো হয়েছিল? নাকি এরা দোষী হলেও তাদের দোষ এখন ঢেকে দিতে চাইছে রাষ্ট্র? এ রকম প্রশ্ন আরও আছে। সময়ে হয়তো প্রশ্নসংখ্যা বাড়তেই থাকবে।

    দুই

    নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তারিখ ঘোষিত হয়েছে। ১৮ ডিসেম্বর ’০৮ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। ২৪ ও ২৮ ডিসেম্বর উপজেলা নির্বাচন। বর্তমান ক্ষমতাসীন সরকারই উপজেলা নির্বাচন করবে তা প্রায় নিশ্চিত। নির্বাচন নিয়ে বেশ জোরেই এগুচ্ছে আওয়ামী লীগ। খুব সামান্যই দরত্ব এখন তাদের বর্তমান সরকারের সঙ্গে। তাদের কেন্দ্রীয় নেতারাও একে একে মুক্তি পাচ্ছেন। নির্বাচন হবে তা ধরে নিয়েই যদি আগানো যায়, তবে এর করণীয়ও ভাবতে হবে। আওয়ামী লীগের নির্বাচনী পরিচালনা পরিষদের প্রধান টিএইচ ইমাম। তার বক্তব্য টিভিতে শুনলাম। তারা নতুন নতুন পরিকল্পনা করছেন। প্রচারণা চালানো হবে ইসির ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে। জনপ্রিয় প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়া হবে।
    এমন অনেক কথাই বললেন টিএইচ ইমাম। যারা দণ্ডপ্রাপ্ত নেতা এরা মনোনয়ন পাবেন কি না প্রশ্ন আছে তা নিয়েও। সরকার কিছু নেতার মনোনয়ন রহিত করতে তৎপর। এমন সংবাদ দীর্ঘদিন থেকেই দেখছি আমরা। বড় বড় দল কিংবা জোটের এসব নেতারা মনোনয়ন পান কি না তা দেখার বিষয়। অথবা টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রিত্ব পান কি না তাও বলে দেবে ভবিষ্যৎ সময়।

    নির্বাচন নিয়ে বুদ্ধিবৃত্তির খেলা দু’পক্ষই খেলছে। সরকার পক্ষ এবং রাজনৈতিক দলগুলো উভয়েই তা খেলছে নিজের মতো করে। রাষ্ট্রের একটি সংবিধান তো আছেই। যারা সংবিধান বিশেষজ্ঞ এরা এখন খুব সুবিধা করতে পারছেন না। বেশ চুপসে গেছে ‘জরুরি অবস্খায়’ জন্ম নেয়া দলগুলোও। নির্বাচনে অংশ নিয়ে দু-চারটা আসন তারা পেলেও তাতে কি? এমন আসন তো ’৯৬, ২০০১ সালেও কেউ কেউ পেয়েছিল। এমপি হয়ে যাওয়াই বাংলাদেশে তো শেষ কথা নয়।

    প্রশ্নটা হচ্ছে নৈতিকতার। নীতিহীন রাজনীতি সবসময়ই অন্ত:সারশন্য। দলীয় পদ ছেড়ে দিলে ব্যাংক ব্যবসা থাকবে না এমন মানসিকতা নেতাদের। যার ফলে ক্ষমতায় গেলে হরতাল-আন্দোলন হবে না, সে নিশ্চয়তা তারা দিচ্ছেন না। দেয়ার ইচ্ছাও তাদের নেই। যদি ওয়ান-ইলেভেনের ছায়া নবম জাতীয় সংসদ-পরবর্তী সময়ে দ্রুত সরে যায়, তবে পরিস্খিতি খুবই নাজুক হয়ে উঠতে পারে। কারণ এককভাবে বিএনপি জোটের শাসন মেনে নেবে না আওয়ামী লীগের মহাজোট। আবার মহাজোটের শাসনও মেনে নেবে না চারদলীয় জোট। অতএব, গোলযোগ ছাড়া গত্যন্তর কি?

    বিদেশের পত্রিকাগুলো লিখছে, জেনারেলরা সহসা ফিরছেন না। যদি না ফেরারই ইচ্ছে থাকে গোপনে, তবে তো পন্থাও উদ্ভাবিত হবে। সেটা কি হতে পারে? এই প্রশ্নের জবাবের সঙ্গেই নির্বাচন হওয়া-না হওয়ার সঙ্গতি খুঁজছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
    বিএনপি জোটের নির্বাচনী ম্যানিফেস্টোর পালে এখনও হাওয়া লাগেনি। তারা ধীরে এগুচ্ছেন মনে হচ্ছে। তবে সমঝোতা শর্ত মানলে নির্বাচনে তাদের যেতেই হবে­ এমন ধারণা সরকারের। বিএনপির সমর্থক বুদ্ধিজীবীদের মতে আবার বিএনপি-জামায়াত জোটই ক্ষমতায় আসবে। এ ক্ষেত্রে খালেদা জিয়ার ‘আপসহীন’ ইমেজকেই তারা আয়না হিসেবে বিবেচনা করছেন।

    তবে এটা এখন পর্যন্ত খুব নিশ্চিত, গণবিবেকের বুদ্ধিবৃত্তি কাজে লাগিয়ে অগ্রসর হওয়ার কথা কোন দলই ভাবছে না। তাদের উভয়ের সামনেই এখন মামলা থেকে স্খায়ী মুক্তির স্বপ্ন। এই দুই বছরে যা ক্ষতি হয়েছে তা পুষিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা। আর্থিক, মানসিক দুটো ক্ষতিরই বদলা নেয়ার ইচ্ছেও আছে কারও কারও। যদি সেটাই সত্য হয়, তবে বাংলাদেশ আরও পিছিয়ে যেতে পারে। মৌলবাদী, সন্ত্রাসী গডফাদাররা মধ্যস্বত্বভোগে জোর তৎপর হতে পারে। এটা কখনোই কাম্য ছিল না। এখনও নয়। কিন্তু খুনিও তো জামিন পাচ্ছে। জামিন পেয়েই পালিয়ে যাচ্ছে অন্য দেশে। সময় মতো আবার আসবে। কারণ দেশেই থেকে যাচ্ছে তাদের প্রধান পৃষ্ঠপোষকরা। রমজান মাস শেষ হলেই নতুন তোড়জোড় দেখা যাবে। এরপর কি হবে তা দেখতে সবাই উদগ্রীব। একটা সৎ পরিবর্তনের হাওয়া সবার চাওয়া। সে হাওয়া বইবে কি? সুপ্রিয় পাঠক-পাঠিকা, সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা। ঈদ মোবারক।

    নিউইয়র্ক, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০০৮
    ——————-

    Share Tweet
       
    পোস্ট কিংবা মন্তব্যে প্রকাশিত মতামত কোন অবস্থাতেই মুক্তাঙ্গন কর্তৃপক্ষের মতামতের প্রতিফলন নয়। বক্তব্যের দায়ভার লেখক এবং মন্তব্যকারীর নিজের। শুধুমাত্র "মুক্তাঙ্গন" নামের আওতায় প্রকাশিত বক্তব্যই ব্লগের যৌথ অবস্থানকে নির্দেশ করে।


    আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে নিচের মন্তব্য-ফর্ম ব্যবহার করুন:

    =নিয়মাবলি=
    * ভাষা: মন্তব্যের ভাষা হওয়া উচিত (মূলত) বাংলা — অবশ্যই বাংলা হরফে। আর ভাষারীতি লেখ্যভাষা হিসেবে প্রচলিত প্রমিত বাংলা হওয়াই শ্রেয়।
    ** মডারেশন: মন্তব্যের ক্ষেত্রে এখানে প্রাক-অনুমোদন মডারেশনের চর্চা নেই। তবে যে-সব কারণ উপস্থিত থাকলে প্রকাশিত মন্তব্য বিনা নোটিশে (এবং কোনো ধরণের কারণ-দর্শানো ছাড়াই) পুরোপুরি মুছে দেয়ার বা আংশিক সম্পাদনা করার অধিকার "মুক্তাঙ্গন" সংরক্ষণ করে, সেগুলো হলো: (ক) সাধু এবং চলিত রীতির সংমিশ্রণ; (খ) ত্রুটিপূর্ণ বানানের আধিক্য; (গ) ভাষার দুর্বল, আঞ্চলিক, অগ্রহণযোগ্য বা ছাপার অযোগ্য প্রয়োগ; (ঘ) ব্যক্তিগত আক্রমণ প্রবণতা, ছিদ্রান্বেষণ ও কলহপ্রিয়তা; (ঙ) অপ্রাসঙ্গিকতা ও বক্তব্যহীনতা। এ ব্যাপারে মডারেশন টিমের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। তাই, চূড়ান্তভাবে পেশ করার আগে "প্রাকবীক্ষণ"-এর মাধ্যমে নিজ-মন্তব্যের প্রকাশিতব্য রূপ যাচাই করে নিন।
    *** নিবন্ধিত লেখকদের প্রতি: লেখকের নিজস্ব পাতার প্রকাশিত কাজের তালিকায় আপনার পেশ করা মন্তব্যের তালিকাভুক্তি নিশ্চিত করতে লগ-ইন করা অবস্থায় মন্তব্য করুন।
    >>প্রত্যুত্তরটি না পাঠাতে মনস্থির করলে "এখানে" ক্লিক করুন<<


    অভ্র প্রভাত ফোনেটিক ইউনিজয় ইংরেজী
    ------------(মাউস ক্লিক করে বাংলা লিখুন)------------
    ক খ গ ঘ ঙ চ ছ জ ঝ ঞ ট ঠ ড ঢ ণ
    ত থ দ ধ ন প ফ ব ভ ম য র ল শ ষ
    স হ ক্ষ ড় ঢ় য় ৎ ং ঃ ঁ । ॥ ৳ র-ফলা‌‌‌
    অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ     য-ফলা
      া ি ী ু ূ ৃ ে ৈ ো ৌ     রেফ
      ০ ১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬ ৭ ৮ ৯     ZWNJ
    স্পেসবার নতুন লাইন যুক্ত করুন/হসন্ত ZWJ


    বাংলায় মতামত লিখতে নিচের যে কোন একটি পদ্ধতি বেছে নিন:
    (ক) সংযুক্ত চারটি বাংলা কী‌বোর্ডের (ইউনিজয়, ফোনেটিক, প্রভাত) যে কোন একটি বেছে নিয়ে; অথবা, (খ) গুগল বাংলা ট্রান্সলিটারেশন টুল ব্যবহার করেও সহজে বাংলা লেখা সম্ভব। বাংলা অক্ষর চালু/বন্ধ করতে ctrl+g চাপুন। শব্দটি ইংরেজী হরফে লিখে ফেলে স্পেসবার চাপুন, তাহলেই সেটি বাংলায় রূপান্তরিত হবে (একই শব্দের একাধিক বানান-বিকল্প শব্দটির উপরে মাউস রেখে ক্লিক করে দেখে নেয়া যায়); অথবা, (গ) মাউস ক্লিক করে বাংলা লিখুন; অথবা, (ঘ) আপনার কম্পিউটারে অভ্র কীবোর্ড স্থায়ীভাবে ইনস্টল করে নিয়ে। কীবোর্ডগুলোর ব্যবহার বা লে‌-আউট জানা না থাকলে "বাংলা বর্ণমালা বিভ্রাট" লিংক অথবা "বাংলা কীবোর্ড লে-আউট" লিংক থেকে বিস্তারিত জেনে নিন। এরপরও সমস্যার সম্মূখীন হলে ব্লগ এডমিন এর কাছে সাহায্যের জন্য লিখুন।

    কপিরাইট © ২০০৮ নির্মাণ | ওয়ার্ডপ্রেস নির্ভর "মুক্তাঙ্গন" এর থীম রিফিউলড.নেট এর সৌজন্যে