মুক্তাঙ্গন

rss-posts rss-comments
  • ব্লগবাড়ি
  • উদ্যোগ
    • মুক্তাঙ্গন পোর্টাল
      • Muktangon Facebook Group
      • মুক্তাঙ্গন ওয়ার্কগ্রুপ
    • ICSF PORTAL
      • E-Library '71
      • Media Archive '71
      • ICSF Blog
      • ICSF Discussion Groups
      • ICSF-Wiki Coordination Project
  • ইতিবৃত্ত
    • মুক্তাঙ্গন ঘোষণা
    • কৃতজ্ঞতা স্বীকার
  • লিখতে আগ্রহী?
    • সম্পাদনা ও মডারেশন
    • লেখক ক্যালেন্ডার
  • যোগাযোগ
  • কারিগরি সাহায্য
    • Bangla Settings
    • Keyboard layouts
    • কারিগরি জিজ্ঞাসা
    • সমস্যা রিপোর্ট করুন
  • আর্কাইভ
  • আনবাড়ি

আরিফুর রহমান

আরিফুর রহমান


সংক্ষিপ্ত পরিচিতি




  • অন্দরমহল



    • নিবন্ধন | পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার


  • অক্ষরের আকার



    লেখাকে ঘিরে আলোচনা

      ২৮ আগস্ট ২০০৮, বৃহস্পতিবার
    • মন্তব্যে~সৈয়দ তাজরুল হোসেন

    • ২৮ আগস্ট ২০০৮, বৃহস্পতিবার
    • মন্তব্যে~রায়হান রশিদ

    • ২৮ আগস্ট ২০০৮, বৃহস্পতিবার
    • মন্তব্যে~আরিফুর রহমান

    • ২৮ আগস্ট ২০০৮, বৃহস্পতিবার
    • মন্তব্যে~আরিফুর রহমান

    • ২৮ আগস্ট ২০০৮, বৃহস্পতিবার
    • মন্তব্যে~রাজামশাই

    • ২৭ আগস্ট ২০০৮, বুধবার
    • মন্তব্যে~রায়হান রশিদ

    কাবুলিওয়ালা এবং উবে যাওয়া বুদ্বুদ

    লিখেছেন: আরিফুর রহমান | ২৭ আগস্ট ২০০৮, বুধবার | ১২ ভাদ্র ১৪১৫

    বিষয়: অর্থনীতি | ৬ টি মন্তব্য | ইমেইল / প্রিন্ট করুন: Email This Post Print This Post

    Share Tweet

    মর্টগেজ মানে হোলো কাবুলিওয়ালার কাছ থেকে কড়ি ধার করে বাড়ি কেনা। ব্যাপারটা অনেকটা এরকম: কাবুলিওয়ালা (এখন তাদের গালভরা নাম ‘মর্টগেজ লেন্ডার’) টাকা ধার দেবে। ঋণীকে ২৫ বছর মেয়াদে সেটা শোধ করতে হবে। আদতে দাম পড়ে যাবে সোয়াগুন। কিন্তু তাতে কি! সবার কাছেতো আর বাপের দেয়া থোক টাকা থাকে না, তাই তরুন চাকুরেকে হাত পাততে হয় এদের কাছে। কাগজপত্তর ফয়সালা হলে উঠে পড়া বাড়িতে।

    বাড়ি নামে আপনার, যতোদিন মাসেকাবারে কিস্তি দেবেন কাবুলিওয়ালাকে। কপাল ভালো হলে, বছর পঁচিশেক পর আপনি মুক্ত। কপাল আরো ভালো থাকলে ক’বছর পড়েই বাড়ির দাম বেড়ে যায়। এ বাড়ি বেচে দিয়ে কেনা আর বেচার ব্যাবধান, মানে মুনাফা, থোক কিছু টাকা হাতে আসে, সেটা জমা দিয়ে আরেকটা মর্গেজ । এভাবে চলতে থাকে। প্রতিবারই কিন্তু ঘড়ি আবার ২৫ বছরের জন্য গোনা শুরু করবে!

    তবে আজকালকার কাবুলিরা আবার বেজায় চালাক! নানান রকম জটিল হিসেবের চক্করে ফেলে ক’বছর গেলেই দেখেবেন মাসের আয়ের বেশিরভাগটাই নিয়ে গেছে মুখপোড়া কাবুলিটা! কপালের ফেরে একবার যদি আয় ব্যায়ের হিসাবে গড়বড় করতে পারেন তবেই সেরেছে! মাফ নেই, ক’মাস পড়েই আসবে আদালতের সমন, ঘটনা খারাপ হয়ে গেলে বাড়ি ফেরৎ নিয়ে যাবে।

    এই আতংক জাগানিয়া ঘটনার ইংরেজি নাম রি-পজেশন।

    বাড়ি নিলামে চড়ায় তখন কাবুলিওয়ালা, সে চায় যতো তাড়াতাড়ি এই ফেল্টুস্ আপদ থেকে মু্ক্তি ততোই বাঁচোয়া! এজন্য লোকসান দিয়ে হলেও তারা বাড়িটার হাত থেকে মুক্ত হয়! এখানে ছোট্ট একটা ব্যাপার লক্ষ্য করার মতো, বাড়ির জন্য প্রাথমিক ভাবে যে দাম শোধ করা হয়েছিলো তার পুরোটা কাবুলিওয়ালা কখনোই ফেরৎ পায় না। মানে হোল কিছু টাকা কাবুলিওয়ালার ঝোলা থেকে বেমালুম গায়েব হয়ে গেলে। আর আপনি যা ফিরিয়ে দিয়েছিলেন মাসে মাসে, তার প্রায় সবটাই এই মামলা সেই মামলায় উবে যায়!

    আপনার হাতে হারিকেন।

    কাবুলিওয়ালার দিক থেকে দেখলে, বছরওয়ারী এরকম কয়েকটা ঘটনা অবশ্য তার গন্ডার চামড়ায় লাগে না।

    সবই ঠিক ছিলো! আম্রিকায় বাড়ি বাড়ি বুদ্বুদটার আগে পর্যন্ত।

    বুদ্বুদ হলো… ঐ যে কোলা ব্যাঙটার পেট ফোলানোর মতো, গরুর সাথে পাল্লা দিতে গিয়েছিলো। রাখতে পারেনি। ফুউউউসসসস্ করে ফেঁসে গেল সেরকমই বাড়ির বুদ্বুদটা।

    লক্ষনগুলি এরকম… বাড়ির দাম ক্রমাগত বাড়তে থাকে, সেটা আর সব কিছুরই বাড়ে। বুদ্বুদটা তৈরি হয় তখনি, যখন দাম বাড়ার হার তেজি ঘোড়ার মতো লাফ দিয়ে দিয়ে এগোয়। পুরো দেশে একই সাথে বাড়ির দাম পাল্লা দিয়ে দিয়ে বাড়তে বাড়তে এতো উচুতে উঠে যায় যে বেচারা ম্যাঙ্গোপিপল একসময় হাঁপিয়ে উঠে হাল ছেড়ে দেয়। কিস্তি দিয়ে আর কুলোতে না পেরে বাড়ি হারানোর সম্ভাবনা আছে দেখতে পেলে বাড়ির মালিক হাত ধুয়ে ফেলে। তখন নিয়ম মতো আসল মালিক কাবুলিওয়ালা এসে বাড়িটা নিয়ে নেয় দখলে। কিন্তু কাবুলিতো বাড়ি চায় না, সে চায় টাকা ফেরৎ, ওদিকে তার হাতে এখন রিপজেশন নেয়া মেলা বাড়ি, তারাতারি হাত বদল করে ফেলতে চায় সে। কিন্তু কে কিনবে! ফলে তীব্র তারল্য সংকটে পড়ে কাবুলি, কাবুলির চাচা সহ সংস্লিষ্ট সকলেই!

    কাবুলিওয়ালার গন্ডার চামড়ায়ও তখন হালকা আঁচ লাগতে শুরু করে…

    এতোদিন কাবুলিওয়ালা দলিল জমা দিয়ে কয়েকটা বড়ো গোলা থেকে টাকা আনতো। গোলার রইস, সেই দলিল তার বিনিয়োগকারীরকে দিতো গ্যারেন্টি হিসেবে। এভাবেই চলছিলো।

    আমেরিকায় এমন দুই টাকার গোলার নাম ‘ফেনি ম্যে’ আর ‘ফ্রেডি ম্যাক’। গত ত্রিশ বছর যাবৎ এই দুই অতিশয় গুরুত্বপূর্ন টাইমবোম টিক টিক করে আসছিলো। বেচারাদের এখন বোধহয় পটল তুলবার সময় হয়েছে। কারন কড়ির গোলা নিজেরাই শুন্য হয়ে গেছে। এই দুই গোলা আবার সরকারী/বেসরকারী হাঁসজারু মালিকানায়। অর্থ্যাৎ, ডুবে যাবার দশা হলে গাঁটের পয়সা দিয়ে এদের বাঁচাতে হবে দেশের জনগনকেই ; সেই একই জনগন, যাদের বাড়ি ফেরৎ নিয়ে গেছে কাবুলিওয়ালা। মরার ওপর খাঁড়ার ঘা যাকে বলে! আর এটাই হলো বুদবুদের ফেঁসে যাওয়ার আরেকটা দিক!

    সোজা বাংলায়, টাকার গোলা ইদানীং শুন্য হয়ে পড়েছে। ছোট কাবুলিরা ধার দেবার জন্য আর টাকা পাচ্ছে না। বাজারে প্রচুর চাহিদা থাকা সত্বেও দেবার মতো কারো হাতেই আর টাকা নেই। মুদ্রা স্রোতস্বীণি শুকিয়ে ঠাঠা।
    বাড়ির দাম পড়ে গেছে হাটুরও নিচে। সবাই তাই যার যার বাড়ি ভাড়ায় দিয়ে দিচ্ছে! আবার বাড়ি বিক্রি করতে চাইলেও কেউ পারছে না। কিনবে কে! যে কিনবে তারও যে মর্গেজ চাই! ওদিকে মর্গেজের কলস শুন্য! এ এক বিষম গিট্টু লেগে গেছে টাকার বাজারে।

    ২০০১ সালে ‘ডট-কম’ ফুস্ হয়ে যাবার কথা মনে আছে নিশ্চয়? ২০০৩ সালে এসে সেই ধাক্বা সামলাবার জন্য যেসব ব্যাবস্থা নিয়েছিলো কড়ির আড়তীরা, তার মাঝে একটা ছিলো ‘দেদারসে নতুন বাড়ি বানাও’ দাওয়াই। ২০০৫ সালে এক হিসেব মতে শুধু যুক্তরাষ্ট্রেই নুতন বাড়ি বিক্কিরি হয়েছে প্রায় তের লক্ষ! তখনকার পরিস্থিতি ধামাচাপা সামাল দেয়া গেলেও এখন এই দাওয়াই হিতে বিপরীত গ্যঙ্গ্রিন আকারে এখন পুরো দুনিয়া ধরে টান দিয়েছে।

    সাথে যোগ দিয়েছে তেলের দাম বৃদ্ধি, খাবারের দুষ্প্রাপ্যতা…দাম বৃদ্ধি, ফলে সবধরনের মুল্যস্ফীতি!

    আগামী কয়েক দশকে দুর্ভিক্ষ আর গন্ডগোলে পৃথিবীর জনসংখ্য পাঁচ বিলিয়নে নেমে এলে আমি আশ্চর্য হবো না।

    আর সেটাই কি বিল্ডারবার্গ গ্রুপের অনেকগুলো লক্ষ্যের একটা নয়?

    Share Tweet
       
    পোস্ট কিংবা মন্তব্যে প্রকাশিত মতামত কোন অবস্থাতেই মুক্তাঙ্গন কর্তৃপক্ষের মতামতের প্রতিফলন নয়। বক্তব্যের দায়ভার লেখক এবং মন্তব্যকারীর নিজের। শুধুমাত্র "মুক্তাঙ্গন" নামের আওতায় প্রকাশিত বক্তব্যই ব্লগের যৌথ অবস্থানকে নির্দেশ করে।


    ৬ টি মন্তব্য/প্রতিক্রিয়া এসেছে এ পর্যন্ত:

    1. ১
      রায়হান রশিদ রায়হান রশিদ লিখেছেন:
      ২৭ আগস্ট ২০০৮, বুধবার সময়: ৭:১৫ অপরাহ্ণ
      [মন্তব্য-লিন্ক]

      গত কয়েক সপ্তাহ ধরেই আটলান্টিকের দুই পাশে হাউজিং মার্কেট, মর্টগেজ, রিপজেশন ইত্যাদি নিয়ে খবর আর আলোচনার ছড়াছড়ি। আপনার লেখা পড়ে কিছু বিষয় পরিস্কার হল। ধন্যবাদ। কিন্তু এর সাথে ভবিষ্যত পৃথিবীর অস্থিরতাজনিত জনসংখ্যা হ্রাসের প্রেডিকশান এবং তার সাথে বিল্ডার্সবার্গ গ্রুপের যোগাযোগটা স্পষ্ট হলনা। একটু ব্যাখ্যা করা যায় কি?

      Reply
      • ১.১
        আরিফুর রহমান আরিফুর রহমান লিখেছেন:
        ২৮ আগস্ট ২০০৮, বৃহস্পতিবার সময়: ১২:২২ অপরাহ্ণ
        [মন্তব্য-লিন্ক]

        ধৈর্য ধরে এই http://www.zeitgeistmovie.com/ মুভিটা দেখার আমন্ত্রন রইল।

        অনেক কিছুই পরিষ্কার হবে।

        ধন্যবাদ।

        Reply
        • ১.১.১
          রায়হান রশিদ রায়হান রশিদ লিখেছেন:
          ২৮ আগস্ট ২০০৮, বৃহস্পতিবার সময়: ৬:২৮ অপরাহ্ণ
          [মন্তব্য-লিন্ক]

          দেখলাম প্রথম পর্ব আজ সন্ধ্যায়। মনে হচ্ছে আবার দেখতে হবে কিছু কিছু ব্যাপার বোঝার জন্য। দ্বিতীয় পর্বের অপেক্ষায় রইলাম অক্টোবর পর্যন্ত। একটা জিনিস অবশ্য স্পষ্ট হলনা। আমেরিকায় যদি ইনকাম ট্যাক্স সংক্রান্ত কোন বৈধ আইনই না থেকে থাকে (ছবিটিতে আই আর এস কর্মকর্তার ভাষ্য অনুযায়ী), তাহলে:

          ক) প্রতিবছর কিসের উপর ভিত্তি করে সে দেশে ট্যাক্স বাড়ানো বা কমানো হয় আইন সভায়?
          খ) কোন্ আইনের বলে আই আর এস এজেন্টরা কর ফাঁকিদানকারীদের প্রসিকিউট করে? বা কোন আইনেই বা তাদের বিচার সংঘটিত হয়?

          একটা কথা শুনেছিলাম। ‘৬০ এর দশকে নোয়াম চমস্কির মতো কয়েকজন নাকি সংঘবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার চেষ্টা করেছিলেন কর দানের বিরুদ্ধে। বিষয়টা কারো বিস্তারিত জানা থাকলে লিখে জানাবেন কি? আপাতত চমস্কির এই সাক্ষাৎকারটা পড়া যেতে পারে।

          Reply
    2. ২
      রাজামশাই লিখেছেন:
      ২৮ আগস্ট ২০০৮, বৃহস্পতিবার সময়: ৫:০১ পূর্বাহ্ণ
      [মন্তব্য-লিন্ক]

      ওরে আরিফ আছিস কেমন ?

      পড়লাম

      Reply
      • ২.১
        আরিফুর রহমান আরিফুর রহমান লিখেছেন:
        ২৮ আগস্ট ২০০৮, বৃহস্পতিবার সময়: ৩:৩১ অপরাহ্ণ
        [মন্তব্য-লিন্ক]

        ওহে! ফুল বাগানের মালী… ‘কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন’ প্রবাদটার মানে জানো? ;)

        Reply
    3. ৩
      সৈয়দ তাজরুল হোসেন লিখেছেন:
      ২৮ আগস্ট ২০০৮, বৃহস্পতিবার সময়: ১০:৪২ অপরাহ্ণ
      [মন্তব্য-লিন্ক]

      ক্রমশ ধ্বশঃমান প্রপার্টির বাজার সম্পর্কে ইদানিংকার আলোচিত বিষয়টি নিয়ে লেখার জন্য আরিফকে ধন্যবাদ । তবে কিছু বিশ্লেষন অতি সরল মনে হয়েছে, যেমনঃ

      টাকার গোলা ইদানীং শুন্য হয়ে পড়েছে। ছোট কাবুলিরা ধার দেবার জন্য আর টাকা পাচ্ছে না। বাজারে প্রচুর চাহিদা থাকা সত্বেও দেবার মতো কারো হাতেই আর টাকা নেই। মুদ্রা স্রোতস্বীণি শুকিয়ে ঠাঠা।

      আসলে বিষয়টা মনে হয় আরেকটু জটিল, যদি শুধু মাত্র গোলা শুন্য হয়ে যাওয়াটা-ই সমস্যা হত, তা হলে সেগুলো ভরে দেয়ার জন্য সরকারি টাকশালের দরজা খুলে দেয়া হত বহু আগেই । মর্টগেজ গ্রহনকারীরা তাদের ঋন পরিশোধের যে সামর্থ তার চেয়ে অনেক বেশি ঋন করে যেহেতু এখন আর তা পরিশোধ করতে পারছে না সেখান থেকেই বোধ করি সমস্যার শুরু । (কেন লোকজন সামর্থের অতীত ঋন নিল কিংবা কেন তারা কিস্তি শোধে ব্যার্থ হচ্ছে সে অন্য আলোচনা, এ বিষয়ে বিষদে কেউ লিখতে পারেন)

      নিকট ভবিষ্যতে নানান সংঘাত ও অন্যান্য কারনে পৃথিবীর জনসংখ্যা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা নিয়ে বিল্ডারবার্গ গ্রুপের কিছু একটা শংশ্লিষ্টতার কথা উল্লেখ করেছেন । সেটা কিছুটা ধোয়াশাই থেকে গেলো । এ বিষয়ে ম্যালথাসের যে থিওরী সেটিও আজকাল কমই গ্রাহ্য ।

      Reply

    আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে নিচের মন্তব্য-ফর্ম ব্যবহার করুন:

    =নিয়মাবলি=
    * ভাষা: মন্তব্যের ভাষা হওয়া উচিত (মূলত) বাংলা — অবশ্যই বাংলা হরফে। আর ভাষারীতি লেখ্যভাষা হিসেবে প্রচলিত প্রমিত বাংলা হওয়াই শ্রেয়।
    ** মডারেশন: মন্তব্যের ক্ষেত্রে এখানে প্রাক-অনুমোদন মডারেশনের চর্চা নেই। তবে যে-সব কারণ উপস্থিত থাকলে প্রকাশিত মন্তব্য বিনা নোটিশে (এবং কোনো ধরণের কারণ-দর্শানো ছাড়াই) পুরোপুরি মুছে দেয়ার বা আংশিক সম্পাদনা করার অধিকার "মুক্তাঙ্গন" সংরক্ষণ করে, সেগুলো হলো: (ক) সাধু এবং চলিত রীতির সংমিশ্রণ; (খ) ত্রুটিপূর্ণ বানানের আধিক্য; (গ) ভাষার দুর্বল, আঞ্চলিক, অগ্রহণযোগ্য বা ছাপার অযোগ্য প্রয়োগ; (ঘ) ব্যক্তিগত আক্রমণ প্রবণতা, ছিদ্রান্বেষণ ও কলহপ্রিয়তা; (ঙ) অপ্রাসঙ্গিকতা ও বক্তব্যহীনতা। এ ব্যাপারে মডারেশন টিমের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। তাই, চূড়ান্তভাবে পেশ করার আগে "প্রাকবীক্ষণ"-এর মাধ্যমে নিজ-মন্তব্যের প্রকাশিতব্য রূপ যাচাই করে নিন।
    *** নিবন্ধিত লেখকদের প্রতি: লেখকের নিজস্ব পাতার প্রকাশিত কাজের তালিকায় আপনার পেশ করা মন্তব্যের তালিকাভুক্তি নিশ্চিত করতে লগ-ইন করা অবস্থায় মন্তব্য করুন।
    >>প্রত্যুত্তরটি না পাঠাতে মনস্থির করলে "এখানে" ক্লিক করুন<<


    অভ্র প্রভাত ফোনেটিক ইউনিজয় ইংরেজী
    ------------(মাউস ক্লিক করে বাংলা লিখুন)------------
    ক খ গ ঘ ঙ চ ছ জ ঝ ঞ ট ঠ ড ঢ ণ
    ত থ দ ধ ন প ফ ব ভ ম য র ল শ ষ
    স হ ক্ষ ড় ঢ় য় ৎ ং ঃ ঁ । ॥ ৳ র-ফলা‌‌‌
    অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ     য-ফলা
      া ি ী ু ূ ৃ ে ৈ ো ৌ     রেফ
      ০ ১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬ ৭ ৮ ৯     ZWNJ
    স্পেসবার নতুন লাইন যুক্ত করুন/হসন্ত ZWJ


    বাংলায় মতামত লিখতে নিচের যে কোন একটি পদ্ধতি বেছে নিন:
    (ক) সংযুক্ত চারটি বাংলা কী‌বোর্ডের (ইউনিজয়, ফোনেটিক, প্রভাত) যে কোন একটি বেছে নিয়ে; অথবা, (খ) গুগল বাংলা ট্রান্সলিটারেশন টুল ব্যবহার করেও সহজে বাংলা লেখা সম্ভব। বাংলা অক্ষর চালু/বন্ধ করতে ctrl+g চাপুন। শব্দটি ইংরেজী হরফে লিখে ফেলে স্পেসবার চাপুন, তাহলেই সেটি বাংলায় রূপান্তরিত হবে (একই শব্দের একাধিক বানান-বিকল্প শব্দটির উপরে মাউস রেখে ক্লিক করে দেখে নেয়া যায়); অথবা, (গ) মাউস ক্লিক করে বাংলা লিখুন; অথবা, (ঘ) আপনার কম্পিউটারে অভ্র কীবোর্ড স্থায়ীভাবে ইনস্টল করে নিয়ে। কীবোর্ডগুলোর ব্যবহার বা লে‌-আউট জানা না থাকলে "বাংলা বর্ণমালা বিভ্রাট" লিংক অথবা "বাংলা কীবোর্ড লে-আউট" লিংক থেকে বিস্তারিত জেনে নিন। এরপরও সমস্যার সম্মূখীন হলে ব্লগ এডমিন এর কাছে সাহায্যের জন্য লিখুন।

    কপিরাইট © ২০০৮ নির্মাণ | ওয়ার্ডপ্রেস নির্ভর "মুক্তাঙ্গন" এর থীম রিফিউলড.নেট এর সৌজন্যে