সুপারিশকৃত লিন্ক: জানুয়ারি ২০১১
মুক্তাঙ্গন-এ উপরোক্ত শিরোনামের নিয়মিত এই সিরিজটিতে থাকছে দেশী বিদেশী পত্রপত্রিকা, ব্লগ ও গবেষণাপত্র থেকে পাঠক সুপারিশকৃত ওয়েবলিন্কের তালিকা। কী ধরণের বিষয়বস্তুর উপর লিন্ক সুপারিশ করা যাবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম, মানদণ্ড বা সময়কাল নেই। পুরো ইন্টারনেট থেকে যা কিছু গুরত্বপূর্ণ, জরুরি, মজার বা আগ্রহোদ্দীপক মনে করবেন পাঠকরা, তা-ই তাঁরা মন্তব্য আকারে উল্লেখ করতে পারেন এখানে।
ধন্যবাদ।
পোস্ট কিংবা মন্তব্যে প্রকাশিত মতামত কোন অবস্থাতেই মুক্তাঙ্গন কর্তৃপক্ষের মতামতের প্রতিফলন নয়। বক্তব্যের দায়ভার লেখক এবং মন্তব্যকারীর নিজের। শুধুমাত্র "মুক্তাঙ্গন" নামের আওতায় প্রকাশিত বক্তব্যই ব্লগের যৌথ অবস্থানকে নির্দেশ করে।














[মন্তব্য-লিন্ক]
ছবিগুলো দেখুন এখানে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
গতকাল (৩ জানুয়ারি) সন্ধের দিকে কলকাতা থেকে দূরভাষে বজ্রাঘাত — আর কোনোদিনই গাইবেন না সুচিত্রা মিত্র! দুপুরে জীবনাবসান হয়েছে এই কিংবদন্তি শিল্পীর, ৮৬ বছর বয়সে।
রাজা সেনের তথ্যচিত্রে দেখা উচ্ছল-উদ্দাম-প্রখর ব্যক্তিত্বময়ী সুচিত্রাকে মনে পড়ছে, ‘দহন’ ছবিতে তাঁর অসাধারণ অভিনয় মনে পড়ছে, আর কানে বাজছে একটার পর একটা গান — ওই আশ্চর্য গলায় গাওয়া!
এখানে কয়েকটা গানের টুকরো শোনা যাবে।
আর এখানে আছে কালের কণ্ঠ পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ।
[মন্তব্য-লিন্ক]
দ্বিজেন মুখোপাধ্যায় লিখছেন, আমার দীর্ঘ দিনের শিল্পী-বন্ধু সুচিত্রা আর নেই, এই খবরটা আমি দুপুরে পেয়েই স্তম্ভিত হয়ে যাই। বিস্তারিত পড়ুন : ছিলেন বড় মাপের মানুষও।
[মন্তব্য-লিন্ক]
বেবী মওদুদের লেখা : ‘রবীন্দ্র সঙ্গীত কন্যা সুচিত্রা মিত্র চলে গেলেন’।
[মন্তব্য-লিন্ক]
ধর্মের অবমাননার বিরুদ্ধে কঠোর রাষ্ট্রীয় আইন পাকিস্তান রাষ্ট্রের উগ্র ধর্মানুরাগের সিলমোহর। সেই আইনের বিরুদ্ধে কথা বলা পাকিস্তানের প্রভাবশালী রাজনীতিবিদ ও পাঞ্জাবের গভর্নর সালমান তাসির পাকিস্তান পিপলস পার্টির হাইপ্রোফাইল নেতা হলেও একজন উগ্র দেহরক্ষীর গুলিতে প্রাণ হারাতে পারেন। সেই দেহরক্ষী আবার পাকিস্তানের এলিট ফোর্সের সদস্য এবং একজন দেহরক্ষী যখন গভর্নর তাসিরকে গুলি করবেন তখন ফোর্সের অন্য সদস্যরা সেই দৃশ্য নির্বিকার নির্বিরোধী হিসেবে দেখবেন।
ঘটনার বিবরণ পড়ুন এখানে : Blasphemy law claims another life।
এখানে পড়ুন সালমান তাসির প্রতিষ্ঠিত পত্রিকা ‘ডেইলি টাইমস’এর সম্পাদকীয়, যেসম্পাদকীয়তে সংক্ষেপে সালমান তাসিরের জীবন ও কর্ম নিয়েও একটা ভাল ধারণা পাওয়া যাবে : EDITORIAL: A foul murder।
[মন্তব্য-লিন্ক]
তার দল পিপিপিও তার সাথে ছিল না, পাকিস্তানে উদারনীতির লোক সে যত ক্ষমতাশালীই হোক খুবই বিপদজনক জীবনযাপন করেন এবং রাজনৈতিক লোকেরা সময়মত তাদের পাশ থেকে সরে পড়েন। এবিষয়ে অবশ্য আমরা বা ভারতও এগিয়ে আছে তা নয়। উদারনীতি অর্থনীতিতে যত ফলপ্রসূ এই উপমহাদেশে ধর্মীয় ও সামাজিক ক্ষেত্রে মোটেই তা নয়।
সালমান তাসির ছিলেন পাকিস্তানের সবচেয়ে জনপ্রিয় টুইটারদের একজন।
এখানে পড়ুন : A divided Pakistan buries Salmaan Taseer and a liberal dream।
[মন্তব্য-লিন্ক]
পাকিস্তানে ক্রমশ দানবত্বই সার্বজনীন হয়ে উঠছে।
কয়েকটি বানান অসহ্যরকম ভুল হওয়ায় ঠিক করে দিতে বাধ্য হয়েছি। এজন্যে ইত্তেফাক অনলাইনের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী। মূল সংবাদটি দেখা যাবে এখান থেকে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
করারোপ সম্পর্কে কী ভাবছেন সাধারণ মার্কিনীরা?
বিস্তারিত জানা যাবে এখান থেকে।
মার্কিন-অর্থনীতির চালচিত্রও পাওয়া যাচ্ছে আর-একটি নিবন্ধে :
বিস্তারিত পড়ার জন্যে দেখুন এই লিংক-এ।
[মন্তব্য-লিন্ক]
ইয়ারলুং সাংপো — সিয়াং — ব্রহ্মপুত্র, এই যে নদী তিব্বত অরুণাচল মেঘালয় হয়ে বাংলাদেশে, এই নদীতে চীন ও ভারতের উচ্চাকাঙ্ক্ষী বাঁধ, জলের গতিমুখ পরিবর্তন এবং বিদ্যুৎ ও সেচ প্রকল্পের পরিকল্পনা এই নদীটির প্রাণ সংহার করবে। ভারতের উত্তর-পূর্বের জনসাধারণের প্রতিবাদের মুখে ভারত ও চীন দুপক্ষই এখনো বড় রকমের কিছু করতে পারেনি। কিন্তু ভারত ও চীন যদি নিজেদের স্বার্থসিদ্ধির জন্য একটা আপসরফায় গিয়ে এইসব পরিকল্পনার কিছু কিছু বাস্তবায়ন শুরু করে দেয় তাহলে আমাদের ব্রহ্মপুত্রকে এখন যাও পাওয়া যাচ্ছে অদূর ভবিষ্যতে এই নদী সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে যাবে।
একটি নদী একটি জীবনধারা, সেই ধারায় কিছু করতে গেলে সবার আগে সেই নদীর ভূ-প্রাকৃতিক জীবনচক্র ও সেই নদীর সাথে জড়িত মানুষদের জীবনের কথা ভাবতে হবে। এটাই ‘প্রথম ব্যবহারকারীদের অধিকার’, সেচ ও বিদ্যুৎ নিয়ে আমাদের বিকল্প ভাবতে হবে। নদীর আরো অনেক গুরুত্বপূর্ণ কাজ পড়ে আছে, পরিবেশের জন্য নদীর প্রাথমিক ব্যবহার নিশ্চিত করে যদি সেচ ও বিদ্যুৎ উৎপাদন করা যায় তাহলেই তাকে পরিকল্পনা বলা যাবে। তেমন কিছু না ঘটলে একে নাশকতা বলা ছাড়া আমাদের আর উপায় থাকবে না।
পড়ুন এখানে : Mine-ing the Brahmaputra waters। নদীর জলকে খনির মালের মতো ব্যবহার নিষিদ্ধ করতে হবে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
বাংলাদেশে ডাকঘরের সংখ্যা : ৯৮৮৬। এর মধ্যে জিপিও : ৪, এ গ্রেড ডাকঘর : ২১ বি গ্রেড ডাকঘর : ৪৬, উপজেলা ডাকঘর : ৪০০, সাব-ডাকঘর : ৯৪৩, অবিভাগীয় সাব-ডাকঘর : ৩২৩, ব্রাঞ্চ ডাকঘর : ১০, অবিভাগীয় ব্রাঞ্চ ডাকঘর : ৮১৩৯।
বাংলাদেশের ডাকঘরগুলোতে চিঠির সংখ্যা আশঙ্কাজনকহারে কমছে। মোট চিঠির সংখ্যা ২০০৫ : ২৩,১৯,২৩,৭৯৬; ২০০৬ : ১৪,৪৯,৮৯,৫২০; ২০০৭ : ১২,৩১,৪৫,৬২০; ২০০৮ : ৯,০৫,৩৯,৬৯৬; ২০০৯ : ৭,০৭,০১,৮০০; ২০১০ : ৭,১০,৮৪,১০৪। পাঁচ বছরে চিঠির সংখ্যা তিন ভাগের এক ভাগের চেয়েও কমে গেছে। অবশ্য ২০০৯ থেকে ২০১০এ চিঠির সংখ্যা খুবই সামান্য বেড়েছে। আমি খুব সচেতনভাবে আমার চিঠি লেখার সংখ্যা উত্তরোত্তর বাড়াতে চেষ্টা করেও গত ৪/৫ বছরে তেমন কিছু করতে পারিনি। বরং কমেছে আর কমেছে। ২০১১তে আমি চিঠি লেখা বাড়াব এবং ২০১১তে চিঠি লেখাকে কোনোভাবেই কমতে দেব না।
আজকের সমকালের ‘কিছু বলতে চাই’ পাতায় ডাকঘর নিয়ে আয়োজনটি ভাল লেগেছে। আমার দেয়া উপরের তথ্যগুলো সব ওই পাতা থেকেই দেয়া। বিস্তারিত পড়ুন এখানে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
ইতালির এক শিল্প ইতিহাসবিদ তার গবেষণার মধ্য দিয়ে দাবি করছেন যে তিনি মোনালিসা রহস্যের সমাধান করেছেন : মোনালিসার পেছনের ওই বিখ্যাত ভূমিচিত্রের সেতু ও সর্পিল রাস্তার বাস্তব ভিত্তি তিনি খুঁজে পেয়েছেন — জায়গাটার নাম ‘ববিও’, নদীটির নাম ‘ট্রেবিয়া’, মোনালিসার নাম ‘বিয়ান্কা জিওভান্না স্ফরৎজা’।
বিস্তারিত পড়ুন এখানে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
তিউনিসিয়ার প্রেসিডেন্ট স্বৈরশাসক বেন আলি দেশ ছেড়ে পালিয়েছে। বিস্তারিত পড়ুন : What’s Happening in Tunisia Explained।
[মন্তব্য-লিন্ক]
বিশ্বজুড়ে মুসলিম একনায়ক ও দুঃশাসকদের নিরাপদ আশ্রয়দাতা সৌদি বাদশাহতন্ত্র এক্ষেত্রেও বেন আলি ও তার পরিবারকে স্বাগত জানিয়েছে ও সৌদি আরবে তার অবস্থানের খবর নিশ্চিত করেছে।
আর সৌদি ইংরেজি দৈনিক Arab Newsএর আজকের সম্পাদকীয় বলছে
সম্পাদকীয়র লিন্ক এখানে।
হ্যাঁ, অর্থনৈতিক সমস্যা তিউনিসিয়া এবং সমগ্র আরব বিশ্বে প্রবল। কিন্তু শুধুই অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য লোকে সেখানে দেশ ছাড়ছে, এটা আংশিক সত্য শুধু। দেশ ছাড়তে যারা পারে তারা কোনো মতেই দেশের অতি সাধারণ জনগণ নয়, তারাও দেশের উচ্চবিত্ত বা মধ্যবিত্তই। ওরা দেশ শুধু অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির জন্য ছাড়ে না, স্বাধীন জীবনযাপনের জন্যও ছাড়ে। যেমানুষটি দেশ ছেড়ে ইউরোপ বা উত্তর আমেরিকায় যাচ্ছে সেঅবশ্যই পশ্চিমা জীবনযাপন করতে সেখানে যাচ্ছে না — কিন্তু স্বাধীন জীবনের আশা নিয়ে যাচ্ছে — আমাদের মুসলিম দেশগুলো স্বাধীন জীবনের কথা শুনলেই খালি পশ্চিমা জীবনের কথা ভাবেন। সৌদি আরব শুধু আরব বিশ্বের নয় সমগ্র মুসলিম বিশ্বের কাঁধে পশ্চিমা জীবন ও স্বাধীন জীবনের মধ্যে এক ভৌতিক আতঙ্ক তৈরি করে এক বিশাল জনগোষ্ঠীকে পশ্চাদধাবনে বাধ্য করতে চাইছে। এই সৌদি আরব গণতন্ত্রের চরম শত্রু হিসেবে কাজ করছে, তার লক্ষ্য শুধু একটাই তার বাদশাহিতন্ত্র টিকিয়ে রাখা।
[মন্তব্য-লিন্ক]
বেন আলিকে সৌদি বাদশাহের রাজনৈতিক আশ্রয় দেয়ার বিষয়ে একেবারে সাদামাটা প্রত্যাশিত সম্পাদকীয় Arab News-এর। বিস্তারিত পড়ুন এখানে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
এখানে দেখুন তিউনিসিয়ার গণঅভ্যুত্থানের ছবি।
[মন্তব্য-লিন্ক]
তিউনিসিয়ার পর : পড়ুন আরব লেখকদের প্রতিক্রিয়া, এখানে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
গত জুন ২০১০ থেকে এ পর্যন্ত সরকার প্রধান নির্বাচনের ১৬টি রাউন্ডের পরও নেপাল পার্লামেন্ট আজো কোনো সিদ্ধান্তে আসতে পারেনি। সেখানে চলছে পদত্যাগী প্রধানমন্ত্রী মাধবকুমার নেপালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার। এর মধ্যেই আজ ১৫ জানুয়ারি ২০১০ চলে যাবে নেপালে মাওবাদী ও নেপাল আর্মির মধ্যে শান্তি প্রক্রিয়ার জাতিসংঘ শান্তি মিশন ( UNMIN), ২০০৭এ যেমিশনের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল এক বছরের মেন্ডেট নিয়ে, আজ তিন বছর পার করেও নেপাল আর্মি ও মাওবাদী পিপলস্ আর্মির সমস্যার কোনো সমাধান শান্তি মিশন করতে পারেনি। এর দায় অবশ্য পুরোপুরি নেপালের প্রধান তিন রাজনৈতিক দলের। আজ নেপালি মাওবাদী দল ও নেপাল সরকারের মধ্যে তিন দফা চুক্তির প্রেক্ষিতে বিদায় নেবে শান্তি মিশন।
খবরের লিন্ক এখানে।
আরো পড়ুন : Nepal at crossroads as UN ends peace mission।
বিস্তারিত পড়ুন নেপাল রাজনীতির বিশিষ্ট বিশ্লেষক প্রশান্ত ঝা-এর কলাম : Nepal: beginning of the end?
[মন্তব্য-লিন্ক]
এটা কি হল? প্রকাশ্য সভায় দলীয় প্রধানের মুখে চড় কষে দেয়া? নেপালের রাজনীতির এই হাল শঙ্কিত করে আমাদের। এভাবে চড়-থাপ্পড়ের সংস্কৃতি রাজনীতিতে ঢুকে পড়লে রাজনীতির মুখেই চুনকালি পড়া আরো বাড়বে।
খবরের লিন্ক এখানে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
ভীমসেন জোশি অসুস্থ অনেক দিন ধরে এবং গত বছরের শেষ দিন তাকে আবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল যেমন বার্ধক্যজনিত অসুস্থতায় এপর্যন্ত তাকে আগেও বেশ কয়েকবার হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছিল। আজকে তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কাজনক হয়ে ওঠায় তাকে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে নিবিড় পর্যবেক্ষণে নেয়া হয়েছে। আগামী ৪ ফেব্রুয়ারি ৮৮ বছর পূর্ণ হবে যে ভারতশ্রেষ্ঠ খেয়ালিয়ার তিনি এখন আছেন জীবনমৃত্যুর সন্ধিক্ষণে।
জোশির মেয়ের মত আমরাও তার রোগমুক্তির ব্যাপারে দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করছি।
খবরের লিন্ক এখানে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
আশঙ্কামুক্ত নন তবে তার শরীর চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছে এবং আর ডায়ালিসিস লাগছে না। খবরের লিন্ক এখানে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
আজ সকালে তিনি চলেই গেলেন। খবরের লিন্ক এখানে।
এখানে শুনুন রাগ ভৈরব গাইছেন ভীমসেন জোশি।
[মন্তব্য-লিন্ক]
পন্ডিতজির একগুচ্ছ ছবি দেখুন এখানে। দেখুন শুনুনু পড়ুন — ডকুমেন্টারি, গানের ক্লিপ ও লেখায় সমৃদ্ধ আউটলুক ব্লগ : Bharat Ratna Pandit Bhimsen Joshi (1922 – 2011)। এছাড়াও আরো আরো শ্রদ্ধাঞ্জলি, গান ও ছবির জন্য আমাকে অনুসরণ করুন টুইটারে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
ভারতে ভীমসেন জোশির কোনো ভাস্কর্য হয়নি? এই ছবিগুলো থেকে ভাস্কর্য হতে পারে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
এই কলাম ১৬ জানুয়ারি ২০১১, সমকালের মুক্তমঞ্চে প্রকাশিত হয়েছিল, লিন্ক এখানে।
ভারতের যেখানেই গেছি ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর আবাসিক এলাকাগুলোতে বাড়ির দেয়ালের বাইরে দুটি রং দেখা যায় — সাদা ও নীল — ওই দুটি রং বদলে লাল ও সবুজ করে দেয়া উচিত। ভারত সরকারের কাঁটাতারের বেড়া আগলে রেখে যারা বাংলাদেশের নাগরিকদের সরাসরি গুলি করে হত্যা করছেন ও যখন তখন নির্যাতন করছেন তাদের বাড়ির লোকদের মনে করিয়ে দেয়া দরকার ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী সাদা নীল শান্তির বাহিনী নয় তারা মানুষের সবুজ প্রাণ থেকে রক্ত ঝরাতে ওত পেতে থাকে।
ফেলানির মতো নিরস্ত্র অসহায় মানুষকেই তারা গুলি করে মারছে, আজ পর্যন্ত কোনো অপরাধীকে হত্যা করেছে এমন খবর পাওয়া যায়নি — আর কাঁটাতারের বেড়ার এপার থেকে কেউ তো তাদেরকে গুলি করছে না যে তাদেরকে সাথে সাথে হত্যার উদ্দেশ্যে গুলিই করতে হবে।
আর কাঁটাতারের বেড়াটাই অবৈধ। তারপরও কাঁটাতারের বেড়াটা ভারত সরকার যখন করেই ফেলল, তখন তার প্রধান কাজ হওয়া উচিত কেউ কাঁটাতারের বেড়া টপকে ভারত সীমান্তে গেলে তাকে আবার বাংলাদেশ সীমান্তে ফিরিয়ে দেয়া, আর ফেলানির মতো কেউ কাঁটাতারের বেড়া টপকে বাংলাদেশ সীমান্তে চলে গেলে বাংলাদেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে সেটা অবহিত করা। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী হয় দায়িত্বে অবহেলা করছে এবং শেষ মুহূর্তে দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে গুলি করছে অথবা ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী জাতিবিদ্বেষ ও মানববিদ্বেষের মতো অসুস্থ মানসিকতায় আক্রান্ত। যেটাই হোক না কেন এর দায় ভারত সরকারের এবং তাকে তার সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে ঠিক করতে হবে। কোথায় থাকে তার সীমান্তরক্ষী বাহিনী যখন বাংলাদেশের সন্ত্রাসীরা সীমান্ত পেরিয়ে পশ্চিমবঙ্গে বহালতবিয়তে থাকে অথবা ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীরা ভারত সীমান্ত পার হয়ে বাংলাদেশে চলে আসে?
[মন্তব্য-লিন্ক]
খবরের লিন্ক এখানে।
আলোচনায়, কাগজে কলমে অগ্রগতি আমাদেরকে আশান্বিত করে, কিন্তু বাস্তবে কী হয় সেটাই অগ্রগতি হিসেবে বিবেচিত হয়। সামনের দিনগুলোতে এবিষয়ে আমাদের পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আরো জোর তৎপরতা আশা করছি।
[মন্তব্য-লিন্ক]
আবারো জীবনাবসানেরই খবর : বিদায় নিলেন অভিনেতা গীতা দে ও গায়ক পিন্টু ভট্টাচার্যের জীবনাবসান।
[মন্তব্য-লিন্ক]
খবরের লিন্ক এখানে।
শেখ হাসিনার উচিত জাতীয় পার্টিকে জোট থেকে বিদায় জানানো এবং এই হত্যাকাণ্ডের বিচারের কাজ আবার শুরু করা। এরশাদের সাথে মহাজোট কেন আওয়ামী লীগ করেছিল সেটা আওয়ামী লীগই জানে, কিন্তু এখনো তাকে বয়ে বেড়ানো কেন? এরশাদকে ত্যাগ করার সময় সমুপস্থিত এবং ২৪ জানুয়ারির হত্যাকাণ্ডের বিচার শুরুর মধ্য দিয়ে এখনই এই ঘোষণা আসা উচিত।
[মন্তব্য-লিন্ক]
এখানে পড়ুন : গণঅভ্যুত্থানের ৪২তম বার্ষিকী।
সেই উত্তাল দিনগুলোর কথা যখন পড়ি, যা আমাদের জন্মের আগে ঘটে গেছে, অনেক সময় নিজেদের ঠিক চিনতে পারি না। কী সেই দিন, কী সেই ছাত্র জনতার আন্দোলন : এটা ঠিক এমন দিন তো দুর্লভ, জনতার এমন আবেগ ও আন্দোলনের এমন জোর তো সব সময়ের নয় — কিন্তু ইতিহাসে এমন দিনকেই বলে চিরদিনের দিন। আমরা এই গণঅভ্যুত্থানকে স্মরণ করি এবং আমাদের ভেতরের ‘জনগণমন’কে জাগ্রত রাখার চেষ্টা করি।
[মন্তব্য-লিন্ক]
৩৫তম কলকাতা আন্তর্জাতিক বইমেলার উদ্ধোধন হয়ে গেছে গতকাল। আজ থেকে মেলা শুরু হবে ও চলবে ফেব্রুয়ারির ৬ তারিখ পর্যন্ত। এবারে বইমেলা কোথায় হবে এনিয়ে কোনো দ্বিধা না থাকলেও বইমেলার গত বছর থেকে হওয়া নতুন স্থান ‘মিলন মেলা’র ভাড়া ছাড়ের কোন্দলকেই প্রধান আলোচনায় এনেছে আনন্দবাজার পরিবার। এবারের মেলার থিম কান্ট্রি আমেরিকা যুক্তরাষ্ট্র এবং এই প্রথম বইমেলার জন্য হল ‘থিম সং’ : ওই ডাকছে বই।
[মন্তব্য-লিন্ক]
মাতিস ছাপচিত্রে অসাধারণ সাদাকালো দক্ষতা দেখিয়েছেন। এখানে দেখুন তার কিছু নিদর্শন, আর উপভোগ করুন মাতিসের প্রতিভার সাদাকালো বিচ্ছুরণ।
[মন্তব্য-লিন্ক]
যমুনার ভাঙ্গনে একসময় বিলীন হয়ে গিয়েছিল ধুনটের ‘বৈশাখী’ গ্রাম, পরে জেগে ওঠা চরে বৈশাখীর মানুষেরা ফিরে আসে, গ্রামের নাম হয় তখন ‘বৈশাখীর চর’, শুধু মানুষ ফিরলেই চলবে? ফিরে এসেছে সেই বিলীন গ্রামের বৈশাখী স্কুলও, চেষ্টা করছে পুরনো গৌরব ফিরে পেতে, এর মধ্যে গ্রামের ১০ শিক্ষানুরাগীর কাছ থেকে পেয়েছে তিন একর জমি, সমকালের শনিবারের বিশেষ রিপোর্টটি তুলে দিলাম এখানে
লিন্ক এখানে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
ভাষার অপরিসীম শক্তিতে আমার অশেষ আস্থা। সেটাই দেখছি যখন তিউনিসিয়ার গণঅভ্যূত্থানের পরপরই আজ কার্ফু ভঙ্গ করে মিশরে কায়রোর মানুষ এখন মোবারকের পদত্যাগ দাবি করে টিভি ভবন ও স্বরাস্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রধান কার্যালয় ঘিরে রেখেছে। লাইভ আপডেট দেখুন এখানে। আর টুইটারে অনুসরণ করুন সুলতান আল কাসেমির আপডেট।
[মন্তব্য-লিন্ক]
পড়ুন : Live From the Egyptian Revolution by Sharif Abdel Kouddous।
[মন্তব্য-লিন্ক]
২৫ তারিখে শুরু হওয়া মিশরের সরকার বিরোধী বিক্ষোভের সবচেয়ে উত্তাল দিন ছিল শুক্রবার ২৮ জানুয়ারি, আর গতকাল শনিবার ছিল মানুষের আরো সাহসী হয়ে ওঠার দিন, এদিন মানুষ ‘মোবারক’এর পদত্যাগের চূড়ান্ত লক্ষ্যে কার্ফু ভঙ্গ করে রাস্তায় অবস্থান নেয়। কিন্তু একজন ভাইস প্রেসিডেন্ট (মিশরের গোয়েন্দা প্রধান) ও প্রধানমন্ত্রীর (বিমানবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত অফিসার ও প্রাক্তন বিমান চলাচল মন্ত্রী) নাম ঘোষণা করে সময় কিনতে চাইছেন মোবারক। শেষ পর্যন্ত কী হয় এখনো বলা যাচ্ছে না, এর মধ্যে গতরাতে লুটও হয়েছে অনেক ঘরবাড়ি, ব্যাংক ও ন্যাশনাল মিউজিয়াম — যদিও সাধারণ মানুষ প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে নিজেদের মতো ও সেনাবাহিনীও অবস্থান নিয়েছে শান্তি রক্ষায় কিন্তু কুখ্যাত মিশরি পুলিশের দেখা নেই কোথাও — অনেকের ধারনা পুলিশের অনুপস্থিতে লুটের সুযোগ করে দিয়ে বিক্ষোভের আত্মশক্তি ধ্বংস করতে চাইছে ‘মোবারক’। আর মানুষ বিক্ষুদ্ধ ঠিকই কিন্তু একই সাথে তারা দিক নির্দেশনাহীন, এখনই কেউ তাই বলতে পারে না ভবিষ্যতে কী হবে তিউনিসিয়ার, মিশরের ও অন্যান্য স্বৈরাচারী শাসিত আরব দেশগুলোর।
ছবিতে দেখুন শনিবারের বিক্ষোভের হালচাল। আর এখানে দেখুন উত্তাল শুক্রবারের বিক্ষোভের ছবি।
[মন্তব্য-লিন্ক]
এখানে দেখুন শুক্রবারের উত্তাল বিক্ষোভের ভিডিও।
[মন্তব্য-লিন্ক]
তুরস্ক, আমার মনে হয়, এমন একটা দেশ যেদেশের দিকে আমাদের দৃষ্টি আরো প্রসারিত করা উচিত। এই যে আরব দুনিয়ার বিপ্লব,এর ভবিষ্যত ঠিক কী হবে এখনো বলা না গেলেও এই দুনিয়ার ভেতরে ‘ইসরাইল’ নামক যেদেশটি আছে এবং তার সাথে আরব দুনিয়ার অন্যদের যে সংঘাত — সেসংঘাতের প্রক্রিয়ার ভেতর মিশর যেস্থান দখল করেছিল, তার দখল চলে যেতে পারে তুরস্কের কাছে। পড়ুন : Turkish role in Arab unrest put under microscope।
আর আর একটি লেখা — মিশরিরা জানতে চাইছে, তুরস্ক চুপ কেন — লিখেছেন আমর সালাকনি, তুর্কি দৈনিক র্যাডিক্যাল-এ, যান্ত্রিক ইংরেজি অনুবাদে পড়তে অসুবিধা হবে, কিন্তু আরব বিশ্বের ভূরাজনীতি ও বাস্তব রাজনীতি বুঝতে লেখাটি কিছুটা হলেও সাহায্য করবে বলে আমার বিশ্বাস।
লেখাটির মূল তার্কি লিন্ক এখানে।