সুপারিশকৃত লিন্ক: মে ২০১০
মুক্তাঙ্গন-এ উপরোক্ত শিরোনামের নিয়মিত এই সিরিজটিতে থাকছে দেশী বিদেশী পত্রপত্রিকা, ব্লগ ও গবেষণাপত্র থেকে পাঠক সুপারিশকৃত ওয়েবলিংকের তালিকা। কী ধরণের বিষয়বস্তুর উপর লিংক সুপারিশ করা যাবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম, মানদণ্ড বা সময়কাল নেই। পুরো ইন্টারনেট থেকে যা কিছু গুরত্বপূর্ণ, জরুরি, মজার বা আগ্রহোদ্দীপক মনে করবেন পাঠকরা, তা-ই তাঁরা মন্তব্য আকারে উল্লেখ করতে পারেন এখানে।
ধন্যবাদ।
পোস্ট কিংবা মন্তব্যে প্রকাশিত মতামত কোন অবস্থাতেই মুক্তাঙ্গন কর্তৃপক্ষের মতামতের প্রতিফলন নয়। বক্তব্যের দায়ভার লেখক এবং মন্তব্যকারীর নিজের। শুধুমাত্র "মুক্তাঙ্গন" নামের আওতায় প্রকাশিত বক্তব্যই ব্লগের যৌথ অবস্থানকে নির্দেশ করে।
















[মন্তব্য-লিন্ক]
আজ পহেলা মে, বিশ্ব শ্রমিক দিবস। ব্রিটিশ পত্রিকা ‘মর্নিং স্টার’-এ রব গ্রিফিথস এর ফিচার, Capitalism — We cannot afford it, ফিচারের তিনি সংক্ষেপে আলোচনা করেছেন বর্তমান পৃথিবীতে বিভিন্ন দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও মে দিবসের অবস্থান।
পুরো ফিচার পড়ুন এখানে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
‘মেঘে ঢাকা তারা’-র পঞ্চাশ বছর।
বিস্তারিত পড়ুন।
[মন্তব্য-লিন্ক]
কমিউনিস্ট পার্টি অফ নেপাল(মাওবাদী)-এর ডাকা সাধারণ ধর্মঘটে সারা নেপাল অচল হয়ে গেছে। নেপালের সংবিধান প্রণয়নের কাজ অনেক দিন ধরে বাধাগ্রস্ত। প্রথমে প্রচন্ডের পদত্যাগ পরে কৈরালা মৃত্যু, সব মিলে সিদ্ধান্তহীনতা নেপালের মানুষের ভবিষ্যতকে বিরাট প্রশ্নের সম্মুখীন করে রেখেছে। ২৮ মে ২০১০, সংবিধান পাসের শেষ সময়, কিন্তু এর মধ্যে আর সংবিধান সংসদে পাস হওয়ার কোনো লক্ষণ নেই। এখানে পড়ুন সংবিধান কমিটির চেয়ারম্যান নীলাম্বর আচার্য্যের সাক্ষাৎকার। মাধব কুমার নেপালের পদত্যাগের দাবী জোরালো হলেও, তিনি এই ক্রান্তিলগ্নে তিনি পদত্যাগ করতে নারাজ। অন্যদিকে মাওবাদী ভাইস চেয়ারম্যান বাবুরাম ভট্টরাই বলছেন, পুতুল সরকার (মাধব কুমার নেপালের সরকার) পদত্যাগ করতে বাধ্য। এ সপ্তাহের মধ্যে কোনো সমাধান হয়তো আসবে। আমাদের আশা নেপাল যেন রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা পায়। এবং এর দায় চীন-ভারত দুই বৃহৎ প্রতিবেশীর ওপরই বর্তায়। নেপালের অশান্তি উপমহাদেশের জন্য মোটেই ভাল হবে না।
[মন্তব্য-লিন্ক]
গোলাম সারওয়ার, নিঃসন্দেহে ইত্তেফাক নিয়ে — ইত্তেফাকের ভেতরকার বিষয়আশয় নিয়ে সবচেয়ে বেশি জানেন, পড়ুন সমকালে তার লেখা ‘ ইত্তেফাক মঞ্জুর : মইনুলের ১০ কোটি টাকা ও ভবন’।
[মন্তব্য-লিন্ক]
আগামীকাল ইংল্যান্ডের সাধারণ নির্বাচন। এই নির্বাচন নিয়ে বৃটিশ অবৃটিশ কিছু পত্রিকার কিছু লেখা :
ভারতীয় পত্রিকা ‘দি হিন্দু’তে লিখছেন হাসান সুরুর : U.K. poll headed for the unknown।
ব্রিটিশ পত্রিকা ‘মর্নিং স্টার’এ লিখছেন রিচার্ড বাগলে : What would a Tory Britain look like?।
ব্রিটিশ পত্রিকা ‘গার্ডিয়ান’এ লিখছেন মাইকেল হোয়াইট : A history of hung parliaments।
ব্রিটিশ পত্রিকা ‘দি ইনডিপেন্ডেন্ট’এর লিড : This historic opportunity must not be missed।
[মন্তব্য-লিন্ক]
বিস্তারিত পড়ুন।
[মন্তব্য-লিন্ক]
কয়েক দিন আগে পটিয়ার বড়উঠানে উদ্দেশ্যহীনভাবে হাঁটছিলাম। এখানেই কোরিয়ান ইপিজেড নামে ইয়ংওয়ানের প্রায় ৫০০ একর জমি ইন্ডাস্ট্রিয়াল পার্কের জন্য নেয়া আছে। কিন্তু ১৪/১৫ বছর ধরে শুনলেও এখনো বাস্তবে এর কিছুই আমরা দেখতে পাইনি। কেন কিছু হচ্ছে না তাও আমরা জানি না। আর এক্সপোর্ট প্রসেসিং জোন এখন আর ততো কাজের কিছুও নয়। ভাবছিলাম এরকম জায়গায় সরকারি, বেসরকারি বা হালের সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিতে ‘সৌরবিদ্যুৎ’ প্রকল্পও তো হতে পারে। এমন একটি প্রকল্পের কথা শুনেছিলাম কয়েক বছর আগে কলকাতায়, পুরুলিয়ায় সৌরশক্তির পার্ক হবে, যদিও এর সম্বন্ধে এখনো বিস্তারিত জানা সম্ভব হয়নি, কিন্তু আজকে গণশক্তিতে এ ব্যাপারে একটা খবর পেলাম। পশ্চিমবাংলায় সৌরশক্তিকে ঘিরে অনেক কাজ হচ্ছে, একই ভাষার কারণে আমরা কিন্তু খুব সহজেই এখানে প্রযুক্তির আদানপ্রদান করে দক্ষিণ-পূর্ব উপমহাদেশে বেশ শক্তিশালী সৌরশক্তি বলয় গড়ে তুলতে পারি।
[মন্তব্য-লিন্ক]
নরওয়ের সর্বাধুনিক কারাগার নিয়ে একটি লিঙ্ক
[মন্তব্য-লিন্ক]
রেকর্ড মুছে ফেলার জন্যই হয়তো, আমরা সত্যিই এসব শুনতে শুনতে অভ্যস্ত
পড়ুন এখানে Truth lost? Most military records of Bangladesh war missing।
[মন্তব্য-লিন্ক]
রেকর্ড মুছে ফেলার ওই খবরের আপডেট আজকের টাইমস অফ ইন্ডিয়ায়, ভারতের প্রধান তথ্য কমিশনার বলছেন ১৯৭১-এর ফাইল ধ্বংস করা অপরাধমূলক কাজ।
লিন্ক এখানে : Destruction of 1971 files criminal act, says CIC।
ওই খবরে এক অবসরপ্রাপ্ত সামরিক কর্মকর্তার বক্তব্য
লিন্ক এখানে : ‘Files would have revealed Army’s role’।
[মন্তব্য-লিন্ক]
আরো আপডেট টাইমস অফ ইন্ডিয়ায়। এবার দেখা গেল ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সাবমেরিন পিএনএস গাজি ডুবিয়ে দেয়ার ভারতীয় নৌবাহিনীর কীর্তির রেকর্ডও মুছে ফেলা হয়েছে।
লিন্ক এখানে : Now, no record of sinking Pakistani submarine in 1971।
[মন্তব্য-লিন্ক]
এখবর নিয়ে হারুন হাবীব আজকের সমকালে লিখছেন
পুরো লেখাটি পড়ুন এখানে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
এবিষয়ে ‘দি এশিয়ান এজ’-এ শ্রীনাথ রাঘবন লিখছেন
বিস্তারিত পড়ুন এখানে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
টিপু সুলতান ও মতিউর রহমান বাংলাদেশের সংবাদ জগতের এক অসম জুটি এবং এক বিশেষ ক্ষমতাচক্রের ঘনিষ্ঠ সহচর। কিন্তু সেটা কি এতদূর পর্যন্ত? যা আজ শিরোনাম হয়েছে ‘কালের কণ্ঠে’ বিএনপি নেতা পিন্টুর জবানবন্দি থেকে। পড়ুন:
[মন্তব্য-লিন্ক]
এই ব্যাপারে প্রথম আলোর জবাব
[মন্তব্য-লিন্ক]
আজ কালের কণ্ঠে পাওয়া গেল প্রথম আলোর প্রতিবাদের প্রেক্ষিতে কালের কণ্ঠের বক্তব্য।
বক্তব্য প্রতিবক্তব্য চলুক। কিন্তু ২০০১-২০০৮ ‘প্রথম আলো’র ভূমিকা বিশেষ করে মতিউর রহমানের ভূমিকা এবং বাংলাদেশের জঙ্গি তৎপরতায় মতিউর রহমান-টিপু সুলতান জুটির কার্যকলাপ নিয়ে আরো অনুসন্ধান চালানো দরকার। যখন জনকণ্ঠ ভোরের কাগজ সংবাদে প্রতিনিয়ত বাংলা ভাইদের ও বাংলাদেশ জুড়ে আরো আরো জঙ্গি তৎপরতার খবর আসছিল এবং একুশে আগস্ট ও দশ ট্রাক অস্ত্রের বিভিন্ন খবর আমরা ওই তিন পত্রিকায় পাচ্ছিলাম তখন প্রথম আলো ছিল ‘মডারেট মুসলিম’ নামক আমেরিকান প্রচার যন্ত্রের তকমাধারী পত্রিকা হয়ে ওঠার লক্ষ্যে সদাব্যস্ত। ২০০৭-২০০৮-এ আমরা দেখতে পেলাম টিপু সুলতান একে একে ২০০১-২০০৬-এর জঙ্গি সপৃক্ত নানা প্রতিবেদন লিখতে শুরু করলেন এবং বাংলাদেশের সেরা জঙ্গি প্রতিবেদক হয়ে উঠলেন, হাস্যকর এক সাংবাদিক এই টিপু সুলতান! স্মৃতি ভুল না করলে এই তো সেই ২০০১-এর নির্বাচন পূর্ববর্তী ফেনীর হাজারীকাণ্ডের টিপু সুলতান, সেই থেকে টিপু সুলতান মতিউরস্নেহধন্য। আর যারা সত্যিই বাংলাদেশে জঙ্গি তৎপরতার বিরুদ্ধে সাহসী সাংবাদিক ছিলেন জনকণ্ঠ ভোরের কাগজ সংবাদেই তাদের বেশির ভাগ ছিলেন, আমরা তাদেরকে কেউ চিনি না, আমার চিনি টিপু সুলতানকে! ব্যাপারটাকে ট্রান্সকম-বসুন্ধরার কুটিল জালে আটকে ফেলার প্রথম চেষ্টা কিন্তু প্রথম আলোই করল, এবং আমরা যদি এটাকে সত্য ভাবি তবে আমরা সত্য থেকেই দূরে চলে যাব এবং কালের কণ্ঠের কাছেও যদি এই মালিকদ্বন্দ্বের হিসাবকিতাবই হয় এমন গুরুত্বপূর্ণ সংবাদসূত্র ব্যবহারের প্রধান কারণ তাহলে সত্য প্রথম আলো-কালের কণ্ঠের আয়ত্তের বাইরেই চলে যাবে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
আজ থেকে ধারাবাহিকভাবে আবুল কালাম আজাদের এক বিরল সাক্ষাৎকার ছাপাচ্ছে কালের কণ্ঠ।
সাক্ষাৎকারের পটভূমি
সাক্ষাৎকারের প্রথম কিস্তি
[মন্তব্য-লিন্ক]
সাক্ষাৎকারের দ্বিতীয় ও শেষ কিস্তি
‘কালের কণ্ঠ’ বলছে মূল ইংরেজি সাক্ষাৎকারটি ছাপা হয়েছিল এম.জে আকবর সম্পাদিত ভারতীয় সংবাদ ম্যাগাজিন ‘ covert’-এ। আমি ওই সংবাদ ম্যাগাজিনের নিয়মিত না হলেও অনিয়মিত ওয়েবপাঠক ছিলাম, এবং এই সুপারিশকৃত লিন্কে একবার ওখান খেকে কিছু ফিচারের লিন্কও দিয়েছিলাম। কিন্তু বেশ কিছু দিন হয় এই সংবাদ ম্যাগাজিনের ওয়েব সাইট কাজ করছে না, কেন বলতে পারব না, তবে কাজ করলে এই বিরল সাক্ষাৎকারের ইংরেজি সংস্করণটাও পাঠকরা পড়ে দেখতে পারতেন। ‘কালের কণ্ঠ’-এর সাথে জড়িত কেউ যদি মূল ইংরেজি সাক্ষাৎকারটি এখানে তুলে দিতে পারতেন তাহলে খুব ভাল হত।
[মন্তব্য-লিন্ক]
সমুদ্রগর্ভে তেলের অনুপ্রবেশ সামুদ্রিক জীবনচক্রের বড় ধরনের ক্ষতি করে। সমুদ্রে এক মেট্রিক টন তেল বারো বর্গ কিলোমিটার এলাকা দূষিত করে। এখানে দেখুন রিয়ানভস্তির ইনফোগ্রাফিক্স : How oil spills endanger sea life। ধারণা করা হচ্ছে প্রায় তিন লাখ মেট্রিক টন তেল এর মধ্যে মেক্সিকো উপসাগরে অনুপ্রবেশ করেছে, তার মানে প্রায় ছত্রিশ লাখ বর্গ কিলোমিটার এলাকা এর মধ্যেই দূষিত হয়ে পড়েছে। আমেরিকান সার্ভে এর মধ্যেই জানাচ্ছে যে সাম্প্রতিক ‘ব্রিটিশ পেট্রোলিয়্ম’-এর মেক্সিকো উপসাগরের তলদেশের তেলের পাইপলাইনের ছিদ্রের কারণে সমুদ্র তলদেশের ক্ষতি এবিষয়ে করা বিজ্ঞানীদের প্রাথমিক ধারণার চেয়ে অনেক অনেক বেশি হবে।
বিস্তারিত পড়ুন এখানে।
তেলক্ষেত্রের এই দুর্ঘটনা নিয়ে প্রথম আলো গার্ডিয়ান অনলাইনের খবরের সূত্রে লিখছে
পড়ুন এখানে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
এই ছবিগুলোতে মেক্সিকান উপসাগর ও তার সন্নিহিত অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়া তেলের রাজত্ব দেখুন।
[মন্তব্য-লিন্ক]
এই প্রথম দেশের বাহিরে উত্তর কোরিয়ার চিত্রশিল্প ও স্থাপত্যশিল্পের প্রদর্শনী হচ্ছে। ভিয়েনায় ১৯ মে থেকে ০৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে এই প্রদর্শনী, মিউজিয়াম অফ এপ্লাইড এন্ড কন্টেম্পোরারি আর্ট-এর এক্সিবিশন হলে। প্রদর্শনীর শিরোনাম FlOWERS FOR KIM IL SUNG।
এই প্রদর্শনী নিয়ে দক্ষিন কোরিয়ার পত্রিকা ‘দি কোরিয়া টাইমস’-এর স্টাফ রিপোর্টার ইনেস মিন লিখছেন
বিস্তারিত পড়ুন এখানে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
থাইল্যান্ডের সাম্প্রতিক সংকট এদেশটিকে কি এক নতুন বার্মায় পরিণত করবে? এই সম্পদশালী থাইল্যান্ড বার্মার অন্ধকারে নিপতিত হবে?
আরো পড়ুন এখানে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
** এখানে মনে হয় একর পড়তে হবে, ছাপার ভুল মনে হচ্ছে।
এখানেই এসেছেন ১৫জন জাপানী বৃক্ষপ্রেমী, তারা কাজ করছেন চকরিয়ার প্যারাবন সৃজনে।
বিস্তারিত পড়ুন এখানে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
আজকের সমকালে পাভেল পার্থ হাওরের পাহাড়ি ঢল নিয়ে লিখছেন
এ সমস্যা সমাধানে কী করতে হবে
হাওর অঞ্চলে কী সুন্দর সুন্দর নামের ধান হতো, পাহাড়ি ঢলে ফসল বাঁচাতে আবার সে প্রজাতিগুলোকে কি ফিরিয়ে আনা যায়?
পুরো পড়ুন এখানে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
বাদক চলে গেছেন অনেক আগে, এবার গায়কও চলে গেলেন। সোমবার সকাল ৯টায় মারা গেছেন অভিনেতা তপেন চট্টোপাধ্যায়।
[মন্তব্য-লিন্ক]
তপেন চট্টোপাধ্যায় অভিনীত গুপী গাইন বাঘা বাইনের ক্লিপ
[মন্তব্য-লিন্ক]
২৩ মে ২০১০, রোববার, মুসা ইব্রাহীম এভারেস্ট জয় করলেন। বাংলাদেশ থেকে এই প্রথম। কালের কণ্ঠে আবেদ খান আজকে বিশেষ মন্তব্য প্রতিবেদনে লিখছেন
[মন্তব্য-লিন্ক]
বাঙালির এভারেস্ট জয়:
১. সত্যব্রত দাম ২০০৪। সামরিক আভযাত্রী।
২. শিপ্রা মজুমদার ২০০৫। সামরিক অভিযাত্রী।
৩. বসন্ত সিংহ রায় ও দেবাশীষ বিশ্বাস ২০১০ (১৭ মে) । প্রথম অসমারিক অভিযাত্রী। সেহিসেবে এরাই হলেন প্রথম বাঙালি এভারেস্ট জয়ী।
৪. বাংলাদেশের মুসা ইব্রাহীম ২০১০ (২৩ মে)। বাঙালি হিসেবে পঞ্চম, অসামরিক হিসেবে তৃতীয়, বাঙালির অসামরিক এভারেস্ট জয়ের দ্বিতীয় ঘটনা। বাংলাদেশের প্রথম — আমরা জানি না বাংলাদেশের কোনো সামরিক এভারেস্ট জয়ের ঘটনা আছে কি না, যদি তা না থাকে তবে মুসা ইব্রাহীম সেক্ষেত্রে বাংলাদেশের সর্বপ্রথম এভারেস্ট জয়ী। আর সাম্প্রদায়িকভাবে না নিলে আরেকটি কথা বলা যায়, মুসা ইব্রাহীম প্রথম মুসলমান বাঙালি এভারেস্ট জয়ী।
[মন্তব্য-লিন্ক]
রোববার, ৩০ মে ২০১০, প্রথম আলোর বিশেষ আয়োজন : জিয়া-মঞ্জুর হত্যা ফিরে দেখা। চারটি লেখা স্থান পেয়েছে এই বিশেষ আয়োজনে তার মধ্যে তিনটি লেখাই জিয়া নিহত হওয়ার সময় চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক জিয়াউদ্দিন এম চৌধুরীর ইংরেজি বই Assassination of Ziaur Rahman and Aftermath থেকে নির্বাচিত অংশের ভাষান্তর। আর চতুর্থ লেখাটি সাংবাদিক সোহরাব হাসানের ‘জিয়া : সামরিক ও সিভিলিয়ান দ্বন্দ্ব’।
পড়ুন এখানে।
পড়ুন এখানে।
পড়ুন এখানে।
এরশাদ তো এখনো বেঁচে আছে। এভাবে মঞ্জুরকে ঢাকা থেকে এসে কে গুলি করল, তাকে জিজ্ঞাসা করলে তো জানা যাবে — মনে হয় সেভাবে জিয়াকে কিভাবে মঞ্জুররা খুন করল, তাও জানা যাবে — এরশাদকে আর মনে হয় এজনমে কিছু জিজ্ঞাসা করা হবে না।
পড়ুন এখানে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
২৫ বছর, ১৯৮৫ থেকে ২০১০, গরবাচেভের পেরেস্ত্রোইকা রাশিয়ার reconstruction চেয়েছিল। কিন্তু সেই reconstruction এখনো চ্যালেঞ্জের মধ্যেই আছে।
বিস্তারিত পড়ুন এখানে।
পেরেস্ত্রোইকা নিয়ে গরবাচেভ লিখছেন
বিস্তারিত পড়ুন।