সুপারিশকৃত লিন্ক: মার্চ ২০১০
মুক্তাঙ্গন-এ উপরোক্ত শিরোনামের নিয়মিত এই সিরিজটিতে থাকছে দেশী বিদেশী পত্রপত্রিকা, ব্লগ ও গবেষণাপত্র থেকে পাঠক সুপারিশকৃত ওয়েবলিংকের তালিকা। কী ধরণের বিষয়বস্তুর উপর লিংক সুপারিশ করা যাবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম, মানদণ্ড বা সময়কাল নেই। পুরো ইন্টারনেট থেকে যা কিছু গুরত্বপূর্ণ, জরুরি, মজার বা আগ্রহোদ্দীপক মনে করবেন পাঠকরা, তা-ই তাঁরা মন্তব্য আকারে উল্লেখ করতে পারেন এখানে।
ধন্যবাদ।
পোস্ট কিংবা মন্তব্যে প্রকাশিত মতামত কোন অবস্থাতেই মুক্তাঙ্গন কর্তৃপক্ষের মতামতের প্রতিফলন নয়। বক্তব্যের দায়ভার লেখক এবং মন্তব্যকারীর নিজের। শুধুমাত্র "মুক্তাঙ্গন" নামের আওতায় প্রকাশিত বক্তব্যই ব্লগের যৌথ অবস্থানকে নির্দেশ করে।
















[মন্তব্য-লিন্ক]
তখন তার বয়স ছিল ১৫, আজ ৮০, গাব্রিয়েলে কপ দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন ধর্ষণের স্মৃতি নিয়ে বই লিখেছেন। সেবই নিয়ে ‘স্পিগেল’এর ফিচার, পড়ুন ১, ২ ও ৩।
[মন্তব্য-লিন্ক]
জন্মেছিলেন ১৯২৬ সালে দিনাজপুরে, আর ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০১০-এ কলকাতায় আর. জি কর হাসপাতালে ৮৪ বছর বয়সে মারা গেলেন ‘বহুরূপী’তে ষাট বছরের নাট্যজীবন পার করা অভিনেতা, নির্দেশক, সংগঠক, নাট্যকার ও নাট্যবিদ, বাংলা নাটকে চিন্তাশীল প্রয়োগের জন্য বিখ্যাত নাট্যব্যক্তিত্ব কুমার রায়। পড়ুন গণশক্তির রিপোর্ট। শেষবার আমার সঙ্গে যখন কথা হচ্ছিল বহুরূপীর কার্যালয়ে, চট্টগ্রামের সৌন্দর্য্যে তার বিমুগ্ধতার কথা জানিয়েছিলেন, ইচ্ছাপ্রকাশ করেছিলেন নাটক নিয়ে চট্টগ্রাম ঘুরে যাবার। সেবার তার নির্দেশিত দীপঙ্কর চন্দ রচিত নাটক ‘দীপদণ্ড’ দেখেছিলাম, কুমার রায়ের নাট্যভাবনায় চিন্তাশীলতার উচ্চতা বুঝতে হলে এনাটকটি দেখা বাঞ্চনীয়।
[মন্তব্য-লিন্ক]
এক কন্নড় আঞ্চলিক পত্রিকায় তসলিমা নাসরিনের বুরখা বিষয়ক এক বিতর্কিত লেখার অনুবাদ প্রকাশকে ঘিরে ভারতের কর্নাটকে সহিংসতায় দুব্যক্তি প্রাণ হারিয়েছেন।Violence over Taslima article in Karnataka, 2 killed।
[মন্তব্য-লিন্ক]
তসলিমা নাসরিন জানালেন তিনি কোনো কন্নড় পত্রিকার জন্য কখনো কিছু লেখেননি। যদিও খবরে স্পষ্ট বলা হয়েছে পত্রিকায় তার লেখার অনুবাদ ছাপা হয়েছে। এমন হতে পারে ওরা তার লেখার অনুবাদ ছাপানোর অনুমতি নেয়নি, অথবা তার নামে ওরা কোনো লেখা প্রকাশ করেছে যা তার নয়, অথবা এমনও হতে পারে তসলিমা মিথ্যা কথা বলছেন। কিন্তু যাই হোক লেখার প্রতিবাদে ১৫০০ লোকের মিছিল ২জন ব্যক্তির প্রাণনাশ। আমাদের এই উপমহাদেশটা কেন এরকম হয়ে উঠছে!
তসলিমা নাসরিনের ব্যাপারটাও কিছু বোঝা যাচ্ছে না : তিনি ভারতে গোপন স্থানে কেন বসবাস করছেন, ছয় মাস ছয় মাস ভিসা পাচ্ছেন, প্রকাশ্যে না থাকতে পারলে, নাগরিক না হতে পারলে, তার উচিত প্রকাশ্যে থাকতে পারেন এমন কোনো দেশে চলে যাওয়া। আর যেখানে তার সুইডেনের নাগরিকত্ব আছে, সেখানে তার শুধু শুধু ভারতবাসের কী অর্থ কে জানে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
তিনি ভারতে আসলেই যদি গন্ডগোল বাঁধে তবে তাঁকে ভিসা দেবার প্রয়োজনটাই বা কি? তসলিমা নাসরিন ভারতে আসলেই আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হন, এই লোভ তিনি সামলাতে পারছেন না।
[মন্তব্য-লিন্ক]
আউটলুক ব্লগে সুঁদীপ দুগাল জানাচ্ছেন,
তার মানে অনুমতি না নিয়েই তার লেখার অনুবাদ ছাপিয়েছে পত্রিকাটি। এখানে আউটলুকে ২০০৭-এ ছাপানো তসলিমার লেখাটি।
এই ব্লগে আরো বলা হয়েছে তসলিমা নাসরিন সম্প্রতি ইদে-মিলাদুন্নবির দিন ভারতের Permanent residency-র জন্য আবেদন করেছেন। ব্লগার বলছেন
এখানে পড়ুন দুগালের ব্লগ L’affaire Taslima।
একটা অনুমান লেখার যে অংশটির অনুবাদকে ঘিরে উত্তেজনা সৃষ্টি করা হচ্ছে, সেটি সম্ভবত
কন্নড় পত্রিকাটি New Indian Express গ্রুপের। তাদের ইংরেজি পত্রিকায় এখনো এ বিষয়ে কোনো Opinion-ধর্মী লেখা খুঁজে পাইনি। তবে মঙ্গলবার তাদের ‘কন্নড় প্রভা’ পত্রিকার আঞ্চলিক অফিস যে আক্রান্ত হয়েছে সেখবর পড়ুন এখানে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
রাশিয়া আমেরিকার মধ্যে ১৯৯১-তে স্বাক্ষরিত Strategic Arms Reduction Treaty (START I) এর মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে ০৫ ডিসেম্বর ২০০৯-এ। এবছর নতুন করে একটি নিরস্ত্রীকরণ চুক্তি সম্পন্ন করার আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ। এবছর এপ্রিলে আমেরিকায় অনুষ্ঠিত হবে Non-prolifiration treaty-এর শীর্ষ সম্মেলন, তার আগে প্রধান দুই আণবিক অস্ত্রধারীর এ চুক্তি তাৎপর্যপূর্ণ।
[মন্তব্য-লিন্ক]
আজ ২রা মার্চ পতাকা উত্তোলন দিবস। একাত্তরের এইদিনে আমাদের মহান স্বাধীনতার লাল-সবুঝ পতাকা প্রথম উত্তোলন করা হয়। পড়ুন এখানে…
[মন্তব্য-লিন্ক]
চাঁদের মাটিতে ৬০ কোটি টন বরফের সন্ধান। চাঁদে বসবাস কতদূর!
[মন্তব্য-লিন্ক]
ওয়ান ইলিভেনের অজানা কথা
মোখলেসুর রহমান চৌধুরী
পড়ুন এখানে…
[মন্তব্য-লিন্ক]
খুব মজা পেলাম তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলের শুরুর দিককার ‘মোখলেসনামা’ খ্যাত ইয়েসউদ্দিনের প্রেস সচিব তথা দোর্দন্ড প্রতাপ “বিশিষ্ট সাংবাদিক” যেভাবে বিষয়গুলো দেখানোর চেষ্টা করলেন তা পড়ে। কয়েকটি অসামান্য অংশ উদ্ধৃত করছি:
মোখলেস আর সেনা অফিসার মিলে কামরাময় হামাগুড়ি দিয়ে সেই ‘চিরকুট’ খুঁজছেন – দৃশ্যটি কল্পনা করার চেষ্টা করছি।
সত্যিই তার জীবন মহাসংকটের মুখে, যেমনটি একদা ছিল মুজিব, তাজউদ্দিন, তাহেরদের!
রীতিমতো আধ্যাত্মিক কানেকশান! পড়লে বিশ্বাসী হতে মন চায়।
এমন সত মানুষ কোথায় পাবো আর!
এতো বড়ো স্বঘোষিত ভিআইপি’র মর্যাদা বুঝলো না এই দেশ।
আমরা জানতি পারছি, তিনি যে কতো ইম্পর্ট্যান্ট একজন ‘ভ্যাটেরান’, খোদ সিনিয়র জেনারেলরাই পঞ্চমুখ!
বুক ভেঙ্গে যায় পড়লে, এমনই অশ্রুসিক্ত সেই বিদায় দৃশ্য!
বাঙালী জাতির আসলেই অনেক বড়ো ক্ষতি হয়ে গেল! ইয়েসউদ্দিনের প্রেস সচিব পদ হারানোর কথা তিনি যেমন বিস্তারিতভাবে লিখলেন, চাকুরীটা কেন এবং কোন্ বিচারে তাকে দেয়া হয়েছিল, চাকুরী পাওয়ার পর তিনি নিজেও আর কি কি করেছিলেন, সে সব নিয়েও একটু লিখলে পারতেন মনে হয়।
[মন্তব্য-লিন্ক]
@রায়হান!
এতোটা অস্হির হলে চলবে কি করে! “মোখলেসনামা” নাটকের প্রথম অংকের প্রথম দৃশ্য গেলো মাত্র!…
[মন্তব্য-লিন্ক]
ওয়ান ইলিভেনের অজানা কথা
মোখলেসুর রহমান চৌধুরী
দ্বিতীয় পর্ব: পড়ুন এখানে…
[মন্তব্য-লিন্ক]
ব্লগ বিষয়ে আসিফ নজরুলের বিভ্রান্তি এবং জনৈক গল্পকারের বিষোদগার নিয়ে মজার আলোচনা, এখানে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
ক্যাথরিন বিগেলো, নারী দিবসের নারী। এই প্রথম শ্রেষ্ঠ পরিচালকের অস্কার পেলেন একজন নারী।
[মন্তব্য-লিন্ক]
ডেভিড ফ্রস্টকে দেয়া বংগবন্ধুর সাক্ষাৎকার
[মন্তব্য-লিন্ক]
বাংলাদেশের ইসলামী জঙ্গিবাদ নিয়ে মানিজা হোসাইনের লেখা
[মন্তব্য-লিন্ক]
বিশিষ্ট সাংবাদিক ও ভাষাসৈনিক কে জি মুস্তাফা আজ শনিবার ভোরে রাজধানীর ল্যাবএইড হাসপাতালে মারা গেছেন। তিনি কিডনি ও হূদরোগজনিত রোগে ভুগছিলেন। তাঁর বয়স হয়েছিল ৮৬ বছর।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, কাল রোববার পর্যন্ত তাঁর মরদেহ হাসপাতালেই রাখা হবে।
গত ৮ ফেব্রুয়ারি তাঁকে ল্যাবএইড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ১৬ ফেব্রুয়ারি শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হলে বিশিষ্ট এই সাংবাদিককে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়। আজ ভোরে তিনি মারা যান। লিন্ক।
[মন্তব্য-লিন্ক]
শোকলেখন সংগ্রহ : কে জি মুস্তাফা
কালের কণ্ঠে আবেদ খান
প্রথম আলোতে জাহীদ রেজা নূর
সমকালে আবদুল গাফফার চৌধুরী
কালের কণ্ঠে কামাল লোহানী লিখেছেন
কালের কণ্ঠে হারুন হাবীব লিখেছেন
[মন্তব্য-লিন্ক]
মহানায়কের প্রস্থান। গিরিজা প্রসাদ কৈরালা গত শনিবার ৮৬ বছর বয়সে মারা গেলেন। নেপালের সাম্প্রতিক রাজনীতিতে এই মৃত্যু যেন মরার পরেও কাজ করে। তার মৃত্যু যেন নেপালে সংবিধান রচনা সম্পন্ন করার জন্য প্রয়োজনীয় মেকানিজমে আসতে পারে, এই আশা রাখি। এবং মাওবাদী, নেপালি কংগ্রেস ও মার্কসিস্ট-ল্যালিনিস্টরা যেন তাদের HLPM(High Level Political Mechanism) সফল করতে পারেন সেই শুভ কামনা জ্ঞাপন করছি। এখানে তার মৃত্যুর খবরের কয়েকটি লিন্ক : কান্তিপুরে, হিন্দুতে, হিন্দুতে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
হল্যান্ডের বিরুদ্ধে হুগো সাভেজের অভিযোগ। আমেরিকার সপ্তমহাদেশ শাসনের এসব পরিকল্পনা আদতে একই। কোথাও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ, কোথাও মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ — যুদ্ধ তার চলছেই।
[মন্তব্য-লিন্ক]
আত্মহত্যা করেছেন কানু সান্যাল। এখানে পড়ুন টাইমস অফ ইন্ডিয়ায় অভিজিত ঘোষের ব্লগ When I met Kanu Sanyal। আউটলুকে পড়ুন Naxalbari: Home to the Revolution।
[মন্তব্য-লিন্ক]
দৈনিক জনকণ্ঠ, ২৩ মার্চ ২০১০
‘ক্রসফায়ার’ শীর্ষক প্রদর্শনীটি অনলাইনে দেখা যাবে এখানে।
[মন্তব্য-লিন্ক]
‘জিহাদ ও শ্রেনীসংগ্রাম তত্ত্বের আড়ালে বাংলাদেশে কি ঘটছে’
- ড. আনোয়ার হোসেন।