পাঠক সুপারিশকৃত লিংক: ফেব্রুয়ারী – মে ২০০৯
মুক্তাঙ্গন-এ উপরোক্ত শিরোনামের (তারিখ পরিবর্তনশীল) নিয়মিত পোস্টের এই সিরিজটি চলতে থাকবে। এতে থাকবে দেশী বিদেশী পত্রপত্রিকা, ব্লগ ও গবেষণাপত্র থেকে পাঠক সুপারিশকৃত ওয়েবলিংকের (URL) তালিকা। এই পোস্টে মন্তব্যকারী পাঠকদের সুপারিশকৃত লিংকগুলোর ভিত্তিতে ঈষৎ সম্পাদনার পর (যেমন ট্যাগিং) পোস্টটিকে চূড়ান্তরূপ দেয়া হবে, আর্কাইভে সংযোজনের আগে। সে অর্থে এই পোস্টটির (এবং এই সিরিজটির) লেখক আসলে এখানকার সকল মন্তব্যকারী পাঠক, যৌথ ও সম্মিলিতভাবে। কী ধরণের বিষয়বস্তুর উপর লিংক সুপারিশ করা যাবে তার কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম, মানদণ্ড বা সময়কাল নেই। পুরো ইন্টারনেট থেকে যা কিছু গুরত্বপূর্ণ, জরুরি, মজার বা আগ্রহোদ্দীপক মনে করবেন পাঠকরা, তা-ই তাঁরা মন্তব্য আকারে সুপারিশ করতে পারেন এখানে। তবে প্রতিটি লিংকের সাথে অল্পকথায় একটি ভূমিকা বা বিষয়বস্তুর পরিপ্রেক্ষিতটি যদি সংক্ষেপে লিখে দিতে পারেন তাহলে সপ্তাহান্তে সম্পাদনার কাজ অনেক সহজ ও দ্রুততর হবে। উল্লেখ্য, কোনো মন্তব্য অনুমোদন বা চূড়ান্ত পোস্টে তা স্থান দেয়ার ব্যপারে এই পোস্টের সম্পাদক(মণ্ডলীর) সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।
এক নজরে পুরো প্রক্রিয়ার ধাপগুলো এরকম:
১. “এ সপ্তাহের লিংক : (সেদিনের তারিখ)” শীর্ষক একটি “খালি” পোস্ট সপ্তাহের শুরুতেই মুক্তাঙ্গনে তুলে দেয়া হবে পাঠকদের সুপারিশ গ্রহণ করার জন্য।
২. পাঠকরা তাদের পছন্দমত যে-কোনো সংখ্যক লিংক (সংক্ষিপ্ত ভূমিকাসহ) সুপারিশ করতে পারবেন সেই পোস্টে মন্তব্য আকারে।
৩. সপ্তাহান্তে সুপারিশকৃত লিংকগুলোর ভিত্তিতে পোস্টটির চূড়ান্ত রূপ দেয়া হবে। এরপর তাতে আর নতুন কোনো মন্তব্য (বা সুপারিশ) গ্রহণ করা হবে না।
৪. “এ সপ্তাহের লিংক : [তারিখ]” শীর্ষক আরেকটি “নতুন” পোস্ট মুক্তাঙ্গনে তুলে দেয়া হবে পরের সপ্তাহের সুপারিশ গ্রহণের জন্য। এভাবেই চলতে থাকবে সিরিজটি।
অগ্রিম ধন্যবাদ সবাইকে।
















[মন্তব্য-লিন্ক]
সামরিক বাহিনীর ১২ দফা দাবীঃ
বলা হচ্ছে সামরিক বাহিনীর পক্ষ থেকে ১২ দফা দাবী দেয়া হয়েছে প্রধানমন্ত্রীর কাছে। দাবীগুলোর বিষয়ে বিস্তারিত জানা যায় না যদিও তবে আনন্দবাজার পত্রিকা কিছু ইংগিত দিয়েছে। এখানে দেখুন।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকার খবরঃ পিলখানা গণহত্যার নৃশংসতায় সাকা চৌধুরীর জড়িত থাকার সম্ভাবনা।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস পত্রিকার আজকের পাতায় চক্রান্তকারীর নামের খাতায় উঠে এসেছে সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর নাম। এখানে দেখুন।
[মন্তব্য-লিন্ক]
বিবিসি বাংলা
২ মার্চ ২০০৯, প্রকাশের সময় ১৫:২৯ গ্রিনিচ সময়
গিনি বিসাও-এর রাষ্ট্রপতি নিহত
পশ্চিম আফ্রিকান রাষ্ট্র গিনি বিসাও-এর কর্মকর্তারা বলছেন যে দেশটির রাষ্ট্রপতি জোওয়াও বার্নার্ডো ভিয়েরা সৈনিকদের হাতে নিহত হয়েছেন।
প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরের একজন কর্মকর্তা এবং সেনাবাহিনীর পররাষ্ট্র সম্পর্ক বিভাগের মুখপাত্রের কাছ থেকে রাষ্ট্রপতির মৃত্যুর খবরটি আসে।
দেশটির রাজধানী বিসাও-এ রবিবার রাতে এক হামলায় সেনাবাহিনীর প্রধান কর্মকর্তা জেনেরাল তাগমে না ওয়াইয়ে নিহত হওয়ার পর এই খবর এলো।
এই হামলায় আরও পাঁচ ব্যক্তি নিহত হন। এটি অভ্যুত্থানের একটি প্রচেষ্টা ছিল কি না, তা এখনো পরিষ্কার নয়।
রাষ্ট্রীয় বেতারে প্রচারিত এক বিবৃতিতে সেনাবাহিনী বলেছে যে সেনাবাহিনী থেকে বেরিয়ে যাওয়া একদল সৈন্য – যাদেরকে গ্রেপ্তারের জন্য অভিযান চালানো হচ্ছিলো তাদের আক্রমণে প্রেসিডেন্ট জোয়াও বারণার্ডো ভিয়েরা নিহত হয়েছেন।
একজন সাংবাদিক জানিয়েছেন যে প্রেসিডেন্টের মরদেহ তিনি প্রেসিডেন্টের সরকারী প্রাসাদ থেকে সরিয়ে নিয়ে যেতে দেখেছেন।
[মন্তব্য-লিন্ক]
আবারও কি ফিরে আসছে ষাটের দশক? শিক্ষার্থীরা কি ফিরে পেতে চলেছে তাদের পিছুটানহীন সংগ্রামময় অতীত? ন্যান্সী কোল তাঁর একটি সাম্প্রতিক লেখায় পরিবেশগত পরিবর্তনের মুখে শিক্ষার্থীদের গড়ে তোলা আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে লিখেছেন একটি প্রতিবেদন।
[মন্তব্য-লিন্ক]
ওপেনডেমোক্রেসি-তে প্রকাশিত ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ফিরদৌস আজিমের প্রবন্ধ Women and religion in Bangladesh: new paths
[মন্তব্য-লিন্ক]
পাকিস্তানের সোয়াত উপত্যকায় শরিয়া আইন প্রবর্তনের বিপদ নিয়ে লিখেছেন গজল মাহতাব। এখানে দেখুন।
[মন্তব্য-লিন্ক]
প্রকাশনা শিল্পের নানা দিক নিয়ে রাসেল পারভেজের ব্লগ:
আমি বাজার বুঝি না।
[মন্তব্য-লিন্ক]
বাংলা গানের কিংবদন্তী রামকুমার চট্টোপাধ্যায় মারা গেছেন গতকাল। আনন্দবাজার পত্রিকা।
[মন্তব্য-লিন্ক]
মুক্তিযুদ্ধে আদিবাসীদের ভুমিকা নিয়ে দৈনিক সমকালের ২৩শে মার্চ ২০০৯ সংখায় প্রতীক ইজাজের লেখাটি পড়ে অনেক অজানা তথ্য পেলাম।
[মন্তব্য-লিন্ক]
রণজিৎ গুহ, বাংলায় তাঁর প্রথম মৌলিক বই ‘কবির নাম ও সর্বনাম’; আর প্রথম বাংলা বইয়ের জন্য ১৪১৫-এর আনন্দ পুরষ্কার পাচ্ছেন তিনি। পড়ুন আজকের ‘আনন্দবাজার পত্রিকা’-য় সেমন্তী ঘোষের “ইতিহাস থেকে সাহিত্যে রণজিতের ‘আনন্দ’-তরী”।
[মন্তব্য-লিন্ক]
গত সপ্তাহে ঢাকায় ভারতীয় বিদেশ সচিব শিবশঙ্কর মেননের আকস্মিক সফরের কারণ, জানাচ্ছেন আনন্দবাজার পত্রিকার জয়ন্ত ঘোষাল, শিরোনাম ‘হাসিনাকে হত্যার ছক কষছে জঙ্গিরা‘।
[মন্তব্য-লিন্ক]
ড. ইউনুসের গ্রামীন ব্যাংকের খুদ্রঋণের স্বরূপ নিয়ে একটি বিশ্লেষনধর্মী পোস্ট:
গ্রামীন ক্ষুদ্রঋণ সম্পর্কে আমার মূল্যায়ন, লিখেছেন মাহমুদ।
[মন্তব্য-লিন্ক]
২০০১-২০০৬-এ এমেরিকান সরকার আমাদের MODERATE MUSLIM COUNTRY বলত। নতুন করে ওদের MODERATE-এর খপ্পরে পড়ল তালিবানরা, শুধু ৫% তালিবানরাই চরমপন্থী, বাকি ৯৫% MODERATE TALIBAN! পড়ুন ভারতীয় সাংবাদিক এম জে আকবরের প্রতিক্রিয়া।
[মন্তব্য-লিন্ক]
অরবিন্দ কৃষ্ণ মেহরোত্রা সম্প্রতি Oxford’s Professorship of Poetry-র জন্য নির্বাচিত হয়েছেন। প্রথম দক্ষিণএশিয়ান এবং সম্ভবত প্রথম এশিয়ান যিনি এ প্রফেসরশিপের জন্য মনোনীত হলেন। আমাদের অভিনন্দন এই লাহোরে জন্ম নেয়া এলাহাদবাসী স্বাধীন ভারতের সমানবয়সী দেশভাগের ভূমিবিচ্ছিন্নপুত্রকে। Outlook India-র সূত্রে তার প্রোফাইল পড়ুন।
[মন্তব্য-লিন্ক]
ডেনিস ডাটন নামক এক শিল্প দার্শনিকের একটি লেখা পেলাম, অনেক ব্লগার হয়ত তা উপভোগ করবেন। এখানে ক্লিক করুন।
[মন্তব্য-লিন্ক]
সাহিত্যিক কমলাদাস সুরাইয়া প্রয়াত
পুনে, ৩১ মে–প্রখ্যাত সাহিত্যিক কমলাদাস সুরাইয়া প্রয়াত হয়েছেন। পুনের এক হাসপাতালে রবিবার সকাল আটটায় তিনি প্রয়াত হন। তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। এদিন তার মৃত্যুর খবর দিয়েছেন কেরালার সংষ্কৃতি মন্ত্রী এম এ বেবি। তিনি জানিয়েছেন, কমলাদাস সুরাইয়ার মৃতদেহ কেরালায় নিয়ে আসা হচ্ছে। আগামী ২ জুন রাষ্টীয় সম্মানের সঙ্গে তাকে সমাধিস্থ করা হবে।
গল্পকার হিসেবে কমলাদাস সুরাইয়া জনপ্রিয় হলেও পাশাপাশি তিনি অসংখ্য কবিতা লিখে গেছেন। মালায়ালাম সাহিত্যে তার অসামান্য অবদানের জন্য বহু পুরষ্কারে ভূষিত হয়েছেন। দেশে তো বটেই বিদেশেও সমাদৃত হয়েছে তার সাহিত্যকর্ম। সমস্ত ধরনের গোঁড়ামির বিরুদ্ধে তার প্রতিবাদী লেখনী পাঠক মহলের কাছ থেকে বিশেষ সম্মান আদায় করে নিয়েছে।
কমলাদাস সুরাইয়া ১৯৩৪ সালের ৩১ মার্চ কেরালায় জন্মগ্রহন করেন। তার বাবা ভি এন নায়ার ছিলেন সরকারী কর্মী। মা বালামনি আম্মা ছিলেন মালায়ালাম ভাষার জনপ্রিয় কবি। মায়ের প্রভাবেই তিনি সাহিত্যজগতে প্রবেশ করেন। তিনি মালায়ালাম ভাষা ছাড়াও ইংরেজি ভাষাতেও বহু সাহিত্য রচনা করেছেন। তিনি প্রথম দিকে মূলত কবিতা লিখতেন। ১৯৭৬ সালে প্রকাশিত তার আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ ‘মাই ডেইজ’ প্রচণ্ড আলোড়ন সৃষ্টি করে। তিনি বহু ছোটগল্প লিখেছেন মাধবিকুট্টি ছদ্মনামে। তিনি আকাডেমি পুরষ্কার লাভ করেন ১৯৬৮ সালে। এছাড়া ভায়লার পুরষ্কারেও পুরষ্কৃত হয়েছেন। ইংরাজি ভাষায় রচিত তার বইগুলোর মধ্যে ‘সামার ইন ক্যালকাটা’ অন্যতম। হিন্দু ধর্মের গোঁড়ামির বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে তিনি ১৯৯৯ সালে মুসলিম ধর্ম গ্রহণ করেন। তারপর থেকেই তিনি পুনেতে স্থায়ীভাবে বসবাস করতে থাকেন। তার তিন পুত্র বর্তমান।
[মন্তব্য-লিন্ক]
সংশোধনী : ‘মাই ডেইজ’ নয় হবে ‘মাই স্টোরি’।
[মন্তব্য-লিন্ক]
আগের লেখাটির সূত্র: পিটিআই/ইউএনআই।
আরো পড়ুন।
[মন্তব্য-লিন্ক]
আরো…