মুক্তাঙ্গন

rss-posts rss-comments
  • ব্লগবাড়ি
  • উদ্যোগ
    • মুক্তাঙ্গন পোর্টাল
      • Muktangon Facebook Group
      • মুক্তাঙ্গন ওয়ার্কগ্রুপ
    • ICSF PORTAL
      • E-Library '71
      • Media Archive '71
      • ICSF Blog
      • ICSF Discussion Groups
      • ICSF-Wiki Coordination Project
  • ইতিবৃত্ত
    • মুক্তাঙ্গন ঘোষণা
    • কৃতজ্ঞতা স্বীকার
  • লিখতে আগ্রহী?
    • সম্পাদনা ও মডারেশন
    • লেখক ক্যালেন্ডার
  • যোগাযোগ
  • কারিগরি সাহায্য
    • Bangla Settings
    • Keyboard layouts
    • কারিগরি জিজ্ঞাসা
    • সমস্যা রিপোর্ট করুন
  • আর্কাইভ
  • আনবাড়ি

আহমেদ মুনির

আহমেদ মুনির


সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

চট্টগ্রামে বসবাসরত। পেশা : লেখালেখি। জীবিকা : সাংবাদিকতা।




  • অন্দরমহল



    • নিবন্ধন | পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার


  • অক্ষরের আকার



    লেখাকে ঘিরে আলোচনা

      ২ মার্চ ২০১২, শুক্রবার
    • মন্তব্যে~মাসুদ করিম

    • ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২, শনিবার
    • মন্তব্যে~আহমেদ মুনির

    • ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২, বৃহস্পতিবার
    • মন্তব্যে~মাসুদ করিম

    • ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২, বৃহস্পতিবার
    • মন্তব্যে~মোহাম্মদ মুনিম

    • ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১২, বুধবার
    • মন্তব্যে~আহমেদ মুনির

    • ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১২, মঙ্গলবার
    • মন্তব্যে~রায়হান রশিদ

    ভাষাঘৃণা

    লিখেছেন: আহমেদ মুনির | ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১২, মঙ্গলবার | ৯ ফাল্গুন ১৪১৮

    বিষয়: জাতীয়তাবাদ, বৈষম্য, ভাষা, শিক্ষা | ৬ টি মন্তব্য | ইমেইল / প্রিন্ট করুন: Email This Post Print This Post

    Share Tweet

    ভাষা-ভিত্তিক জাতীয়তাবাদও এক ধরনের জাতীয়তাবাদ। আর জাতীয়তাবাদের একটি খারাপ দিক হলো নিজের ভাষা, সংস্কৃতিকেই শ্রেষ্ঠ ভাবা। এই ভাবনা দোষের কিছু নয়। কিন্তু এমন ভাবনার মধ্যে একটা হিংসার চোরা স্রোতও কি থাকে না? বিষয়টা একজন হিন্দিভাষী বা ইংরেজিভাষী মানুষের দিক থেকে ভাবুন। ধরুন মি. জেমস নামের একজন ইংরেজ ভদ্রলোক বললেন ইংরেজিই পৃথিবীর সেরা ভাষা। এই ভাষা অন্যসব প্রান্তিক ভাষার সাহিত্যের ভিত গড়ে দিয়েছে। কেমন লাগবে কথাটা? এ তো ভাষা-ভিত্তিক জাতীয়তাবাদেরই প্রকাশ।

    ওরা আমাদের চোখে আটকে-পড়া পাকিস্তানি। ওদের ভাষা উর্দুও আমাদের শত্রুভাষা!

    কিছুদিন আগে আমি কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে বলছিলাম, চট্টগ্রামে উর্দুভাষী যাঁরা আছেন তাঁদের ছেলেমেয়েরা স্কুলে বাংলায় পড়তে গিয়ে সমস্যায় পড়ছে কি-না এটা আমরা ভাবি না। একইভাবে পাহাড়ি আদিবাসী শিশুদের নিজভাষায় লেখা পড়ার ব্যবস্থা এখনো সেভাবে হয়নি। ভাষা নিয়ে আমাদের অহংকার আছে, থাকতেই পারে। কিন্তু অন্যের ভাষার অধিকার নিয়ে এত উদাসীন কেন আমরা? উর্দুভাষীদের ভাষার সমস্যা নিয়ে বলায় একজন আমার দেশপ্রেম নিয়েই প্রশ্ন তুললেন। আমি বোঝাতে ব্যর্থ হলাম উর্দুর সঙ্গে আমাদের সমস্যা হয়নি, হয়েছে পাকিস্তানি শাসকদের সঙ্গে। ভাষাঘৃণা কী করে এত বিস্তার লাভ করলো, ভাবতেই অবাক লাগে! অথচ অনেকেই উর্দু কবিতার ভক্ত, মান্টো কিংবা চুগতাইয়ের গল্প পড়েছেন। তবু ভাষাঘৃণা দূর হয়নি কেন!

    Share Tweet
       
    পোস্ট কিংবা মন্তব্যে প্রকাশিত মতামত কোন অবস্থাতেই মুক্তাঙ্গন কর্তৃপক্ষের মতামতের প্রতিফলন নয়। বক্তব্যের দায়ভার লেখক এবং মন্তব্যকারীর নিজের। শুধুমাত্র "মুক্তাঙ্গন" নামের আওতায় প্রকাশিত বক্তব্যই ব্লগের যৌথ অবস্থানকে নির্দেশ করে।


    ৬ টি মন্তব্য/প্রতিক্রিয়া এসেছে এ পর্যন্ত:

    1. ১
      রায়হান রশিদ রায়হান রশিদ লিখেছেন:
      ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১২, মঙ্গলবার সময়: ৫:৫৫ অপরাহ্ণ
      [মন্তব্য-লিন্ক]

      মুক্তাঙ্গনে অনেক দিন পর আহমেদ মুনির এর অপ্রিয় কথন! আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস একুশের মূল বার্তা আসলে কি? একক ভাষার আধিপত্য এবং শ্রেষ্ঠত্ব জাহির? নাকি পৃথিবীর সকল ভাষার মর্যাদাপূর্ণ সহাবস্থান, চর্চা এবং বিকাশ?

      Reply
    2. ২
      আহমেদ মুনির আহমেদ মুনির লিখেছেন:
      ২২ ফেব্রুয়ারি ২০১২, বুধবার সময়: ৫:২৬ অপরাহ্ণ
      [মন্তব্য-লিন্ক]

      রায়হান,অপ্রিয় লোকের কথন অপ্রিয়ই তো হবে ।

      আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস একুশের মূল বার্তা আসলে কি? একক ভাষার আধিপত্য এবং শ্রেষ্ঠত্ব জাহির? নাকি পৃথিবীর সকল ভাষার মর্যাদাপূর্ণ সহাবস্থান, চর্চা এবং বিকাশ?

      এসব প্রশ্নের মধ্যেই যে উত্তর আছে।

      Reply
    3. ৩
      মোহাম্মদ মুনিম লিখেছেন:
      ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২, বৃহস্পতিবার সময়: ৯:৫৪ পূর্বাহ্ণ
      [মন্তব্য-লিন্ক]

      মুনির যে বিহারী বালিকাটির ছবি তার পোস্টে দিয়েছে সে মেয়েটিকে তানভীর মোকাম্মেল তাঁর ‘স্বপ্নভুমি’ তথ্যচিত্রে জিজ্ঞাসা করেছিলেন মেয়েটি বড় হয়ে কি হতে চায়। মেয়েটি অত্যন্ত শুদ্ধ বাংলায় উত্তর দিল সে বড় হয়ে শিক্ষক হতে চায়, যাতে ‘আমরা সবাই গর্বের সাথে বলতে পারি আমাদের বাংলাদেশটা শিক্ষিতের দেশ’। মেয়েটি বাংলাদেশে নিজের অধিকার নিয়ে বড় হয়ে উঠুক, তাঁর শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন সফল হোক, এ আশাই করি।
      কিন্তু প্রশ্ন হল মেয়েটিকে উর্দু ভাষায় পড়াশোনার ব্যবস্থা করে দিলে কি তার বাংলাদেশ নিয়ে এত সুন্দর স্বপ্ন গড়ে উঠতো? খুব সম্ভবত না। ‘উদার মানসিকতা’ দেখিয়ে বিহারী শিশুদের উর্দু ভাষায় শিক্ষা দিলে বাংলাদেশে জন্ম নেয়া বিহারী শিশুরা মানসিকভাবে পাকিস্তানী হিসাবেই বড় হয়ে উঠবে। আর সেটা বাংলাদেশ আর বিহারী শিশু কারুর জন্যই ভাল হবে না।

      Reply
      • ৩.১
        আহমেদ মুনির আহমেদ মুনির লিখেছেন:
        ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০১২, শনিবার সময়: ২:৪১ অপরাহ্ণ
        [মন্তব্য-লিন্ক]

        ‘উদার মানসিকতা’ দেখিয়ে বিহারী শিশুদের উর্দু ভাষায় শিক্ষা দিলে বাংলাদেশে জন্ম নেয়া বিহারী শিশুরা মানসিকভাবে পাকিস্তানী হিসাবেই বড় হয়ে উঠবে। আর সেটা বাংলাদেশ আর বিহারী শিশু কারুর জন্যই ভাল হবে না।

        মুনিমের এই কথার সঙ্গে একমত হতে পারিছ না। কলকাতায় অনেকে উর্দুতে কথা বলেন তাঁরা পাকিস্তানি হয়ে যাননি। মাতৃভাষায় শিক্ষা না দিলে দুটো ঘটনা ঘটতে পারে। ১.শিশুরা ধীরে ধীরে তাদের মায়ের ভাষা ভুলে যেতে পারে। ২.সংখ্যাগরিষ্ট ভাষাভাষী শিশুদের তুলনায় পিছিয়ে পড়তে পারে। এটা সব ক্ষুদ্র ভাষা গোষ্ঠীর সদস্যেদর ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

        Reply
    4. ৪
      মাসুদ করিম মাসুদ করিম লিখেছেন:
      ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০১২, বৃহস্পতিবার সময়: ১০:২৬ পূর্বাহ্ণ
      [মন্তব্য-লিন্ক]

      কোনো নির্দিষ্ট ভাষাকে শ্রেষ্ঠ ভাবা, এবার সেটা মাতৃভাষা হোক বা না হোক, সেভাবনায় হিংসার চোরাস্রোত থাক বা না থাক, ভাবনাটি দোষেরই। ভাষায় স্পোর্টস চ্যাম্পিয়নশিপ সম্ভব নয়।

      চাকমা ও অন্যান্য উপজাতীয় ভাষায় শিক্ষার ব্যবস্থা করা আমাদের দেশের রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব কারণ সেদাবি উঠেছে।

      কিন্তু উর্দু ভাষায় শিক্ষার সেদাবি কি উঠেছে? সবার আগে দেশের উর্দুভাষীদের কাছ থেকে সেদাবি উঠতে হবে। সেদাবি তোলার প্রথম পদক্ষেপ কিন্তু কমিউনিটি স্কুল, সেরকম কোনো কমিউনিটি স্কুল কি উর্দুভাষীরা এরমধ্যে গড়ে তুলেছে?

      ভাষার দাবি প্রাণের দাবি, সেটা অবশ্যই সেই ভাষায় যারা কথা বলে তাদের কাছ থেকে উঠতে হবে। পাকিস্তানের পাঞ্জাবিরা নিজেদের পাঞ্জাবি ভাষা ছেড়ে উর্দুভাষী হয়ে গিয়েছিল কিন্তু বাঙালিরা তা হতে চায়নি।

      Reply
    5. ৫
      মাসুদ করিম মাসুদ করিম লিখেছেন:
      ২ মার্চ ২০১২, শুক্রবার সময়: ১:১৯ অপরাহ্ণ
      [মন্তব্য-লিন্ক]

      চট্টগ্রামের পল্টন রোড কি সবাই চেনেন? চট্টগ্রাম ওয়াসা ও আলমাস সিনেমা হল তো সবাই চেনেন? এই এলাকা এবং আশেপাশের রোড পল্টন রোড নামেই পরিচিত ছিল, এখানেই ছিল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সেনাক্যাম্প। ওয়াসার পেছনে ও আলমাসের উল্টা দিকে যে জায়গাটি এখন উঁচু দেয়াল দিয়ে সেনাবাহিনী ঘিরে রেখেছে এটা আজ থেকে পনেরো ষোলো বছর আগে উন্মুক্ত ছিল। এখানে প্রধানত দর্জি মুচি মেথর ধোপাদের বসবাস, আজই আমার মনে পড়ল হঠাৎ করে, আরে এরাও তো বিহারি, কিন্তু এরা উর্দুতে কথা বলে না (ভোজপুরি বা এধরনের কোনো ‘বিহারি’ ভাষায় কথা বলে) এবং এরা হিন্দু। এদের পূর্বপুরুষ ব্রিটিশ আর্মির সাথে পল্টনে ছিল, সেনাবাহিনীর কাপড় জুতা সেলাইসহ নানা প্রয়োজনীয় কাজ করত এরা। পল্টন উঠে যাবার পর সেনাবাহিনীর এদেরকে আর প্রয়োজন ছিল না, তাই এরা রয়ে গেল এখানে। এখন কথা হচ্ছে, আমাদের চারপাশের ভদ্রলোক ও আটকে পড়া বিহারি যারা ‘উর্দুভাষী’ তারা ছাড়াও যে আরো বিহারি আছে, তা কি এই বিহারিরা ভেবেছে? বা আমরা ভেবেছি? এরা পড়াশোনার সুযোগ পায় কি না, তাও কি ভেবেছি? নাকি ভেবেছি দর্জি মুচি মেথর ধোপাদের আবার পড়াশোনা? কিন্তু ঠিক মতো গুণতে গেলে এই দলিত বিহারিরাই হয়তো সংখ্যায় ভদ্রলোক ও আটকে পড়া বিহারিদের চেয়ে অনেক বেশি হবেন।

      Reply

    আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে নিচের মন্তব্য-ফর্ম ব্যবহার করুন:

    =নিয়মাবলি=
    * ভাষা: মন্তব্যের ভাষা হওয়া উচিত (মূলত) বাংলা — অবশ্যই বাংলা হরফে। আর ভাষারীতি লেখ্যভাষা হিসেবে প্রচলিত প্রমিত বাংলা হওয়াই শ্রেয়।
    ** মডারেশন: মন্তব্যের ক্ষেত্রে এখানে প্রাক-অনুমোদন মডারেশনের চর্চা নেই। তবে যে-সব কারণ উপস্থিত থাকলে প্রকাশিত মন্তব্য বিনা নোটিশে (এবং কোনো ধরণের কারণ-দর্শানো ছাড়াই) পুরোপুরি মুছে দেয়ার বা আংশিক সম্পাদনা করার অধিকার "মুক্তাঙ্গন" সংরক্ষণ করে, সেগুলো হলো: (ক) সাধু এবং চলিত রীতির সংমিশ্রণ; (খ) ত্রুটিপূর্ণ বানানের আধিক্য; (গ) ভাষার দুর্বল, আঞ্চলিক, অগ্রহণযোগ্য বা ছাপার অযোগ্য প্রয়োগ; (ঘ) ব্যক্তিগত আক্রমণ প্রবণতা, ছিদ্রান্বেষণ ও কলহপ্রিয়তা; (ঙ) অপ্রাসঙ্গিকতা ও বক্তব্যহীনতা। এ ব্যাপারে মডারেশন টিমের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। তাই, চূড়ান্তভাবে পেশ করার আগে "প্রাকবীক্ষণ"-এর মাধ্যমে নিজ-মন্তব্যের প্রকাশিতব্য রূপ যাচাই করে নিন।
    *** নিবন্ধিত লেখকদের প্রতি: লেখকের নিজস্ব পাতার প্রকাশিত কাজের তালিকায় আপনার পেশ করা মন্তব্যের তালিকাভুক্তি নিশ্চিত করতে লগ-ইন করা অবস্থায় মন্তব্য করুন।
    >>প্রত্যুত্তরটি না পাঠাতে মনস্থির করলে "এখানে" ক্লিক করুন<<


    অভ্র প্রভাত ফোনেটিক ইউনিজয় ইংরেজী
    ------------(মাউস ক্লিক করে বাংলা লিখুন)------------
    ক খ গ ঘ ঙ চ ছ জ ঝ ঞ ট ঠ ড ঢ ণ
    ত থ দ ধ ন প ফ ব ভ ম য র ল শ ষ
    স হ ক্ষ ড় ঢ় য় ৎ ং ঃ ঁ । ॥ ৳ র-ফলা‌‌‌
    অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ     য-ফলা
      া ি ী ু ূ ৃ ে ৈ ো ৌ     রেফ
      ০ ১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬ ৭ ৮ ৯     ZWNJ
    স্পেসবার নতুন লাইন যুক্ত করুন/হসন্ত ZWJ


    বাংলায় মতামত লিখতে নিচের যে কোন একটি পদ্ধতি বেছে নিন:
    (ক) সংযুক্ত চারটি বাংলা কী‌বোর্ডের (ইউনিজয়, ফোনেটিক, প্রভাত) যে কোন একটি বেছে নিয়ে; অথবা, (খ) গুগল বাংলা ট্রান্সলিটারেশন টুল ব্যবহার করেও সহজে বাংলা লেখা সম্ভব। বাংলা অক্ষর চালু/বন্ধ করতে ctrl+g চাপুন। শব্দটি ইংরেজী হরফে লিখে ফেলে স্পেসবার চাপুন, তাহলেই সেটি বাংলায় রূপান্তরিত হবে (একই শব্দের একাধিক বানান-বিকল্প শব্দটির উপরে মাউস রেখে ক্লিক করে দেখে নেয়া যায়); অথবা, (গ) মাউস ক্লিক করে বাংলা লিখুন; অথবা, (ঘ) আপনার কম্পিউটারে অভ্র কীবোর্ড স্থায়ীভাবে ইনস্টল করে নিয়ে। কীবোর্ডগুলোর ব্যবহার বা লে‌-আউট জানা না থাকলে "বাংলা বর্ণমালা বিভ্রাট" লিংক অথবা "বাংলা কীবোর্ড লে-আউট" লিংক থেকে বিস্তারিত জেনে নিন। এরপরও সমস্যার সম্মূখীন হলে ব্লগ এডমিন এর কাছে সাহায্যের জন্য লিখুন।

    কপিরাইট © ২০০৮ নির্মাণ | ওয়ার্ডপ্রেস নির্ভর "মুক্তাঙ্গন" এর থীম রিফিউলড.নেট এর সৌজন্যে