মুক্তাঙ্গন

rss-posts rss-comments
  • ব্লগবাড়ি
  • উদ্যোগ
    • মুক্তাঙ্গন পোর্টাল
      • Muktangon Facebook Group
      • মুক্তাঙ্গন ওয়ার্কগ্রুপ
    • ICSF PORTAL
      • E-Library '71
      • Media Archive '71
      • ICSF Blog
      • ICSF Discussion Groups
      • ICSF-Wiki Coordination Project
  • ইতিবৃত্ত
    • মুক্তাঙ্গন ঘোষণা
    • কৃতজ্ঞতা স্বীকার
  • লিখতে আগ্রহী?
    • সম্পাদনা ও মডারেশন
    • লেখক ক্যালেন্ডার
  • যোগাযোগ
  • কারিগরি সাহায্য
    • Bangla Settings
    • Keyboard layouts
    • কারিগরি জিজ্ঞাসা
    • সমস্যা রিপোর্ট করুন
  • আর্কাইভ
  • আনবাড়ি

আহমেদ মুনির

আহমেদ মুনির


সংক্ষিপ্ত পরিচিতি

চট্টগ্রামে বসবাসরত। পেশা : লেখালেখি। জীবিকা : সাংবাদিকতা।




  • অন্দরমহল



    • নিবন্ধন | পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার


  • অক্ষরের আকার



    লেখাকে ঘিরে আলোচনা

      ১৪ অক্টোবর ২০০৯, বুধবার
    • মন্তব্যে~হাসিব

    • ১২ অক্টোবর ২০০৯, সোমবার
    • মন্তব্যে~অবিশ্রুত

    • ৯ অক্টোবর ২০০৯, শুক্রবার
    • মন্তব্যে~আহমেদ মুনির

    সবুজ কুলের দেশ

    লিখেছেন: আহমেদ মুনির | ৯ অক্টোবর ২০০৯, শুক্রবার | ২৪ আশ্বিন ১৪১৬

    বিষয়: অনুবাদ, উপন্যাস, বইয়ের ভুবন, লেখক, সাম্প্রতিক, সাহিত্য | ৩ টি মন্তব্য | ইমেইল / প্রিন্ট করুন: Email This Post Print This Post

    Share Tweet

    এ বছর সাহিত্যে নোবেল বিজয়ী হেয়ার্টা ম্যুলারের একটি বিখ্যাত উপন্যাস সবুজ কুলের দেশ। গ্রন্থটি জার্মান ভাষা থেকে ইংরেজিতে অনূদিত হয়েছে দ্য ল্যান্ড অব গ্রিন প্লাম্‌স্ নামে। ম্যুলারের এই উপন্যাস নানা কারণেই সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। তাঁর এই উপন্যাসের পাঠোত্তর প্রতিক্রিয়া লিখেছিলেন ল্যারি উল্ফ। উল্ফের সেই নাতিদীর্ঘ সমালোচনার সারাংশ থেকে ম্যুলারের সাহিত্যকীর্তি সম্পর্কে একটা সহজ ধারণা আমরা পেতে পারি।
    Herta_Mueller

    হেয়ার্টা ম্যুলারের এই উপন্যাসটির পটভূমি রচিত হয়েছে রুমানিয়ার বিগত কমিউনিস্ট শাসক নিকোলাই চসেস্কুর শাসনামলে। গ্রামাঞ্চল থেকে আসা দরিদ্র ছাত্রী লোলার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীনিবাসের কক্ষ থেকেই এর কাহিনীর সূত্রপাত। একটি উইমেন ইউনিভার্সিটির রুশ ভাষার ছাত্রী লোলা এই উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র হিসেবে আবির্ভূত হয়। লোলা এবং হোস্টেলে তার সহপাঠী রুমমেটরা বালিশের নিচে সাজসজ্জার সরঞ্জাম রাখে অতি গোপনে। চোখ কালো করার মাশকারা লাগিয়ে গোপনে রূপচর্চা করে তারা।

    লোলার নগরজীবনটা শুরু হয় দুঃস্বপ্নের মধ্য দিয়ে। শৈশব গ্রামে অতিবাহিত হয়েছে তার। নগরজীবনের জন্য নিজেকে পুরোপুরি প্রস্তুতও করে তোলা হয়নি। তার আগেই তাকে এসে পড়তে হয় দুঃস্বপ্নের নগরীতে। এখানে এসেই মর্মান্তিক যৌন নিপীড়নের শিকার হয় সে। এ ঘটনায় কেউ সাহায্যের হাত বাড়ায় না। বরং তাকে বহিষ্কার করা হয় কমিউনিস্ট পার্টি থেকে।

    পুরো উপন্যাসটি বয়ান করা হয়েছে লোলারই এক রুমমেটের মুখ দিয়ে। কমিউনিস্ট পার্টি হতে বহিষ্কৃত হবার পর লোলার ওপর নজরদারি চলছিল। সন্দেহের লক্ষ্যে পরিণত হয়েছিল সে। যার পরিণামে নিজের মাশকারার শিশি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে গিয়েছিল সে। লোলার বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে যাবার পর তার রুমমমেট বিছানা উল্টাতে গিয়ে অদ্ভুত এক দৃশ্য দেখতে পায়। সে দেখে বিছানার ঠিক মাঝখানে সেঁটে আছে একটা শূকরের কান। কোনোভাবেই ছাড়ানো যাচ্ছে না কানটাকে। যেন আঠা দিয়ে কেউ লাগিয়ে দিয়েছে। মেয়েটি বুঝতে পারে কানটি এখানেই থাকবে। অন্তত তাদের পাহারা দেওয়ার স্বার্থে। রুমানিয়ার গোপন পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থার সীমাহীন অত্যাচার এভাবেই শূকরের কানের ঘটনার মধ্য দিয়েই প্রকাশ করেছেন হেয়ার্টা ম্যুলার।

    সবুজ কুলের দেশ সম্পর্কে এককথায় বলতে গেলে একে নিপীড়িতের কবিতা বলাই শ্রেয়। এই কবিতার মধ্য দিয়ে রুমানিয়ার কমিউনিস্ট জমানার আধ্যাত্মিক ও জাগতিক অবস্থার করুণ চিত্র তুলে ধরেছেন লেখক। জীবন সেখানে কেমন নিষ্ঠুর ও কুৎসিত ছিল তা অনুধাবন করানোই ছিল লেখকের লক্ষ্য। বইটি রুমানিয়ার লেখা হলেও প্রকাশিত হয় জার্মানি থেকে। রুমানিয়ার সংখ্যালঘু জার্মান জনগোষ্ঠীর সদস্য ছিলেন ম্যুলার। ১৯৮৭ সালে রুমানিয়া ছেড়ে তিনি পাকাপাকিভাবে চলে যান জার্মানিতে।

    অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনালের সঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে ম্যুলার বলেন,

    আমার মায়ের ভাষা ছিল জার্মান। রুমানিয়ায় বাস করে জার্মান ভাষায় যখন তিনি কথা বলতেন তখন তাঁর ভাষা থেকে এক ধরনের বিচ্ছিন্নতার অবসাদ এসে আমাকে ঘিরে ধরত। তখন আমার মনে পড়ে যেত প্রাগে বসবাস করা কাফকার কথা। তিনিও তো একই বাস্তবতার মানুষ ছিলেন।

    হেয়ার্টা ম্যুলাররা ছিলেন জার্মান। হিটলারের জার্মান বাহিনী রুমানিয়ায় অনুপ্রবেশের পর একটা কালো ইতিহাসের চক্রে প্রবেশ করে তাঁদের পরিবার। ম্যুলার বলেন, ‘আমার বাবা ছিলেন হিটলারের এসএস বাহিনীর একজন সদস্য।’ এই ইতিহাস সারাজীবন তাড়া করে ফিরেছিল হেয়ার্টা ম্যুলারকে। তাঁর সবুজ কুলের দেশ উপন্যাসের নারী চরিত্রটিতেও এমন বাস্তবতা উপস্থিত। অতীতে তার পরিবারের সদস্যদের হিটলারের প্রতি সমর্থন এখনো তাড়িয়ে ফেরে মেয়েটিকে। তাই উপন্যাসের মেয়েটি হেয়ার্টার মতোই যুদ্ধে-বেঁচে-যাওয়া ইহুদি মেয়েদের দিকে তাকাতে ভয় পায়। কারণ ইতিহাসের এক লজ্জা সে বহন করছে। তাই রাস্তায় হাঁটতে থাকা কোনো সাদা-স্কার্ফ-পরা ইহুদি মেয়ে দেখলেই কুঁকড়ে যেতে হয়। এই চোখ দিয়ে কী করে তাকানো সম্ভব কোনো ইহুদি নারীর দিকে! বস্তুত বিংশ শতাব্দীর পূর্ব ইউরোপে ক্ষমতার হাত বদল, যুদ্ধ আর হত্যার রাজনীতির মধ্য দিয়ে বেড়ে উঠেছে কয়েকটি প্রজন্ম। হেয়ার্টা ম্যুলারও তেমনি এক প্রজন্মের নারী। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র লোলা ও বয়ানকারী তার বান্ধবী এই উন্মাদ-জগৎকে অস্বীকার করে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয়। কিন্তু হেয়ার্টা নিজে তা কখনো করার কথা ভাবেননি। নিজের অন্তর্গত শক্তিই তাঁকে বাঁচিয়ে রেখেছে। ইতিহাসের যুগসন্ধির এই নারী সাহিত্যিক পৃথিবীবাসীর জন্য আরো নতুন সব সাহিত্য সৃষ্টি করে যাবেন এটাই আশা করেন তাঁর পাঠকরা।

    Share Tweet
       
    পোস্ট কিংবা মন্তব্যে প্রকাশিত মতামত কোন অবস্থাতেই মুক্তাঙ্গন কর্তৃপক্ষের মতামতের প্রতিফলন নয়। বক্তব্যের দায়ভার লেখক এবং মন্তব্যকারীর নিজের। শুধুমাত্র "মুক্তাঙ্গন" নামের আওতায় প্রকাশিত বক্তব্যই ব্লগের যৌথ অবস্থানকে নির্দেশ করে।


    ৩ টি মন্তব্য/প্রতিক্রিয়া এসেছে এ পর্যন্ত:

    1. ১
      আহমেদ মুনির আহমেদ মুনির লিখেছেন:
      ৯ অক্টোবর ২০০৯, শুক্রবার সময়: ৮:৩১ অপরাহ্ণ
      [মন্তব্য-লিন্ক]

      বিডিনিউজ-এ প্রকাশিত দুটি প্রাসঙ্গিক লেখা :

      ১. নিজের একটি বই নিয়ে হেয়ার্টা ম্যুলার
      ২. হেয়ার্টা ম্যুলার-এর গল্প ‘অন্ত্যেষ্টির বয়ান’

      Reply
    2. ২
      অবিশ্রুত অবিশ্রুত লিখেছেন:
      ১২ অক্টোবর ২০০৯, সোমবার সময়: ৫:৪৪ পূর্বাহ্ণ
      [মন্তব্য-লিন্ক]

      কেউ লিখছেন হার্টা, কেউ লিখছেন হেয়ার্টা,- তো যেটাই হোক না কেন, আমি তাঁর নাম নোবেল পুরস্কার পাওয়ার আগে কখনোই শুনিনি। বার্লিন প্রাচীর ভাঙনের ত্রিশ বছর (১৯৮৯-২০০৯) পূর্তি উদযাপনের সঙ্গে কি এই পুরস্কারপ্রাপ্তির কোনও সম্পর্ক আছে?
      বইটির কাহিনীকে অবশ্য ইন্টারেস্টিং-ই মনে হচ্ছে। ধরুন, রূপচর্চা,- পুজিবাদী সমাজের পরিপ্রেক্ষিতে একে আমরা একেকজন কীভাবে দেখি? সেই রূপচর্চাকেই দেখছি সমাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রের পরিপ্রেক্ষিতে ‘হস্তক্ষেপে’র ‘শিকার’ হতে। সাজগোছ ছাড়াই সে ধর্ষণের শিকারও হচ্ছে, কাহিনী-সূত্রে এরকম মনে হচ্ছে। নারীর জন্যে সমাজতান্ত্রিক সমাজও নিরাপদ নয়, এই পর্যবেক্ষণ খুব সুস্পষ্ট।
      প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে ধর্ষণ ইদানিং বেড়ে গেছে। নারী সংগঠনগুলি কিন্তু এ ব্যাপারে আর আগের মতো উচ্চকিত নন। একজন নারী নেত্রী দেখলাম,সাক্ষাৎকারে বলছেন, এগুলি রাজনৈতিক ধর্ষণ নয়। তারপরও আমরা প্রতিবাদ করছি। এই-এই কর্মসূচি পালন করছি।
      কী দারুণ ভাষ্য, যেন রাজনৈতিক ধর্ষণ না হলে বোঝা ও অপরাধ অনেকটা হালকা হয়ে যায়!
      এর বিপরীতে পার্টির একনায়কত্ব রুমানিয়ায় যে-রাজনৈতিক ধর্ষণের ও বহিষ্কারেরর মধ্যে দিয়ে তা চাপা দেয়ার (এই উপন্যাসের কাহিনী-সূত্র অনুযায়ী) সংস্কৃতি চালু করেছিল, তাতে নজরদারীর প্রক্রিয়া এত সর্বব্যপ্ত হয়েছিল কেমন করে, তা কি উপন্যাসটায় তুলে আনা হয়েছে? না কি ব্যক্তির নিরিখ থেকেই যাবতীয় ঘটনাবলী বিবেচনা করা হয়েছে? ব্যক্তির অভিজ্ঞতা সর্বজনীন হয়ে ওঠার শর্তগুলি কি তেমন স্পষ্ট এতে?
      কারও বইটি পড়া থাকলে জানানোর জন্যে অনুরোধ করছি।
      আহমেদ মুনীরকে ধন্যবাদ, ম্যুলারের একটি বইয়ের সঙ্গে খানিকটা পরিচয় করিয়ে দেবার জন্যে।

      Reply
    3. ৩
      হাসিব লিখেছেন:
      ১৪ অক্টোবর ২০০৯, বুধবার সময়: ৫:১৩ অপরাহ্ণ
      [মন্তব্য-লিন্ক]

      সঠিক উচ্চারণ “হ্যারটা ম্যুলার” ।

      Reply

    আলোচনায় অংশগ্রহণ করতে নিচের মন্তব্য-ফর্ম ব্যবহার করুন:

    =নিয়মাবলি=
    * ভাষা: মন্তব্যের ভাষা হওয়া উচিত (মূলত) বাংলা — অবশ্যই বাংলা হরফে। আর ভাষারীতি লেখ্যভাষা হিসেবে প্রচলিত প্রমিত বাংলা হওয়াই শ্রেয়।
    ** মডারেশন: মন্তব্যের ক্ষেত্রে এখানে প্রাক-অনুমোদন মডারেশনের চর্চা নেই। তবে যে-সব কারণ উপস্থিত থাকলে প্রকাশিত মন্তব্য বিনা নোটিশে (এবং কোনো ধরণের কারণ-দর্শানো ছাড়াই) পুরোপুরি মুছে দেয়ার বা আংশিক সম্পাদনা করার অধিকার "মুক্তাঙ্গন" সংরক্ষণ করে, সেগুলো হলো: (ক) সাধু এবং চলিত রীতির সংমিশ্রণ; (খ) ত্রুটিপূর্ণ বানানের আধিক্য; (গ) ভাষার দুর্বল, আঞ্চলিক, অগ্রহণযোগ্য বা ছাপার অযোগ্য প্রয়োগ; (ঘ) ব্যক্তিগত আক্রমণ প্রবণতা, ছিদ্রান্বেষণ ও কলহপ্রিয়তা; (ঙ) অপ্রাসঙ্গিকতা ও বক্তব্যহীনতা। এ ব্যাপারে মডারেশন টিমের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে। তাই, চূড়ান্তভাবে পেশ করার আগে "প্রাকবীক্ষণ"-এর মাধ্যমে নিজ-মন্তব্যের প্রকাশিতব্য রূপ যাচাই করে নিন।
    *** নিবন্ধিত লেখকদের প্রতি: লেখকের নিজস্ব পাতার প্রকাশিত কাজের তালিকায় আপনার পেশ করা মন্তব্যের তালিকাভুক্তি নিশ্চিত করতে লগ-ইন করা অবস্থায় মন্তব্য করুন।
    >>প্রত্যুত্তরটি না পাঠাতে মনস্থির করলে "এখানে" ক্লিক করুন<<


    অভ্র প্রভাত ফোনেটিক ইউনিজয় ইংরেজী
    ------------(মাউস ক্লিক করে বাংলা লিখুন)------------
    ক খ গ ঘ ঙ চ ছ জ ঝ ঞ ট ঠ ড ঢ ণ
    ত থ দ ধ ন প ফ ব ভ ম য র ল শ ষ
    স হ ক্ষ ড় ঢ় য় ৎ ং ঃ ঁ । ॥ ৳ র-ফলা‌‌‌
    অ আ ই ঈ উ ঊ ঋ এ ঐ ও ঔ     য-ফলা
      া ি ী ু ূ ৃ ে ৈ ো ৌ     রেফ
      ০ ১ ২ ৩ ৪ ৫ ৬ ৭ ৮ ৯     ZWNJ
    স্পেসবার নতুন লাইন যুক্ত করুন/হসন্ত ZWJ


    বাংলায় মতামত লিখতে নিচের যে কোন একটি পদ্ধতি বেছে নিন:
    (ক) সংযুক্ত চারটি বাংলা কী‌বোর্ডের (ইউনিজয়, ফোনেটিক, প্রভাত) যে কোন একটি বেছে নিয়ে; অথবা, (খ) গুগল বাংলা ট্রান্সলিটারেশন টুল ব্যবহার করেও সহজে বাংলা লেখা সম্ভব। বাংলা অক্ষর চালু/বন্ধ করতে ctrl+g চাপুন। শব্দটি ইংরেজী হরফে লিখে ফেলে স্পেসবার চাপুন, তাহলেই সেটি বাংলায় রূপান্তরিত হবে (একই শব্দের একাধিক বানান-বিকল্প শব্দটির উপরে মাউস রেখে ক্লিক করে দেখে নেয়া যায়); অথবা, (গ) মাউস ক্লিক করে বাংলা লিখুন; অথবা, (ঘ) আপনার কম্পিউটারে অভ্র কীবোর্ড স্থায়ীভাবে ইনস্টল করে নিয়ে। কীবোর্ডগুলোর ব্যবহার বা লে‌-আউট জানা না থাকলে "বাংলা বর্ণমালা বিভ্রাট" লিংক অথবা "বাংলা কীবোর্ড লে-আউট" লিংক থেকে বিস্তারিত জেনে নিন। এরপরও সমস্যার সম্মূখীন হলে ব্লগ এডমিন এর কাছে সাহায্যের জন্য লিখুন।

    কপিরাইট © ২০০৮ নির্মাণ | ওয়ার্ডপ্রেস নির্ভর "মুক্তাঙ্গন" এর থীম রিফিউলড.নেট এর সৌজন্যে